নিউরোপ্লাস্টিসিটি: যেকোনো বয়সে নিজের ব্রেইন রিপ্রোগ্রাম… — Transcript

নিউরোপ্লাস্টিসিটি ও অভ্যাস গঠনের বিজ্ঞান: যেকোনো বয়সে ব্রেইন রিপ্রোগ্রাম করার সহজ ও কার্যকর উপায়।

Key Takeaways

  • খারাপ অভ্যাস ছাড়তে চাইলে ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • অভ্যাস গঠন কঠিন মনে হলেও অনেক অভ্যাস অটোমেটিক হয়ে যায়।
  • সাবকনশাস মাইন্ড আমাদের আচরণ ও চিন্তার প্যাটার্ন নিয়ন্ত্রণ করে।
  • ব্রেনকে পরিকল্পিতভাবে ধোঁকা দিয়ে নতুন অভ্যাস গঠন সম্ভব।
  • অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য ধৈর্য ও সঠিক পদ্ধতি প্রয়োজন।

Summary

  • কমফর্ট জোন ও খারাপ অভ্যাস থেকে মুক্তির জন্য ভালো অভ্যাস গঠনের গুরুত্ব।
  • অভ্যাস গঠন কঠিন মনে হলেও অনেক অভ্যাস অটোমেটিকভাবে গড়ে ওঠে।
  • সাবকনশাস মাইন্ডের প্রভাব এবং আমাদের চিন্তার প্যাটার্ন আমাদের আচরণ ও ভবিষ্যত গঠনে ভূমিকা রাখে।
  • খারাপ অভ্যাস ছাড়তে চাইলে শুধু ছাড়ার চেষ্টা নয়, ভালো অভ্যাস দিয়ে রিপ্লেস করতে হবে।
  • গল্পের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে কিভাবে অভ্যাস পরিবর্তন সম্ভব এবং এর জন্য ধৈর্য ও সঠিক পদ্ধতি প্রয়োজন।
  • অভ্যাস গঠনের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও ব্রেনকে ধোঁকা দেওয়ার কৌশল আলোচনা।
  • দৈনন্দিন জীবনের উদাহরণ দিয়ে অভ্যাস ও মিথ্যার প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।
  • ব্রেনের অটোমেটিক কাজের ৯৫% আমাদের অজানা, তাই সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা।
  • অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন, এবং এটি জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  • ভিডিওটি দুই পর্বে বিভক্ত, প্রথমে আলোচনা ও দ্বিতীয় পর্বে প্রশ্নোত্তর সেশন।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
কমফর্ট জোন যে কিভাবে তৈরি হয়, আপনি জানবেনও না। তুমি যখন একটা খারাপ কিছু ছাড়তে চাও, তখন খারাপ কিছু ছাড়তে চাওয়ার মধ্যে সমস্যার সমাধান নাই। তাহলে সমস্যার সমাধান কোথায়? তোমাকে ভালো কিছু খুঁজে নিতে হবে। আমাদের মনে হয় যে অভ্যাস গঠন
00:15
Speaker A
করা অনেক কঠিন। কিন্তু মজার ব্যাপার, কতগুলো অভ্যাস আপনার মধ্যে অনেক সহজেই গড়ে উঠেছে। আপনি বিরিয়ানি দেখলেই বলতেছেন, "এই খেয়ে নেই আজকে শেষ।" এটাও তো একটা অভ্যাস। কিছু লোক আছে অহেতুক মিথ্যা কথা বলে। কোন প্রয়োজন ছাড়া মিথ্যা কথা বলে। এমনি বানিয়ে বলে। এটাও তো একটা
00:30
Speaker A
অভ্যাস। ব্যাড হ্যাবিটগুলো আপনার সবসময় অটোমেটিক তৈরি হতে থাকবে। এটার জন্য আপনার কোন এফোর্টের প্রয়োজন হবে না। আমি তো দেখি নাই যে আমার আশপাশের লোকরা সব সত্যি কথা বলে। তাহলে আমার ভিতর তো এটা হবে না। আমি তো দেখছি যে জোর জুলুম করলেই বেশি
00:42
Speaker A
পয়সা করে ইনকাম করা যায়। তাহলে তো আমার ভিতরে এটা ঢুকে গেছে যে আমাকেও এটা হতে হবে না। কবিতা পর্যন্ত আছে। মন দিয়ে পড়ালেখা করে যেই জন বড় হয়ে ভালো মানুষ হবে কোথাও লেখা নাই। বলা আছে বড় হয়ে গাড়ি ঘরা চোর বেশি। সাবকনসাস মাইন্ড
00:54
Speaker A
আলাদিনের দৈত্যের মত। আলাদিনের চেরাগের দৈত্যের মত। এক্সাক্টলি এরকম। আপনি সারাদিনে যা করেন তার ৯৫% জিনিস আপনি জানেনও না যে আপনি কেন করেন, কিভাবে করেন। একই কারণে এই যে ব্রেন যে ধোঁকা খায়, এই একই কারণে আপনি জানেন আপনার ফিউচারকে আপনি
01:10
Speaker A
ইমাজিন করে ভালো কাজ করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি ব্রেনকে পরিকল্পনাম ধোঁকা দিতে পারবেন। আপনার আর কয়দিন পর মনে হবে জীবন তো চলে গেছে। আর কি আর ঠিক আছে, আর চলে যায়। আর ১০টা বছর প্লিজ এই এই ট্র্যাপের মধ্যে পড়েন না। আজকে মূলত দুই পর্বে
01:23
Speaker A
বিভক্ত থাকবে। প্রত্যেক সেশনে আমাদের এরকম থাকে। প্রথম অংশটুকুতে আমি কিছু আলোচনা করব। চাইলে আপনারা মাঝখানে প্রশ্ন করতে পারবেন। কিন্তু এই পর্বে প্রশ্নটা জরুরি আমরা রাখি না। রাদার বলাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন কিন্তু করতে পারবেন। কারণ না বুঝলে অবশ্যই হ্যান্ডরেইস করবেন। এবং আমি প্রশ্ন
01:43
Speaker A
করা খুব এনকারেজ করি। আর দ্বিতীয় পর্ব যেটা হবে, মেবি এক অনাদার ওয়ান আওয়ার। সেইখানে আমরা প্রশ্নই যাই। এখন প্রশ্নগুলো অভ্যাস সংক্রান্ত হতে পারে। আবার আপনি চাইলে অভ্যাসের বাইরেও যেতে পারেন। আমার কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু যেহেতু আজকের অডিয়েন্স মূলত অভ্যাস কেন্দ্রিক, হয়তো বা
02:01
Speaker A
অভ্যাস রিলেটেড কথা বললে বেশি সুবিধা হবে। তাহলে আমরা একটা গল্প দিয়ে শুরু করি। এই গল্পটা আমি যখন আমাদের যে প্রমোশন গেছে ওখানে গল্পটা ছিল। গল্প কিন্তু গল্পই। গল্প বাস্তব জীবন নাও হতে পারে। তো এক গ্রামে এক লোক ছিল, যে লোক ছিল খুবই
02:18
Speaker A
দুষ্টু। দুষ্টু প্রকৃতির লোক। খারাপ লোক। এমন কোন খারাপ কাজ নাই যে করে না এবং এটা তার অভ্যাস। তো সেও ভিতরে ভিতরে ভালো হতে চায়। তার মনে একটু ইচ্ছা যে আমি যদি ভালো হইতাম। ভালো হওয়ার সে খুব চেষ্টাও করে। কিন্তু
02:35
Speaker A
ঘুরে ফিরে সে আবার খারাপ কাজের ভিতর চলে যায়। কারণ এটা তো তার অভ্যাস। এখান থেকে সে বের হতে পারে না। তো ওই গ্রামে একদিন এক সাধু আসছে। ঋষি মনি, কোন জ্ঞানী লোক থাকে না। কিছু আগেকার দিন এরকম আসতো বহু
02:48
Speaker A
আগে। ঘুরে ঘুরে তারা বিভিন্ন জায়গায় ভালো বিষয়বস্তু বলে বলে যেতেন। তো এই লোকেরও ইচ্ছা হইছে যে আমি যাই এনার কাছে গেলে হয়তো সমস্যার সমাধান পাব। তো যখন ওই লোক একা বসে ছিল, তখন উনি উনার কাছে গেছে। কারণ উনার ওই খারাপ বিষয়গুলো তো
03:04
Speaker A
উনি সবার সামনে বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে না। তো তাকে বলছে যে এরকম বাবা, আমি তো এরকম ভালো হয়ে যেতে চাই। তো জিজ্ঞেস করছে তুমি কি কি করছো? তো বলছে আমি খারাপ কাজ ছাড়ার অনেক চেষ্টা করছি। কি করছো? এই
03:15
Speaker A
করছি, সেই করছি। কিন্তু পারা যাচ্ছো? ওকে, তখন সে ঋষি বাবা তাকে বলেছেন যে তাহলে একটা কাজ করো, তুমি মাটির উপর থেকে পা সরিয়ে দু পা সরিয়ে দাঁড়াও। অর্থাৎ এমনভাবে দাঁড়াও যেন তোমার কোন পা মাটি স্পর্শ করতে পারবে না। তো সেই লোক প্রথমে এক পা তুলে চেষ্টা
03:37
Speaker A
করেছে, এক পা তুলে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায়, কিন্তু আরেকটা তোলার সাথে সাথেই তো আরেকটা পা নেমে আসছে। আবার ওটা দিয়ে ট্রাই করছে। এরকম কিছুক্ষণ ট্রাই করার পর সে দেখল কোনভাবে ভাবেই সম্ভব না। তখন ঋষি কিছু বলেছে যে এটা আসলে সম্ভব না। তখন ঋষি তাকে
03:54
Speaker A
তার গাছের, তার মাথার উপরে একটা গাছের ডাল ছিল। সেই ডালটা দেখিয়ে দিয়েছেন। দিয়ে বলেছেন যে এইটার কথা চিন্তা করে দেখো কিছু করা যায় কিনা। তখন সে উপরের একটা ডাল এক হাতে ধরেছে। তারপর আরেক হাতে আরেকটা ডাল ধরেছে এবং তারপর এক পা ছেড়ে দিয়েছে। তারপর
04:11
Speaker A
দুই পা ছেড়ে দিয়েছে। দেখা গেছে সে দুই দুই পা মাটির স্পর্শ ছাড়াও সে টিকে থাকতে পারতেছে। তো ঋষি তাকে বলেছে যে তুমি এতদিন যে চেষ্টাগুলো করছো, সেই চেষ্টাগুলো খারাপ চেষ্টা ছিল না। কিন্তু সেই চেষ্টা দিয়ে তুমি কখনোই সফল হতে পারবে না। কারণ তুমি
04:28
Speaker A
যখন একটা খারাপ কিছু ছাড়তে চাও, তখন খারাপ কিছু ছাড়তে চাওয়ার মধ্যেই সমস্যার সমাধান নাই। তাহলে সমস্যার সমাধান কোথায়?
04:38
Speaker A
তোমাকে ভালো কিছু খুঁজে নিতে হবে। ভালো কিছু করতে হবে, যেটা দিয়ে তুমি তোমার খারাপটাকে রিপ্লেস করবে। বোঝা গেছে গল্পটা? তাহলে আমরা যখন অভ্যাস নিয়ে কথা বলতে আসলাম, আজকে আমরা নেক্সট এক ঘন্টা অভ্যাস নিয়েই কথা বলবো। এবং সম্ভবত এত
04:54
Speaker A
সময় ধরে অভ্যাস নিয়ে আপনার জীবনে আগে কখনো শোনেন নাই। একই কথা, অভ্যাস। তা আমরা অভ্যাস নিয়ে যখন আলোচনা করব, দেখবেন খুব মজার ব্যাপার। আমাদের মনে হয় যে অভ্যাস গঠন করা অনেক কঠিন। এটা আমাদের মনে হয়। তাই না? অভ্যাস গঠন করা তো কঠিন। নাহলে
05:12
Speaker A
আমরা এখানে কেন আসছি? কেন বই পড়তে হচ্ছে? শিখতে হচ্ছে? এটা যদি সোজা কাজ হতো, তাহলে তো এটা আমার অটোমেটিক হয়ে যেত। তাই না?
05:21
Speaker A
তাহলে অভ্যাস গঠন করা কঠিন। সকালে ঘুম থেকে উঠা কঠিন। প্রতিদিন এক্সারসাইজ করতে যাওয়া কঠিন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া কঠিন। প্রতিদিন ১০ মিনিট কোরআন তেলাওয়াত করা কঠিন। তাই না? আগে আগে ঘুমতে যাওয়া কঠিন। কিন্তু মজার ব্যাপার, কতগুলো অভ্যাস আপনার
05:40
Speaker A
মধ্যে অনেক সহজেই গড়ে উঠেছে। সে অভ্যাসগুলো কেমন অভ্যাস? না। এই যে দেরিতে ঘুম থেকে উঠা। এটা কে শিখালো আপনাকে?
05:53
Speaker A
নামাজের সময় হলে একটু বন্ধুদের সাথে আড্ডাতে মেতে থাকা। এটাও তো একটা অভ্যাস। সকালে ঘুম থেকে উঠলেই মনে হচ্ছে যে চোখ ব্যথা করতেছে। শরীর ছেড়ে দিয়েছে। এটাও তো একটা অভ্যাস। আপনি বিরিয়ানি দেখলেই বলতেছেন আজকেই শেষ দিন। এই খেয়ে নেই।
06:10
Speaker A
আজকে শেষ। এটাও তো একটা অভ্যাস। তাই না? কিংবা নীলক্ষেতের মোড়ে তেহারির দোকানের সামনে দিয়ে দিলে মনে হয়, "আরে বইটি পড়ার সময় খাইতাম আরেকবার খাই।" এটাও কিন্তু একটা অভ্যাস। বাই, আপনারা খান কিনা, নীলক্ষেতের তেহারি এক সময় আমরা এগুলোর উপর বেঁচে ছিলাম, দামও কম ছিল, এখন কত দাম
06:29
Speaker A
রিসেন্টলি? কে খেয়েছেন সর্বশেষ নীলক্ষেতের তেহারি? কত দাম? ভাই, এখন ১২ টাকা। আমার তো ধারণা, আমরা ২০-৩০ টাকা খাইছি। আমি কিন্তু আবার ব্রিটিশ আমলের লোক নই, ২০০৪ সাল পর্যন্ত আইথি ৪০ টাকা ছিল। এগুলো তো অভ্যাস। অনেকে আমরা নিরুক্ত কথা বলি না, কিছু আছে
06:51
Speaker A
আমরা বারবার এক কথা বলি। আমি এর জন্য অনেক সিনিয়র অফিসিয়াল দেখেছি, অনেক বড় অফিসার, সে খালি একচুয়ালি বলে, কথার মধ্যে খালি একচুয়ালি বলে। এটাও তো একটা অভ্যাস। তাই না? কিছু লোক আছে অহেতুক মিথ্যা কথা বলে। আপনারা দেখছেন কিনা, এ ধরনের লোক কোন
07:08
Speaker A
প্রয়োজন ছাড়া মিথ্যা কথা বলে, এমনি বানিয়ে বলে। আমার একজন চাচা ছিলেন, তো মানে এখনো আছে নাকি? তো আমাদের গ্রামে, আমার বাড়ি রংপুরের হারাগাছ, তো ওইখানে গ্রামের মধ্যে তিস্তার একটা শাখা আছে। শাখা নদী এক সময় এটা অনেক মানে প্রমুক্ত তিস্তা ছিল।
07:25
Speaker A
এখন শাখা হয়ে গেছে। তো এই শাখার উপর এখন ব্রিজ হয়েছে। ইদানিং ব্রিজ হয়েছে। দুইটা সুন্দর সুন্দর ব্রিজ হয়েছে। কিন্তু আমি যে সময় কথা বলছিলাম তখন কোন ব্রিজ ছিল না। বোঝা যাচ্ছে তো না? তো স্থানীয় একজন লোক একটা শাকো তৈরি করেছে। শাকো বুঝেন না?
07:40
Speaker A
বাঁশের। তো টেকনোলজি উন্নত হয়েছে। এখন লোহা দিয়েও বানাই অনেক জায়গায়। একটা সাপও তৈরি করেছে। কি জন্য? জাস্ট এই এলাকার লোকদের পারাপারের জন্য। তো আমার আব্বা এই খবরটা পেয়েছেন। ওগুলো নতুন জিনিস হলে মানুষ একটু দেখতে যায় না। গ্রামাঞ্চলে মানুষের কিন্তু এটা
07:56
Speaker A
একটা অভ্যাস। মানে একটা ঘুরতে যাওয়ার তো গ্রামে তো আসলে জায়গা নাই যাওয়ার। মানুষ সুযোগ পেলেই দেখে আসে। এমন কিছু না। আমার আব্বা এটা দেখে আসছে। আমি দেখি। তা আমার ওই চাচাও তিনিও দেখে আসছেন। এখন তিনি এসে বলতেছেন আমাদের বাসায় যে একটা ব্রিজ হয়েছে
08:14
Speaker A
এবং সেটার উপর দিয়ে একটা ট্রাক পার হয়ে গেল। তো আমার আব্বা স্বাভাবিকভাবে, আমার আব্বা বিধায়, আমার আব্বা চ্যালেঞ্জ করলেন তাকে যে, "না না, এটা তো ওরকম ব্রিজ না। তুমি কি বলতেছো? এটা তো জাস্ট পায়ে হাটা ব্রিজ।" তো উনি বললেন, "আমি তাহলে ভুল দেখলাম। অথবা
08:31
Speaker A
মিথ্যা কথা বললাম। আমার কি দরকার? মিথ্যা বলার কি দরকার?" এবং এমন একটা সিচুয়েশন তৈরি হলো, এটা আমার সামনে ঘটতেছে। ঘটনাটা কিন্তু হ্যাঁ, আমি দেখিনি, আমার আব্বা দেখছেনিও। দেখছে, আমার আব্বা এক পর্যায়ে বলল যে, "তাইলে হয়তো বা আমি যেটা দেখছি
08:43
Speaker A
সেটা অন্য হতে পারে।" তো কারণ একজন লোক যখন চাক্ষুস সাক্ষী দিচ্ছে আপনাকে, এর সামনে, এর সামনে আপনি কি বলতে পারেন? আমি বোঝাতে পেরেছি? আমার আব্বা বলল, "তাহলে হতে পারে হয়তো আমি এটা, আমি হয়তো অন্য একটা দেখে আসছি।" এবং এরপর আমার আব্বা অবজারভ করার
08:58
Speaker A
জন্য আবার গেছে ওখানে। এত বড় ভুল কি করে হয়? এবং শেষ পর্যন্ত দেখা গেল না, ওইটাই ওই লোহার ব্রিজটাই। এবং আমরা পরে দেখেছি ওই লোকের ট্রেন্ড এনালাইসিস করে দেখছি, এই লোকের এটা অভ্যাস বানিয়ে বলা, তার কিন্তু কোন লাভ নাই। এতে
09:18
Speaker A
তার কি লাভ হয়? বলেন তো, তার বেনিফিট কি? মজা পায়? আসরের মধ্যমণি হতে পারে সে। তার কারণ একটা লেটেস্ট ইনফরমেশন আছে, এই যে এখনো দেখবেন ফেসবুকে ইরান ওয়ার নিয়ে কিছু কিছু লোক উদ্ভট মিথ্যা কথা লিখতেছে। কে?
09:34
Speaker A
না? মানুষের খুব ইচ্ছা যে আয়াতুল্লাহ খামিন যদি বেঁচে থাকতো। কিন্তু এটা ওদের রাষ্ট্রীয় চ্যানেলই জানিয়ে দিয়েছে উনি মারা গেছে। এখন কিছু করার নাই। এটা আল্লাহর ইচ্ছা এরকমই পরিস্থিতিটা তৈরি হয়েছে। কিছু লোক এখনো লিখতেছে। যে উনি বেঁচে আছেন। তো ওখানে কমেন্টে লোকজন তো
09:49
Speaker A
কিছু এতদিনে কিছুটা কি বলা কি বলা যেতে পারে? অনেক বেশিওয়ার হইছে। মানুষ বলছে সোরসোর সোরস। সবাই লিখতে সোর্স। ওই লোক বলছে সোরস গোপনীয়। উনি আবার রিপ্লাই লিখতেছে সোর্স গোপনীয় এতে আয়াতুল্লাহ আলী খমিনর ক্ষতি হবে এজন্য সোর্স দেওয়া হবে না আপনি সময় মত জানতে পারবেন এবং
10:09
Speaker A
ইন্টারেস্টিংলি এই লোক আমার পরিচিত [সশব্দ হাসি] এখন উনি এত কনফিডেন্টলি লিখতেছে গতকালকেও লিখছে এবং প্রতিদিন সাথে না উনার ওই স্টেটমেন্টের সাথে একটা দুইটা জিনিস যোগ হয় প্রতিদিন প্রথম দিন লিখেছেন উনি উনি গোপন স্থানে আছে এখন আবার লিখতেছে গতকালকে
10:25
Speaker A
রাতে যে উনি উনি একই সাথে এটম বোমা সহ আসবেন তো শুনলেই ভাল লাগে তো আমিও আমিও মাঝে মাঝে কনফিউজ হয়ে যাচ্ছি উনার ব্যাখ্যা পড়ে এখন আমার পক্ষে তো দেখে আসা সম্ভব না ইরান আমার আব্বা দেখে আসছিল কিন্তু আমার পক্ষে তো সম্ভব না এখন ওটা
10:39
Speaker A
বিশ্বাস করতে হচ্ছে সো এগুলোও কিন্তু অভ্যাস তাহলে এই যে খারাপ অভ্যাসগুলো অবশ্যই খারাপ অভ্যাস কারণ আপনি প্রপাগান্ডা করছেন আপনি মিথ্যা কথা বলছেন মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন এইটা না খামিন সাহেবেরটা না ওই যে ট্রাকেরটা ওটা তোশিওর আর কি এই অভ্যাস গুলো কি করে তৈরি হয়
10:55
Speaker A
আমাদের এগুলো কি সহজে তৈরি হয় না এগুলো কঠিনভাবে তৈরি হয় এগুলো তো সহজে তৈরি হয়ে যায় তহলে ইন্টারেস্টিং বিষয় না তুমি বুঝতেছো দেখো ভালো অভ্যাস যখন তোমার আব্বু তোমাকে করতে বলে তোমার আম্মু বলে তখন খুব কঠিন কিন্তু কিছু কিছু অভ্যাস
11:12
Speaker A
আপনা আপনি তৈরি হয়ে যায় তো যাই হোক খারাপ অভ্যাসগুলো আসলে আপনা আপনি তৈরি হয় ঠিক গ্রামাঞ্চলে জমির মত আপনারা ল্যান্ড দেখেছেন গ্রামের ল্যান্ড থাকে না আমাদের কৃষি জমি দেখেছেন নিশ্চয়ই এটা আমার খুব প্রিয় একটা উদাহরণ এই উদাহরণটা আমি
11:28
Speaker A
বহুবার দিছি গ্রামাঞ্চলে আপনি দেখবেন জমি আছে পতিত জমি থাকে আবাদী জমি থাকে কৃষি জমি থাকে তা আপনি কোন একবার ঠিক করলেন যে এইবার আমি আর কোন এখানে কৃষি কাজ করবো না হতে পারে এই সিজন পড়ে থাকবে ফেলে রাখলেন
11:43
Speaker A
আপনি জমিটা আপনি দুই মাস পর গেলেন ওই জমিতে আপনি কি দেখবেন কিছু হয়েছে নাকি হয়নি হয়েছে আগাছা হয়েছে আবার আপনি যখন একটা ভালো কিছু কৃষি কাজ করছেন তখন ওটার ভিতর অটোমেটিক আগাছা হচ্ছে আগাছার বীজ কিন্তু আপনি বপন করেন নাই
12:03
Speaker A
কিন্তু আগাছা হচ্ছে। এটা কে করতেছে? কে তৈরি করছে? অটোমেটিক। এই আগাছাগুলোই হচ্ছে আমাদের ব্যাড হ্যাবিট। ব্যাড হ্যাবিটগুলো আপনার সবসময় অটোমেটিক তৈরি হতে থাকবে। এটার জন্য আপনার কোন এফর্টের প্রয়োজন হবে না। এইযে আমরা ফোন নিয়ে স্ক্রল করতে থাকি এটা কেমন
12:23
Speaker A
হ্যাবিট? ভালো হ্যাবিট না খারাপ হ্যাবিট? খারাপ হ্যাবিট। কে তৈরি করাইল? কোন স্কুল কলেজে শিখাইছে কোন বাবা মা শিখাইছে না কিন্তু কোথায় থেকে আমরা শিখলাম এবং আজকে আজকে সকালে অনেকের ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হইছে শুধুমাত্র এই কারণেই যে আপনি রাতে শোয়ার
12:41
Speaker A
সময় অথবা ফজরে যে সেখে ঘুমানোর সময় এনাফ স্ক্রল করছেন এবং এর বেনিফিট কে পাইছে বলেন তো এই স্ক্রোলিং এর বেনিফিট কে পাইছে যারা এই কাজটা করে ওয়ান টু ওয়ান কোচিং এরকম করে অনেকে আমার সাথে বলে আপনার অতদূরের একটা লোকের প্রতি এত ভালোবাসা
13:00
Speaker A
আমাকে কিছু দেন আপনার এখন থেকে যখনই ব্রাউজ করার ইচ্ছা হবে আমি আপনাকে আমার নাম্বার দিতেছি আপনি 20 টাকা বিকাশ করে দিবেন আমাকে [সশব্দ হাসি] এটলিস্ট কেউ পেলে আপনার কাছের ভাইটা পাক অপরিচিত লোককে কেন দিচ্ছেন আপনি ব্রাউজ না করে 20 টাকা
13:14
Speaker A
বিকাশ করে দিয়ে শুয়ে পড়বেন বা আপনার অন্য কাজটা করবেন যে আমার তো ব্রাউজ করার হয়ে গেছে লাগলে আমি আপনাকে লেটেস্ট খবর আমার টিম আছে আমি লেটেস্ট খবর আপনার কাছে পাঠিয়ে দিব আপনি বিকাশ করে দিবেন আজকের সর্বশেষ খবর আপনাকে পাঠিয়ে দিব যদি দরকার
13:27
Speaker A
হয় তো এরকম ব্যাড হ্যাবিট আমাদের অটোমেটিক তৈরি হয়। সো এই ব্যাড হ্যাবিট গুলো থেকে যদি আমরা বের হতে চাই আমাদের সামনে আসলে কোন রাস্তা খোলা নাই। আমাদেরকে ভালো হ্যাবিট তৈরি করতে হবে। আপনার গল্পটা তো বুঝতে পেরেছেন। আমাদের খারাপ হ্যাবিট থেকে
13:42
Speaker A
বের হয়ে আসার কোন রাস্তা খোলা নাই আমাদের কাছে। আপনি পারবেন না। আপনি খারাপ হ্যাবিট থেকে অটোমেটিক বের হয়ে আসতে পারবেন না। যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি সেটাকে রিপ্লেস করেন একটা ভালো হ্যাবিট দিয়ে। আপনি বিরিয়ানি খাওয়া থেকে কোনভাবে বের হয়ে
13:57
Speaker A
আসতে পারবেন না। আদারওয়াইজ আপনি এমন একটা খাবার তৈরি করেন বা হ্যাবিট করেন যেটা বিরিয়ানি খাওয়ার সময় আপনি খাবেন। যখন বিরিয়ানি খাওয়ার ক্রেভিং হবে তখন আপনি একটা করবেন অথবা একটা কাজও হতে পারে। খাবার ছাড়াও একটা কাজ হতে পারে। ঠিক আছে?
14:11
Speaker A
তাহলে এই জিনিসটা আমরা বুঝতে পেরেছি। রাইট? আচ্ছা আমরা এবার বলছি অভ্যাস আসলে কি? আচ্ছা অভ্যাস মানে হচ্ছে এগুলো সবই আপনারা জানেন। তারপর আমার দায়িত্ব আপনাদেরকে ব্রেক ব্রেক করে কথাগুলো বলা। অভ্যাস মানে হচ্ছে একটা অটোমেটিক ক্টিভিটি। না আমরা বলি স্বয়ংক্রিয় আচরণ।
14:26
Speaker A
যেই জিনিস অটোমেটিক হয় সেটাকে আমরা অভ্যাস বলি। এবং এটা কিভাবে হয়? যখন আমরা কোন কিছু বারবার করতে থাকি, যখন আমরা কোন কিছু বারবার করতে থাকি তখন এটা আমাদের মধ্যে সেট হয়ে যায়। সেটা ভালো হোক কিংবা খারাপ। এবং এটা তখনই অভ্যাস হিসেবে আপনি কাউন্ট
14:43
Speaker A
করবেন যখন আপনি ধরবেন যে আপনি কোন চিন্তা ভাবনা এফর্ট ছাড়াই কাজটা করে ফেলতেছেন। এটাকে আপনি বলবেন অভ্যাস একটা ভালো অভ্যাস এক্সাম্পল বলি আপনাদের অনেকের এই প্রবলেমটা হয়তোবা হয় আমার হয় সো আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করি রিসেন্টলি হয়েছে আমি যেটা করি যদি কোন ওয়াক্ত নামাজ থাকে
15:05
Speaker A
একটা ওয়াক্ত নামাজ হচ্ছে জেনারেলি যোহরে হয় এটা বাসায় থাকলে আর এখন তারাবির সময় হয় কারণ আমি ইফতারের পর আমার একটু এক্সজস্টিং লাগে তো আমি কি করি এজন্য আমি গোসল করি কারণ গোসল করলে আমার ফ্রেশ লাগে তাহলে আমি তারাবিটা পড়া সময় খুব ভালো
15:19
Speaker A
বোধ করি তো আমি কি করি? যখনই কোন ওয়াক্ত নামাজ হয় তারাবির ক্ষেত্রে একই রইরকম ঘটতেছে যে ইশার নামাজের আগে আমি যখন গোসল করছি তা গোসল করে বের হওয়ার সমবে অযু করেই বের হই। আমরা অনেকেই এটা করি। ঠিক আছে না?
15:33
Speaker A
এরকম কখনো হয় না যে আপনি ওযু করে বের হইছেন এরপর আপনি রেডিও হচ্ছেন। আপনার হঠাৎ করে মনে হইছে যে আমি কি অজু আসলে করছি। হয় আমার হয়। আমার রিসেন্টলি হইছে এরকম। এবং কনফিউজ। এখন আমি কি করব? আমি আবার অজু
15:48
Speaker A
করছি। বিকজ এই জায়গায় তো আমি কনফিউশন রাখতে পারি না তাই না? তাহলে দেখেন আমি কিন্তু অজু করছিলাম পরে আমি অনেক চিন্তা করে বের করছি। আমি আসলে অজু করছিলাম কিন্তু আমি একটা যেটা আমি নিজেই ভুলে গেছি। কতক্ষণের মধ্যে মেবি তিন চার
16:03
Speaker A
মিনিটের মধ্যে। কিভাবে সম্ভব? এমন না যে আপনি আমাকে 20 দিন আগের তথ্য জিজ্ঞেস করতেছেন যে ভাইয়া ওইদিন আপনি কি করছিলেন?
16:10
Speaker A
পাঁচ মিনিট আগের কথা আমি ভুলে যাচ্ছি। কেন? কারণ এই যে অভ্যাসটা এটা এত স্বয়ংক্রিয় যে এইটা আমার চিন্তাভাবনাকে ফাঁকি দিয়ে ঘটে ফেলতেছে ঘটায় ফেলতেছে বোঝাতে পারছি এইটা খারাপ অভ্যাসের জন্য যেমন প্রযোজ্য এই কথাটা ভালো অভ্যাসের জন্য প্রযোজ্য খারাপ অভ্যাসের জন্য কিরকম আপনি ঠিক করছেন
16:31
Speaker A
আপনি নিয়ত করছেন পড়তে পড়ছেন আপনি ফোন ধরবেন না একদম 100% সিওরফেসবুক তো প্রশ্নই ওঠে না ফোনই ধরবেন না এখন আপনি পড়তেছেন হঠাৎ করে What একটা নোটিফিকেশন আসছে। হয় এরকম। তা আপনার মনে হলো যে WhatsApp তো। WhatsApp এ তো আসলে
16:49
Speaker A
ইন্ডাল্লজ হওয়ার কিছু নাই। তাহলে কেউ বোধহয় একটা গুরুত্বপূর্ণতা জাস্ট দেখবো রেখে দেবো। আপনি WhatsApp টা নিলেন এবং নেওয়ার পর দেখলেন আপনার কোন একজন ফ্রেন্ড আপনার একটা লিংক পাঠিয়েছে। আনফরচুনেটলি ফেসবুকের লিংক। এবং সে লিখছে এটা খুব জরুরি দেখ। আপনি ভাবলেন আচ্ছা জরুরী
17:05
Speaker A
যেহেতু দেখিনি। আমার তো নিয়ন্ত্রণ আছে নিজের কাছে। আমি তো নিয়ত করে বসছি। আপনি এটার মধ্যে ঢুকলেন এবং 20 মিনিট পর 15 মিনিট পর আবিষ্কার করবেন আপনি কেন যেন এখানে আসছিলেন এবং আপনি এখন মেবি অপ্রয়োজনীয় একটা রিল ব্রাউজ করছেন রোজার
17:18
Speaker A
মাস তো বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না অপ্রয়োজনীয় একটা রিল ব্রাউজ করতেছেন প্রয়োজন নাই তখন আপনার মনে এখানে কেন আসছিলাম এভেন আপনার কখনো কখনো মনেও করতে পারবেন না যে আপনি হ্যাপ এর ওই মেসেজ দিয়ে এখানে আসছিলেন দেখেন আমি দুইটা
17:32
Speaker A
উদাহরণ দিয়েছি একটা অজুর উদাহরণ দি এক্সামপল আবার আমি একটা ব্রাউজার এক্সামপ দিয়ে খারাপ এক্সাম্পল কিন্তু দুটাই ঘুরছে কিন্তু আপনার অজান্তে এবং আপনি প্রতিদিন এক দেড় ঘন্টা সময় আপনি ব্রাউজে অপচয় করেন এ ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নাই আপনাদের থাকতে পারে সন্দেহ আমার নাই আপনার
17:52
Speaker A
থাকলে এই আমাদের এন্ড্রয়েডের ওয়েলবিং অ্যাপটা ইনস্টল করে নিয়েন আপনি আজকে সন্ধ্যা থেকে রিপোর্ট দেখতে পারবেন কি ঘটতেছে পরে আবার দেখা যাবে আপনি রিপোর্ট মানে অপ ডিলিট করে দিছে ঠিক আছে তাহলে অভ্যাস কি অভ্যাস হচ্ছে অটোমেটিক অভ্যাস বারবার করার জন্য তৈরি হয়। আর
18:11
Speaker A
অভ্যাস হয়ে গেলে এটা কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই আপনার ভিতর কাজ করতে শুরু করে। ঠিক আছে? উদাহরণ দিয়েছি। যেমন ভালো উদাহরণ আমরা যখন দাঁত ব্রাশ করি এখানে কেউ একজন উদাহরণটা বলছিলেন আপনি বলছিলেন এটা কিন্তু একটা অভ্যাস। দাঁত ব্রাশ করা। যেহেতু
18:29
Speaker A
আমাদের ঘুম থেকে উঠেই একটা সিচুয়েশন তৈরি হয় এবং আমরা দাঁত ব্রাশ করে ফেলি। ঠিক জুতার ফিতা বাঁধা এটা অভ্যাস কিনা আপনি বুঝতে পারবেন যদি ওকে আপনি জুতার ফিতা বাধতে দেন তুমি কি জুতার ফিতা বাধতে পারো নিজে নিজে অল্প একটু পারে তার মানে
18:45
Speaker A
বেচারার কষ্ট হয় জুতার ফিতা বাধতে এবং এটা তোমার জন্য না বাবা আমাদের সবারই এরকম ছিল জীবনে আমরা কেউই জুতার ফিতা বাধতে পারতাম না কিন্তু আপনারা যারা আজকে জুতা পড়ে এসছেন আপনি কোন ফাঁকে জুতা বাধছেন আপনি জানেনও না এমন হয় বন্ধুদের সাথে কথা
18:58
Speaker A
বলতে বলতে আমরা জুতার ফিতা বেধে ফেলি যদি খুলে যাই কোন কারণে তাই না এটাও কিন্তু একচু আমাদের ব্রেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলছে। আপনাকে যদি অন্যরকম একটা জুতা দেওয়া হয় আপনি ঝামেলার মধ্যে পড়ে যাবেন। তখন আপনি ফিতা খুঁজবেন। হুমায়ন
19:10
Speaker A
ফরিদের একটা সিনেমা দেখছিলাম। সিনেমা তো আসলে দেখা যায় না। বাংলাদেশে এ ধরনের সিনেমা ওই সিনেমার কিছু কাটসিন আসতো। তো হুমায়ন ফরিদ অত্যন্ত খারাপ একটা চরিত্রে অভিনয় করত। আপনারা জানেন খলনায়ক। তো সেই মুভির মধ্যে খালি বলতো ফিতাই নাই। কাটুমকি। দেখছেন নাকি আপনার এই মুভিটা?
19:25
Speaker A
রমজান পার হয়ে গেলে দেখতে পারেন। এন্টারটেইনমেন্ট। তো কিছু বিভিন্ন জায়গায় যায়। তো উদ্বোধন করতে যায়। ফিতা দেয় কেটে দেয়। তা বলে তোর তো ফিতাই নাই একজনকে বলতেছে আর কি মানে ওকে যে ওর সাথে যে ঝগড়া করবে এই আওকাতই নাই ওর
19:38
Speaker A
লেভেলে এনিওয়ে যদি ফিতা না থাকে জুতার তখন আপনি প্রবলেমে পড়ে যাবেন কামিং ব্যাক এই জিনিসগুলোর উদাহরণ আমরা অনেক সহজ উদাহরণ দিছি যাতে বোঝা যায় কিন্তু আপনারা অবাক হবেন যে আপনি কিভাবে চিন্তা করেন ভালো করে শোনেন আপনি কিভাবে চিন্তা করেন চিন্তা করি না আমরা আমাদের
19:58
Speaker A
চিন্তার কিন্তু একটা প্যাটার্ন আছে যে আপনি চিন্তাটা কিভাবে ভ করেন এটা আমরা কেউ দেখতে পারি না। আপনি শুধু নিজেই বুঝতে পারেন। চিন্তা কি আজকেই প্রথম করতে শুরু করলেন না অনেক বছর ধরে চিন্তা করতেছেন। অনেক বছর ধরে চিন্তা করছেন। কাজেই অনেক
20:13
Speaker A
ক্ষেত্রে আপনার চিন্তার প্যাটার্ন আপনাকে ধোকা দিচ্ছে। আপনি জানেনও না আপনি চিন্তা কিভাবে করতে অভ্যস্ত। শুধু আপনার চেহারার মধ্যে একটা চিন্তিত ভাব লক্ষ্য করা যায় এবং লোকজন এসে বলে যে এই তুমি কি খুব দুশ্চিন্তা করতেছো আর চিন্তা করতেছো এতটুকুই আপনি বোঝেন। কিন্তু আপনার চিন্তার
20:30
Speaker A
প্যাটার্ন কি? এইটা আপনি হয়তো জানেন না। আমি কি বোঝাতে পারছি কথাগুলো নাকি কঠিন লাগছে? যেমন আমরা সবাই একটা নির্দিষ্ট জায়গায় এসে উপনীত হয়েছি না। আমি আসছি বাড়িধারা থেকে। কেউ হয়তো আপনার আসছেন উত্তরা থেকে। কেউ হয়তো আসছেন ধানমন্ডি থেকে। আমাদের সবার প্যাটার্ন কি একই? এভেন
20:47
Speaker A
বাড়িধারা থেকে একটা লোক সিএনজিতে আসতে পারে। একটা লোক পাঠাও উবার দিয়ে চলে আসতে পারে। প্যাটার্ন তো এক হচ্ছে না। কেউ হয়তো এক রাস্তা ধরে আসছে, কেউ আরেক রাস্তা ধরে আসছে। কেউ আলরাজি হাসপাতালের সামনে থেমে গেছে, নেমে গেছে। কেউ হয়তো হাসান টাওয়ারের
21:00
Speaker A
সামনে নামছে। প্যাটার্ন কিন্তু এক না। যদিও আমরা সবাই এক জায়গায় এসে উপনীত হইছি। কাজেই আমরা এখানে সমস্ত সুস্থ সাধারণ আলহামদুলিল্লাহ মানুষ। আমরা সবাই চিন্তা করতে সক্ষম। কিন্তু আপনারা মনে করবেন না আমাদের সবার চিন্তার প্যাটার্ন এক। আমরা সবাই একভাবে চিন্তা করি না।
21:17
Speaker A
আপনারা কি কিছু মানুষকে দেখেছেন যে মানুষের সাথে আপনি কথা বললেই সে নেতিবাচক কথা বলে সে শুরুতেই বলে এটা হবে না। আমরা খুব সহজেই তাকে কিন্তু একটা গ্রুপের মধ্যে ফালায় দেই। আমরা বলি নেগেটিভ লোক। অফকরস নেগেটিভ লোক। কিন্তু এই লোকটার তিনটা হাত
21:32
Speaker A
নাই। কিন্তু লোকটার বা লোকটা এরকম না যে ও মনে প্রাণে চায় মানুষের খারাপ হোক। আনফরচুনেটলি তার চিন্তার প্যাটার্ন নেগেটিভ। এবং তাকে কেউ কারেক্ট করে নাই। সেও কারেক্ট করে নাই। সে উল্টা উল্টাপাল্টা জুতার ফিতা বাধতে বাধতে এত বড় হইছে। এইজন্য ওর জুতার ফিতা দেখলেই
21:49
Speaker A
আপনার কাছে মনে হয় কেন বাধছে এভাবে। ওর চিন্তার প্যাটার্ন রং। আমি অনেক মানুষের সাথে কাজ করে দেখছি। এখনো দেখতেছি আমাদের অনেক মানুষের চিন্তার প্যাটার্ন রং। আপনাদের অনেক মানুষের চিন্তার প্যাটার্ন রং। মানে আপনি যে চিন্তাটা করেন। কিরকম কিরকম রং না। মানে চিন্তার
22:08
Speaker A
প্যাটার্নটা আপনাদেরকে আমি বুঝানোর চেষ্টা করি। ধরেন আপনারা সবাই স্কুলে পড়েছেন রাইট? স্কুল বেশিদিন আগের কথা না রাইট কিন্তু আমরা অনেকেই আছি যারা অনেক আগে স্কুল পাস করেছি 30 বছর 20 বছর আপনি যখন প্রথম স্কুলে গেছেন ও স্কুলে ক্লাস সিক্সে ক্লাস থ্রিতে
22:23
Speaker A
মনে পড়ে এক্সাক্ট দিনটা দরকার নাই মানে ওই সময়টা তো মনে আছে আপনার তখন কি স্কুলের কম্পাউন্ডের সবকিছু আপনি চিনতেন কোথায় হেড স্যারের রুম কোথায় টয়লেট কোথায় পুরনো বিল্ডিং চিনতেন [নাক ডাকা] না কিন্তু আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে স্কুলে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ব্রেকের সময়
22:39
Speaker A
ক্লাস পালিয়ে আপনি পুরো স্কুলটা আপনার নখ দর্পণে চলে আসছে আপনার মাথার মধ্যে পুরো স্কুল ঢুকে গেছে ঠিক না বুঝাতে পেরেছি আজকে যদি আমি আপনার ওই স্কুলে যাই আপনি কিন্তু ঢাকায় বসে আছেন ভালো করে ফলো করবেন আমাকে আর আমি আপনার স্কুলে চলে গেছি
22:54
Speaker A
এখান থেকে 200 কিলোমিটার দূরে ঠিক আছে এবং আমি আপনাকে ফোন করে রাস্তা থেকে বলতেছি আমি হেড স্যারের রুম কোন দিক দিয়ে যাব আপনি আমাকে বলতে পারবেন না পারবেন কিন্তু যে ভাই সোজা যান আমি রংপুর জেলা স্কুলেরটা বলতেছি সোজা গেলে একটা গোল
23:08
Speaker A
বাগানের মত পাবেন শহীদ মিনার আছে দেখতে পারছেন হ্যাঁ পাইছি ওখান থেকে বাম দিকে যান ডানে যান না কিন্তু বামে যান দিছেন সোজা তাকান দেখবেন গ্রিলের ভিতরে আপনি প্রধান শিক্ষকের রোগ দেখতে পারবেন আমি দেখতে পাচ্ছি না না আপনি যান নাই আপনি
23:23
Speaker A
আবার ফিরে আসেন এই বাগান থেকে আপনি কোন দিকে গেছেন আমি তো ডানদিক না ভাই আপনি বাম বলছি বামে যান আপনি অদৃশ্য আপনি দেখতে পারছেন না আপনি গাইড করতেছেন অথচ একটা লোক বাস্তবে ওখানে বসে ভুলভাবে হাঁটাচলা করতেছে আপনি তাকে অদৃশ্যভাবে কারেক্ট
23:39
Speaker A
করতেছেন আপনি কিভাবে ভ আপনার স্কুলের হেড স্যারের রুম চিনেন কিভাবে বলতেছেন আজকে ঢাকায় বসে আপনি কিভাবে বলতেছেন করছেন ভিজুয়ালাইজ কিসের বেসিসে করছেন চিন্তার বলে করছেন অর্থাৎ আপনার চিন্তাটা ভাই বলেন অবশ্যই এক্সপেরিয়েন্স কিন্তু আপনার চিন্তাটা একটা প্যাটার্ন হিসেবে আপনার মাথায় ঢুকে গেছে যে আপনি এইখান থেকে
24:06
Speaker A
এখানে যাবেন এইদিক দিয়ে যাবেন ওই পাশে ঘুরবেন ওদিক এটা একটা প্যাটার্ন আপনাকে আমি বলি ঠিক আছে এবার আপনি কেন পাবলিক কলেজেরটা বলে দেন আপনি আর পারবেন না কেন আপনি তো প্যাটার্ন আছে আপনার পারতেছেন না কেন বিকজ এই প্যাটার্নটা ওখানে আর কাজ করে
24:21
Speaker A
না এইজন্য দেখবেন আমাদের বন্ধু বান্ধবদের ভিতর আপনি খুব জায়গায় কম জায়গায় দেখবেন কেউ আপনাকে বলে যে এই বিষয়ে আমি জানি না এটা আমি বলতে চাই না এ ব্যাপারে কোন মতামত দিতে চাই না আমি কারণ আমি এটা জানি না আপনি খুব কম মানুষকে এটা দেখবেন
24:35
Speaker A
দেখবেন আমরা কিন্তু সব বিষয়ে সর্বজ্ঞানী কারণ আমাদের এই প্যাটার্নটা এক জায়গার প্যাটার্ন যে আরেক জায়গায় কাজ করে না এটা আমরা মানতে চাই না। আমি কি বুঝাতে পারছি আপনাদেরকে? এই যে সামনে ওয়ার্ল্ড কাপ আসতেছে। আপনি দেখেন কি হয়? ব্রাহ্মণবাড়িয়া
24:49
Speaker A
তো খুনাখুনি হতে পারে আর্জেন্টিনা ব্রাজিল নিয়ে। এখানে আছেন কেউ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ভাইয়েরা আমার নাই। এখন থাকলেও আর বলবে না। এই এই কয়দিন আগেও মারামারি করছে তারা। এই যে সরকার গঠন হইছে না নতুন। এর মধ্যেও আবার মারামারি হইছে। তো আমি জাস্ট
25:02
Speaker A
কথার কথা বললাম। আমরা এটা আমি বুয়েটেও দেখছি। আর্জেন্টিনা ব্রাজিল নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ঝগড়া চলতেই থাকে। এবং যেই লোকটা ফুটবল সম্পর্কে কম জানে যে শুধু জার্সি দুইটা চেনে সেও দেখবেন আইসে ওখানে মতামত দিতেছে। কারণ কি? ওই যে আমার প্যাটার্ন যে এক জায়গায় কাজ করে না এটা
25:19
Speaker A
আমি আসলে জানি না। এটা হচ্ছে চিন্তার প্যাটার্ন। আমি কি আপনাদেরকে বুঝাতে পেরেছি? সো আমরা যখন কোন একটা সমস্যা সম্পর্কে শুনি আল্লাহ মাফ করুক। আমরা হঠাৎ করে একটা ভূমিকম্প হলো এখানে। ধরেন এখানেই হল। সব লোক কিন্তু আমরা একই রকম আচরণ করব
25:33
Speaker A
না। ঠিক। কেন কিছু লোক রেসপন্সিবল আচরণ করবে আর কিছু লোক ইররেসপন্সিবল আচরণ করবে হয়তো আমি এখানে কান্নাকাটি করে ডুবে থাকবো আরেকজন বলবে ভাই আপনারা শান্ত হন ইনশআল্লাহ সুস্থ থাকবো আমরা কলামের নিচে গিয়ে দাঁড়ান কেউ সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করবেন না কারণ আগুন লাগে নাই
25:51
Speaker A
ভূমিকম্প হচ্ছে অথবা এই দোয়াটা আমরা পড়ি সবাই কেন কিছু লোক এটা বলতে পারে ঠান্ডা মাথায় কারণ তার বয়স বেশি সে অনেক কিছু এক্সপেরিয়েন্স করছে লাইফে না এটা তার চিন্তার প্যাটার্ন সে জানে বিরূপ পরিস্থিতিতে কিভাবে চিন্তা করতে হয়। হ্যাঁ এটা হতে পারে এক্সপেরিয়েন্স। দুই
26:08
Speaker A
একজন লোক হয়তো এরকম বিরূপ পরিস্থিতিতে সামনে পড়েছিল কিন্তু এটা না পড়লেও সেই লোকটা পারবে এটা। কারণ তার চিন্তার প্যাটার্ন হচ্ছে এরকম। আমি কি বোঝাতে পেরেছি? তাহলে আমরা আজকে কিন্তু চিন্তা নিয়ে আলাপ করতে আসি নাই। কিন্তু আমরা বলতে চেয়েছি একটা স্পেশাল সিচুয়েশনে
26:24
Speaker A
আপনার চিন্তা কিভাবে কাজ করবে সেটাও কিন্তু চিন্তার অভ্যাস। চিন্তার প্যাটার্ন। বোঝা গেছে? নাকি কঠিন লাগতেছে আমরা পজিটিভ মাইন্ডসেট নিয়ে কথা বলি আমাদের একটা সেশনই আছে নিশ্চয় এটা ইউটিউ এ রিলিজ হয়ে গেছে তাই না দেখবেন এটা খুব সুন্দর সেশন আমাদেরটা প্রথম আরো কানেক্টেড
26:45
Speaker A
সেশন ছিল রকুমারির পেজেই আছে আমাদের পেজেও আছে বা আমার পেজে আছেই এইযে আমরা মানুষকে গ্রোথ মাইন্ডসেট হতে বলি বলি না সবাই তো আমরা গ্রোথ মাইন্ডসেট হতে চাই কিন্তু আমরা বেশিরভাগ মানুষ ফিক্স মাইন্ডসেট আমিও আপনার চিন্তাফিক্স মাইন্ড অপারেট করতে শিখে নিছে তাকে আপনি হঠাৎ করে
27:06
Speaker A
গোল্ড মাইন্ডসেটে নিতে পারবেন না। বুঝাতে পারছি? এই সবকিছু জুতোর ফিতা বাধা থেকে শুরু করে আপনি কিভাবে চিন্তা করেন এই পুরো জিনিসটা কিন্তু অভ্যাসের আন্ডারে আছে। কাজেই অভ্যাস মানে আপনারা শুধু ফিজিক্যাল এক্টিভিটি বুঝবেন না। অভ্যাস মানে কিন্তু সকালে ঘুম থেকে ওঠা না। মানে
27:27
Speaker A
অবশ্যই এটা অভ্যাস। শুধু সকালে ঘুম থেকে ওঠাকে অভ্যাস বলে না। অভ্যাস আসলে একটা পুরো পুরো পরিস্থিতি যেটা আপনাকে প্রতি মুহূর্তে পরিচালনা করছে। আমরা অভ্যাসকে বলি আমি বলি আমার রেজিস্টার ইউরসেল বইতে লেখা আছে এখানে নাই। অভ্যাসকে আমি অটোপাইলট বলি। অটোপাইলট। আপনার অটো
27:48
Speaker A
পাইলট কি কাজ করে জানেন তো? অনেক লং হোল যে প্লেনগুলো চললে অনেক দীর্ঘ পথ পরিভ্রমণ করে সেই প্লেনগুলোতে একটা সময় গিয়ে তারা অটোপাইলট অন করে দেয়। একটা নির্দিষ্ট আলটিউডে একটা নির্দিষ্ট স্পিডে একটা নির্দিষ্ট পাত বরাবর প্লেনটা অটোমেটিক চলতে থাকে। এটাকে আমরা অটো পাইলট বলি।
28:05
Speaker A
আমাদের অনেকের গাড়িতে লেটেস্ট মডেলের জায়গায় অনেক দামি গাড়ি না। অনেক অনেক লেটেস্ট মডেলের গাড়ি। দামি না কিন্তু লেটেস্ট মডেল। এই অটোপাইলট গাড়িগুলোতেও আছে। সিম্পল গাড়িগুলোতে আছে। আপনি দেখেছেন কিনা? যে কি করতে পারে? আমি আমি ইউএসতে দেখলাম। আমার ফ্রেন্ডের সাথে যে
28:21
Speaker A
চললাম। কারণ ওরা তো অনেক আবার মনে হবে জাতিগত সমস্যার কথা বলতেছি। মানে আমাদের তো ট্রাফিক খুব অ্যাপা এখন এটা বলা যায় কারণ আমাদের প্রধানমন্ত্রীও রিসেন্টলি এটা নিয়ে বলছে এটা নিয়ে বললে আর কেউ আমার মনে হয় মন খারাপ করবে না যে আমরা জাতি
28:33
Speaker A
হিসেবে খুবই একটা অস্থির এবং নিয়ম ভাঙ্গার জাতি যাই হোক সেটা আমার আলোচনার বিষয় না আজকে কিন্তু ইউএসএ তে গাড়িগুলা খুব নিয়মমাপিক চলে এবং তাদের রাস্তাগুলো কিন্তু অনেক লম্বা অর্থাৎ ধরেন তারা ড্রাইভ করতে বের হয় 800 900 কিলোমিটার নিয়ত করে ড্রাইভ করবে থামবে খাবে রাত্রে
28:49
Speaker A
দরকার কোন হোটেলে ঘুমাবে কিন্তু সে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে গেছে এবং এই পুরো সময় জুড়ে সে একটা 70 80 বা 90 কিলোমিটার স্পিডে কিন্তু চলে তো আমি ধরেন আমার সামনে অনেকগুলো গাড়ি আমি রাস্তায় উঠলাম তো সে কি করবে নতুন
29:02
Speaker A
যিনি গাড়ি নিয়ে উঠলো সে কিছুক্ষণ অবজার্ভ করবে গাড়িগুলাকে গাড়িগুলোকে অবজারভ করে বোঝা যায় কোন গাড়িটা সেন্সিবল তার প্যাটার্ন ভালো কেউ হচ্ছে লেন চেঞ্জ করছে আমাদের মত করে না কিন্তু তারপর তো করে আর কেউ কেউ হচ্ছে না খুব রেসপন্সিভলি গাড়িটা চলতেছে তখন সে করবে
29:16
Speaker A
কি আস্তে আস্তে আস্তে ওর পিছে চলে যাবে এবং একটা দূরত্ব মেনটেইন করবে ধরেন 200 মিটার 100 মিটার এরপর সে জাস্ট তার অটোলেট অন করে দিবে ভেরি সিম্পল সে খালি লিখতে হয় না। সিলেক্ট করবে যে আমার সামনের গাড়িটাকে তুমি ফলো করো। শেষ আর কিছু কাজ
29:31
Speaker A
নাই। এখন ও কি করবে? এই গাড়িটা মানে যে গাড়িতে আমি বসে আছি সে সবসময় ওই গাড়ির পিছনে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনটেন করে চলতে থাকবে। 100 মিটার বা 50 মিটার মধ্যে অন্য গাড়ি আসা যাবে না। ওর পিছে পিছে পিছে যত যেভাবে যেভাবে যাবে এই গাড়িটা
29:44
Speaker A
সেভাবে সেভাবে যাবে। তবে আপনি চাইলে মুহূর্তের মধ্যে অটো পাইলট বন্ধ করে দিতে পারেন। যদি আপনার প্রয়োজন হয়। জাস্ট ব্রেকে একটু পা রাখলেই অফ হয়ে যাবে। সো এই অটোবায়লটটা কেন দিয়েছে?
29:57
Speaker A
যেহেতু আমি একটা লম্বা পথ পাড়ি দিব। যেহেতু আমার খুব বেশি চিন্তা করার কিছু নাই। যেহেতু আমি চাই 70 কিলোমিটার স্পিডে গাড়িটা চলতে থাকুক এবং আমি এটাও চাই আমার সামনের গাড়িতে যদি আমি ধাক্কা না দেই। এজন্যই কিন্তু দূরত্ব তৈরি করেছে।
30:09
Speaker A
এইরকমভাবে গাড়িটা চলতে থাক। আমি একটু রিলাক্স থাকবো। আমি কফি খাচ্ছি। গল্প করছি ফ্রেন্ডের সাথে। কিন্তু এইযে এত কিছু যে করছি বা পাইলট যে এত কিছু করতেছে অটো পাইলটের দিয়ে সে কি গাড়ির ড্যাশবোর্ড দেখতেছে কি দেখতেছে না? প্লেনের ড্যাশবোর্ড দেখতেছে নাকি দেখতেছে না
30:24
Speaker A
দেখতেছে কেন দেখা জরুরি অটো পাইলট তো আছে কেন দেখতে হবে ঠিকভাবে চলার জন্যই তো এটা দেওয়া হয়েছে সেটা কিন্তু ওই জন্যই তো অটো পাইলট দেয়া হয়েছে কেন দেখতে হবে আবার অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না হয় কারণ অটো পাইলট দিনশেষ একটা মেশিন যদি প্লেনটা ক্রাশ করে
30:47
Speaker A
মেশিনটা পুড়ে যাবে বা গাড়িটা যদি এক্সিডেন্ট করে গাড়ির অটো পাইলটের সফয় নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু তার থেকে বড় সমস্যা আমার জীবন তো এখানে আমি দাওয়ে চড়াইছি। মানে আমার জীবন তো বাজি রাখছি আমি। আমার জীবন যেখানে বাজি রাখছি মানে
31:01
Speaker A
আমার জীবনের ক্ষতি হতে পারে সেটা আমি অটোমেটিকের উপর ছেড়ে দিব না। আমি কফি খেতে খেতে আমি ওদিকেই দেখব। ড্যাশবোর্ডে দেখব। আমি কি বুঝাতে পেরেছি? এবং আমি যদি দেখি ড্যাশবোর্ডে আমার প্লেন ঝামেলা করতেছে কিংবা আমার গাড়ি ঝামেলা করতেছে। তাহলেও কি আমি বলব চালাও অটো পাইলট। তাহলে
31:19
Speaker A
আমি আর তার কন্ট্রোল নিব। এইজন্যই আমরা হিউম্যান বিইং। এজন্যই কিন্তু আমরা মানুষ এবং এজন্যই আমাদের বিচার হবে। কিন্তু এই শুধু এতটুকুর জন্য এইযে লাস্টের যে কথাটা বললাম যে আপনি ড্যাশবোর্ডে তাকিয়ে আছেন এবং আপনি দেখছেন আপনার গাড়ি প্লেন এলোমেলো করতেছে। আপনি কন্ট্রোল নিছেন নাকি
31:36
Speaker A
নিছেন না। কম মানুষ কন্ট্রোল নেয়। বেশি মানুষ কন্ট্রোল নেয় না। এইজন্য বেশি লোক জাহান্নাম। কম লোক জান্নাত যাবে। জান্নাত জাহান্নাম যাওয়ার এটাই কিন্তু কোশ্চেন। আল্লাহ এটাই প্রশ্ন করবে। আপনি নানান ব্যাখ্যা দিবেন যে আল্লাহ সামনের গাড়িটা যে এরকম ভাবে করল আমি গাড়িটাকে রূপক
31:53
Speaker A
অর্থে ব্যবহার করতেছি আমি তো ওর সাথে সেট করছি আল্লাহ ওরটা আমি ওর সাথে আলাপ করব তোমারটা তুমি আমাকে বল তাই না আপনি কিছু ব্যাখ্যা করবেন বাংলাদেশে আল্লাহ একটু একটু মানে এরকম ছিল আর কি সবাই একটু অসৎ আল্লাহ বলবে উলামি পরে আলাপ সবার হিসাবে
32:08
Speaker A
18 কোটিরই হিসাব হবে তোমারটা তুমি বলো তুমি কেন নিজের কন্ট্রোল নেও নাই তুমি কি বুঝ নাই এটা অন্যায় তখন তো আপনি আর কিছু বলবেন আপনি বলতে চাইলেও আপনার হাত আর অন্যান্য কিছু বলা শুরু করবে যে হ্যাঁ বুঝতো আল্লাহ বুঝতো তাই না আমি কি বুঝাতে
32:24
Speaker A
পেরেছি সেম আপনি আজকে রাস্তা একটা এক্সিডেন্ট করেন যদিও আমাদের দেশে নিয়মকানুনগুলো খুব স্ট্রং না কিন্তু আপনার পানিশমেন্ট হবে কি হবে না এটা কিন্তু নির্ভর করবে আপনি ভুল একশন নিছিলেন কিনা আরেকজন কি করছে সেটা কিন্তু সেকেন্ডারি এই সিম্পল জিনিসটা আমাদের অভ্যাসের ক্ষেত্রে
32:40
Speaker A
প্রযোজ্য এখন আমরা ছোটবেলা থেকে এইযে বাবুটা ওর বয়স 10 রাইট 10ই তো ওর বয়স 10 বেচারা কি জানে জীবন সম্পর্কে বলেন এর কিন্তু কোন কিছু নাই জীবনে এখনো কিছু হয় নাই ও অনেক বড় হবে অনেক কিছু করবে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হইতে পারবা কিন্তু
32:56
Speaker A
তুমি সম্ভব চিনবা কিন্তু আমাদেরকে ওইদিন প্রেসিডেন্ট হলে আমরা যদি বঙ্গভবনে যাই তুমি বলো না কোন বুড়া লোক আসছে দূরে তুমি বলবা আসেন ওনাকে নিয়ে আসেন আমরা তোমার সাথে সেলফি তুলব এবং আমরা বলব যে প্রেসিডেন্ট আমাদের বাচ্চা ছোটবেলার বন্ধু
33:11
Speaker A
ছিল আমাদের ঠিক আছে তো ও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হইতে পারে লিটারেলি ওর দেশে পৃথিবীর একটা বড় সাইন্টিস্ট হতে পারে তাই না বড় কার রেসার হতে পারে আর কি হতে পারে খেল রোব্লক্সের নাম্বার ওয়ান প্লেয়ার হতে পারে এইযে দেখতো এখনো খেলি নাই কি খেল
33:31
Speaker A
তুমি ভিডিওতে কি খেল যেটা হচ্ছে সেটা তার তো গেমগুলা কিছু থাকে না পেপারio খেলো নাই এগুলা এই কি তোমার বাড়ি হারা গাছ মনে হচ্ছে এনিওয়ে ঠিক আছে আমি শিখায় দিব তোমাকে এগুলা তো কামিং ব্যাক তো এই যে একটা মানুষ ছোট্ট একটা মানুষ 10 বছর বয়স
33:51
Speaker A
ওরও কিন্তু কতগুলো হ্যাবিট ফর্ম করছে এবং বেশিরভাগ ও বেচারা নিজে থেকে কিন্তু করে নাই এটা খুব ভালো যে আসছে আজকে সেশনে কতটুক শিখতে পারবে ওটা অনেক পরের কথা কিন্তু আসছে তো আমি তো ওর বয়সে কোথাও এরকম সেশনে যাইনি আমার আব্বা নিয়েও যায়
34:03
Speaker A
নাই আমি নিজেও যাওয়ার প্রয়োজন অন্তত আসা শুরু করছে গ্রেট আমরা কি ওর জন্য একটা হাততালি দিতে পারি জোরে তুমিও দিতে পারো ঠিক আছে এইযে আসা শুরু করছে এটা ভালো এইযে বেচারা ছোট্ট একটা মানুষ জীবনটা শুরুই হয় নাই। এর মধ্যে
34:19
Speaker A
কিন্তু কিছু ব্যাড হ্যাবিট তৈরি হইছে। এবং এই ব্যাড হ্যাবিট গুলো ওকে কে দিল? যদিও আব্বা আম্মাই শাসন করে। আপনার ছেলে তো না। আপনি অনেক শাসন করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন? আপনি অনেক বেডফিট আপনি দিছেন ওকে। মানে আমরা তাই করি। আমারটার ক্ষেত্রেও তাই
34:34
Speaker A
হইছে। ওর মা অনেক বেডফিট দিছে। ওর দাদু-দাদী দিছে। ওর নানা নানী দিছে। খালা দিছে। আত্মীয় স্কুলের টিচাররা দিছে। আশপাশের মানুষরা দিছে। টেলিভিশনের নিউজ দিছে, পেপার দিছে। তাই না? এগুলা দেখে দেখে দেখে ও শিখে নিছে যে এগুলা করা যায়।
34:48
Speaker A
এগুলা করলে এরকম এটা করলে এটা কর। তাহলে এরকমভাবে কিন্তু আমাদের কিছু অটোপাইলট কিন্তু ফর্ম হয়ে গেছে। প্লেনের অটোপাইলট গাড়ির অটোপাইলট বানানোর সময় এগুলো কিন্তু ডিজাইন করে বানিয়েছে। যেন এটা শুধু ভালো কাজেই ব্যবহৃত হয়। এবং যেন ভালোভাবেই কাজ করে। তারপরও ফেল করে। আর
35:05
Speaker A
আপনার কিছু হ্যাবিট ফরমেশন হচ্ছে। যে হ্যাবিটগুলো আপনি জানেনই না কিভাবে ফর্ম হইছে এবং তার অধিকাংশ খারাপ হ্যাবিট ফর্ম করছে। কারণ আমি তো দেখিনি আমার আব্বা ফজরে উঠে নামাজ পড়ে। তাহলে আমার ভিতর তো এটা হবে না। আমি তো দেখি নাই যে আমার আশপাশের
35:19
Speaker A
লোকরা সব সত্যি কথা বলে। তাহলে আমার ভিতর তো এটা হবে না। আমি তো দেখছি যে জোর জুলুম করলেই বেশি পয়সা করে ইনকাম করা যায়। তাহলে তো আমার ভিতরে ঢুকে গেছে যে আমাকেও এটা হইতে হবে। আমাদের দেশের ছোট ছোট ছেলে
35:29
Speaker A
মেয়েদেরকে যখন আমরা বড় করি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা বাচ্চাদেরকে বলি যে তোমাকে অনেক টাকা কামাই করতে হবে। কবিতা পর্যন্ত আছে। মন দিয়ে পড়ালেখা করে যেই জন বড় হয়ে ভালো মানুষ হবে কোথাও লেখা নাই। বলা আছে বড় হয়ে গাড়ি ঘোরাবি
35:42
Speaker A
জন। গাড়ি আর ঘোড়া লাগবে। ঘোড়া বাদ গেছে কিন্তু গাড়ি আছে গাড়ির সাথে ফ্ল্যাট যোগ হইছে তো আমরা ছোটবেলা থেকে এটা মানুষকে শিখায় ফেলছি তাহলে এই যে হ্যাবিট ফর্ম হইছে অটো পাইলট ফর্ম হইছে এটা কিন্তু আপনার ভিতর কাজ করবে
35:57
Speaker A
এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নাই এখন আপনার দায়িত্ব কি আপনার অটোপাইলটকে মাঝে মাঝে আপনার দেখতে হবে বোঝা যাচ্ছে না বোরিং লাগতেছে বোরিং লাগতেছে [নাক ডাকা] আপনাদের অটোপাইলটকে আপনাদেরকে অবজারভ করতে হবে এবং অবজারভ করে আপকেদেখ দেখতে হবে যে আমার অটোপাইলটের মধ্যে কোথায় কোথায়
36:16
Speaker A
সমস্যা আছে এবং কোথায় কোথায় নাই। যেখানে যেখানে আপনি সমস্যা আছে সেখানে সেখানে আপনি কাজ করবেন। আর যেখানে যেখানে সমস্যা নাই সেটাকে আপনি ঠিকমত রেখে দেবেন। এই যুদ্ধটা তো শুরু হলো আজকে থেকে। রাইট? ওর জন্য আজকে থেকে শুরু হলো। হয়তো বুঝতে
36:31
Speaker A
পারছে না। শেষ হবে কবে? এই যুদ্ধ শেষ কবে? ওই যে অটোপাইলট দেখবো। ভুল থাকলে কারেকশন করব। ঠিক থাকলে আলহামদুলিল্লাহ। এই যুদ্ধটা শেষ দিন কবে? লাস্ট লাস্ট দিন কি দুনিয়ার লাস্ট দিন ইরান ওয়ারের লাস্ট দিন হ্যাঁ আপনার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এবং
36:50
Speaker A
এইজন্যই আমি বলি জীবন কি কঠিন কঠিন না জীবন তোমার কাছে কি মনে হয় জীবন কেমন কঠিন ও বলছে কঠিন তাহলে তো আপনারা বুঝছেন কত কঠিন কঠিন টু দি পাার কিউব বাট জীবন সুন্দর জীবন সুন্দর এজন্যই সুন্দর জীবন একটা লাইভ
37:11
Speaker A
ম্যাথ জীবন একটা রেকর্ডেড ভিডিও না যে আপনি পরে একবার দেখে নিলেন আপনার জীবনটা একটা লাইভ খেলা চলতেছে কিন্তু আপনি খেলার মধ্যেই আছেন। একটা প্লেয়ার যেমন খেলার মধ্যে থাকে ও অনেকগুলা ডট বল ডট বল ডট বল ডট বল তারপর একটা চার পেলে চার মেরে দেয়।
37:26
Speaker A
তো এরকম আজকে এরকম অনেক ডট বল প্লেয়ার এখানে হয়তো আমরা আছি। হয়তো হচ্ছে না হচ্ছে না। হচ্ছে না। আজকেই হয়তো একটা আপনি রান চেঞ্জ করে ফেলবেন। আপনার কিছু একটা পরিবর্তন হবে। এই জন্য কিন্তু জীবন লাইভ এবং জীবন এত মজার। ঐদিন পর্যন্ত দ্যা
37:37
Speaker A
লাস্ট ডেট। লাস্ট টাইম। তাহলে এই সময় পর্যন্ত আমাদের এই ভালো এবং খারাপ অভ্যাসের যে যুদ্ধটা সেটা চলতে থাকবে এবং আমরা যদি এই জায়গাতে সাবকনসাস মাইন্ডের কথা না বলি তাহলে খুব অন্যায় হবে। সাবকনসাস মাইন্ড আসলে কি? এটা নিয়ে চাইলে
37:54
Speaker A
অনেকগুলো ক্লাস করানো সম্ভব। সাবকনসাস মাইন্ড। কিন্তু আজকে আমি শুধুমাত্র মৌলিক জিনিসগুলার কথা বলবো। আমাদের মাইন্ডের কতগুলো স্তর আছে। আপনারা হয়তো এগুলো জানেন। এগুলোর জন্য সাইকোলজিস্ট হওয়ার দরকার নাই। আমাদের যে সচেতন মাইন্ড থাকে যেটাকে আমরা কনসাস মাইন্ড বলি। এটাকে আমরা
38:09
Speaker A
সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী বলে আমরা মনে করি। বোঝা যাচ্ছে? অর্থাৎ আজকে যে আপনি আসলেন তো আপনি একটা অটোরিক্সা বা সিএনজি ভাড়া করে এসছেন হয়তোবা। তোওর সাথে আপনি ভাড়ার বার্গেইন করছেন, নেগোসিয়েশন করছেন যে মামা না এটা তো 300 টাকা ভাড়া না 250
38:24
Speaker A
টাকা নেন। আচ্ছা ঠিক আছে চলেন এটা আপনার কনশাস মাইন্ডের কাজ। আজকে যে আপনি এখানে বুঝতে চেষ্টা করতেছেন কিছু কিছু মানুষ এখনো বোঝার চেষ্টা করতেছে। অধিকাংশ ঘুম যাচ্ছে দেখতে পাচ্ছি। সো যারা বুঝতে চেষ্টা করতেছেন তাদের কনশাস মাইন্ড কিন্তু কাজ করতেছে। আপনি চিন্তা
38:40
Speaker A
বলছেন যে এটা ঠিক কথা। আবার আপনি মনে মনে এটাও ভাবতেছেন যে এটা ভাইয়া বলছে মাইকে বলছে কিছু বলতেছি না। বাট মেবি এটা আমি এগ্রি করতেছি না। কোন দোষের ব্যাপার না। তার মানে আপনি কনশাসলি বিচার করতেছেন। বোঝা যাচ্ছে? কনশাস মাইন্ড কিন্তু
38:54
Speaker A
মানুষের। সমস্ত কনসাস ডিসিশন মেকিং সজ্ঞান ডিসিশন মেকিং এর জন্য রেসপন্সিবল। এবং আপনার ওই যে বিচার কিন্তু কনশাস মাইন্ডের জন্যই হবে। এবং কনশাস মাইন্ড মানুষ ছাড়া আমাদের জানামতে আর কোন প্রাণীর মধ্যে নাই। কনশাস মাইন্ড যে সে এটা সচেতনভাবে চিন্তা করতে
39:12
Speaker A
পারে। বোঝা যাচ্ছে? ক্লিয়ারতো আমরা কি বলছি? আমরা বেশিরভাগ মানুষ মনে করি কনশাস মাইন্ডটা খুব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অফস এটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এরও থেকে বেশি পাওয়ারফুল মাইন্ড আপনার ভিতরে আছে। যেটার নাম জোরে বলেন তাহলে ঘুমটা চলে যাবে। সাবকনশাস মাইন্ড। এবং এইটা আপনার ভিতরের পাওয়ার হাউস বলি
39:35
Speaker A
আমরা। আমরা আমরা বলি এটা একটা মানুষের ভিতরের পাওয়ার হাউস। আপনার বয়স কত ডাজেন্ট ম্যাটার। আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কি ডাজেন্ট ম্যাটার। আপনি জীবনে কতদিন কত কিছু ধরা খাইছেন কিছু ম্যাটার করে না। যদি আপনি কোন একদিন সকালবেলা উঠে বা কোন একটা
39:50
Speaker A
নির্দিষ্ট সময় আপনি আপনার সাবকনসাস মাইন্ডকে ট্রিগার করতে পারেন। সাবকনসাস মাইন্ড আলাদিনের দৈত্যের মত। আলাদিনের চেরাগের দৈত্যের মত। এক্সাক্টলি এরকম। আলাদিনের চেরাগের দৈত্য কি করে?
40:03
Speaker A
আপনি একটা চেরাগ নিলেন। তারপর চেরাগকে ঘসলেন। একটা দৈত্য বের হয়ে আসলো। হু হা করে একটা ভয় পাও তুমি দৈত্য আসলে ভয় পাও?
40:15
Speaker A
না। দৈত্যকে আপনি কি বলেন? দৈত্য কি বলে? মেরে আকা। আপনার আলিফ লা দেখেন নাই এগুলা?
40:22
Speaker A
তারপর কিছু লোক কাহের মাল। দেখছেন তো এগুলা? ভুলে গেছেন? তুমি দেখ নাই। এগুলা আগে আমরা ছোটবেলায় বিটিভিতে দেখতাম তাই না দেখছে ও দেখছে আলাদিন দেখছে তো আইসা বলে যে আমাকে বলেন আমার বস আমি কি করব তো আপনি বলেন এইটা করে
40:41
Speaker A
দাও ওইটা করে দাও ওটা তিনটা করলে ওকে না আলাদিনের জিনি [গলা পরিষ্কার করা] ঠিক আছে তো মিলাতে পারছেন জিনি কয়টা সলভ করে এর বেশি নাই চতুর্থ দিলে কাজ হয় না কিন্তু মজার ব্যাপার এই যে আলাদিন সাবকনশস মাইন্ড এর কোন লিমিট নাই
40:59
Speaker A
আপনি ওকে যা বলবেন আপনার হয়ে সে তাই করে দিবে। শুধুমাত্র একটাই ডিফিকাল্টি ওর। এই দত্যকে আপনি যখন বলেন যে তুমি আমার হয়ে সকালে ফজরে উঠা আমাকে করে দাও। সে শুধু আপনাকে বলবে যে ওস্তাদ আমাকে খালি একটু শিখায় দেন। জিনিসটা খালি আমাকে একবার শিখায় দেন।
41:18
Speaker A
এরপর অটোপাইলট। আমি দায়িত্ব নিচ্ছি আপনার। আপনাকে জিনিকেটাকে জাস্ট শিখায় দিতে হবে। এই হচ্ছে সাবকনশাস মাইন্ডের পাওয়ার। আপনার জীবনে যা কিছু পাইতে ইচ্ছা করে আমি কিন্তু মোটিভেশন বলতেছি না আপনাদেরকে আমি ক্লিয়ারলি বলে দিচ্ছি আমি আপনাদেরকে মোটিভেট করছি না আমি এটা নিজে পেয়েছি আমি
41:37
Speaker A
অনেক মানুষকে পেতে দেখেছি অনেক মানুষের পাওয়ার বিষয় বইয়ে বইয়ে তারা লিখে গেছে আমরা বইগুলো হয়তো পড়ি কিন্তু আমরা ভিতরের ভাষাগুলো বুঝি না যে কি বলতে চেয়েছে সাবকনশাস মাইন্ড হচ্ছে আপনার ভিতরের একটা লুকানো একটা দৈত্য যাকে আপনি যে কিছু বলবেন সে ওইটা আপনার
41:58
Speaker A
হয়ে করে দিবে। কিন্তু শুধুমাত্র একটাই স্যার ছোট্ট সাপোর্ট দরকার যে তাকে আপনাকে এটা শিখিয়ে দিতে হবে। আমি বোঝাতে পারছি। আপনি যা কিছু করেন সারাদিনে আপনার কাছে মনে হয় আপনি বুঝি চিন্তা করেন। কিন্তু উত্তর হচ্ছে আপনি সারাদিনে যা করেন তার
42:17
Speaker A
95% জিনিস আপনি জানেনও না যে আপনি কেন করেন কিভাবে করেন। আমি কি বুঝাতে পেরেছি?
42:25
Speaker A
আজকে যে আপনি ঘুম থেকে উঠেছেন, উঠে যে আপনি বাথরুমে গেছেন, দাঁত ব্রাশ করেছেন, পোশাক পড়েছেন, আপনি জানেনও না আপনি এটা কেন করেছেন? আপনার মনে হইছে যে আমি একটা সেশনে যাব। এইটা অনেক সেকেন্ডারি টার্শিয়ারি রিজন। এগুলো কোন রিজনই না।
42:42
Speaker A
মূল রিজন হচ্ছে আপনার জীবনে আপনি প্রতি মুহূর্তে যত কাজ করেন সেই কাজগুলো আপনি কেন করেন এটা আপনার সবসময় জানা থাকা দরকার। এক ওয়াক্ত নামাজ আপনি কেন পড়েন অথবা কেন মিস দেম? দুইটার উত্তরই আপনার জানা থাকা দরকার। কিন্তু আনফরচুনেটলি যারা পড়ে
43:00
Speaker A
তারাও জানে না আমি কেন পড়ি। যারা পড়ে না তারাও জানেন আমি কেন করি না। কারণ আমাদের সাবকনশাস মাইন্ড কি আমরা এটা শিখাই নাই। আমি কি বুঝাতে পারছি? নাকি কঠিন লাগছে?
43:13
Speaker A
সাবকনশাস মাইন্ড আপনার ভিতরে আছে। আমাদের ভিতরে এরকম কোন মানুষ নাই যার ভিতর সাবকনশাস মাইন্ড আছে বা নাই নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন সন্দেহ আছে। সাবকনশাস মাইন্ড আপনার ভিতরে আছে। এবং আমরা যখন হ্যাবিট ফরমেশনের কথা বলি তখন সাবকনশাস মাইন্ডকে আমাদের একটু টাচ করে যেতেই হয়। আদারওয়াইজ
43:30
Speaker A
সাবকনশাস মাইন্ড আমাদের এসব আলোচনার মধ্যে আমরা আনতেই চাই না। বিকজ এটা একটা অনেক বড় সাবজেক্ট। অনেক বড় একটা বিষয় সাবকনশাস মাইন্ড। এবং সাবকনশাস মাইন্ড আপনার অটোনোমাস নার্ভাস সিস্টেমকে ম্যানেজ করে। আমরা এটার ভিতরে বেশি যাবো না। অটোনোমাস নার্ভাস সিস্টেম মানে কি বুঝি আমরা?
43:47
Speaker A
আমাদের যে শরীরটা বেঁচে আছে আছে না? একটা যেকোন প্রাণীর কথা আপনি চিন্তা করেন একটা সাপ একটা ব্যাঙ একটা তেলাপোকা সবার কিন্তু আমরা একটা জীবিত জীবিত না জীব বলি আমরা আল্লাহ তালা আমাদেরকে জীবন দিছে আবার অনেক জিনিস আছে জড়পদার্থ যেমন একটা কাঠ বা কিছু
44:07
Speaker A
এগুলা হচ্ছে এসব মরতে পারে না এগ সাইন্সের ব্যাখ্যা আছে তাহলে এই যে একটা একটা জীবিত জিনিস একটা তেলাপোকা ওর জীবন ধারণের প্রক্রিয়াটা কে ম্যানেজ করতেছে আমি বোঝাতে পেরেছি আপনি কালাপোকা যান না আপনি আপনার কাছে আসেন আপনি যে সকালবেলা
44:25
Speaker A
ঘুম থেকে উঠছেন আপনার হার্টবিট দিচ্ছে এ কি সারাদিন একই রেটে বিট করে নাকি বিট চেঞ্জ হয় চেঞ্জ হয় কে তাকে ইনস্ট্রাকশন দেয় কার ব্রেন কিসের বেসিসে অবশ্যই সব সাবকনশাস মাইন্ড কিন্তু কিসের বেসিসে ইনফরমেশন কে বলছেন ইনফরমেশন আপনি গ্রেট
44:52
Speaker A
ইনফরমেশন কোথা থেকে পান এই কাছাকাছি এসে একটু সরে গেল আপনি আরেকটু ট্রাই করেন তো ধরেন আপনি ভয় পাচ্ছেন ভয় পেয়েছেন রেট বাড়ছে কিন্তু কেন হার্ট কি দেখতেছে একটা কুকুর আপনাকে দেখে ঘেউ ঘেউ করছে হার্ট দেখতে পায় কে দেখে
45:16
Speaker A
কে শুনে এরকম এরকম কয়টা সিস্টেম আছে যে ইনফরমেশন নিতে পারে শরীরে অনেক না পাঁচটা দেখেন কত বেসিক কত বেসিক আসলে পাঁচটা মাত্রই পাঁচটা এবং এর মধ্যে মেইন কিন্তু তিনটা চোখ আর নাক এবং আপনারা আমি রিসেন্টলি একটা পেপার পড়ছিলাম সেখানে বলতেছে চোখের থেকেও নাকি
45:40
Speaker A
নাকের সেনসিটিভিটি বেশি পাওয়ারফুল দো এগুলা প্রুভেন না একেকজন একেকটা জিনিস লিখছে এবং ভেরি রিসেন্টলি আপনারা যারা মার্কেটিং কাজ করেন ব্র্যান্ডিং এ কাজ করেন আপনাদের এটা জানলে ভালো হবে ম্যাকডোনালডস একটা এক্সপেরিমেন্ট করেছে কি করেছে তারা কোন একটা বড় শহরে মকডোনাল
45:56
Speaker A
আপনারা জানেন রাইট কেএফসি আদারস তারা রাস্তার মাঝে একটা বিলবোর্ডের মত জিনিস বসিয়েছে ঠিক আছে কিন্তু সেটাতে তারা কোন কিছু লিখে নাই জাস্ট কালারটা ম্যাকডোনালডস এর কালার দিয়েছে কিন্তু কিছু লিখে নাই কিন্তু হ্যা ক্রিয়েটেড সাম স অফ ফ্রিগন্স ঘ্রাণ খাবারের ঘ্রাণ
46:16
Speaker A
ম্যাকডোনাল খাবারের ঘ্রাণ বুঝতে পেরেছেন কেএফসিতে গিয়ে যদি একটা মেবি রোজার মাস আলাপ করা ডিফিকাল্ট বাট আপনি যদি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান টেস্ট রাইট এবং সামডনালস যে সমেল সেইটা তারা সাম ক্রিয়েট করছে কেমিক্যাল দিয়ে এবং সেইটা ওইখানে তারা স্প্রেড করতেছে কিছু দেখাচ্ছে না কিন্তু
46:39
Speaker A
আপনাকে কিন্তু আপনি যখন বিলবোর্ডের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন আপনি ম্যাকডোনালস এর খাবারের ঘ্রাণ পাচ্ছেন এবং পাশে একটা ম্যাকডোনাল শপ আছে ওই মোটামুটি দৃষ্টি সীমার মধ্যেই তাদের বিক্রির রেট 60% বেড়েছে 60% অথচ এতদিক পর্যন্ত আমরা শুধু বিলবোর্ড দেখেছি এবং বিলবোর্ডে লেখা থাকে কেপসি খান
47:03
Speaker A
ইটা খান 60% ডিসকাউন্ট অমুক তমুক নিউ ইয়ার তাই না কিন্তু তারা নতুন এক্সপেরিমেন্ট করেছে যে মানুষের শুধুমাত্র নাকের যে পাওয়ার সেটাকে তারা ইউটিলাইজ করতেছে এবং ইট ওয়ার্কিং তো এরকম ভাবে আমাদের ইনফরমেশন নেওয়ার সিস্টেম মাত্র পাঁচটা এই ইনফরমেশন নিয়ে আপনার ব্রেনের
47:23
Speaker A
কাছে গেছে সে আপনারা বলছেন ব্রেন ডিসাইড করে অনেকে বলছেন এন্সার ইজ রাইট ব্রেন কি করছে তার সাবকনসাস মাইন্ডকে ইনফরমেশনটা দিয়ে দিছে দেখেন সুপার কম্পিউটারের মতো কাজ চলতেছে ভিতরে সাবকনসাস মাইন্ড ডিসাইড করে ফেলছে এই সিচুয়েশনে তোকে দৌড়াইতে হবে কারণ একটা পাগলা কুকুর আসতেছে সামনে
47:39
Speaker A
তাহলে এখন কি করতে হবে এখন দৌড়াইতে হবে দৌড়াইতে হবে মাসেলগুলাকে একটিভ করতে হবে এখন আমার চিন্তা করার টাইম নাই এখন মাসেল তো মাসেলগুলা একটিভ করল একটিভ করতে কি হল?
47:48
Speaker A
মাসেলগুলোতে এনার্জি পাঠাও। এনার্জি মানে কি? আপনারা জানেন আমাদের মাসেলগুলো মানে সেল। সেলের মধ্যে কিন্তু খাবার ইতিমধ্যেই আছে। না থাকলেও সেগুললা হয়তোবা আমাদের যে চর্বি বলি আমরাযে মোটা মানুষ যারা আমরা এরকম আমাদের ফ্যাট হয়ে জমে আছে। এগুলোকে ব্রেক করা দরকার। ব্রেক করতে গেলে কি করতে
48:04
Speaker A
লাগবে? অক্সিজেন লাগবে। কারণ অক্সিজেন ছাড়া তো কোন কিছু জ্বলে না। জ্বলে। আপনাদের বাসার যে চুলাটা আছে ওটা জ্বালানোর জন্য কিন্তু ইউনিট অক্সিজেন। তাহলে অক্সিজেন লাগবে। কারণ আমার প্রত্যেকটা সেল এককটা চুলার মত। একটা রান্নাঘর যেখানে অক্সিজেন চলবে সেলের মধ্যে অলরেডি খাবার আছে একটা দহন
48:19
Speaker A
প্রক্রিয়া হবে এবং ওখান থেকে এনার্জি বের হয়ে আসবে বোঝা যাচ্ছে না জটিল লাগতেছে তো এখন লাগবে হচ্ছে আপনার অক্সিজেন তো বলছে অক্সিজেন পাঠাও এখন অক্সিজেন যাবে কোন দিক দিয়ে অক্সিজেন যাবে ব্লাডের সাথে এখন ব্লাড পাস করতে হবে বলছে তুই জোরে পাঞ্চ
48:35
Speaker A
কর সিম্পল অংক এখন হার্ট যে জোরে পাঞ্চ করে হার্ট তো আবার অক্সিজেন নেয় না ও ব্লাড নিয়ে দৌড়াচ্ছে কিন্তু ফাকা ব্লাড ট্রাক যাচ্ছে খালি ট্রাক ফুসফুসকে খবর দিছে যে তোর ওখানে কিন্তু কিছু ট্রাক ঢুকবে তাড়াতাড়ি বালু ভর বা সিমেন্ট ভর
48:50
Speaker A
সে কি করছে ব্রিদিং সিস্টেমকে এক্টিভেট করছে জোরে জোরে শ্বাস নে তাড়াতাড়ি শ্বাস নে কারণ যত বেশি শ্বাস নিবি তত বেশি অক্সিজেন ঢুকবে এবং তত আবার যে সেলের প্রোডাকশন গুলা নষ্ট হচ্ছে গারবেজগুলা কার্বন ডাইঅক্সাইড আমাকে ফেল দিতে হবে তাহলে তুই তাড়াতাড়ি যা তাড়াতাড়ি নিয়ে
49:04
Speaker A
এই আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস এবং হার্টবিট বেড়ে গেছে কারণ আপনি একটা কুকুর দেখছেন অথচ কুকুরটা বাস্তবে নয় কুকুরটা সিনেমার পর্দায় এই কুকুর বাস্তবে নাই অথবা আপনি দেখতেছেন ঘুমের মধ্যে ধরছে কুকুর অথবা স্যার খাতা টানতেছে দেখছেন না পরীক্ষায় স্যার খাতা টানতেছে না
49:24
Speaker A
স্যার না পাশে উঠ কিছু ঘুমাচ্ছিস আপনি ঘুমের মধ্যে ইমাজিনেশনের মধ্যে আপনার ব্রেন কিন্তু ভুল কাজ করতেছে বুঝেন অবস্থা ব্রেন অনেক পাওয়ারফুল কিন্তু ব্রেনের কিন্তু একটা বড় ভুল আছে ব্রেন কিন্তু রিয়েলিটি আর ইমাজিনেশনের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না এবং শুধু এই সিম্পল কারণের
49:42
Speaker A
জন্য আমাদের জীবনের পিছনে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা আমাদের এখনো ট্রোমাটিক করে। আমি আমি কিন্তু এগুলো লাইভ মানে আমার যে লাইফ কোচিং কিন্তু আমি এরকম ক্লায়েন্ট পাই এবং ইন্টারেস্টিংলি আমি যে লাইসেন্স করে আসলাম না এনএলপির এগুলোতে এই জিনিসগুলাই অন্য
49:56
Speaker A
একটা টেকনিক এড করছে কিন্তু নলেজটা এক টেকনিকটা শুধু ডিফারেন্ট এবং ঠিক একই কারণে এইযে ব্রেন যে ধোকা খায় এই একই কারণে আপনি জানেন আপনার ফিউচারকে আপনি ইমাজিন করে ভালো কাজ করতে পারবেন অর্থাৎ আপনি ব্রেনকে পরিকল্পনামূলক ধোকা দিতে পারবেন ধোকা যে খায় তাকে আপনি নানাভাবে
50:13
Speaker A
ধোকা দিতে পারবেন এবং এইজন্য আপনার দেখবেন যখন কোন কিছু আমরা ভালো কিছু করতে চাই তখন আমরা দোয়া করি তখন আমরা ইমাজিনেশন করি পজিটিভ ইমাজিনেশন করি না করি এগুলো কিন্তু এই কারণে কারণ আপনি ব্রেনকে ইনটেকশন দেন যে আমি এটা পেতে চাই তখন ব্রেন আপনাকে বলে
50:28
Speaker A
তাহলে আমি এটার জন্য কাজ করতে চাই আপনি যদি রিওয়ার্ড না দেন তাহলে আমি কেন কাজ করব আমি বোঝাতে পারছি সো আপনার সাবকনশাস মাইন্ড এত কিছু করে মুহূর্তের মধ্যে করে ফেলে আপনি জানেনও না আপনি টেরও পান না সাবকনশস মাইন্ড নিয়ে আমাদের অনেক কিছু
50:43
Speaker A
করার আছে অনেক কিছু করার আছে সামনে আমরা কোন কোন ক্লাস সাবকনশিয়াস মাইন্ড নিয়ে করব আমরা। হয়তোবা ইনশআল্লাহ ল অফ ট্রাকশন নিয়ে করব। এগুলো এক্সটেন্ডেড সাবকনশাস মাইন্ড কিভাবে বাইরের জিনিসের সাথে কানেক্ট করে। ঠিক আছে? এবং আপনি যেহেতু সাকসেসফুল মানুষের প্যাটার্ন খুঁজে
50:58
Speaker A
দেখবেন তাদের ভিতরে কিন্তু এই প্যাটার্নগুলো ছিল। তো আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন যে ভাই তাহলে আপনি কেন সাকসেসফুল হইতেছেন না? সহজ কোশ্চেন কিন্তু যে ভক্ত বক্তব্য সে তো এত সাকসেসফুল না। আপনি বইয়ের মধ্যে এত কথা লিখছেন তো আপনি
51:11
Speaker A
কেন হইতে পারতেছেন না? কেন হইতে পারতেছেন না বলেন দেখি। জোরে বলেন ইমপ্লিমেন্শন র আমিও এরকম একটা লুপের মধ্যেই পড়ে রয়েছি। আমি একটা মেসেজ দিতে আসছি। বোঝা যাচ্ছে আপনার কাছে একজন চিঠি নিয়ে আসছে একটা চিঠিতে। সেই চিঠির মধ্যে লেখা আছে যে এই
51:31
Speaker A
কাগজটা ব্যাংকে জমা দিলে আপনি 10 লক্ষ টাকা আপনার একাউন্টে জমা হবে। একবারে এরকম আসে না মানি অর্ডার। তো আপনি এখন চিঠিটা নিয়ে বলতেছেন এই চিঠিটা আমি বিশ্বাস করি না। কেন? আরে পা লাখ টাকা যদি চিঠির মধ্যে থাকবে তো একাউন্টেন্ 10 লাখ টাকা থাকতো তো
51:45
Speaker A
কেন চিঠি দিয়ে বেড়াচ্ছে মানুষের কাছে দুইটা আলাদা জিনিস দুইটা আলাদা জিনিস আমি কি বুঝাতে পেরেছি আমরা অনেক সময় দুইটা মিলায় ফেলি কিন্তু দুইটা জিনিস মানি আসলে ঠিকই নিবেন কিন্তু এই জিনিসটা অন্য কোন ফরম্যাটে আসলে আপনি তখন চিন্তা করেন মেসেঞ্জার কি করছে তার
52:02
Speaker A
জীবনে এইটা আপনার বিচার করার বিষয় নাই আপনার বিচার করার বিষয় হচ্ছে আপনি শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসটা নিবেন যেমন একটা খেজুর খাই আমরা রোজার মাসে কি করি তারপর বীজটা আস্তে করে বেল করে আমরা বোন প্লেটের মধ্যে রেখে আপনি কি কখন এই টেনশনের পড়ছেন
52:14
Speaker A
হে খেজুরের সাথে শয়তান বীজ দিয়ে দিল খেজুরের ওজনের সাথে তো বীজের ওজন যোগ করে দিছে এখন আমি বীজটা কিভাবে খাবো তাইলে খেজুরই খাবো না কালকে এগুলো চিন্তা করেন আপনি না এত টেনশন করার দরকার নাই আপনি শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসটা নিবেন অপ্রয়োজন
52:28
Speaker A
সরিয়ে দিবেন ওকে চলেন আমরা এখানে যাই সাবকনশস মাইন্ড নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম আমরা আর দুইটা বেসিক জিনিস নিয়ে একটু কথা বলব তার মধ্যে একটা হচ্ছে নিউরোপ্লাস্টিসিটি এটা আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে আমি এটা ধরি নিউরোপ্লাস্টিসিটি আপনারা হয়তো জানেন যে আমাদের শরীর শরীরের
52:44
Speaker A
কোন জায়গায় যদি সেল মরে যায় হয়তো একটা কেটে গেল বা একটা ক্ষত তৈরি হলো তাহলে কিন্তু সেলটা পুনর্গঠন হয় আপনারা জানেন রাইট সেলটা আবার তৈরি হতে পারে শরীরের যেকোন জায়গায় এজন্য দেখবেন আমাদের অনেক ছোটবেলায় যদি হাত পা কেটে গিয়ে থাকে সেই
52:58
Speaker A
দাগগুলো আপনি বেয়ারলি দেখতে পাবেন দেখাই যায় না যেখানে একটা দাগ ছিল ভুলেই গেছেন আপনি ঠিক আছে কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় কিন্তু মোর ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে এটা কিন্তু নিজেকে রিফ্রেশ করতে পারে কিন্তু ব্রেনের সেল একবার যদি মরে যায় তাহলে কিন্তু এই
53:14
Speaker A
সেলটা কখনো জীবিত হয় না। তাকে কিন্তু আপনি কখনো আর রিভাইভ করতে পারবেন না। এটা তো জানেন আপনারা রাইট? জানেন তো না? জানেন কি জানেন না তাও? জানেন রাইট? একটু বলবেন আমার তো একটু এনার্জি। আমি তো রোজা রাখছি। [সশব্দ হাসি]
53:31
Speaker A
ব্রেনের সেল কিন্তু একবার ডেড হয়ে গেলে কিন্তু একে আর বাঁচানো সম্ভব না। ঠিক আছে। এবং একসময় সাইকোলজিস্টরা ভাবতো যে ব্রেন যদি একটা কাজ করতে কখনো ভুলে যায় বা হারিয়ে ফেলে ক্যাপাসিটি। আপনি জানেন স্ট্রোক করে না মানুষের অদ ব্রেনের মধ্যে
53:44
Speaker A
একটা ক্লট হয়ে যায় তখন ওইটাকে রিমুভ করে যখন অনেক সময় ব্রেনের মধ্যে রেখেই যায় ওই ক্লটটা কারণ সার্জারিটা ডিফিকাল্ট অনেক সময় ক্লটটা রিমুভ করলে অনেক সময় ব্রেনের ওই সেলগুলাও কিছু কিছু জিনিস কেটে নিয়ে আসতে হয় তখন কিন্তু ওই সেলগুলো একটিভিটি
53:57
Speaker A
হারিয়ে ফেলে এবং আপনারা দেখছেন স্ট্রোক করা পেশেন্ট অনেক সময় হাত অবশ যায় পা অবশ্যই যায় শরীরের এক সাইড পুরো শরীরে অবশ্যই যায় এরকম দেখেছেন নিশ্চয়ই আমাদের মুরুব্বিদের হয় এগুলা সাধারণত বয়স হলে হয় এজন্য বলছি কম বয়সে হতে পারে কিন্তু
54:09
Speaker A
ব্রেনের এত সেল আল্লাহ আল্লাহতালা দিয়েছেন মানে এত নিউরন আমি বলব সেল বললে ঠিক হবে না এত নিউরন আল্লাহ তালা দিয়েছেন যে আপনি যদি নিউরনগুলোকে আবার কানেক্ট করতে শুরু করেন তাহলে আপনার পক্ষে আবার পুরনো কাজগুলো ঠিকভাবে করা সম্ভব এটা
54:23
Speaker A
কতকটা আমাদের দাদী নারী না উলের সোয়েটার বানাতো মনে আছে তো আপনার দাদীর কাছে অনেক উল আছে এবং উনি বানানোর ক্যাপাসিটিটাও জানে এখন আপনাকে একটা সুয়েটার বানিয়ে দিয়েছে আপনি সোয়েটারটা হারিয়ে ফেলেছেন গেছেন একটা পিকনিকে কোথায় খুলে রাখছেন ভুলে গেছেন এখন আপনি বাসায় চলে আসছেন
54:42
Speaker A
আপনার মন খুব খারাপ কারণ আপনার সোয়েড নাই তাহলে আপনার দাদি আপনাকে বানিয়ে দিতে পারবে আবার বিকজ ক্যাপেবিলিটি এন্ড রিসোর্স কিন্তু তার একটু সময় লাগবে তাকে বলবে বাবা তুমি 10টা দিন টাইম দাও আমি বানিয়ে দিচ্ছি আপনার কাছে আপনার ব্রেনের
54:56
Speaker A
কাছে এনাফ নিউরন আছে আপনি যদি কয়েকজন বাঁচতে পৃথিবীতে তবুও শেষ হইতো না নিউরন এখনো আছে এই মুহূর্তেও আছে কিন্তু বেশিরভাগ নিউরন আপনি ইউজই করেন না আপনি ফেলে রাখছেন লাইক আমার রেজিস্টার ইরসেলফ বইয়ের প্রথমে একটা গল্প আছে যে এক লোক
55:14
Speaker A
ভিক্ষা করে একটা বক্স বাক্স আছে তার কাছে পুরানো আমিও কারো কাছে শুনছি গল্প তারা বানায় নাই একটা পুরানো বাক্স ওটার মধ্যে সে বসে থাকে রাত্রে ওটার মাথা দিয়ে ঘুমায় ওজনওলা বাক্স তো সবাই আসে তাকে ভিক্ষা দেয় এইভাবেই সে
55:30
Speaker A
অনেকদিন কাটায় ফেলছে তো একদিন এক পথচারী আসছে তার সামনে অপরিচিত লোক সে তাকে বলছে বাবা ভিক্ষা দাও সে পথচারী বলছে ভিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা আমার নাই কিন্তু আমি তোমাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি তো ভিক্ষুক বিরক্ত এমনি ভাই ভিক্ষা দিলেন না আবার প্রশ্ন
55:46
Speaker A
করবেন বলছে হ্যা আমার একটা প্রশ্ন সে বাক্সর মধ্যে কি আছে বলছে জানার দরকার নাই আমার এটা প্রয়োজন বোধ করি না বাক্সটা আমার কাজে আসে আমি বসি এটাই পাই কোথায় আমার আব্বা দিছে আমাকে সে কি করতো শুই তাকে কে দিছে জানিনা সম্ভবত আমার দাদা
56:07
Speaker A
দিছে তোমার কি একবার মনে হয় নাই যে বাক্সতে কি আছে দেখি না মনে হয় নাই তো তারপরে লোক চলে গেছে ভিখারীও খুব বিরক্ত হইছে যে অপরিয়োজনের লোক টাকা দেয় না আবার বড় বড় জ্ঞান দেয় তিন চার দিন পর তার কাছে মনে হছে আসলেই এত
56:22
Speaker A
ভারীটা দেখা উচিত সে একটু একটু একটু করে খোলার চেষ্টা করছে খোলার পর দেখে এখানে প্রচুর পরিমাণ স্বর্ণ মুদ্রা যেইটা দিয়ে তার কয়েক জীবন হয়তো চলে যেতে পারে কথার কথা গল্প তাহলে আপনার কাছেও এরকম স্বর্ণ ভান্ডার আছে কোথায় কিন্তু আমরা এটা ব্যবহার করি না আমরা কি
56:40
Speaker A
নিয়ে চিন্তিত কি নিয়ে আমরা চিন্তা আমাদের টেনশন কি দুশ্চিন্তা কি অবশ্যই ভবিষ্যৎ আর কি আর কি ভবিষ্যতের কি নিয়ে টেনশন আমাদের পাস্ট নিয়ে চিন্তা আপনি ভালো করে চিন্তা করে দেখেন মানে আজ এ কথাগুলো কিন্তু আমি ভাবার জন্যই বলছি
56:58
Speaker A
আমাদের আরও কানেক্ট সেশনগুলো ভাবার জন্যই এবং এখানে কুইক কুইন নাই কোন কিছু নাই যে একটা তাবিজ দিব আপনি জিন ছাড়বে আপনাকে আমি জানিনা অন্তত ঠিক আছে আপনাকে এগুলো বুদ্ধি করে বের করতে আপনি সারাদিন চিন্তাটা করেন কি কালকে গতকাল আল্লাহর
57:11
Speaker A
দুনিয়ায় একটা দিন কাটিয়েছেন আপনি গতকালকে বৃহস্পতিবার আপনি সারাদিন কি চিন্তা করছেন আজকে যাওয়ার সময় এটা ভাববেন বসে যে কালকে যে সকালে উঠছিলাম সারাদিন আমি কি করছি সারাদিন কি চিন্তা করছি বিশ্বাস করেন আপনি এর আগের বৃহস্পতিবারও সেম এক্সাক্ট কাজগুলোই করছে
57:25
Speaker A
কোন চেঞ্জ নাই তাহলে আপনি যদি সেম কাজ করতে থাকেন আপনি কিভাবে ডিফারেন্ট রেজাল্ট পাবেন এটা কি পাওয়ার কোন চান্স আছে কোন চান্স নাই আমরা সবাই ভাই এই এক ভুলের মধ্যে আছি এবং মজার ব্যাপার কেন এই বৃহস্পতিবার যা করছি তা আগের বৃহস্পতিবার
57:42
Speaker A
করছি এবং তাই কেন তার আগের বৃহস্পতিবার করছি কারণ বলেন কারণ আরেকজন একটা উত্তর দিছে অভ্যাস মানে কমফর্ট ওইটা করে আমার আরাম ওইটা আমি এমনিই করতে পারি ওইটা আমার সহজেই হয়ে যায় ঠিক এই কারণে অনেক লোকের প্রমোশন হয় না অফিসে
58:02
Speaker A
অনেক লোকের অফিসে প্রমোশন হয় না শুধু এই কারণে কিন্তু তাকে যেয়ে জিজ্ঞেস করেন ভাই আপনার কেন প্রমোশন হয় না? তার উত্তর কি?
58:10
Speaker A
বস আমাকে পছন্দ করে না। এইচার হচ্ছে খারাপ। কিন্তু আরে ভাই আপনি তো এই কাজের বাইরে কোন কিছু ট্রাই করেননি আপনার জীবনে। তাহলে আপনি কিভাবে এটা পাবেন? আমার পরিষ্কার মনে আছে। আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে ফাইনান্সে যাচ্ছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজ শেষ। মানে সাত বছর ইঞ্জিনিয়ারিং
58:26
Speaker A
করে ফাইনান্সে যাচ্ছিলাম। আমি কার সাথে সবচেয়ে বেশি পরামর্শ করছি বলে মনে হয়। যে এটা আমার যাওয়া উচিত কি উচিত না। [নাক ডাকা] বাবা মা আমার আব্বা নিজেই ইঞ্জিনিয়ার না উনি একজন সাধারণ মানুষ উনি কি এই ব্যাপারে আপা আমাকে ভালো পরামর্শ দিতে পারবেন
58:44
Speaker A
পারবেন না আর কার সাথে পরামর্শ করছি অফিসে কার সাথে পরামর্শ করছি ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে নাকি নন ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলছি নন ইঞ্জিনিয়ার তো চিনি না কিভাবে চিনবো ভাই পড়ালেখা করছি বুয়েটে সাত বছর ধরে কাজ করতেছি একই কমিউনিটির মধ্যে আমি বাইরের
59:01
Speaker A
লোকের কাছে কিভাবে যাইয়া কোশ্চেন করবো কাকে কোশ্চেন করবো সেটাই তো জানি না। এই প্রবলেমে আপনারাও আছেন। এইজন্য আমি এই কথাগুলো বারবার জোর দিতেছি। আপনি আমাকে উল্টা বলবেন একটু পরে বের হওয়ার সময় যে ভাই আপনি তো খুব কথা বললেন যে আমি কাজ একই
59:13
Speaker A
কাজ। আমি নতুন কাজ কি জানি না। জানবেন তো না। আপনাকে যে জানতে হবে। এই জন্য আমি যেয়ে কাকে জিজ্ঞেস করছি আমার ইঞ্জিনিয়ার বড় ভাইদেরকে জিজ্ঞেস করছি। তারা আমাকে ভালোবাসে না তারা আমাকে ঘৃণা করে। ভালোবাসে। তারা আমাকে ভালোবেসে কি পরামর্শ
59:26
Speaker A
দিছে? যাও নাকি থাকো? থাকো। আপনাকে যে যত ভালোবাসবে সে তত আপনাকে কোয়ারেন্টাইন করবে। আপনার মা আপনাকে যাইতে দিবে না। আমার আম্মা আমাকে ইদানিং বলতেছে যে তুমি এত কাজ করিও না তুমি অসুস্থ হয়ে যাবে। তার মানে কি উনি আমার খারাপ চায়? না। উনি
59:42
Speaker A
আমার প্রতি স্নেহবাৎসল। উনি ভাবে যে ছেলেটা কেন কষ্ট করে? এটা উনি ভাবতেছে। কিন্তু আমি যদি উনার কথা শুনে আমি যদি উনার কোলে বসে থাকি তাহলে আমার জীবন চলবে, সংসার চলবে, আমার স্বপ্ন আসবে? না। এখানে কোন ঝগড়াঝাটের বিষয় নাই। তার সাথে
59:56
Speaker A
দুর্ব্যবহার করার বিষয়। তাকে আমার গুছিয়ে বলতে হবে যে আম্মা আমার তো এই কাজগুলো আমি কোন খারাপ কাজ করছি না আমি রেস্টোর নিচ্ছি আপনি চিন্তা করেন আপনি দোয়া করেন আমার জন্য তো আমি যে জিজ্ঞেস করছি আমার ইঞ্জিনিয়ার বড় ভাইদেরকে এবং
60:07
Speaker A
তারা বলছে যে খবরদার ফাইনান্সের লোক মানে এজ কামড়াবে আমাকে ধরে মাংস খেয়ে নিবে না যেও না এরা খুব ভেজাল খুব ঝামেলা করবে তোমার সাথে যেও না এটা ওয়ান ওয়ে জার্নি এরকম বলছে আমাকে আর কোনদিন ফিরতে পারবে ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যাবে কিন্তু আমি
60:22
Speaker A
পরে দেখছি আমি যে নিজের চিন্তায় সিদ্ধান্ত নিছি তা কিন্তু না সত্যি কথা আল্লাহ মিলাইছে আমার জীবনেলে আমার জীবনে এত কিছু প্রাপ্তি কোনদিন হয় আমি খুবই একটা জেনারেল মানুষ আমার আসলে এত বুদ্ধি নাই এত নলেজ এত নট শার্ট আমি জানি আল্লাহ
60:36
Speaker A
মিলাইছে আমাকে আমি আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন আমার চাকরি জীবনে নট দিস জীবন চাকরি জীবনে আমার সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত কি ওইটাই ফাইনান্সে যাওয়া কিন্তু আমি যদি গণভোট নিতাম আমি বিপুলভাবে হেরে যেতাম মানে যাওয়া বিপুলভাবে হেরে যেত এটাকে আমরা বলি
60:55
Speaker A
কমফর্ট জোন কমফর্ট জোন যে কিভাবে তৈরি হয় আপনি জানবেনও না। শুধুমাত্র আপনি বুঝতে পারবেন যখন আপনি দেখবেন এটা আপনাকে ডিফিকাল্টি ফেস করতেছে। আপনি তখন বুঝবেন আপনি কমফর্ট জোনের বাইরে চলে গেছেন। যখন আপনি দেখবেন যে একটু টেনশন লাগতেছে তখনই
61:10
Speaker A
আপনি কমফর্ট জোনের বাইরে চলে গেছেন। যখন আপনি দেখবেন যে আপনার হাতে পায়ে ব্যথা হয়ে গেছে। আপনি জেগে থাকতে পারছেন না। অথবা আপনাকে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠতে হচ্ছে। এটা আপনার জন্য কমফর্টেবল হচ্ছে না। তার মানে আপনি কমফর্ট জোনের বাইরে চলে
61:21
Speaker A
গেছেন। হ্যাঁ। হ্যাঁ আবার আপনি এটাও বললেন যে আমি রাতভর মুভি দেখছি এই জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হচ্ছে আমার রাতে জেগে থাকতে কষ্ট হইছে না না এগুলা না আপনি বুঝতে পারবেন কোনগুলাকে কমফোর্ট এবং কোনগুলাকে ডিসকমফোর্ট বলা হয় আমি বুঝাতে
61:32
Speaker A
পারছি তো না সো নিউরোপ্লাস্টিসিটি হচ্ছে আপনি যখন ডিসকমফোর্ট জোনে চলে যান তখন ব্রেন আরো একটিভ হয় আপনার জন্য ঠিক আছে এবং সে আপনার আপনার নিউরনগুলোকে কানেক্ট করতে শুরু করে দেয় এবং এই জন্যই দেখবেন যে যখন কোন একজন প্যারালাইজড রোগী
61:49
Speaker A
থাকে হাত পা নাড়াতে পারে না এবং চাবি দিয়ে জোরে জোরে টান দেয় দেখবেন ডাক্তাররা হাতে এবং পায়ের তলায় যখন তার এই অবস্থাটা থাকে জাস্ট কেবল স্ট্রোক করেছে দেখবেন তার বোধই থাকে না ঠিকমত ডাক্তার একটা টেস্ট করে চাবি দিয়ে জোরে জোরে আচর দেয়
62:04
Speaker A
দেখবেনরেও না বুঝতেও পারে না কারণ তার সেন্স কাজ করছে না তার নিউরোলজি ডাউন হয়ে গেছে ও পাশে অটোনোমাস নার্ভাস সিস্টেম অফ করে দিছে কাজ করা লাইট অফ করলে যেমন সুইচ অফ করলে লাইট অফ হয়ে যায় এই লোকটাই কিভাবে
62:16
Speaker A
আস্তে আস্তে রিভাইভ করতে শুরু করে দেখছেন আপনারা সিআরপি আছে না সাভারের ওখানে আছে তারপরে মিরপুরে আছে সিআরপি আমার আব্বার হয়েছিল আমি তাকে নিয়ে গেছিলাম ওখানে এবং দেখবেন তারা এক্সাক্টলি ছোট বাচ্চাকে যেভাবে কলম ধরায় পেন ধরায় যেমন ওর বাবা
62:29
Speaker A
ওনাকে ওর বাবুটাকে যেভাবে পেন দিয়ে লেখা শেখাচ্ছে মা শিখাচ্ছে ঠিক একইভাবে সিআরপির ডাক্তাররা ওরা কি যেন বলে ফিজিওথেরাপিস্ট ওনারা এভাবে শেখায় বল ধরতে দেয় মার্বেল এই তিনটা তুলে ওখানে দেয় ওই তিনটা তুলে ওখানে রাখে আপনার কাছে মনে হবে কি
62:44
Speaker A
বাচ্চাকে শিখাচ্ছে নাকি প্রসেস এবং মজার ব্যাপার সব বাচ্চার হাতের লেখা কি সুন্দর আপনার হাতের লেখা কি সুন্দর বাচ্চাদের ওখানে না যাই না আপনার ক্লাসেরই একজন ছিল যার হাতের লেখা খুব সুন্দর আমি দেখছি আমার আব্বা শুধুমাত্র গাফিলতির জন্য উনার আগের
63:01
Speaker A
হ্যান্ডরাইটিং উনি পুনরউদ্ধার করতে পারে নাই আমার আব্বার কথা বলতেছি মনে হচ্ছে উলটা আমি মনে আমার ছেলের কথা না আমার আব্বার কথা আমার আব্বা সেম প্রসেস এবং এই প্রসেসের মধ্যে উনি বারবার না আমার আর লাগবে না আমার বয়স হইছে আমার হাতের লেখা
63:16
Speaker A
এত সুন্দর করে কি হবে দেখেন ফিক্স মাইন্ডসেট আমার আব্বার কথা বলতেছি ফিক্স মাইন্ডসেট এবং বেশিরভাগ মানুষ বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটা প্যাটার্নে চলে যায় আমাদের দেশে এজন্য যারা আমাদের বয়স হয়ে গেছে আমাদের জন্য এগুলো আরো বড় যুদ্ধ আপনি প্যাটার্নে চলে যাবেন কিন্তু খুব
63:34
Speaker A
বেশি দেরি নাই আপনার আর কয়দিন পর মনে হবে জীবন তো চলে গেছে আর কি আর ঠিক আছে আর চলে যাক আর 10 টা বছর প্লিজ এই এই ট্র্যাপের মধ্যে পইড়েন না আমি বুঝাতে পারছি যারা ইয়াং তারা তো এখনো জীবনকে অনেক বড় এবং
63:45
Speaker A
লম্বা দেখতে পাচ্ছেন আমি ফিজিওথেরাপির রোগীদের এইটা দেখছি তারা জীবনকে আর আগের মত করতে চায় না। দেখেন এটা কত বড় একটা ফ্যালাসি। আমার আব্বার হাতের লেখা কিন্তু খুব সুন্দর। কিন্তু ওনার পরবর্তী হাতের লেখা যদি আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন কাপা
63:58
Speaker A
কাপা হাতের লেখা। এবং এটা কিন্তু বয়সের কারণে হয় নাই। হইছে হচ্ছে ওনার স্ট্রোকের কারণে। এবং আমি অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের হাতের লেখা আবার স্ট্রোকের পর পুররোধ জায়গায় পৌঁছেছে। আমার আব্বা পৌঁছায় [গলা পরিষ্কার করা] নাই। আমার আব্বার রিকভারি তারা বলেছিল এরাউন্ড 85 থেকে 90%
64:11
Speaker A
রিকভারি হইছে। এবং এই যে হয়নি যতটুকু অংশ এটা হচ্ছে শুধুমাত্র তার গাফিলতি। গাফিলতি মানে বুঝছেন তো? তাকে কিছু বেয়াম দিয়েছিল কিছু সে এটু একটু করে বলতো হ্যাঁ করছে এক্সাক্টলি ছোট বাচ্চারা যেরকম করে আপনি পড়তে বসা দিয়ে আসলে হ্যাঁ হয়ে গেছে এই
64:25
Speaker A
কাজটাই করে মানুষ প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কি সেম ট্যাপে করতে যাচ্ছেন কিনা বাট আল্লাহ তালা আপনাকে হিউজ রিসোর্স দিয়ে রাখছে যাতে আপনি নিজেকে ইমপ্রুভ করতে পারে এটাতে আমি যাচ্ছি না এগুলো আপনার জানেন ডোপামিনটা মনে হয় একটু বলে যাওয়া উচিত ডোপামিন হচ্ছে
64:40
Speaker A
সেই হরমোন বা সেই ব্রেনের কেমিক্যাল যেটা আপনার মধ্যে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে এই যে আমরা কিছুক্ষণ পর পর ফোন লিখে ব্রাউজ করি রাইট কেন করি ভালো লাগে নালে তো করতাম না ঠিক আছে না এই ভালো লাগার অনুভূতিও কিন্তু ডোপামিন কারণ ব্রেন কি
64:59
Speaker A
করে ফেলছে ব্রেন হচ্ছে আপনার বর্তমানের যে স্টেট ভালো করে বুঝে নেন আপনার বর্তমানের স্টেটটাকে সে সবসময় একটা বেসিক স্টেট হিসেবে ধরে নেয় ঠিক আছে ধরেন আপনি ডেইলি 20 টাকা ইনকাম করেন কথার কথা এইটাকে সে একটা বেসিক স্টেটে কনভার্ট
65:16
Speaker A
এটার জন্য সে কোন আনন্দবোধ করে না। এই ডোপামিনটাকে সে রিলিজ করে না। কিন্তু যেদিন 25 টাকা ইনকাম হবে সেদিন সে ডোপামিন রিলিজ করে দিবে। কারণ সে এক্সাইটেড। বোঝা যাচ্ছে? আপনি যখন আপনার সাধারণ জীবনযাপন করছেন একটু আগে আমরা কি বলছি না?
65:31
Speaker A
কমফর্ট জোনের জীবন যাপন করছেন। ভালো করে শুনেন জিনিসগুলো খুব কানেক্টেড। কিন্তু আপনি যখন কমফর্ট জোনের জীবন যাপন করছেন তখন আপনার ব্রেনের তো এক্সাইটমেন্টের জন্য কিছু নাই। আপনি বলতে মনে করছেন আমি তো আমার জীবন সুন্দর আছে ভালো আছে কিন্তু
65:43
Speaker A
আপনার ব্রেন মনে করে না আপনার সাবকনশস মাইন্ড মনে করে না কারণ সাবকনশিয়াস মাইন্ড আল্লাহর দ্বারা ক্যাপাসিটি পাইছে সে তো আরো কিছু চায় তখন সে আপনাকে ট্রিগার করতে থাকে যে আমাকে কিছু আনন্দ দাও আমাকে কিছু আনন্দ দাও আপনি কিভাবে
65:55
Speaker A
আনন্দ দেন আপনি তো বাসায় বসে রয়েছেন আপনি অকর্মার ঢেকি আপনার তো কিছু নাই আপনার জন্য জোকারবার্গ আনন্দ দিয়ে পাঠাইছে আপনি তখন ফেসবুকে ঢুকে আনন্দ নেওয়ার চেষ্টা করতেছেন কারণ একটা লোক রিলের মধ্যে অদ্ভুত একটা কথা বলছে আসলেন দেখছেন কিরকম একটা কথা বলছে আরো খারাপ
66:11
Speaker A
আপনি একা কেউ নাই অন্য সাইটে ঢুকে গেছেন অথবা আপনি একটা গেমের ফাদে পড়ে গেছেন আপনারা কি জানেন এখন বাংলাদেশে জেলা শহরগুলাতে ঢাকা শহরে এই যে অনলাইন জুয়া খেলে কত মানুষ সর্বশান্ত হচ্ছে শত আমি আমার গ্রামাঞ্চলে এই যে ফুটবল খেলা আসতেছে
66:29
Speaker A
আবার হবে এগুলা এইযে ব্যাটিং করে আমি মানুষকে সর্বশান্ত হইছে ইয়াং ইয়াং ছেলেপেলে কেবল বিয়া করছে নরমাল সুন্দর সংসার কিন্তু যেসব তলে তলে জুয়া খাইছে জানে না যখন 30 লাখ টাকা হেরে গেছে 30 লাখ টাকা এখন পরিবারের উপর চাপ দিচ্ছে তারপর
66:42
Speaker A
বাপ মা জমি বেচে এটা করে ওইটা করে টাকা দিতেছে তো আমরা তো সবাই জানি জুয়া খারাপ জুয়া খারাপ আমি জানিনা কোন শিক্ষিত লোকটা জানে না কিন্তু সে কিভাবে ওটার মধ্যে যে পড়তেছে আপনি দেখেন একটা কর্মী লোক একটা রিক্সা
66:56
Speaker A
চালাচ্ছে একটা ট্রাক ড্রাইভার অথবা কিছু একটা ভালো লোক মানে ভালো কাজ করছে তার টাইমই নাই ওগুলো দেখার আপনি কাজ করেন ভালো কাজ করেন যে কিছু একটা পরিশ্রমের কাজ করেন একটা নতুন কিছুর করেন আপনার এক্সিস্টিং চাকরির পেশা একটা ব্যবসা খুলেন যে
67:09
Speaker A
স্টুডেন্টটা পড়ার সময় পাশে দুইটা টিউশনই করেন আপনি দেখবেন আপনার টাইমই থাকবে না আপনি অফিস থেকে এসে বাচ্চাকে পড়ান অথবা এক্সারসাইজ করেন অথবা কোরআন পড়েন অথবা অন্যধর্মীয় গ্রন্থ অনুবাদ পড়েন আপনি দেখবেন আপনার টাইমই থাকবে না এগুলো দেখার আপনার টাইমই পাবেন না আপনি এবং ওই যে আপনি
67:25
Speaker A
নতুন একটা একটা জিনিস পাবেন আপনার অনেক এক্সাইটমেন্ট কাজ করবে আমি এবার আমার মনে হয় আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করতো আমি প্রতিদিন এটা ভাবি কারণ প্রতিদিন ধরে করতেছি আজকে 16 তম দিন তো আমি 19 তম পর্ব পর্যন্ত পর্যন্ত রেকর্ড করে দিয়ে দিয়েছি
67:39
Speaker A
এডিটরকে। তাম ভাবি। আপনারা অনেকে হয়তো দেখছেন অনেকে দেখেন নাই। না দেখার কথা। কারণ আমি কোরআনের আয়াত নিয়ে আমি এক একটা ছোট ছোট এপিসোড করতেছি এবং প্রত্যেকটা তিন থেকে পাঁচ মিনিট এবং এপিসোডগুলো সব আমাদের জীবনের কথা। হয়তো শুনতেছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু জানেন এগুলার ভিউ
67:55
Speaker A
হচ্ছে 400 400 এর বেশি না। কিন্তু আমার রিল আছে যেদ মিলিয়ন ভিউ আছে। আমি নিজেও বুঝতেছি না। আমি দিয়ে যাচ্ছি আজকে পর্যন্ত তো আজকে মনে হয় 16তমটা চলে আসবে। তো এত 16 টা পর পর নির্দিষ্ট সময় যাওয়ার পরও ভিউ আসতেছে না। বাট আমি ওয়ারিড না।
68:10
Speaker A
কেননা ওগুলো অন্য প্রসঙ্গ অন্য কথা পরে হবে। তো আমার ওয়াইফ আমাকে কালকে জিজ্ঞেস করতেছিল যে এই যে এটা করো তুমি ভিউও নাই। তো মানে রিসার্চ কখন করো? কেউ কি করে দেয়? সত্যি কথা আমাকে কেউ রিসার্চ করে দেয় না। আমার রিসার্চ করার কোন আমার টিম
68:24
Speaker A
আছে এখানে। কিন্তু আমাকে কেউ রিসার্চ করে দেয় না। হয়তো আমি বলি নাই অথবা সামনে স্কোপ আমরা এড করবো কারো কাছে। আমি সোফার আমি নিজেই রিসার্চ করি। এবং আমার এত ভালো লাগতেছে এবং আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করে আজকের দিন পর্যন্ত ভাই আপনি তো মেলা
68:36
Speaker A
কন্টেন্ট বানিয়েছেন আপনার জীবনের সেরা কন্টেন্ট কি আমি বলব এই কোরআনের আলোয় আমার জীবনের সেরা কন্টেন্ট এর থেকে ভালো কন্টেন্ট আমি কোনদিন বানাই নাই কারণ এটার জন্য কিন্তু এটার রিচ কিন্তু সবচেয়ে কম হ্যাঁ এইটার জন্য আমি যে পরিমাণ রিসার্চ
68:50
Speaker A
করছি এবং আমি যতবার কোরআন ধরছি উদ্দেশ্য নিয়া উদ্দেশ্য নিয়ে মানে বুঝছেন তো একটা কাজের উদ্দেশ্য নিয়ে আমি কোরআনকে ধরছি এবং কাজটা কি বাস্তব জীবনের কাজ আমি একটা কথা বলব সেটা রেকর্ড হবে রানা দেখবে এবং তার ভিতরে একটা চেঞ্জ আসবে তা আমি কোরআনকে
69:05
Speaker A
ব্যবহার করতেছি কিন্তু ব্যবহারিক জীবনে ব্যবহার করছি আমার জীবন বদলানোর জন্য এবং আরেকজন মানুষকে বদলানো আমি আমার জীবনে এত বড় কাজ কোনটাই করিনি কোরআনকে আমি ব্যবহার করছি কোরআন শুনছি কোরআনের পড়তে চেষ্টা করছি কোরআন বোঝার চেষ্টা করছি শুধুমাত্র ডাইরেক্ট আল্লাহর কিছু নেকি জমা হবে এর
69:23
Speaker A
বাইরে কিন্তু করি নাই কিন্তু এই প্রথম আমি কোরআনকে এপ্লাই করার এবং আমি আরো বলি আপনাদেরকে আমি এটা আরো দুই তিন বছর আগে করতাম কিন্তু আমার যে সমস্ত বন্ধু-বান্ধব যারা রিলিজিয়াসলি আমার থেকে সামনে এখনো আছে তাদের সাথে আমি পরামর্শ করছিলাম তারা
69:37
Speaker A
আমাকে সবসময় ডিসকারেজ করছে কেন আমি জানিনা তারা বলছে তোর জন্য মনে হয় এখনো সময় আরো পড় আরো পর কোরআনটা হয়তো তার যেটা সঠিক মনে এবার আমি কাউকেই জিজ্ঞেস করিনি আমি আল্লাহর ওয়াস্তে শুরু করছি আমি যেটা বলতে চাইছি যে এই যে আমার ডোপামিন
69:52
Speaker A
এরকম একটা রেকর্ড করার পর ডোপামিন আসে আমার আমি বুঝাতে পেরেছি তো আমারও কিন্তু ডোপামিন লাগে আমি যদি এটা না করতাম এই 10 মিনিট আমি অন্য কিছু খাতে ব্যয় করে ফেলতাম আমার যদি রিস্টার্ট ইরসেলফের বিজনেস না থাকতো আমাদের বিজনেস কিন্তু লসে
70:07
Speaker A
চলে রিস্টার্ট ইরসেলফ লাইফ কিন্তু লসে চলে প্রতিমাসে আপনারা হয়তো অনেকেই ভাববেন বন্ধ করে দেন না নেভার স্টপট আমি আমার টিমকে বলে দিছি ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমার যতদিন ক্যাপাসিটি রাখছে আমি এই বিজনেস আরওই লাইফ বলতেছি কিন্তু আপনারা জানেন আর বিজনেস কিন্তু দুইটা ভাগ আছে জানেন কি
70:22
Speaker A
আপনারা একটা হচ্ছে লাইফ এইযে আরওই কানেক্টে আসছেন এই যে একটা বই হয় অথবা কন্টেন্ট হয় অথবা বিভিন্ন লাইফ রিলেটেড ট্রেনিং সেশন হয় তাই না আরও ব্লুপ্রিন্ট হয় আরও এর বিভিন্ন ডিপ্লোমা আরও গ্রাজুয়েট আমরা সামনে আরো পোস্ট মাস্টারস অনেক কিছু
70:38
Speaker A
করব ওগুলো কিন্তু লাইফ ওখানে দেখেন আপনাকে কিন্তু কোন কোম্পানি আপনাকে পাঠায় নাই আপনি নিজের ইচ্ছায় আসছেন এটা কিন্তু লস মেকিং বিজনেস আমার কিন্তু আরও ফর বিজনেস আছে যেখানে আমি একটা কোম্পানির সাথে কাজ করি ট্রেনিং করাই দেখছি কনসাল্ট ওখানে আমি
70:50
Speaker A
আলহামদুলিল্লাহ আমার রুটি রুজি হয়ে যাচ্ছে তারপর আমি ওখান থেকে যা বাড়তি পাই সেটা এখানে আমি ইনভেস্ট করি কারণ আমি যদি না করি আমি খারাপ কাজে চলে যাব আমার সঙ্গ খারাপ হবে, আমার সময় বাঁচবে এবং সেই সময় আমি কিছু ভুল কাজ করব।
71:04
Speaker A
কিন্তু আমি চাইছি আমার জীবনটা এরকম হবে যে আমি সারাদিন সকাল থেকে শুরু করে রাত্রে ঘুমানো যাওয়া পর্যন্ত আমি একটা ভালো কমিউনিটির মধ্যে থাকবো। এটার জন্য তো আমার কষ্ট করতে হবে নাকি? আজকে যখন আমরা এই রুমের মধ্যে ঢুকছি। 9:45 মিনিটে ঢুকছি
71:18
Speaker A
আমি। আর এখন 11 টা বেজে 15 মিনিট। দুই ঘন্টা আড়াই ঘন্টা সময় গেছে। এই আড়াই ঘন্টা আমরা কোন খারাপ কথা বলছি? খারাপ চিন্তা করছি? কিন্তু আপনি এখান থেকে জাস্ট বের হন এই রুমটা থেকে বের হন আপনি বা রাস্তার উপরে যান আপনি অথবা আমি
71:31
Speaker A
গ্যারান্টি করলাম আপনি জুম্মার নামাজ শেষ করে আপনি বাস্তব জীবনে দেখবেন দেখবেন কত কিছু সমস্যা আপনি ফেস করতে শুরু করবেন আপনার আশপাশের এমন লোক আপনাকে এমন কথা বলবে আপনি এত করবেন না কিন্তু আপনার খারাপ লাগবে যে লোকটা এরকম কথা বলল কেন আমাকে
71:43
Speaker A
এরকম একটা খারাপ বুদ্ধি কেন দিচ্ছে অথবা এই লোকটা এত নেগেটিভ কেন আপনি এরকম ফিল করতে শুরু করবেন তো এজন্য একটা ভালো কমিউনিটিও বিল্ড করা কিন্তু অনেক জরুরী আমি ডোকামিনের কথা বলছিলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভ্যাস ফরমেশন আমরা স্ট্রাগল করি। কারণ হচ্ছে আমাদের ডোপামিন। কারণ
72:00
Speaker A
ডোপামিন যদি আপনাকে না দেয় ব্রেইন তাহলে আপনি এই কাজটা করে আনন্দ পাবেন না। এইজন্য অভ্যাস ফরমেশনের সময় আমরা একটু এটা দেখায় দিব। আমরা সবসময় জিজ্ঞেস করি রিওয়ার্ড কি?
72:13
Speaker A
ধরেন আপনি একটা অভ্যাস তৈরি করতে চাচ্ছেন। আমরা আস্তে আস্তে বইয়ের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছি। আর 15 মিনিটের মধ্যে আমরা কোশ্চেন প্রশ্ন সেশনে চলে যাব। বইটা আপনাকে পরিচয় করি কিভাবে ইউজ করবেন। তো আপনি কোন একটা হ্যাবিট কেন করতে চান? এই প্রশ্নের উত্তর
72:26
Speaker A
আপনার আগে জানতে হবে। ঠিক আছে? যদি আপনি প্রশ্নের উত্তর না জানেন তাহলে আপনি এটা করতে যাবেন না। আপনার যদি মনে হয় আমি চাকরি ছেড়ে ব্যবসা করুক। ওকে ভালো। কিন্তু কেন করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর আপনার জানতে হবে। আপনি যেন আমার বন্ধু
72:40
Speaker A
করছে এবং সে কোটিপতি হইছে এটা রাইট আন্সার না। আপনার রাইট এন্সার আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে। যেটা আপনি কোন কিছু বৈষ্যিক জিনিস যদি আপনি অর্জন নাও করেন ধরেন করলেন না যেমন আমি তো বললাম আরও লাইফ লসে চলতেছে বাট স্টিল আপনার কিছু উদ্দেশ্য আছে যেটা
72:56
Speaker A
আপনার হাসিল হচ্ছে যেটা আপনি পাচ্ছেন আমি বুঝাতে পেরেছি এরকম কি আছে আপনি এটা খুঁজে বের করেন যদি এইটা আপনি খুঁজে বের করতে পারেন দেন ইট উইল ড্রাইভ ইউ এইটা আপনাকে ড্রাইভ করবে আমি লাইভ কোচিং করি কালকে একটা ভিডিও রিলিজ করছি যেই রিলিজের মধ্যে
73:12
Speaker A
আমি বলছি যে একটা ইয়াং ছেলে এবং সত্য ঘটনা বলে দিছি যে আজকে এটা করতেছে কালকে এটাকে পরশুদিনে করতে চায়। মজার ব্যাপার আমার ওয়াইফ কালকে আমরা আসলে এই ভিডিওটা নিয়ে কথা বলতেছিলাম। আমার ওয়াইফ আমারই একজন আত্মীয় মানে একটা মানে ইয়াং ছেলে মানে সে
73:24
Speaker A
এখন ইন্টারমিডিয়েট পাস করছে কিছু একটা করবে। ওকে বলতেছে এই তুমি তো তোমার অমুক খালুর মত খালুর মত খালুর ভিডিওর মত করতেছো। আমি কিন্তু তাকে উদ্দেশ্য করে ভিডিওটা বানাই। তার মানে এই ঘটনাগুলো আমাদের আশপাশে ঘটতেছে। যে আমাদের কনসিস্টেন্সি নাই।
73:41
Speaker A
আপনি দেখেন আপনার কনসিস্টেন্সি কোথায় আছে যেখানেই আপনি সাকসেস যেখানে আপনার কনসিস্টেন্সি নেই আপনি সেখানেই ফেইল করছেন এবং আজকের দুনিয়াতে আপনার মনোযোগ নষ্ট করার জন্য এক লক্ষ উপাদান আছে যে আপনার মনোযোগটাকে সরিয়ে দিতে চায় দেখেন কয়েকটা জিনিস একসাথে হলো মনোযোগ
74:00
Speaker A
ডিস্ট্রাকশন এর পরের ওয়ার্ডটা কি বলতাম আমি আপনি বলেন ডিস্ট্রাকশন এর পরের কোন ওয়ার্ড ফোকাস ফোকাস একদম কানেক্টেড আপনি ফোকাস থাকেন আল্লাহর ওয়াস্তে ভালো নিয়ত নিয়ে যে কোোন কাজ করেন আপনি অবশ্যই সাকসেসফুল হবেন যদি না হন তাহলে আপনি কি
74:17
Speaker A
বলবেন কি শিখছি হ্যা এটাও ভালো কথা এর থেকে বেশি পাওয়ারফুল কথা আছে যে সম্ভবত আল্লাহতালা চান না যে এটা আমি করি এটার মধ্যেই আমার মঙ্গল নিহিত আছে আপনি রিলাক্স হয়ে যাবে আপনার ভিতর সাথে সাথে ঠান্ডা হয়ে যাবে আমি
74:33
Speaker A
কি বুঝাতে পেরেছি দেখেন এই সাইকেলটার মধ্যে আপনার ফেইলিয়ারের কিছুই নাই আপনি যখন কিছু করতে যান আপনার কোন ফেইলিয়ার নাই। কিন্তু আপনার রিওয়ার্ডটা ঠিকমত রাখতে হবে। কিন্তু আপনার যদি রিওয়ার্ড হয় আমি টাকা কামাই করমু। আর টাকা যদি কামাই করতে না পারেন আপনার
74:50
Speaker A
সমস্ত জীবন মনে হয়ে যাবে শেষ। মানুষ আত্মহত্যা করে মরে যাচ্ছে ভাই। মানুষ একজনকে খুন করতেছে। বলেন এটাই তো সমস্যা। কারণ এই যে আমরা আমাদের আশপাশের সবাইকে এটা শিখিয়ে ফেলেছি যে এটাই জীবন। এটাই মরণ। আমি একবারও বলি নাই কিন্তু টাকা লাগবে না। কারণ আপনি সেশন তো
75:08
Speaker A
টাকা দিয়ে আসছেন। আমি তো বলতেছি না টাকা লাগবে না। আমি কি বলছি টাকা লাগবে না। একবারও বলছি আমি বলছি টাকা লাগবে। কিন্তু টাকার থেকেও বেশি প্রায়রিটি আপনাকে অন্য কিছু সেট করতে হবে। আমি খুব সহজ উদাহরণ দেই। ডাক্তারদের উদাহরণ দেই। একদিন
75:21
Speaker A
ডাক্তার আমার চিকিৎসা করা বন্ধ করে দিবে হয়তো। ডাক্তারদের দেই পরে ইঞ্জিনিয়ারদের দেই। ডাক্তারদের ডাক্তাররা তো একটা বড় ধরনের কৌশল জানেন তারা। কৌশল মানে স্কিল আল্লাহ তালা তাদেরকে দিছেন যেটা আপনার আমার কারণে। এখানে ডাক্তার আছেন কেউ। এই রুমে নাই। সো যেটা হচ্ছে আপনি একজন অসুস্থ
75:34
Speaker A
ব্যক্তিকে সারিয়ে তুলতে পারেন। আল্লাহ তালা এই স্কিল আপনাকে দিছে। এখন এই স্কিলটা আপনি বহুভাবে ব্যবহার করতে পারেন। একটা হচ্ছে যে আল্লাহ তাআলা আমাকে একটা স্কিল দিছে আমি মানুষকে সুস্থ করার জন্য এটা মনে প্রাণে ব্যয় করবো এবং একটা মানুষ
75:46
Speaker A
যখন সুস্থ হবে আমার মনটা ভরে যাবে। এইভাবে একজন লোক ডাক্তারি করতে পারে। আপনার কি মনে হয়? এরকম একজন ডাক্তার যদি আপনার শহরে থাকে, আপনার গ্রামে থাকে, ঢাকা শহরে থাকে, আপনি তার কাছে যাবেন? না কসাইয়ের মতো কেউ তার কাছে যাবেন? কার কাছে যাবেন?
76:01
Speaker A
আপনি বলেন এরকম মানসিকতার লোকের কাছে যাবেন তাহলে এই লোকের কি টাকার অভাব হবে? সে যদি দেখে আমার অনেক রোগী 100 টা রোগী লাইনে যায় সে যদি ভিজিট বাড়ায়েও দেয় যে ভাই আমার এত রোগী লাগবে না একটু বাড়ায় দিলে কমে যায়।
76:13
Speaker A
কারণ আমি তো মন দিয়ে দেখতে চাই মানুষকে। তাহলেও তার কাছে লোক আসবে। সিরিয়াল দিয়ে আসবে। এরকম ডাক্তার আছে আমাদের সমাজে। ভালো ডাক্তার আছে। এইযে একজন আমাদের আছে না কিডনি সার্জারি করে। তিনি আমি তো বলি একা একটা পার্শ্ববর্তী দেশের বিজনেসকে বন্ধ করছে। কামরুল হাসান
76:29
Speaker A
স্যার। আমি ওনার সাথে কখনো দেখা হয়নি কিন্তু আমি নিজে খুবই ইন্সপায়ারড ওনার দ্বারা একটা লোক কিন্তু একই কাজ করে যাচ্ছে দেখেন এবং তিনি কিন্তু অনেক অনেক চার্জ করে না কিন্তু ফ্রিও আবার করে না যেটা লাগে সেটা এবং যে ইনকামটা হয়
76:41
Speaker A
অতিরিক্তটা দিয়ে আবার উনি ভালো ভালো মেশিন কেনে উনি মেশিন কিনে যাতে আরো রোগীদের বেটার সার্ভিস উনারই নাম তো আমরা এখানে আলোচনা করতেছি উনি তো পয়সা দেয় এটা আলাপ করার জন্য আমি বুঝাতে পারছি আমি বলছি ওরকম ডাক্তার আমরা হই আবার আমি এরকম
76:56
Speaker A
ডাক্তারও দেখছি যে রোগী অজ্ঞান করে ফেলছে উনি গ্লাভস পছে তারপরে জিজ্ঞেস করছে পেমেন্ট করছে কেউ বলছেন বলছে যে উনার এখনো পেমেন্ট হয়নি উনি বের হয়ে চলে গেছে অপারেশন থেকে রংপুরের ঘটনা রংপুরের ঘটনা এরপরে বলে নাম বলে ফেলব কিন্তু খারাপ বলা
77:14
Speaker A
আমার ইচ্ছা না একই সমাজে তো দুই রকম মানুষ আছে কোন মানুষটা বাস্তব জীবনেও সফল মনের দিক থেকেও সফল এবং সম্ভবত পরকালেও বেনিফিট পাবে কামরুল স্যার হয়তোবা পাবেন আমরা তার জন্য দোয়া করতেছি আর আরেকজনকে আমরা নেগেটিভ অর্থে বললাম আল্লাহ তাকে
77:29
Speaker A
আমি বুঝাইতে পারতেছি তো কথাটা একটা ইঞ্জিনিয়ার আমি তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি একটা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কেন এদেরকে এইসব ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যা দেওয়া হয়েছে কেন শিখানো হইছে কারণ হচ্ছে আপনি এমন ডিজাইন করবেন এমন বাড়ি বানাবেন এমন সার্কিট ডিজাইন মানুষের উপকার হবে তাই না এখন আমি
77:47
Speaker A
যদি একটা বাড়ি বানানোর সময় দুইটা রড কমা একটা বাস ঢুকায় দেই এইটা কেমন ইঞ্জিনিয়ারিং হলো বাট করে তো ভাই করে না আপনি নির্মাণাধীন মসজিদ ভেঙ্গে পড়ছে দেখছেন নির্মাধনী বাসা ভেঙ্গে পড়ছে দেখছেন রাস্তার মধ্যে কার্পেটিং করে যায় একটু পরে টানলে
78:03
Speaker A
কাপড়ের মত উঠে আসে আপনি দেখতে পাচ্ছেন না এগুলা তাহলে কারা করতেছে আমার মত ইঞ্জিনিয়াররাই করতেছে তাহলে কি আমি আমার বিদ্যার প্রয়োগ করতেছি না তাহলে আমি যদি রোডস এন্ড হাইজের ইঞ্জিনিয়ার হই আমি যদি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আমি যাই হই কিন্তু আমি
78:16
Speaker A
যদি মানুষের বেনিফিটটা এনসিওর করি তাহলে তো মানুষ আমার কাছে কারণ ডিজাইন নিয়ে আসবে এইযে আছে আমাদের আরেকজন না স্যারের কথাই বলি আমি আপনাদেরকে খারাপ উদাহরণ যেহেতু দেই ভালো উদাহরণ দেই আপনারা অনেকেই হয়তো চিনেন নাস খলিল স্যারকে দেখেন চিনেন
78:28
Speaker A
না কত মজার বিষয় উনি হচ্ছেন বাংলাদেশের ওয়ান অফ দা বেস্ট লিভিং আর্কিটেক্ট যত আর্কিটেক্ট এখন বেঁচে আছেন অনেকে মারা গেছেন তাদের তো অবশ্যই নামকরা মানুষ আছেন নাহাজ খালি ওয়ান অফ দেম তার অনেক ভালো ভালো স্থাপনা পরে গুগ এ সার্চ করলে দেখতে
78:43
Speaker A
পাবেন ইউনাইটেড গ্রুপের অনেক বিল্ডিং উনার ডিজাইনে করা সার্জন উইলসন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তার ডিজাইনে করা এবং দেখবেন উনার বিল্ডিংগুলোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ওখানে উনি ন্যাচারাল রাখতে চেয়েছে যাতে কারেন্ট এবং মানে যত আর্টিফিশিয়াল যেগুলো এনার্জি আমাদের সেটা যেন কম ইউজ হয় তাহলে কি উনি
79:01
Speaker A
আসলে প্রকৃতির জন্য একটা সেবা করতেছে এক অর্থে দেখেন চিন্তা করেন তার থিকিংটা কোথায় এবং আপনি উনার কাছে যদি যান আপনাকে পরিচয় করায় দিতে হবে যে ইনি নাজলি আদারওয়াইজ আপনি বিশ্বাস করবেন না আপনার কাছে মনে হবে ইনি মনে হয় একটা কোন মেবি
79:14
Speaker A
দারোয়ান বা চাপটাশি বা কিছু একটা এরকম মনে হবে আপনার কাছে সে এত সাধারণ মানের পোশাক পরে সাধারণ ভাবে বসে আছে সে নিজে রাবার দিয়ে একটা জিনিস পরিষ্কার করতেছে ক্লিন করে না তারপর আবার ওইটার ময়লা গুলো নিজেই তুলে আবার এখানে
79:26
Speaker A
করে সুন্দর করে ফেলে দিয়ে আসবে। তিনি যে রুমে বসে ডিজাইন করেন সেই রুমে কোন এসি নাই। একদম পুরানো আমেলের একটা ঘর জানাটানা খোলা। পাশেই ধরনের একটা ধাপধাপ করে শব্দ হচ্ছে রাস্তা ওর মধ্যেই কাজ করতেছে। জিজ্ঞেস করবেন উনি বলবে আমি তো ন্যাচারাল
79:39
Speaker A
থাকতে চাই। এবং আপনি উনাকে কাজ দেন উনি আপনার কাজ নিবে না। উনাকে তো চারজনে খাই। এবং এইজন্য না যে ইনকাম করার জন্য চার্জ নিতেছে। উনি চার্জ এই জন্য হাই করছে যাতে উনার কাছে খবর লোক যায়। তো আপনি কালকে
79:51
Speaker A
দেন স্যার। কালকে দেন তো আপনাকে সে আসতেই দিবে না কাছে এইজন্য সে চার্জ হাই করে রেখে দিছে আমি বুঝাতে পেরেছি অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি আপনি যদি রাইট কাজ করেন তাহলে আপনার উপার্জন কম হবে এটা খুবই ভুল কথা এটা কোনদিন সত্য কথা নয় বরঞ্চ উল্টা আপনি
80:07
Speaker A
যদি টাকার লোভে কাজ করেন আমরা ইভলি দেখছি আরো অনেক প্রতিষ্ঠান দেখছি যাদের উদ্দেশ্য ছিল টাকা ইনকাম করা তারা কিন্তু অল্পদিন পর ধরা পড়ে গেছে ধরা খেয়ে যাবে মানুষ তো সচেতন মানুষ টের পেয়ে যাবে সেজন্য আমাদের ইনটেনশন গুলো ঠিক করা খুব জরুরি আমরা যেন
80:21
Speaker A
হ্যাবিটবা কোন প্রাপ্তি নেওয়ার আগে আমি সবসময় মানুষকে জোর দেই। আমার কাছে লাইভ কোচিং যখনই কেউ আসে আমি তাকে বারবার জিজ্ঞেস করি যে আপনি এটা কেন করতে চান?
80:29
Speaker A
আপনি এটা কেন করতে চান? কেন করতে চান? এবং যে উত্তরগুলো দেয় আমি তো লাইভ কোচিং মানুষকে কারেক্ট করতে বসি না। লাইভ কোচিং কিন্তু আমি এইভাবে কথা বলি না। আমি শুনি। তো মানুষকে এটা বোঝানো খুব মুশকিল হয়ে যায় যে সে একটা ভুল থিংকিং এর মধ্যে আছে। এবং
80:43
Speaker A
এই ভুল থেকেও কিন্তু আসলে দিনশেষে হ্যাবিট। লক্ষাধিক পণ্য আর অসংখ্য সুবিধা নিয়ে আস্থার রকমারি আপনার দরে। যা কিছু দরকারি সাথে আছে রকমারি। বই ও পণ্য অর্ডার করতে ভিজিট করুন এখনি।
Topics:নিউরোপ্লাস্টিসিটিঅভ্যাস গঠনমস্তিষ্ক পরিবর্তনসাবকনশাস মাইন্ডকমফর্ট জোনব্রেইন রিপ্রোগ্রামিংবাংলা মেন্টাল হেলথনিজেকে উন্নত করামনোবিজ্ঞানব্যক্তিগত উন্নয়ন

Frequently Asked Questions

অভ্যাস গঠন কেন এত কঠিন মনে হয়?

অভ্যাস গঠন কঠিন মনে হয় কারণ আমাদের ব্রেনের ৯৫% কাজ অটোমেটিক হয় এবং নতুন অভ্যাস গড়ে ওঠার জন্য ব্রেনকে পরিকল্পিতভাবে ধোঁকা দিতে হয়।

খারাপ অভ্যাস ছাড়ার জন্য কী করা উচিত?

খারাপ অভ্যাস ছাড়তে চাইলে শুধু ছাড়ার চেষ্টা নয়, তার জায়গায় ভালো কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে যা পুরনো অভ্যাসকে রিপ্লেস করবে।

সাবকনশাস মাইন্ড কীভাবে আমাদের আচরণ প্রভাবিত করে?

সাবকনশাস মাইন্ড আমাদের চিন্তা ও আচরণের প্যাটার্ন নিয়ন্ত্রণ করে এবং অনেক সময় আমরা জানি না কেন বা কিভাবে কিছু করি, যা আমাদের অভ্যাস ও ভবিষ্যত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →