৭টি শক্তিশালী ব্যায়াম~ আপনার মস্তিষ্ক হবে সুপারফাস্ট! |… — Transcript

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ৭টি কার্যকর ব্যায়াম ও মনোযোগ বৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। মস্তিষ্ককে সুপারফাস্ট করার সহজ উপায়।

Key Takeaways

  • স্মৃতিশক্তি বাড়াতে প্রথমে মনোযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি।
  • তথ্যকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে তা লং টার্ম মেমোরিতে যায়।
  • নিয়মিত মেমোরি এক্সারসাইজ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করে।
  • ভিজুয়ালাইজেশন ও অ্যাকশন মোডে থাকার মাধ্যমে শেখা আরও কার্যকর হয়।
  • মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস শান্ত থাকলে শেখার গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।

Summary

  • স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য মনোযোগ ও ইনপুটের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
  • মেমোরি উন্নয়নের জন্য শর্টটার্ম থেকে লং টার্ম মেমোরিতে তথ্য স্থানান্তরের পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।
  • গভীর মনোযোগ বা ইনটেন্স ফোকাসিং এর মাধ্যমে স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি সম্ভব।
  • ব্রড মিনিং বুঝে বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা স্মৃতিশক্তি উন্নত করার একটি কৌশল।
  • মনোযোগ বাড়ানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম ও কগনেটিভ এক্সারসাইজের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
  • মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস শান্ত থাকলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় এবং শেখা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
  • ভিজুয়ালাইজেশন ও অ্যাকশন মোডে থাকার মাধ্যমে পড়াশোনার গুণগত মান বাড়ানো যায়।
  • নিয়মিত মস্তিষ্ক ও শরীরের সংযোগ বাড়ানোর জন্য বিশেষ ব্যায়াম শেখানো হয়েছে।
  • স্মৃতিশক্তি শুধুমাত্র পড়াশোনার জন্য নয়, দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
  • মেমোরি টেকনিক শেখার মাধ্যমে যেকোনো বয়সেই স্মৃতিশক্তি উন্নত করা সম্ভব।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
একবার যদি ভালো করে পড়ে মনে রাখা যায়, তাহলে সেটা এমনভাবে মনে থাকবে যেন আর কখনো ভুলে না যায়। আর শুধু পড়ে মনে রাখা নয়, যদি আপনি এমনিতেই অনেক কিছু ভুলে যান, তাহলেও এই ভিডিও আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। আমাকে অনেকে কমেন্ট
00:16
Speaker A
করে জানিয়েছেন, যেমন ফাতিমা, আরশী, চয়ন চ্যানেল, সৌরজ্যোতি মাহাত ও আরো অনেকে। সবার নাম এখানে উল্লেখ করা সম্ভব নয়। তোমরা জানতে চেয়েছো স্বর্ণশক্তি বাড়াবো কিভাবে? পড়াশোনা মাথায় রাখার উপায় দিন। অবজারভেশন পাওয়ার কি করে বাড়াবো? ব্রেন ডেভেলপ করার জন্য আমার কি করা উচিত
00:32
Speaker A
ইত্যাদি ইত্যাদি। আজ তোমাদের অনুরোধেই এই ভিডিওর প্রস্তুতি। তোমরা কি জানো ২৫ লাখ জিবির স্টোরেজ আছে আমাদের ব্রেনে। তবুও আমরা এতকিছু ভুলে যাই কেন? আমরা এত ভুলমোনা কেন? তোমার ভবিষ্যৎ নির্ভর করে বর্তমানের উপর। তুমি এখন কি করছো তার উপর।
00:48
Speaker A
আর তুমি বর্তমানে সেটাই করবে যা তুমি মনে রেখেছো। যদি স্মৃতিশক্তি বাড়ানো এতটাই সহজ হতো বলা হয়, তাহলে সবাই আইএস আর ডাক্তার হয়ে যেত। কিন্তু এই আইএএস আর ডাক্তাররা কিন্তু জন্মের সময় স্মার্ট মেমোরি নিয়ে জন্মায় না। তারা পরে মেমোরি
01:02
Speaker A
টেকনিক শেখে। যেটা শুধু ছোটরা নয়, আপনিও শিখে নিতে পারেন। এই ভিডিওতে আমি কতগুলো মেমোরি এক্সারসাইজ দেখাবো, যেগুলো রেগুলার প্র্যাকটিস করলে আপনিও জিনিয়াস স্মার্ট মেমোরির অধিকারী হবেন। বয়স আপনার যাই হোক না কেন। মনে রাখবেন আপনার স্মৃতিশক্তি শুধু পড়াশোনার জন্য নয়, বরং কথাবার্তা
01:19
Speaker A
মনে রেখে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় বলার ক্ষেত্রেও কাজে লাগে। বাড়ির লোক আপনাকে বাজার করতে পাঠালো। আর আপনি গিয়ে ভুলে গেলেন, তখন বকুনি খেতে হয়। এমনকি ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়ার কারণে লোকসান পর্যন্ত হয়। সব জায়গায় স্মৃতিশক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
01:35
Speaker A
ছোটবেলায় মানুষ কাঁদতে কাঁদতে প্রথমবার স্কুলে যায়। আর ২০ বছর পর গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে আবার কাঁদতে কাঁদতে বন্ধুদের বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে আসে। এই আসা যাবার ২০ বছরের জার্নিতে যা কিছু শেখা হয়, তার ৫%ও আমরা ঠিকভাবে মনে রাখতে পারি না। চলুন
01:51
Speaker A
সবার আগে আপনার মনোসংযোগ কতটা সেটা আগে পরীক্ষা করা যাক। আমি আপনার সামনে একটি ভিডিও ক্লিপ চালাবো। এই ভিডিওটি ১৩ বছর পুরনো। যেখানে দুটি দল বাস্কেটবল একে অপরকে পাস করছে। একটি দল পড়েছে সাদা জামা, অন্য দল কালো জামা। আপনার কাজ কি?
02:07
Speaker A
আপনাকে কেবল সাদা জামার খেলোয়াড়রা কতবার বল একে অপরকে পাস করেছে সেটা গুনে বলতে হবে। কালো জামার খেলোয়াড়দের একেবারে উপেক্ষা করতে হবে। তৈরি তো? থ্রি টু ওয়ান শুরু। ভিডিওটা এখানেই শেষ। এবার কমেন্টে লিখে জানাও সাদা জামার খেলোয়াড়রা কতবার বল
02:45
Speaker A
একে অপরকে পাস করেছে। যখন আমরা কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ দিই, যেমন কোন কিছু খুঁজে বের করার চেষ্টা করি, তখন আমরা অন্য জিনিসগুলো দেখতে পাই না। এটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়েছে। হয়তো মাঝখানে যে গরিলাটি এসে ঢুকেছিল, সেটা আপনি খেয়ালই
03:02
Speaker A
করেননি। ক্রিস্টোফার চাবিস আর ড্যানিয়েল সিমন্স তাদের বিখ্যাত বই দ্যা ইনভিজিবল গরিলায় এই উদাহরণটি দিয়েছিলেন। এই ভিডিওতে মাত্র ৯ সেকেন্ডের জন্য একটি নারী গরিলা সুট পরে মাঠ পার হচ্ছিল। হয়তো আপনি এটা আগেই শুনেছেন। কিন্তু তখন হাজার হাজার মানুষ এই ভিডিওটি দেখেছিল। তাদের চোখে
03:20
Speaker A
গরিলা ধরা পড়েনি। তারা শুধু বল গুনছিল সাদা দলের খেলোয়াড়রা কতবার পাস করছে। কারণ তাদেরকে কাজ দেওয়া হয়েছিল, বল গুনতে হবে। আর এই নির্দেশই তাদের চোখকে আদো করে দিয়েছিল। এটাই হলো ইনটেন্স ফোকাসিং বা গভীর মনোসংযোগের শক্তি। তাই কোন কিছু স্মরণ রাখার জন্য সবার আগে দরকার
03:41
Speaker A
মনোসংযোগ। আশা করি আপনারা এই ভিডিওটাও এমনিই মনোযোগ সহকারে পুরোটা দেখবেন। চলুন ফিরে আসি মূল বিষয়ে। বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট, এলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গ, ওবামা এদের সম্পর্কে আমরা জানি যে এরা প্রচুর বই পড়ে। তাদের রিডিং হ্যাবিট দারুণ। কিন্তু বাস্তবে তারা শুধু বই পড়েই
03:59
Speaker A
ক্ষান্ত হয় না। তারা বইয়ের বিষয়গুলো মনে রেখে সঠিক সময় তা কাজে লাগায়। না হলে মানুষের চেয়ে হাতির মেমোরি অনেক ভালো। হাতির মত স্মৃতিশক্তি আর কোন প্রাণীর থাকে না। কিন্তু হাতি তো মানুষের মতো তার মেমোরিকে ম্যানেজ করতে পারে না।
04:13
Speaker A
পড়া জিনিস কিভাবে ভুলবো না, কিভাবে মেমোরি থেকে তা দ্রুত বের করে আনবো, এই ভিডিওতে আমরা সেটা জানবো। চলুন শুরু করি আজকের ভিডিও। [মিউজিক] ভালোভাবে পড়াশোনা করতে গেলে শর্টটার্ম মেমোরিকে কাজে লাগাতে হয়। স্মৃতিশক্তি কি বাড়ানো যায়? হ্যাঁ, যায়। আপনার
04:36
Speaker A
মস্তিষ্কের মেমোরি পাওয়ার বাড়ানো সম্ভব। যখন মনে রাখার কথা আসে, তখন প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত, মনে রাখার সময় কি ঠিকভাবে করা যাচ্ছে? মনে রাখা হচ্ছে ইনপুট। আর সঠিক সময় সেটা মনে পড়া হচ্ছে আউটপুট। তাই প্রথমে আমাদের ইনপুট ঠিক করতে হবে। আপনি
04:54
Speaker A
যদি কোন কিছু ভুলতে না চান, তাহলে ফরগেট শব্দ থেকে এফ বাদ দিন। পিছনে রইল গেট। মানে প্রথমে তাকে পেতে করতে হবে। যখন আমাদের মোবাইলে ছয় সংখ্যার ওটিপি আসে, আমরা সেটা পড়ে সাত আট সেকেন্ড মনে রেখে টাইপ করে দিই আর সামনের ধাপে এগিয়ে যাই। যেই
05:11
Speaker A
মুহূর্তে দরকার শেষ হয়ে যায়, আমরা সঙ্গে সঙ্গে সেই ওটিপি ভুলে যাই। মস্তিষ্ক এমন তথ্যকে শুধুমাত্র শর্টটার্ম মেমোরিতে রাখে। পড়াশোনার সময় বা কোনো তথ্য মনে রাখার সময়ও আমরা চোখ বন্ধ করে ভাবি আমার তো মনে আছে, কিন্তু পরে দেখি অনেক সময় সেটা মনে
05:28
Speaker A
থাকে না, কারণ সেটা ওটিপির মতোই শর্ট টার্ম মেমোরিতে সেফ ছিল। তাকে লং টার্ম মেমোরিতে আনতে গেলে প্রথম কাজ হলো সেই জিনিসটাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে হবে। মস্তিষ্ক যেটাকে দরকারি মনে করে, সেটাকেই সে শর্টটার্ম থেকে লং টার্মে পাঠিয়ে দেয়। ধরুন কেউ আপনাকে বললেও প্যারাসুট কিভাবে
05:45
Speaker A
খোলা হয়, সেটা কিভাবে কাজ করে, আপনি হয়তো মনোযোগ দেবেন না বা কিছুক্ষণের মধ্যেই ভুলে যাবেন। কিন্তু ধরুন আপনাকে এক ঘন্টা পর স্কাই ড্রাইভিং করতে বলা হলো। আপনাকে আকাশ কাকে লাফ দিতে হবে। এখন যদি কেউ বলে প্যারাসুট এভাবে খোলার নিয়ম, তাহলে আপনি
06:00
Speaker A
মন প্রাণ দিয়ে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে সেটা শুনবেন। আর এটাই বাস্তব। এখন পর্যন্ত খুব কম মানুষেরই মৃত্যু হয়েছে প্যারাসুট খোলা ভুলে যাওয়ার কারণে। তাহলে প্রশ্ন হলো কোন কিছু কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ বানানো যায়? আপনি যেটা মনে রাখতে চান, সেটাকে গুরুত্বপূর্ণ করতে গেলে তার ব্রড মিনিং
06:19
Speaker A
খুঁজে বের করা শুরু করুন। ব্রড মিনিং মানে কি? ধরুন আপনি প্রথমবার একটা পেইন্টিং দেখছেন আর প্রথমবারেই সেটাকে ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে খুব কাছ থেকে দেখছেন। অর্থাৎ আপনি সেটার একদম জুমড ইন অংশ দেখছেন। তাহলে আপনি বুঝতেই পারবেন না এটা পেইন্টিংয়ের কোন অংশ। কিন্তু যদি একবার
06:37
Speaker A
আপনি দূর থেকে পুরো পেইন্টিংটা দেখে নেন, তারপর জুম করেন, তাহলে পুরো ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যেকোন বিষয়ে ঠিক এভাবেই বুঝুন। আপনি যেন কোন শহরের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং এর উপর দাঁড়িয়ে শহরের পুরো ম্যাপ দেখছেন। যখন আপনি কোন বিষয়ের ব্রড
06:53
Speaker A
মিনিং বুঝে যান, তখন সেই বিষয়টা আপনার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং হয়ে ওঠে। আর ইন্টারেস্টিং জিনিস মানুষ সহজে ভুলে না। এখন যেহেতু আপনি ব্রড মিনিং বুঝে গেছেন, তাই বিষয়টা ইন্টারেস্টিং লাগবে। এখন মনে রাখার কাজটা আপনার কাছে মজার হয়ে যাবে। যদি আপনি কিছু পড়তে চান, মনে রাখতে চান,
07:10
Speaker A
কিন্তু সেটা আপনার কাছে ইম্পরটেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ না হয়, তাহলে সেটা হবে একদম সিসি ফ্যাসের মত কাজ। আপনি একটা পাথর নিয়ে পাহাড়ে উঠছেন আর উপরে গিয়ে সেটা ফেলে দিচ্ছেন। এটা তো এক ধরনের শ্রমিকের কাজ। না, সেটা মনে থাকবে না, কোন আনন্দ
07:25
Speaker A
আসবে। কারণ সেটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটা বুঝতে পারলে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু আপনি হয়তো বলবেন ভাই, আমি তো গুরুত্বপূর্ণ বলেই পড়ছি, তাই তো মনে রাখতে চাইছি। তাহলে প্রশ্ন হলো, তাহলে কেন আমরা ভুলে যাই? এর উত্তর হচ্ছে
07:40
Speaker A
যেটা আপনি মনে রাখতে চান, সেটার ইনপুটের কোয়ালিটি খারাপ হয়। আর এই কোয়ালিটি খারাপ হয় ডিস্ট্রাকশন বা মনোযোগ বিচ্যুতির কারণে। এখন এই ডিস্ট্র্যাকশনের ফলে কি হয়? আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ ইনপুটের কোয়ালিটি যদি বাড়াতে চান, তাহলে আপনাকে মনোযোগ বা
07:57
Speaker A
এটেনশন বাড়াতে হবে। আমরা এত ঘন্টা ধরে সিনেমা দেখি, সিরিজ দেখি, কিন্তু কিছুই ভুলে যাই না কেন? আমরা শৈশব থেকে আজ অব্দি যত সিনেমা দেখেছি, সেইগুলো প্রায়ই সব মনে আছে। কারণ তখন আমাদের মনোযোগ ছিল একদম ১০০ শতাংশ। জীবনে এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলো
08:14
Speaker A
আমরা ভুলতে চাই, কিন্তু ভুলতে পারি না। যেখানে মনোযোগ বেশি, সেখানে কিছুই ভুলা যায় না। এবার প্রশ্ন হলো, মনোযোগ কিভাবে বাড়াবেন? চলুন একটি ব্যায়াম শিখে নেওয়া যাক। এটা আপনার কগনেটিভ ক্ষমতা, মানে মস্তিষ্কের চিন্তাশক্তি সক্রিয় করে তোলে। আপনি স্ক্রিনে একটি গ্রিড দেখবেন, যেখানে
08:31
Speaker A
এক থেকে ২৫ পর্যন্ত সংখ্যা এলোমেলোভাবে বসানো আছে। কেন্দ্রে থাকা সংখ্যাটির দিকে মনোযোগ দিন। তারপর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে এক থেকে ২৫ পর্যন্ত সব সংখ্যা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন ক্রমানুসারে। তৈরি তো? তিন দুই এক। শুরু। [মিউজিক] আপনি কি সবগুলো খুঁজে পেয়েছেন? কমেন্ট
09:22
Speaker A
করে লিখে জানান। যদি কিছু মিস করেন, চিন্তা নেই। এই চার্টটার একটা স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। আর রোজ প্র্যাকটিস করুন। নিয়মিত অনুশীলনে এই ব্যায়াম আপনার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ গতি এবং পার্শ্ববর্তী দৃষ্টিশক্তি উন্নত করবে। এবার আলোচনা করব মনোযোগ কিভাবে বাড়াবেন। ইনপুটের কোয়ালিটি বাড়াতে হলে মনোযোগের শক্তি
09:42
Speaker A
বাড়াতে হবে। আর মনোযোগ সবচেয়ে বেশি থাকে যখন আমাদের মস্তিষ্কের একটি অংশ হিপ্পোক্যাম্পাস একদম শান্ত থাকে। যখন মন শান্ত, মনোযোগ বিচ্ছিন্ন নয়, তখন আপনি যাই শিখুন তা মনে থাকবে আজীবন। এটা একটা টেকনিক যেটা আমি এখন বলব। আর বিজ্ঞান বারবার প্রমাণ করে দিয়েছে এটা দারুণ কাজ
10:03
Speaker A
করে। এই ভিডিও শেষ হওয়ার পরেই আপ...
10:18
Speaker A
বলতে পারেন। হাঁটার সময় ভাবতেও পারেন। দৌড়ানোর সময়ও কথা বলা সম্ভব। কিন্তু আপনি যদি খুব জোরে দৌড়ান তাহলে কথা বলা তো দূরের কথা ভাবতেও পারবেন না। তাই আপনাকে কি করতে হবে? আপনাকে কয়েক মিনিটের জন্যে খুবই ইনটেন্স কার্ডিও করতে হবে।
10:34
Speaker A
চাইলে আপনি খুব জোরে দৌড়াতে পারেন। অথবা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে হাঁটু মাখিয়ে জাম্প করতে পারেন। যতক্ষণ না আপনার ঘাম বের হয়ে চালিয়ে যান। আমাদের লক্ষ্য হলো নিজেকে পুরোপুরি ক্লান্ত করে ফেলা। ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার পর দুই থেকে তিন মিনিট বিশ্রাণ নিন। তারপর সেই সময় আপনি
10:52
Speaker A
যা পড়বেন তা মস্তিষ্কে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। বিজ্ঞান বহুবার প্রমাণ করেছে এই টেকনিক খুবই কার্যকর। সেই মুহূর্তে আপনার মনোযোগের অবস্থা সবচেয়ে তীঘ্ন। আপনার কনসেন্ট্রেশন পাওয়ার তখন খুবই শক্তিশালী থাকবে। আপনার এটেনশন পাওয়ারও তখন চরমে। আপনার মস্তিষ্ক ইনপুট নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আপনার মাথা যেন একটা
11:14
Speaker A
ব্ল্যাকবোর্ড যেটাকে সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। এখন এর উপর আপনি যাই লিখবেন সেটা পরিষ্কারভাবে লেখা যাবে। এই টেকনিককে বলা হয় ফোর্সড মেডিটেশন। জোরপূর্বক মনোসংযোগ। এই সময় আপনার ফটোগ্রাফিক মেমোরি ইনপুট নেওয়ার ক্ষমতা খুব বেশি হয়ে যায়। এই মুহূর্তে আপনি যা কিছু মনে
11:32
Speaker A
রাখার চেষ্টা করবেন তা খুব সহজে আপনার হিপো ক্যাম্পাসে সেভ হবে। হিপোক্যাম্পাসে তৈরি হবে একটা কগনিটিভ ম্যাপ। মানে মস্তিষ্ক একটা মানসিক মানচিত্র। আমরা কিছু মনে রাখলে আমাদের ব্রেনে এমন মানচিত্রই তৈরি হয়। এই সময় সেই ম্যাপ একদম পরিষ্কারভাবে তৈরি হয়। এখান থেকে আমরা
11:51
Speaker A
বুঝতে পারি মস্তিষ্কের সঙ্গে শরীরের সম্পর্ক আছে। যদি শরীর এক্টিভ থাকে তাহলে মনও সাহায্য করে। এই জন্যেই আমাদের পরের পয়েন্ট হলো শরীরকে অ্যাকশন মোডে রাখো। অ্যাকশন নিজেই একটা দারুণ মেমোরি এনহ্যান্সার। আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে ভালোভাবে মনে রাখে যখন কোন ফিজিক্যাল
12:08
Speaker A
অ্যাকশন করা হয়। যেমন আপনি কোন খেলা খেলছেন ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল বা আপনি ডান্স করছেন বা এক্সারসাইজ করছেন এই কাজগুলো আপনি অনেক ভালোভাবে মনে রাখতে পারেন। দ্বিতীয়ত আমরা যেটা সবচেয়ে বেশি মনে রাখি তা হলো চোখ দিয়ে দেখা জিনিস। মানে ভিজুয়ালস। তৃতীয়ত আমরা যা শুনি
12:27
Speaker A
সেটা। আর সবচেয়ে কম মনে রাখি যা কেবল পড়া হয়। তাই পড়াশোনা করতে গেলে অ্যাকশন মোডে থাকতে হবে। মানে আপনি যদি চেয়ারে বসে পড়েন তাহলে একেবারে গায়ে এলিয়ে বসে থাকবেন না। এমনভাবে বসুন যেন আপনি উঠে পড়তে চলেছেন। বা অর্ধেক দেহ দিয়ে বসে
12:43
Speaker A
থাকুন যাতে শরীর সচল থাকে। এক মুহূর্ত চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখুন তো এমন কখনো হয়েছে কিনা যখন আপনি তাড়াহুড়ো করে কোথাও যাচ্ছেন তখন হঠাৎ অনেক কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে। এই সময়টা কেন এমন হয়? কারণ তখন শরীর অ্যাকশন মোডে থাকে। ফলে আপনার রিকলিং
13:00
Speaker A
পাওয়ার অনেক বেশি হয়। আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন? কোথাও বেড়াতে গিয়ে কোন দৃশ্য দেখে হঠাৎ কিছু পুরনো কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। আপনি কি দেখেছেন? অনেক লেখক তাদের পরবর্তী লাইন বা গল্পের পরবর্তী ধাপ খুঁজে পেতে ভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন। কারণ তখন
13:16
Speaker A
মস্তিষ্ক অনেক কিছু মনে করতে পারে। তাহলে সমাধান কি? সমাধান হলো পড়াশোনার ভিন্ন ভিন্ন ভ্যারিয়েশন ব্যবহার করা। শুধু এক জায়গায় বসে একভাবে পড়বেন না। কখনো দাঁড়িয়ে কখনো হাঁটতে হাঁটতে পড়ার অভ্যাস করুন। অথবা যখন কিছু মুখস্ত করছেন তখন হাতের ইশারা ব্যবহার করুন। শরীরকে
13:34
Speaker A
জড়িয়ে নিন। মনে রাখার সময় এমনভাবে বলুন যেন আপনি কাউকে বোঝাচ্ছেন। এটাকে আপনি এভাবে বোঝার চেষ্টা করুন। অনেকক্ষণ ধরে যদি আমরা ফোন না চালাই বা ল্যাপটপ না অন করি তাহলে স্ক্রিন স্লিপ মোডে চলে যায়। মেমোরিও স্লিপ মোডে চলে যায়। একইভাবে
13:50
Speaker A
আমাদের মস্তিষ্ক স্লিপ মোডে চলে যায়। যখন শরীর অ্যাকশন মোডে থাকে না। তাই শরীরকে অ্যাকশন মোডে আনো। আপনি যদি আমাকে মনোযোগ দিয়ে শুনে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই মনে থাকবে অ্যাকশনের পর আমরা সবচেয়ে বেশি যেটা মনে রাখি সেটা হলো চোখ দিয়ে দেখা
14:04
Speaker A
জিনিস মানে ভিজুয়ালস আমাদের মস্তিষ্ক লেখার থেকে 60000 গুণ বেশি শক্তিশালীভাবে ভিজুয়ালস মনে রাখতে পারে তাই কিছু মনে রাখতে চাইলে মস্তিষ্কে ডায়াগ্রাম তৈরি করুন নিজেকে সিনেমার ডাইরেক্টর মনে করুন চোখ বন্ধ করে মনের মধ্যে সেই ছবিটা আঁকার চেষ্টা করুন এটা একটা প্র্যাকটিস আপনি
14:22
Speaker A
প্রতিদিন করতে পারেন আপনি চাইলে দিনে একবার মাত্র পাঁচ মিনিট এর চোখ বন্ধ করে একটা একদম সাদা ক্যানভাস কল্পনা করুন আর সেই ক্যানভাসে আপনি নিজেই ছবি আঁকা শুরু করুন। যেমন ধরুন আপনি একটা পাহাড়ি গ্রাম এঁকে ফেললেন। তাও যেন একদম এইচডি
14:37
Speaker A
কোয়ালিটিতে যেখানে আপনি বরফের পাহাড় দেখতে পাচ্ছেন, জানলা দেখতে পাচ্ছেন, দরজা দেখতে পাচ্ছেন, রাস্তা, আকাশ, মেঘ সবকিছু একদম নিখুতভাবে। এই কাজটা যদি আপনি প্রতিদিন করেন তাহলে আপনার ফটোগ্রাফিক মেমোরি অনেক উন্নত হবে। আপনার ভিজুয়াল মেমোরি বাড়বে। মানে মস্তিষ্কের একটা দিক
14:56
Speaker A
খুব জোরে কাজ করতে শুরু করবে। আরো একটা উপায় আছে যদি আপনি ফিকশনাল বই পড়েন তাও আপনার কল্পনাশক্তি এবং ভিজুয়াল ড্রইং ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। কারণ ফিকশন লেখকরা প্রতিটি দৃশ্য এত বিস্তারিতভাবে লেখেন যা আপনাকে চোখে দেখা দৃশ্যের মত অনুভব করায়। এখন আপনি বুঝতেই পারেন যে
15:15
Speaker A
এসব করার আমাদের কি লাভ? লাভটা এখানে। যখন আপনি ভিজুয়ালাইজ করার অভ্যাস গড়ে ফেলেন তখন আপনি পড়াশোনার সময় শুধু লজিক দিয়ে বোঝেন না। আপনি সেটা ভিজুয়ালি বোঝেন। যখন আপনি কোন তথ্য শুধু লজিক দিয়ে মনে রাখেন তখন সেটা আপনার মস্তিষ্কের একপাশে সেভ
15:31
Speaker A
হয়। কিন্তু যখন আপনি সেটা ভিজুয়ালি ভাবেন তখন সেটা মস্তিষ্কের অন্যপাশেও সেভ হয়। এর মানে হলো এখন সেই বিষয়টা দুই দিক থেকেই মস্তিষ্কে জমা হচ্ছে। ফলে সঠিক সময় সেই জিনিসটা মনে পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আর আমরা তো আগেই জেনেছি
15:47
Speaker A
মস্তিষ্কে 25 লক্ষ জিবি স্টোরেজ থাকে। তাহলে ভাবুন কত ভিজুয়াল তৈরি করে আপনি সেখানে স্টোর করে রাখতে পারেন। এবার আসুন একটা ছোট্ট মেমোরি গেম খেলি। ব্যায়াম এক। মাল্টিকালার টেক্সট। এই ব্যায়ামে আপনি কিছু শব্দ দেখবেন যেগুলো বিভিন্ন রঙে লেখা। আপনার কাজ হলো শব্দটি কি লেখা আছে
16:07
Speaker A
সেটা না বলে বরং শব্দটির রংটি জোরে জোরে বলা। যেমন স্ক্রিনে যদি লেখা থাকে ব্লু কিন্তু সেটা লেখা হয় লাল রঙে তাহলে উত্তর হবে লাল নীল নয় এই গেমটা আপনি আগেও করে থাকলে আবার করুন তৈরি তো থ্রি টু ওয়ান
16:24
Speaker A
শুরু [মিউজিক] [মিউজিক] এটা দেখতে সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু আসলে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই অনুশীলন আপনার মেমোরি, কনসেন্ট্রেশন এবং মাল্টিটাস্কিং স্কিল এবং মনোযোগ শক্তি বাড়ায়। ব্যায়াম দুই হাতের সমন্বয় অনুশীলন। চলুন এবার হাতের সমন্বয় নিয়ে কাজ করি। আপনার ডান
17:07
Speaker A
হাতে পি চিহ্ন বানান। আর বাম হাতে ওকে সাইন তৈরি করুন। তারপর হাত বদলান। বাম হাতে পি সাইন আর ডান হাতে ওকে সাইন। এই কাজটা একটানা পাঁচবার করুন 10 সেকেন্ডের মধ্যে। তৈরি তো তিন দুই এক শোরুন। [মিউজিক] এই ব্যায়াম আপনার মস্তিষ্ক আর শরীরের
17:37
Speaker A
মধ্যে সংযোগকে আরো শক্তিশালী করে। ব্যায়াম তিন চোখ বন্ধ করে কাজ করা। এই ব্যায়ামে আপনাকে কিছু ছোটখাট কাজ করতে হবে। চোখ বন্ধ করে। যেমন চোখ বন্ধ করে কাগজে নিজের নাম লেখা। চক্র, ত্রিভুজ বা বর্গক্ষেত্রের মত সাধারণ আকৃতি আঁকা। এমনকি আপনার ফোনে কিছু টাইপ করাও। চাইলে
17:59
Speaker A
এখনই ট্রাই করুন। ভিডিওটা একটু পজ করুন। আর চোখ বন্ধ করে কমেন্টে আপনার নাম টাইপ করুন। এই ব্যায়াম আপনার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। আর স্পেশাল মেমোরি এবং রিকল ক্ষমতা আরো ধারালো করে তোলে। ব্যায়াম চার, ব্রেন গেমস। অনেক সময় আমরা শুনি
18:17
Speaker A
ভিডিও গেম নেশার মত হয়ে যায়। কিন্তু গবেষণা বলছে চ্যালেঞ্জিং ব্রেন গেমস আপনার ডিসিশন মেকিং আর স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে পারে। সুঢুকু, দাঁজ, ধাঁধা, শব্দ খোঁজার মত গেম খেলুন। যেগুলো আপনার চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগায়। ক্যান্ডি ক্রাশের মতো শুধু ক্লিক করে যাওয়া গেম নয় বরং
18:36
Speaker A
চিন্তাধারাকে সক্রিয় করে এমন গেম বেছে নিন। ব্যাম পাঁচ, নন ডমিনেন্ট হাত ব্যবহার করা। এই ব্যামটি সহজ কিন্তু খুবই কার্যকর। আপনি যে হাতটা সাধারণত কম ব্যবহার করেন সেটি দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। যেমন আপনি যদি সাধারণত ডান হাতে দাঁত মাজেন
18:54
Speaker A
এবার বাম হাত দিয়ে করুন। লিখুন খান কিংবা যেকোন দুইদন্দিন কাজ করুন সেই হাতে যেটা আপনি কম ব্যবহার করেন। এভাবে আপনার মস্তিষ্কে নতুন নিউরাল কানেকশন তৈরি হবে। আর শরীর আর মস্তিষ্কের সংযোগ আরো শক্তিশালী হবে। এই ভিডিওটা যদি আপনার ভালো
19:11
Speaker A
লাগে তাহলে চ্যালেঞ্জ নিন নন ডমিনেন্ট হাত দিয়ে একটা লাইক দিন। ব্যায়াম ছয় প্রযুক্তি নির্ভরতা কমানো। সবশেষে চেষ্টা করুন আপনার প্রযুক্তির উপর নির্ভরতা কিছুটা কমানোর। প্রযুক্তি আমাদের জীবন সহজ করে দেয় ঠিকই। কিন্তু অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের মস্তিষ্ককে অলস করে ফেলে। ছোট ছোট
19:29
Speaker A
কাজ নিজে হাতে করুন। যেমন শব্দ মুখস্ত করা, ক্যালকুলেটর ছাড়া হিসাব করা বা মোবাইল ছাড়া বন্ধুদের ফোন নাম্বার মুখস্ত রাখা। এই অভ্যাসগুলো আপনার স্মীতিশক্তি বাড়াবে এবং আপনাকে আরো আত্মনির্ভর করে তুলবে। সবসময় লিস্ট বানিয়ে কাজ না করে চেষ্টা করুন মনে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে।
19:47
Speaker A
এর মানে এটাই নয় যে লিস্ট পুরোপুরি বাদ দিতে হবে বরং আপনার মেমোরি হোক প্রথম টুল আর লিস্ট হোক ব্যাকআপ। আজকের জন্য এটাই ছিল। যদি এই ভিডিওটা আপনার কাজে লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটা লাইক দিন। চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন আর বেল আইকনে ক্লিক করুন
20:02
Speaker A
যেন আপনি আমার পরবর্তী কন্টেন্ট মিস না করেন। আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। নিচের কমেন্টে লিখুন। আবার দেখা হবে পরবর্তী ভিডিওতে। ততদিন পর্যন্ত জিজ্ঞাসু থাকুন, শিখতে থাকুন।
Topics:স্মৃতিশক্তিমেমোরি উন্নয়নমনোযোগ বৃদ্ধিমস্তিষ্কের ব্যায়ামমেমোরি টেকনিকভিজুয়ালাইজেশনকগনেটিভ এক্সারসাইজহিপ্পোক্যাম্পাসশিখন পদ্ধতিবাংলা ভিডিও

Frequently Asked Questions

কিভাবে স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়?

মনোযোগ বাড়ানো এবং তথ্যকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে লং টার্ম মেমোরিতে স্থানান্তর করা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর প্রধান উপায়। নিয়মিত মেমোরি এক্সারসাইজ ও ভিজুয়ালাইজেশনও সাহায্য করে।

মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কোন ধরনের ব্যায়াম করা উচিত?

ভিডিওতে প্রদত্ত গ্রিড থেকে সংখ্যাগুলো ক্রমানুসারে খুঁজে বের করার ব্যায়াম এবং হাতের বিভিন্ন সাইন পরিবর্তন করার ব্যায়াম মনোযোগ ও কগনেটিভ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর।

কেন আমরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যাই?

ডিস্ট্র্যাকশনের কারণে ইনপুটের কোয়ালিটি খারাপ হলে তথ্য মস্তিষ্কে সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয় না, ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও ভুলে যাওয়া সম্ভব।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →