নিজের অপমান ভুলে না গিয়ে তা থেকে শক্তি নিয়ে জীবনে বড় বদলা আনার মোটিভেশনাল ভিডিও।
Key Takeaways
- অপমানকে চাপা না দিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া জীবনের বড় পরিবর্তনের সূচনা।
- ক্ষমা করার পেছনে ভয় থাকলেও সত্য স্বীকার করাই মুক্তির পথ।
- অপমান থেকে শক্তি নিয়ে নিজের উন্নতি ও সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।
- ঘৃণা ও প্রতিশোধের চিন্তা নিজেকেই দুর্বল করে, তাই নীরবতা ও আত্মসংযম গুরুত্বপূর্ণ।
- সত্যিকারের শক্তি জীবনের উন্নতির মাধ্যমে প্রতিশোধ নেওয়ায়।
What the video covers
- নিজের অপমান, কষ্ট ও একাকিত্বের মুখোমুখি হওয়ার গুরুত্ব।
- অপমানকে চাপা দিয়ে সস্তা সান্ত্বনা না নেওয়ার পরামর্শ।
- ক্ষমা করার পেছনে ভয়ের বাস্তবতা ও নিজের মনের গভীর সত্য স্বীকার করার আহ্বান।
- সমাজের কঠোর বাস্তবতা ও দুর্বলদের প্রতি নিষ্ঠুরতা।
- অপমানকে নিজের জীবনের উন্নতির শক্তিতে রূপান্তর করার উপায়।
- অপমানের প্রতি ঘৃণা ও আক্রোশের ক্ষতিকর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিপদ।
- নীরবতা ও নিজের সাফল্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার শক্তি।
- বন্ধুদের মিষ্টি উপদেশের চেয়ে শত্রুর কঠিন সত্যের মূল্যায়ন।
- অপমানকে মূল্যবান ওষুধের মতো গ্রহণ করে সফলতার চূড়ায় পৌঁছানোর পথ।
- নিজেকে নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বদলানোর জন্য কমেন্টে অংশগ্রহণের আহ্বান।
Chapters
- 00:00পরিচিতি ও মনোযোগ আকর্ষণ
- 00:54নিজের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ও নতুন জীবনের যাত্রা
- 01:49অপমানের অনুভূতি ও চাপা দেওয়ার বিপদ
- 02:42পৃথিবীর কঠোর বাস্তবতা ও সম্মানের গুরুত্ব
- 03:29অপমানের প্রতি প্রতিক্রিয়া ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিপদ
- 04:15অপমান থেকে শক্তি সংগ্রহ ও সৃজনশীল রূপান্তর
- 04:55নীরবতা ও সাফল্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার শক্তি
- 07:31স্মৃতিশক্তি ও অতীতের অপমান ভুলে না যাওয়ার গুরুত্ব
- 08:20অপমানের মাধ্যমে জীবনের বড় পরিবর্তনের উদাহরণ ও সমাপ্তি
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
আজ আমি তোমার কাছে মাত্র কয়েক মিনিট সময় চাই। এই কয়েক মিনিট শুধু আমার কথাগুলো মন দিয়ে শোনো। বাইরের সব কোলাহল ভুলে যাও। ফোনটা সাইলেন্ট করো। আর যদি সম্ভব হয় হেডফোনটা কানে দিয়ে বসো। কারণ আজ কোন সস্তা মোটিভেশনের গল্প বলবো না। কোন
Speaker A
অবাস্তব স্বপ্নও দেখাবো না। আজ আমরা কথা বলবো সেই অদৃশ্য কষ্ট, অপমান, রাগ আর একাকিত্ব নিয়ে যেগুলো তুমি প্রতিদিন নিজের ভেতরে লুকিয়ে রাখো। হয়তো সবার সামনে তুমি হাসো। কিন্তু তোমার ভেতরে জমে আছে অসংখ্য প্রশ্ন, না বলা যন্ত্রণা আর চাপা কান্না। আজ সেই সত্যগুলোর মুখোমুখি
Speaker A
হওয়ার সময়। তবে শুরু করার আগে তোমার কাছে আমার একটি ছোট্ট অনুরোধ আছে। এখনই কমেন্টে লিখে দাও আমি আজ থেকে নিজেকে [মিউজিক] বদলাতে শুরু করলাম। কারণ যখন আমরা নিজের হাতে কোন প্রতিজ্ঞা লিখি তখন আমাদের অবচেতন মন সেটাকে শুধু একটি বাক্য
Speaker A
হিসেবে নয় নিজের সঙ্গে করা [মিউজিক] একটি প্রতিশ্রুতি হিসেবে গ্রহণ করে। এটা আমাকে খুশি করার জন্য নয়। এটা তোমার নতুন [মিউজিক] জীবনের প্রথম পদক্ষেপ। তাহলে চলো শুরু করি এমন একটি যাত্রা যা হয়তো আজ থেকেই [মিউজিক] তোমার জীবন আর চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে।
Speaker A
মনে পড়ে কি সেই দিনটার কথা? যেদিন তোমাকে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে কেউ এমন কিছু কথা বলেছিল যা তোমার আত্মসম্মানের একেবারে গভীরে গিয়ে আঘাত করেছিল। সেই মুহূর্তে তোমার মেরুদন্ডের মধ্য দিয়ে একটা হিমশীতল স্রোত বয়ে গিয়েছিল না? কান দুটো হঠাৎ
Speaker A
গরম হয়ে উঠেছিল, বুকের ভেতরটা কেমন যেন ফাঁকা লাগছিল, অথচ তুমি সেদিন নিরুপায় হয়ে চুপ করে থাকতে বাধ্য হয়েছিলে। সেই যে তীব্র অপমান, সেই যে নিজের চোখে নিজেকে বড্ড ছোট মনে হওয়া, সেই অনুভূতিটা কি আজ সত্যিই মরে গেছে? নাকি তুমি সময়ের প্রলেপ
Speaker A
দিয়ে ওটাকে জোর করে চাপা দিয়ে রেখেছো? আমরা আসলে বড্ড অদ্ভুত জীব। আমরা খুব তাড়াতাড়ি নিজেকে একটা সস্তা সান্ত্বনা দিয়ে দিই। আমরা নিজেদের বড্ড চতুর্ভাবি। নিজের ভেতরের এই দগদগে ক্ষতের উপর তথাকথিত বুঝদারি বা উদারতার একটা মিথ্যে মলম লাগিয়ে নিই যাতে আমাদের সেই অপমানের
Speaker A
জ্বলন্ত আগুনের [মিউজিক] মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমরা চারপাশের মানুষকে এমনকি নিজেকেও খুব গর্ব করে বলি যে আমরা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু নিজের মনের গভীরতম অন্ধকার ঘরে দাঁড়িয়ে আজ একবার সত্যিটা বলতো। তুমি কি তাকে সত্যিই ক্ষমা করেছ? নাকি তুমি আসলে ভয় পেয়ে গেছো?
Speaker A
তুমি সেই আঘাতের মুখোমুখি হওয়ার তীব্র সাহসটুকু হারিয়ে ফেলেছো বলেই নিজের কাপুরুষ সকাকে খুব সুন্দর করে শান্তি আর ক্ষমাশীলতার মুখোশ পরিয়ে দিয়েছো। এই সত্যটা স্বীকার করতে হয়তো কষ্ট হচ্ছে কিন্তু যেদিন তুমি এই নির্মম সত্যটা নিজের কাছে মেনে নেবে সেদিন থেকেই তোমার ভেতরে
Speaker A
একটা তীব্র রূপান্তরের সূত্রপাত ঘটবে। পৃথিবীটা বড় অদ্ভুত জায়গা ভাই। এখানে কেবল শক্তিরই উপাসনা হয়। দুর্বলকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেওয়ার মানুষ হয়তো অনেক পাবে কিন্তু সম্মান পাওয়ার আশা করো না। প্রকৃতিও বড় নিষ্ঠুর। যে গাছটি ফল দেয় না বা যার নিজেকে রক্ষা
Speaker A
করার ক্ষমতা নেই তাকে কেটে ফেলার নিয়মটাই এখানে চিরন্তন। কিন্তু যখন কেউ তোমার আত্মসম্মানকে পদদলিত করে যখন কেউ তোমাকে তোমার আসল পরিমাপ বা যোগ্যতা মনে করিয়ে দেয় তখন আসলে কি ঘটে? আমরা সাধারণ মানুষেরা রেগে যাই। আমরা মনে করি সে
Speaker A
আমাদের গালি দিচ্ছে বা অপমান করছে কিন্তু বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বুঝতে পারবে সে আসলে তোমাকে কোন ক্ষতি করছে না বরং সে তোমাকে তোমার গভীর ঘুম থেকে এক ধাক্কায় জাগিয়ে তুলছে সে তার কটু কথার চাবুক দিয়ে [মিউজিক] তোমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে
Speaker A
যে তুমি বর্তমানে অলসতার যে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছো তা তোমার যোগ্যস্থান নয় সে তোমাকে চিৎকার করে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে তোমার পায়ের নিচে কোন মাটি নেই কিন্তু আমরা কি করি আমরা ঘরের এক কোণে বসে কাঁদি নিজের ভাগ্যকে কে দোষারোপ করি অথবা সেই
Speaker A
মানুষের প্রতি তীব্র ঘৃণায় ভরে উঠি। কিন্তু একটু ভেবে দেখোতো এই তীব্র ঘৃণা আর আক্রোশের প্রতিক্রিয়াগুলো কতটা অগভীর আর সস্তা। তুমি যখন কাউকে সারাদিন মন থেকে ঘৃণা করো তখন তুমি আসলে কি করছো? তুমি তোমার ভেতরের অবশিষ্ট মানসিক শক্তিটুকুও প্লেটে সাজিয়ে সেই অপমানকারী মানুষের
Speaker A
হাতে তুলে দিচ্ছো। তুমি ২৪ ঘন্টা শুধু তারই কথা চিন্তা করতে শুরু করো। সে কিভাবে ঘুমাচ্ছে, সে কিভাবে খাচ্ছে, কিভাবে তার ক্ষতি করা যায়? এই চিন্তায় তোমার রাতের ঘুম নষ্ট হয়। তার মানেটা কি দাঁড়ালো?
Speaker A
তার মানে হলো সেই ব্যক্তি শুধু তোমাকে অপমানই করেনি বরং সে তোমার সম্পূর্ণ অস্তিত্ব, তোমার চিন্তা এবং তোমার জীবনের উপর নিজের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে ফেলেছে। সে তোমাকে ইচ্ছেমতো নাচাতে পারছে। আসল বিপ্লব তখন ঘটে না যখন তুমি প্রতিশোধের জন্য বাইরে ছটফট করো। আসল
Speaker A
রূপান্তর তখন ঘটে যখন তুমি সেই আঘাতকে চোখের জলে ভেসে যেতে দাও না কিংবা ঘৃণার ধোঁয়ায়ও উড়িয়ে দাও না। [মিউজিক] তাহলে তুমি ঠিক কি করবে সেই তীব্র বেদনাকে সেই জমানো বিষকে নিজের ভেতরে নীরবে পান করে নাও। তাকে তোমার চেতনার গভীরতম স্তরে এক
Speaker A
ফোঁটা এক ফোঁটা করে জমা হতে দাও। যখন সেই অপমানের তিক্ততা তোমার ভেতরে স্থির হয়ে থাকবে তখন তা এক প্রচন্ড সৃজনশীল শক্তিতে পরিণত হবে। সেটি এমন এক জ্বলন্ত মানসিক আগুনে রূপান্তরিত হবে যা তোমাকে আর কখনো শান্তিতে অলস হয়ে বসে ভাগতে দেবে না।
Speaker A
যখনই তোমার মন অলসতার দিকে ঝুকবে যখনই তুমি আবার সেই সাধারণ এবং লক্ষ্যহীন অচেতন জীবনে ফিরে যেতে চাইবে তখনই তোমার ভেতরের সেই ক্ষত তোমাকে দংশন করবে। সেই ক্ষত তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে একদিন তোমাকে সবার সামনে কতটা অপদার্থ এবং ব্যর্থ
Speaker A
প্রমাণ করা হয়েছিল। এখনই কমেন্টে গিয়ে নিজেকে একটা স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দাও এবং [মিউজিক] লেখো। আমি আমার ভেতরের এই আগুনকে নেভাতে দেবো না। এই সাধারণ বাক্যটি কমেন্ট বক্সে লিখে নিজের অবচেতন মনকে স্পষ্ট সংকেত দাও যে তুমি তোমার কষ্টের প্রতিটি ফোঁটাকে জেদে রূপান্তর করতে প্রস্তুত।
Speaker A
আজকের [নাক ডাকা] এই সমাজ বড়ই অদ্ভুত। এখানে বন্ধুদের মিষ্টি উপদেশের চেয়ে শত্রুর দেওয়া অপমান মানুষকে বেশি দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যায়। তাই নিজের শত্রুদের প্রতি সর্বদা মনে মনে কৃতজ্ঞ থাকো। [মিউজিক] কারণ তারাই তোমার আসল দীক্ষু গুরু। বন্ধু তো তোমাকে সান্ত্বনা দেবে। সে
Speaker A
বলবে, আরে ভাই তুই যেমন আছিস তেমনি খুব ভালো আছিস। কোন চিন্তা করিস না। আর এই মিষ্টি কথায় তুমি আরো গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে। কিন্তু যে তোমার অপমান করে সে তোমার চামড়া ছাড়িয়ে দেয়। সে তোমার ভেতরের সমস্ত অহংকার ভেঙে চুরমার করে
Speaker A
তোমাকে তোমার আসল দুর্বলতার আয়নাকি মুখের সামনে ধরে দেখায়। তাই এই অপমানকে একটি সাধারণ খারাপ ঘটনা মনে করে ফেলে দিও না। একে একটি মূল্যবান ওষুধের মত বুকের [মিউজিক] গভীরে যত্ন করে আগলে রাখো। এই তেত ওষুধটি তোমাকে সফলতার সেই চরম শিখরে
Speaker A
নিয়ে যাবে, যেখানে তোমার নীরব সাফল্যের গর্জন সেই সব মানুষের কানের পর্দা কাঁপিয়ে দেবে যারা একদা তোমার কন্ঠরোধ করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। মৌনতা বা নীরবতার পেছনে এক গভীর বিজ্ঞান রয়েছে। কথার পিঠে কথা বলা খুব সহজ। একটা গালির জবাবে চারটে গালি দেওয়া যে [মিউজিক] কেউ
Speaker A
পারে। কিন্তু আসল ক্ষমতা কোথায় জানো? যখন কেউ তোমাকে নিচু দেখানোর চেষ্টা করছে তখন পাল্টা কথা না বলে চুপ করে থাকা। কারণ কথার পাথর ছোড়া নিজের মূল্যবান শক্তিকে নরদমায় ভাসিয়ে দেওয়ার মত। তুমিও যদি তার নোংরা স্তরে নেমে গিয়ে চেঁচামেচি করো
Speaker A
তবে তোমার আর সামনের ওই মূর্খের মধ্যে কি তফাৎ রইল? আসল জবাব কখনো মুখে দিয়ে দেওয়া যায় না। আসল জবাব তো আসে তোমার জীবনের আমল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। তোমার জীবনের উচ্চতা এতখানি বিরাট হওয়া উচিত যেন তোমাকে একদিন নিচে নামাতে চেয়েছিল
Speaker A
তোমাকে দেখার জন্য তাদের মাথা পুরোপুরি পেছনের দিকে হেলাতে হয়। এবং তাও যেন তাদের কুৎসী দৃষ্টি তোমার নাগাল না পায়। তারা যেন শুধু তোমার সাফল্যের আলোটুকুই দূর থেকে দেখতে পায়। এই যে নীরব থেকে নিজেকে গড়ে তোলার শক্তি এই শক্তি পাওয়ার
Speaker A
জন্য তোমাকে আজই এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমেন্ট সেকশনে যাও এবং আজ এক বুক জমানো জেদ নিয়ে লেখো। আমি কথা দিয়ে নয় আমার সাফল্য দিয়ে জবাব দেব। কিন্তু মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমাদের স্মৃতিশক্তি বড়ই দুর্বল। সামান্য একটু
Speaker A
সুখের দিন আসতেই আমরা অতীতের সব কষ্ট ভুলে যাই। যেই কিছুদিন কেটে যায়, পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হয়, আমরা আবার সেই একই পুরনো গতানুগতিক আরামদায়ক ছকে বাঁচতে শুরু করি। আমরা ভুলে যাই সেই বিদ্রুপের হাসিকে, যা আমাদের [মিউজিক] পিঠের পেছনে হাসা হয়েছিল। আমরা ভুলে যাই সেই অবজ্ঞা
Speaker A
ভরা চোখগুলোকে, যা আমাদের পশুর মতো দেখেছিল। মনে রেখো, যেদিন তুমি সেই অপমানকে মন থেকে হালকাভাবে নিয়ে ভুলে গেলে সেদিনই তুমি তোমার ব্যক্তিত্ব এবং আত্মার সাথে আপোষ করে নিলে। তুমি সেই অপমানকারীকে চিরকালের জন্য তোমার উপর জয়ী হতে দিলে। আসলে তোমার চারপাশের এই সমাজ
Speaker A
এবং তথাকথিত চেনা মানুষগুলো ভেতরে ভেতরে অত্যন্ত হিংস্র। অন্যদের ব্যর্থ হতে দেখে অন্যদের কষ্ট পেতে দেখে এরা এক ধরনের অদ্ভুত আনন্দ পায়। যখন তুমি দুর্বল বা ব্যর্থ হও তখন এদের চোখের কুৎসিত উল্লাস লক্ষ্য করেছ কখনো? তারা তোমার পাশে আসবে
Speaker A
তোমার কাঁধে সান্ত্বনার হাত রাখবে। কিন্তু তাদের এই মেয়ে সহানুভূতি আসলে বিষের চেয়েও মারাত্মক। তারা মনে প্রাণে চায় তুমি যেন চিরকাল ওই ব্যর্থতার গর্তেই পড়ে থাকো। যাতে তোমাকে করুণা দেখিয়ে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ এবং দয়ালু ভাবতে পারে। [মিউজিক] আর তুমি এতটাই নির্বোধ যে তাদের
Speaker A
এই মেকি সহানুভূতিকেই আসল ভালোবাসা মনে করে বসে আছো। ইতিহাস সাক্ষী আছে জগতের যত বড় বড় পরিবর্তন এসেছে তা কোন না কোন গভীর [মিউজিক] আঘাত থেকেই শুরু হয়েছিল। চাণক্যকে যখন রাজা ধননন্দ তার রা
Speaker A
সেদিন রাজসভার বাইরে দাঁড়িয়ে কেঁদে নিজের ভাগ্যকে দোষ দেননি তিনি তার খোলা চুল বেঁধে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। যতদিন না এই অহংকারী সাম্রাজ্য ধ্বংস করছেন তিনি চুল বাঁধবেন না। সেই একটি অপমান মৌর্য সাম্রাজ্যের জন্ম দিয়েছিল। ইতিহাস আমাদের শেখায় যে অপমান কেবল ধ্বংসই করে না বরং
Speaker A
সঠিক মানুষের মনে জায়গা পেলে তা এক নতুন সাম্রাজ্যের সৃষ্টি করে। ঠিক একইভাবে তোমাকে এই মেকি সম্পর্ক ও সান্ত্বনার চক্রবৃহ ভাঙতেই হবে। কেউ যখন তোমাকে অপমান করে তাকে নিজের অস্তিত্ব প্রকাশের আসল প্রেরণাশক্তি হিসেবে গ্রহণ করো। আমি জানি এই দীর্ঘ 30 থেকে 50 টি মিনিটের যাত্রায়
Speaker A
তোমার মন হয়তো বারবার বিভ্রান্ত [মিউজিক] হতে চাইছে। কিন্তু এই মুহূর্তটি তোমার ধৈর্যের পরীক্ষা। যদি তুমি শেষ পর্যন্ত এই আলোচনাটি শুনতে পারো তবে তুমি সাধারণ মানুষের ভিড় থেকে আলাদা হয়ে এক অনন্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হবে। মানুষ প্রায়ই জিজ্ঞেস করে জীবনে চলার অনুপ্রেরণা কোথা
Speaker A
থেকে পাবো? আমি বলি তোমার অতীতের সেই অন্ধকারতম দিনটির কথা মনে করো। যেদিন তোমাকে সবচেয়ে বেশি হেয় করা হয়েছিল। এর চেয়ে বড় কোন চালিকাশক্তি এই পৃথিবীতে আর কিছুই হতে পারে না। যখনই তুমি ক্লান্ত বোধ করবে যখনই তোমার মন বলবে যে আর পরিশ্রম
Speaker A
করা সম্ভব নয় তখনই চোখ বন্ধ করে সেই বিদ্রুপের হাসিটি আরেকবার নিজের কান দিয়ে শোনার চেষ্টা করো যা তোমাকে লক্ষ্য করে হাসা হয়েছিল। তুমি দেখবে তোমার ক্লান্ত অবশ শরীরও এক ঝটকায় সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে এবং তোমার প্রতিটা শিরায় শিরায়
Speaker A
নতুন উদ্যমের [মিউজিক] বিদ্যুৎ খেলে যাবে আজকের এই গভীর আলোচনা শেষে আমি তোমাকে মাঝপথে ছেড়ে দেবো না আমি চাই তুমি আজই নিজের জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করো নিজের মনের গভীর থেকে সমস্ত দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলো আজ এই দীর্ঘ যাত্রার শেষে
Speaker A
কমেন্ট বক্সে গিয়ে তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতিজ্ঞাটি টাইপ করো লেখো আজ থেকে আমার নীরবতা কথা বলবে। যখন তুমি এই কমেন্টটি করবে তখন এটি কেবল একটি সাধারণ লেখা থাকবে না? [মিউজিক] এটি হবে তোমার নতুন জীবনের প্রথম অঙ্গীকার। আজ এই
Speaker A
মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নাও। তুমি কি সারাজীবন ওই অপমান সহ্য করে মেকি সান্ত্বনার আশ্রয়ে এক কোণে পড়ে থাকবে? নাকি সেই অপমানের আগুনকে নিজের [মিউজিক] জ্বালানি বানিয়ে এমন এক ইতিহাস গড়বে যা দেখে আজ যারা তোমাকে অবহেলা করছে তারা একদিন তোমার সাথে কথা বলার জন্য লাইন দেবে। সিদ্ধান্ত
Speaker A
সম্পূর্ণ তোমার। উঠে দাঁড়াও, নিজেকে প্রমাণ করো এবং কমেন্টে গিয়ে নিজের শপথটি আজই লিখে রাখো যা তুমি প্রতিদিন এসে দেখবে এবং নিজেকে মনে করিয়ে দেবে যে তুমি কার কাছে ঋণী। নিজের ভেতরের আগুনকে জ্বলতে দাও এবং সফলতার চরম শিখরে পৌঁছানো পর্যন্ত
Speaker A
লড়াই চালিয়ে যাও।
Topics:অপমানমোটিভেশনজীবন বদলানোআত্মসম্মানক্ষমাসাফল্যমনোবিজ্ঞানবাংলা মোটিভেশনালসুজিত ইনস্পায়ারিংজেদ











