জিম কুইকের জীবন থেকে শেখা ৫ গুণ দ্রুত শেখার ৩টি ধাপ ও ব্রেন কন্ট্রোলের কৌশল।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- মাথায় আঘাত পেলে পড়াশোনায় সমস্যা হতে পারে, তবে সঠিক মেথডে উন্নতি সম্ভব।
- মেমোরি ও স্পিড রিডিং টেকনিক শেখা জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
- নিজের ব্রেনকে সুপারপাওয়ার হিসেবে ব্যবহার করার মানসিকতা জরুরি।
- জিম কুইকের মেথড যেকোনো বয়সের মানুষ ব্যবহার করে দ্রুত শেখার ক্ষমতা বাড়াতে পারে।
- প্র্যাকটিস ও ধারাবাহিকতা শেখার সফলতার মূল চাবিকাঠি।
What the video covers
- জিম কুইকের শৈশবে মাথায় আঘাত পেয়ে পড়াশোনায় সমস্যা হওয়ার গল্প।
- ব্রোকেন ব্রেইন কিড নামে অপমানিত হলেও নিজে মেমোরি ও স্পিড রিডিং টেকনিক শিখে সফলতা অর্জন।
- কলেজে খারাপ গ্রেডের পর বন্ধুর বাবার সাহায্যে ব্রেন কন্ট্রোল শেখা শুরু।
- লস এঞ্জেলেসে এসএটি প্রিপারেশন বিজনেস শুরু করে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা অর্জন।
- ১৯৯৯ সালে ২০ সেঞ্চুরি ফক্সের এক্সম্যান প্রডিউসারের নজরে আসা ও হলিউড তারকাদের স্পিড রিডিং শেখানো।
- গুগল, নাইকি, স্পেসসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে ব্রেন ট্রেনিং দেওয়া।
- ২০১৫ সালে স্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ ও ইলন মাস্কের সামনে স্পিচ দেওয়ার ঘটনা।
- জিম কুইকের মেথড যে কেউ যেকোনো স্কিল দ্রুত শিখতে ও জীবনে পরিবর্তন আনতে ব্যবহার করতে পারে।
- ভিডিওতে শেখানো ৩টি পরীক্ষিত ধাপ ১০০% কার্যকর বলে প্রমাণিত।
- ব্রেনের ক্ষমতা বাড়িয়ে শেখার গতি বাড়ানোর জন্য প্র্যাকটিক্যাল টিপস ও মেমোরি টেকনিক আলোচনা।
Chapters
- 00:00জিম কুইকের শৈশব ও দুর্ঘটনা
- 01:15শিক্ষাগত সমস্যার শুরু ও কমিক বইয়ের প্রভাব
- 02:27কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ ও বন্ধুর বাবার সাহায্য
- 03:40লস এঞ্জেলেসে নতুন জীবন ও ব্যবসার শুরু
- 04:47হলিউডে সফলতা ও মেমোরি ট্রেনিং
- 06:02গুগল ও স্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ
- 07:15জিম কুইকের মেথডের কার্যকারিতা ও জীবনে প্রয়োগ
- 08:26দ্রুত শেখার ৩টি পরীক্ষিত ধাপ ও উপসংহার
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
29 জুলাই 1973, ওয়েস্ট চেস্টার কাউন্টি, নিউইয়র্ক। একটা পাঁচ বছরের ছেলে স্কুলের ক্লাসরুমে একটা চেয়ারের উপর উঠে আলমারির উপরের তাকে রাখা কালার পেন নামাতে গিয়েছিল। হঠাৎ চেয়ারটা পিছলে যায়। সে সোজা নিচে পড়ে যায়। আর তার মাথা সরাসরি আঘাত করে শক্ত ফ্লোরে। এই একটি দুর্ঘটনা
Speaker A
তার পুরো জীবনটাই বদলে দেয়। এরপর থেকে সে যখনই পড়তে বসে, কনসেপ্ট যেন তার মাথার ভেতরে ঢুকতেই চায় না, বোঝে না, মনে থাকে না। আর একটু পড়লেই শুরু হয় তীব্র মাথা ব্যথা। ১২ বছর বয়সে পৌঁছাতে পৌঁছাতে মাথার একই জায়গায় সে তিনবার আঘাত পায়।
Speaker A
শুরু হয় তীব্র মাইগ্রেন। হাঁটতে হাঁটতেই হঠাৎ ব্যালেন্স হারিয়ে পড়ে যাওয়া। যেখানে নরমাল একটা বাচ্চা এক বছরেই রিডিং শিখে ফেলে, সেখানে তার রিডিং শিখতে তিন বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। ক্লাসে তাকে বুঝিয়ে পড়াতে হলে টিচারকে স্লো করে পড়াতে হতো। বাকি বাচ্চারা বিরক্ত হতো। আর
Speaker A
ঠিক এখান থেকেই শুরু হয় আসল ট্রাজেডি। ক্লাসের বাকি বাচ্চারা তাকে নিয়ে হাসে, বুলি করে, ফিসফিস করে কথা বলে। একদিন পরিস্থিতি এত খারাপ হয়ে যায় যে ক্লাস টিচার সবার সামনে বলে ফেলেন, ওকে কেউ ডিস্টার্ব করবে না। ও একটা ব্রোকেন ব্রেইন
Speaker A
কিড। টিচার ভেবেছিলেন এই কথায় বাচ্চাটা নিরাপদ থাকবে। কিন্তু বাস্তবে হলো উল্টো। এরপর থেকে বাচ্চাটার প্রকৃত নাম বদলে নাম হয়ে যায় ব্রোকেন ব্রেইন কিড। হাসাহাসি, ঠাট্টা, অপমান সবকিছু যেন তার দৈনন্দিন রুটিন। সমস্যা ঠিক করার জন্য হসপিটালে একের পর এক টেস্ট। ডাক্তার, থেরাপি,
Speaker A
মেডিসিন সব চেষ্টাই করা হয়। কিন্তু ফলাফল শূন্য। যখনই সে পড়তে বসে মাথা ধরে আসে। চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। লেখাগুলো যেন একটার ভেতর আরেকটা ঢুকে যায়। তাই একদিন সে সিদ্ধান্ত নেয় এই মোটা মোটা স্কুলের বই আর নয়। সে বইগুলো সাইডে সরিয়ে রেখে হাতে
Speaker A
তুলে নেয় একটা কমিক এক্সম্যান। অনেকেই জানেন না এক্সম্যান এমন একটা গল্প যেখানে কিছু মানুষ জন্ম থেকেই আলাদা, যাদের মিউট্যান্ট বলা হয়। যারা সুপারপাওয়ার নিয়ে জন্মায়। আর সমাজ তাদেরকে ভয় পায়, বোঝে না, দূরে ঠেলে দেয়। কমিক পড়তে পড়তে ছেলেটা হঠাৎ একটা জিনিস ভাবতে থাকে। এই
Speaker A
গল্পটার সাথে আমার জীবনের এত মিল কেন? তার মনে হতে থাকে হয়তো তার ব্রেনটা ব্রোকেন না। হতে পারে এটা একটু আলাদা। হয়তো সেও একজন মিউটেন্ট। ছোট্ট একটা বাচ্চার কল্পনায় এই ভাবনাটা ধীরে ধীরে বাস্তব হয়ে ওঠে। এক্সম্যান থেকে সে জানতে পারে
Speaker A
প্রফেসর জেভিয়ার নামের একজন মানুষের কথা, যার একটা স্কুল আছে যেখানে তিনি এই ধরনের মিউট্যান্ট নিয়েই কাজ করেন। আর কমিক অনুযায়ী এই স্কুলটা লুকিয়ে আছে ওয়েস্টচেস্টারের নিউইয়র্কের কোন একটা বিশাল ম্যানশনের ভেতরে। আর যেহেতু ছেলেটা ওয়েস্টচেস্টার শহরেই থাকতো, ফলে তার মনে হতো
Speaker A
এই শহরেই কোথাও আমার জন্য স্কুলটা রয়েছে। সে ভাবতো স্কুলে গেলে তার ব্রোকেন ব্রেইন সুপারপাওয়ারে কনভার্ট হয়ে যাবে। ছোটবেলায় সে সত্যিই শহরের ওলিগুলি ঘুরে এই কাল্পনিক স্কুলটা খুঁজেছে। আর স্বাভাবিকভাবেই তা কখনো পায়নি। বছর গড়ায় ছেলেটা বড় হয়ে কলেজে ওঠে। কিন্তু
Speaker A
কলেজের প্রথম বছরটাই ছিল তার জীবনের নাইটমেয়ার। কলেজের কঠিন পড়া সে বুঝতো না। বায়োলজির একটা চ্যাপ্টার পড়তেই তার লেগে যেত সাত থেকে আট ঘন্টা। সেমিস্টার শেষে দেখা যায় প্রায় সব সাবজেক্টেই তার গ্রেড সি মাইনাস। কলেজ থেকে সরাসরি বলে দেওয়া হলো পরের সেমিস্টারে ভালো না করলে
Speaker A
তোমাকে বের করে দেওয়া হবে। ঠিক তখনই ছেলেটার জীবনে আসে একটা মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মত ঘটনা, যে ঘটনার পর সবকিছু বদলাতে শুরু করে। ঘটনা হলো একদিন সে তার এক বন্ধুর বাসায় যায়, সেখানে তার দেখা হয় বন্ধুর বাবার সাথে, যিনি ছিলেন একজন
Speaker A
ইঞ্জিনিয়ার। কথায় কথায় ছেলেটা তার জীবনের সব সমস্যা খুলে বলে। লোকটা মন দিয়ে শোনে, কোন কমেন্ট করে না, শুধু উঠে লাইব্রেরিতে যায়। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে কয়েকটা বই তার হাতে দিয়ে বলে, এই বইগুলো পড়ো, তুমি শিখবে কিভাবে নিজের ব্রেনকে কন্ট্রোল করতে হয়। ছেলেটা পড়া শুরু করে। টনি বুজানের মেমোরি ব্যাংক, হ্যারি লরেনের মেমোরি মাস্টার, লেটেস্ট রেট্রিভাল, প্র্যাকটিস রিসার্চ পেপার সহ অসংখ্য বই। আর সে শুধু পড়েনি। প্রতিটা টেকনিক সেই রাতেই প্র্যাকটিস করেছে। মেমোরি ব্যালেন্স শিখে হোস্টেলে যাওয়ার পথ কল্পনা করে
Speaker A
প্রতিটা আইটেম আলাদা আলাদা লোকেশনে বসিয়েছে। চাংকিং, টিচ ব্যাক রুল, রুবিক্স কিউব, চেসের মত যত ধরনের মেমোরি আপগ্রেডিং টেকনিক আছে সব সে ট্রাই করেছে। আর ফলাফল সি মাইনাস গ্রেড এতে কনভার্ট হয়ে যায়। ক্লাসমেটরা হতবাক। যে ছেলেটাকে সবাই ডাকতো ব্রোকেন ব্রেইন কিড, সে হঠাৎ করেই যেন
Speaker A
নিজের ব্রেনকে সুপারপাওয়ার বানিয়ে ফেলেছে। সবাই তার কাছে রহস্য জানতে চায়। কেউ কেউ তো পিজ্জার কোল্ড ড্রিংক খাইয়ে তার থেকে পড়া মনে রাখার টেকনিক শেখে। আর সবচেয়ে বড় জিনিসটা কি জানেন? এরপর থেকে আর কেউই তাকে ব্রোকেন ব্রেইন কিড নামে
Speaker A
ডাকেনি। ডিপ্লোমা শেষ হওয়ার পর ছেলেটা ভাবে, আমায় কিছু করতে হলে বড় শহরে যেতে হবে। তাই সে লস এঞ্জেলেসে শিফট হয়। পকেটে বেশি টাকা নেই। কোন বড় পরিচিতি নেই। শুধু আছে একটা বিশ্বাস, আমি আমার ব্রেনকে যখন বুঝতে শিখেছি তখন অন্যদেরও বোঝাতে পারব।
Speaker A
সে শুরু করে এক্সাম প্রিপারেশন বিজনেস। দিনের বেলা লস এঞ্জেলেসের একের পর এক হাই স্কুলে কোল্ড কলিং করে বলতো, ম্যাম, আমাদের এসএটি প্রেপ প্যাকেজ নিলে আপনার স্কুলের বাচ্চারা টপ স্কোর করবে। কেউ শুনতো, কেউ বিরক্ত হতো। খুব একটা ভালো সাড়া সে পায়
Speaker A
না। আর রাত হলে টাকা বাঁচানোর জন্য সে থাকে একটা বুক স্টোরের ঠিক পেছনে, একদম ছোট্ট একটা ঘরে, যার ভাড়া মাসে মাত্র ৫০ ডলার। একটা বিছানা, একটা টেবিল আর কয়েকটা বই। এই ছিল তার পুরো দুনিয়া। কিন্তু এই ছোট ঘরেই তার মাথায় আসে একটা বড়
Speaker A
আইডিয়া। সে চালু করে কুইক রিডিং নামে একটা ডেমো ক্লাস। শুরু হয় মাত্র ছয় জন স্টুডেন্ট নিয়ে। কোন বিজ্ঞাপন না কোন সোশ্যাল মিডিয়া না, শুধু চেষ্টা। কিছুদিনের মধ্যেই ছয় জন হয়ে যায় ২০ জন। ২০ জন হয়ে যায় ৫০ জন। খবর ছড়াতে থাকে
Speaker A
একজন লোক এসেছেন, যিনি মানুষের বন্ধ ব্রেন খুলে দেয়। দেখতে দেখতেই তার ক্লাসে মানুষের ভিড় ফেটে পড়ে। ঠিক এমনি একদিন ১৯৯৯ সালে তার ক্লাসে ঢুকে পড়েন একজন লেডি, তার নাম লরেন ডোনার। সে সময় তিনি ছিলেন ২০ সেঞ্চুরি ফক্সের এক্সম্যান মুভি
Speaker A
প্রডিউসার অ্যাসিস্ট্যান্ট। তিনি শুধু বসে শুনেন, কিছু বলেন না। ক্লাস শেষ হওয়ার পর একটাই কথা বলেন, ইউ নিড টু কাম উইথ মি। পরের দিনই জিম ডাক পান ফক্স অফিসে, সেখানে সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের সামনে সে নেয় দুই ঘন্টার মেমোরি ট্রেনিং সেশন, যেখানে সে বলে,
Speaker A
আমি এখন আপনাদের একসাথে ৫০টা শব্দ শোনাবো আর শেষে সবগুলো রিকল করব। সবাই হাসে, কিন্তু দুই ঘন্টা পর জিম একটার পর একটা ৫০টা শব্দই পারফেক্টলি রিকল করে দেখায়। রুম একদম চুপ। সেদিন খুব দ্রুত তাকে হায়ার করে নেওয়া হয়। আর তার কাজ হলিউডের টপ
Speaker A
অ্যাক্টরসদের স্পিড রিডিং শেখানো, যার মধ্যে ছিল হলিউডের বড় বড় সব তারকারা। উদ্দেশ্য ছিল এই অভিনেতারা যেন ২০ পৃষ্ঠার স্ক্রিপ্ট মাত্র ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই পড়ে রিভাইজ করতে পারে, আর বারবার ডায়লগ ভুলে না যায়। এইসব ঘটনার পর যে ছেলেটাকে একসময় ব্রোকেন ব্রেইন কিড বলা হতো, সেই
Speaker A
হয়ে ওঠে একটা মুভমেন্ট, একটা সেনসেশন। তো এই বাচ্চাটার নাম জেম কুইক, যিনি পরবর্তীতে লিখেছেন বিশ্ববিখ্যাত বই লিমিটলেস। কিন্তু আসল ঘটনা এখনো বাকি ছিল। ২০১৩ সালে জেম কুইক ডাক পান গুগলের মঞ্চে কথা বলার জন্য। পরের বছর ২০১৪-তে নায়িকি
Speaker A
তাকে তাদের অফিসে ডাকে একটা বিশেষ ব্রেইন বুট ক্যাম্প পরিচালনা করার জন্য। এরপর ২০১৫ সালে রিচার্ড ব্র্যান্সন, ভার্জিন গ্রুপসের মালিক, তাকে তার সোশ্যাল ইভেন্টের স্পেশাল গেস্ট হিসেবে আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে মার্চ ২০১৫-তে। গুগলে দেওয়া জিমের একটা টক
Speaker A
শোনেন স্পেসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ। তিনি এতটাই ইমপ্রেস হন যে সরাসরি জিমকে ডেকে পাঠান, আপনি ক্যালিফোর্নিয়ার স্পেস হেডকোয়ার্টারে আসুন। আমাদের ৮০ জন রকেট ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কাজ করতে হবে। স্পেস হেডকোয়ার্টারে গিয়ে তিনি একটা স্পিচ রাখেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন পৃথিবীর প্রথম
Speaker A
ট্রিলিয়নার হওয়ার পথে থাকা বর্তমানের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি, শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। এরপর কিছু বছর ধরে অনলাইনে একটাই কথা ছড়াতে থাকে, জিম কুইক হলেন ইলন মাস্কের ব্রেন কোচ। আর ২০২০ সালে কেউ একজন তো সরাসরি টুইটারে এ জিমকে ইলন মাস্কের
Speaker A
ব্রেইন কোচ বলে পোস্ট করেন। এর নিচে ইলন মাস্ক নিজেই রিপ্লাই দেন, তার আইডিয়াগুলো সেন্সিবল। কিন্তু তিনি আমার বা স্পেসএক্সের কোন ব্রেইন কোচ নয়। তিনি শুধু একবার এখানে স্পিচ দিতে এসেছিলেন। জিম কুইক নিজেও এই কথাটা একসেপ্ট করেন। কিন্তু
Speaker A
কিছুদিন পর আবার একটা ইভেন্টের ছবি ভাইরাল হয়। মঞ্চে জিম কুইক স্পিচ দিচ্ছেন, আর বেশ খানিকটা পেছনে বসে ইলন মাস্ক আর তার ছেলে এক্স তা চুপচাপ শুনছেন। যাই হোক, জিম ইলন মাস্কের কোচ হোক অথবা না হোক, এটা আসল কথা না। আসল কথা হচ্ছে তার মেথড কাজ করে।
Speaker A
তার মেথড রেজাল্ট দেয়। কারণ যে ছেলেটা নিজের নাম পড়া শিখতেই তিন বছরের বেশি সময় নিয়েছিলেন, আজ সে গুগল, নাইকি, স্পেসে, হলিউড সব জায়গায় মানুষের ব্রেন ট্রেইন করছে। তাই প্রশ্নটা বদলানো দরকার। প্রশ্ন এটা না যে জিম কুইক কিভাবে এতটা জ্ঞানী
Speaker A
হয়ে উঠলেন, বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত জিম কুইকের মেথড ব্যবহার করে আমি বা আপনি, আমরা আমাদের জীবনে কিভাবে পরিবর্তন আনতে পারি। আপনি যদি নতুন কোন ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে চান, বিজনেস শিখতে চান, গিটার বা যেকোনো স্কিল শিখতে চান, এমনকি ধনী হওয়ার
Speaker A
নিয়মসহ টাকা ইনকামের পথ বুঝতে চান, তবুও এই মেথডগুলো আপনার জন্য ম্যাজিক হিসেবে কাজ করবে। কারণ জিম কুইকের পুরো ফিলোসফি দাঁড়িয়ে আছে মাত্র চারটি কোর আইডিয়ার উপর। যে চারটা আইডিয়াই একটা ব
Speaker A
নিয়মসহ টাকা ইনকামের পথ বুঝতে চান তবুও এই মেথডগুলো আপনার জন্য ম্যাজিক হিসেবে কাজ করবে। কারণ জিম কুইকের পুরো ফিলোসফি দাঁড়িয়ে আছে মাত্র চারটি কোর আইডিয়ার উপর। যে চারটা আইডিয়াই একটা ব্রোকেন ব্রেনকে লিমিটলেস বানিয়েছে। এখন চলুন একটার পর একটা এই চারটা আইডিয়া বুঝি এবং
Speaker A
দেখি যে কিভাবে এগুলো আমরা নিজের জীবনে এপ্লাই করে বোকা থেকে বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারি। সেরা হয়ে উঠতে পারি। সো মাই ডিয়ার ব্রাদার্স এন্ড সিস্টারস লেটস স্টার্ট। আইডিয়াগুলোতে যাওয়ার আগে আমি আপনাদের একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে চাই। এই টপিকটা আমি আজকে হঠাৎ বেছে নেইনি।
Speaker A
ইনফ্যাক্ট প্রায় তিন মাস আগেই এই ভিডিওর আইডিয়াটা আমি আমার নোটে লিখে রেখেছিলাম কিন্তু একটা সমস্যা ছিল ডট গুলো কানেক্ট করতে সময় লেগে যাচ্ছিল তবে আমি জানতাম আজ হোক বা কাল এই ভিডিওটা আমাকে বানাতেই হবে কারণ এই ভিডিও বানানোর পেছনে একটা খুব
Speaker A
স্পষ্ট উদ্দেশ্য আছে আমি দীর্ঘদিন ধরে হিউম্যান ব্রেন নিয়ে পড়ছি বই পড়েছি রিসার্চ পেপার ঘেটেছি ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিয়েছি শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মানুষ আসলে শেখে কিভাবে আর আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আজকের এই ভিডিওটা শুধু ডাক্তার সাইন্টিস্ট বা সাইন্স
Speaker A
লাভারদের দের জন্য নয়। এই ভিডিওটা সেই প্রতিটা মানুষের জন্য যারা জীবনে কিছু করতে চায়। ইনফ্যাক্ট আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় এই বিষয়টা স্কুলেও বাধ্যতামূলকভাবে শেখানো উচিত। কেন জানেন?
Speaker A
কারণ একবার যদি আপনি বুঝে যান আপনার ব্রেন আসলে কিভাবে কাজ করে তাহলে ব্যাপারটা শুধু কম সময়ে বেশি অর্জন করা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আপনি দ্রুত শিখবেন গভীরভাবে বুঝবেন। আর জীবনের যেকোনো ফিল্ডে বাকিদের থেকে একধাপ এগিয়েও থাকবেন। এই কারণেই আজকের ভিডিওটা আলাদা। এই কারণেই
Speaker A
আমি চাই আপনি মন দিয়ে শুনুন। কারণ এখন আমরা ঢুকছি সেই চারটি মেথডে যেগুলো একটা ব্রোকেন ব্রেইনকে লিমিটলেস বানিয়ে দিয়েছিল। যাই হোক প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্সিপাল মেটাল আর্নিং। সহজ ভাষায় বললে মেটাল আর্নিং মানে হলো কিভাবে শেখা যায় সেটা শেখা। ফর এক্সাম্পল
Speaker A
আপনি যে ফিল্ডে মাস্টারি আনতে চান সেই ফিল্ডে আপনার পুরো নলেজকে আমরা চারটা ভাগে ভাগ করতে পারি। এক নোন নোন দুই নোন আননোন তিন আননোন নোন চার আননোন আননোন নোন নোন হলো সেই জিনিস যেগুলো আপনি জানেন যেমন এ প্লাস বি হোল স্কয়ার ইকুয়ালটু এ স্কয়ার
Speaker A
প্লাস টু এবি প্লাস বি স্কয়ার এই ফর্মুলাটা আপনি ক্লাস সিক্সেই শিখেছেন এরপর নোন আননোন এগুলো হলো সেই প্রশ্ন যেটা আপনি জানেন আপনি জানেন না যেমন ধরুন আপনি জানেন না শূন্য সংখ্যার আবিষ্কারক কে অর্থাৎ আপনি প্রশ্নটা জানেন কিন্তু উত্তরটা নয় এরপর তৃতীয় আননোন নোন এগুলো
Speaker A
হলো এমন জিনিস যেগুলো আপনি এত ভালো জানেন যে ভুলেই গেছেন এটা আপনি জানেন। যেমন এক থেকে 10 পর্যন্ত গুনাহ। যেটা আপনি বিনা এফর্টেই করতে পারেন। এবার সবশেষে আননোন আননোন। এটা হলো এমন নলেজ যেটা আপনি জানেনই না এক্সিস্ট করে। সাপোজ ধরুন আপনি যদি
Speaker A
ম্যাথ লাভার না হয়ে থাকেন তাহলে জানার কথা নয় লাভ চাইলেই দিমু। এর সাংকেতিক অর্থ কি?
Speaker A
এল ইকুয়ালটু রোমান নাম্বারফ। সি ইকুয়ালটু রোমান নাম্বার হড। ডিইকুয়ালটু রোমান নাম্বার 500 এম ইকুয়ালটু রোমান নাম্বার ওথাউজ। এই ধরনের নলেজই হলো আননোন আননোন। আর মেটাল আর্নিং এর কনসেপ্ট অনুসারে আপনি যে ফিল্ডের মাস্টারি আনতে চান সেই ফিল্ডের আননোন আননোনকে প্রথমে নোন আননোনে নিয়ে
Speaker A
আসুন। অর্থাৎ প্রথমে আপনাকে এটা জানতে হবে আমার টার্গেটেড ফিল্ডে এমন কি আছে যা আমি জানিনা। এরপর তার সম্পর্কে একটু প্রাথমিক ধারণা নিলেই চলবে। যেমন প্রথমবার অ্যাসেট শব্দটা শুনলেন। আপনাকে শুধু এইটুকু জানলেই চলবে। অ্যাসেট হলো সেই জিনিস যা আমাদের
Speaker A
পকেটে টাকা আনে। প্র্যাক্টিক্যাল মেটাল আর্নিং এক্সাম্পল হিসেবে ধরুন আপনি একটি বই পড়তে শুরু করলেন। প্রথমেই আপনি গেলেন সূচিপত্রে। সেখানে দুটো টপিক এমন দেখলেন যেগুলো আপনি কখনো শোনেননি। তাই আপনি কি করলেন? YouTube এ সেই টপিক নিয়ে দুই একটা ভিডিও দেখলেন এবং একটা প্রাথমিক ধারণা
Speaker A
বানালেন। ব্যাস এটাই হলো মেটাল লার্নিং বা শেখার প্রথম ধাপ। এরপর যে দ্বিতীয় মেথডটা আসছে সেটার নাম নোটস টেকিং। আপনি যে ফিল্ডে মাস্টারি আনতে চান সেই ফিল্ডটাকে ভালোভাবে পড়ুন বুঝুন। কিন্তু এখানে একটা বড় ভুল আমরা সবাই করি। আমরা শুধু পড়ি
Speaker A
কিন্তু লিখি না। আপনি যখন কোন বিষয় নিজের ভাষায় সংক্ষিপ্ত করে নোট আকারে লেখেন তখন আসলে সেই ইনফরমেশনটা আপনার ব্রেনের ভেতরে একটা পারমানেন্ট ফাইল হিসেবে সেভ হয়ে যায়। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা কি জানেন?
Speaker A
পরেরবার যখন আপনি ওই টপিকটা রিভাইজ করতে যাবেন তখন আপনাকে আর পুরো বই পুরো আর্টিকেল বা পুরো ভিডিও দেখতে হবে না। শুধু ছোট করে আপনার নিজের লেখার নোটটা দেখলেই চলবে। এবার একটা ইন্টারেস্টিং এক্সাম্পল দেই। আপনারা যারা মাই হিরো একাডেমিয়া দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই
Speaker A
মিডোরিয়াকে চেনেন। মিডোরিয়া যখনই কোন হিরো বা ভিলেন সম্পর্কে জানতে পারে সে সঙ্গে সঙ্গে তার বিষয়ে একটা ছোট কিন্তু ক্লিয়ার নোট লিখে ফেলে। ফলাফল কি হয়?
Speaker A
যখনই সে কোন লড়াইয়ে পড়ে সে মুহূর্তের মধ্যেই ওই হিরোর ক্ষমতা, দুর্বলতা সবকিছু রিকল করতে পারে। এই নোটসই তাকে অন্যদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে রাখে এবং লড়াইয়ে একটা বিশাল এডভান্টেজ দেয়। তাই নোটস লিখুন এবং টপিকগুলোকে গুরুত্ব অনুসারে স্টার মার্ক করুন। তাহলে রিভিশনের সময় এক
Speaker A
নজরেই বুঝতে পারবেন কোন অংশে বেশি ফোকাস দিতে হবে কোন অংশ স্কিপ করা যাবে। এরপর তৃতীয় মেথড এটা সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী নাম পারপাস। একবার জিম কুইক মেমোরি ট্রেনিং এর উপর একটা ক্লাস নিচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি খেয়াল করলেন তার এক স্টুডেন্ট
Speaker A
মাত্র 30 দিনে 30 টা বই পড়ে ফেলেছে। জিম অবাক হয়ে গেলেন। কারণ একই টেকনিক তিনি সবাইকে শেখাচ্ছেন। কিন্তু এই মেয়েটা যেন ধরাছোয়ার বাইরে। কৌতুহল থেকে তিনি মেয়েটার কাছে জানতে চাইলেন, তুমি এটা কিভাবে করলে? তখন যে উত্তরটা তিনি পেলেন
Speaker A
সেটা তাকে রীতিমতো অবাক করে। মেয়েটার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত আর এই মেয়েটা বিশ্বাস করত সে যদি ক্যান্সার সম্পর্কে সবকিছু জানতে পারে তাহলে হয়তো সে তার মাকে বাঁচাতে পারবে এই বিশ্বাস থেকেই সে ক্যান্সার রিলেটেড যত ধরনের বই আছে একটার পর একটা পড়ে ফেলেছিল হ্যাঁ বাস্তবতা হলো
Speaker A
শেষ পর্যন্ত তার মায়ের ক্যান্সার ভালো হয়নি কিন্তু এই গল্পটা আমাদের একটা জিনিস পরিষ্কার করে দেখায় পারপাসের ক্ষমতা কতটা যখন আপনার শেখার পেছনে একটা শক্ত কারণ থাকে তখন আপনার ব্রেন লিমিটলেস হওয়ার চেষ্টা করে আর একটা বাস্তব উদাহরণ শুনুন 1974 সালে ফ্লাইট নাম্বার টু টু ল্যান্ডিং
Speaker A
এর সময় ভয়াবহভাবে ক্রাশ করে। এই দুর্ঘটনায় প্লেনের ভেতরে থাকা 82 জনের মধ্যে 72 জনই মারা যায়। এত বড় একটা দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত হয়। অনেক মানুষকে দোষ দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা ফ্লাইট রেকর্ড সামনে আসে। সেই রেকর্ডে দেখা যায়
Speaker A
ল্যান্ডিং এর ঠিক আগ মুহূর্তে দুই পাইলট নিজেদের মধ্যে রাজনীতি নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা করছিলেন। কে নির্বাচনে জিতবেন কে হারবেন। এই নিয়ে তারা মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন। অর্থাৎ সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল মুহূর্তে তাদের ফোকাস ছিল সেখানে যেখানে থাকার কথা না। এই ঘটনার ঠিক সাত বছর পর
Speaker A
1981 সালে তৈরি করা হয় 10000 ফিট রুল। এই নিয়ম অনুযায়ী যখন প্লেনের উচ্চতা 10,000 ফিটের নিচে থাকে মানে টেকঅফ বা ল্যান্ডিং এর সময় তখন পাইলটদের কাজের বিষয় ছাড়া সব ধরনের পার্সোনাল বা লু স্টক সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কারণ ওই সময় এক
Speaker A
সেকেন্ডের মনোযোগ হারানো মানুষের জীবনের দাম দিতে পারে। এখন আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যেখানে পারপাস ক্লিয়ার সেখানে ফোকাস ন্যাচারাল। আর যেখানে ফোকাস নেই সেখানে স্কিল, ট্যালেন্ট, টেকনিক কিছুই কাজ করবে না। এবারে সর্বশেষ মেথড, প্র্যাকটিস। আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।
Speaker A
একটু ভেবে উত্তর দেবেন। ধরুন, আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষের একটা জটিল অপারেশন করাতে হবে। এই অপারেশনের জন্য দুজন ডাক্তারের অপশন আছে। প্রথম ডাক্তার খুব সাধারণ। নামডাক তেমন নেই। কিন্তু 20 বছর ধরে এই অপারেশনটা নিখুতভাবে করে আসছেন। এবার দ্বিতীয় ডাক্তার দেশের সেরা মেডিকেল
Speaker A
কলেজ থেকে পাশ করা সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী। এ বছরই ফাস্ট হয়েছেন। আর আপনার প্রিয় মানুষটাই হতে যাচ্ছেন তার প্রথম পেশেন্ট। এখন বলুন আপনি কার কাছে অপারেশন করাবেন?
Speaker A
আমি জানি শুধু আপনি না পৃথিবীর যেকোনো বুদ্ধিমান মানুষ প্রথম ডাক্তারের কাছেই যাবে। কারণ সেখানে ডিগ্রি কম হতে পারে কিন্তু আছে 20 বছরের নিখুত প্র্যাকটিস। এই কারণেই ইংরেজিতে একটা কথা আছে। প্র্যাকটিস মেকস এ ম্যান পারফেক্ট। কিন্তু এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আছে। এই প্র্যাকটিসটা
Speaker A
হতে হবে ধারাবাহিক। আর এই ধারাবাহিকতার সেরা উদাহরণ হলেন মাই কুইকলম্যান। যিনি 2007 সালের মে মাস থেকে 2021 সালের 11ই মার্চ পর্যন্ত টানা 5000 দিন একটা দিনও গ্যাপ না দিয়ে প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে রাত একটা করে ছবি আঁকতেন। 13 বছর একটানা
Speaker A
কোন ছুটি নেই। এরপর তিনি এই 5000 দিনের পরিশ্রম একটা ফ্রেমে বন্দি করেন আর নাম দেন এভরিডেস। তারপর সেই ডিজিটাল আর্টটি একটা লাইভ নিলামে তোলা হয়। এখন আন্দাজ করুন কত ডলারে তা বিক্রি হয়েছে 5 মিলিয়ন 10 মিলিয়ন 50 মিলিয়ন না 69.3 3 মিলিয়ন
Speaker A
ডলার। লাইভ নিলামের সময় মাইক আর তার পরিবারের এক্সাইটমেন্ট আপনি দেখতেই পাচ্ছেন। এরপর মাইক হয়ে যান পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ ভ্যালুয়েবল লিভিং আর্টিস্ট। এই উদাহরণটা একটা জিনিস প্রমাণ করে। কনসিস্টেন্সি ইজ নট ম্যাজিক। ইটস কম্পাউন্ড ইন্টারেস্ট। এরপর লাস্ট বাট নট দ্যা লিস্ট ফিডব্যাক। আপনি এই চারটা মেথড
Speaker A
ব্যবহার করে কেমন পারফরমেন্স করছেন সেটার ফিডব্যাক নিতেই হবে। কিন্তু সমস্যা হলো অনেকেই ফিডব্যাক নিতে ভয় পায়। একবার আমি আমার এক বন্ধুকে বলেছিলাম চল ব্লাড টেস্ট করি। আগে থেকেই জানা যাবে ভবিষ্যতে কোন রোগের সম্ভাবনা আছে কিনা। সে তো একবারে
Speaker A
ঘাবড়ে গিয়ে বলল, না ভাই কিছু ধরা পড়লে রাতের ঘুম উড়ে যাবে। এমনিতেই তো সুস্থ আছি। ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি? ওর কথা শুনে আমি হেসেছিলাম। কারণ এটা অনেকটা সেই গল্পের মতো। শিকারী গাছের ডালে বসে থাকা পাখিকে নিশারা করলো। আর পাখি ভাবছে আমি
Speaker A
যদি চোখ বন্ধ করে ফেলি তাহলে হয়তো শিকারি আমাকে দেখতে পাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো চোখ বন্ধ করলেই সমস্যা দূর হয় না। ফিডব্যাকও ঠিক তেমনিই। এখন যদি আমরা পুরো ভিডিও ট্যাগলাইনে সামারি করি তাহলে দাঁড়ায় প্রথমে মেটাল আর্নিং তারপর নোটস
Speaker A
তারপর পারপাস তারপর প্র্যাকটিস প্লাস কনসিস্টেন্সি আর সবশেষে ফিডব্যাক এবার আমায় একটি ফিডব্যাক দিন কমেন্ট করে জানান ভিডিওটা কেমন লেগেছে এবং কোন পার্টটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে ধন্যবাদ
Topics:জিম কুইকদ্রুত শেখার পদ্ধতিমেমোরি টেকনিকস্পিড রিডিংব্রেন কন্ট্রোলশিক্ষামোটিভেশনবাংলা ভিডিওশেখার ধাপলাইফ হ্যাক











