স্টিভেন কটলারের 'দা আর্ট অফ ইমপসিবল' বইয়ের বাংলা সারাংশ, যা অসম্ভবকে সম্ভব করার মাইন্ডসেট ও কৌশল শেখায়।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- অসম্ভবকে সম্ভব করার জন্য সঠিক মাইন্ডসেট ও অনুপ্রেরণা জরুরি।
- ভয়কে জয় করেই সফলতা অর্জন সম্ভব।
- ধারাবাহিকতা ও ছোট উন্নতি জীবনে বড় পরিবর্তন আনে।
- ফোকাস ও পরিবেশ সঠিক হলে সাফল্যের পথ সুগম হয়।
- শরীর ও মনের সুস্থতা সাফল্যের ভিত্তি।
What the video covers
- অসম্ভব শব্দটিকে ভ্রম মনে করে বড় পরিবর্তন আনার গুরুত্ব।
- সঠিক মাইন্ডসেট, অনুপ্রেরণা ও পদক্ষেপে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।
- ভয় মানুষের সবচেয়ে বড় বাধা, যা জয় করতে হবে সফলতার জন্য।
- ফ্লো স্টেট হলো এমন অবস্থা যেখানে মানুষ সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে কাজ করে।
- ছোট ছোট উন্নতি ও ধারাবাহিকতা জীবনে বড় পরিবর্তনের চাবিকাঠি।
- পরিবেশ ও মানুষের সঙ্গ জীবনের চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করে।
- ডিপ ফোকাস ও মনোযোগ হারানো এ যুগের বড় চ্যালেঞ্জ।
- শরীর ও মস্তিষ্কের সুস্থতা সাফল্যের জন্য অপরিহার্য।
- ঝুঁকি নেওয়া ও কমফর্ট জোনের বাইরে যাওয়ার গুরুত্ব।
- অসম্ভব অর্জন হাজার হাজার ছোট সিদ্ধান্ত ও পরিশ্রমের ফল।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
যদি কোন মানুষকে এমন কিছু করার কথা বলা হয় যা পৃথিবী অসম্ভব বলে মনে করে, তাহলে বেশিরভাগ মানুষ কি করবে? তারা ভয় পেয়ে যাবে, অজুহাত দেখাবে, ভাগ্যকে দোষ দেবে অথবা বলবে যে এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু ইতিহাসে প্রতিটি বড় পরিবর্তন তারাই এনেছেন যারা অসম্ভব শব্দটিকে কেবল একটি ভ্রম বলে মনে করেছেন। প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই এমন এক শক্তি লুকিয়ে থাকে যা সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তুলতে পারে। আর এই কথাই আমাদের শেখায় দা আর্ট অফ ইমপসিবল। এটি কেবল একটি বই নয়, বরং মানুষের সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগ্রত করার সম্পূর্ণ ব্লুপ্রিন্ট। এই বইয়ের লেখক স্টিভেন কটলার জানান যে অসম্ভব কোন জাদু নয়, বরং এটি ছোট ছোট বৈজ্ঞানিক ধাপের ফলাফল। যদি কোন মানুষ সঠিক মাইন্ডসেট, সঠিক অনুপ্রেরণা এবং সঠিক পদক্ষেপ নিতে শেখে, তবে সে তার জীবনে এমন ফলাফল অর্জন করতে পারে যা সে কল্পনাও করেনি। এবার নিজের জীবনের দিকে তাকান। কতবার আপনি বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখেছেন? হয়তো ভেবেছেন সফল হতে হবে, টাকা কামাতে হবে, ফিট বডি তৈরি করতে হবে, ব্যবসা শুরু করতে হবে অথবা পরিবারকে ভালো জীবন দিতে হবে। কিন্তু কিছুদিন পরেই আপনার সেই উৎসাহ শেষ হয়ে গেছে। শুরুতে অনুপ্রেরণা ছিল, পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তারপর অলসতা, ভয় এবং ডিস্ট্র্যাকশন আপনাকে থামিয়ে দিয়েছে। এজন্যই বেশিরভাগ মানুষ তাদের আসল সক্ষমতা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। তারা নিজেরাই নিজেদের সীমা নির্ধারণ করে ফেলে। কিন্তু এই বইয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মানুষের সীমা ফিক্সড বা নির্দিষ্ট নয়। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে পারে। আমাদের দক্ষতা উন্নত হতে পারে এবং আমাদের জীবনও পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। ধরা যাক, রোহিত নামে একজন সাধারণ ছেলে আছে। রোহিত এক ছোট শহরে থাকে। তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তার বন্ধুরা সারাদিন সময় নষ্ট করে এবং তার আশেপাশে এমন কেউ নেই যে তাকে বড় স্বপ্ন দেখার জন্য অনুপ্রাণিত করবে। কিন্তু রোহিতের ভেতরে স্বপ্ন আছে যে সে তার জীবন বদলাতে চায়। শুরুতে যখন সে তার স্বপ্নের কথা বলে, তখন মানুষ তার উপহাস করে। কেউ বলে এটা তোর দ্বারা সম্ভব নয়। কেউ বলে গরীব মানুষের এত বড় স্বপ্ন দেখা মানায় না। কিন্তু রোহিত যদি সেই কথাগুলো সত্যি বলে মেনে নিত, তবে তার গল্প সেখানেই শেষ হয়ে যেত। তবে সে সিদ্ধান্ত নিল যে প্রতিদিন সে নিজেকে একটু একটু করে উন্নত করবে। সে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা শুরু করল। নিজের মস্তিষ্ককে ট্রেইন করল। এবং ধীরে ধীরে তার আত্মবিশ্বাস বাড়তে লাগলো। কয়েক বছর পর সেই ছেলেটি তার শহরের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠলো। এই গল্প শুধু রোহিতের নয়, বরং প্রত্যেক সেই মানুষের যারা নিজেদের জীবন বদলাতে চায়। এই বইতে প্রথমেই কথা বলা হয়েছে অনুপ্রেরণা বা মোটিভেশনের বিষয়ে। বেশিরভাগ মানুষ মনে করে অনুপ্রেরণা বাইরে থেকে আসে। কোন মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে বা ভাষণ শুনে কিছুক্ষণ উত্তেজনা অনুভব করা। কিন্তু আসল অনুপ্রেরণা বাইরে থেকে আসে না, তা ভেতর থেকে জন্মায়। লেখক জানান, আপনার লক্ষ্য যদি আপনার হৃদয়ের সাথে যুক্ত থাকে, তবেই আপনি দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি শুধু টাকা কামানোর জন্য কাজ করে, তবে কিছু সময় পর সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। কিন্তু সে যদি তার পরিবারের ভালো জীবন, তার স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার জন্য কাজ করে, তবে তার ভেতরে সবসময় শক্তি থাকবে। তাই জীবনে সবচেয়ে জরুরি হলো আপনার কেন বা ওয়াই খুঁজে বের করা। যখন আপনার কেন মজবুত হয়, তখন কোন বাধাই আপনাকে আটকাতে পারবে না। এরপর বইতে ভয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভয় মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। বেশিরভাগ মানুষ ব্যর্থ হয় না কারণ তাদের মেধার অভাব আছে, বরং ব্যর্থ হয় কারণ তারা ভয়ের কারণে শুরুই করতে পারে না। তাদের ভয় লাগে, মানুষ কি বলবে? আমি হেরে গেলে কি হবে? আমি ব্যর্থ হলে কি হবে? কিন্তু সত্যি হলো প্রত্যেক সফল মানুষ কোন না কোন সময় ব্যর্থ হয়েছে। পার্থক্য শুধু এটাই যে তারা হাল ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে শেখার পথ বেছে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মাইকেল জর্ডনকে তার স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। যদি তিনি সেদিন মেনে নিতেন যে তিনি ভালো খেলোয়াড় নন, তবে হয়তো পৃথিবী তাকে চিনতো না। কিন্তু তিনি তার দুর্বলতাকে নিজের শক্তি বানিয়ে নিয়েছেন। এই বইতে বারবার এটাই বোঝানো হয়েছে যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে হলে আগে নিজের ভয়কে জয় করতে হবে। বইতে একটি খুব মজার কনসেপ্ট বলা হয়েছে, যাকে বলা হয় ফ্লো স্টেট। এটি সেই অবস্থা যখন মানুষ নিজের কাজে পুরোপুরি ডুবে যায়। সে সময় না ক্লান্তি লাগে, না সময়ের হিসাব থাকে। আপনি লক্ষ্য করেছেন যখন আপনি এমন কাজ করেন যা আপনার খুব পছন্দের, তখন ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যায়, কিন্তু আপনি বুঝতেই পারেন না। এটাই হলো ফ্লো স্টেট। লেখক বলেন, বিশ্বের সফল মানুষরা বারবার এই স্টেটেই কাজ করেন। কারণ এই অবস্থায় মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল এবং উৎপাদনশীল থাকে। ধরুন একজন ছাত্র পড়াশোনায় খুব দুর্বল। সে ঘন্টার পর ঘন্টা বই নিয়ে বসে থাকে, কিন্তু মন লাগে না। অন্যদিকে সে যদি তার প্রিয় গেমটি খেলে, তবে ঘন্টার পর ঘন্টা কোন ক্লান্তি ছাড়াই খেলতে পারে। কেন? কারণ গেম খেলার সময় তার মস্তিষ্ক ফ্লো স্টেটে চলে যায়। এখন ভাবুন, যদি সে পড়াশোনা বা ব্যবসায় সেই ফ্লো স্টেট অর্জন করতে পারে, তবে তার জীবন কত দ্রুত বদলে যেতে পারে। এজন্য লেখক বলেন, নিজের কাজকে বাধ্যবাধকতা নয়, বরং নিজের পরিচয় বানান। এরপর বইতে ছোট ছোট উন্নতির শক্তির কথা বলা হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ জীবন বদলানোর জন্য বিশাল কোন পদক্ষেপ নিতে চায়। তারা ভাবে একদিনেই সব বদলে যাবে। কিন্তু আসল পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটে। যদি আপনি প্রতিদিন মাত্র এক শতাংশ উন্নত হন, তবে কয়েক বছর পর আপনি সম্পূর্ণ নতুন মানুষে পরিণত হবেন। যেমন, যদি কেউ প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করে, নতুন কিছু শেখে এবং নিজের লক্ষ্যের জন্য সামান্য কাজ করে, তবে কিছু সময় পর তার জীবন বদলে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো মানুষ দ্রুত ফলাফল চায়। যখন দ্রুত সাফল্য পায় না, তখন তারা হাল ছেড়ে দেয়। লেখক জানান, সাফল্যের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো ধারাবাহিকতা, কনসিস্টেন্সি। অনুপ্রেরণা মাঝে মাঝে আসে, কিন্তু শৃঙ্খলা, ডিসিপ্লিন প্রতিদিন কাজ করে। ধরুন দুজন মানুষ আছে। প্রথমজন খুব মেধাবী কিন্তু অলস। দ্বিতীয়জন সাধারণ কিন্তু প্রতিদিন পরিশ্রম করে। কিছু সময় পর দ্বিতীয়জন প্রথমজনের চেয়ে অনেক এগিয়ে যাবে। কারণ জীবনে জিত সবসময় তাদেরই হয় যারা ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে। বইটি আরো শেখায় যে আমাদের পরিবেশ আমাদের চিন্তাধারাকে খুব প্রভাবিত করে। যদি আপনি এমন মানুষের সাথে থাকেন যারা সবসময় নীতিবাচক কথা বলে, স্বপ্ন নিয়ে উপহাস করে, তবে ধীরে ধীরে আপনিও তাদের মত হয়ে যাবেন। কিন্তু যদি আপনি এমন মানুষের সাথে সময় কাটান যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, পরিশ্রম করে, তবে আপনার চিন্তাধারাও বদলে যাবে। তাই জীবনে সঠিক মানুষের সঙ্গ খুব জরুরি। একটি বাস্তব উদাহরণ দেখুন। এলন মাস্ক যখন ইলেকট্রিক কার এবং রকেট বানানোর কথা বলেছিলেন, তখন পৃথিবী তাকে নিয়ে উপহাস করেছিল। মানুষ বলেছিল এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি অন্যের সীমাকে নিজের সীমা হতে দেননি। তিনি ধারাবাহিকভাবে শিখেছেন, ঝুঁকি নিয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই কাজ করে দেখিয়েছেন যাকে পৃথিবী অসম্ভব বলেছিল। বইটি আমাদের শেখায় যে অসম্ভব কেবল তাদের জন্যই যারা চেষ্টা করা ছেড়ে দেয়। এরপর লেখক জানান যে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধু পরিশ্রম যথেষ্ট নয়, সঠিক দিকে পরিশ্রম করা প্রয়োজন। অনেকে সারাদিন ব্যস্ত থাকে, কিন্তু উন্নতি করে না। কারণ তাদের ফোকাস বিক্ষিপ্ত থাকে। তারা সবকিছুতে হাত দেয়, কিন্তু কোন একটি বিষয়ে মাস্টার হয় না। তাই বইতে বলা হয়েছে জীবনে বড় হতে হলে ডিপ ফোকাস শিখতে হবে। যখন একজন মানুষ একসময় কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজেই পূর্ণ মনোযোগ দেয়, তখনই সে অসাধারণ ফলাফল পায়। ভাবুন, যদি কেউ প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা মনোযোগ সহকারে নিজের লক্ষ্যে কাজ করে, তবে এক বছর পর সে কোথায় পৌঁছাবে? কিন্তু আজকের দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় সমস্যা মনোযোগ হারানো। সোশ্যাল মিডিয়া, মোবাইল এবং সারাক্ষণের বিনোদন মানুষের ফোকাস করার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। তাই যে নিজের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে, সেই সবার থেকে এগিয়ে যায়। বইতে আরো বলা হয়েছে যে অসম্ভবকে অর্জন করতে শরীর এবং মস্তিষ্ক উভয়েরই মজবুত হওয়া জরুরি। যদি আপনার শরীর দুর্বল হয়, ঘুম ঠিকমত না হয়, তবে আপনি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারবেন না। তাই সফল মানুষরা নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে গুরুত্ব দেয়। তারা জানে আসল সাফল্য হলো শরীর, মন এবং জীবনের মধ্যে ভারসাম্য থাকা। ধরুন দুজন মানুষ একই স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে। প্রথমজন রাতে জেগে থাকে, শরীর চর্চা করে না এবং সবসময় চাপে থাকে। দ্বিতীয়জন নিয়মিত ব্যায়াম করে, ভালো ঘুমায় এবং মন শান্ত রাখে। কিছুদিন পর দ্বিতীয়জন বেশি শক্তি, বেশি মনোযোগ এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাবে। তাই সাফল্য শুধু পরিশ্রমের খেলা নয়, এটি সঠিক লাইফস্টাইলেরও খেলা। লেখক আরো বলেন, জীবনে ঝুঁকি নেওয়া খুব জরুরি। বেশিরভাগ মানুষ নিরাপদ জীবন চায়। তারা এমন কাজ করে যেখানে ব্যর্থতার ভয় কম। কিন্তু সত্যি হলো বড় সাফল্য সবসময় কমফর্ট জোনের বাইরেই পাওয়া যায়। যদি আপনি সবসময় নিরাপদ থাকতে চান, তবে আপনার জীবনও সাধারণই থাকবে। যেমন একটি শিশু যখন হাঁটা শেখে, সে অনেকবার পড়ে। সে যদি পড়ে যাওয়ার ভয়ে চেষ্টা ছেড়ে দিত, তবে সে কখনোই হাঁটতে পারতো না। জীবনের ক্ষেত্রেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়ে যাওয়া জরুরি। বইটি শেখায় যে অসম্ভব কোন এক মুহূর্তের কাজ নয়, বরং হাজার হাজার ছোট সিদ্ধান্তের ফল। প্রতিদিন যখন আপনি ভয়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে যান, অলসতার বিরুদ্ধে কাজ কর...
Speaker A
এনেছেন যারা অসম্ভব শব্দটিকে কেবল একটি ভ্রম বলে মনে করেছেন। প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই এমন এক শক্তি লুকিয়ে থাকে যা সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে অসম্ভব কেউ সম্ভব করে তুলতে পারে। আর এই কথাই আমাদের শেখায় দা আর্ট অফ ইমপসিবল। এটি কেবল একটি বই নয় বরং মানুষের সুপ্ত
Speaker A
ক্ষমতাকে জাগ্রত করার সম্পূর্ণ ব্লুপ্রিন্ট। এই বইয়ের লেখক স্টিভেন কটলার জানান যে অসম্ভব কোন জাদু নয় বরং এটি ছোট ছোট বৈজ্ঞানিক ধাপের ফলাফল। যদি কোন মানুষ সঠিক মাইন্ডসেট, সঠিক অনুপ্রেরণা এবং সঠিক পদক্ষেপ নিতে শেখে তবে সে তার জীবনে এমন
Speaker A
ফলাফল অর্জন করতে পারে যা সে কল্পনাও করেনি। এবার নিজের জীবনের দিকে তাকান। কতবার আপনি বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখেছেন? হয়তো ভেবেছেন সফল হতে হবে, টাকা কামাতে হবে, ফিট বডি তৈরি করতে হবে, ব্যবসা শুরু করতে হবে অথবা পরিবারকে ভালো জীবন দিতে হবে।
Speaker A
কিন্তু কিছুদিন পরেই আপনার সেই উৎসাহ শেষ হয়ে গেছে। শুরুতে অনুপ্রেরণা ছিল পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তারপর অলসতা, ভয় এবং ডিস্ট্র্যাকশন আপনাকে থামিয়ে দিয়েছে। এজন্যই বেশিরভাগ মানুষ তাদের আসল সক্ষমতা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। তারা নিজেরাই নিজেদের সীমা নির্ধারণ করে ফেলে।
Speaker A
