আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে জীবনের লড়াই জেতার কৌশল শেখায় দা আর্ট অফ ওয়ার।
Key Takeaways
- নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ জেতার পথ।
- দীর্ঘমেয়াদী স্ট্র্যাটেজি ও ধৈর্য্যই সফলতার মূল চাবিকাঠি।
- নিজেকে ভালোভাবে জানা ছাড়া অন্যকে পরাজিত করা সম্ভব নয়।
- শক্তি প্রদর্শনের চেয়ে শক্তি সংরক্ষণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
- শান্ত ও পর্যবেক্ষণশীল মনোভাব জীবনের কঠিন লড়াই জেতায় সহায়ক।
What the video covers
- দা আর্ট অফ ওয়ার শুধু যুদ্ধের বই নয়, এটি মানুষের সাইকোলজি, ডিসিশন মেকিং, টাইমিং, স্ট্র্যাটেজি ও পাওয়ারের বই।
- সঠিক লড়াই বেছে নেওয়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করাই জীবনে বড় জয়ের মূল চাবিকাঠি।
- শত্রুকে জানার আগে নিজেকে জানা জরুরি, কারণ নিজের দুর্বলতা না জানলে সহজেই ম্যানিপুলেট হওয়া যায়।
- দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও ধৈর্য্য বেশি ফলপ্রসূ।
- শক্তি সবসময় চোখে দেখা যায় না, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানুষ চুপচাপ প্রস্তুতি নেয়।
- নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অন্যের কন্ট্রোলে পড়া সহজ।
- জীবনকে দাবার মতো ভাবা উচিত, যেখানে পাঁচ চাল আগে চিন্তা করা প্রয়োজন।
- অপ্রয়োজনীয় লড়াই এড়িয়ে নিজের এনার্জি সংরক্ষণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
- শান্ত থাকা ও পর্যবেক্ষণ করাই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, কারণ তা রিয়েকশনের চেয়ে শক্তিশালী।
- সঠিক প্রস্তুতি ছাড়া লড়াই শুরু করলে পরাজয় নিশ্চিত।
Chapters
- 00:00দা আর্ট অফ ওয়ার: যুদ্ধের বাইরেও একটি জীবনদর্শন
- 01:44শক্তি ও প্রস্তুতির প্রকৃত অর্থ
- 03:22দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও ধৈর্য্যের গুরুত্ব
- 05:04নিজেকে জানা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ
- 06:50শান্ত মনোভাব ও কন্ট্রোলের শক্তি
- 08:35সঠিক প্রস্তুতি ও স্ট্র্যাটেজির প্রয়োজনীয়তা
- 10:21অপ্রয়োজনীয় লড়াই এড়িয়ে এনার্জি সংরক্ষণ
- 12:00শান্ত থাকা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জয়
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
তুমি কি জানো ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধটা তলোয়ার দিয়ে জেতা হয়নি, জেতা হয়েছিল মাথা দিয়ে। আর এজন্যই কিছু মানুষ দুর্বল হয়েও জিতে যায়, আর কিছু মানুষ শক্তিশালী হয়েও হেরে যায়। কেন? কারণ তাদের লড়াই করতে জানা আছে, কিন্তু ভাবতে জানা নেই। আর্ট অফ ওয়ার শুধু যুদ্ধের বই নয়, এটা মানুষের সাইকোলজি, ডিসিশন মেকিং, টাইমিং, স্ট্র্যাটেজি আর পাওয়ারের বই। এইজন্যই আজও বিজনেস লিডাররা, সিইওরা, মিলিটারি কমান্ডাররা, নেগোশিয়েটররা আর সাকসেসফুল অন্ট্রপ্রেনওররা এই বইটা পড়ে। কারণ সঞ্জু বলেছেন, সবচেয়ে বড় জয় হলো সেটা যার জন্য লড়াই করতে হয় না। এখন ভাবো।
Speaker A
তোমার জীবনের কত লড়াই তুমি নিজেই তৈরি করো। প্রতিটা আর্গুমেন্টে জিততে চাও, প্রতিটা ইনসাল্টের জবাব দিতে চাও, প্রতিটা কম্পিটিশনে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাও, আর তারপর বলো, আমার জীবনে অনেক স্ট্রেস। কিন্তু সত্যিই কি প্রতিটা লড়াই লড়া দরকার? এখান থেকেই একজন স্ট্র্যাটেজিস্ট আর একজন আবেগী মানুষের মধ্যে পার্থক্য শুরু হয়। এখন কল্পনা করো, দুজন মানুষ আছে। প্রথমজন প্রতিটা কথায় রিয়েক্ট করে, কেউ কিছু বললেই সাথে সাথে জবাব দেয়, কেউ চ্যালেঞ্জ করলেই প্রমাণ করতে বেরিয়ে পড়ে। দ্বিতীয় জন প্রতিটা পরিস্থিতি আগে অবজার্ভ করে, ভাবে, বোঝে, তারপর ডিসিশন নেয়।
Speaker A
কে জিতবে? বেশিরভাগ মানুষ ভাববে যে এগ্রেসিভ সেই জিতবে, কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। ইতিহাস বলে যে পেশেন্স রাখে, সেই দীর্ঘমেয়াদে যেতে পারে। এখন একটা গভীর সত্য। তোমার সবচেয়ে বড় শত্রু আরেকজন মানুষ নয়, তোমার ইম্পালসিভ চিন্তা ভাবনাই তোমার শত্রু। কারণ যখনই তুমি না ভেবে রিএক্ট করো, ঠিক সেই মুহূর্তেই তুমি নিজের অ্যাডভান্টেজ হারিয়ে ফেলো। সঞ্জু বলেছেন, যদি শত্রু তোমাকে প্রভাবিত করতে পারে, তার মানে সে তোমাকে কন্ট্রোল করতে পারে। এখন নিজেকে জিজ্ঞেস করো, কতবার কারো একটা কথা তোমার পুরো দিন নষ্ট করে দেয়? কতবার একটা কমেন্ট তোমার কনফিডেন্স নাড়িয়ে দেয়? কতবার কারো সাকসেস দেখে তুমি নিজের পথ ভুলে যাও? যদি এমন হয়, তাহলে বুঝে নাও তোমার মনটা এখনো অন্যের কন্ট্রোলে আছে। আর যে মানুষ নিজের মনের রাজা হতে পারে না, সে কোন ফিল্ডের রাজা হতে পারে না।
Speaker A
এখন কল্পনা করো, কেউ তোমাকে অপমান করছে আর তুমি হাসিমুখে এগিয়ে যাচ্ছ। কেউ তোমাকে আন্ডার এস্টিমেট করছে আর তুমি চুপচাপ নিজের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছ। কেউ তোমার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করছে আর তুমি নিজের এনার্জি তাকে হারানোর জন্য নয়, নিজেকে আরো ভালো বানানোর জন্য খরচ করছো। এটাই স্ট্র্যাটেজি, এটাই ইন্টেলিজেন্স, আর এটাই দা আর্ট অফ ওয়ারের প্রথম শিক্ষা। প্রতিটা লড়াই যে লড়ে সে যোদ্ধা নয়, আসল যোদ্ধা সেই যে সঠিক লড়াইটা বেছে নেয়।
Speaker A
এখন আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। জীবন দাবার মতো। প্রতিটা মুভ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ শুধু পরের চালটা দেখে। স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা পাঁচটা চাল আগে দেখে। এইজন্যই সাধারণ মানুষ আজকের সুখের জন্য ডিসিশন নেয়, কিন্তু এক্সট্রা অর্ডিনারি মানুষ পাঁচ বছর পরের জীবনের জন্য ডিসিশন নেয়। এখন ভাবো, যদি তুমি প্রতিটা ডিসিশন নেওয়ার আগে শুধু একটা প্রশ্ন করা শুরু করো, "এর প্রভাব আমার জীবনে পাঁচ দিন পরে না, পাঁচ বছর পরে কি হবে?" তাহলে তোমার কত ডিসিশন বদলে যাবে, হয়তো অনেক। কারণ তখন তুমি ইনস্ট্যান্ট প্লেজার না, লং টার্ম ভিক্টরি বেছে নেবে। আর এটাই সুনজুর ফিলোসফি, শর্ট টার্ম আবেগ না, লং টার্ম স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করো।
Speaker A
এখন শেষ একটা কথা। আজকের দুনিয়ায় সবাই খুব তাড়াতাড়ি ছুটছে, কিন্তু খুব কম মানুষ জানে তাদের যেতে হবে কোথায়। আর ডাইরেকশন ছাড়া স্পিড শুধু ক্লান্তি করে, গন্তব্যে পৌঁছায় না। তাই দা আর্ট অফ ওয়ারের প্রথম শিক্ষাই এটা, শক্তির আগে ভাবো, স্পিডের আগে স্ট্র্যাটেজি বানাও। আর অ্যাকশনের আগে নিজের মনকে জিততে শেখো। কারণ যে নিজের মনের লড়াইটা জিতে নিয়েছে, সে দুনিয়ার অর্ধেক লড়াই আগেই জিতে নিয়েছে।
Speaker A
কিন্তু এখানে একটা কথা আছে, যেটা সুনজু বারবার বোঝান, আর যেটা আজকের দুনিয়া সবচেয়ে বেশি ইগনোর করে। প্রতিটা শক্তি চোখে দেখা যায় না। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানুষ সে না যে সবচেয়ে বেশি শব্দ করে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানুষ সে যে চুপচাপ প্রস্তুতি নেয়। আর্ট অফ ওয়ারের সবচেয়ে বড় প্রিন্সিপাল এটাই। নিজেকে দুর্বল দেখাও যখন তুমি শক্তিশালী, আর শক্তিশালী দেখাও যখন তুমি দুর্বল। এর মানে শুধু যুদ্ধ না, এর মানে হলো তোমার প্রতিটা প্ল্যান, প্রতিটা স্বপ্ন, প্রতিটা স্ট্র্যাটেজি সবাইকে বলে দিও না।
Speaker A
