জেদি পুরুষের ৩টি মাইন্ডসেট যা টাকা ও সাফল্য অর্জনে বাধ্য করে। সফলতার জন্য রিজেকশনকে গ্রহণ, ভিড়ের বিপরীতে হাঁটা ও শেখার ক্ষুধা অপরিহার্য।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- রিজেকশনকে পজিটিভ চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
- সফল হতে হলে ভিড়ের বিপরীতে একা দাঁড়ানোর সাহস থাকতে হবে।
- অবিরাম শেখার ইচ্ছা ও সঠিক পরিশ্রম সফলতার মূল চাবিকাঠি।
- নিজেকে পরিবর্তন না করলে সাফল্য আসা কঠিন।
- টাকা ও ক্ষমতা অর্জন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা।
What the video covers
- সফল পুরুষদের মধ্যে একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো জেদ, যা তাদের ব্যাংক ব্যালেন্সে লক্ষ লক্ষ টাকা যোগ করেছে।
- প্রথম মাইন্ডসেট: রিজেকশনকে সাফল্যে রূপান্তর করার ক্ষমতা থাকা জরুরি, যা অপমানকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে।
- দ্বিতীয় মাইন্ডসেট: ভিড়ের বিপরীতে একা হাঁটার সাহস ও নিজের পথে চলার দৃঢ় সংকল্প।
- তৃতীয় মাইন্ডসেট: শেখার অদম্য ক্ষুধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সঠিক পথে কাজ করা।
- সফলতা লটারি নয়, এটি প্রতিদিন নিজের সীমা পেরোনোর ফলাফল।
- নিজেকে পরিবর্তন করে যোগ্য করে তোলা জরুরি, যাতে টাকা ও ক্ষমতা অর্জন সম্ভব হয়।
- অপমান ও নেতিবাচকতা থেকে শক্তি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সফলতার চাবিকাঠি।
- ভিড়ের মত চললে সফল হওয়া কঠিন, আলাদা পথ বেছে নেওয়া প্রয়োজন।
- পরিশ্রম শুধু যথাযথ পথে করলে ফলাফল আসে, অন্যথায় ক্লান্তি ছাড়া কিছু নয়।
- টাকা না থাকলে সম্পর্কের মূল্য কমে যায়, তাই আর্থিক সফলতা অর্জন জরুরি।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
পৃথিবীর শীর্ষ এক পারসেন্ট পুরুষ যারা পুরা দুনিয়া শাসন করছে, যারা কোটি কোটি টাকার মালিক, যাদের সাকসেসের গল্প আমরা সারাদিনই কোথাও না কোথাও শুনতেছি, এদের সবার মধ্যে একটা কমন বৈশিষ্ট্য আছে। জানেন সেটা কি? সাধারণ মানুষ এটাকে একঘুয়েমি বলে, পাগলামি বলে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এটা হচ্ছে জেদ। তাদের যেদি তাদের ব্যাংক ব্যালেন্সের পেছনে নয়টা শূন্য বসিয়ে দিয়েছে, কারো কারো ক্ষেত্রে তো আরো অনেক বেশি। একজন সাধারণ মানুষ হয়ে আপনি হয়তো এখন ভাবতেছেন, আমার তো জীবনে সফলতা পাওয়ার অনেক ইচ্ছা আছে ঠিকই। কিন্তু এই সফলতা পাওয়ার জন্য যেরকম জেদ আমার ভিতর থাকা দরকার, সেরকম জেদ তো আমার ভিতর থেকে আসতেছে না। এই সমস্যা শুধু আপনার একান না, এটা ম্যাক্সিমাম মানুষেরই সমস্যা। কিন্তু আজ এই এক ভিডিওই আপনার ভিতর সফলতা পাওয়ার জন্য যেরকম জেট তৈরি করা দরকার, সেরকম জেদ তৈরি করে দিবে। কারণ আজকের ভিডিওতে আমি সফল পুরুষদের যেরকম স্ট্রং মাইন্ডসেট থাকে, যেরকম জেদ থাকে, সেটা নিয়ে তো কথা বলবই। সাথে বোনাস হিসেবে আমি জীবনের কিছু বাস্তবতাও তুলে ধরবো। এই বাস্তবতাগুলো যখন আপনি শুনবেন, বুঝবেন, তখন আপনি অটোই ফোকাসড থাকবেন আপনার জীবনের লক্ষ্যের প্রতি এবং আপনি ইজিলি তখন সফল পুরুষদের যে তিনটা স্ট্রং মাইন্ডসেট থাকে, সে মাইন্ডসেট সবসময় নিজের মধ্যে ধরে রাখতে পারবেন। এই তিনটা মাইন্ডসেট যৌথভাবে কাজ করবে আপনার জীবনের টাকা এবং সফলতার মুখ দেখানোর জন্য। সোজা কথায় বলতে গেলে, জীবনের বাস্তবতাগুলো যখন আপনি স্মরণে রাখবেন, তখন এই তিনটা স্ট্রং মাইন্ডসেট থেকে আপনি আর ফসকে পড়বেন না। বোঝাই যাচ্ছে আজকের ভিডিওটা খুবই ইম্পরট্যান্ট, সুতরাং ভিডিওটা আজ অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখুন। লেটস ডাইভ ইনটু দ্যা মেইন টপিক। প্রথম মাইন্ডসেট যেটা আপনার ভিতর অবশ্যই আনতে হবে তা হচ্ছে আপনি রিজেকশনকে সাফল্যে রূপান্তর করবেনই করবেন। এই জেদ আপনার ভিতর ডেভলপ করতেই হবে। নরমালি মানুষ যখন কারো কাছ থেকে বা কোথাও থেকে একটা রিজেকশন পায়, সেটা চাকুরির ইন্টারভিউ হোক বা কারো সাথে একটা ব্যবসা শুরু করতে চেয়েছে, সেখান থেকে হয়তো সে রিজেক্ট হয়েছে বা কোন কারণে হয়তো সেটা হয়নি, তখন সে নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করা শুরু করে। আবার আমাদের বাঙালিদের তো একটা রোগ আছেই যে আমরা ভাবি আমাদের ভাগ্য অনেক খারাপ। কিন্তু একজন পাওয়ারফুল জেদি পুরুষের সাইকোলজি একদম আলাদা। ভালোভাবে শুনুন, কারণ এই সাইকোলজিটাই আপনার ভিতর আনতে হবে। যখন কেউ আপনাকে বলবে, তোমাকে দিয়ে এটা হবে না, এটা তোমার জন্য না, তখন আপনার ব্রেইন এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। আপনি এটাকে শুধু অপমান হিসেবে নিবেন না, বরং এটাকে আপনি একটা গোল্ডেন অপরচুনিটি হিসেবে দেখবেন। আর এর জন্য এখানে আপনাকে পজিটিভ থিংকিং এর ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে। সে যে নেগেটিভ কথাগুলো আপনাকে শোনালো, সে নেগেটিভিটি নিয়ে পড়ে না থেকে বরং আপনি নিজেকে বোঝান, সে বলছে যে আমি পারবো না। এর অর্থ সে আমার আসল দক্ষতা এবং ক্ষমতা সম্পর্কে জানেই না। এবার সময় হয়েছে তাকে ভুল প্রমাণ করার। আপনি এখানে আপনার রিজেকশন কে পজিটিভলি ব্যবহার করলেন। আপনার এই ধরনের থিংকিং এর কারণেই কিন্তু আপনি এখন আর অলস বসে থাকতে পারবেন না। কারণ এখন আপনার থিংকিং বলেন, ইগো বলেন, সবকিছু এখন আপনার জন্য পজিটিভলি কাজ করা শুরু করেছে। যেমন ধরুন, আপনার বস আপনাকে বলল, তুমি প্রমোশনের যোগ্য না। আপনার ফ্যামিলি আপনাকে বলল, তুই একটা অপদার্থ। সোসাইটি যখন আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, তখন সেগুলোকে নিয়ে বারবার ভেবে ভেবে সময় নষ্ট না করে বরং তাদেরকে আপনার আসল ক্ষমতাটা দেখিয়ে দিন। এই অপমানগুলোই আপনার জেতকে আগুনের মত জ্বালিয়ে রাখবে। শুনুন, পৃথিবী তাদেরকেই মনে রাখে যারা ডিফারেন্ট কিছু করে গিয়েছে জীবনে। আপনার জেতকে পজিটিভ ভাবে ব্যবহার করুন এবং লক্ষ্য স্থির রাখুন। তাহলেই দেখবেন রিজেকশন আপনাকে আর ধ্বংস করতে পারছে না। বরং এই রিজেকশনই তখন আপনাকে আরো পাওয়ারফুল করে দিবে। এইবার আসি দ্বিতীয় মাইন্ডসেটে। আপনার দ্বিতীয় মাইন্ডসেট হতে হবে ভিড়ের বিপরীতে আপনি একা হাঁটবেন। প্রথম মাইন্ডসেট যদি হয় আপনার বর্ম, তবে এই দ্বিতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার তলোয়ার। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই হচ্ছে ভেড়ার পাল। তারা সেটাই করে যা সবাই করছে। সমাজ যেটাকে সেফ বলে, তারা সেখানেই ভিড় জমায়। কিন্তু আপনি যদি সেই গড়পরতা ৯৯% মানুষের মত জীবন কাটাতে না চান, যদি চান যে আমি জীবনের সফলতার মুখ দেখেই ছাড়বো, তাহলে আপনার মধ্যে এই দ্বিতীয় বিপদজনক জেদটা অবশ্যই তৈরি করতে হবে যা আপনাকে হাজারটা মানুষের না, এর বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকতে সাহস দেবে। একজন সাধারণ মানুষ যখন কোন বড় স্বপ্ন দেখে বা কোন বড় ঝুঁকি নিতে চায়, তখন তার চারপাশের আটদ জন বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথেই সেটা প্রথমে শেয়ার করে। ম্যাক্সিমাম সময় সেদের থেকে উলটা উল্টাপালটা কথাই শোনেন। এটা পাগলামি। এটাতে লস হবে। এটা তুই করিস না। এগুলো শুনে শুনে তার কনফিডেন্স ডাউন হতে থাকে। সে তার নিজের ড্রিমকে তখন অন্যর মতামতের কাছে বলি দেয়। কিন্তু একজন জেধি পুরুষ যার রক্তে রক্তে কিনা সফলতা পাওয়ার ক্ষুধা, সে ভালোভাবেই জানে সিংহ কখনো ভেড়ার পরামর্শ নিয়ে চলে না। এটা অহংকার না। এটা ওভার কনফিডেন্স না। এটা হচ্ছে তার নিজের উপর বিশ্বাস। সে জানে বড় ধরনের সফলতা জীবনে একমাত্র তখনই আসবে যখন সে এমন কিছু করবে যা বাকিরা করার সাহস পায় না। এই রকম মাইন্ডসেটই আপনি আপনার নিজের ভেতর আনতে হবে। এমনকি বর্তমান সময় যারা প্রচুর সাকসেসফুল দেখতেছেন, তাদের সবার স্টোরিতে এই দ্বিতীয় মাইন্ডসেট কমন। তারা এই ভেড়ার পালের অংশ হয়ে আর জীবনযাপন করতে চায়নি। বরং স্রোতের বিপরীতে এসে একা দাঁড়িয়েছে এবং নিজের জীবনকে অন্যরকম একটা মোড় দিয়েছে। আপনার এই এক ঘোমেই দেখে আপনাকে মানুষ এরোগ্যান্ট বলবে, পাগল ছাগল বলবে, ইডিয়েট বলবে। কিন্তু মনে রাখবেন পাহাড়ের চুড়ায় সবাই কিন্তু পৌঁছাতে পারে না। গুটি কয়েকটি সেখানে মাত্র পৌঁছায়। এই একাকি লড়াই করার জেতটাই আপনাকে একজন লিডার বানাবে। বাস্তবতা কি জানেন? টাকা এবং ক্ষমতা শুধু চাই চাই করলে জীবনে আসে না। বরং এরা তাদের কাছেই ধরা দেয় যারা এটাকে পাওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তোলে, নিজেকে পরিবর্তন করে এই জিনিসগুলো পাওয়ার জন্য। আপনার জেদ যদি হয় আপনার কম্পাস, তাহলে কোন ঝড়ই আপনাকে আপনার গন্তব্য থেকে সরাতে পারবে না। আজকে এই ভিডিও দেখার পর নিজেকে প্রশ্ন করবেন, আপনি কি ভিড়ের অংশ থেকে যেতে চাচ্ছেন সারাজীবন? নাকি সে ভিড়কে লিড করতে চান? আর লিড করতে চাইলে নিজেকে অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। এইবার আসি তৃতীয় এবং লাস্ট মাইন্ডসেটে। তৃতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার ভেতর শেখার একটা অদম্য ক্ষুধা থাকতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে অনেক। প্রথম দুটো মাইন্ডসেট আপনাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করল। আর এই তৃতীয় মাইন্ডসেটই আপনার কাছে টাকা আর সাফল্যকে ছুটে আসতে বাধ্য করবে। কারণ তৃতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার অ্যাকশন। ম্যাক্সিমাম পুরুষ জীবনে খুব ভালো কিছু এচিভ করতে পারে না। কেন জানেন? তারা জেদ দেখায় জীবনে, তাও হাবিজাবি উল্টাপাল্টা কিছু জিনিসপত্র নিয়ে জেদ দেখায়। পরিশ্রম করতে আলসেমি করে, আর না হয় পরিশ্রম করলেও ভুল পথে পরিশ্রম করে। তাদের স্বপ্ন অনেক বড়, কিন্তু শেখার ইচ্ছে অনেক কম। কিন্তু একজন ইন্টেলিজেন্ট জেদি পুরুষ জানেন, শুধু গাধার মত খাটলেই সাফল্য আসবে না। সাফল্য আসে সঠিক পথে, সঠিক কৌশলে পরিশ্রম করলে। ভুল পথে পরিশ্রম করলে শুধু ক্লান্তি আসে। বয়স চলে যেতে থাকে, কিন্তু টাকা আসে না। এই জন্যই ইন্টেলিজেন্ট জেদি পুরুষ কখনো বোকার মত ছোটে না। সে শেখার পেছনে জেদ ধরে। সে জেদ ধরে যতক্ষণ না আমি কাজের বসছি, ততক্ষণ আমি থামবো না। তার এই ডিসিপ্লিন হার্ডওয়ার্কই তাকে বাকি সবার থেকে আলাদা করে দেয়। আপনার এই জেদি আপনাকে দিয়ে সেই কাজগুলো করিয়ে নিবে যা করতে আপনার হয়তো এখন মন সায় দিচ্ছে না। শরীর ক্লান্ত লাগতেছে। কিন্তু তারপরও এই ডিসিপ্লিনড হার্ডওয়ার্কের কারণেই আপনি আবার উঠে দাঁড়াবেন। কারণ আপনি জানেন এখনো অনেকটা পথ যাওয়া বাকি। শুনুন, সফলতা কোন লটারি নয় যে আপনি হুট করে এটা পেয়ে যাবেন। এটা হলো প্রতিদিন নিজের লিমিটকে পুশ করার ফলাফল। আপনি যত নিজের লিমিটকে চ্যালেঞ্জ করে করে পুশ করবেন, তত আপনার কাজ আরো দ্রুত এগিয়ে যাবে। আর এর ফলাফল হিসেবে টাকা এবং সাকসেস আপনার কাছে তখন দ্রুত ছুটে আসবে। কিছু কথা আজ সারাজীবনের জন্য মাথায় খোদায় করে নিয়ে যান। পৃথিবীর বুকে কারো উপর সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ যদি নিতে চান, সেটা কিভাবে নিবেন জানেন? নিজেকে এমন এক উচ্চতায় জীবনে নিয়ে যাবেন, এমন এক মানুষে নিজেকে রূপান্তর করবেন যেখানে আপনাকে অবহেলা করা মানুষগুলোর আপনার সাথে একটু কথা বলার জন্য যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। আর এই উচ্চতায় উঠার সিঁড়ির নামটাই হচ্ছে জেদ। আরেকটা কঠিন বাস্তবতা কি জানেন? পকেটে টাকা না থাকলে আপনার আপনজনও একটা সময় পর আর আপনাকে দাম দিবে না। একটা সময় পর দেখবেন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এসব সম্পর্ক আসলে খুব একটা জীবনে ম্যাটার করে না। আপনিও তাদেরকে তখন তাদের কত টাকা আছে, কেমন ক্ষমতা আছে এগুলো দিয়ে মূল্যায়ন করতেছেন। তারাও দেখবেন যে আপনাকে এইভাবেই মূল্যায়ন করতেছে। পকেট ভর্তি টাকা থাকলে রাজত্ব আপনার, আর না থাকলে আপনি হচ্ছেন গোলাম। রাজত্ব যদি করতে চান, তবে আজই সময় নিজেকে পরিবর্তন করার। এমন জেদ আজ থেকেই তৈরি করুন যাতে টাকা এবং সফলতা আপনার কাছে ছুটে আসতে বাধ্য হয়। আর এর জন্য কি রকম জেদ থাকা দরকার তা তো আজকের ভিডিওতে আলোচনা করলামই। আশা করি এইরকম জেদ আজ কিছু মানুষের মধ্যে হলেও জন্ম নিবে। বোঝা গেল? আজ এই পর্যন্ত। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং।
Speaker A
হচ্ছে জেদ তাদের যেদি তাদের ব্যাংক ব্যালেন্সের পেছনে নয়টা শূন্য বসিয়ে দিয়েছে কারো কারো ক্ষেত্রে তো আরো অনেক বেশি একজন সাধারণ মানুষ হয়ে আপনি হয়তো এখন ভাবতেছেন আমার তো জীবনে সফলতা পাওয়ার অনেক ইচ্ছা আছে ঠিকই। কিন্তু এই সফলতা পাওয়ার জন্য যেরকম জেদ আমার ভিতর থাকা
Speaker A
দরকার সেরকম জেদ তো আমার ভিতর থেকে আসতেছে না। এই সমস্যা শুধু আপনার একান না এটা ম্যাক্সিমাম মানুষেরই সমস্যা। কিন্তু আজ এই এক ভিডিওই আপনার ভিতর সফলতা পাওয়ার জন্য যেরকম জেট তৈরি করা দরকার সেরকম জেদ তৈরি করে দিবে। কারণ আজকের ভিডিওতে আমি
Speaker A
সফল পুরুষদের যেরকম স্ট্রং মাইন্ডসেট থাকে যেরকম জেদ থাকে সেটা নিয়ে তো কথা বলবই সাথে বোনাস হিসেবে আমি জীবনের কিছু বাস্তবতাও তুলে ধরবো। এই বাস্তবতাগুলো যখন আপনি শুনবেন, বুঝবেন, তখন আপনি অটোই ফোকাসড থাকবেন আপনার জীবনের লক্ষ্যের প্রতি এবং আপনি ইজিলি তখন সফল পুরুষদের যে
Speaker A
তিনটা স্ট্রং মাইন্ডসেট থাকে সে মাইন্ডসেট সবসময় নিজের মধ্যে ধরে রাখতে পারবেন। এই তিনটা মাইন্ডসেট যৌথভাবে কাজ করবে আপনার জীবনের টাকা এবং সফলতার মুখ দেখানোর জন্য। সোজা কথায় বলতে গেলে জীবনের বাস্তবতাগুলো যখন আপনি স্মরণে রাখবেন তখন এই তিনটা স্ট্রং মাইন্ডসেট থেকে আপনি আর ফসকে
Speaker A
পড়বেন না। বোঝাই যাচ্ছে আজকের ভিডিওটা খুবই ইম্পরট্যান্ট সুতরাং ভিডিওটা আজ অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখুন। লেটস ডাইভ ইনটু দ্যা মেইন টপিক। প্রথম মাইন্ডসেট যেটা আপনার ভিতর অবশ্যই আনতে হবে তা হচ্ছে আপনি রিজেকশনকে সাফল্যে রূপান্তর করবেনই করবেন। এই জেদ আপনার ভিতর ডেভলপ করতেই হবে।
Speaker A
নরমালি মানুষ যখন কারো কাছ থেকে বা কোথাও থেকে একটা রিজেকশন পায় সেটা চাকুরির ইন্টারভিউ হোক বা কারো সাথে একটা ব্যবসা শুরু করতে চেয়েছে সেখান থেকে হয়তো সে রিজেক্ট হয়েছে বা কোন কারণে হয়তো সেটা হয়নি তখন সে নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ
Speaker A
করা শুরু করে আবার আমাদের বাঙালিদের তো একটা রোগ আছেই যে আমরা ভাবি আমাদের ভাগ্য অনেক খারাপ কিন্তু একজন পাওয়ারফুল জেদি পুরুষের সাইকোলজি একদম আলাদা ভালোভাবে শুনুন কারণ এই সাইকোলজিটাই আপনার ভিতর আনতে হবে যখন কেউ আপনাকে বলবে তোমাকে দিয়ে এটা হবে না এটা তোমার জন্য না তখন
Speaker A
আপনার ব্রেইন এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। আপনি এটাকে শুধু অপমান হিসেবে নিবেন না বরং এটাকে আপনি একটা গোল্ডেন অপরচুনিটি হিসেবে দেখবেন। আর এর জন্য এখানে আপনাকে পজিটিভ থিংকিং এর ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে। সে যে নেগেটিভ কথাগুলো আপনাকে শোনালো সে নেগেটিভিটি
Speaker A
নিয়ে পড়ে না থেকে বরং আপনি নিজেকে বোঝান। সে বলছে যে আমি পারবো না। এর অর্থ সে আমার আসল দক্ষতা এবং ক্ষমতা সম্পর্কে জানেই না। এবার সময় হয়েছে তাকে ভুল প্রমাণ করার। আপনি এখানে আপনার রিজেকশন কে পজিটিভলি ব্যবহার করলেন। আপনার এই ধরনের
Speaker A
থিংকিং এর কারণেই কিন্তু আপনি এখন আর অলস বসে থাকতে পারবেন না। কারণ এখন আপনার থিংকিং বলেন, ইগো বলেন সবকিছু এখন আপনার জন্য পজিটিভলি কাজ করা শুরু করেছে। যেমন ধরুন, আপনার বস আপনাকে বলল, তুমি প্রমোশনের যোগ্য না। আপনার ফ্যামিলি
Speaker A
আপনাকে বলল তুই একটা অপদার্থ বা সোসাইটি যখন আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করে তখন সেগুলোকে নিয়ে বারবার ভেবে ভেবে সময় নষ্ট না করে বরং তাদেরকে আপনার আসল ক্ষমতাটা দেখিয়ে দিন। এই অপমানগুলোই আপনার জেতকে আগুনের মত জ্বালিয়ে রাখবে। শুনুন পৃথিবী তাদেরকেই মনে রাখে যারা
Speaker A
ডিফারেন্ট কিছু করে গিয়েছে জীবনে। আপনার জেতকে পজিটিভ ভাবে ব্যবহার করুন এবং লক্ষ্য স্থির রাখুন। তাহলেই দেখবেন রিজেকশন আপনাকে আর ধ্বংস করতে পারছে না। বরং এই রিজেকশনই তখন আপনাকে আরো পাওয়ারফুল করে দিবে। এইবার আসি দ্বিতীয় মাইন্ডসেটে। আপনার দ্বিতীয় মাইন্ডসেট হতে হবে ভিড়ের
Speaker A
বিপরীতে আপনি একা হাঁটবেন। প্রথম মাইন্ডসেট যদি হয় আপনার বর্ম তবে এই দ্বিতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার তলোয়ার। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই হচ্ছে ভেড়ার পাল। তারা সেটাই করে যা সবাই করছে। সমাজ যেটাকে সেফ বলে তারা সেখানেই ভিড় জমায়। কিন্তু আপনি যদি সেই গড়পরতা 99% মানুষের মত জীবন
Speaker A
কাটাতে না চান যদি চান যে আমি জীবনের সফলতার মুখ দেখেই ছাড়বো তাহলে আপনার মধ্যে এই দ্বিতীয় বিপদজনক জেদটা অবশ্যই তৈরি করতে হবে যা আপনাকে হাজারটা মানুষের না এর বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকতে সাহস দেবে একজন সাধারণ মানুষ যখন কোন বড় স্বপ্ন
Speaker A
দেখে বা কোন বড় ঝুঁকি নিতে চায় তখন তার চারপাশের আটদ জন বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথেই সেটা প্রথমে শেয়ার করে ম্যাক্সিমাম সময় সেদের থেকে উলটা উল্টাপালটা কথাই শোনেন। এটা পাগলামি। এটাতে লস হবে। এটা তুই করিস না। এগুলো শুনে শুনে তার
Speaker A
কনফিডেন্স ডাউন হতে থাকে। সে তার নিজের ড্রিমকে তখন অন্যর মতামতের কাছে বলি দেয়। কিন্তু একজন জেধি পুরুষ যার রক্তে রক্তে কিনা সফলতা পাওয়ার ক্ষুধা। সে ভালোভাবেই জানে সিংহ কখনো ভেড়ার পরামর্শ নিয়ে চলে না। এটা অহংকার না। এটা ওভার কনফিডেন্স
Speaker A
না। এটা হচ্ছে তার নিজের উপর বিশ্বাস। সে জানে বড় ধরনের সফলতা জীবনে একমাত্র তখনই আসবে যখন সে এমন কিছু করবে যা বাকিরা করার সাহস পায় না। এই রকম মাইন্ডসেটই আপনি আপনার নিজের ভেতর আনতে হবে। এমনকি বর্তমান সময় যারা প্রচুর সাকসেসফুল দেখতেছেন
Speaker A
তাদের সবার স্টোরিতে এই দ্বিতীয় মাইন্ডসেট কমন। তারা এই ভেড়ার পালের অংশ হয়ে আর জীবনযাপন করতে চায়নি। বরং স্রোতের বিপরীতে এসে একা দাঁড়িয়েছে এবং নিজের জীবনকে অন্যরকম একটা মোড় দিয়েছে। আপনার এই এক ঘোমেই দেখে আপনাকে মানুষ এরোগ্যান্ট বলবে, পাগল ছাগল বলবে, ইডিয়েট
Speaker A
বলবে। কিন্তু মনে রাখবেন পাহাড়ের চুড়ায় সবাই কিন্তু পৌঁছাতে পারে না। গুটি কয়েকটি সেখানে মাত্র পৌঁছায়। এই একাকি লড়াই করার জেতটাই আপনাকে একজন লিডার বানাবে। বাস্তবতা কি জানেন? টাকা এবং ক্ষমতা শুধু চাই চাই করলে জীবনে আসে না। বরং এরা তাদের কাছেই ধরা দেয় যারা এটাকে
Speaker A
পাওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তোলে। নিজেকে পরিবর্তন করে এই জিনিসগুলো পাওয়ার জন্য। আপনার জেদ যদি হয় আপনার কম্পাস তাহলে কোন ঝড়ই আপনাকে আপনার গন্তব্য থেকে সরাতে পারবে না। আজকে এই ভিডিও দেখার পর নিজেকে প্রশ্ন করবেন আপনি কি ভিড়ের অংশ
Speaker A
থেকে যেতে চাচ্ছেন সারাজীবন? নাকি সে ভিড়কে লিড করতে চান? আর লিড করতে চাইলে নিজেকে অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। এইবার আসি তৃতীয় এবং লাস্ট মাইন্ডসেটে। তৃতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার ভেতর শেখার একটা অদম্য ক্ষুধা থাকতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে অনেক। প্রথম দুটো মাইন্ডসেট আপনাকে
Speaker A
মানসিকভাবে শক্তিশালী করল। আর এই তৃতীয় মাইন্ডসেটই আপনার কাছে টাকা আর সাফল্যকে ছুটে আসতে বাধ্য করবে। কারণ তৃতীয় মাইন্ডসেট হচ্ছে আপনার অ্যাকশন। ম্যাক্সিমাম পুরুষ জীবনে খুব ভালো কিছু এচিভ করতে পারে না কেন জানেন? তারা জেদ দেখায় জীবনে তাও হাবিজাবি উল্টাপাল্টা
Speaker A
কিছু জিনিসপত্র নিয়ে জেদ দেখায়। পরিশ্রম করতে আলসেমি করে আর না হয় পরিশ্রম করলেও ভুল পথে পরিশ্রম করে। তাদের স্বপ্ন অনেক বড় কিন্তু শেখার ইচ্ছে অনেক কম। কিন্তু একজন ইন্টেলিজেন্ট জেদি পুরুষ জানেন শুধু গাধার মত খাটলেই সাফল্য আসবে না। সাফল্য
Speaker A
আসে সঠিক পথে। সঠিক কৌশলে পরিশ্রম করলে। ভুল পথে পরিশ্রম করলে শুধু ক্লান্তি আসে। বয়স চলে যেতে থাকে। কিন্তু টাকা আসে না। এই জন্যই ইন্টেলিজেন্ট জেদি পুরুষ কখনো বোকার মত ছোটে না। সে শেখার পেছনে জেদ ধরে। সে জেদ ধরে যতক্ষণ না আমি কাজের বস
Speaker A
হচ্ছি ততক্ষণ আমি থামবো না। তার এই ডিসিপ্লিন হার্ডওয়ার্কই তাকে বাকি সবার থেকে আলাদা করে দেয়। আপনার এই জেদি আপনাকে দিয়ে সেই কাজগুলো করিয়ে নিবে যা করতে আপনার হয়তো এখন মন সায় দিচ্ছে না। শরীর ক্লান্ত লাগতেছে। কিন্তু তারপরও এই
Speaker A
ডিসিপ্লিনড হার্ডওয়ার্কের কারণেই আপনি আবার উঠে দাঁড়াবেন। কারণ আপনি জানেন এখনো অনেকটা পথ যাওয়া বাকি। শুনুন সফলতা কোন লটারি নয় যে আপনি হুট করে এটা পেয়ে যাবেন। এটা হলো প্রতিদিন নিজের লিমিটকে পুশ করার ফলাফল। আপনি যত নিজের লিমিটকে চ্যালেঞ্জ করে করে পুশ করবেন তত আপনার কাজ
Speaker A
আরো দ্রুত এগিয়ে যাবে। আর এর ফলাফল হিসেবে টাকা এবং সাকসেস আপনার কাছে তখন দ্রুত ছুটে আসবে। কিছু কথা আজ সারাজীবনের জন্য মাথায় খোদায় করে নিয়ে যান। পৃথিবীর বুকে কারো উপর সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ যদি নিতে চান সেটা কিভাবে নিবেন
Speaker A
জানেন? নিজেকে এমন এক উচ্চতায় জীবনে নিয়ে যাবেন, এমন এক মানুষে নিজেকে রূপান্তর করবেন যেখানে আপনাকে অবহেলা করা মানুষগুলোর আপনার সাথে একটু কথা বলার জন্য যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। আর এই উচ্চতায় উঠার সিঁড়ির নামটাই হচ্ছে জেদ। আরেকটা কঠিন বাস্তবতা কি জানেন? পকেটে টাকা না
Speaker A
থাকলে আপনার আপনজনও একটা সময় পর আর আপনাকে দাম দিবে না। একটা সময় পর দেখবেন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এসব সম্পর্ক আসলে খুব একটা জীবনে ম্যাটার করে না। আপনিও তাদেরকে তখন তাদের কত টাকা আছে, কেমন ক্ষমতা আছে এগুলো দিয়ে মূল্যায়ন করতেছেন। তারাও দেখবেন যে আপনাকে এইভাবেই
Speaker A
মূল্যায়ন করতেছে। পকেট ভর্তি টাকা থাকলে রাজত্ব আপনার আর না থাকলে আপনি হচ্ছেন গোলাম। রাজত্ব যদি করতে চান তবে আজই সময় নিজেকে পরিবর্তন করার। এমন জেদ আজ থেকেই তৈরি করুন যাতে টাকা এবং সফলতা আপনার কাছে ছুটে আসতে বাধ্য হয়। আর এর জন্য কি রকম
Speaker A
জেদ থাকা দরকার তা তো আজকের ভিডিওতে আলোচনা করলামই। আশা করি এইরকম জেদ আজ কিছু মানুষের মধ্যে হলেও জন্ম নিবে। বোঝা গেল?
Speaker A
আজ এই পর্যন্ত। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং।
Topics:জেদি পুরুষসফলতা মাইন্ডসেটটাকা অর্জনরিজেকশন মোকাবেলাভিড়ের বিপরীতে হাঁটাশেখার ক্ষুধাপরিশ্রমআত্মবিশ্বাসমানসিক শক্তিবাংলা মোটিভেশন











