জাপানের ৫টি আর্থিক অভ্যাস যা বাঙালিরা জানলে জীবন বদলে যাবে, সঞ্চয় ও বিনিয়োগে সফলতার গোপন রহস্য।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- আর্থিক সাফল্যের জন্য সঠিক অভ্যাস ও নিয়মিত হিসাব রাখা অপরিহার্য।
- অপচয় এড়ানো ও জীবনে সরলতা বজায় রাখা দীর্ঘমেয়াদে অর্থ সঞ্চয়ে সাহায্য করে।
- ছোট ছোট উন্নতি ও ধৈর্য ধরে বিনিয়োগ করলে বড় সম্পদ তৈরি হয়।
- দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও কম্পাউন্ডিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
- জাপানের অভ্যাস বাঙালিরাও মেনে চললে আর্থিক জীবন উন্নত হবে।
What the video covers
- জাপানি সাধারণ মানুষ টাকার পেছনে দৌড়ায় না, বরং সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর জাপান ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে বিশ্বে ধনী জাতিতে পরিণত হয় তাদের পাঁচটি অভ্যাসের কারণে।
- কাকেইবো: পরিবারের টাকার হিসাব রাখা ও মাসিক বাজেট পরিকল্পনা করা।
- মত্তাই নাই: অপচয় এড়ানো এবং জিনিসের মূল্য বুঝে ব্যবহার করা।
- কাইজেন: প্রতিদিন ছোট ছোট উন্নতির মাধ্যমে আর্থিক উন্নতি অর্জন।
- ওয়াবিসাবি: সরলতা ও বাস্তবতা মেনে জীবনযাপন, অতিরিক্ত খরচ ও লাইফস্টাইল ক্রিপ থেকে বিরত থাকা।
- দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা: ১০০ বছরের পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ ও সঞ্চয় করা।
- জাপানিরা বেশি উপার্জন না করেও বেশি সঞ্চয় করে কারণ তারা খরচ নিয়ন্ত্রণে অভ্যস্ত।
- হাতে লিখে হিসাব রাখার মাধ্যমে মস্তিষ্কে আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- কম্পাউন্ডিং ও সময়ের গুরুত্ব বোঝা ও তা কাজে লাগানো।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
তুমি কি জানো, জাপানে একজন সাধারণ দোকানদারও বৃদ্ধ বয়সে না খেয়ে থাকেন না, অথচ আমাদের দেশে অনেক উচ্চ বেতনের মানুষ মাসের শেষে টাকার জন্য দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারেন না? কেন? কারণ জাপানিরা টাকার পেছনে দৌড়ায় না। তারা ছোটবেলা থেকেই এমন কিছু অভ্যাস শেখে, যেগুলো তাদের ধীরে ধীরে
Speaker A
ফিনান্সিয়ালি পাওয়ারফুল বানায়। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, এই অভ্যাসগুলোর বেশিরভাগই আমরা কখনো শিখিনি। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর জাপান ছিল একটা পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ। হিরোশিমা, নাগাসাকি, পুরো দেশ শেষ। কোন কারখানা নেই, অর্থনীতি নেই, কিছুই নেই। কিন্তু মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে তারা
Speaker A
পৃথিবীর অন্যতম ধনী জাতিতে পরিণত হয়। কি ছিল তাদের সিক্রেট? এমন পাঁচটি অভ্যাস, যেগুলো জাপানি শিশুরা ছোটবেলা থেকেই শেখে। যেগুলো আমাদের কেউ কখনো শেখায়নি। কিন্তু আজকের পর থেকে তুমি জানবে। এবং আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, এই পাঁচটির মধ্যে মাত্র একটা যদি আজ থেকে শুরু করো, তোমার আর্থিক
Speaker A
জীবন আস্তে আস্তে বদলাতে শুরু করবে। চলো শুরু করি। আমরা বাঙালিরা অনেক কিছুতেই সেরা। রান্নায় সেরা, সাহিত্যে সেরা, আবেগে সেরা। কিন্তু একটা জায়গায় আমরা বারবার হেরে যাই। আর সেটা হলো টাকা সামলানো নয়। মাস শেষে পকেট ফাঁকা, মাইনে বাড়ে কিন্তু সঞ্চয়
Speaker A
বাড়ে না। ভবিষ্যতের কথা ভাবি কিন্তু শুরু করি না। আর এই একই সমস্যা যখন আমি দেখি, তখন মনে একটাই প্রশ্ন আসে। জাপানিরা এটা কিভাবে এড়ায়? ওরা কি আমাদের চেয়ে বেশি কামায়? না। ওরা কি আমাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান? তর্কের বিষয়। কিন্তু একটা
Speaker A
জিনিসে ওরা আমাদের থেকে আলাদা। ওদের কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস আছে, যেগুলো ওরা ছোটবেলা থেকে শেখে। যেগুলো ওদের রক্তে মিশে গেছে। আর আজকের এই ভিডিওতে আমি সেই পাঁচটা অভ্যাস একে একে ভাঙবো, বাংলায় সহজে উদাহরণ দিয়ে। তবে শুরু করার আগে একটা কথা বলে
Speaker A
রাখি, এই ভিডিওটা শুধু জ্ঞানের জন্য না। এই ভিডিওটা তখনই কাজে আসবে যখন তুমি একটাও জিনিস আজই করবে। তৈরি তো? কিন্তু আগে একটু বুঝি। জাপানিদের সাথে আমাদের আসল পার্থক্য কোথায়? একটা গল্প বলি। টোকিওতে একটা গবেষণা হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে জাপানের
Speaker A
একজন সাধারণ কর্মীর মাসিক আয় আমাদের চেয়ে বেশি হলেও তাদের সঞ্চয়ের হার আমাদের দ্বিগুণ। মানে তারা বেশি কামিয়ে বেশি বাঁচায় না, তারা যা কামায় তার বেশি অংশ বাঁচায়। পার্থক্যটা মাথায়, অভ্যাসে, প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তে। তো চলো এবার সেই পাঁচটা অভ্যাস জানি। প্রথম
Speaker A
অভ্যাসের নাম কাকেইবো। কাকেইবো জাপানি শব্দ, মানে হল পরিবারের টাকার বই। ১৯০৪ সালে জাপানের প্রথম মহিলা সাংবাদিক মোতকো হানি এই পদ্ধতি তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে জাপানের প্রতিটা পরিবার এই নিয়ম মেনে চলে। কিন্তু এটা শুধু হিসাব রাখা নয়, এটা একটা মানসিক প্রক্রিয়া। প্রতি মাসের
Speaker A
শুরুতে জাপানিরা নিজেকে চারটি প্রশ্ন করেন এবং হাতে লিখে রাখেন। এই মাসে আমার কাছে কত টাকা আছে? আমি কত টাকা জমাতে চাই? এখন পর্যন্ত কত টাকা খরচ হয়েছে? আমি কিভাবে আরো ভালো করতে পারি? হাতে লেখা কেন? কারণ গবেষণা বলছে, হাতে লিখলে মস্তিষ্কে সেটা
Speaker A
তিন গুণ বেশি গেঁথে যায়। এখন তোমাকে একটা সৎ প্রশ্ন করি। তুমি কি জানো গত মাসে তোমার ঠিক কত টাকা কোথায় গেছে? বেশিরভাগ মানুষের উত্তর হবে না। আর এটাই সমস্যা। যে জিনিস তুমি দেখতে পাও না, সেটা তুমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। কাকেইবো তোমার
Speaker A
অদৃশ্য টাকাকে দৃশ্যমান করে। তুমি আজ থেকেই শুরু করতে পারো। একটা ছোট্ট নোটবুক নাও। প্রতিদিন রাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ড সময় নাও। লিখো, আজ কত টাকা কোথায় গেছে? মাত্র ৩০ সেকেন্ড। কিন্তু এই ৩০ সেকেন্ড তোমার প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা বাঁচাতে
Speaker A
পারে। কারণ যখন তুমি দেখবে সপ্তাহে ৫০০ টাকা শুধু চায়ে খরচ হচ্ছে, মাসে দেড় হাজার টাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে যাচ্ছে, তখন তুমি নিজেই বুঝতে পারবে কোনটা দরকার, কোনটা শুধু অভ্যাস। হিসাব রাখা কৃপণতা নয়। হিসাব রাখা হলো নিজের পরিশ্রমের সম্মান করা। এবার আসি দ্বিতীয় অভ্যাসে।
Speaker A
আর এই অভ্যাসটা জানার পর তুমি কখনো আর কোন জিনিস ফেলে দেওয়ার আগে দুইবার ভাববে। হ্যাবিট টু মত্তাই নাই। দ্বিতীয় অভ্যাস মত্তাই নাই। জাপানি ভাষায় মত্তাই নাই মানে কি? অপচয়? এটা নষ্ট করা ঠিক না। জাপানিরা বিশ্বাস করেন প্রতিটা জিনিসের একটা মূল্য
Speaker A
আছে। তাই কোন জিনিস আগেভাগে ফেলে দেওয়া বা নষ্ট করা তাদের কাছে প্রায় অন্যায়ের সমান। একটু ভাবো, টোকিওতে গেলে দেখবে পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশের মানুষরা সাদা মাটা পোশাক পরে। একটা পুরনো ছাতা বছরের পর বছর ব্যবহার করেন। ফোনের স্ক্রিনে ফাটল
Speaker A
ধরলেও বদলান না যতদিন চলে। এখন আমাদের দিকে তাকাও। ফোনে একটু আঁচড় পড়লেই নতুন ফোন। জুতোর সোল একটু খয়ে গেলেই নতুন জুতো। পুরনো টিভি চললেও নতুন মডেল দেখলে হাত নিষ্পিষ করে। আমরা আসলে জিনিস ব্যবহার করি না। আমরা জিনিস দেখাই। আর এই দেখানোর
Speaker A
খেলায় প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা বেরিয়ে যায়। মত্তাই নাইয়ের নিয়মটা সহজ। যেকোনো জিনিস কিনতে যাওয়ার আগে নিজেকে একটাই প্রশ্ন করো। আমার কাছে যেটা আছে সেটা কি এখনো কাজ করছে? যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, নতুন কিনো না। এই একটা অভ্যাস তোমার বছরে লক্ষাধিক টাকা বাঁচাতে পারে
Speaker A
এবং সেই বাঁচানো টাকাই একদিন তোমার সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠবে। তৃতীয় অভ্যাস কাইজেন। কাই মানে পরিবর্তন, জেন মানে ভালো। কাইজেন মানে ক্রমাগত ছোট ছোট উন্নতি। ১৯৪৫ সালের পর যখন টয়োটা, হোন্ডা, সনি এই কোম্পানিগুলো একদম শূন্য থেকে শুরু করেছিল, তারা একটাই নিয়ম মেনেছিল। আজকে
Speaker A
গতকালের চেয়ে মাত্র এক্সেন্ট ভালো হও। এক পারসেন্ট শুনতে ছোট, কিন্তু এক বছর ধরে প্রতিদিন ১% উন্নতি করলে তুমি ৩৭ গুণ ভালো হয়ে যাও। এটা গণিত, এটা সত্যি। এখন এটা টাকার ক্ষেত্রে চিন্তা করো। আজ থেকে প্রতি মাসে মাত্র ৫০০ টাকা জমানো শুরু করো। পরের
Speaker A
মাসে ৫৫০, তারপরের মাসে ৬০০। এই ছোট ছোট বৃদ্ধি এক বছরের মধ্যে তোমার সঞ্চয় করার ক্ষমতা দ্বিগুণ করে দেবে। কিন্তু আমরা কি বলি? যখন বেতন বাড়বে তখন জমা দাও। যখন খরচ কমবে তখন শুরু করব। এই তখন কখনো আসে না। কাইজেন বলে শুরু করো আজই। ছোট করে
Speaker A
হলেও। কারণ শুরুটাই সবচেয়ে কঠিন। একবার শুরু হলে গতি তৈরি হয়। আর গতি একবার তৈরি হলে থামানো কঠিন। একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই। যদি তুমি আজ থেকে প্রতিদিন বাইরের একটা চা কম খাও, মাসে বাঁচে ৩০০ টাকা। বছরে ৩৬০০। আর যদি সেটা বিনিয়োগ করো, তাহলে ১০ বছরে সেটা
Speaker A
হয়ে যায় ৭০ হাজারের বেশি। শুধু একটা চা কম খেয়ে। এটা কৃপণতা নয়। এটা কাইজেন। চতুর্থ অভ্যাস ওয়াবিসাবি। ওয়াবিসাবি হলো জাপানের হাজার বছরের পুরনো একটা দর্শন, মানে হল সরলতার মধ্যে সৌন্দর্য খোঁজো। টোকিওতে গেলে একটা অবাক করা দৃশ্য দেখবে।
Speaker A
বিশ্বের অন্যতম ধনী শহরের মানুষরা সাধারণ পোশাক পড়ে মেট্রোতে যায়। দামি গাড়িতে চড়ে নিজেকে দেখায় না। রেস্টুরেন্টে গিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার জন্য খায় না। একটা গবেষণায় দেখা গেছে, জাপানের শত কোটিপতিদের বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত এলাকায় থাকেন। সাধারণ পোশাক পড়েন। কারণ তারা একটা সত্যি জানেন। সম্পদ
Speaker A
দেখানোর জিনিস নয়। সম্পদ ব্যবহারের জিনিস। এখন আমাদের দিকে তাকাও। মানুষ একটু টাকা পেলেই নতুন মোবাইল, নতুন পোশাক, দামি রেস্টুরেন্টে গিয়ে ছবি তোলা। অথচ ব্যাংক একাউন্ট শূন্য। আমরা ধনী দেখাতে গিয়ে গরিব হয়ে যাই। সমাজবিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে বলেন, লাইফস্টাইল ক্রিপ। জীবনযাত্রার মান
Speaker A
আয়ের চেয়েও দ্রুত বাড়তে থাকে। আগে রিক্সায় যেত, এখন উবারে। আগে ঘরে রান্না করত, এখন ফুডপান্ডা। প্রতিটা পরিবর্তন একা একা ছোট মনে হয়, কিন্তু সব মিলিয়ে মাসে হাজার হাজার টাকা বেরিয়ে যায়। আর এর পেছনে আছে আরেকটা বিপদ, তুলনা। বন্ধুর
Speaker A
নতুন ফোন দেখলে মনে হয় আমারটা পুরনো হয়ে গেছে। সহকর্মীর দামি ব্যাগ দেখলে মনে হয় আমারটা সস্তা। প্রতিবেশীর নতুন টিভি দেখলে নিজেরটা ছোট লাগে। এই তুলনার দৌড়ের কোন শেষ নেই। কারণ সবসময় কেউ না কেউ থাকবে যার কাছে আরো ভালো কিছু আছে। ওয়াবিসাবি
Speaker A
বলে তোমার সত্যিকারের মূল্য তোমার পোশাকে নয়। তোমার গাড়িতে নয়। তোমার মূল্য তোমার চরিত্রে, তোমার কাজে। আজ থেকে একটা প্রশ্ন করো নিজেকে, যেকোনো কিছু কেনার আগে এটা কি আমার সত্যিকারের দরকার, নাকি অন্যকে দেখানোর জন্য? শুধু এই একটা প্রশ্নই তোমার
Speaker A
মাসিক খরচের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। এবার আসি পঞ্চম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অভ্যাসে। এটা না জানলে আগের চারটি অভ্যাস মেনে চললেও তুমি আসলে পিছিয়েই পড়তে থাকবে। পঞ্চম অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা। জাপানে একটা প্রবাদ আছে, ১০০ বছরের পরিকল্পনা করো। জাপানে ১০০
Speaker A
বছরের বেশি পুরনো কোম্পানির সংখ্যা পৃথিবীর যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। কারণ জাপানিরা শুধু আজকের লাভ দেখে না। ১০ বছর পরে কি হবে সেটা দেখে। আমরা কিন্তু এই মাসের কথা ভাবি। এই বছরের কথা ভাবি। ১০ বছর পরের কথা ভাবি না। এখন একটা ভয়ঙ্কর
Speaker A
সত্যি বলি। তুমি যদি এখন ২৫ বছর বয়সী হও এবং প্রতি মাসে মাত্র ১০০০ টাকা এমন জায়গায় বিনিয়োগ করো যেখানে বছরে ১২% রিটার্ন আসে, তাহলে ৬০ বছর বয়সে তোমার কাছে থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অথচ তুমি নিজে দিয়েছো মাত্র ৪ লাখ কয়েক হাজার
Speaker A
টাকা। বাকি তিন কোটি টাকার বেশি তৈরি করেছে সময় এবং কম্পাউন্ডিং। কিন্তু যদি ৩৫ বছর বয়সে শুরু করো, পাবে মাত্র এক কোটি ১০ লাখ টাকা। ১০ বছর দেরির মাসুল ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অ্যালবার্ট আইনস্টাইন একবার বলেছিলেন, চক্রবৃদ্ধি সুদ হলো পৃথিবীর
Speaker A
অষ্টম আশ্চর্য। যে এটা বোঝে সে উপার্জন করে। যে বোঝে না সে দেয়। জাপানিরা ছোটবেলা থেকেই এটা বোঝে। তারা অল্প অল্প করে সঞ্চয় করে, বিনিয়োগ করে। আর সময়কে কাজে লাগায়। আর তুমি যদি ভাবো কোথায় বিনিয়োগ করবে?
Speaker A
মিউচুয়াল ফান্ড বা ইন্ডেক্স ফান্ড দিয়ে শুরু করতে পারো। মাত্র ৫০০ টাকা থেকেও শুরু সম্ভব। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা আজই শুরু করো। কারণ সময় একবার চল...
Speaker A
লেখো। মোটটাই নাই। কিছু নষ্ট করো না। ইকি গায়ে অফ মানি। টাকার সাথে স্বপ্ন জুড়ে দাও। হারাহাচিভু। সবসময় 80% ব্যবহার করো। কাইজেন প্রতিদিন একটু ভালো হও। কিন্তু এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি। এই পাঁচটা অভ্যাস জাপানিদের জন্য আলাদা কিছু না। এগুলো ওদের সংস্কৃতির অংশ। ছোটবেলা
Speaker A
থেকে শেখা। আমাদের সংস্কৃতিতে এগুলো নেই। কিন্তু সেটা সমস্যা না। কারণ অভ্যাস তৈরি করা যায়। মানসিকতা বদলানো যায়। জীবন বদলানো যায়। শুধু দরকার একটা সিদ্ধান্ত। আজ থেকে এখন থেকে এই মুহূর্ত থেকে। জাপানিরা গরীব হয় না। কারণ ওরা টাকাকে সম্মান করে। ওরা সময়কে সম্মান করে। ওরা
Speaker A
নিজেদের স্বপ্নকে সম্মান করে। আজ থেকে তুমিও সেটা করতে পারো। তুমি বাঙালি হলেও, তুমি মধ্যবিত্ত হলেও, তোমার মাইনে কম হলেও। কারণ এই অভ্যাসগুলোর জন্য বেশি টাকা লাগে না। লাগে শুধু একটু সচেতনতা আর একটু সাহস। সেই সাহসটা কি তোমার আছে? এই
Speaker A
ভিডিওটা দেখার পর একটাই কাজ করো। কমেন্টে লেখো আজকে থেকে তুমি এই পাঁচটার মধ্যে কোন একটা অভ্যাস শুরু করবে? শুধু একটা। পাঁচটা একসাথে না শুধু একটা। কারণ কাইজেন বলে একটা ছোট্ট পদক্ষেপই যথেষ্ট শুরু করার জন্য। আর যদি এই ভিডিওটা থেকে একটাও জিনিস
Speaker A
শিখে থাকো তাহলে এটা তোমার সেই বন্ধুকে পাঠাও যে প্রতিমাসে বলে টাকা নেই। কারণ হয়তো তোমার শেয়ার করা এই ভিডিওটাই তার জীবন বদলে দিতে পারে। চ্যানেলটা এখনো সাবস্ক্রাইব না করলে এখনই করো। বেলটা বাজিয়ে দাও। আর পরের ভিডিওতে আমি বলব
Speaker A
বাঙালিরা অজান্তে যে পাঁচটা আর্থিক ভুল করে যেগুলো তাদের কক্ষনো এগোতে দেয় না সেটা মিস করো না। ততক্ষণে ভালো থেকো। আর মনে রেখো তোমার আর্থিক স্বাধীনতার পথ শুরু হয় আজকের একটা ছোট্ট সিদ্ধান্ত থেকে।
Topics:জাপানআর্থিক অভ্যাসসঞ্চয়বিনিয়োগকাকেইবোমত্তাই নাইকাইজেনওয়াবিসাবিদীর্ঘমেয়াদী চিন্তাবাংলা মোটিভেশন