এখন ভাবো, তুমি নতুন একটা গোল ঠিক করলে আর পরের দিনই ১০ জনকে বলে দিলে, "আমি এটা করব। আমি এই বিজনেস শুরু করছি। আমি আমার লাইফস্টাইল বদলে দেবো।" কিন্তু কয়েক মাস পর সেই গোলের আর কোন খোঁজই থাকে না। কেন এমন হয়? কারণ তুমি অ্যাকশনের আগেই অ্যানাউন্সমেন্ট করে দিয়েছো। আর অনেক সময় ব্রেইন শুধু বলে দিলেই অ্যাচিভমেন্টের মত ফিল করা শুরু করে। এই জন্যই বুদ্ধিমান মানুষ কম বলে, বেশি করে।
Speaker A
এখন কল্পনা করো, দুজন মানুষ ম্যারাথনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথমজন প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট দিচ্ছে, ডে ওয়ান, ডে ফাইভ, ডে টোয়েন্টি। দ্বিতীয় জন চুপচাপ প্র্যাকটিস করছে, কোনো অ্যানাউন্সমেন্ট নেই, কোনো শব্দ নেই। রেসের দিন কে জিততে পারে বেশি? সেই যে নিজের এনার্জি দেখানোর জন্য না, বাড়ানোর জন্য খরচ করেছে। এটাই স্ট্র্যাটেজি।
Speaker A
এখন আরেকটা গভীর সত্য। সুনজু বলেছেন, যদি জিততে চাও, তাহলে আগে ব্যাটল ফিল্ড বুঝে নাও। না বুঝে লড়াই শুরু করা মানে হারকে নিজে ডেকে আনা। এখন এই কথাটা জীবনে এপ্লাই করো। তুমি বিজনেস শুরু করতে চাও, কিন্তু মার্কেট বোঝো না। তুমি ইনভেস্টমেন্ট করতে চাও, কিন্তু নলেজ নাও না। তুমি রিলেশনশিপ চাও, কিন্তু সামনের মানুষটাকে বোঝোই না। আর তারপর যখন জিনিসগুলো ফেইল হয়, তুমি বলো আমার কপাল খারাপ ছিল। না, প্রবলেম কপাল না, প্রবলেম ছিল প্রেপারেশন।
Speaker A
এখন কল্পনা করো, একজন স্টুডেন্ট সারা বছর ধরে প্ল্যানিং করে, সিলেবাস বোঝে, নিজের দুর্বলতা খুঁজে বের করে, প্র্যাকটিস করে। আর আরেকজন স্টুডেন্ট এক্সামের পাঁচ দিন আগে পড়া শুরু করে। দুজনের ইন্টেলিজেন্স একই হতে পারে, কিন্তু রেজাল্ট আলাদা হবে। কেন? কারণ স্ট্র্যাটেজি সবসময় স্পিডের চেয়ে বড়।
Speaker A
এখন আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। বেশিরভাগ মানুষ শুধু অপরচুনিটি দেখে। স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা রিস্কও দেখে। এটাই তাদের আলাদা করে তোলে। যদি প্রতিটা চকচকে অপরচুনিটির পেছনে না ভেবে দৌড়াও, একদিন তুমি নিজেই ফাঁদে পড়ে যাবে। সুনজু বলেছেন, প্রতিটা চকচকে জিনিসই জয় না। অনেক সময় যেটা সহজ মনে হয়, সেটাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ।
Speaker A
এখন ভাবো, আজ কতজন কুইক মানি, ইনস্ট্যান্ট সাকসেস, ওভারনাইট ফেমের পেছনে ছুটছে। কিন্তু কতজন পেশেন্স, স্কিল আর লং টার্ম প্ল্যানিং নিয়ে কাজ করছে। এই জন্যই কিছু মানুষ কয়েক মাসেই হারিয়ে যায়, আর কিছু মানুষ বছরের পর বছর রেলেভেন্ট থেকে যায়। কারণ তারা শর্টকাট না, স্ট্র্যাটেজি বেছে নিয়েছিল।
Speaker A
এখন আরেকটা গভীর সত্য। যদি তুমি প্রতিবার আবেগ দিয়ে ডিসিশন নাও, তাহলে কেউ না কেউ তোমাকে ম্যানিপুলেট করে ফেলবে। কারণ আবেগী মানুষ প্রেডিক্টেবল হয়, কিন্তু শান্ত মানুষ বিপদজনক হয়। কারণ সে রিয়েক্ট করে না, সে অবজার্ভ করে। আর অবজারভেশন সবসময় রিয়েকশনের চেয়ে শক্তিশালী।
Speaker A
এখন কল্পনা করো, কেউ তোমাকে প্রভাবিত করছে, তার আশা তুমি রেগে যাবে, কিন্তু তুমি শুধু হাসিমুখে চুপ থাকো। সেই মুহূর্তে কন্ট্রোল কার হাতে তোমার? কারণ যে নিজের আবেগের উপর কন্ট্রোল নিয়েছে, তাকে কেউ সহজে কন্ট্রোল করতে পারে না। আর এটাই সুনজুর দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় শিক্ষা। যুদ্ধ জেতার আগে নিজের রিএকশনের উপর জয় অর্জন করো। কারণ যে মানুষ প্রতিটি পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে ভাবতে পারে, সেই সবচেয়ে কঠিন লড়াইও জিততে পারে।
Speaker A
কিন্তু এখন সুনজু এমন একটা কথা বলেন, যেটা আজকের সময় আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিটা মানুষকে হারানো জরুরি না। অনেক সময় সবচেয়ে বড় জয় কাউকে হারানোতে না, অকারণ লড়াই থেকে বেঁচে যাওয়াতে থাকে। আর্ট অফ ওয়ার বলে একজন বুদ্ধিমান যোদ্ধা তার শক্তি সব জায়গায় খরচ করে না। সে তার এনার্জি বাঁচিয়ে রাখে শুধু সেই লড়াইয়ের জন্য, যেটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।
Speaker A
এখন ভাবো, তুমি প্রতিদিন তোমার কতটা মেন্টাল এনার্জি এমন জিনিসের পেছনে খরচ করো, যেগুলো একদমই জরুরি না। কারো কমেন্ট, কারো অপিনিয়ন, কারো হিংসা, কারো নেগেটিভিটি। আর ধীরে ধীরে তোমার মন ক্লান্ত হতে থাকে। তারপর যখন জীবনের আসল চ্যালেঞ্জ আসে, তখন তোমার কাছে লড়ার শক্তিই থাকে না। এইজন্যই স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা নিজের এনার্জিকেও রক্ষা করে। কারণ যে নিজের এনার্জি হারিয়েছে, সে অর্ধেক লড়াই আগেই হেরে গেছে।
Speaker A
এখন কল্পনা করো, তোমার আমার সামনে দুটো পথ আছে। প্রথমটা প্রতিটা ডিবেটে ঝাপিয়ে পড়া, প্রতিটা ইনসাল্টের জবাব দেওয়া, প্রতিটা কথা প্রমাণ করা। দ্বিতীয়টা চুপ থাকা, নিজের কাজ করা আর রেজাল্ট দিয়ে জবাব দেওয়া। দুজনের মধ্যে বেশি শক্তিশালী কে? সেই যাকে নিজেকে প্রমাণ করার দরকার হয় না। কারণ কনফিডেন্স শব্দ করে না, কনফিডেন্স কাজ করে।
Speaker A
এখন আরেকটা গভীর সত্য। সুনজু বলেছেন, তোমার শত্রুকে জানো, কিন্তু তার আগে নিজেকে জানো। যদি তুমি নিজের স্ট্রেন্থ না জানো, নিজের উইকনেস না জানো, নিজের আবেগ না বোঝো, তাহলে যে কেউ তোমাকে সহজেই ম্যানিপুলেট করতে পারবে। এখন নিজেকে জিজ্ঞেস করো, তুমি সবচেয়ে তাড়াতাড়ি কোন বিষয়ে রেগে যাও? কোন জিনিসে তুমি ডিস্ট্রাক্ট হয়ে যাও? কোন পরিস্থিতিতে তুমি সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ভয় পাও? যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর...
Speaker A
জিনিসগুলো ফেইল হয় তুমি বলো আমার কপাল খারাপ ছিল। না প্রবলেম কপাল না প্রবলেম ছিল প্রেপারেশন। এখন কল্পনা করো একজন স্টুডেন্ট সারা বছর ধরে প্ল্যানিং [মিউজিক] করে। সিলেবাস বোঝে নিজের দুর্বলতা খুঁজে বের করে প্র্যাকটিস করে। আর আরেকজন স্টুডেন্ট এক্সামের পাঁচ দিন
Speaker A
আগে পড়া শুরু করে। দুজনের ইন্টেলিজেন্স একই [মিউজিক] হতে পারে কিন্তু রেজাল্ট আলাদা হবে। কেন? কারণ স্ট্র্যাটেজি সবসময় স্পিডের চেয়ে বড়। এখন আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। বেশিরভাগ মানুষ শুধু অপরচুনিটি দেখে। স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা রিস্কও দেখে। এটাই তাদের আলাদা করে তোলে। যদি প্রতিটা
Speaker A
চকচকে অপরচুনিটির পেছনে না ভেবে দৌড়াও একদিন তুমি নিজেই ফাঁদে [মিউজিক] পড়ে যাবে। সুনজু বলেছেন প্রতিটা চকচকে জিনিসই জয় না। অনেক সময় যেটা সহজ মনে হয় সেটাই সবচেয়ে বড় [মিউজিক] ফাঁদ। এখন ভাবো আজ কতজন কুইক মানি, ইনস্ট্যান্ট সাকসেস ওভারনাইট ফেমের পেছনে ছুটছে। [মিউজিক]
Speaker A
কিন্তু কতজন পেশেন্স, স্কিল আর লং টার্ম প্ল্যানিং নিয়ে কাজ করছে। এই জন্যই কিছু মানুষ কয়েক মাসেই হারিয়ে [মিউজিক] যায়। আর কিছু মানুষ বছরের পর বছর রেলেভেন্ট থেকে যায়। কারণ তারা শর্টকাট না স্ট্র্যাটেজি [মিউজিক] বেছে নিয়েছিল। এখন আরেকটা গভীর সত্য যদি তুমি প্রতিবার আবেগ
Speaker A
দিয়ে ডিসিশন নাও তাহলে কেউ না কেউ তোমাকে ম্যানিপুলেট করে ফেলবে [মিউজিক] কারণ আবেগী মানুষ প্রেডিক্টেবল হয় কিন্তু শান্ত মানুষ বিপদজনক হয় কারণ সে [মিউজিক] রিয়েক্ট করে না সে অবজার্ভ করে আর অবজারভেশন সবসময় রিয়েকশনের চেয়ে শক্তিশালী এখন কল্পনা করো কেউ তোমাকে
Speaker A
প্রভোগ করছে তার আশা তুমি রেগে যাবে কিন্তু তুমি শুধু হাসি মুখে চুপ [মিউজিক] থাকো সেই মুহূর্তে কন্ট্রোল কার হাতে তোমার কারণ কারণ যে নিজের আবেগের উপর কন্ট্রোল নিয়ে [মিউজিক] নিয়েছে তাকে কেউ সহজে কন্ট্রোল করতে পারে না। আর এটাই
Speaker A
সুনজুর দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় শিক্ষা। যুদ্ধ জেতার আগে নিজের [মিউজিক] রিএকশনের উপর জয় অর্জন করো। কারণ যে মানুষ প্রতিটি পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে ভাবতে পারে সেই সবচেয়ে কঠিন লড়াইও জিততে পারে। কিন্তু এখন সুনজু এমন একটা কথা বলেন যেটা আজকের সময় আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে
Speaker A
উঠেছে। প্রতিটা মানুষকে হারানো জরুরি না। অনেক সময় সবচেয়ে বড় জয় কাউকে হারানোতে না অকারণ লড়াই থেকে বেঁচে যাওয়াতে থাকে। [মিউজিক] আর্ট অফ ওয়ার বলে একজন বুদ্ধিমান যোদ্ধা তার শক্তি সব জায়গায় খরচ করে না। সে তার এনার্জি [মিউজিক] বাঁচিয়ে রাখে শুধু সেই লড়াইয়ের জন্য
Speaker A
যেটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। এখন ভাবো তুমি প্রতিদিন তোমার কতটা মেন্টাল এনার্জি এমন জিনিসের পেছনে খরচ করো যেগুলো [মিউজিক] একদমই জরুরী না কারো কমেন্ট কারো অপিনিয়ন কারো হিংসা কারো নেগেটিভিটি আর ধীরে ধীরে তোমার মন [মিউজিক] ক্লান্ত হতে থাকে তারপর যখন জীবনের আসল চ্যালেঞ্জ আসে তখন তোমার
Speaker A
কাছে লড়ার শক্তিই থাকে [মিউজিক] না এইজন্যই স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা নিজের এনার্জিকেও রক্ষা করে কারণ যে নিজের এনার্জি হারিয়েছে সে অর্ধেক লড়াই আগেই হেরে গেছে এখন কল্পনা করো তোমার আমার সামনে দুটো পথ আছে। প্রথমটা প্রতিটা ডিবেটে ঝাপিয়ে পড়া, [মিউজিক] প্রতিটা
Speaker A
ইনসাল্ট এর জবাব দেওয়া, প্রতিটা কথা প্রমাণ করা। দ্বিতীয়টা চুপ থাকা, নিজের কাজ করা আর রেজাল্ট দিয়ে জবাব দেওয়া। দুজনের মধ্যে বেশি শক্তিশালী কে? সেই যাকে নিজেকে প্রমাণ করার দরকার হয় না। কারণ কনফিডেন্স শব্দ করে না, কনফিডেন্স কাজ করে। এখন [মিউজিক] আরেকটা গভীর সত্য।
Speaker A
সুনজু বলেছেন, তোমার শত্রুকে জানো। কিন্তু তার আগে নিজেকে জানো। যদি তুমি নিজের স্ট্রেন্থ না [মিউজিক] জানো, নিজের উইকনেস না জানো, নিজের আবেগ না বোঝো তাহলে যে কেউ তোমাকে সহজেই ম্যানিপুলেট [মিউজিক] করতে পারবে। এখন নিজেকে জিজ্ঞেস করো, তুমি সবচেয়ে তাড়াতাড়ি কোন বিষয়ে [মিউজিক]
Speaker A
রেগে যাও? কোন জিনিসে তুমি ডিস্ট্রাক্ট হয়ে যাও। কোন পরিস্থিতিতে তুমি সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ভয় পাও? যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তোমার জানা না থাকে। তার মানে তুমি [মিউজিক] এখনো নিজেকে চেনোনি। আর সুনজু বলেছেন যে নিজেকে চেনে না সে প্রতিটা জয়ের পরেও একটা নতুন হাড়ের কাছাকাছি
Speaker A
থাকে। এখন কল্পনা করো তোমার প্রতিটা উইকনেস তোমার জানা আছে। তুমি জানো কখন তুমি আবেগী হয়ে যাও কখন ইম্পালসিভ ডিসিশন নাও কখন পেশেন্স হারিয়ে ফেলো। তাহলে কি হবে? ধীরে ধীরে তুমি সেই দুর্বলতাগুলোর উপর কাজ করা শুরু করবে। আর এটাই [মিউজিক]
Speaker A
সেলফ অওয়ারনেস। যেটা যেকোনো স্ট্র্যাটেজির ফাউন্ডেশন। এখন আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। বেশিরভাগ মানুষ নিজের শক্তি বাড়ানোতে ব্যস্ত থাকে, কিন্তু নিজের [মিউজিক] দুর্বলতাগুলো ইগনোর করে দেয়। আর সেই দুর্বলতাই একদিন তাদের সবচেয়ে বড় হার হয়ে ওঠে। একটা ছোট অভ্যাস পুরো ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে পারে।
Speaker A
একটা ভুল ডিসিশন [মিউজিক] বছরের পর বছরের পরিশ্রম মুছে দিতে পারে। তাই সুনজু বলেছেন, তোমার [মিউজিক] সবচেয়ে দুর্বল জায়গাটা রক্ষা করো। এই কথাটা জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যদি তোমার উইকনেস প্রোস্টিনেশন হয় তাহলে সবার আগে সেটার উপর কাজ করো। যদি তোমার উইকনেস
Speaker A
রাগ হয় তাহলে সবার আগে সেটাকে [মিউজিক] মাস্টার করো। যদি তোমার উইকনেস ইগো হয় তাহলে সবার আগে সেটাকে কন্ট্রোল করো। কারণ শত্রু সবসময় সেখানেই আক্রমণ করে যেখানে তোমার দেওয়াল সবচেয়ে দুর্বল। [মিউজিক] এখন আরেকটা গভীর সত্য। মানুষ মনে করে জয়
Speaker A
শুধু সাহস দিয়ে আসে। কিন্তু সুনজু বলেছেন শুধু সাহস যথেষ্ট না। সাহসের সাথে যদি উইজডম না থাকে তাহলে সেই সাহসই রেকলেসনেস হয়ে যায়। এই জন্যই অনেক মানুষ অনেক পরিশ্রম করে কিন্তু ভুল দিকে। খুব জোরে দৌড়ায় [মিউজিক] কিন্তু ভুল পথে। আর তারপর বলে আমি এত কিছু
Speaker A
করলাম তারপরেও হেরে গেলাম। কারণ পরিশ্রম জরুরি কিন্তু সঠিক দিক তার চেয়েও বেশি জরুরি। এখন কল্পনা করো একজন মানুষ ধীরে হাঁটছে কিন্তু সঠিক পথে আছে আর আরেকজন খুব জোরে দৌড়াচ্ছে কিন্তু ভুল পথে। শেষমেষ গন্তব্যে কে পৌঁছাবে সেই যে আগে দিক ঠিক
Speaker A
করেছে তারপর স্পিড বাড়িয়েছে। আর এটাই আর্ট অফ ওয়ারের সবচেয়ে প্র্যাক্টিক্যাল শিক্ষা। প্রতিটা অ্যাকশন নেওয়ার আগে থেমে ভাবো বোঝো তারপর এগিয়ে যাও। কারণ একটা সঠিক স্ট্র্যাটেজি 100 টা শক্তিশালী আক্রমণের চেয়েও বেশি পাওয়ারফুল। কিন্তু এখন সুনজু এমন একটা কথা বলেন যেটা শুধু
Speaker A
যুদ্ধ না পুরো জীবনটাই বদলে দিতে পারে। যে মানুষের কাছে প্ল্যান নেই সে ধীরে ধীরে অন্য কারো প্ল্যানের অংশ হয়ে যায়। এখন ভাবো যদি তুমি ঠিক না করো যে আগামী পাঁচ বছরে তোমাকে কোথায় পৌঁছাতে হবে তাহলে দুনিয়া তোমাকে সেখানেই নিয়ে যাবে যেখানে
Speaker A
তার সুবিধে। কখনো সোশ্যাল মিডিয়া, [মিউজিক] কখনো ট্রেন্ড, কখনো মানুষের এক্সপেক্টেশন আর কখনো পরিস্থিতি। এই জন্যেই স্ট্র্যাটেজিক মানুষরা নিজের ডিরেকশন নিজেই ঠিক করে। তারা হাওয়ার সাথে ভাসে না, তারা নিজের পথ নিজে বানায়। আর্ট অফ ওয়ার্ড বারবার শেখায়, যদি তোমার
Speaker A
ডেস্টিনেশন না জানা থাকে তাহলে যেকোনো পথই সঠিক মনে হতে থাকে। আর এটাই বেশিরভাগ মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা। তারা বিজি কিন্তু ডিরেকশনলেস। পরিশ্রম করছে কিন্তু কোন লক্ষ্যের জন্য সেটাই তার নিজের জানা নেই। এখন কল্পনা করো একটা জাহাজ সমুদ্রে বেরিয়ে পড়ে কিন্তু তার কাছে ম্যাপ নেই,
Speaker A
কম্পাস নেই, ডেস্টিনেশন নেই। কি হবে? সে চলতে থাকবে ঠিকই কিন্তু কোথাও পৌঁছাবে না। এই অবস্থা অনেক মানুষেরই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছুটছে কিন্তু কেন ছুটছে সেটাই তার নিজের জানা নেই। এখন আরেকটা গভীর সত্য। সুনজু বলেছেন প্রতিটা জয়ের শুরু হয়
Speaker A
প্রস্তুতি দিয়ে। মানুষ শুধু জয়টা দেখে কিন্তু স্ট্র্যাটেজিস্ট দেখে প্রিপারেশন। যখন দুনিয়া ঘুমোচ্ছে তখন সে শিখছে। যখন [মিউজিক] দুনিয়া সেলিব্রেট করছে তখন সে প্র্যাকটিস করছে। যখন দুনিয়া এক্সকিউজ বানাচ্ছে তখন সে সিস্টেম বানাচ্ছে। এই জন্যেই যখন অপরচুনিটি আসে তখন মানুষ বলে
Speaker A
ওর কপাল খুব ভালো। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা কি? কপাল না প্রিপারেশন। কারণ অপরচুনিটি শুধু প্রিপেয়ার্ড মনকেই দেখা দেয়। এখন কল্পনা করো দুজন মানুষ একই রকম অপরচুনিটি পেল। প্রথমজন স্কিললেস আনপ্রিপেয়ার্ড, কনফিউজড। দ্বিতীয় জন বছরের পর বছর নিজের উপর কাজ করছে, নলেজ বানাচ্ছে, ডিসিপ্লিন
Speaker A
ডেভেলপ করছে। বলতো অপরচুনিটি কার জীবন বদলে দেবে? সেই যে আগে থেকে প্রস্তুত ছিল। এই জন্যেই সুনজু বলেছেন, যুদ্ধ ময়দানে জেতা হয় না। যুদ্ধ তার অনেক আগেই জিতে নেওয়া হয় প্রিপারেশনে, প্ল্যানিং এ, ডিসিপ্লিনে। এখন [মিউজিক] আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। তোমার ডিসিশন তোমার
Speaker A
ভবিষ্যৎ বানায় কিন্তু তোমার প্রতিদিনের অভ্যাসই তোমার ডিসিশন বানায়। যদি প্রতিদিন তুমি না ভেবে ফোন তুলে নাও তাহলে একদিন তুমি না ভেবে ভুল অপরচুনিটিও নিয়ে নেবে। যদি প্রতিদিন তুমি অস্বস্তিকর কাজ থেকে পালাও তাহলে একদিন বড় দায়িত্ব থেকেও পালাবে। তাই স্ট্র্যাটেজিক জীবন
Speaker A
শুরু হয় ছোট অভ্যাস থেকে। এখন [মিউজিক] আরেকটা গভীর সত্য। সুনজু বলেছেন, নিজেকে কখনো আন্ডার এস্টিমেট করো না। [মিউজিক] এখন এটা জীবনে এপ্লাই করো। তোমার সবচেয়ে বড় অপোনেন্ট কে? আর কোন মানুষ না। তোমার আলসেমি তোমার ইনকনসিস্টেন্সি তোমার ইগো তোমার ওভার কনফিডেন্স। এরাই সেই শত্রু
Speaker A
যারা বাইরে না ভেতরে থাকে। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো এরা শব্দ না করেই তোমাকে দুর্বল করতে থাকে। এখন কল্পনা [মিউজিক] করো তুমি ভাবতে শুরু করলে এখন আমি সব জানি। সেদিন থেকেই তুমি শেখা বন্ধ করে দেবে। আর যেদিন শেখা বন্ধ হয়ে যায়
Speaker A
সেদিনই গ্রোথ ও থেমে যায়। এই জন্যই মহান স্ট্র্যাটেজিস্টরা কখনো নিজেকে কমপ্লিট মনে করে না। তারা প্রতিটা জয়ের পরও স্টুডেন্ট হয়েই থাকে। কারণ তারা জানে যেদিন অহংকার বাড়ে সেদিনই ডাউনফল শুরু হয়ে যায়। এখন শেষ একটা উপলব্ধি। জীবন প্রতিদিন তোমাকে টেস্ট করবে। কখনো
Speaker A
ফেইলিয়ার দিয়ে, কখনো সাকসেস দিয়ে। আর মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় সাকসেস ফেইলিয়ারের চেয়েও বেশি বিপদজনক। কারণ, ফেইলিয়ার তোমাকে শেখায় কিন্তু সাকসেস যদি তোমাকে হাম্বেল না রাখে, তাহলে সেই সাকসেসই তোমাকে কেয়ারলেস বানিয়ে দেয়। তাই সঞ্জু বলেছেন প্রতিটা জয়ের পর নিজেকে
Speaker A
জিজ্ঞেস করো আমি কি শিখলাম এটা না যে আমি কত মহান কারণ যে মানুষ প্রতিটা জয়ের পরও শিখতে থাকে তাকে হারানো ধীরে ধীরে প্রায় অসম্ভব হয়ে যায় আর এটাই একজন সাধারণ মানুষ আরেকজন [মিউজিক] মাস্টার স্ট্র্যাটেজিস্ট এর মধ্যে সবচেয়ে বড়
Speaker A
পার্থক্য কারণ শেষমেষ জীবন তোমার শক্তি কেনা তোমার চিন্তাভাবনাকে রিওয়ার্ড করে তুমি কতটা ইন্টেলিজেন্ট সেটা ততটা গুরুত্বপূর্ণ না যতটা গুরুত্বপূর্ণ চাপের সময় তুমি কতটা পরিষ্কারভাবে ভাবতে পারো আর্ট অফ ওয়ারের সবচেয়ে সুন্দর দিক এটাই। এটা তোমাকে শুধু জিততে শেখায় না। এটা
Speaker A
তোমাকে এমন একটা জীবন যাপন করতে শেখায় যেখানে তোমাকে বারবার লড়াই করতেই হয় না। কারণ সবচেয়ে পাওয়ারফুল মানুষ সে না যে বারবার নিজের শক্তি দেখায়। সবচেয়ে পাওয়ারফুল মানুষ সেই যাকে নিজের শক্তি প্রমাণ করার দরকারই পড়ে না। এখন কল্পনা করো তোমার সামনে দুজন মানুষ দাগিয়ে আছে।
Speaker A
প্রথমজন প্রতিটা ছোট কথায় নিজের সুপিরিয়রিটি প্রমাণ করতে যায়। দ্বিতীয়জন শান্ত কম কথা বলে বেশি অবজার্ভ করে। আর সঠিক সময় এলে একটা মাত্র ডিসিশন দিয়ে পুরো গেম বদলে দেয়। বলতো আসলে বিপদজনক কে? সেই যে নিজের এনার্জির রিয়েকশনে না প্রিপারেশনে খরচ করে। এই
Speaker A
জন্যই সুনজু বলেছেন নয়েজ না প্রিসিশন যেতে। এখন একটা গভীর সত্য। তোমার জীবন তোমার বড় ডিসিশন দিয়ে কম তোমার প্রতিদিনের [মিউজিক] চিন্তাভাবনা দিয়ে বেশি তৈরি হয়। যদি প্রতিদিন সকালে তুমি না ভেবে ওঠো তাহলে পুরো দিনটা অন্যের প্রায়োরিটিতে চলে যাবে। যদি প্রতিটা ডিসিশন আবেগ দিয়ে
Speaker A
[মিউজিক] নাও তাহলে রিগ্রেট বাড়বে। যদি প্রতিটা চ্যালেঞ্জকে আক্রমণ ভাবো তাহলে ক্লান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু যদি প্রতিটা পরিস্থিতিকে স্ট্র্যাটেজির মতো দেখা শুরু করো তাহলে সমস্যাগুলো তোমাকে অপরচুনিটি মনে হতে শুরু করবে। [মিউজিক] এটাই স্ট্র্যাটেজিস্টের মানসিকতা। এখন কল্পনা করো কেউ তোমাকে রিজেক্ট করে দিল। এভারেজ
Speaker A
মানসিকতা বলবে আমি হেরে গেলাম। স্ট্র্যাটেজিক মানসিকতা বলবে ইনফরমেশন পেয়ে গেলাম। এখন পরের চালটা আরো ভালো হবে। কোন বিজনেস ফেল হয়ে গেল। এভারেজ মানসিকতা নিজেকে দোষ দেবে। স্ট্র্যাটেজিক মানসিকতা সিস্টেম এনালাইজ করবে কোথায় ভুল হলো, কোন স্ট্র্যাটেজি দুর্বল ছিল আর
Speaker A
তারপর ফিরে আসবে আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে। এই জন্যই মহান মানুষরা ফেইলিয়ারকে ভয় পায় না। কারণ তাদের জন্য প্রতিটা হার একটা রিপোর্ট যেটা পরের জয়ের প্রস্তুতি করায়। এখন আরেকটা শক্তিশালী উপলব্ধি। সুনজু বলেছেন, যদি নিজের উপর কন্ট্রোল না থাকে, তাহলে যে কেউ যে কোোন
Speaker A
জায়গায় তোমাকে ঘুরিয়ে দিতে পারে। তাই সবার আগে নিজের আবেগকে ট্রেইন করো। নিজের পেশেন্স কে [মিউজিক] ট্রেইন করো। নিজের অবজারভেশন কে ট্রেইন করো। কারণ এই তিনটে স্কিলই তোমাকে ভিড় থেকে আলাদা করে। এখন কল্পনা করো তুমি এমন একজন মানুষ হয়ে গেলে
Speaker A
যে ইনসাল্টে রিয়েক্ট করে না। ভয়ে প্যানিক করে না, সাকসেস অ্যারোগেন্ট হয় না ইন্টার্নালি। ফেইলিয়ারে ভেঙে পড়ে না। আর ডিসিশন নেবার আগে সবসময় ভাবে। তাহলে কি হবে? ধীরে ধীরে তোমার আশেপাশের মানুষরাও তোমাকে আলাদা চোখে দেখতে শুরু করবে। [মিউজিক] কারণ এখন তুমি পরিস্থিতি দিয়ে না
Speaker A
প্রিন্সিপাল দিয়ে বাঁচছো। আর প্রিন্সিপালে বাঁচা মানুষরা সাময়িক [মিউজিক] না দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য তৈরি করে। এখন যদি এই বইয়ের গল্পটা তোমাকে শুধু মোটিভেট না করে বরং ভাবার একটা নতুন পথ দিয়ে থাকে তাহলে এটাকে এখানেই শেষ হতে দিও না। হয়তো তোমার আশেপাশের কেউ এখন
Speaker A
নিজের জীবনের ভুল লড়াই লড়ছে। আর তার এটা বোঝার দরকার যে প্রতিটা লড়াই জেতা জরুরি না। সঠিক লড়াই বেছে নেওয়া জরুরি। বুকবাস চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে পারো। কারণ এখানে শুধু সেলফ হেল্প পাওয়া যায় না। [মিউজিক] এখানে সেই টাইমলেস উইজডম পাওয়া
Speaker A
যায় যেটা তোমাকে মানসিকভাবে শার্প আবেগে স্টেবল আর স্ট্র্যাটেজিক্যালি শক্তিশালী বানায় আর কমেন্টে অবশ্যই লিখো সুনজুর কুশিক্ষাটা তোমার কাছে সবচেয়ে পাওয়ারফুল মনে হয়েছে নিজের রিএকশনের উপর কন্ট্রোল নাকি প্রতিটা লড়াই লড়া জরুরি না কারণ অনেক সময় একটা সঠিক প্রিন্সিপল পুরো
Speaker A
জীবনের [মিউজিক] ডিরেকশন বদলে দেয় এখন শেষ কথা যদি তুমি সত্যিই শিখতে চাও কিভাবে জীবনের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাঁচা যায় অন্য মানুষদের না আগে নিজেকে কিভাবে জেতা যায় সঠিক সময় সঠিক ডিসিশন কিভাবে নেয়া যায় আর অনাবশ্যক লড়াই না লড়েই বড় জয়
Speaker A
কিভাবে পাওয়া যায় তাহলে এই বইটা শুধু পড়ো না স্টাডি করো [মিউজিক] প্রতিটা চ্যাপ্টারের পর থামো ভাবো আর নিজেকে জিজ্ঞেস করো যদি আমি এই প্রিন্সিপলটা নিজের জীবনে এপ্লাই করি তাহলে আমার সবচেয়ে বড় সমস্যাটা শেষ হয়ে যেতে পারে এই প্রশ্নটাই এই বইকে ইনফরমেশন থেকে
Speaker A
ট্রান্সফরমেশন বানিয়ে দেবে আর মনে রেখো যে মানুষ প্রতিটা লড়াই জিততে চায় [মিউজিক] সে একদিন ক্লান্ত হয়ে যায় কিন্তু যে মানুষ সঠিক লড়াইটা বেছে নিতে শিখে যায় তাকে হারানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়
Topics:আত্মনিয়ন্ত্রণস্ট্র্যাটেজিআবেগ নিয়ন্ত্রণদা আর্ট অফ ওয়ারসাফল্যদীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনামানসিক শক্তিজীবনের লড়াইসুনজুবিজনেস স্ট্র্যাটেজি











