নিজের ভ্যালু বাড়ানোর ৫টি উপায় | 5 Rules to Increase You… — Transcript

নিজের মূল্য বাড়ানোর ৫টি সাইকোলজিক্যাল রুল শিখুন যা আপনার ব্যক্তিত্ব ও জীবনে পরিবর্তন আনবে।

Key Takeaways

  • নিজেকে মূল্যবান হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে, সবসময় উপলব্ধ থাকা উচিত নয়।
  • কম কথা বললে এবং রহস্য রেখে মানুষে আগ্রহ বাড়ানো যায়।
  • নিজেকে নিয়মিত আপডেট করা ও নতুন দক্ষতা অর্জন করা জরুরি।
  • আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা মানসিক শক্তি ও পরিপক্কতার পরিচয় দেয়।
  • নিজের জন্য স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ করলে অন্যরা আপনাকে সম্মান করবে।

Summary

  • নিজের মূল্য বাড়ানোর জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আলোচনা করা হয়েছে।
  • প্রথম নিয়ম: মূল্যবান হওয়া, সবসময় উপলব্ধ থাকা নয়।
  • দ্বিতীয় নিয়ম: রহস্যের শক্তি, কম কথা বলুন এবং বেশি শুনুন।
  • তৃতীয় নিয়ম: নিজেকে নিয়মিত আপডেট করুন মানসিক, শারীরিক ও নৈতিক দিক থেকে।
  • চতুর্থ নিয়ম: আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন, সঙ্গে সঙ্গে রিএক্ট না করে রেসপন্স করুন।
  • পঞ্চম নিয়ম: নিজের জন্য স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ করুন এবং অন্যদের জানিয়ে দিন।
  • নিজেকে সঠিক পরিবেশে ও সঠিক মানুষের মধ্যে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • নিজের সময় ও কাজকে সম্মান করলে অন্যরাও আপনাকে সম্মান করবে।
  • নিজের ভ্যালু বাড়াতে নতুন জ্ঞান অর্জন ও শরীরের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।
  • নিজের প্রতি বিশ্বাস ও আত্মসম্মান বজায় রাখাই সবচেয়ে বড় মূলমন্ত্র।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
এই জলের বোতলটা দেখুন তো। এই সাধারণ জলের বোতলটা যদি রাস্তার ধারের কোন দোকান থেকে কেনা হয়, তাহলে এর দাম কত হবে?
00:08
Speaker A
10 টাকা। ঠান্ডা হলে ধরে নিলাম 15 টাকা কিংবা কুড় টাকা। এই একই জলের বোতল যদি বড় রেস্টোরায় গিয়ে কেনা হয়, তাহলে এর দাম কত হবে? 40 কিংবা 50 টাকা। একই ব্র্যান্ডের জল। এরপর থেকে কিনলে এর দাম দাঁড়ায় 100 কিংবা 200 টাকায়। জল
00:29
Speaker A
একই, বোতলও এক। কিন্তু জায়গা বদলানোর ফলে এর দাম বেড়ে যায়। আমাদের জীবনের গল্পটাও খানিকটা একই রকম। আপনার যদি মনে হয় আপনার কোন দাম নেই কিংবা আপনাকে কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না, তার মানে কিন্তু এটা নয় যে আপনি মূল্যহীন।
00:48
Speaker A
এর মানেটা হলো আপনি ভুল জায়গায় রয়েছেন, ভুল মানুষের মধ্যে রয়েছেন কিংবা নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। এবার প্রশ্নটা দাঁড়াচ্ছে যে নিজের ভ্যালু তাহলে কি করে বাড়ানো যায়? আজকের এই ভিডিওতে এমন পাঁচটি সাইকোলজিক্যাল রুলস বোঝার চেষ্টা করবো আমরা, যেটা ফলো করলে হয়তো আমরা