কিন্তু এই বইয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মানুষের সীমা ফিক্সড বা নির্দিষ্ট নয়। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে পারে। আমাদের দক্ষতা উন্নত হতে পারে এবং আমাদের জীবনও পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। ধরা যাক রোহিত নামে একজন সাধারণ ছেলে আছে। রোহিত এক ছোট শহরে থাকে। তার পরিবারের
Speaker A
আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তার বন্ধুরা সারাদিন সময় নষ্ট করে এবং তার আশেপাশে এমন কেউ নেই যে তাকে বড় স্বপ্ন দেখার জন্য অনুপ্রাণিত করবে। কিন্তু রোহিতের ভেতরে স্বপ্ন আছে যে সে তার জীবন বদলাতে চায়। শুরুতে যখন সে তার স্বপ্নের
Speaker A
কথা বলে তখন মানুষ তার উপহাস করে। কেউ বলে এটা তোর দ্বারা সম্ভব নয়। কেউ বলে গরীব মানুষের এত বড় স্বপ্ন দেখা মানায় না। কিন্তু রোহিত যদি সেই কথাগুলো সত্যি বলে মেনে নিত তবে তার গল্প সেখানেই শেষ হয়ে যেত। তবে সে সিদ্ধান্ত নিল যে প্রতিদিন সে
Speaker A
নিজেকে একটু একটু করে উন্নত করবে। সে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা শুরু করল। নিজের মস্তিষ্ককে ট্রেইন করল। এবং ধীরে ধীরে তার আত্মবিশ্বাস বাড়তে লাগলো। কয়েক বছর পর সেই ছেলেটি তার শহরের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠলো। এই গল্প শুধু রোহিতের নয় বরং প্রত্যেক সেই মানুষের
Speaker A
যারা নিজেদের জীবন বদলাতে চায়। এই বইতে প্রথমেই কথা বলা হয়েছে অনুপ্রেরণা বা মোটিভেশনেরর বিষয়ে। বেশিরভাগ মানুষ মনে করে অনুপ্রেরণা বাইরে থেকে আসে। কোন মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে বা ভাষণ শুনে কিছুক্ষণ উত্তেজনা অনুভব করা। কিন্তু আসল অনুপ্রেরণা বাইরে থেকে আসে না।
Speaker A
তা ভেতর থেকে জন্মায়। লেখক জানান আপনার লক্ষ্য যদি আপনার হৃদয়ের সাথে যুক্ত থাকে তবেই আপনি দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ কেউ যদি শুধু টাকা কামানোর জন্য কাজ করে তবে কিছু সময় পর সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। কিন্তু সে যদি তার পরিবারের
Speaker A
ভালো জীবন, তার স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার জন্য কাজ করে তবে তার ভেতরে সবসময় শক্তি থাকবে। তাই জীবনে সবচেয়ে জরুরি হলো আপনার কেন বা ওয়াই খুঁজে বের করা। যখন আপনার কেন মজবুত হয় তখন কোন বাধাই আপনাকে আটকাতে পারবে না। এরপর বইতে ভয়
Speaker A
নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভয় মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। বেশিরভাগ মানুষ ব্যর্থ হয় না কারণ তাদের মেধার অভাব আছে বরং ব্যর্থ হয় কারণ তারা ভয়ের কারণে শুরুই করতে পারে না তাদের ভয় লাগে মানুষ কি বলবে আমি হেরে গেলে কি হবে আমি ব্যর্থ হলে
Speaker A
কি হবে কিন্তু সত্যি হলো প্রত্যেক সফল মানুষ কোন না কোন সময় ব্যর্থ হয়েছে পার্থক্য শুধু এটাই যে তারা হাল ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে শেখার পথ বেছে নিয়েছে উদাহরণস্বরূপ মাইকেল জর্ডনকে তার স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। যদি তিনি সেদিন মেনে নিতেন যে
Speaker A
তিনি ভালো খেলোয়াড় নন তবে হয়তো পৃথিবী তাকে চিনতো না। কিন্তু তিনি তার দুর্বলতাকে নিজের শক্তি বানিয়ে নিয়েছেন। এই বইতে বারবার এটাই বোঝানো হয়েছে যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে হলে আগে নিজের ভয়কে জয় করতে হবে। বইতে একটি খুব মজার কনসেপ্ট
Speaker A
বলা হয়েছে। যাকে বলা হয় ফ্লো স্টেট। এটি সেই অবস্থা যখন মানুষ নিজের কাজে পুরোপুরি ডুবে যায়। সে সময় না ক্লান্তি লাগে না সময়ের হিসাব থাকে। আপনি লক্ষ্য করেছেন যখন আপনি এমন কাজ করেন যা আপনার খুব পছন্দের তখন ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যায়।
Speaker A
কিন্তু আপনি বুঝতেই পারেন না। এটাই হলো ফ্লো স্টেট। লেখক বলেন, বিশ্বের সফল মানুষরা বারবার এই স্টেটেই কাজ করেন। কারণ এই অবস্থায় মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল এবং উৎপাদনশীল থাকে। ধরুন একজন ছাত্র পড়াশোনায় খুব দুর্বল। সে ঘন্টার পর ঘন্টা বই নিয়ে বসে থাকে
Speaker A
কিন্তু মন লাগে না। অন্যদিকে সে যদি তার প্রিয় গেমটি খেলে তবে ঘন্টার পর ঘন্টা কোন ক্লান্তি ছাড়াই খেলতে পারে। কেন?
Speaker A
কারণ গেম খেলার সময় তার মস্তিষ্ক ফ্লো স্টেটে চলে যায়। এখন ভাবুন যদি সে পড়াশোনা বা ব্যবসায় সেই ফ্লো স্টেট অর্জন করতে পারে। তবে তার জীবন কত দ্রুত বদলে যেতে পারে। এজন্য লেখক বলেন, নিজের কাজকে বাধ্যবাধকতা নয় বরং নিজের পরিচয় বানান।
Speaker A
এরপর বইতে ছোট ছোট উন্নতির শক্তির কথা বলা হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ জীবন বদলানোর জন্য বিশাল কোন পদক্ষেপ নিতে চায়। তারা ভাবে একদিনেই সব বদলে যাবে। কিন্তু আসল পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটে। যদি আপনি প্রতিদিন মাত্র এক শতাংশ উন্নত হন তবে
Speaker A
কয়েক বছর পর আপনি সম্পূর্ণ নতুন মানুষে পরিণত হবেন। যেমন যদি কেউ প্রতিদিন 30 মিনিট ব্যায়াম করে নতুন কিছু শেখে এবং নিজের লক্ষ্যের জন্য সামান্য কাজ করে তবে কিছু সময় পর তার জীবন বদলে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো মানুষ দ্রুত ফলাফল চায়। যখন
Speaker A
দ্রুত সাফল্য পায় না তখন তারা হাল ছেড়ে দেয়। লেখক জানান সাফল্যের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো ধারাবাহিকতা। কনসিস্টেন্সি। অনুপ্রেরণা মাঝে মাঝে আসে। কিন্তু শৃঙ্খলা ডিসিপ্লিন প্রতিদিন কাজ করে। ধরুন দুজন মানুষ আছে। প্রথমজন খুব মেধাবী কিন্তু অলস। দ্বিতীয়জন সাধারণ কিন্তু প্রতিদিন
Speaker A
পরিশ্রম করে। কিছু সময় পর দ্বিতীয়জন প্রথমজনের চেয়ে অনেক এগিয়ে যাবে। কারণ জীবনে জিত সবসময় তাদেরই হয় যারা ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে। বইটি আরো শেখায় যে আমাদের পরিবেশ আমাদের চিন্তাধারাকে খুব প্রভাবিত করে। যদি আপনি এমন মানুষের সাথে থাকেন যারা সবসময়
Speaker A
নীতিবাচক কথা বলে স্বপ্ন নিয়ে উপহাস করে তবে ধীরে ধীরে আপনিও তাদের মত হয়ে যাবেন। কিন্তু যদি আপনি এমন মানুষের সাথে সময় কাটান যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে পরিশ্রম করে তবে আপনার চিন্তাধারাও বদলে যাবে। তাই জীবনে সঠিক মানুষের সঙ্গ খুব জরুরি। একটি
Speaker A
বাস্তব উদাহরণ দেখুন। এলন মাস্ক যখন ইলেকট্রিক কার এবং রকেট বানানোর কথা বলেছিলেন তখন পৃথিবী তাকে নিয়ে উপহাস করেছিল। মানুষ বলেছিল এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি অন্যের সীমাকে নিজের সীমা হতে দেননি। তিনি ধারাবাহিকভাবে শিখেছেন, ঝুঁকি নিয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই কাজ করে
Speaker A
দেখিয়েছেন যাকে পৃথিবী অসম্ভব বলেছিল। বইটি আমাদের শেখায় যে অসম্ভব কেবল তাদের জন্যই যারা চেষ্টা করা ছেড়ে দেয়। এরপর লেখক জানান যে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধু পরিশ্রম যথেষ্ট নয় সঠিক দিকে পরিশ্রম করা প্রয়োজন। অনেকে সারাদিন ব্যস্ত থাকে কিন্তু উন্নতি করে না। কারণ
Speaker A
তাদের ফোকাস বিক্ষিপ্ত থাকে। তারা সবকিছুতে হাত দেয় কিন্তু কোন একটি বিষয়ে মাস্টার হয় না। তাই বইতে বলা হয়েছে জীবনে বড় হতে হলে ডিপ ফোকাস শিখতে হবে। যখন একজন মানুষ একসময় কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজেই পূর্ণ মনোযোগ দেয় তখনই সে অসাধারণ ফলাফল পায়। ভাবুন যদি
Speaker A
কেউ প্রতিদিন ছ ঘন্টা মনোযোগ সহকারে নিজের লক্ষ্যে কাজ করে তবে এক বছর পর সে কোথায় পৌঁছাবে? কিন্তু আজকের দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় সমস্যা মনোযোগ হারানো। সোশ্যাল মিডিয়া, মোবাইল এবং সারাক্ষণের বিনোদন মানুষের ফোকাস করার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। তাই যে নিজের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে
Speaker A
শেখে সেই সবার থেকে এগিয়ে যায়। বইতে আরো বলা হয়েছে যে অসম্ভবকে অর্জন করতে শরীর এবং মস্তিষ্ক উভয়েরই মজবুত হওয়া জরুরি। যদি আপনার শরীর দুর্বল হয়, ঘুম ঠিকমত না হয়, তবে আপনি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারবেন না। তাই সফল মানুষরা নিজেদের
Speaker A
স্বাস্থ্যের দিকে গুরুত্ব দেয়। তারা জানে আসল সাফল্য হলো শরীর, মন এবং জীবনের মধ্যে ভারসাম্য থাকা। ধরুন দুজন মানুষ একই স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে। প্রথমজন রাতে জেগে থাকে, শরীর চর্চা করে না এবং সবসময় চাপে থাকে। দ্বিতীয়জন নিয়মিত ব্যায়াম করে, ভালো
Speaker A
ঘুমায় এবং মন শান্ত রাখে। কিছুদিন পর দ্বিতীয়জন বেশি শক্তি, বেশি মনোযোগ এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাবে। তাই সাফল্য শুধু পরিশ্রমের খেলা নয়, এটি সঠিক লাইফস্টাইলেরও খেলা। লেখক আরো বলেন, জীবনে ঝুঁকি নেওয়া খুব জরুরি। বেশিরভাগ মানুষ নিরাপদ জীবন চায়। তারা এমন কাজ করে
Speaker A
যেখানে ব্যর্থতার ভয় কম। কিন্তু সত্যি হলো বড় সাফল্য সবসময় কমফর্ট জোনের বাইরেই পাওয়া যায়। যদি আপনি সবসময় নিরাপদ থাকতে চান তবে আপনার জীবনও সাধারণই থাকবে। যেমন একটি শিশু যখন হাঁটা শেখে সে অনেকবার পড়ে। সে যদি পড়ে যাওয়ার ভয়ে
Speaker A
চেষ্টা ছেড়ে দিত তবে সে কখনোই হাঁটতে পারতো না। জীবনের ক্ষেত্রেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়ে যাওয়া জরুরি। বইটি শেখায় যে অসম্ভব কোন এক মুহূর্তের কাজ নয় বরং হাজার হাজার ছোট সিদ্ধান্তের ফল। প্রতিদিন যখন আপনি ভয়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে যান, অলসতার বিরুদ্ধে কাজ করেন এবং
Speaker A
হার না মেনে চেষ্টা করেন তখনই আপনার অসম্ভব সম্ভব হতে শুরু করে। আজ পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষ গড়পর্তা জীবন কাটাচ্ছে। কারণ তারা নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। তারা মনে করে মহান মানুষরা জন্মগতভাবেই আলাদা। কিন্তু সত্যি হলো মহান মানুষ জন্মায় না। তারা নিজেদের তৈরি করে।
Speaker A
তারা প্রতিদিন নিজেদের মস্তিষ্ককে ট্রেইন করে। অভ্যাস ভালো করে এবং স্বপ্নের জন্য পরিশ্রম করে। হয়তো এটাই এই বইয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা। যে মানুষের আসল সীমা তার মস্তিষ্কই তৈরি করে। যেদিন আপনি ধরে নেবেন যে আপনি কিছু পারবেন না সেদিনই আপনার পরাজয় শুরু হয়। কিন্তু যেদিন আপনি
Speaker A
সিদ্ধান্ত নেবেন যে যত বাধাই আসুক আমি হার মানবো না। সেদিন থেকেই আপনার জয় শুরু হয়। এখন ভাবুন কেন কিছু মানুষ জীবনে ক্রমাগত এগিয়ে যায়। আর কিছু মানুষ বছরের পর বছর একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। এর সবচেয়ে বড় কারণ তাদের চিন্তাধারা এবং
Speaker A
তাদের পরিচয়। বইতে লেখক বলেছেন যে মানুষ সেটাই হয় যা সে বারবার নিজের সম্পর্কে ভাবে। যদি কেউ নিজেকে দুর্বল ও অভাগা মনে করে তবে তার মস্তিষ্ক সেভাবেই কাজ করবে। কিন্তু কেউ যদি নিজেকে একজন পরিশ্রমী এবং নিরন্তর উন্নত হতে চাওয়া মানুষ মনে করে
Speaker A
তবে তার জীবন বদলে যায়। ধরুন একজন ছেলে যে সবসময় বলে আমি পারবো না। যে কোন নতুন সুযোগে সে ভয় পায়। ইন্টারভিউ হোক বা নতুন ব্যবসা সে বারবার পিছিয়ে যায়। অন্যদিকে আরেকজন আছে যে শুরুতে ভয় পায়। কিন্তু সে নিজেকে বলে হয়তো আমি পারফেক্ট
Speaker A
নই কিন্তু আমি শিখতে পারি। এই ছোট্ট পার্থক্যটাই তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রথমজন ভয়ের কারণে একই জায়গায় রয়ে যায়। আর দ্বিতীয়জন ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। তাই লেখক বলেন, জীবন বদলাতে চাইলে আগে নিজের পরিচয় বদলাতে হবে। বইতে খুব গভীর একটি কথা বলা হয়েছে।
Speaker A
আমাদের মস্তিষ্ক সবসময় সহজ পথ খুঁজতে চায়। এজন্যই বড় লক্ষ্য ঠিক করলেও কিছুদিন পর অযু হাত তৈরি হয়। কখনো ক্লান্তি, কখনো অলসতা লাগে। মনে হয় কাল থেকে শুরু করব। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন তারাই যারা মোড অনুযায়ী নয়। মিশানের অনুযায়ী কাজ করে। আপনার মন চাইলে কাজ করবেন। এভাবে
Speaker A
চললে বড় সাফল্য কখনোই পাবেন না। একটি বাস্তব উদাহরণ দেখুন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু মেধা নয় তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার শৃঙ্খলা। ডিসিপ্লিন। যখন অন্য খেলোয়াড়রা পার্টি করতো তখন তিনি প্র্যাকটিস করতেন। যখন
Speaker A
মানুষ আরাম করতো তিনি নিজেকে উন্নত করতে ব্যস্ত থাকতেন। এজন্যই তিনি বিশ্বের সেরাদের তালিকায় আছেন। বইটি বোঝায় যে মহানতা হঠাৎ আসে না। বরং প্রতিদিনের কঠোর সিদ্ধান্তের ফলাফল। লেখক আরো বলেন, জীবনে ব্যর্থতা ভয়ঙ্কর নয় বরং গড়পর্তা জীবন মেনে নেওয়াটা বেশি
Speaker A
ভয়ঙ্কর। অনেকে শুধু এই ভেবে স্বপ্ন ছেড়ে দেয় যে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কিন্তু যতক্ষণ প্রাণ আছে ততক্ষণ নিজের জীবন বদলে ফেলা সম্ভব। পার্থক্য শুধু এটাই যে আপনি ভয়ের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত কিনা। ধরুন 40 বছর বয়সী এক ব্যক্তি যে সারাজীবন
Speaker A
সাধারণ চাকরি করেছে। তার ভেতরে সবসময় স্বপ্ন ছিল ব্যবসা করার। কিন্তু বারবার নিজেকে আটকেছে এই ভেবে যে ব্যর্থ হলে কি হবে? একদিন সে সিদ্ধান্ত নিল স্বপ্নকে আর দাবিয়ে রাখবে না। শুরুতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। মানুষ উপহাস করেছে। কিন্তু সে হাল ছাড়েনি। কয়েক বছর পর সে নিজের
Speaker A
জীবনের মালিক হয়ে গেল। এই উদাহরণ আমাদের শেখায় যে জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ চেষ্টা করার জন্য হয় না। হয় চেষ্টা না করার জন্য। এই বইতে শেখার শক্তির ব্যাপারেও অনেক গভীরে আলোচনা করা হয়েছে। লেখক বলেন, আজকের যুগে সবচেয়ে ধনী ও সফল
Speaker A
ব্যক্তি তারাই যারা নিরন্তর শিখতে থাকে। কারণ দুনিয়া দ্রুত বদলাচ্ছে। যদি শেখা বন্ধ করে দেন তবে অনেক পিছিয়ে পড়বেন। তাই সফল মানুষ প্রতিদিন নিজের মস্তিষ্ককে ট্রেইন করে। বই পড়ে নতুন স্কিল শেখে এবং নিজেকে উন্নত করে। আজ ইন্টারনেটের যুগে শেখা আগে থেকে অনেক সহজ। কিন্তু সমস্যা
Speaker A
হলো বেশিরভাগ মানুষ শেখার বদলে শুধু সময় নষ্ট করে। ঘন্টার পর ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে। কিন্তু স্বপ্নের জন্য নতুন কিছু শেখে না। আর এই অভ্যাসই জীবনকে দুর্বল করে দেয়। লেখক বলেন, যদি প্রতিদিন মাত্র এক ঘন্টাও নিজেকে উন্নত করতে ব্যয় করেন, তবে কয়েক বছর পর আপনি
Speaker A
অন্যদের থেকে অনেক এগিয়ে থাকবেন। বইটি শেখায় যে বড় স্বপ্ন দেখে ভয় পাওয়া উচিত নয়। সমাজ আমাদের ছোট করে ভাবতে শেখায়। ছোটবেলা থেকে আমাদের নিরাপদ থাকতে বলা হয়। কিন্তু বড় পরিবর্তন তারাই এনেছে যারা বড় ভাবার সাহস করেছে। ওয়াল্ট ডিজনি
Speaker A
যখন স্বপ্নের কথা বলেছিলেন সবাই বলেছিল এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি যদি মানুষের কথা শুনতেন তবে ডিজনি সাম্রাজ্য পাওয়া যেত না। তাই লেখক বলেন নিজের স্বপ্নকে অন্যের সীমার মাধ্যমে ছোট করবেন না। এরপর বইতে অভ্যাসের শক্তির কথা বলা হয়েছে। আমাদের জীবন বড় সিদ্ধান্তের চেয়ে প্রতিদিনের
Speaker A
অভ্যাসের মাধ্যমে বেশি তৈরি হয়। যদি কেউ প্রতিদিন দিতে ঘুমায়, সময় নষ্ট করে তবে তার জীবন দুর্বল হবে। কিন্তু কেউ যদি প্রতিদিন তাড়াতাড়ি ওঠা, ব্যায়াম করা ও পড়াশোনা শুরু করে তবে তার জীবন পুরোপুরি বদলে যাবে। ধরুন দুজন বন্ধু। শুরুটা একই
Speaker A
রকম। প্রথমজন শুধু আরামের পেছনে ছোটে। দ্বিতীয়জন প্রতিদিন নিজেকে উন্নত করতে কাজ করে। পাঁচ বছর পর দুজনের জীবন পুরোপুরি আলাদা হবে। প্রথমজন হয়তো এখনো অজুহাত দিচ্ছে। আর দ্বিতীয়জন তার স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এটাই কম্পাউন্ড এফেক্ট। যা নিয়ে বইতে বারবার বলা হয়েছে। ছোট ছোট ভালো সিদ্ধান্ত
Speaker A
সময়ের সাথে বিশাল ফলাফল দেয়। লেখক জানান, অসম্ভবকে অর্জন করতে হলে নিজের মস্তিষ্ককে ব্যথা বা কষ্টের সাথে বন্ধুত্ব করতে শেখাতে হবে। কারণ প্রতিটি বড় লক্ষ্য কষ্টের সাথেই আসে। নতুন কিছু শুরু করলে ভয় লাগবে। পরিশ্রম করলে ক্লান্তি আসবে। অন্যের চেয়ে আলাদা পথ
Speaker A
বেছে নিলে মানুষ উপহাস করবে। কিন্তু এই কষ্টই আপনাকে মজবুত করে। যদি প্রতিটা কষ্ট থেকে পালাতে চান তবে কখনোই মজবুত হতে পারবেন না। একজন খেলোয়াড় জিমে ভারী ওজন তুললে পেশিতে ব্যথা হয়। কিন্তু সেই ব্যথা তাকে আগের চেয়ে শক্তিশালী করে। জীবনের
Speaker A
কষ্টগুলো মানুষকে তেমনই শক্তিশালী করে। তাই লেখক বলেন, কষ্টকে শত্রু নয় ট্রেনিং হিসেবে দেখুন। বইতে আরো বলা হয়েছে যে ফোকাস বা মনোযোগ আজ দুনিয়ার সবচেয়ে দুর্লভ ও শক্তিশালী দক্ষতা। কারণ চারদিকে শুধু ডিস্ট্রাকশন। প্রতিটা অপ নোটিফিকেশন আর ভিডিও মনোযোগ চুরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু যে নিজের
Speaker A
মনোযোগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে সে যেকোনো ক্ষেত্রে অসাধারণ হতে পারে। ভাবুন যদি কেউ প্রতিদিন মোবাইল ছাড়া শুধু দু ঘন্টা মনোযোগ দিয়ে নিজের স্বপ্নের জন্য কাজ করে তবে এক বছরে সে কতদূর যেতে পারে। কিন্তু সমস্যা হলো মানুষ নিজের মস্তিষ্কের মালিক
Speaker A
হওয়ার বদলে গোলাম হয়ে গেছে। তারা প্রতি মিনিটে মোবাইল চেক করে এবং তারপর অভিযোগ করে যে মনোযোগ নেই। লেখক বলেন, অসম্ভবকে অর্জন করতে হলে নিজের মনোযোগকে রক্ষা করতে হবে। এরপর আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলা হয়েছে। আত্মবিশ্বাস মানে এই নয় যে
Speaker A
আপনাকে সবকিছু আগে থেকে জানতে হবে। আসল আত্মবিশ্বাস হলো এই বিশ্বাস যে যাই সমস্যা আসুক আপনি শিখে তা সামলে নিতে পারবেন। অনেকে শুরুতে পারফেক্ট হতে চায় বলে পিছিয়ে থাকে। কিন্তু শুরুতে কেউ মহান হয় না। সাইকেল চালানো শেখার সময় শিশু বারবার
Speaker A
পড়ে। কিন্তু ধীরে ধীরে তার ভারসাম্য তৈরি হয়। তেমনি জীবনেও আত্মবিশ্বাস কাজ করার মাধ্যমে আসে। শুধু চিন্তা করার মাধ্যমে নয়। যত বেশি ভয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন আত্মবিশ্বাস তত বাড়বে। লেখক আরো বোঝান যে জীবনে সঠিক মিশন থাকা খুব জরুরি। উদ্দেশ্য না থাকলে মানুষ দ্রুত
Speaker A
পথ হারায়। কিন্তু যখন জানা থাকে কেন পরিশ্রম করছেন তখন কঠিন সময়েও টিকে থাকা যায়। এজন্য যাদের শক্তিশালী উদ্দেশ্য আছে তারা বেশি সফল ও সুখী। হয়তো এটাই বইটির সবচেয়ে সুন্দর কথা। এটি শুধু সাফল্য অর্জন নয়, নিজের আসল ক্ষমতাকে চেনার পথ দেখায়। আমাদের ভেতর
Speaker A
যতটা শক্তি লুকানো আছে তার খুব অল্পই আমরা ব্যবহার করি। বেশিরভাগ মানুষ ভয়, অলসতা আর অজুহাতের কারণে নিজের আসল শক্তি চিনতেই পারে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো মানুষ নিজের ক্ষমতা পর্যন্ত পৌঁছাবে কিভাবে? শুধু স্বপ্ন দেখলে জীবন বদলায় না। মোটিভেশনাল কথা শোনেও না। আসল পরিবর্তন তখনই শুরু হয়
Speaker A
যখন মানুষ নতুন উপায়ে মস্তিষ্ক ব্যবহার করতে শেখে। এজন্যই লেখক বারবার বলেন যে মহানতা জন্মগত উপহার নয় বরং একটি প্রক্রিয়া প্রসেস। যে এই প্রক্রিয়া বোঝে সে ধীরে ধীরে নিজের সীমাকে ভেঙে ফেলে। লেখক জানান প্রতিটি মানুষের ভেতর দুটি কন্ঠস্বর থাকে। প্রথমটি বলে তুই পারবি না।
Speaker A
এটা খুব কঠিন। লোকে কি বলবে? ব্যর্থ হলে কি হবে? আর দ্বিতীয়টি বলে একবার চেষ্টা করে দেখ হয়তো তোর জীবন বদলে যাবে। বেশিরভাগ মানুষ প্রথম কন্ঠস্বরকে সত্যি মেনে নেয়। ভয়কে নিজের পরিচয় বানিয়ে ফেলে। কিন্তু যারা দ্বিতীয়টিতে ভর্সা রাখে তারাই এগিয়ে যায়। ধরুন একটি মেয়ে
Speaker A
যার স্বপ্ন ইউটিউব চ্যানেল শুরু করা। কিন্তু ভিডিও বানাতে গেলেই তার ভয় হয়। মনে হয় মানুষ হাসাহাসি করবে, ভিডিও খারাপ হবে, কেউ দেখবে না। এই ভয়ে সে মাসের পর মাস শুধু ভাবে কাজ শুরু করে না। অন্যদিকে আরেকজন মেয়ে আছে যে একই ভয় পায়। কিন্তু সে
Speaker A
সিদ্ধান্ত নেয় ভিউ 10 টা আসুক বা 100 টা। সে শুরু করবেই। শুরুতে মানুষ হাসে ভিউ কম আসে। কিন্তু সে শিখতে থাকে। কয়েক বছর পর সে লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। পার্থক্য শুধু এটাই। একজন ভয়ের কারণে শুরু করেনি। অন্যজন ভয়ের পরেও পদক্ষেপ
Speaker A
নিয়েছে। এজন্য লেখক বলেন, পদক্ষেপ নেওয়ার সবসময় ভয়ের চেয়ে শক্তিশালী। যতক্ষণ ভাববেন ভয় তত বাড়বে। কিন্তু যেই প্রথম পদক্ষেপ নেবেন ভয় ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসবে। তাই জীবনের সবচেয়ে জরুরি হল শুরু করা। শুরুতেই পারফেক্ট হতে হবে না। শুধু শুরু করাটা জরুরি। বইয়ে আরো বলা
Speaker A
হয়েছে যে মস্তিষ্ক সেই দিকেই মজবুত হয় যেদিকে আপনি প্রতিদিন কাজ করেন। প্রতিদিন অভিযোগ করলে মস্তিষ্ক নেতিবাচক দিকে মজবুত হবে। প্রতিদিন ভয় পেলে মস্তিষ্ক ভয়ের দিকে মজবুত হবে। কিন্তু প্রতিদিন শিখলে, পরিশ্রম করলে মস্তিষ্ক সাফল্যের জন্য তৈরি হবে। যেমন প্রতিদিন 10 মিনিট বই পড়লে
Speaker A
শুরুতে মনে হবে সামান্য। কিন্তু কয়েক মাস পর আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে। আপনি আগের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও আত্মবিশ্বাসী হবেন। এই ছোট পদক্ষেপগুলোই জীবন বদলে দেয়। লেখক আরো জানান বেশিরভাগ মানুষ কমফর্ট জোনে থাকে। কারণ সেখানে নিরাপদ মনে হয়। কিন্তু সমস্যা হলো কমফর্ট জোন
Speaker A
মানুষকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। সহজ কাজ করলে কখনোই মজবুত হওয়া যায় না। মজবুত হওয়ার জন্য কঠিন কাজ করতে হয়। যদি প্রতিদিন একই খাবার খান, একই কাজ করেন এবং নতুন কিছু না শেখেন তবে জীবন খুব সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু যখন নতুন চ্যালেঞ্জ
Speaker A
নেবেন তখন মস্তিষ্ক ও ক্ষমতা দুই বাড়বে। এজন্যই বিশ্বের সফল মানুষরা নিজেদের প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ জানায়। একটি বাস্তব উদাহরণ দেখুন। আর্নল্ড সোয়ার্জনেগার যখন ছোট ছিলেন তখন তার টাকা বা সুবিধা ছিল না। কিন্তু তার ভেতরে বড় স্বপ্ন ছিল। তিনি কমফর্ট জোনের বাইরে গিয়ে কঠোর
Speaker A
পরিশ্রম করেছেন। বডিবিল্ডিং এ নাম করেছেন, ফিল্মে এসেছেন। পরে রাজনীতিতেও সফল হয়েছেন। তিনি যদি নিরাপদ জীবন বেছে নিতেন, তবে পৃথিবী তাকে চিনতো না। এটি আমাদের শেখায় যে বড় হতে হলে বড় ঝুঁকি নিতে হয়। বইয়ের সম্পর্ক ও শক্তির কথাও বলা হয়েছে। লেখক বলেন, একা অনেকদূর
Speaker A
যাওয়া যায় না। তাই আশেপাশে এমন মানুষ রাখা জরুরি যারা আপনাকে নিচে না টেনে উপরে তোলে। যাদের সাথে বেশি সময় কাটান, ধীরে ধীরে আপনি তাদের মত হয়ে যান। যদি নেতিবাচক বা অলস মানুষের সাথে থাকেন, তবে আপনার চিন্তাও তেমন হবে। কিন্তু যদি
Speaker A
পরিশ্রমী ও ইতিবাচক মানুষের সাথে থাকেন, তবে আপনার শক্তিও বদলে যাবে। তাই সঠিক পরিবেশ আপনার সাফল্যকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এরপর বইতে সৃজনশীলতা বা ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে বলা হয়েছে। অনেকে ভাবে সৃজনশীলতা শুধু শিল্পীদের জন্য। কিন্তু সত্যি হলো প্রতিটি ক্ষেত্রেই
Speaker A
সৃজনশীল চিন্তার প্রয়োজন। ব্যবসা হোক বা জীবন যে আলাদাভাবে চিন্তা করে সেই এগিয়ে যায়। ধরুন দুজন দোকানদার একজন পুরনো পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্যজন গ্রাহককে ভালো অভিজ্ঞতার জন্য নতুন আইডিয়া চিন্তা করে কিছুদিন পর দ্বিতীয়জন বেশি সফল হবে কারণ আজকের যুগে শুধু পরিশ্রম নয় স্মার্ট ও
Speaker A
সৃজনশীলতাও জরুরি লেখক জানান জীবনে আসল খুশি শুধু টাকা বা সাফল্যে আসে না আসল খুশি তখনই আসে যখন মানুষ বুঝতে পারে সে তার পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করছে। অনেকে বাইরে থেকে সফল মনে হলেও ভেতর থেকে শূন্যতা অনুভব করে। কারণ তারা তাদের মনের মত কাজ করছে
Topics:অসম্ভবমাইন্ডসেটঅনুপ্রেরণাভয় জয়ফ্লো স্টেটধারাবাহিকতাডিপ ফোকাসসফলতাস্টিভেন কটলারলাইফস্টাইল











