সফলতার জন্য নিজেকে ডেভেলপ করার কার্যকর কৌশল ও অভ্যাস শিখুন।
Key Takeaways
- সফলতা অর্জনের জন্য পরিবেশ পরিবর্তন ও নতুন সুযোগ গ্রহণ জরুরি।
- ধৈর্য ধরে পরিকল্পনা ও নিজেকে গ্রুম করা সফলতার মূল চাবিকাঠি।
- একটি দক্ষতা অর্জন করাই বর্তমান যুগে বেশি প্রোডাক্টিভ করে।
- মেন্টর ও প্রোডাক্টিভ মানুষের সংস্পর্শে থাকা উন্নতির জন্য অপরিহার্য।
- শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা সফলতার জন্য ভিত্তি।
What the video covers
- পরিচিত পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে নতুন সুযোগের সন্ধান করুন।
- সাময়িক পিছিয়ে যাওয়াকে সফলতার প্রস্তুতি হিসেবে নিন।
- নির্দিষ্ট একটি স্কিল ডেভেলপ করুন যেমন ভিডিও এডিটিং, কোডিং ইত্যাদি।
- একজন মেন্টর খুঁজে নিয়ে তার গাইডলাইন অনুসরণ করুন।
- অর্থের সঠিক ব্যবহার ও ভ্রমণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।
- প্রোডাক্টিভ মানুষের সংস্পর্শে থাকুন এবং নেতিবাচক মানসিকতা এড়িয়ে চলুন।
- নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন এবং নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন।
- সফল ব্যক্তিদের অভ্যাস ও কৌশল অনুসরণ করুন যেমন ইলন মাস্ক, ওয়ারেন বাফের, স্টিভ জবস ও বিল গেটস।
- দরকারি বই পড়া ও গবেষণা করে নিজের জ্ঞান বাড়ান।
Chapters
- 00:00পরিচিত পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসা ও নতুন সুযোগের সন্ধান
- 00:29সাময়িক পিছিয়ে যাওয়া ও ধৈর্যের গুরুত্ব
- 01:03নির্দিষ্ট স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও দক্ষতা অর্জন
- 01:43মেন্টর নির্বাচন ও সফল ব্যক্তিদের জীবন থেকে শিক্ষা
- 02:15প্রোডাক্টিভ মানুষের সংস্পর্শে থাকা ও নেতিবাচকতা এড়ানো
- 02:27নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন ও নিয়মিত এক্সারসাইজ
- 03:07সফল ব্যক্তিদের অভ্যাস ও কৌশল অনুসরণ
- 03:27দরকারি বই পড়া ও গবেষণা
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
সফলতার জন্য নিজেকে ডেভেলপ করার কিছু কৌশল। নাম্বার ওয়ান, পরিচিত পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসা। আপনার আশেপাশের মানুষজন যদি আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য না করে, তাহলে সেই পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসা অতি জরুরি। বড় গাছের নিচে ছোট গাছ বেড়ে ওঠে না কখনো। তাই অন্যের ছায়ায় না থেকে নিজের জন্য নতুন জায়গা তৈরি করতে শিখুন। প্রয়োজন হলে নিজের শহর ছেড়ে নতুন কোন জায়গায় গিয়ে থাকা শুরু করুন, যেখানে নতুন কিছু শেখার সুযোগ থাকবে। নাম্বার টু, সাময়িক পিছিয়ে যাওয়াই সফলতার জন্য প্রস্তুতি। অনেক সময় সফলতা পাওয়ার জন্য কিছুদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখতে হয়। নিজেকে গ্রুম করতে হয়। পেসবলাররা যেমন গতি বাড়াতে পেছনে সরে আসে, ঠিক তেমনি আপনাকেও মাঝে মাঝে ধৈর্য ধরে পরিকল্পনা করতে হবে নিজের এগিয়ে যাওয়ার জন্য। [মিউজিক] সমালোচনা আসবেই, কিন্তু একদিন সেই সমালোচনাকারীরাই আপনার প্রশংসা করবে। মনে রাখতে হবে, সাকসেস ইজ দা বেস্ট রিভেঞ্জ। নাম্বার থ্রি, নির্দিষ্ট একটি স্কিল ডেভেলপ করা। আজকের দুনিয়ায় একটি ভালো স্কিল আপনাকে ডিগ্রির থেকেও বেশি প্রোডাক্টিভ করতে পারে। যেমন শিখতে পারেন ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোডিং, ইউটিউবিং, কন্টেন্ট রাইটিং, রান্নাবান্না। [মিউজিক] এক্সট্রা, একটানা ছ মাস যদি একটি স্কিলের পেছনে লেগে থাকেন, তাহলে দক্ষতা আসবেই। নাম্বার ফোর, একজন মেন্টর খুঁজে নেওয়া। আপনার দিক নির্দেশনের জন্য একজন উপযুক্ত মেন্টর নির্বাচন করুন। তার গাইডলাইন অনুসরণ করুন। ভালো বই পড়ুন, কোর্স করুন, ইউটিউব ভিডিও দেখুন। সফল ব্যক্তিদের জীবন থেকে শিক্ষা নিন। নাম্বার ফাইভ, অর্থের সঠিক ব্যবহার ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সেই টাকা সঞ্চয় করুন। একটি একটি করে দেশ ভ্রমণ করুন। এতে করে আপনার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। ইন্টারন্যাশনাল কালচারের সাথে পরিচিত হলে বড় বড় দেশে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। নাম্বার সিক্স, যা খুব ইম্পর্টেন্ট। প্রোডাক্টিভ মানুষের সংস্পর্শে থাকুন। অলস বা নেতিবাচক মানসিকতার মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। উদ্যমী, পরিশ্রমী এবং সৎ মানুষের সাথে সময় কাটান। তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করুন। নাম্বার সেভেন, নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। শরীর সুস্থ থাকলে মনও ভালো থাকে এবং তাতে করে কাজেও মনোযোগ দিতে পারবেন। নিজেকে সুস্থ এবং ফিট রাখার জন্য জিম করতে পারেন, ওর বাসায়ও ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। মাত্র ছ মাস কন্টিনিউ করার পরেই খেয়াল করতে পারবেন আপনার শরীরের গঠন পরিবর্তন হয়ে যাবে। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে আমাদের ব্রেইন ও বডি দুটোই ফ্রেশ থাকে। নাম্বার এইট, সফল ব্যক্তিদের কৌশল ও অভ্যাস অনুসরণ করা শিখুন। যেমন ইলন মাস্ক দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করেন এবং বহুমুখী দক্ষতা অর্জনে বিশ্বাসী। [মিউজিক] ওয়ারেন বাফের প্রতিদিন আট ঘন্টা বই পড়েন এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় অটল থাকেন। স্টিভ জবস সিম্পল এবং ফোকাস থাকার উপর জোর দেন বেশি। প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য অপ্রয়োজনীয় কাজ এড়িয়ে চলতেন। বিল গেটস নতুন স্কিল শেখার জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করতেন। নাম্বার নাইন, দরকারি বই পড়া এবং গবেষণা করা। সফলতা অর্জনের কৌশল নিয়ে বাজারে বা অনলাইনে অনেক ধরনের বই বিক্রি হয়, সেগুলো ফলো করতে পারেন।
Speaker A
না কখনো। তাই অন্যের ছায়ায় না থেকে নিজের জন্য নতুন জায়গা তৈরি করতে শিখুন। প্রয়োজন হলে নিজের শহর ছেড়ে নতুন কোন জায়গায় গিয়ে থাকা শুরু করুন। যেখানে নতুন কিছু শেখার সুযোগ থাকবে। নাম্বার টু, সাময়িক পিছিয়ে যাওয়াই সফলতার জন্য প্রস্তুতি। অনেক সময় সফলতা পাওয়ার জন্য
Speaker A
কিছুদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখতে হয়। নিজেকে গ্রুম করতে হয়। পেসবলাররা যেমন গতি বাড়াতে পেছনে সরে আসে ঠিক তেমনি আপনাকেও মাঝে মাঝে ধৈর্য ধরে পরিকল্পনা করতে হবে নিজের এগিয়ে যাওয়ার জন্য। [মিউজিক] সমালোচনা আসবেই কিন্তু একদিন সেই সমালোচনাকারীরাই আপনার প্রশংসা করবে। মনে
Speaker A
রাখতে হবে সাকসেস ইজ দা বেস্ট রিভেঞ্জ। নাম্বার থ্রি নির্দিষ্ট একটি স্কিল ডেভলপ করা। আজকের দুনিয়ায় একটি ভালো স্কিল আপনাকে ডিগ্রির থেকেও বেশি প্রোডাক্টিভ করতে পারে। যেমন শিখতে পারেন ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোডিং, ইউটিউবিং, কন্টেন্ট রাইটিং, রান্নাবান্না [মিউজিক] এক্সেসট্রা। একটানা ছ মাস যদি
Speaker A
একটি স্কিলের পেছনে লেগে থাকেন তাহলে দক্ষতা আসবেই। নাম্বার ফোর, একজন মেন্টর খুঁজে নেওয়া। আপনার দিক নির্দেশনের জন্য একজন উপযুক্ত মেন্টর নির্বাচন করুন। তার গাইডলাইন অনুসরণ করুন। ভালো বই পড়ুন, কোর্স করুন, ইউটিউব ভিডিও দেখুন। সফল ব্যক্তিদের জীবন থেকে শিক্ষা নিন। নাম্বার
Speaker A
ফাইভ, অর্থের সঠিক ব্যবহার ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সেই টাকা সঞ্চয় করুন। একটি একটি করে দেশ ভ্রমণ করুন। এতে করে আপনার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। ইন্টারন্যাশনাল কালচারের সাথে পরিচিত হলে বড় বড় দেশে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। নাম্বার সিক্স যা
Speaker A
খুব ইম্পর্টেন্ট। প্রোডাক্টিভ মানুষের সংস্পর্শে থাকুন। অলস বা নেতিবাচক মানসিকতার মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। উদ্যমী, পরিশ্রমী এবং সৎ মানুষের সাথে সময় কাটান। তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করুন। নাম্বার সেভেন নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। শরীর সুস্থ থাকলে মনও ভালো থাকে এবং তাতে করে কাজেও মনোযোগ দিতে পারবেন।
Speaker A
নিজেকে সুস্থ এবং ফিট রাখার জন্য জিম করতে পারেন ওর বাসায়ও ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। মাত্র ছ মাস কন্টিনিউ করার পরেই খেয়াল করতে পারবেন আপনার শরীরের গঠন পরিবর্তন হয়ে যাবে। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে আমাদের ব্রেইন বডি দুটোই ফ্রেশ থাকে।
Speaker A
নাম্বার এইট সফল ব্যক্তিদের কৌশল ও অভ্যাস অনুসরণ করা শিখুন। যেমন ইলন মাস্ক দিনে 12 থেকে 16 ঘন্টা কাজ করেন এবং বহুমুখী দক্ষতা অর্জনে বিশ্বাসী। [মিউজিক] ওয়ারেন বাফের প্রতিদিন আট ঘন্টা বই পড়েন এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় অটল থাকেন। স্টিভ জব সিম্পল এবং ফোকাস থাকার উপর জোর
Speaker A
দেন বেশি। প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য অপ্রয়োজনীয় কাজ এড়িয়ে চলতেন। বিল গেটস নতুন স্কিল শেখার জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করতেন। নাম্বার নাইন, দরকারি বই পড়া এবং গবেষণা করা। সফলতা অর্জনের কৌশল নিয়ে বাজারে বা অনলাইনে অনেক ধরনের বই বিক্রি হয় সেগুলো ফলো করতে পারেন।
Topics:সফলতানিজেকে উন্নত করাস্কিল ডেভেলপমেন্টমেন্টরশিপপ্রোডাক্টিভিটিস্বাস্থ্য যত্নআর্থিক ব্যবস্থাপনাভ্রমণ অভিজ্ঞতাসফল ব্যক্তিদের অভ্যাসবাংলা মোটিভেশন