01:10
Speaker A
আমাদের ভ্যালু 10 গুণ বাড়াতে পারি। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের ভিডিও। তবে আজকের ভিডিও শুরু করার আগে আমি আশা করছি আমার লাস্ট ভিডিও আপনারা প্রত্যেকেই দেখেছেন। যারা দেখেননি, ডেসক্রিপশনে লিংক রয়েছে, গিয়ে দেখতে পারেন। লাস্ট ভিডিওতে আমরা কথা
01:26
Speaker A
বলেছিলাম আমরা কিভাবে আমাদের সময় ডিজিটাল ডাস্টবিনে নষ্ট করছি। তারই সঙ্গে লাস্ট ভিডিও যারা দেখেছেন, যাদের ভালো লেগেছে, আপনারা কিন্তু কমেন্টও করতে পারেন। চলুন তাহলে শুরু করবো আমাদের আজকের ভিডিও।
01:58
Speaker A
রুল নাম্বার ওয়ান: বি ভ্যালুয়েবল নট এভেলেবল। ইকোনমিক্সের একটা সূত্র আছে জানেন তো, যার যোগান বেশি তার দাম কম। একটা ছোট্ট এক্সাম্পল দিয়ে বোঝাই। হাওয়ার দাম সবসময় কম কারণ হাওয়া সব জায়গায় রয়েছে, কিন্তু হীরে হীরের দাম কোটি কোটি টাকা কারণ সেটা তো দুর্লভ। যদিও বর্তমানে
02:19
Speaker A
আমাদের পরিবেশের যা অবস্থা, সেখানে দাঁড়িয়ে বলতেই হয় যে হাওয়াকে আমাদের বাঁচাতে হবে। নয়তো ভবিষ্যতে সেদিনটা খুব একটা দূরে নেই, যখন আমাদের সারভাইভ করার জন্য ফ্রেশ এয়ার বাইরে থেকে কিনতে হবে। এনিওয়ে আমরা আবারো আমাদের বিষয়ে ব্যাক করছি। আপনি যদি
02:37
Speaker A
কারোর জন্য সবসময় এভেলেবল থাকেন, কারোর একটি ডাকে আপনি আপনার সমস্ত কাজ ফেলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ছুটে যান, তাহলে সেখানে টেকিং ফর গ্রান্টেড হওয়ার একটা চান্স কিন্তু থেকেই যায়। মানুষ আপনার ব্যাপারে ভাবতেই পারে যে আপনার নিজস্ব কোন কাজ নেই, কিংবা
02:56
Speaker A
আপনার সময়ের কোন মূল্য নেই। তাই সব সময় সবার জন্যে এভেলেবল থাকা উচিত নয়। কখনো কখনো না বলতেও শিখতে হয়। কখনো কখনো নিজের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। বিশ্বাস করুন, আপনি যদি আপনার সময়কে সম্মান করেন, তাহলে গোটা পৃথিবী
03:18
Speaker A
আপনাকে সম্মান করবে। দ্বিতীয় রুলে যাওয়ার আগে আপনাদের থ্যাংক ইউ জানাতে চাই। যারা এতক্ষণ ভিডিওটা দেখেছেন, আশা করছি শেষ অব্দিও দেখবেন। আর তারই সঙ্গে আমার এই চ্যানেল সাবস্ক্রাইবও করবেন। সো আমাদের আজকের সেকেন্ড রুল: পাওয়ার অফ মিস্ট্রি। কথা নয়, কাজে শব্দ
03:35
Speaker A
করুন। দেখবেন এই পৃথিবীর সত্যিকারের পাওয়ারফুল বা নামি মানুষরা খুব কম কথা বলেন। তারা হরবড় করে নিজেদের সমস্ত কথা অন্য কাউকে বলেন না। তারা গুড লিসনারস। তারা শোনেন বেশি। আপনি যখন আপনার প্ল্যান বা দুর্বলতার কথা অন্য মানুষকে বলেন, ঠিক
03:55
Speaker A
তখনই আপনি হারিয়ে ফেলেন আপনার মিস্ট্রি। সেই মিস্টেরিয়াস পার্সোনালিটি কোথাও যেন হারিয়ে যায়। আর যার মধ্যে রহস্য কম, তার প্রতি আগ্রহটাও কমই থাকে। সো আজ থেকে সবাইকে সবকিছু বলা বন্ধ করুন। অন্যকে গেস করতে দিন। আপনার নেক্সট স্টেপ কি হতে পারে? আপনার
04:17
Speaker A
আগামী প্ল্যানস গুলো ঠিক কি হতে চলেছে? রুল নাম্বার থ্রি: নিজেকে আপডেট করুন। হ্যা, নিজেকে অ্যাপের মতন আপডেট করুন। আচ্ছা, বর্তমানে যেখানে আমরা প্রত্যেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করছি, সেখানে যদি আপনাকে বলা হয় সেই পুরনো কিপ্যাড ওয়ালা ফোন ব্যবহার করতে, আপনি কি
04:37
Speaker A
সেটা করবেন? করবেন না। কিংবা ধরুন বর্তমানে ফাইভজির সময়ে আপনাকে যদি টুজি ব্যবহার করতে বলা হয়, আপনি কি সেটা করবেন? করবেন না। কারণ আপনি চাইবেন আপনার কাজ কত দ্রুত শেষ করতে। সেই কারণে আপনি ফাইভজি টাই ব্যবহার করবেন। ঠিক তেমনি
04:55
Speaker A
পাঁচ বছর আগের আপনি পাঁচ বছর পরে যদি একই থাকেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে যদি আপডেটেড না করেন, আপনাকে কি কেউ ভ্যালুয়েবল পারসন হিসেবে মেনে নেবে? নেবে না। সেই কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপডেটেড করতে হয়। নিজের ভ্যালু বাড়ানোর জন্য নিজেকেই
05:16
Speaker A
আপডেটেড করতে হয় মেন্টালি, ফিজিক্যালি এবং এথিক্যালি। আর নিজের ভ্যালু বাড়ানোর জন্যে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট থিং নলেজ বাড়ানো। ভালো ভালো বই পড়তে পারেন, নতুন নতুন স্কিল শিখতে পারেন। টেকনোলজি সম্পর্কে আরেকটু সচেতন হতে পারেন। এন্ড মোস্ট ইম্পর্টেন্ট নিজের শরীরের যত্ন নিতে
05:36
Speaker A
পারেন। মনে রাখবেন যে পুকুরের জল নড়াচড়া করে না, সেই পুকুরেই কিন্তু শেওলা জমে থাকে। আর নদীর জল বহমান বলে সবসময় পরিষ্কার থাকে। আপনি কিন্তু নদী পুকুর নন। রুল নাম্বার ফোর: ইমোশনাল কন্ট্রোল। আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ। নিজের আবেগ বা ইমোশনকে এতটা সস্তা করে দেবেন না।
05:59
Speaker A
অনেকেই আছেন যারা সবার সামনে হঠাৎ করে রেগে যান কিংবা হঠাৎ করে কেঁদে ফেলেন। একটা কথা মনে রাখবেন। যে মানুষ তার কান্না আর রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, এই সমাজ তাকে ইমমেচিওর বলেই মেনে নেয়। একটা ছোট্ট এক্সাম্পেল দিচ্ছি। ধরুন
06:18
Speaker A
আপনাকে কেউ ইনসাল্ট করল আর আপনি সঙ্গে সঙ্গে রিএক্ট করলেন। এর মানেটা কি দাঁড়ালো? এর মানেটা হলো আপনার ইমোশনের রিমোট কন্ট্রোলটি সেই দ্বিতীয় ব্যক্তিটির হাতে রয়েছে, যেটা ভীষণ আনফরচুনেট। একটা কথা মনে রাখবেন, হাই ভ্যালুয়েবল পারসনস কখনোই সঙ্গে সঙ্গে
06:40
Speaker A
রিএক্ট করেন না। হ্যাঁ, তারা রেসপন্স করেন, কিন্তু রিএক্ট না। আপনার এই নীরবতা, এই শান্ত স্বভাব আপনার ব্যক্তিত্বকে অনেকটা ভারী করে তুলবে। রুল নাম্বার ফাইভ: সেট ইর বাউন্ড্রিস। আমাদের এই লাস্ট রুল ভীষণ ইম্পর্টেন্ট আমাদের জীবনের জন্য। এই
06:59
Speaker A
রুল আমাদের শেখায় কিভাবে একটি বাউন্ড্রি তৈরি করতে হয়। আর কেনই বা এই বাউন্ড্রিটি এতটা ইম্পর্টেন্ট আমাদের জীবনে। এই লাস্ট রুল আমাদের শিখিয়ে দেয় কিভাবে আশেপাশের মানুষকে বোঝাতে হয় তারা ঠিক কিভাবে আমাদের ট্রিট করবে। আমরা প্রায়ই ভাবি কেন আমার দোষ
07:19
Speaker A
ছাড়াই আমাকে বারবার অপমানিত হতে হচ্ছে। কেন দোষ না করেও আমাকে অপমান করছে? কেন করছে? এর উত্তরটা তেত হলেও সত্যি। কারণ আপনি সেটা আলাও করছেন। আপনি অপমান সহ্য করছেন। আপনি কোন বাউন্ডারি সেট করেননি। আপনি সবাইকে অধিকার
07:41
Speaker A
দিয়েছেন। আপনাকে প্রতারিত করার, আপনাকে অপমানিত করার আপনার দোষ না থাকা সত্ত্বেও। আপনি যদি নিজের অপমান সহ্য করে হাসতে থাকেন, তাহলে লোকে তো ভেবেই নেবে এটাই আপনার স্ট্যান্ডার্ড। সেই কারণে একটা বাউন্ড্রি সেট করতেই হবে। আশেপাশের মানুষদের বুঝিয়ে দিতেই হবে যে এই
08:03
Speaker A
বাউন্ড্রির ভেতরে প্রবেশ করার অধিকার কারণ নেই। বিশ্বাস করুন, যেদিন থেকে আপনি আপনার সেলফ রেসপেক্টের সঙ্গে আপোষ করা বন্ধ করবেন, ঠিক সেদিন থেকে এই গোটা পৃথিবী আপনাকে সস্তা ভাবাও বন্ধ করবে। ঠিক সেদিন থেকে আপনার ভ্যালু ডে বাই ডে ইনক্রিস করবে। সবশেষে
08:25
Speaker A
একটা কথাই বলব। আপনি যদি নিজের চোখে নিজেকে দামি বলে না ভাবেন, তাহলে এই পৃথিবী আপনাকে এক পয়সারও দাম দেবে না। তাই আজই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন, ইয়েস, ইয়েস আই এম স্পেশাল। আর তারই সঙ্গে চেষ্টা করুন এই পাঁচটি রুল মেনে
08:43
Speaker A
চলার। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনার জীবনে কিছুটা হলেও পজিটিভ পরিবর্তন আসবে। এই পাঁচটি রুলের মধ্যে আপনার কোনটা সবথেকে বেশি ভালো লাগলো কমেন্ট করে আমাকে জানান। তারই সঙ্গে সাবস্ক্রাইব করুন আরজে সুনন্দার ইউটিউব চ্যানেল। সো দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে।
Topics:নিজের মূল্যব্যক্তিত্ব উন্নয়নআবেগ নিয়ন্ত্রণসীমা নির্ধারণসাইকোলজিক্যাল রুলসনিজেকে আপডেট করামিস্ট্রি পাওয়ারসময় ব্যবস্থাপনাআত্মসম্মানব্যক্তিগত উন্নতি

Frequently Asked Questions

নিজের মূল্য বাড়ানোর প্রথম নিয়ম কী?

প্রথম নিয়ম হলো 'বিভিন্ন মানুষের জন্য সবসময় উপলব্ধ থাকা উচিত নয়'। মানে, নিজের সময় ও কাজকে সম্মান করতে হবে এবং সবসময় অন্যদের ডাকে ছুটে যাওয়া ঠিক নয়।

রহস্যের শক্তি কীভাবে নিজের মূল্য বাড়ায়?

কম কথা বলে এবং নিজের পরিকল্পনা বা দুর্বলতা অন্যদের সামনে প্রকাশ না করে মানুষে আগ্রহ তৈরি করা যায়। এটি একটি মিস্টেরিয়াস পার্সোনালিটি তৈরি করে যা মানুষের আকর্ষণ বাড়ায়।

কেন আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ?

আবেগ নিয়ন্ত্রণ না করলে সমাজে ইমমেচিওর বা অপরিপক্ক হিসেবে দেখা হয়। সঙ্গে সঙ্গে রিএক্ট না করে রেসপন্স করলে ব্যক্তিত্ব ভারী হয় এবং অন্যদের সম্মান পাওয়া যায়।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →