কথা বলার দুইটি বিশেষ কৌশল যা মানুষের বিশ্বাস অর্জনে সাহায্য করে। সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কথা বলা ও রিজার্ভ ইনফরমেশন বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
Key Takeaways
- অবচেতন মন থেকে ন্যাচারাল ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে কথা বলা শেখা জরুরি।
- বিষয়ভিত্তিক গভীর রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকা প্রেজেন্টেশনকে শক্তিশালী করে।
- মুখস্ত কথাবার্তা মানুষের সাথে সংযোগ তৈরি করতে পারে না, তাই প্রাকটিসের মাধ্যমে স্বাভাবিকতা আনতে হবে।
- ডায়নামিক ও ইম্প্রোভাইজড কথা বলার ক্ষমতা অর্জনে রিজার্ভ ইনফরমেশন অপরিহার্য।
- নিয়মিত প্র্যাকটিস ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করাই সফল পাবলিক স্পিকিংয়ের মূল।
What the video covers
- মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য জাদুঘরী শব্দের প্রয়োজন নেই, বরং কথা বলার দুইটি বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করতে হয়।
- প্রথম কৌশল হলো অবচেতন মন (সাবকনশাস মাইন্ড) থেকে ন্যাচারাল ফিলিংস নিয়ে কথা বলা।
- সাবকনশাস মাইন্ডকে ট্রেইন করা জরুরি, যা বারবার রিপিট করে এবং স্ক্রিপ্ট থেকে মূল পয়েন্ট আলাদা করে করা যায়।
- মুখস্ত কথাবার্তা রোবটিক শোনায় এবং মানুষের সাথে মনের কানেকশন তৈরি করতে পারে না।
- দ্বিতীয় কৌশল হলো বিষয়ের ব্যাপক রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকা, যা আপনাকে ডায়নামিক ও ইম্প্রোভাইজড কথা বলার সুযোগ দেয়।
- রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকার ফলে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বক্তব্য পরিবর্তন করতে পারা যায়।
- পাবলিক স্পিকিং, ক্লায়েন্ট ডিল বা গ্রুপ ইভেন্টে এই কৌশলগুলো কার্যকর।
- মানুষ সবসময় নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে, তাই তথ্যগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করতে হবে যাতে তারা উপকৃত হয়।
- এই কৌশলগুলোতে দক্ষ হতে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে হয়।
- ভালোভাবে কথা বলার মাধ্যমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন ও প্রভাবিত করা সম্ভব।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
আচ্ছা, আপনার সাথে কি কখনো এমন হয়েছে যে আপনি কারো সাথে কথা বলতেছেন কিন্তু আপনার কাছে মনে হচ্ছে সামনের মানুষটা আপনার সাথে মিথ্যা কথা বলতেছে? আর না হয় সে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতেছে বা আপনাকেই হয়তো কোন একটা গ্রুপ ইভেন্টে কোন একটা বিষয়ে কথা বলতে দেওয়া হলো। আর আপনি সে বিষয়ে কথা বলতে না পেরে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতেছেন, কারণ আপনি নিজেও নার্ভাস হয়ে আছেন। আর সামনের মানুষও আপনাকে বিশ্বাস করতেছে না। এজ এ রেজাল্ট, আপনি তাদেরকে যে মেসেজটা দিতে চাচ্ছেন, সে মেসেজটা ঠিকভাবে দিতে পারছেন না বা তাদেরকে দিয়ে যে কাজটা আপনি করিয়ে নিতে চাচ্ছেন, সেই কাজটার জন্য আপনি তাদেরকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারছেন না। সত্যিকার অর্থে মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য কোন জাদুঘরী শব্দের প্রয়োজন নেই। দরকার কথা বলার দুইটা বিশেষ কৌশল। আজকের ভিডিওতে আমি কথা বলার এমনিই দুইটা বিশেষ কৌশল সম্পর্কে বলব। যে দুইটা কৌশল ব্যবহার করে কথা বললে মানুষ আপনাকে সহজেই বিশ্বাস করবে। আর যে মানুষ আপনার কথায় বিশ্বাস করবে, স্বাভাবিকভাবে সে আপনার কথায় প্রভাবিতও হবে। নাউ লেটস ডাইভ ইনটু দ মেইন টপিক। প্রথম কৌশল হচ্ছে আপনাকে আপনার অবচেতন মন থেকে কথা বলতে হবে। এখন অনেকেই ভাবতেছে যে কনশাস মাইন্ড থেকে আমরা যেসব কথাবার্তা বলি, সেগুলোই তো মানুষ অনেক সময় বিশ্বাস করে না। সে জায়গায় সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কথা বলতে গেলে না জানি কি না কি বলে ফেলবো। তখন তো মানুষ আমাদের কথা আরো বিশ্বাস করবে না। এই সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে আমরা আমাদের সাবকনসাস মাইন্ডকে কখনো ট্রেইন্ড আপই করিনি। অথচ ডেল কার্নিং বলুন বা আরো বড় বড় যত লেখক রয়েছে, তাদের সবার বইতে একটা কমন বিষয় দেখবেন, তারা সবসময় বলেছে সাবকনস মাইন্ডকে গুরুত্ব দিন এবং এই সাবকনসাস মাইন্ডকে ট্রেইন্ড আপ করুন। আবার অনেক সময় দেখবেন আমরা করি কি সুন্দর করে স্ক্রিপ্ট মুখস্ত করে, সেই স্ক্রিপ্ট হুবহু পাবলিক স্পিকিং করার সময় বা ভিডিও তৈরি করার সময় বা প্রেজেন্টেশন করার সময় শুনিয়ে দেই আর ভাবি যে এতেই সামনের মানুষ আমাদের কথায় বিশ্বাস করে ফেলবে বা আমাদের কথায় খুশি হয়ে যাবে, হুইচ ইজ নট ট্রু। মানুষ মুখস্ত কথা পছন্দ করে না। মুখস্ত কথাগুলো রোবটিক রোবটিক শোনায় আর এই ধরনের কথাগুলো সামনের মানুষের সাথে আপনার মনের কানেকশন তৈরি করতে পারে না, তাদের চিন্তাকে নাড়া দেয় না। আপনি তাদেরকে যে কথাটা বোঝাতে চাচ্ছেন বা বলছেন, সেই কথাটা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে না। এর অর্থ মানুষের মনে নাড়া দিতে হলে তাদের মনে জায়গা দখল করতে হলে আপনাকে ন্যাচারাল ফিলিংস নিয়ে কথা বলতে হবে। আর ন্যাচারাল ফিলিংস আসে শুধুমাত্র সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কথা বলার মাধ্যমে। এখন তাহলে কথা হচ্ছে সাবকনশায়াস মাইন্ডকে আমরা কিভাবে ট্রেইনড আপ করব যাতে আমাদের কথার মধ্যে ন্যাচারাল ফিলিংসটাও থাকে। এট দা সেইম টাইম আমরা যেহেতু চাচ্ছি সামনের মানুষ আমাদের কথায় বিশ্বাস করুক বা প্রভাবিত হোক, এই কাজটাও যাতে হয়। কারণ আপনি পাবলিক স্পিকিং বলেন, ভিডিও তৈরি করা বলেন, কোন গ্রুপ ইভেন্টে অনেকগুলো মানুষের সামনে কথা বলা বলেন বা ক্লায়েন্ট ডিল বলেন, সব ক্ষেত্রেই এই কৌশলটা কাজে দিবে। দেখুন, অবচেতন মন থেকে কথা বলতে শেখার প্রধান উপায় হলো আপনি কোন একটা বিষয় নিয়ে বারবার রিপিট করবেন। বিগিনারদের জন্য আমি বলব, আপনি ইচ্ছা করলে প্রথমে স্ক্রিপ্টটা লিখে রাখেন। স্ক্রিপ্টটা আপনি বারবার পড়বেন যাতে এটা আপনার সাবকনশাস মাইন্ড পর্যন্ত চলে যায়। এরপর আপনি স্ক্রিপ্ট থেকে মূল পয়েন্টগুলো আলাদা করে ফেলেন এবং প্রয়োজন বোধে স্ক্রিপ্টের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডও আপনি আলাদা করে লিখে ফেলেন। এরপর আপনি নিজে নিজে সে পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করুন। আর এডভান্স লেভেলে মানুষ যখন চলে যায়, তখন দেখা যায় সে শুধু স্ক্রিপ্টটা কয়েকবার পড়ে আর নিজে থেকে কথাগুলো সাজিয়ে নিজের স্টাইলে বলে ফেলে। এতে হয় কি? ন্যাচারাল ফিলিংসটা বজায় থাকে। ন্যাচারাল টোন থাকে এবং ন্যাচারাল এক্সপ্রেশনও থাকে। আর মজার বিষয় হচ্ছে তখন আপনাকে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে অত সচেতন থাকতে হয় না। যে হাতটা আমি কোথায় রাখবো? এই কথার সময় আমি হাত আদর নাড়াবো কিনা? বা এই কথার সময় আমি একটু হেটে দেখাবো কিনা? এগুলো নিয়ে তখন আপনাকে আর ভাবতে হয় না। এগুলো তখন অটোই ফিক্স হয়ে যায়। বাট ইটস অলসো ট্রু, এগুলো সবই আসবে আপনার প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে। আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কোন একটা বিষয়ে কথা বলা প্র্যাকটিস করুন। যত বেশি আপনি কথা বলার সময় মানুষের সামনে এই কৌশলগুলো ব্যবহার করবেন, তত আপনার মুখের জড়তা বলুন, ভয় বলুন, শারীরিক জড়তা বলুন, এগুলো আস্তে আস্তে কমতে থাকবে। আর একটা সময় এসে দেখবেন যে এগুলো সব ন্যাচারাল হয়ে গিয়েছে। উল্টো দেখা যাবে এমন সময় আসবে যখন আপনি নিজেই অনেক এক্সাইটেড থাকবেন যে আপনাকে আরো বেশি বেশি করে পাবলিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে কথা বলার চান্স দেওয়া হোক। এইবার আসি দ্বিতীয় কৌশলে। দ্বিতীয় কৌশলটা ছাড়া আপনি প্রথম কৌশল ভালোভাবে ব্যবহারই করতে পারবেন না। আর তা হচ্ছে আপনি যে বিষয়ে কথা বলবেন, সেই বিষয়ে আপনার বিশাল পরিমাণে রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকতে হবে। যেমন ধরেন, আমি এখন এই ভিডিওটা তৈরি করতেছি। এই ভিডিওটা হয়তো হাইয়েস্ট ১০-১২ মিনিটের হবে। তার উপর এই ভিডিওটা যখন আবার এডিটিং সেকশনে যাবে, তখন এই ভিডিওর কিছু অংশ কাট করে দেওয়া হবে। কিন্তু এই কয়েক মিনিটের ভিডিও তৈরি করার জন্য আমি ডেল কার্নিগের হাউ টু ডেভলপ সেলফ কনফিডেন্স এন্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল বাই পাবলিক স্পিকিং পুরো বইটাই পড়ে ফেলেছি। বোঝাই যাচ্ছে যে এই কয়েক মিনিটের ভিডিও তৈরি করার জন্য আমি কি পরিমাণ রিজার্ভ ইনফরমেশন রেখেছি। রিজার্ভ ইনফরমেশনগুলো আপনাকে আপনার সাব-কনসাস মাইন্ডে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। বারবার রিপিট করে করে ইনফরমেশনগুলো আপনার সাবকনসাস মাইন্ডে একদম বসিয়ে ফেলতে হবে। কেন এত ইনফরমেশন রাখতে হবে? এর পেছনে মূলত দুটা কারণ রয়েছে। এক হচ্ছে আপনি যদি পাবলিক স্পিকিং করেন বা ক্লায়েন্ট ডিল করেন, তখন সেখানে আপনার টপিক রিলেটেড অনেক কোশ্চেন আসতেই পারে। আপনি তখন এই প্রশ্নগুলোর ঠিকভাবে এানসার দিতে পারবেন। আর সেকেন্ড বিষয় হচ্ছে, যখন আপনার কাছে এই রিজার্ভ পাওয়ার থাকবে, তখন আপনি মুখস্ত বা স্টেটিক কথা না বলে বাস্তব সময় সামনের মানুষের রিএকশন দেখে নিজের কথা পরিবর্তন করে ডাইনামিক ওয়েতে কথা বলতে পারবেন। সাপোজ আপনি যে ইনফরমেশনটা দিচ্ছেন, সেই ইনফরমেশনটা হয়তো সামনের মানুষের কাছে বোরিং লাগতেছে। আর এটা আপনি তাদের রিএকশন দেখে বুঝে ফেলতে পেরেছেন। এই অবস্থায় আপনি ইচ্ছা করলে কিন্তু রিজার্ভ ইনফরমেশন থেকে যে ইনফরমেশনটা তাদের কাছে ইন্টারেস্টিং লাগতে পারে, সেই ইনফরমেশনটা দিতে পারবেন। বা আপনি ইচ্ছে করলে, ইম্প্রোভাইজড করেও কিন্তু ইনফরমেশনটা দিতে পারবেন। এই কাজগুলো একমাত্র আপনি তখনই করতে পারবেন যখন আপনার কাছে প্রচুর পরিমাণে রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকবে। এইভাবে মানুষকে প্রভাবিত করা যায় আরো ভালোভাবে। এই কাজটাই খুব এক্সপার্ট ভাবে করতেছে বর্তমানে বড় বড় পাবলিক স্পিকাররা। এমনকি যারা সেলসে অনেক ভালো কাজ করতেছে, তারাও এই কাজটা করেই সামনে মানুষের মনে তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস রিলেটেড বিশ্বাস তৈরি করতেছে। তবে এখানে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি। মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় সাইকোলজি হলো আমরা সবসময় নিজেদের নিয়ে ভাবতেছি। যেমন ধরেন, আমার ভিডিওটা যখন আপনার সামনে এসেছে, তখন আপনি আমার এই ভিডিওটার টাইটেল পড়ে ভাবতেছিলেন যে হ্যাঁ, এই ভিডিওটা দেখা যায় কারণ এই ভিডিওটাতে আমার প্রয়োজন মাফিক ইনফরমেশন আছে। এর অর্থ ভালোই বোঝা যাচ্ছে যে আমরা সবসময় ভাবতেছি যে এই জিনিসটা জেনে আমাদের কি লাভ? এই জিনিসটা আমরা আমাদের জীবনে ব্যবহার করতে পারবো কিনা? আদৌ আমার কোন লাভ আছে কিনা? তাই আপনার রিজার্ভ পাওয়ার থেকে তথ্যগুলো এমনভাবে ডাইনামিক উপায়ে ডেলিভারি করুন যাতে সামনের মানুষ বুঝতে পারে এই কথাগুলো শুনলে তার উপকার হবে। দেখুন, ক্লায়েন্ট বলুন, অডিয়েন্স বলুন, এই ধরনের মানুষদের কোন সমস্যার সমাধান দেওয়ার বা জানলে তাদের জীবনে উপকার হবে। এই তীব্র ইচ্ছাটা আপনার মধ্যে কিন্তু প্রথমে ডেভলপ করতে হবে। এই ইচ্ছাটা যখন থাকবে, একমাত্র তখনই আপনি কিভাবে কথা বললে মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করবে, এই রুলসগুলো ফলো করতে পারবেন। আর নিজের কনফিডেন্স ডেভলপ করার জন্য যত ধরনের উপায় আছে, তার মধ্যে সুন্দরভাবে কথা বলে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া, তার বিশ্বাস অর্জন করা অন্যতম। পুরো বিষয়টা আমি এখন যদি একটু শর্টলি বলি, তাহলে প্রথম কৌশল হচ্ছে কথা বলার সময় মুখস্ত কথাবার্তা না বলে বরং অবচেতন মন থেকে ন্যাচারালি কথা বলার চেষ্টা করুন। আর দ্বিতীয় কৌশল হচ্ছে যেকোন বিষয়ে কথা বলার আগে নিজের তথ্যর ভান্ডার বা রিজার্ভ পাওয়ার বাড়ান। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী আপনি প্রয়োজনবোধে ডায়নামিক ওয়েতে প্রেজেন্টেশন দিতে পারেন বা আপনি ইম্প্রোভাইজড করে যাতে কথাগুলো বলতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই কৌশলগুলোতে মাস্টার হতে হলে আপনাকে বারবার এই কৌশলগুলো রেগুলার লাইফে প্র্যাকটিস করতে হবে। যত আপনি বিষয়গুলোতে ভালো করতে পারবেন, তত আপনি জীবনে এগিয়ে থাকতে পারবেন। বোঝা গেল? আজ এই পর্যন্ত। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং।
Speaker A
বলতে দেওয়া হলো আর আপনি সে বিষয়ে কথা বলতে না পেরে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতেছেন যে কারণ আপনি নিজেও নার্ভাস হয়ে আছেন আর সামনের মানুষও আপনাকে বিশ্বাস করতেছে না এজ এ রেজাল্ট আপনি তাদেরকে যে মেসেজটা দিতে চাচ্ছেন সে মেসেজটা ঠিকভাবে দিতে
Speaker A
পারছেন না বা তাদেরকে দিয়ে যে কাজটা আপনি করিয়ে নিতে চাচ্ছেন সেই কাজটার জন্য আপনি তাদেরকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারছেন না। সত্যিকার অর্থে মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য কোন জাদুঘরী শব্দের প্রয়োজন নেই। দরকার কথা বলার দুইটা বিশেষ কৌশল। আজকের ভিডিওতে আমি কথা বলার এমনিই দুইটা বিশেষ
Speaker A
কৌশল সম্পর্কে বলব। যে দুইটা কৌশল ব্যবহার করে কথা বললে মানুষ আপনাকে সহজেই বিশ্বাস করবে। আর যে মানুষ আপনার কথায় বিশ্বাস করবে স্বাভাবিকভাবে সে আপনার কথায় প্রভাবিতও হবে। নাউ লেটস ডাইভ ইনটু দ মেইন টপিক। প্রথম কৌশল হচ্ছে আপনাকে আপনার
Speaker A
অবচেতন মন থেকে কথা বলতে হবে। এখন অনেকেই ভাবতেছে যে কনশাস মাইন্ড থেকে আমরা যেসব কথাবার্তা বলি সেগুলোই তো মানুষ অনেক সময় বিশ্বাস করে না। সে জায়গায় সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কথা বলতে গেলে না জানি কি না কি বলে ফেলবো। তখন তো মানুষ আমাদের কথা
Speaker A
আরো বিশ্বাস করবে না। এই সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে আমরা আমাদের সাবকনসাস মাইন্ডকে কখনো ট্রেইন্ড আপই করিনি। অথচ ডেল কার্নিং বলুন বা আরো বড় বড় যত লেখক রয়েছে তাদের সবার বইতে একটা কমন বিষয় দেখবেন তারা সবসময় বলেছে সাবকনস মাইন্ডকে গুরুত্ব দিন এবং এই
Speaker A
সাবকনসাস মাইন্ডকে ট্রেইন্ড আপ করুন। আবার অনেক সময় দেখবেন আমরা করি কি সুন্দর করে স্ক্রিপ্ট মুখস্ত করে সেই স্ক্রিপ্ট হুবহু পাবলিক স্পিকিং করার সময় বা ভিডিও তৈরি করার সময় বা প্রেজেন্টেশন করার সময় শুনিয়ে দেই আর ভাবি যে এতেই সামনের মানুষ
Speaker A
আমাদের কথায় বিশ্বাস করে ফেলবে বা আমাদের কথায় খুশি হয়ে যাবে হুইচ ইজ নট ট্রু মানুষ মুখস্ত কথা পছন্দ করে না মুখস্ত কথাগুলো রোবটিক রোবটিক শোনায় আর এই ধরনের কথাগুলো সামনের মানুষের সাথে আপনার মনের কানেকশন তৈরি করতে পারে না তাদের চিন্তাকে
Speaker A
নাড়া দেয় না। আপনি তাদেরকে যে কথাটা বোঝাতে চাচ্ছেন বা বলছেন সেই কথাটা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে না। এর অর্থ মানুষের মনে নাড়া দিতে হলে তাদের মনে জায়গা দখল করতে হলে আপনাকে ন্যাচারাল ফিলিংস নিয়ে কথা বলতে হবে। আর ন্যাচারাল ফিলিংস আসে
Speaker A
শুধুমাত্র সাবকনশাস মাইন্ড থেকে কথা বলার মাধ্যমে। এখন তাহলে কথা হচ্ছে সাবকনশায়াস মাইন্ডকে আমরা কিভাবে ট্রেইনড আপ করব যাতে আমাদের কথার মধ্যে ন্যাচারাল ফিলিংসটাও থাকে। এট দা সেইম টাইম আমরা যেহেতু চাচ্ছি সামনের মানুষ আমাদের কথায় বিশ্বাস করুক বা প্রভাবিত হোক এই কাজটাও যাতে হয়। কারণ
Speaker A
আপনি পাবলিক স্পিকিং বলেন, ভিডিও তৈরি করা বলেন, কোন গ্রুপ ইভেন্টে অনেকগুলো মানুষের সামনে কথা বলা বলেন বা ক্লায়েন্ট ডিল বলেন সব ক্ষেত্রেই এই কৌশলটা কাজে দিবে। দেখুন অবচেতন মন থেকে কথা বলতে শেখার প্রধান উপায় হলো আপনি কোন একটা বিষয়
Speaker A
নিয়ে বারবার রিপিট করবেন। বিগিনারদের জন্য আমি বলব আপনি ইচ্ছা করলে প্রথমে স্ক্রিপ্টটা লিখে রাখেন। স্ক্রিপ্টটা আপনি বারবার পড়বেন যাতে এটা আপনার সাবকনশাস মাইন্ড পর্যন্ত চলে যায়। এরপর আপনি স্ক্রিপ্ট থেকে মূল পয়েন্টগুলো আলাদা করে ফেলেন এবং প্রয়োজন বোধে স্ক্রিপ্টের কিছু
Speaker A
গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডও আপনি আলাদা করে লিখে ফেলেন। এরপর আপনি নিজে নিজে সে পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করুন। আর এডভান্স লেভেলে মানুষ যখন চলে যায় তখন দেখা যায় সে শুধু স্ক্রিপ্টটা কয়েকবার পড়ে আর নিজে থেকে কথাগুলো সাজিয়ে নিজের স্টাইলে বলে ফেলে। এতে হয় কি? ন্যাচারাল
Speaker A
ফিলিংসটা বজায় থাকে। ন্যাচারাল টোন থাকে এবং ন্যাচারাল এক্সপ্রেশনও থাকে। আর মজার বিষয় হচ্ছে তখন আপনাকে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে অত সচেতন থাকতে হয় না। যে হাতটা আমি কোথায় রাখবো? এই কথার সময় আমি হাত আদর নাড়াবো কিনা? বা এই কথার সময়
Speaker A
আমি একটু হেটে দেখাবো কিনা? এগুলো নিয়ে তখন আপনাকে আর ভাবতে হয় না। এগুলো তখন অটোই ফিক্স হয়ে যায়। বাট ইটস অলসো ট্রু। এগুলো সবই আসবে আপনার প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে। আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে সাবকনশাস মাইন্ড
Speaker A
থেকে কোন একটা বিষয়ে কথা বলা প্র্যাকটিস করুন। যত বেশি আপনি কথা বলার সময় মানুষের সামনে এই কৌশলগুলো ব্যবহার করবেন তত আপনার মুখের জড়তা বলুন, ভয় বলুন, শারীরিক জড়তা বলুন। এগুলো আস্তে আস্তে কমতে থাকবে। আর একটা সময় এসে দেখবেন যে এগুলো সব
Speaker A
ন্যাচারাল হয়ে গিয়েছে। উল্টো দেখা যাবে এমন সময় আসবে যখন আপনি নিজেই অনেক এক্সাইটেড থাকবেন যে আপনাকে আরো বেশি বেশি করে পাবলিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে কথা বলার চান্স দেওয়া হোক। এইবার আসি দ্বিতীয় কৌশলে। দ্বিতীয় কৌশলটা ছাড়া আপনি প্রথম কৌশল ভালোভাবে ব্যবহারই করতে পারবেন না।
Speaker A
আর তা হচ্ছে আপনি যে বিষয়ে কথা বলবেন সেই বিষয়ে আপনার বিশাল পরিমাণে রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকতে হবে। যেমন ধরেন আমি এখন এই ভিডিওটা তৈরি করতেছি। এই ভিডিওটা হয়তো হাইয়েস্ট 10-12 মিনিটের হবে। তার উপর এই ভিডিওটা যখন আবার এডিটিং সেকশনে যাবে তখন
Speaker A
এই ভিডিওর কিছু অংশ কাট করে দেওয়া হবে। কিন্তু এই কয়েক মিনিটের ভিডিও তৈরি করার জন্য আমি ডেল কার্নিগের হাউ টু ডেভলপ সেলফ কনফিডেন্স এন্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল বাই পাবলিক স্পিকিং পুরো বইটাই পড়ে ফেলেছি। বোঝাই যাচ্ছে যে এই কয়েক মিনিটের ভিডিও
Speaker A
তৈরি করার জন্য আমি কি পরিমাণ রিজার্ভ ইনফরমেশন রেখেছি। রিজার্ভ ইনফরমেশনগুলো আপনাকে আপনার সাব-কনসাস মাইন্ডে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। বারবার রিপিট করে করে ইনফরমেশনগুলো আপনার সাবকনসাস মাইন্ডে একদম বসিয়ে ফেলতে হবে। কেন এত ইনফরমেশন রাখতে হবে এর পেছনে মূলত দুটা কারণ রয়েছে। এক
Speaker A
হচ্ছে আপনি যদি পাবলিক স্পিকিং করেন বা ক্লায়েন্ট ডিল করেন তখন সেখানে আপনার টপিক রিলেটেড অনেক কোশ্চেন আসতেই পারে। আপনি তখন এই প্রশ্নগুলোর ঠিকভাবে এানসার দিতে পারবেন। আর সেকেন্ড বিষয় হচ্ছে যখন আপনার কাছে এই রিজার্ভ পাওয়ার থাকবে তখন আপনি মুখস্ত বা স্টেটিক কথা না বলে বাস্তব
Speaker A
সময় সামনের মানুষের রিএকশন দেখে নিজের কথা পরিবর্তন করে ডাইনামিক ওয়েতে কথা বলতে পারবেন। সাপোজ আপনি যে ইনফরমেশনটা দিচ্ছেন সেই ইনফরমেশনটা হয়তো সামনের মানুষের কাছে বোরিং লাগতেছে। আর এটা আপনি তাদের রিএকশন দেখে বুঝে ফেলতে পেরেছেন। এই অবস্থায় আপনি ইচ্ছা করলে কিন্তু রিজার্ভ
Speaker A
ইনফরমেশন থেকে যে ইনফরমেশনটা তাদের কাছে ইন্টারেস্টিং লাগতে পারে, সেই ইনফরমেশনটা দিতে পারবেন। বা আপনি ইচ্ছে করলে, ইম্প্রোভাইজড করেও কিন্তু ইনফরমেশনটা দিতে পারবেন। এই কাজগুলো একমাত্র আপনি তখনই করতে পারবেন যখন আপনার কাছে প্রচুর পরিমাণে রিজার্ভ ইনফরমেশন থাকবে। এইভাবে মানুষকে প্রভাবিত করা যায় আরো ভালোভাবে।
Speaker A
এই কাজটাই খুব এক্সপার্ট ভাবে করতেছে বর্তমানে বড় বড় পাবলিক স্পিকাররা। এমনকি যারা সেলসে অনেক ভালো কাজ করতেছে তারাও এই কাজটা করেই সামনে মানুষের মনে তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস রিলেটেড বিশ্বাস তৈরি করতেছে। তবে এখানে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি। মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে
Speaker A
বড় সাইকোলজি হলো আমরা সবসময় নিজেদের নিয়ে ভাবতেছি। যেমন ধরেন আমার ভিডিওটা যখন আপনার সামনে এসেছে তখন আপনি আমার এই ভিডিওটার টাইটেল পড়ে ভাবতেছিলেন যে হ্যাঁ এই ভিডিওটা দেখা যায় কারণ এই ভিডিওটাতে আমার প্রয়োজন মাফিক ইনফরমেশন আছে এর অর্থ
Speaker A
ভালোই বোঝা যাচ্ছে যে আমরা সবসময় ভাবতেছি যে এই জিনিসটা জেনে আমাদের কি লাভ এই জিনিসটা আমরা আমাদের জীবনে ব্যবহার করতে পারবো কিনা আদৌ আমার কোন লাভ আছে কিনা তাই আপনার রিজার্ভ পাওয়ার থেকে তথ্যগুলো এমনভাবে ডাইনামিক উপায়ে ডেলিভারি করুন
Speaker A
যাতে সামনের মানুষ বুঝতে পারে এই কথাগুলো শুনলে তার উপকার হবে। দেখুন ক্লায়েন্ট বলুন, অডিয়েন্স বলুন এই ধরনের মানুষদের কোন সমস্যার সমাধান দেওয়ার বা জানলে তাদের জীবনে উপকার হবে। এই তীব্র ইচ্ছাটা আপনার মধ্যে কিন্তু প্রথমে ডেভলপ করতে হবে। এই ইচ্ছাটা যখন থাকবে একমাত্র তখনই
Speaker A
আপনি কিভাবে কথা বললে মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করবে। এই রুলসগুলো ফলো করতে পারবেন। আর নিজের কনফিডেন্স ডেভলপ করার জন্য যত ধরনের উপায় আছে তার মধ্যে সুন্দরভাবে কথা বলে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া তার বিশ্বাস অর্জন করা অন্যতম। পুরো বিষয়টা আমি এখন যদি একটু শর্টলি বলি
Speaker A
তাহলে প্রথম কৌশল হচ্ছে কথা বলার সময় মুখস্ত কথাবার্তা না বলে বরং অবচেতন মন থেকে ন্যাচারালি কথা বলার চেষ্টা করুন। আর দ্বিতীয় কৌশল হচ্ছে যেকোন বিষয়ে কথা বলার আগে নিজের তথ্যর ভান্ডার বা রিজার্ভ পাওয়ার বাড়ান। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী আপনি প্রয়োজনবোধে ডায়নামিক ওয়েতে
Speaker A
প্রেজেন্টেশন দিতে পারেন বা আপনি ইম্প্রোভাইজড করে যাতে কথাগুলো বলতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই কৌশলগুলোতে মাস্টার হতে হলে আপনাকে বারবার এই কৌশলগুলো রেগুলার লাইফে প্র্যাকটিস করতে হবে। যত আপনি বিষয়গুলোতে ভালো করতে পারবেন তত আপনি জীবনে এগিয়ে থাকতে
Speaker A
পারবেন। বোঝা গেল? আজ এই পর্যন্ত। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং
Topics:কথা বলাবিশ্বাস অর্জনপাবলিক স্পিকিংসাবকনশাস মাইন্ডরিজার্ভ ইনফরমেশনইম্প্রোভাইজেশনপ্রেজেন্টেশন কৌশলআত্মবিশ্বাসমানুষকে প্রভাবিত করাক্লায়েন্ট ডিল











