মাথা শান্ত-ভয় শেষ-জীবন সহজ ! Rewire Your Anxious Brain… — Transcript

মাথার অস্থিরতা ও ভয় কাটিয়ে জীবনের সহজ পথ শেখায় এই বই, যা মাইন্ডসেট ও হ্যাবিট পরিবর্তনের মাধ্যমে এংজাইটি কমায়।

Key Takeaways

  • এংজাইটি ব্রেনের ভুল সতর্কতা, যা ফেস করলে কমে।
  • ভয়কে ফাইট না করে অবজার্ভ করা উচিত।
  • লাইফস্টাইল পরিবর্তন ও পজিটিভ ইনপুট মাইন্ড হিলিংয়ে সাহায্য করে।
  • একসেপ্টেন্স মাইন্ডসেট এংজাইটি কমায়।
  • প্রেজেন্টে থাকা মানসিক শান্তির জন্য অপরিহার্য।

Summary

  • এংজাইটি মানে মস্তিষ্কের ভুল সতর্কতা সিস্টেম যা আপনাকে বিপদ মনে করায়, যদিও আসলে কোনো বিপদ নেই।
  • ভয়ের সাথে লড়াই না করে তাকে অবজার্ভ করে ফেস করলে এংজাইটি ধীরে ধীরে কমে।
  • ব্রেন প্রোটেক্টিভ মোডে থাকে, তাই নেগেটিভ চিন্তা করে, যা বর্তমান সময়ের জন্য প্রযোজ্য নয়।
  • ভয়ের মুখোমুখি হওয়া এবং এক্সপোজার থেরাপি ব্রেনকে শেখায় যে প্রতিটি পরিস্থিতি বিপদ নয়।
  • ভয় শেষ হলে নয়, অ্যাকশন নিলে ভয় কমে এবং কনফিডেন্স তৈরি হয়।
  • লাইফস্টাইল ও দৈনন্দিন অভ্যাস এংজাইটি বাড়ায়, তাই মাইন্ডে পজিটিভ ইনপুট দেওয়া জরুরি।
  • নিজের মনের সাথে একা বসে চিন্তা অবজার্ভ করা এবং ব্রিদিং অনুশীলন এংজাইটি কমাতে সাহায্য করে।
  • অতিরিক্ত কন্ট্রোলের চেষ্টা এংজাইটি বাড়ায়, একসেপ্টেন্স মাইন্ডসেট শান্তি আনে।
  • চিন্তা ও ভয়কে ফ্যাক্ট না ধরে অবজার্ভ করলে মানসিক চাপ কমে এবং ফ্রিডম আসে।
  • বর্তমানে থাকা ও প্রেজেন্ট মোমেন্টে ফোকাস করা এংজাইটি কমানোর মূল চাবিকাঠি।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
আপনার কি মনে হয় আপনার মাথা আপনার সাথে নেই? যখনই কিছু ভালো ভাবতে যান, হঠাৎ করে ভয় চলে আসে। কোন কারণ ছাড়াই অস্থিরতা। কোন কারণ ছাড়াই ওভারথিংকিং। আর তারপর নিজেকেই জিজ্ঞেস করেন, আমার সাথেই কেন এমন হয়? কিন্তু সত্যিটা জানেন? আপনার মাথা
00:19
Speaker A
খারাপ না। আপনার ব্রেন শুধু ওভার প্রটেক্ট করছে। হ্যাঁ। সে আপনাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু ভুলভাবে। রিওয়ার ইওর অংশিয়াস ব্রেন। বইটা এটাই বোঝায়। আপনার ব্রেনে দুটো সিস্টেম আছে। একটা যেটা [মিউজিক] চিন্তা করে, আরেকটা যেটা ফিল করে। আর সমস্যা তখন শুরু হয় যখন ফিল করার অংশটা চিন্তা করার অংশের চেয়ে দ্রুত হয়ে যায়।
00:44
Speaker A
মানে আপনার কাছে আসলে কোন বিপদ নেই। কিন্তু আপনার মাইন্ড ডেঞ্জার ফিল করছে। যেমন আপনি ঘরে একা আছেন। সব সেফ। কিন্তু হঠাৎ এংজাইটি শুরু হয়ে যায়। বুক দ্রুত ধুকপুক করে, শ্বাস ভারী হয়ে আসে। আর আপনি ভাবেন কিছু একটা গড়বড় হচ্ছে। অথচ আসলে
01:02
Speaker A
কিছুই হচ্ছে না। এটা শুধু আপনার ব্রেনের ফলস অ্যলার্ম। এখন ভাবুন, কোন এলার্ম যদি বারবার কারণ ছাড়া বাজে তাহলে কি হবে? আপনি প্রতিবার ভয় পাবেন, প্রতিবার প্যানিক করবেন। আর ধীরে ধীরে আপনার ব্রেন প্রতিটা সিচুয়েশনকেই বিপদ মনে করতে শুরু করবে।
01:20
Speaker A
এটাই এংজাইটি। এখন সবচেয়ে বড় ভুলটা কি হয়? [মিউজিক] আপনি এর সাথে লড়তে শুরু করেন। নিজেকে বলেন, আমাকে ভয় পাওয়া উচিত না। আমাকে স্ট্রং হতে হবে। কিন্তু যতটা ফাইট করেন, এংজাইটি ততটাই স্ট্রং হয়। কারণ আপনি তাকে অ্যাটেনশন দিচ্ছেন। এখন মনোযোগ
01:38
Speaker A
দিয়ে বুঝুন। ভয়টা সমস্যা না। ভয়কে ভয় পাওয়াটাই সমস্যা। আপনি এংজাইটিতে হারেন না। আপনি তার প্রতি আপনার রিএকশনে হারেন। এখন একটা পাওয়ারফুল শিফট শুনুন। পরের বার এংজাইটি আসলে পালাবেন না, শুধু থামুন আর নিজেকে বলুন, আচ্ছা আসছে, বসো দেখি পালাবেন
01:59
Speaker A
না, চাপা দেবেন না, শুধু অবজার্ভ করুন। দেখবেন কিছু মিনিট পরে সেটা নিজেই কমতে শুরু করেছে। কেন? কারণ আপনি তাকে ফিউল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। এটাই সবচেয়ে বড় সিক্রেট। যা থেকে আপনি পালান সেটা আপনার পিছু নেয়, আর যেটাকে ফেস করেন সেটা
02:16
Speaker A
ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যায়। এখন আরো একটা ডিপ কথা বুঝুন। আপনার ব্রেন সবসময় নেগেটিভ কেন ভাবে? কারণ তার কাজ হলো আপনাকে সেফ রাখা। সে পজেটিভ ভাবে না, সে প্রটেক্টিভ ভাবে। মানে সে সর্বত্র বিপদ খুঁজবে যাতে আপনি বেঁচে থাকেন। কিন্তু
02:33
Speaker A
সমস্যা হলো আজকের সময়ে আসল বিপদ অনেক কম। কিন্তু আপনার ব্রেন এখনো পুরনো মোডে আছে। আর সেজন্যই আপনি কারণ ছাড়াই ভয় পান। তাহলে সমাধান কি? আপনার ব্রেনকে শেখাতে হবে যে প্রতিটা সিচুয়েশন বিপদ না। কিভাবে? এক্সপোজার দিয়ে। মানে যা থেকে
02:51
Speaker A
ভয় পান সেটা এভয়েড করা বন্ধ করুন। ধীরে ধীরে সেটার মুখোমুখি হন। মানুষের সাথে কথা বলতে ভয় পেলে একটু একটু করে কথা বলা শুরু করুন। ফেইলিয়ারকে ভয় পেলে ছোট ছোট রিস্ক নিতে শুরু করুন। শুরুতে ভয় লাগবে, কিন্তু প্রতিবার ফেস করলে আপনার ব্রেইন একটা নতুন
03:08
Speaker A
শিক্ষা নেবে যে এটা ততটা ডেঞ্জারাস ছিল না, আর ধীরে ধীরে ভয় কমতে শুরু করবে। এখন আরো একটা ট্র্যাপ বুঝুন, আপনি ভাবেন যখন ভয় শেষ হবে তখন অ্যাকশন নেব, কিন্তু সত্যিটা উল্টো। যখন অ্যাকশন নেন তখন ভয় শেষ হয়। ভয় শেষ হবার অপেক্ষা করবেন না, কারণ সেটা
03:29
Speaker A
কখনো পুরোপুরি শেষ হবে না। ভয়কে সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে শিখতে। এখন ইমাজিন করুন যে কাজটা করতে ভয় লাগতো সেটাই করছেন। আর ধীরে ধীরে কমফর্টেবল হচ্ছেন। এটাই কনফিডেন্স। কনফিডেন্স মানে ভয় না থাকা না। কনফিডেন্স মানে ভয়ের মধ্যেও এগিয়ে যাওয়া। আর যখনই এটা বুঝে যাবেন আপনার পুরো গেম বদলে যাবে। তখন আর
03:52
Speaker A
পারফেক্ট হবার চেষ্টা করবেন না। শুধু প্রগ্রেসে ফোকাস করবেন। আর এই মাইন্ডসেটই আপনাকে এংজাইটি থেকে বের করে আনে। ধীরে ধীরে, কিন্তু পারমানেন্টলি। তারপর আরো একটা সত্যি চোখে পড়তে শুরু করে। এংজাইটি শুধু বাইরের সিচুয়েশন থেকে আসে না। আপনি নিজেই সেটা তৈরি করেন নিজের হ্যাবিট দিয়ে। ভাবুন সকালে উঠেই কি করেন? ফোন কোলেন।
04:14
Speaker A
নোটিফিকেশনস, মেসেজেস, সোশ্যাল মিডিয়া। আর আপনার ব্রেন শুরু হয়ে যায়। কম্পারিজন, প্রেসার, ওভারথিংকিং। দিন শুরু হওয়ার আগেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বুঝুন এখন আপনার ব্রেন শান্ত না কারণ আপনি তাকে কখনো শান্ত থাকতেই দেন না। রিওয়ার ইওর অংশস ব্রেইন এই পয়েন্টটা খুব ক্লিয়ারলি বোঝায়। এংজাইটি শুধু চিন্তা থেকে না
04:35
Speaker A
লাইফস্টাইল থেকেও তৈরি হয়। একটা সিম্পল উদাহরণ দেখুন। সারাদিন রেন্ডম কিছু কনজিউম করলে, নিউজ দেখলে, নেগেটিভ কন্টেন্ট দেখলে, কম্পারিজনের রিলস দেখলে আপনার ব্রেন কি শিখবে? ডেঞ্জার, ফিয়ার, ইনসিকিউরিটি। আর তারপর এক্সপেক্ট করেন আপনার মাইন্ড ঠিকমত কাজ করবে? কিভাবে করবে? যা ইনপুট দেবেন সেই অনুযায়ী তো আউটপুট
04:57
Speaker A
আসবে। এখন একটা পাওয়ারফুল শিফট বুঝুন। সত্যিই এংজাইটি কমাতে চাইলে সবার আগে এটা কন্ট্রোল করুন যে আপনি আপনার ব্রেনে কি দিচ্ছেন। কারণ আপনার মাইন্ড একটা বাগানের মতো। তাতে নেগেটিভ বীজ দিলে আগাছাই জন্মাবে, কিন্তু পজিটিভ কাজের গ্রোথের বীজ দিলে ধীরে ধীরে আপনার মাইন্ড নিজেই হিল হতে শুরু করবে। এখন আরো একটা ডিপ ট্র্যাপ বুঝুন।
05:19
Speaker A
আপনি সবসময় ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু প্রোডাক্টিভ না। আপনার ব্রেইন সবসময় কিছু না কিছু ভাবতে থাকে। কেন? কারণ আপনি সাইলেন্সকে ভয় পান। যখনই একা থাকেন, সাথে সাথে কিছু একটা অন করে দেন। মিউজিক, ভিডিও, স্ক্রোলিং যাতে নিজের চিন্তার মুখোমুখি না হতে হয়। কিন্তু সত্যিটা হলো যতক্ষণ নিজের মাইন্ডের সাথে একা বসতে না
05:40
Speaker A
শিখবেন, ততক্ষণ তাকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না। শুরুতে অস্বস্তি লাগবে, কিন্তু সেখান থেকেই হিলিং শুরু হয়। এখন একটা সিম্পল প্র্যাকটিস। প্রতিদিন মাত্র পাঁচ থেকে 10 মিনিট ফোন ছাড়া, ডিস্ট্রাকশন ছাড়া চুপচাপ বসুন। নিজের চিন্তাগুলো দেখুন। থামাবেন না। জাজ করবেন না। শুধু অবজার্ভ করুন। দেখবেন আপনার মাইন্ড নিজেই স্লো হতে
06:02
Speaker A
শুরু করে। কারণ প্রথমবারের মতো তাকে স্পেস দিচ্ছেন। এখন আরো একটা পাওয়ারফুল কথা। আপনার বডি আর মাইন্ড কানেক্টেড। শরীর টেন্স থাকলে মাইন্ড শান্ত থাকতে পারে না। তাই ব্রিদিং একটা অনেক পাওয়ারফুল টুল। যখনই এংজাইটি আসে, শুধু শ্বাসের উপর মনোযোগ দিন। স্লো, ডিপ। এটা আপনার ব্রেনকে সিগনাল দেয় যে সব সেফ আছে। আর ধীরে ধীরে আপনার
06:25
Speaker A
পুরো সিস্টেম শান্ত হয়ে আসে। এখন ভাবুন [মিউজিক] প্রতিদিন এই ছোট্ট ছোট্ট হ্যাবিটগুলো চেঞ্জ করলে কি হবে? আপনার মাইন্ড অটোমেটিক্যালি কাম মোডে আসতে শুরু করবে। কোন স্ট্রাগল ছাড়াই। কারণ আপনি তার ওয়ারিং বদলে দিয়েছেন। এটাই রিয়েল রিওয়ারিং। কোন ম্যাজিক নেই, কোন শর্টকাট নেই। শুধু ডেইলি স্মল শিফটস যেগুলো সময়ের
06:45
Speaker A
সাথে আপনাকে একটা সম্পূর্ণ নতুন ভার্সনে পরিণত করে। আর তখন বুঝতে পারবেন সমস্যা দুনিয়ায় ছিল না। সমস্যা ছিল যেভাবে আপনি দুনিয়াটাকে দেখছিলেন। আর যখন এই কথাটা ভেতর থেকে বুঝতে শুরু করেন, তখন আরো একটা ডেঞ্জারাস প্যাটার্ন ধরা পড়ে। আপনি সবকিছু পার্সোনাল নিয়ে নেন। কেউ দেরিতে রিপ্লাই দিলে ভাবেন নয়তো সে ইগনোর করছে।
07:06
Speaker A
কেউ কম কথা বললে ভাবেন নয়তো আমাকে আর পছন্দ করে না। কোন সুযোগ হাতছাড়া হলে ভাবেন আমিই বেকার। মানে প্রতিটা সিচুয়েশনে নিজেকে মাঝখানে নিয়ে আসেন। আর এটাই এংজাইটিকে মাল্টিপ্লাই করে দেয়। রিওয়ার ইর অংশেস ব্রেন। এই ইলিউশনটাও ভাঙ্গে। প্রতিটা [মিউজিক] জিনিস আপনাকে নিয়ে নয়। কিন্তু আপনার মাইন্ড প্রতিটা
07:24
Speaker A
কিছুকেই আপনার বিরুদ্ধে বানিয়ে ফেলে। এখন একটা সিম্পল ট্রুথ শুনুন। মানুষ আপনাকে নিয়ে ততটা ভাবে না যতটা আপনি ভাবেন যে তারা ভাবছে। কারণ প্রত্যেকেই নিজের সমস্যায় ব্যস্ত। কিন্তু আপনার ব্রেইন প্রতিটা ছোট্ট জিনিস থেকে একটা গল্প বানিয়ে ফেলে। আর আপনি সেই গল্পেই আটকে যান। এখন একটা পাওয়ারফুল শিফট বুঝুন।
07:44
Speaker A
পরের বার ওভারথিংক করলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, এটা ফ্যাক্ট নাকি আমার বানানো গল্প? কারণ 90% সময় আপনি ফ্যাক্টে নয়, নিজের তৈরি স্টোরিতে রিএক্ট করছেন। আর এই স্টোরিগুলোই আপনাকে মেন্টালি এক্সজস্ট করে দেয়। এখন আরো একটা ট্র্যাপ বুঝুন। আপনি সবসময় কন্ট্রোলে থাকতে চান। চান সবকিছু আপনার মত হোক। মানুষ সেভাবে বিহেভ করুক
08:05
Speaker A
যেভাবে চান। সিচুয়েশনগুলো পারফেক্ট হোক। কিন্তু রিয়েলিটি কি? আপনার কন্ট্রোলে খুব কম জিনিস আছে। আর যখন যেগুলো আপনার কন্ট্রোলে নেই সেগুলো কন্ট্রোল করতে যান, তখনই এংজাইটি জন্ম নেয়। এখন একটা [মিউজিক] ডিপ শিফট। আপনাকে কন্ট্রোল নয়, একসেপটেন্স শিখতে হবে। মানে যা আছে আগে সেটা মেনে নিন। তারপর দেখুন আপনি কি করতে
08:26
Speaker A
পারেন। এটা উইকনেস না, এটা ক্লারিটি। কারণ যখন একসেপ্ট করেন, আপনার মাইন্ড ফাইট করা বন্ধ করে। আর ফাইট শেষ হলেই শান্তি শুরু হয়। এখন আরো একটা পাওয়ারফুল রিয়েলাইজেশন। আপনি আপনার চিন্তা না, আপনি সে যে সেই চিন্তাগুলো [মিউজিক] দেখছে। কিন্তু এখন কি হচ্ছে? প্রতিটা চিন্তাকে সত্যি মনে করছেন। ব্রেন বলল ফেল হয়ে যাবে, মেনে নিলেন। ব্রেন বলল মানুষ জাজ করছে, বিশ্বাস করলেন। কিন্তু এগুলো শুধু চিন্তা, ফ্যাক্ট নয়। এখন ইমাজিন করুন প্রতিটা চিন্তাকে সিরিয়াসলি নেওয়া বন্ধ করলে কি হবে? আপনার 70% স্ট্রেস সেখানেই শেষ হয়ে যাবে। কারণ এখন প্রতিটা আওয়াজে রিএক্ট করছেন না। শুধু অবজার্ভ করছেন। এটাই ফ্রিডম। এখন আরো একটা লেভেল বুঝুন। আপনার
08:48
Speaker A
মাইন্ড সবসময় আপনাকে পাস্ট বা ফিউচারে নিয়ে যায়। কারণ সেখানেই ভয় থাকে। কিন্তু পিস কোথায়? শুধু প্রেজেন্টে। কিন্তু আপনি প্রেজেন্টে থাকেনই না। হয় রিগ্রেটে থাকেন, নয়তো ওয়ারিতে। আর সেজন্যই এনার্জি ড্রেইন হতে থাকে। এখন একটা সিম্পল প্র্যাকটিস। দিনে বেশ কয়েকবার নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। এই
09:09
Speaker A
মুহূর্তে আসলে কি ভুল হচ্ছে? বেশিরভাগ সময় উত্তর পাবেন কিচ্ছু না। শুধু আপনার ব্রেন ফিউচারের ভয় বানাচ্ছিল। ধীরে ধীরে প্রেজেন্টে থাকতে শিখবেন। আর যেই প্রেজেন্টে আসবেন, এংজাইটির পাওয়ার কমে যাবে। কারণ তার বাঁচতে ফিউচার দরকার। এখন ব
09:27
Speaker A
মুহূর্তে আসলে কি ভুল হচ্ছে। বেশিরভাগ সময় উত্তর পাবেন কিচ্ছু না। শুধু আপনার ব্রেন ফিউচারের ভয় বানাচ্ছিল। ধীরে ধীরে প্রেজেন্টে থাকতে শিখবেন। আর যেই প্রেজেন্টে আসবেন এংজাইটির পাওয়ার কমে যাবে। কারণ তার বাঁচতে ফিউচার দরকার। এখন বুঝতে পারছেন তো গেম কোথায় চলছে? বাইরে না পুরো গেম আপনার মাইন্ডের ভেতরে। আর
09:48
Speaker A
যখনই এই গেম বুঝে যাবেন ধীরে ধীরে প্লেয়ার নয় অবজার্ভার হয়ে যাবেন। আর সেই মুহূর্তটাই আপনার জীবন সম্পূর্ণ বদলে দিতে শুরু করে। যখন অবজার্ভার হতে শুরু করেন একটা বড় শিফট হয়। আগে প্রতিটা চিন্তার পিছু পিছু ছুটতেন। এখন সেটাকে আস্তে যেতে দেখেন। আগে প্রতিটা ফিলিং এ ডুবে যেতেন। এখন শুধু ফিল করেন। এখান
10:08
Speaker A
থেকেই আপনার কন্ট্রোল ফিরে আসতে শুরু করে। কিন্তু এখানে আরো একটা গভীর ভুল হয়। আপনি ভাবেন এখন আমাকে কখনো নেগেটিভ ভাবতে হবে না। সবসময় কাম থাকতে হবে। আর যখনই কোন নেগেটিভ চিন্তা আসে আবার প্যানিক করে যান। কিন্তু সত্যিটা কি? পারফেক্ট মাইন্ড বলে
10:24
Speaker A
কিছু হয় না। রিওয়য়ার ইওর অংশস ব্রেন। এটাই শেখায়। লক্ষ্য এটা নয় যে চিন্তা শেষ হয়ে যাবে। লক্ষ্য এটা যে আপনি সেগুলোর দাস থাকবেন না। মনোযোগ দিয়ে বুঝুন। আপনার মাইন্ড একটা রেডিওর মতো। সে সবসময় কিছু না কিছু বাজাতে থাকবে। কখনো
10:40
Speaker A
ভয়, কখনো ডাউট, কখনো নেগেটিভিটি। কিন্তু আপনার কাছে চয়েজ আছে। প্রতিটা আওয়াজ শুনবেন নাকি সেটাকে ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ হতে দেবেন। এটাই ফ্রিডম। এখন আরো একটা পাওয়ারফুল রিয়েলাইজেশন। নিজের সাথে কিভাবে কথা বলেন সেটাই আপনার রিয়েলিটি হয়ে যায়। যদি বারবার বলেন আমি উইক আমাকে দিয়ে হবে না আমি সবসময় ফেল করি তাহলে
11:00
Speaker A
আপনার ব্রেইন সেভাবেই বিহেভ করবে কিন্তু ধীরে ধীরে ল্যাঙ্গুয়েজ বদলাতে শুরু করলে [মিউজিক] মাইন্ডও বদলায় যেমন আমি চেষ্টা করছি আমি শিখছি আমি ইমপ্রুভ হচ্ছি এই ছোট্ট ছোট্ট কথাগুলো ধীরে ধীরে আপনার আইডেন্টিটি বদলে দেয় এখন আরো একটা ট্র্যাপ [মিউজিক] আপনি ইনস্ট্যান্ট রেজাল্ট চান চান আজ বুঝলে কাল থেকেই
11:19
Speaker A
এংজাইটি শেষ কিন্তু রিয়েলিটি কি এটা একটা প্রসেস ধীরে ধীরে হবার কারণ আপনার ব্রেইন একদিনে অ্যাংসা [মিউজিক] হয়নি। তাই একদিনে কামও হবে না। কিন্তু প্রতিদিন একটু একটু কাজ করলে কয়েক সপ্তাহ পরে নিজেই নোটিশ করবেন আপনি আগের মতো নেই। এখন ছোট্ট
11:35
Speaker A
জিনিস [মিউজিক] ডিস্টার্ব করে না। এখন দ্রুত রিকভার করতে পারছেন। এখন প্রতিটা সিচুয়েশনে ভেঙে পড়েন না। এটাই প্রোগ্রেস। এখন ছোট্ট আরো একটা ডিপ ট্রুথ। আপনাকে সবসময় স্ট্রং হতে হবে না। কখনো কখনো শুধু নিজেকে আলাও করতে হয় একটু দুর্বল হতে, একটু থামতে, একটু ফিল করতে। কারণ হিলিং তখনই হয় যখন নিজের সাথে লড়াই
11:56
Speaker A
বন্ধ করেন। এখন ইমাজিন করুন আপনার মাইন্ড এখনো চিন্তা আনছে কিন্তু আপনি কাম। শরীর [মিউজিক] রিয়েক্ট করছে কিন্তু আপনি প্যানিক করছেন না। সিচুয়েশন ফেস করছেন পালাচ্ছেন না। এটাই রিয়েল চেঞ্জ। বাইরে কিছু বদলায়নি। শুধু আপনি বদলে গেছেন। আর যখন আপনি বদলান আপনার পুরো দুনিয়া বদলে যায়। এখন আপনি ভয় থেকে নয়, ক্লারিটি
12:17
Speaker A
থেকে বাঁচেন, রিয়েকশন থেকে নয়, চয়েস থেকে বাঁচেন। আর এটাই একটা অংশ মাইন্ড থেকে স্ট্রং মাইন্ড হওয়ার আসল যাত্রা। কিন্তু এখন সব শেষ আর সবচেয়ে সৎ কথাটা। আপনি এতক্ষণ সব শুনলেন মনে হলো হ্যাঁ ঠিকই বলছে। হয়তো কিছু কথা ভেতর পর্যন্ত
12:34
Speaker A
লেগেছে। কিন্তু আসল প্রশ্ন এখনো সেটাই। আপনি কি এটা আপনার ডেইলি লাইফে নামাবেন? কারণ সত্যি হলো নলেজ শুনলে জীবন বদলায় না। নলেজ বেঁচে দেখলে বদলায়। প্রতিদিন নিজের মাইন্ডের সাথে বসতে হবে। যখন সে ভয় তৈরি করে পালাবেন না। যখন সে ওভারথিংক করে
12:50
Speaker A
ভেসে যাবেন না। যখন সে আপনাকে নিচে টানে, বিশ্বাস করবেন না। এটাই ডেইলি প্র্যাকটিস। কোন ম্যাজিক নেই, কোন শর্টকাট নেই। রিওয়য়ার ইওর অংশেস ব্রেইন। বারবার এটাই বোঝায়। এংজাইটির সাথে লড়াই করতে হবে না। বুঝতে হবে। কারণ যা একবার বুঝে যান সেটা
13:07
Speaker A
আপনাকে আর ভয় দেখাতে পারে না। এখন ইমাজিন করুন এমন একটা জীবন যেখানে আপনার মাইন্ড শান্ত। ভয় আসে কিন্তু থাকে না। সিচুয়েশন থেকে পালান না ফেস করেন। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় ওভারথিংকিং এ নয় পিসে থাকেন। এটা কোন স্বপ্ন না এটা সম্ভব।
13:23
Speaker A
কিন্তু শুধু তাদের জন্য যারা নিজের উপর কাজ করতে রেডি। এখন চয়েস আপনার। পুরনো হ্যাবিট আবার রিপিট করবেন নাকি আজ থেকে একটু একটু চেঞ্জ শুরু করবেন। কারণ চেঞ্জ [মিউজিক] একদিনে আসে না। কিন্তু একদিন থেকে অবশ্যই শুরু হয়। আর যদি আজ শুরু করে
13:38
Speaker A
দেন কয়েক মাস পরে নিজেকে দেখে বলবেন ইয়ার আমি আগে এরকম ছিলাম না। [মিউজিক] এখন যদি এই ভিডিও আপনার কাছে একটুও রিয়েল মনে হয়ে থাকে তাহলে এটাকে এখানেই শেষ হতে দেবেন না। লাইক করুন। এটা শুধু একটা ক্লিক না এটা আপনার সেই ডিসিশন যে আপনি এখন ভয়
13:53
Speaker A
নয় কন্ট্রোলে বাঁচতে চান। বুকবাস চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করতে পারেন। কারণ এখানে শুধু মোটিভেশন না মাইন্ডসেট শিফট হয়। এখানে আপনি এমন কিছু পাবেন যা আপনাকে বাইরে থেকে নয় ভেতর থেকে আনব্রেকেবল করে তোলে। আর কমেন্টে লিখুন আজকের পর আপনি আপনার মাইন্ডের কোন হ্যাবিট বদলাতে চান। কারণ যখন লেখেন কমিটমেন্ট করেন আর
14:13
Speaker A
কমিটমেন্টই চেঞ্জ এর
Topics:এংজাইটিমাইন্ডসেটভয়ব্রেন রিওয়ারিংমনোবিজ্ঞানলাইফস্টাইল পরিবর্তনস্ট্রেস ম্যানেজমেন্টব্রিদিংমন শান্তিঅডিওবুক

Frequently Asked Questions

এংজাইটি কি এবং কেন হয়?

এংজাইটি হলো মস্তিষ্কের একটি ভুল সতর্কতা সিস্টেম যা বিপদের সংকেত পাঠায় যদিও আসলে কোনো বিপদ থাকে না। এটি ব্রেনের প্রোটেক্টিভ মোডের কারণে হয়।

এংজাইটির সাথে কিভাবে মোকাবিলা করা উচিত?

ভয়ের সাথে লড়াই না করে তাকে অবজার্ভ করে ফেস করা উচিত। ভয়কে ফিউল না দিয়ে ধীরে ধীরে ব্রেনকে শেখানো দরকার যে প্রতিটি পরিস্থিতি বিপদ নয়।

কিভাবে দৈনন্দিন জীবনযাপন এংজাইটি প্রভাবিত করে?

নেগেটিভ কন্টেন্ট দেখা, সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় কাটানো এবং নিজের মনের সাথে একা সময় না কাটানো এংজাইটি বাড়ায়। পজিটিভ ইনপুট ও সাইলেন্স মাইন্ড শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →