Skip to content

যে সাইকোলজি আপনাকে পাওয়ারফুল বানাবে | Build an Unstoppable Mindset

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে শক্তিশালী মানসিকতা গড়ে তোলার উপায় নিয়ে বাংলা মোটিভেশনাল ভিডিও।

Key Takeaways

  • নিজের মনের নিয়ন্ত্রণই আসল শক্তি এবং স্বাধীনতার চাবিকাঠি।
  • ইমোশনাল রিয়েকশন থেকে বিরত থেকে পজ করে সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।
  • মানুষের মতামত আপনার পরিচয় নয়, নিজের মূল্যায়ন নিজেই করুন।
  • সেলফ ট্রাস্ট গড়ে তোলার জন্য ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি পালন করুন।
  • ডিসিপ্লিনই দীর্ঘমেয়াদী সফলতার মূল চাবিকাঠি।

What the video covers

  • অপমান, প্রত্যাখ্যান, ব্যর্থতা ইত্যাদি ঘটনাকে কিভাবে মস্তিষ্কে প্রভাবিত করে তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
  • নিজের মনের সঙ্গে চলা যুদ্ধ এবং নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
  • আনস্টপেবল মাইন্ডসেট গড়ে তোলার জন্য ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়েছে।
  • ইমোশন ভিত্তিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে পজ করে চিন্তা করার নিয়ম শেখানো হয়েছে।
  • মানুষের মতামত আপনার পরিচয় নয়, তাই নিজের মূল্যায়ন নিজেই করতে হবে।
  • নিজের কথায় বিশ্বাস রাখা এবং ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে সেলফ ট্রাস্ট গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
  • মোটিভেশনের চেয়ে ডিসিপ্লিনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
  • নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং নিজের সিদ্ধান্তের জন্য দায়িত্ব নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
  • বাইরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও নিজের মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
  • নিজেকে উন্নত করার জন্য প্রতিদিন ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

Answers

Questions about this video

আনস্টপেবল মাইন্ডসেট কি এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

আনস্টপেবল মাইন্ডসেট হলো এমন মানসিকতা যা ব্যর্থতা, অপমান, প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি থেকে ভেঙে না পড়ে বরং শক্তিশালী করে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সাহায্য করে।

কিভাবে ইমোশন নিয়ন্ত্রণ করে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়?

ইমোশনাল রিয়েকশন থেকে বিরত থেকে পজ করে শ্বাস নিয়ে নিজের অনুভূতি ও ইচ্ছা যাচাই করতে হয়। এতে করে টেম্পোরারি ইমোশনের ভিত্তিতে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

নিজের উপর বিশ্বাস (সেলফ ট্রাস্ট) কীভাবে গড়ে তোলা যায়?

নিজের উপর বিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেগুলো পালন করতে হয়। প্রতিবার নিজের কথা রাখলে মস্তিষ্কে নতুন পরিচয় তৈরি হয় যা দীর্ঘমেয়াদে আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:01
Speaker A
আজ এই ভিডিওটা একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। [মিউজিক] যদি কেউ আপনাকে অপমান করে তাহলে আপনি কতদিন সেটা মনে রাখবেন? এক ঘন্টা, একদিন, এক সপ্তাহ নাকি কখনো কখনো কয়েক বছর? একটা মানুষের বলা, একটা কথা, একটা প্রত্যাখ্যান, একটা ব্যর্থতা, একটা
00:19
Speaker A
সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কিংবা এমন একটা ঘটনা যেটা আপনি চাইলেও ভুলতে [মিউজিক] পারেন না। আপনি হয়তো বাইরে থেকে স্বাভাবিক জীবন কাটাচ্ছেন, হাসছেন, মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, নিজের মনের কথা কিছুটা আবছাভাবে শেয়ার করছেন। কিন্তু আপনার মাথার ভিতরে একটা যুদ্ধ [মিউজিক] চলছে। আর সেই যুদ্ধের
00:37
Speaker A
সবচেয়ে বড় আর সেই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় শত্রু কে জানেন? না, অন্য কেউ নয়। আপনার নিজের মন। এই যে আপনি ভুলতে পারেন না। এই যে আপনি মনে রাখেন এমনটা নয় যে কেউ আপনাকে বাইরে থেকে ফোর্স করছে। আপনার মনই আপনাকে বলছে যে তুই পারবি [মিউজিক] না, তোর
00:54
Speaker A
দ্বারা হবে না। মানুষ তোকে পছন্দ করে না। তুই অনেক পিছিয়ে পড়েছিস। এতদিনে কিছুই করতে পারলি না। তার মানে কিছুই করতে পারবি না। আর কত চেষ্টা করবি, ছেড়ে দে। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো এই কথাগুলো যখন অন্য কেউ বলে তখন আমরা প্রতিবাদ করি
01:11
Speaker A
ঠিকই। কিন্তু যখন নিজের মন বলে তখন আমরা বিশ্বাস করে ফেলি। আজকের এই ভিডিওটা সেই মানুষটার জন্য যে নিজের জীবনে অনেকবার হেরেছে। অনেকবার শুরু করেছে আবার ছেড়ে দিয়েছে। যে নিজের ক্ষমতা জানে কিন্তু নিজের উপরে নিয়ন্ত্রণ নেই। আজকের ভিডিওটা সেই মানুষটার জন্য যে বাইরে থেকে দেখাই যে
01:32
Speaker A
আমি শক্তিশালী কিন্তু ঘরের ভিতরে গেলে নিজের চিন্তার কাছেই হেরে যাই। আজ আমরা কথা বলব এমন একটা শক্তি নিয়ে যেটা টাকা দিয়ে কেনা যায় [মিউজিক] না। যেটা অন্য কেউ আপনাকে উপহার হিসেবে দিতে পারে না। যেটা একবার তৈরি [মিউজিক] হলে আপনাকে
01:46
Speaker A
ভাঙ্গা খুব কঠিন হয়ে যায়। আর সেটা হলো একটা আনস্টপেবল মাইন্ডসেট। এমন একটা মানসিকতা যেখানে ব্যর্থতা আপনাকে থামায় না। অপমান আপনাকে ধ্বংস করে না। প্রত্যাখ্যান আপনাকে দুর্বল করে না। একাকিত্ব আপনাকে ভেঙে দেয় না। সমস্যা আপনাকে পালাতে বাধ্য [মিউজিক] করে না। বরং
02:06
Speaker A
প্রতিটা আঘাত আপনাকে আরো শক্তিশালী করে। প্রতিটা ব্যর্থতা আপনাকে আরো বুদ্ধিমান করে। [মিউজিক] প্রতিটা প্রত্যাখ্যান আপনাকে আরো স্বাধীন করে। আর প্রতিটা কঠিন সময়ই আপনাকে এমন একজন মানুষে পরিণত করে যাকে নিজেই আপনি সম্মান করবেন। তাই আজকের ভিডিওটা আপনাকে শেষ পর্যন্ত দেখার জন্য
02:25
Speaker A
অনুরোধ করব। কারণ আজ আমরা আপনার জীবন বদলানোর কোন জাদুর ফর্মুলা নিয়ে কথা বলবো না। আমরা কথা বলব আপনার মস্তিষ্কের সেই সাইকোলজি নিয়ে যেটা আপনি বুঝতে [মিউজিক] পারলে আপনি আর নিজের জীবনকে আগের মতো দেখবেন না। তো চলুন শুরু করা যাক। দেখুন
02:41
Speaker A
পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী মানুষ সে নয় যে অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী মানুষ সে যে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ [মিউজিক] করতে পারে। আপনি আপনার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন। আপনি শক্তিশালী। আপনি এমন কিছু করতে পারছেন না জেনেও ধৈর্য ধরে চেষ্টা করছেন আপনি
02:59
Speaker A
শক্তিশালী। আপনি যখন কেউ দেখছে না এটা জেনেও নিজের কাজটা করে যাচ্ছেন আপনি শক্তিশালী। আপনি প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ পেয়েও নিজের শান্তিকে বেছে নিয়েছেন আপনি শক্তিশালী। কারণ আসল পাওয়ার অন্যকে নিচে নামানোর [মিউজিক] মধ্যে নেই। আসল পাওয়ার হলো নিজেকে এতটা নিয়ন্ত্রণ করা যে আপনার
03:18
Speaker A
ইমোশন আপনার ডিসিশন নিতে না পারে। ভাবুন কেউ আপনাকে রাস্তায় অপমান করল। আপনার ভিতরে রাগ উঠলো, আপনি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিলেন। তারপর ঝগড়া হলো, তারপর পরিস্থিতি আরো খারাপ হলো কেন? তার কারণ আপনি সিদ্ধান্ত নেননি, আপনার ইমোশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যে মানুষ নিজের ইমোশনের হাতে
03:38
Speaker A
সিদ্ধান্ত দেয় সে কখনো সত্যিকারের স্বাধীন নয়। আপনি যদি রাগের সময় সিদ্ধান্ত নেন, আপনি এমন কিছু করতে পারেন যার জন্য আপনি আফসোস করবেন। আপনি যদি অতিরিক্ত আনন্দের সময় সিদ্ধান্ত নেন, আপনি এমন কিছু কিনতে পারেন যার কোন প্রয়োজনই ছিল না। আর আপনি যদি ভয়ের সময় সিদ্ধান্ত
03:56
Speaker A
নেন, আপনি এমন একটা সুযোগ হারাতে পারেন যা আপনার জীবন বদলা দিতে [মিউজিক] পারতো। তাই একটা নিয়ম মনে রাখুন। নেভার মেক পারমানেন্ট ডিসিশন বেসড অন টেম্পোরারি ইমোশন। আপনার ইমোশন স্বাভাবিক, কিন্তু আপনার সিদ্ধান্তের ফলাফল অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী। তাই পাওয়ারফুল মাইন্ডসেটের
04:15
Speaker A
প্রথম নিয়মই হচ্ছে পজ বিফোর ইউ রিএক্ট। কেউ কিছু বলল সঙ্গে সঙ্গে [মিউজিক] উত্তর দেবেন না। কেউ আপনাকে প্রত্যাখ্যান করল সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে মূল্যহীন ভাববেন না। কেউ আপনাকে অপমান করল সঙ্গে সঙ্গে প্রতিশোধ নেয়ার কথা ভাববেন না। একটু থামুন, শ্বাস নিন, নিজেকে প্রশ্ন করুন। যে
04:34
Speaker A
এই মুহূর্তে আমি কি অনুভব করছি? আমি কি সত্যি এটা করতে চাই নাকি আমার ইমোশন এটাকে করাচ্ছে? এই ছোট্ট একটা পজ আপনার জীবন বদলা [মিউজিক] দিতে পারে। দেখুন আপনার জীবনের অনেক কষ্ট ঘটনাগুলো থেকে আসে না। সেই ঘটনাগুলোকে আপনি কেমনভাবে দেখছেন?
04:51
Speaker A
ধরুন একজন মানুষ আপনাকে ফোন করলো না। [মিউজিক] আপনি ভাবলেন সে আমাকে ইগনোর করছে। তারপর মন খারাপ, তারপর রাগ, তারপর সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ। কিন্তু হয়তো সে ব্যস্ত ছিল। হয়তো সে নিজের সমস্যায় ছিল। হয়তো সে ফোন করার অবস্থায় ছিল না। ঘটনা
05:07
Speaker A
একই। কিন্তু আপনার ইন্টারপ্রিটেশন বদলে গেল আর আপনার ইমোশনও বদলে গেল। এটাই মাইন্ডসেটের শক্তি। আপনি পৃথিবীর প্রতিটা ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু আপনি একটা জিনিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন যে আপনি সেই ঘটনার অর্থ কি দিচ্ছেন বা আপনি সেই ঘটনাটিকে কেমনভাবে দেখছেন। দেখুন
05:26
Speaker A
কেউ আপনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তার মানে এই নয় যে আপনি মূল্যহীন। কেউ আপনার কাজের প্রশংসা করেনি, তার মানে এই নয় যে আপনার কাজের মূল্য নেই। কেউ আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে, তার মানে এই নয় যে আপনি ভালোবাসার যোগ্য নন। কেউ আপনাকে ব্যর্থ বলেছে, তার
05:40
Speaker A
মানে মোটেই এমনটা [মিউজিক] নয় যে আপনি ব্যর্থ। একটা কথা মনে রাখবেন কারোর অপিনিয়ন আপনার আইডেন্টিটি নয়। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে মানুষের মতামত আপনার পরিচয় নয়। [মিউজিক] আর এটা আপনি যত সহজে বুঝে নেবেন, যত দ্রুত আপনার মস্তিষ্কে
05:57
Speaker A
প্রবেশ করাবেন ততই আপনার জন্য ভালো। একটা সময় ছিল যখন আমরা ভাবতাম যে সবাই আমাকে পছন্দ করুক, সবাই আমাকে প্রশংসা করুক, সবাই আমাকে ভালো বলুক, কিন্তু বড় হতে হলে আপনাকে একটা সত্য মেনে নিতেই হবে যে সবাই আপনাকে পছন্দ [মিউজিক] করবে না। আর এটাই
06:16
Speaker A
স্বাভাবিক। আপনি যত ভালো মানুষই হন না কেন কেউ না কেউ আপনাকে অপছন্দ করবে। আপনি যত সৎ হন না কেন কেউ না কেউ আপনাকে অহংকারী বলবে। আপনি যত পরিশ্রমই করেন না কেন কেউ না কেউ আপনার কাজকে ছোট করবে। আপনি সফল হলে কেউ বলবে আপনার ভাগ্য ভালো
06:33
Speaker A
ছিল। আপনি ব্যর্থ হলে কেউ বলবে আপনি অযোগ্য। তাহলে আপনি কার কথা শুনবেন? সবাই এর অসম্ভব। এটা কখনোই সম্ভব নয়। তাই নিজের জীবনের স্টেয়ারিং হুইলস অন্য মানুষের হাতে দেবেন না। আপনি যদি প্রতিটা সিদ্ধান্তের আগে ভাবেন যে মানুষ কি বলবে,
06:49
Speaker A
মানুষ কি ভাববে, তাহলে আপনি আর আপনার থাকবেন না। আপনার জীবন হয়ে যাবে মানুষের মতামতের একটা বন্দি জীবন। পাওয়ারফুল মানুষ একটা কথা জানে যে আমি সকলকে সন্তুষ্ট করতে পারবো না। তাই সে নিজেই নিজের মূল্য ঠিক করে। সে জানে যে আমি কি চাই, আমি কি করতে
07:06
Speaker A
চাই, আমি কোথায় যেতে চাই, কোন পথে চলতে চাই, কিভাবে এগোতে চাই। এরপর সে এগিয়ে যায়। সে নিজেই নিজেকে বলে যে মানুষ হাসছে হাসুক না। মানুষ সমালোচনা করছে করুক না। কোন যায় আসে না। মানুষ বলছে যে তুই পারবি না, তোর দ্বারা হবে না। কোন উত্তর দেয়ার
07:22
Speaker A
কোন দরকার নেই। শুধু কাজ করে যেতে হবে। কারণ সে জানে যে মানুষের মতামত পরিবর্তন হতে সময় লাগবে না। যখন জীবন পরিবর্তন হতে শুরু করবে তখন মানুষ নিজের বক্তব্য পরিবর্তন [মিউজিক] করে দেবে। তাই সে সবকিছুকে গুরুত্ব দেয়ার পরিবর্তে নিজেকে
07:39
Speaker A
গুরুত্ব দেয়। নিজের উপরে বিশ্বাস রাখে। আর এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেখুন আপনি যদি নিজেই নিজের উপরে বিশ্বাস না করেন তাহলে পৃথিবীর লাখো মানুষ আপনার উপরে বিশ্বাস করলেও কোন লাভ নেই। সেলফ কনফিডেন্সের আগে দরকার সেলফ ট্রাস্ট। নিজের উপরে বিশ্বাস। নিজেকে কথা দিয়ে সেই
07:58
Speaker A
কথা রাখাটা জরুরি। আপনি বললেন আগামীকাল সকাল সাতটায় উঠবো। সাতটাই এলার্ম বাজলো। আপনি সেই এলার্ম বন্ধ করে দিলেন। তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়লেন এবং উঠে নিজেই নিজেকে বললেন যে আজ নয়, কাল থেকে। শুনতে ব্যাপারটা হয়তো ছোট মনে হচ্ছে। কিন্তু [মিউজিক] আপনার মস্তিষ্ক একটা জিনিস শিখছে
08:16
Speaker A
আর সেটা হচ্ছে আমি নিজের কথাই নিজে রাখি না। তারপর আপনি বললেন যে আমি প্রতিদিন এক ঘন্টা করে পড়ব। [মিউজিক] দুইদিন করলেন, কিন্তু তৃতীয় দিন করলেন না। তারপর আপনার নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস কমতে শুরু করল। দেখুন একটা বিষয় আপনাকে ক্লিয়ার করাটা
08:33
Speaker A
প্রয়োজন। সেলফ ট্রাস্ট মানে নিজের উপরে বিশ্বাস। কোন বড় কাজ দিয়ে তৈরি হয় না। তৈরি হয় ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং সেই প্রতিশ্রুতি রেখে। তাই বলছি নিজেকে বলুন যে আমি 20 মিনিট হাঁটবো। তারপর হাঁটুন। বলুন যে আমি আজ কাজ শেষ করবই।
08:51
Speaker A
তারপর শেষ করুন। বলুন যে আজ রাতে আমি ফোন স্ক্রল করবো না। তারপর ফোন দূরে রাখুন। প্রতিবার যখন আপনি নিজের কথা রাখছেন তখন আপনার মস্তিষ্ক একটা নতুন পরিচয় তৈরি করছে যে আমি এমন একজন মানুষ যে নিজের কথা রাখে। আর এই পরিচয়টাই একদিন আপনাকে
09:08
Speaker A
আনস্টপেবল করে তুলবে। দেখুন ডিসিপ্লিনই হচ্ছে বেস্ট মোটিভেশন। মোটিভেশন সুন্দর, কিন্তু মোটিভেশন স্থায়ী নয়। আপনি আজ একটা মোটিভেশনাল ভিডিও দেখলেন, আপনার মনে হলো যে জীবন বদলে দেব। আমি তো বলব যতটা মোটিভেশনে বিশ্বাস করছেন তার থেকে অনেকগুণ বেশি ডিসিপ্লিনে বিশ্বাস করুন। কারণ এটা
09:29
Speaker A
আপনাকে লম্বা সময়ের জন্য সাহায্য করবে। আপনি একটা নোটবুক কিনলেন, প্ল্যান করলেন, ওয়ার্কআউট শুরু করলেন, স্টাডি শুরু করল
09:46
Speaker A
কিন্তু ডিসিপ্লিন ডিসিপ্লিন বলে আজ তোমার ইচ্ছা করছে না তবুও করো। আজ জিমে যেতে ইচ্ছা করছে না তবুও যাও। আজ পড়তে ইচ্ছা করছে না তবুও পড়ো। আজ ভিডিও বানাতে ইচ্ছা করছে না তবুও বানাও। আজ মন খারাপ তবুও নিজের [মিউজিক] কাজটা করো। তার কারণ আপনার
10:04
Speaker A
ভবিষ্যৎ আপনার আজকের মুডের উপরে তৈরি হওয়া উচিত নয়। দেখুন জীবনে বড় কিছু হাসিল করতে গেলে নিজের জীবনে পরিবর্তন আনতে গেলে নিজের মনের বিরুদ্ধে [মিউজিক] যেতে হবেই। সবসময় যে আপনার সবকিছু ভালো লাগবে বিষয়টা মোটেই এমন নয়। ডিসিপ্লিন আপনাকে বলে যে ভালো না লাগলেও করতে হবে।
10:23
Speaker A
তাই আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি হওয়া উচিত আপনার ডিসিপ্লিনের উপর। একটা শক্তিশালী মানুষ সবসময় মোটিভেটেড থাকে না। কিন্তু সে জানে যে আমার ইচ্ছা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার কমিটমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ। দেখুন আমি আপনাকে বলব যে একা থাকা শিখুন এবং একা থাকা অভ্যাস করুন। তার কারণ আপনি যদি একা থাকতে
10:42
Speaker A
না পারেন তাহলে আপনি সহজেই ভুল মানুষের সঙ্গে থেকে যাবেন শুধু একাকিত্বের ভয়ে। অনেক [মিউজিক] মানুষ টক্সিক রিলেশনশিপ থেকে বার হয় না শুধুমাত্র একা থাকার ভয়ের কারণে। অনেক মানুষ খারাপ বন্ধুত্ব ছাড়ে না। কারণ সে ভাবে আমার তো আর কেউ
10:56
Speaker A
থাকবে না। [মিউজিক] অনেক মানুষ নিজের স্বপ্ন ছেড়ে দেয় কারণ তার আশেপাশের মানুষগুলো তাকে বুঝতে পারে না। কিন্তু জীবনে এমনও একটা পর্যায় আসে যখন আপনাকে একা হাঁটতে হয়। আপনার নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হয়। আপনাকে নিজের স্বপ্ন নিজেকেই বিশ্বাস করতে হয়। আর সেই সময়
11:13
Speaker A
একাকিত্ব আপনার শত্রু নয় বরং একাকিত্ব হতে পারে আপনার ট্রেনিং গ্রাউন্ড। একা থাকুন, নিজেকে জানুন, নিজেকে চিনুন, নিজের ভুলগুলো দেখুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন যে আমি আসলে কি চাই? আমি কোথায় যেতে চাই, আমি কোন মানুষ হতে চাই। কারণ আপনি যখন একা
11:30
Speaker A
থাকতে শিখবেন তখন ভুল মানুষকে ধরে রাখার আর প্রয়োজন থাকবে না। তাই একাকিত্বকে ভালোবাসুন। একা থাকা অভ্যাস করুন। তার কারণ এটা আপনাকে ভাঙতে আসে না বা এটা আপনাকে দুর্বল করতে আসে না বরং এটা নিজেকে তৈরি করার সুযোগ নিয়ে আসে। দেখুন জীবনে
11:49
Speaker A
কষ্ট আসবে। এটা আপনি আটকাতে [মিউজিক] পারবেন না। কেউ আপনাকে কষ্ট দেবে। আপনি ব্যর্থ হবেন। কেউ আপনাকে প্রত্যাখ্যান করবে। আপনার পরিকল্পনা ভেজতে যাবে। আপনার টাকা হারাতে পারেন। কখনো কখনো আপনার কাছের মানুষ আপনাকে বুঝবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো কষ্ট আসবে কিনা সেটা নয়। প্রশ্ন হলো কষ্ট
12:08
Speaker A
আসার পরে আপনি কি করবেন? একই [মিউজিক] আগুন কাউকে পুড়িয়ে দেয় আবার সেই আগুনেই কেউ লোহাকে শক্ত করে। একই ব্যর্থতা কাউকে থামিয়ে দেয় আবার কাউকে তৈরি করে। তাই আপনার কষ্টকে প্রশ্ন করুন যে তুমি কি আমাকে শেখাতে এসেছো? হয়তো এটা আপনাকে
12:25
Speaker A
নতুন স্কিল শেখাবে। আপনার ব্যবসা ব্যর্থ হয়েছে। হয়তো এটা আপনাকে এমন ভুল দেখাবে যা আবার করলে আপনার বড় ক্ষতি হতে পারে। একটা সম্পর্ক ভেঙেছে। হয়তো আপনি নিজেকে নতুনভাবে চিনতে শিখেছেন। সব কষ্টের সঙ্গে সঙ্গে অর্থ আসে না। কিন্তু আপনি চাইলে
12:42
Speaker A
আপনার কষ্টকে [মিউজিক] অর্থপূর্ণ করে তুলতে পারেন। দেখুন ব্যর্থতাকে ভয় করলে আপনি জীবনে বড় কিছু করতে পারবেন না। কারণ বড় কিছু করতে গেলে ব্যর্থ হতে হবে। হয়তোবা একবার, হয়তোবা দুইবার হয়তো বা শতবার। আবার কখনো [মিউজিক] কখনো তার চেয়েও বেশি। আপনি
12:59
Speaker A
YouTube শুরু করলেন হয়তো ভিউজ [মিউজিক] এলো না। তাহলে কি করবেন? বন্ধ করে দেবেন নাকি আপনি শিখবেন? আপনি ব্যবসা শুরু করলেন, প্রথমবার ব্যর্থ হলেন তাহলে কি নিজেকে ব্যর্থ ভাববেন? নাকি বলবেন প্রথম এটেমট ব্যর্থ হয়েছে। [মিউজিক] আমি ব্যর্থ নই। এই পার্থক্যটা বোঝুন। আপনি কোন একটা
13:17
Speaker A
বিষয়ে ব্যর্থ হলেন তার মানে মোটেই এমনটা নয় যে আপনি আপনার জীবনে বিফল হয়ে গেছেন। আপনার একটা ঘটনা কখনো আপনার পুরো পরিচয় [মিউজিক] হতে পারে না। আপনি জানেন বেশিরভাগ মানুষ কেন তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে না। কারণ তারা স্বপ্ন পূরণ করতে
13:33
Speaker A
চায় কিন্তু স্বপ্নের দাম দিতে চায় না। সবাই সফল হতে চাই কিন্তু সবাই রিজেকশন সহ্য করতে চায় না। সবাই ফিট হতে চাই কিন্তু সবাই ডিসিপ্লিন সহ্য করতে চাই না। সবাই ধনী হতে চাই। কিন্তু সবাই দীর্ঘ সময়ের আনসার্টেনিটি সহ্য করতে চাই না।
13:49
Speaker A
সবাই বড় ইউটিউবার হতে চাই। কিন্তু সবাই বছরের পর বছর কনসিস্টেন্সি বজায় রেখে কাজ করতে চাই না। পেইন একসেপ্ট করতে চাই না। দেখুন কিছু কাজ এমন থাকবে যা আপনার ভালো [মিউজিক] লাগবে না। তবুও করতে হবে। কিছুদিন এমন থাকবে যেদিন আপনার কোন কিছু
14:06
Speaker A
করতে ইচ্ছা করবে না। তবুও করতে হবে। কিচ্ছু ভালো লাগবে না। তবুও ভালো লাগাতে হবে। কিছু মানুষ আপনাকে ছেড়ে যাবে। তবুও আপনি [মিউজিক] নিজের পথে থাকবেন। তার কারণ একটা সময় পরে আপনি বুঝবেন যে কমফর্টেবল জোনের মধ্যে থেকে কখনো জীবনে গ্রোথ আসে
14:22
Speaker A
না। ডিকমফর্ট ইজ দি প্রাইস অফ গ্রোথ। আপনি যদি সাময়িক অস্বস্তি সহ্য করতে পারেন তাহলে দীর্ঘমেয়াদী আপনি এমন জীবন তৈরি করতে পারবেন যেটা অন্যরা শুধুমাত্র স্বপ্নই দেখে। দেখুন আজকের পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কিন্তু টাকা নয়। আপনার এটেনশন আপনি কোথায় তাকাচ্ছেন কি
14:41
Speaker A
দেখছেন কি শুনছেন কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন আপনার মস্তিষ্ক প্রতিদিন হাজার হাজার তথ্য গ্রহণ করছে সোশ্যাল মিডিয়া শর্ট ভিডিও নোটিফিকেশন ড্রামা গসিপ কম্পারিজন আর তারপর আমরা অবাক হই যে [মিউজিক] আমাদের ফোকাস কোথায় গেল আপনি আপনার ফোকাস নিজের উপরে করেননি বরং অন্য
15:00
Speaker A
মানুষের উপরে করেছেন। অন্য মানুষের জীবন দেখতে দেখতে আপনার জীবন বানানোর সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। অন্য মানুষের সফলতা দেখতে দেখতে আপনার নিজের জার্নি ছোট মনে হচ্ছে। তাই পাওয়ারফুল মাইন্ডসেটের একটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হচ্ছে প্রটেক্ট ইওর এটেনশন। সবকিছু দেখার দরকার নেই। সব উত্তর
15:19
Speaker A
দেয়ার দরকার নেই। সব বিতর্কে অংশ [মিউজিক] নেয়ার দরকার নেই। সব মানুষের জীবন নিয়ে জানার দরকার নেই। আপনার মনকে একটা দরজা ভাবুন। সবাইকে ভিতরে ঢুকতে দেবেন না। কারণ আপনার মন মস্তিষ্কে যেটা ঢুকছে একদিন সেটাই আপনার চিন্তা হয়ে বার হবে। স্টপ কমপেয়ারিং ইওর চ্যাপ্টার ওয়ান
15:38
Speaker A
উইথ সামওয়ানস চ্যাপ্টার 20য়েন্টি। আপনার সবচেয়ে বড় মানসিক বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটা বড় বিষয় হলো তুলনা। [মিউজিক] আপনি অন্য মানুষের সফলতা দেখলেন। তার গাড়ি আছে, তার বাড়ি আছে, তার টাকা আছে, তার ফলোয়ার্স আছে। আর আপনি ভাবলেন আমি কোথায়। কিন্তু
15:54
Speaker A
আপনি জানেন না যে সে কত বছর পরিশ্রম করেছে। আপনি জানেন না তার পিছনে কত ব্যর্থতা আছে। আপনি জানেন না তার জীবনের কোন অংশ সে ইন্টারনেটে দেখাচ্ছে না। তাই নিজের চ্যাপ্টার ওয়ান এর সঙ্গে অন্য কারোর চ্যাপ্টার 20 কে তুলনা করবেন না।
16:09
Speaker A
কুলিয়ে ফেলবেন না। আপনার [মিউজিক] প্রতিযোগিতা আপনার নিজের সঙ্গে। আপনার গতকালের নিজের সঙ্গে। গতকালের আপনার তুলনায় আজকের আপনি যদি 1% নিজেকে উন্নত করতে পারেন হ্যাঁ শুধুমাত্র 1% তাহলে আপনি জিতেছেন। গতকালকের থেকে যদি আজ একটু বেশি পড়েন তাহলে জিতেছেন। যদি আজ একটু রাগ কম
16:28
Speaker A
দেখান তাহলে জিতেছেন। যদি আজ নিজেই নিজের কথা রাখেন তাহলে জিতেছেন। এই ছোট ছোট জয় গুলোকে অবহেলা করবেন না। কারণ একটা বড় মানুষ তৈরি হয় ছোট ছোট জয়ের স্তুপ দিয়ে। অনেকে বলে যে আমার গোল হলো [মিউজিক] 10 কেজি ওজন কমানো। আমার গোল হলো
16:46
Speaker A
এক লক্ষ টাকা আই করা। আমার গোল হলো এক লাখ সাবস্ক্রাইবার। কিন্তু গোলের থেকেও একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আছে। আর সেটা হলো আমি কি ধরনের মানুষ হতে চাই। আপনি যদি বলেন যে আমি একজন ডিসিপ্লিন মানুষ তাহলে আপনার সিদ্ধান্ত বদলাবে। আপনি বলবেন আমি একজন
17:02
Speaker A
রিডার। তাহলে [মিউজিক] আপনি পড়বেন। আপনি বলবেন আমি একজন ক্রিয়েটর। তাহলে আপনি তৈরি করবেন। আপনি বলবেন আমি এমন একজন মানুষ যে নিজের কথা রাখে। তাহলে আপনি নিজের কথা রাখবেন। কারণ মানুষ তার গোল অনুযায়ী সবসময় কাজ করে না। মানুষ তার
17:19
Speaker A
আইডেন্টিটি অনুযায়ী কাজ করে। তাই আজ থেকে শুধু [মিউজিক] বলবেন না যে আমি সফল হতে চাই। বরং বলুন আমি এমন একজন মানুষ হব যে সফল মানুষের মত আচরণ করে। আপনার মস্তিষ্কের [মিউজিক] একটা স্বভাব আছে। আপনি কোন একটা ভালো কাজ
17:33
Speaker A
করার কথা ভাবলেন। আর সঙ্গে সঙ্গে আপনার ব্রেন একটা অজুহাত তৈরি [মিউজিক] করবে না পাঁচ মিনিট পরে করব। আজ একটু ক্লান্ত কাল থেকে শুরু করব। এখন সময় নেই। এই কথাগুলো শুনতে যুক্তিসম্মত। কিন্তু এগুলো বারবার আপনার জীবনকে পিছিয়ে দেয়। তাই একটা
17:50
Speaker A
নিয়ম ব্যবহার করুন। আপনি কোন কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলেন ফাইভ ফর থ্রট ওয়ান গো। আর কোন কিছু ভাববেন না। একশন নিন। জিমে যাবেন, উঠুন। বই পড়বেন, বই খুলুন। ভিডিও বানাবেন, ক্যামেরা চালু করুন। লিখবেন প্রথম লাইন লিখুন। কারণ অনেক সময় মোটিভেশন
18:08
Speaker A
অ্যাকশনের পরে আসে। আপনি প্রথমে কাজ শুরু করেন তারপর মোমেন্ট [মিউজিক] তৈরি হয়। আরেকটা বিষয় আপনাকে বলি। নীরবতা আপনার কাছে অস্তেরের মত। মানে সবকিছুর উত্তর দেওয়ার কোন দরকার নেই। সবকিছুর উত্তর দিতে যাবেন না। কেউ আপনাকে ভুল বুঝলো সবসময় নিজেকে এক্সপ্লেইন করতে যাবেন [মিউজিক]
18:26
Speaker A
না। কেউ আপনাকে ছোট করল সবসময় নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না। কেউ আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলল প্রতিটি কথার উত্তর দেয়ার দরকার নেই। মনে রাখবেন সাইলেন্স ইজ নট উইকনেস। কখনো কখনো সাইলেন্স মানে আমি জানি আমি কে। আমাকে তোমার অনুমোদনের প্রয়োজন
18:42
Speaker A
নেই। আপনি যদি প্রতিটি মানুষের কথায় রিএক্ট করেন তাহলে আপনার ইমোশন রিমোট কন্ট্রোল অন্য মানুষের হাতে। তারা একটা বাটাম চাপবে। আপনি [মিউজিক] রেগে যাবেন। আরেকটা চাপবে আপনি কষ্ট পাবেন। আরেকটা চাপবে আপনি হতাশ হবেন। রিমোট কন্ট্রোল ফিরিয়ে নিন। আপনার ইমোশনের মালিক আপনি
18:58
Speaker A
নিজেই হন। দেখুন একজন আনস্টপেবল মানুষ সবসময় ইন্টেলিজেন্ট মানুষ নয়। সে এমন একজন মানুষ যাকে সহজে ডিস্ট্রাক্ট করা যায় না। সে জানে যে আমার সময় সীমিত। তাই সে বেছে নেয়। সব মানুষ তার বন্ধু নয়। সব সুযোগ তার জন্য নয়। সব ট্রেন্ড তার জন্য
19:16
Speaker A
নয়। সব আলোচনা তার জন্য নয়। সব নোটিফিকেশন তার জন্য নয়। তার একটা ডিরেকশন আছে। আপনার জীবনে যদি ডিরেকশন না থাকে তাহলে অন্য মানুষ আপনাকে ডিরেকশন দেবে। তাই নিজের জীবনের একটা প্রশ্ন লিখে রাখুন। আমি আগামী তিন বছরে কেমন মানুষ হতে
19:31
Speaker A
চাই? কোন মানুষ হতে চাই? তারপর নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন। যে আমি কি আজ সেই মানুষের দিকে এগিয়েছি? যদি উত্তর হয় হ্যাঁ তাহলে আপনি জিতেছেন। একবার [মিউজিক] চোখ বন্ধ করুন। আজ থেকে পাঁচ বছর পরের আপনি আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সে দেখছে
19:48
Speaker A
সে জানে আপনি কাজ কি করছেন। আপনি আজ যে সময় নষ্ট করছেন সে জানে। [মিউজিক] আপনি আজ যে সুযোগ ভয় পেয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন সে জানে। আপনি যে কাজটা কাল থেকে শুরু করবেন বলে আজও করছেন না সে জানে। এবার তাকে
20:01
Speaker A
[মিউজিক] একটা প্রশ্ন করুন যে আমি আজ কি করলে তুমি আমার জন্য গর্বিত হবে। হয়তো উত্তর আসবে [মিউজিক] আজ থেকেই শুরু করো। আজ আর ওজুহাত দিও না। আজ নিজের কথা রাখো। আজ নিজের জীবনটাকে [মিউজিক] সিরিয়াসলি নাও। কারণ ভবিষ্যৎ হঠাৎ করে তৈরি হয় না।
20:18
Speaker A
আপনার আজকের সিদ্ধান্তগুলোই আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি করছে। দেখুন প্রতিটা মানুষের জীবনেই খারাপ সময় আসে। জীবনে এমনও কিছু সময় আসবে যেদিন আপনার মনে হবে যে আমি আর পারছি না। সেই দিনটাও আসবে। আপনি ক্লান্ত হবেন, কাঁদবেন, হতাশ হবেন। কখনো মনে হবে যে সবাই
20:35
Speaker A
এগিয়ে গিয়েছে আর আপনি একা পিছিয়ে পড়ছেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন আপনার ভেঙে পড়া মানে আপনার শেষ হয়ে যাওয়া নয়। কখনো কখনো ভেঙে পড়া মানে পুরনো আপনাকে ভেঙে নতুন আপনাকে তৈরি করার সুযোগ এসেছে। আপনি পড়ে গেছেন উঠুন। আবার
20:52
Speaker A
পড়েছেন আবার [মিউজিক] উঠুন। 10 বার পড়েছেন 11 বার উঠুন। কারণ আপনার জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী অধ্যায় হয়তো আপনার সবচেয়ে কঠিন সময়ের পরেই শুরু হবে। দেখুন এখনো পর্যন্ত আমি অনেক কথা বললাম। কিন্তু আজকের ভিডিও থেকে যদি পাঁচটা জিনিস মনে রাখেন তাহলে আপনার জীবন আপনার
21:10
Speaker A
নিয়ন্ত্রণেই থাকবে এবং আপনি আপনার জীবনের সবথেকে সেরা ভার্সন হয়ে উঠতে পারবেন। [মিউজিক] প্রথমত নিজেকে তৈরি করুন। দ্বিতীয় মানুষের এপ্রুভালের উপর নিজের মূল্য নির্ভর করাবেন না। তৃতীয় ডিসিপ্লিন তৈরি করুন। চতুর্থ ব্যর্থতাকে ভয় করবেন না। এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ নিজের উপর থেকে
21:32
Speaker A
কখনো বিশ্বাস হারাবেন না। নিজেকে ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি দিন এবং সেগুলো রাখুন। মনে রাখবেন এই পৃথিবীতে যদি কেউ আপনাকে হারাতে পারে তাহলে সেটা আপনি নিজেই। যদি কেউ আপনার হারার কারণ হয়ে থাকে তাহলে সেটা আপনি নিজেই। আর যদি কেউ আপনার জয়ের কারণ
21:51
Speaker A
হয়ে থাকে তাহলে সেটাও আপনি নিজে। এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিন আপনার ভবিষ্যতের নিজেকে আপনি কোথায় দেখতে চান?
Topics:আনস্টপেবল মাইন্ডসেটসেলফ ট্রাস্টমানসিক শক্তিমোটিভেশনডিসিপ্লিনমন নিয়ন্ত্রণবাংলা মোটিভেশনালআত্মবিশ্বাসইমোশন নিয়ন্ত্রণব্যর্থতা মোকাবেলা

Get More with the SozAI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →