মিথ্যাবাদী, অপমানকারী ও অহংকারীকে শান্তিপূর্ণ ও কৌশলীভাবে মোকাবিলা করার তিনটি কার্যকর পদ্ধতি শেখানো হয়েছে।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- রাগে বা আবেগপ্রবণ হয়ে প্রতিক্রিয়া দিলে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- মিথ্যুকদের সঙ্গে কৌশলী ও পরিকল্পিত পদ্ধতিতে মোকাবিলা করলে তারা নিজেদের ফাঁদে পড়ে।
- অপমানের পেছনে প্রায়শই অন্যের মানসিক সমস্যা থাকে, তাই ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ না করাই ভালো।
- শান্ত ও সংক্ষিপ্ত জবাব দিয়ে বা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে অপমান মোকাবিলা করা উচিত।
- নিজের সম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষা করা শেখা জরুরি, যা অন্যরা সহজে উপহার দেয় না।
What the video covers
- একটি সাপের গল্পের মাধ্যমে রাগ ও আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়ার ক্ষতিকরতা বোঝানো হয়েছে।
- মিথ্যুকদের সঙ্গে কৌশলীভাবে মোকাবিলা করার তিনটি ধাপ ব্যাখ্যা করা হয়েছে: উৎসাহিত করা, মিথ্যা লক করা ও প্রমাণের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ জবাব।
- অপমানের সময় আবেগপ্রবণ না হয়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য শান্ত ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিক্রিয়া প্রদানের উপায় আলোচনা করা হয়েছে।
- অপমানের পেছনে মানুষের মানসিক জটিলতা ও অভাববোধ থাকার কথা বোঝানো হয়েছে।
- অপমানের জবাবে সবার সামনে অন্যদের সঙ্গে যুক্ত করে পরিস্থিতি পরিবর্তন করার কৌশল শেখানো হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত ও শান্ত জবাব দিয়ে অপমানকারীদের মোকাবিলা করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- নিজের সম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষা করার জন্য সরাসরি ও স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার উপায় আলোচনা করা হয়েছে।
- অপমান উপেক্ষা করা এবং বিষয় পরিবর্তন করাও একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- অহংকারী ও বিষাক্ত মানুষের সঙ্গে কিভাবে ঠান্ডা মাথায় ও নিরপেক্ষভাবে আচরণ করতে হয় তা শেখানো হয়েছে।
- ভিডিওটি মনস্তাত্ত্বিক ঢাল শক্ত করার মাধ্যমে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
Chapters
- 00:00সাপের গল্প ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব
- 00:52ভিডিওর উদ্দেশ্য ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিক্রিয়ার ভূমিকা
- 02:05মিথ্যুকদের সঙ্গে কৌশলীভাবে মোকাবিলা
- 03:00মিথ্যা ফাঁদে ফেলার তিন ধাপ
- 04:58অপমানের পেছনের মানসিক কারণ ও প্রতিক্রিয়া
- 05:58অপমানের সময় কৌশলী প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
- 07:50শান্ত ও সংক্ষিপ্ত জবাবের গুরুত্ব
- 08:39নিজের সম্মান রক্ষা ও সরাসরি সতর্কবার্তা
- 10:23অপমান উপেক্ষা ও বিষাক্ত মানুষের মোকাবিলা
- 11:16অহংকারী ও বিষাক্ত মানুষের সঙ্গে আচরণ
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
এক রাতে একটি সাপ একজন কাঠমিস্ত্রীর দোকানে প্রবেশ করে। এ সময় তার শরীর একটি করাতের সাথে আটকে যায় এবং হালকা কেটে যায়। সাপটি রাগে কচগজ করে ফিরে এসে করাতটিকে ছোবল মারে। কিন্তু এতে তার নিজের মুখই কেবল জখম হয়। এবার যন্ত্রণায় ওর
Speaker A
রাগে সে পাগল হয়ে যায় এবং করাতটিকে শ্বাসরোধ করে মারার জন্যে তার পুরো শরীর দিয়ে করাতটিকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে নিজেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সকালে কাঠমিস্ত্রী এসে দেখেন রক্তে ভেজা করাতের পাশে একটি মৃত সাপ পড়ে আছে। প্রকৃতপক্ষে করাত কিছুই করেনি। সাপটি
Speaker A
নিজের ক্রোধের কারণে নিজেকেই ধ্বংস করে দিয়েছিল। আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো আমরা মনে করি যখন কেউ অবজ্ঞা করে, মিথ্যা বলে বা অপমান করে তখনই আমাদের রেগে যেতে হবে। বিস্তর ব্যাখ্যা দিতে হবে কিংবা আত্মরক্ষা বা জবাব দেওয়ার জন্য
Speaker A
প্রস্তুত হয়ে যেতে হবে। কিন্তু বুদ্ধিমান ও কৌশলী মানুষরা এসব পরিস্থিতিতে এ ধরনের মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে অনেক বেশি বুদ্ধিদীপ্ত পথ বেছে নেন। এই ভিডিওতে আপনি শিখবেন কিভাবে তিনটি বিষাক্ত এবং বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়ার বদলে কৌশলী, পরিকল্পিত ও শান্ত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার
Speaker A
সর্বোচ্চ সক্ষমতা দেখাবেন এবং অপরপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। শুরুতেই একটা কথা বলে রাখি। এই ভিডিওতে আমি আপনাকে মানুষকে ম্যানিপুলেট করা বা নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল শেখাতে যাচ্ছি না। আমি কেবল শেখাতে চাই আপনি কিভাবে আপনার মনস্তাত্বিক ঢালকে শক্ত করবেন যাতে কেউ আপনাকে নিয়ে খেলতে না
Speaker A
পারে। এক মনীষী যেমন বলেছিলেন, যদি কারো সত্য হজম করার ক্ষমতা না থাকে তাতে কোন সমস্যা নেই। তাকে কৌশলের মাধ্যমে সামলান। আপনারা দেখছেন হা সাকসেস চ্যানেল। সঙ্গে রয়েছি আমি আবু মারজান। [মিউজিক] প্রথম পরিস্থিতি যখন কেউ আপনাকে মিথ্যা বলছে। মনে আছে শেষ কবে কেউ আপনার চোখে চোখ
Speaker A
রেখে মিথ্যা বলেছিল। মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি সেই মুহূর্তেই তাকে ধরে ফেলার কথা বলে। কিন্তু এটা একটা বড় কৌশলগত ভুল। দেখুন, আপনি যখন সেই মুহূর্তেই সরাসরি তাকে অভিযুক্ত করবেন সে অবচেতনভাবেই আত্মরক্ষার ভঙ্গিতে চলে যাবে। দ্রুত গল্প বদলে ফেলবে এবং মানসিক কাঠসাজি করে আপনাকেই দোষী
Speaker A
বানিয়ে দেবে। একজন মিথ্যুক মিথ্যা বলা শুরু করার আগেই আপনি যে রেগে যেতে পারেন তা পুরোপুরি মাথায় রাখে এবং তার জন্য প্রস্তুত থাকে। আর একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি ওই অবস্থায় তাকে আক্রমণ করে না। অন্যদিকে মিথ্যুক মিথ্যা বলার সময় ক্রমাগত আপনার
Speaker A
বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্ক্যান করতে থাকে যে আপনি তাকে বিশ্বাস করছেন কিনা। যদি আপনার মুখে সন্দেহের ছাপ দেখে তবে সে আরো সতর্ক হয়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি মাথা নেড়ে ভান করেন যে আপনি তার প্রতিটি কথা বিশ্বাস করছেন তবে সে মিথ্যে আত্মবিশ্বাসের ফাঁদে
Speaker A
পড়ে যাবে। এই অবস্থায় সে মনে করবে সে খেলায় জিতে গেছে। তার সতর্কতা একদম কমে যাবে। সে আর কথা সামলে বলবে না। বরং অহেতুক বিস্তারিত তথ্য দিতে শুরু করবে। আপনি যদি কোন মিথ্যুককে ফাঁদে ফেলার নিখুত পদ্ধতি মনে রাখতে চান তবে এই তিনটি ধাপ
Speaker A
অনুসরণ করুন। প্রথম ধাপ তাকে উৎসাহিত করুন। আগ্রহ নিয়ে তার দিকে তাকান এবং গল্পটি আরো বড় করতে উৎসাহিত করুন। যেমন জিজ্ঞাসা করুন, দারুণ ব্যাপার তো? তারপর কি হলো? এতে তার মস্তিষ্ক ভাববে বিপদ কেটে গেছে এবং সে নিশ্চিন্ত মনে আরো বিস্তারিত
Speaker A
বলবে। প্রতিটি অতিরিক্ত মিথ্যা হলো একটা নতুন দড়ি যা সে নিজের গলায় নিজেই পড়াবে। দ্বিতীয় ধাপ তার মিথ্যাকে লক করে দিন। অর্থাৎ তার গল্পের সারসংক্ষেপ পুনরাবৃত্তি করুন এবং তার কাছ থেকে মৌখিক সম্মতি নিন। যেমন বলুন, আচ্ছা তাহলে তুমি বললে কাল রাতে তোমার এত মাথা ব্যথা ছিল যে
Speaker A
ফোন সাইলেন্ট করে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে আছো, তাই না? এতে করে তার পালানোর পথ এবং "না, আমি তো তা বলিনি" এই জাতীয় বাহানা তৈরির সুযোগ চিরত বন্ধ হয়ে যাবে এবং শেষ ধাপ আপনার তাসের টেক্কাটি বের করুন। পরদিন যখন একটি নিশ্চিত প্রমাণ আপনার হাতে আসবে
Speaker A
তখন একদম ঝামেলা বাধাতে যাবেন না। খুব শান্তভাবে কথার মাঝে সত্য কথাটি বলে দ্রুত তাকে এড়িয়ে যান। যেমন বলুন, আচ্ছা ভালো কথা। সারারগ্রাম স্টোরিতে দেখলাম কাল রাতে তোমরা একসাথে ক্যাফেতে ছিলে। যাই হোক, আমার একটা জরুরি কাজ আছে, আমাকে যেতে হবে এবং
Speaker A
সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে সরে যান। এই বাক্যটি একটি মোক্ষম আঘাত। সে থেকে যাবে একটি মারাত্মক মনস্তাত্বিক যন্ত্রণায় যে আপনি শুরু থেকেই পুরো সত্যটি জানতেন। সে বুঝতে পারবে আপনি তার চেয়ে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত ও বুদ্ধিমান এবং আপনাকে ম্যানিপুলেট করা সম্ভব নয়। আর সম্ভবত সে
Speaker A
সারাজীবনে আর কখনো আপনাকে এত সহজে মিথ্যা বলার সাহস দেখাবে না। এবারে দ্বিতীয় পরিস্থিতি যখন কেউ সবার সামনে আপনাকে অপমান করে। অনেকেই মনে করে যে অপমান করে সে নিশ্চয়ই আপনাকে ঘৃণা করে। কিন্তু আপনাকে আশ্বস্ত করছি অধিকাংশ সময় এসব মানুষের বাজে আচরণের সাথে আপনার কোন
Speaker A
সম্পর্কই নেই। একটি কুকুরের কথা চিন্তা করুন, যে অহেতুক কোন পথচারী বা এমনকি বাতাসের দিকে ঘেউ ঘেউ করে তেড়ে আসে। বাতাস কি কোন ভুল করেছে? না। সেই কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করে কারণ তার নিজের ভেতরে কোন ভয় বা সমস্যা আছে। বিষাক্ত বা টক্সিক
Speaker A
মানুষরা কোন বাজে আচরণের মুহূর্তে তাদের নিজেদের মানসিক জটিলতা ও অপূর্ণতাকে চিৎকার করে প্রকাশ করে। আপনার কোন দোষ নেই। মাওলানা রুমির একটি চমৎকার কাব্য আছে। তিনি বলেছেন, কোন দুর্ভাগা মানুষ চায় না অন্যের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হোক। যার মেজাজ ও প্রকৃতি অসুস্থ সে কাউকেই সুস্থ
Speaker A
দেখতে চায় না। তারা আসলে এমন একদল হতভাগ্য মানুষ যারা অন্যের আলোকিত প্রদীপ সহ্য করতে পারে না। কারণ তাদের নিজেদের ভেতরের প্রদীপ নেভানো। নিজেদের মানসিক জটিলতা ও অভাব বোধের কারণে অপমান আর টিপ্পণ কেটে তারা ক্রমাগত ফু দিতে থাকে। যাতে আপনার আলোটিও নেভে যায়। তারা কটু
Speaker A
কথা বলে কারণ তারা অপরের মনোযোগ পাওয়ার জন্য তৃষ্ণার্ত। তারা ক্ষমতার অনুভূতি পেতে চায়। চায় আশপাশের মানুষ তাদের কথায় হাসুক যাতে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হলেও তারা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে পারে। আপনি যখন এটি বুঝতে পারবেন তখন আর ঘাবড়ে যাবেন না বরং শক্তিমত্তার অবস্থান
Speaker A
থেকে তাদের মুখোমুখী হবেন। অপমানের জবাবে আপনি যদি রেগে যান এবং চিৎকার করেন তবে আপনি নিশ্চিতভাবেই হারবেন। আর যদি নিজেকে অসহায় হিসেবে উপস্থাপন করেন তবুও আপনি নিশ্চিতভাবে হেরে যাবেন। এর বদলে পরবর্তী সময়ে এই তিনটি সমাধান চেষ্টা করে দেখুন যাতে অন্যপক্ষ পুরোপুরি ভাবাচাকা খেয়ে
Speaker A
যায়। দেখুন, যে ব্যক্তি সবার সামনে আপনাকে টিপ্পণ কাটে সে হিসেব করেই আঘাতটা করে যে আপনি লজ্জিত হবেন, সবাই চুপ থাকবে আর সে সহজে পার পেয়ে যাবে। কিন্তু আপনি এমন কিছু করুন যা সে মোটেও আশা করেনি। যেহেতু খোঁচা মারার পর সবার নজর সম্ভবত আপনার দিকে ঘুরে
Speaker A
যাবে, আপনি খুব চালাকির সাথে উপস্থিত সবাইকে এর মাঝে টেনে আনুন। শান্তভাবে তার দিক থেকে নজর সরিয়ে নিন এবং একদম উদাসীনভাবে যেন তার কথাটি আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়নি। সবার উদ্দেশ্যে বলুন, শুধু আমার কাছেই কি ওর কথাটা অদ্ভুত লাগলো নাকি
Speaker A
আপনারাও তাই মনে করছেন? এই কাজের মাধ্যমে আপনি আর লক্ষ্যবস্তু রইলেন না। আলোর তীব্রতা গিয়ে পড়বে তার উপর এবং আপনি হয়ে উঠবেন পরিস্থিতির বিবরণকারী। এখন সবাই তার দিকে তাকিয়ে দেখবে সে কিভাবে জবাব দেয় এবং এমন পরিস্থিতিতে সে একটি ভারী নীরবতার
Speaker A
মধ্যে আটকে যাবে। দ্বিতীয় সমাধান হলো করা কিন্তু শান্ত জবাব দেওয়া। অনেক সময় অপরপক্ষ খুব বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং তাকে একটি শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। শুধু মনে রাখবেন আপনার উত্তর বড়জোর এক বা দুটি বাক্যের মধ্যে সীমিত থাকতে হবে। বেশি
Speaker A
ব্যাখ্যা দেওয়ার অর্থ হলো নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করা। যেমন কেউ যদি আপনার লক্ষ্য বা কাজ নিয়ে উপহাস করে তাকে বলুন, "কোন সমস্যা নেই। আমি কোন পথে হাঁটছি তা সবার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।" কেউ যদি আপনার পুরনো কোন ব্যর্থতা টেনে আনে তবে কখনোই তার সামনে
Speaker A
নিজেকে দোষারোপ করবেন না। আপনি বলতে পারেন, "হাঁ, আমারও কিছু ভুল ছিল। তবে আমি আনন্দিত যে আমি সেগুলো থেকে শিখতে পেরেছি।" কেউ যদি আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোঁচা দেয় বলুন, "আমার খুব ভালো লাগছে যে আমার জীবনের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আপনার কাছে এতটা
Speaker A
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।" এখানে আমি আমার নিজের একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলি। একসময় আমি এমন একজন মানুষের পাল্লায় পড়েছিলাম যে সবার সামনে আমাকে টিপ্পনি কাটতো। আমি বুঝতে পেরেছিলাম সে আমাকে হুট করে বেছে নেয়নি বরং সে কয়েকবার আমার সহ্য ক্ষমতা পরীক্ষা করেছে এবং কোন
Speaker A
প্রতিক্রিয়া না পেয়ে আস্তে আস্তে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। একদিন সবার আড়ালে আমি তার চোখের দিকে তাকাই এবং সরাসরি পরিষ্কারভাবে তাকে বলি, "আজ যা ঘটেছে তার পুনরাবৃত্তি যেন আর কখনো না হয়। আমি তোমাকে এটা সরাসরি বলছি কারণ আমি তোমাকে সম্মান করি। কিন্তু এটির পুনরাবৃত্তি আবার
Speaker A
হোক সেটি আমি চাই না।" আমি রেগে চাইনি, কোন বক্তৃতা দেইনি, কোন অজুহাতও দেখাইনি। কেবল সরাসরি আমার কথাটা তাকে বলে দিয়েছিলাম। সেই সতর্কবার্তার পর তার আচরণ পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তখনই আমি বুঝেছিলাম সম্মান ও আত্মমর্যাদা এমন কিছু নয় যা অন্যরা
Speaker A
সোনার থালাই করে আপনাকে উপহার দেবে। এটি এমন কিছু যা আপনাকে নিজেকে অর্জন করে নিতে হবে। তবে তৃতীয় একটি সমাধানও আছে, উপেক্ষা করা এবং বিষয় পরিবর্তন করা। আপনি জানেন অনেক সময় তাদের পেছনে শক্তি নষ্ট করার বিন্দুমাত্র মূল্য নেই। ইতালীয় চিন্তাবিদ
Speaker A
মিকেলেঞ্জেলোর একটি চমৎকার উক্তি আছে। তিনি বলেছিলেন, সংকীর্ণমান মানুষদের সঙ্গে লড়াই করে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার কোন অর্থ নেই। কারণ তাদের উপর জয় লাভ করার কোন মূল্য নেই। কখনো কখনো তার অর্থহীন কথা শেষ হওয়ার পর মাত্র এক সেকেন্ড তার দিকে
Speaker A
তাকান। তারপর শরীর ঘুরিয়ে অন্য কারো দিকে ফিরে বল।
Speaker A
দুই ধরনের মানুষকে বলা হয় সামাজিক শিকারী। তারা আপনাকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়। আপনার চোখের পানি অস্থিরতা এবং কাঁপা কন্ঠ থেকে তারা রসদ যোগায় যাতে তারা নিজেদের কাছে প্রমাণ করতে পারে যে আপনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। [নাক ডাকা] এসব মানুষের সামনে সবচেয়ে
Speaker A
খারাপ ও ভুল প্রতিক্রিয়া হলো চিৎকার করে কেঁদে কেটে কিংবা একটি পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত ও আবেগপ্রবণ আত্মরক্ষার মাধ্যমে তাদের বিবেককে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা। এই কাজটি করবেন না। কারণ আপনি এমন এক বিবেকের কথা চিন্তা করছেন যার আসলে কোন অস্তিত্বই নেই। অহংকারী এবং স্যাদিসরা
Speaker A
হলো মানসিক রোগী যারা অপরের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত। এমনকি তারা আপনার ঘৃণা কেউ ভয় পায় না। কারণ তারা জানে ঘৃণাও এক ধরনের মনোযোগ। পৃথিবীতে কেবল একটি জিনিসই এই মানুষদের আতঙ্কিত করে তা হলো করুণা মেশানো উদাসীনতা। অর্থাৎ তাদের সাথে একদম একজন
Speaker A
অদৃশ্য, গুরুত্বহীন এবং একগুয়ে আক্রমণাত্মক শিশুর মত আচরণ করুন। আপনি যদি জানেন যে একজন অহংকারী তার কথার মাধ্যমে আপনাকে রাগিয়ে তোলার এবং আপনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে তবে সবার আগে একদম ঠান্ডা ও নিস্পৃহ মুখ নিয়ে কেবল তার কপালের দিকে তাকান। এই নীরব দৃষ্টি
Speaker A
তার অবচেতন মনে একটি ভীতিকর মনস্তাত্বিক বার্তা পাঠায়। এরপর সম্পূর্ণ অনিচ্ছার সাথে তার কথায় একটি প্রাণহীন সায় দিন। যেমন কেবল ধীরে মাথা নাড়ুন এবং তার কথাগুলোকে একটি মূল্যহীন কাগজের মত ছুড়ে ফেলুন। যা একটি বাস্তব উত্তরেরও যোগ্য নয়। কিংবা আপনি যদি তার উত্তর দিতেই চান
Speaker A
তবে এমন একটি বাক্য বেছে নিন যার মধ্যে করুণার অনুভূতি থাকে। যেমন খুব শান্তভাবে এবং হালকা একটি হাসি দিয়ে তাকে বলুন, মনে হচ্ছে আজ তোমার ভেতরে অনেক রাগ জমিয়ে রেখেছো। আশা করি তোমার মেজাজ দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে। এই বাক্যের পরপরই আপনার মনোযোগ
Speaker A
পুরোপুরি সরিয়ে নিন। ফোনে চোখ দিন। মুখ ফিরিয়ে নিন অথবা ঘর থেকে বের হয়ে যান। কোন অবস্থাতেই তার উত্তরের জন্যে অপেক্ষা করবেন না। তো বন্ধুরা আজকের আলোচনা থেকে আশা করছি কিছুটা হলেও আপনি শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আপনার উপকারে এসেছে। ভিডিওটি ভালো
Speaker A
লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না। যারা এখনো চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করেননি তারা সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি অন করে রাখুন। যাতে পরবর্তী যেকোন ভিডিও আসার সঙ্গে সঙ্গে আপনি দ্রুত সেই ভিডিওর তথ্য জেনে যেতে পারেন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ
Topics:মিথ্যা মোকাবিলাঅপমানের জবাবআত্মসম্মান রক্ষাকৌশলী প্রতিক্রিয়ামনস্তাত্ত্বিক ঢালবিষাক্ত মানুষশান্তিপূর্ণ সমাধানঅহংকারী মানুষটক্সিক সম্পর্কমানসিক নিয়ন্ত্রণ











