ঘুমানোর আগে মনের অবচেতন শক্তি ব্যবহার করে জীবনের ভাগ্য পরিবর্তনের বিজ্ঞান ও পদ্ধতি।
Key Takeaways
- ঘুমানোর আগে মনের অবচেতন অবস্থায় ইতিবাচক চিন্তা ও বিশ্বাস স্থাপন জীবনের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ।
- নেতিবাচক চিন্তা অবচেতন মনের মাধ্যমে জীবনে সমস্যা ও ব্যর্থতা তৈরি করে।
- লুলাবি মেথড ব্যবহার করে ঘুমানোর আগে সংক্ষিপ্ত ইতিবাচক বাক্য পুনরাবৃত্তি করলে অবচেতন মন প্রভাবিত হয়।
- মস্তিষ্কের আর এএস সিস্টেম আমাদের বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী তথ্য গ্রহণ ও প্রদর্শন করে।
- মানসিক শান্তি ও সঠিক নির্দেশনা শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
What the video covers
- প্রতিদিন রাতে ৯৯% মানুষ একই ভুল করে যা তাদের জীবনের দুর্ভাগ্যের কারণ হয়।
- ঘুমানোর আগে চিন্তা ও অনুভূতির অবস্থা অবচেতন মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- জোসেফ মারফির 'পাওয়ার অফ ইউর সাবকনসাস মাইন্ড' বই ও আধুনিক বিজ্ঞানীরা অবচেতন মনের শক্তি ব্যাখ্যা করেছেন।
- ঘুমানোর আগে শেষ ৫ মিনিটে মন ভালো বা খারাপ চিন্তা করলে তা মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
- থিটা ব্রেনওয়েব স্টেট অবস্থায় অবচেতন মন সচেতন মনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে কাজ করে।
- মস্তিষ্কের আর এএস (রেটিকিউলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম) সার্চ ইঞ্জিনের মতো কাজ করে, যা আমাদের বিশ্বাস ও চিন্তার ওপর ভিত্তি করে তথ্য ফিল্টার করে।
- ঘুমানোর আগে ইতিবাচক বাক্য বা মন্ত্র পুনরাবৃত্তি করলে অবচেতন মন তা গ্রহণ করে এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
- লুলাবি মেথড নামক পদ্ধতিতে ঘুমানোর আগে সংক্ষিপ্ত বাক্য বারবার বলার মাধ্যমে অবচেতন মনকে প্রোগ্রাম করা যায়।
- ভয়, উদ্বেগ ও নেতিবাচক চিন্তা শরীর ও মস্তিষ্কে স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি করে যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
- সঠিক মানসিক নির্দেশনা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে জীবনের ভাগ্য পুনর্লিখন সম্ভব।
Chapters
- 00:00রাতের ভুল চিন্তাভাবনা ও তার প্রভাব
- 01:02অবচেতন মনের শক্তি ও বিজ্ঞান
- 02:03জীবন পরিবর্তনের জন্য শেষ পাঁচ মিনিটের গুরুত্ব
- 03:01সচেতন ও অবচেতন মনের উদাহরণ
- 03:57নেতিবাচক চিন্তার প্রভাব ও তার ফলাফল
- 04:52মস্তিষ্কের আর এএস সিস্টেম ও তথ্য ফিল্টারিং
- 06:47ইতিবাচক বিশ্বাস ও সুযোগ সৃষ্টি
- 07:44ঘুমানোর আগে হিলিং ও প্লাসেবো এফেক্ট
- 08:40লুলাবি মেথড: ঘুমানোর রুটিন পরিবর্তন
- 09:53লুলাবি মেথডের ধাপ ও প্রয়োগ
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
আজ রাতে যখন তুমি বিছানায় শুয়ে পড়ো, আলো নিভিয়ে দাও, চোখ বন্ধ করো, তখন তুমি তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করতে যাচ্ছো। পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ প্রতি রাতে এমন একটা ভুল করে যা তারা প্রতিদিন পুনরাবৃত্তি করে, আর এরপর সারাজীবন নিজেদের দুর্ভাগ্যের জন্য অভিযোগ করে।
Speaker A
মনোযোগ দিয়ে শোনো, কারণ এটা কোনো সাধারণ প্রেরণাদায়ক ভিডিও নয়। এটা তোমার মনের সেই চাবিকাঠি যা এতদিন তোমার আমার কাছ থেকে লুকিয়েছিল। হ্যালো বন্ধুরা, আমি প্রীতম, আর বুক ডিগার ইউটিউব চ্যানেলে তোমাকে স্বাগতম। কল্পনা করো তুমি রাতে ঘুমাতে যাচ্ছো।
Speaker A
তোমার শরীর ক্লান্ত, তুমি শুয়ে পড়েছো। কিন্তু তোমার মনের মধ্যে কি চলছে? আগামীকালের বিল কিভাবে পরিশোধ করব? কেন সেই সম্পর্কটা ভেঙে গেল? আমার চাকরির কি হবে? আমার কাছে টাকা নেই কেন? এই প্রশ্নগুলো, এই দুশ্চিন্তাগুলো আর এই ভয়গুলো নিয়ে তুমি ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে
Speaker A
পড়ো। তুমি মনে করো তুমি শুধু ভাবছো। তুমি মনে করো এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সত্য হলো তুমি নিজের ধ্বংসের কাগজপত্রের স্বাক্ষর করে ফেলেছ। পাওয়ার অফ ইউর সাবকনসাস মাইন্ড বইটি লিখেছেন জোসেফ মারফি। আর ডক্টর ব্রুস লিপ্টন ও জো ডিসপেনজা মতো আধুনিক বিজ্ঞানীরাও একই কথা বলছেন, কিন্তু
Speaker A
আমরা তা উপেক্ষা করছি। ঘুমানোর আগে শেষ পাঁচ মিনিট আপনার পুরো জীবন নির্ধারণ করে। আপনি যদি আপনার সমস্যাগুলো নিয়ে ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে আপনি আপনার অবচেতন মনকে সরাসরি একটি আদেশ দিয়েছেন, আমাকে আরো কষ্ট দাও। মনস্তাত্বিক পরিভাষায় এটাকে বলা হয় রিসেন্সি এফেক্ট।
Speaker A
মস্তিষ্ক শেষ পাওয়া তথ্য সবচেয়ে বেশি ধরে রাখে। আপনি যখন আমি দরিদ্র বা আমি একা এই ভেবে ঘুমিয়ে পড়েন, তখন আপনি নিজের মনকে সম্মোহিত করছেন। আপনি ব্যর্থতার জন্য নিজেকে প্রোগ্রাম করছেন। এটা এক ধরনের আত্মহত্যা। তবে পার্থক্য হলো এখানে আপনি
Speaker A
নিজের স্বপ্নকে হত্যা করছেন। আজ আমি আপনাকে সেই সত্যটি বলতে যাচ্ছি যা আপনাকে কখনো স্কুলে শেখানো হয়নি। আজ আমরা আলোচনা করব কিভাবে আপনি আপনার ভাঙ্গা ভাগ্য পুনর্লিখনের জন্য এই শেষ পাঁচ মিনিট ব্যবহার করতে পারেন। এটা কোনো রসিকতা নয়,
Speaker A
এটা বিজ্ঞান। আসুন আরো গভীরভাবে অনুসন্ধান করি। যখন তুমি জেগে থাকো, যেমন তুমি এখন আমার কথা শুনছো, তোমার মস্তিষ্ক বিটা অবস্থায় থাকে। এটাই যুক্তির স্তর, যেখানে ভয়, সন্দেহ আর সমাজের নিয়ম কাজ করে। কিন্তু যখন তুমি ঘুমাতে শুরু করো, চোখ ভারী হতে
Speaker A
থাকে, তখন তুমি প্রবেশ করো একটি বিশেষ অবস্থায়, যাকে বিজ্ঞান বলে, থিটা ব্রেনওয়েব স্টেট। এই থিটা অবস্থায় তোমার সচেতন মন যে তথ্যের দরজায় পাহারা দিয়ে নতুন কিছু ঢুকতে দেয় না, সে ঘুমিয়ে পড়ে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে তোমার অবচেতন মনের দরজা বড় করে খুলে যায়। জোসেফ মারফি
Speaker A
এটি বোঝাতে একটি দুর্দান্ত উদাহরণ দিয়েছেন। কল্পনা করো তুমি একটি বিশাল জাহাজের ক্যাপ্টেন। এই ক্যাপ্টেন হলো তোমার সচেতন মন, আর জাহাজের নিচে ইঞ্জিন রুমে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করছে। এটাই তোমার অবচেতন মন। ওরা জানে না বাইরে ঝড় আছে কিনা, দিন না রাত, ওরা জানে না জাহাজ সঠিক পথে
Speaker A
যাচ্ছে না, পাহাড়ের দিকে ধাক্কা মারতে চলছে। তাদের একমাত্র কাজ হলো ক্যাপ্টেনের আদেশ পালন করা। ক্যাপ্টেন যদি বলে পূর্ণ গতিতে চলো, ওরা তাই করবে। যদি বলে জাহাজ থামাও, তারা সেটা করবে। ওরা প্রশ্ন করে না, তর্ক করে না। এবার নিজের জীবনের দিকে
Speaker A
তাকাও। যখন তুমি রাতে সেই থিটা অবস্থায় ঘুমাতে যাও, তখন তুমি সেই জাহাজের ক্যাপ্টেন। যদি তোমার চিন্তা হয় আমি ধ্বংস হয়ে গেছি, আমার কাছে টাকা নেই, তবে সেই আদেশ সোজা ইঞ্জিন রুমে পৌঁছে যায়। ওখানকার শ্রমিকরা পরস্পরকে বলে, ক্যাপ্টেন বলেছে আমরা ধ্বংস
Speaker A
হয়ে গেছি। ঠিক আছে, এমন পরিস্থিতি তৈরি করো, এমন মানুষ পাঠাও, জীবনে এমন সিদ্ধান্ত নিতে দাও যাতে সে সত্যিই ধ্বংস হয়ে যায়। আর সকালে তুমি ঘুম থেকে উঠে ভাবো, আমার দিনটা এত খারাপ কেন? এটা খারাপ দিন নয় বন্ধু, গত রাতে ক্যাপ্টেন নিজেই জাহাজ
Speaker A
ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। যারা ডিসপেনজা ও কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার ভক্ত, তাদের জন্য বলছি এটা কোনো কল্পকাহিনী নয়। দ্য বায়োলজি অফ বিলিফ বইয়ের লেখক ডক্টর ব্রুস লিপ্টন দেখিয়েছেন এটা পুরোই কোষ ও রাসায়নিকের বিজ্ঞান। যখন আপনি ভয় আর উদ্বেগ নিয়ে ঘুমাতে যান, তখন আপনার শরীর
Speaker A
কর্টিজল সহ শক্তিশালী স্ট্রেস হরমোনে ডুবে যায়। আট থেকে ১০ ঘন্টা ধরে শরীর সেই ভয়ের রাসায়নিক সমুদ্রে ভেসে থাকে। নিউরোপ্লাস্টিসিটি বলে যে নিউরনগুলো একসঙ্গে ফায়ার করে, তারা একসঙ্গে ওয়ার্ড হয়। মানে আপনি যে চিন্তা বারবার করেন, সেগুলোই আপনার মস্তিষ্কের স্থায়ী অভ্যাস
Speaker A
হয়ে যায়। যদি আপনি প্রতি রাতে আপনার অসুস্থতা, ব্যথা, দারিদ্র এসব চিন্তা করে ঘুমিয়ে যান, তাহলে আপনি আপনার শরীরকে সেগুলো স্থায়ী করতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আপনি নিজের কষ্টের সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন। জোসেফ মারফি বলেছেন, জীবনের আইন হলো বিশ্বাসের আইন। কিন্তু এখানে বিশ্বাস
Speaker A
মানে ধর্মীয় বিশ্বাস নয়। এখানে বিশ্বাস মানে হলো আপনার মন যে ধারণাতে সত্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। আপনার অবচেতন মন রসিকতা বোঝে না। আপনি যদি মজা করেও বলেন, আমার ভাগ্য খারাপ। আর সেটা যদি ঘুমের আগে থিটা অবস্থায় বলেন, তাহলে আপনার অবচেতন মন
Speaker A
এটাকে বাস্তব করতে তার সমস্ত শক্তি ব্যবহার করবে। সে মহাবিশ্বে খুঁজে খুঁজে এমন ঘটনা, মানুষ আর সুযোগ এনে দেবে যাতে সত্যিই প্রমাণ হয়, হ্যাঁ, আপনার ভাগ্য খারাপ। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলা হয় কনফার্মেশন বায়াস। আর এএস রেটিকিউলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম। তোমার মস্তিষ্কে
Speaker A
আর এএস বা রেটিকিউলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম নামে একটি সিস্টেম আছে যা আমি পরে আরো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করব। এই অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই খুব মনোযোগ দিয়ে বোঝো। আর এএস হলো তোমার মস্তিষ্কের গুগল সার্চ ইঞ্জিন। পৃথিবীতে প্রতি মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ জিনিস ঘটছে। কিন্তু
Speaker A
তোমার মস্তিষ্ক সবকিছুতে মনোযোগ দিতে পারে না। তাই আর এএস এর কাজ হল ফিল্টার করা। এটি কেবল তোমাকে দেখায় কোন জিনিস তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন প্রশ্ন হলো কোন জিনিস গুরুত্বপূর্ণ এটা ঠিক করে কে? উত্তর সহজ, তুমি। বিশেষ করে যখন তুমি ঘুমাতে
Speaker A
যাচ্ছো। যদি তুমি ঘুমানোর আগে মনে করো যে পৃথিবী ভয়ঙ্কর, মানুষ প্রতারক, সবাই শত্রু, তাহলে তুমি তোমার আর এএস সার্চবারে লিখে দিলে প্রতারক মানুষ। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠলেই তুমি দেখবে সংবাদে প্রতারণা, রাস্তায় লড়াই, সন্দেহজনক আচরণ, এমনকি কেউ তোমাকে সাহায্য করতে এলে তোমার আর এএস
Speaker A
তোমাকে বলবে এটা সাসপিশিয়াস। কেন? কারণ আগের রাতে তুমি তোমার মস্তিষ্ককে এটাই করতে বলেছিলে। অন্যদিকে যদি তুমি বিশ্বাস নিয়ে ঘুমাতে যাও যে তুমি সফল হচ্ছো, অর্থ তোমার দিকে আসছে, তাহলে তোমার আর এএস পরের দিন তোমাকে সুযোগ দেখাবে। এমন মানুষের
Speaker A
সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে যারা তোমাকে সাহায্য করতে পারে। পৃথিবী একই থাকে, শহর একই থাকে, কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। তাই ধনীরা আরো ধনী হয়। কারণ তারা ধনী হবার চিন্তা নিয়ে ঘুমায়। আর দরিদ্ররা আরো দরিদ্র হয়। কারণ তারা ঘুমায় বিল আর
Speaker A
ঋণের চিন্তায়। অনেকেই আছো যারা হেলথ নিয়ে চিন্তিত। কারোর ক্রনিক পেইন, কারোর ডিপ্রেশন, কারোর অংটি। জোসেফ মারফি তার বইতে অসংখ্য উদাহরণ দিয়েছেন যেখানে মানুষ শুধু চিন্তার পরিবর্তনে দুরারোগ্য রোগ থেকেও সেরে উঠেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান একে বলে প্লাসেবো এফেক্ট। কিন্তু আসলে এটা তোমার
Speaker A
বিশ্বাসের অলৌকিক ক্ষমতা। ঘুমানোর আগে সময় হলো হিলিংয়ের সবচেয়ে পাওয়ারফুল সময়। ফরাসি মনোবিজ্ঞানী এমিল কুয়ে তার রোগীদের একটি সহজ মন্ত্র দিতেন, প্রতিদিন প্রতিটি উপায়ে আমি আরো ভালো হয়ে উঠছি। যারা এটা করতেন তাদের আরোগ্যের হার দেখে ডাক্তাররা অবাক হয়েছিলেন। কারণ যখন তুমি
Speaker A
ঘুমাও, তখন তোমার যুক্তিবাদী মন যা বলে এই রোগ সারবে না, এটা ঘুমিয়ে পড়ে। আর তখন তুমি সরাসরি তোমার অবচেতন মনকে বলতে পারো, আমার শরীর নিরাময় করছে। তোমার অবচেতন মনই তোমার শরীরের স্রষ্টা। এটি তোমার শ্বাস, হৃদস্পন্দন, হজম সবকিছু চালায়। যদি এটি
Speaker A
একটি শরীর তৈরি করতে পারে, তাহলে এটি অবশ্যই তার নিরাময়ও করতে পারে। কিন্তু এজন্য তোমাকে ভয় বন্ধ করতে হবে এবং সঠিক নির্দেশ দিতে হবে। এতক্ষণ তুমি জানলে কেন?
Speaker A
এবং কি এবার যেন কিভাবে বুক ডেগার ইউটিউব চ্যানেলে আমরা শুধু গল্প বলি না, সমাধানও দেই। জোসেফ মারফি এই কৌশলটার নাম দিয়েছেন লুলাবি মেথড। এটি সহজ কিন্তু পারমাণবিক শক্তির মতো কার্যকর। তোমাকে সন্ন্যাসী হতে হবে না, হিমালয় যেতে হবে না, শুধু ঘুমানোর
Speaker A
রুটিন পরিবর্তন করলেই হবে। ভাব, এক শরীরকে আরাম দাও। বিছানায় শুয়ে পড়ো, ফোন দূরে রাখো, টিভি বন্ধ করো। চোখ বন্ধ করে পায়ের আঙ্গুল থেকে মাথা পর্যন্ত প্রতিটি পেশিকে ঢিলে করে দাও। কারণ তোমার শরীর আরাম করলে মস্তিষ্ক বেটা থেকে থিটাতে যেতে পারে। ধাপ
Speaker A
দুই, একটি ছোট্ট বাক্য বেছে নাও। লম্বা স্পিচ দরকার নেই। অবচেতন মন পরিষ্কার এবং সংক্ষিপ্ত শব্দ পছন্দ করে। যদি টাকা চাও, সম্পদ, সফলতা; যদি স্বাস্থ্য চাও, আমি সম্পূর্ণ সুস্থ; যদি সমাধান চাও, আমি একটি উপায় খুঁজে পেয়েছি। সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্রেজ হলো ইট ইজ ডান। এটি সম্পন্ন হয়েছে।
Speaker A
ধাপ তিন, শব্দটি লুপে রিপিট করো যেভাবে মা ঘুমপাড়ানি গান গায়। সেভাবে সেই শব্দটি তোমার মনে বারবার রিপিট করো। ভালোবাসা এবং শান্তি নিয়ে, কষ্ট নয়, চাপ নয়, জোর নয়। তুমি শুধু রিপিট করতে করতে ঘুমিয়ে পড়বে। আর তুমি ঘুমিয়ে পড়ার সাথে সাথে ওই
Speaker A
শব্দটি তোমার সচেতন মনের পাহারা পেরিয়ে অবচেতন মনের গভীরে ঢুকে যায়। তারপর জাদু শুরু হয়। তোমার অবচেতন মন যা অসীম বুদ্ধিমত্তার সাথে সংযুক্ত। সারারাত ওই শব্দের উপর কাজ করতে থাকে। এটি তোমার শক্তি বদলে দেয়, কম্পন বদলে দেয়। এখানেই অনেক মানুষ ভুল করে, তারা জোর করে তারা
Speaker A
ভাবতে থাকে আমি ধনী হব, আমি ধনী হব। কিন্তু এটা ভুল, কারণ জোর করা মানে তুমি স্বীকার করছো যে তোমার কাছে নেই। মারফি।
Speaker A
একসেপটেন্স করতে হবে লুলাবির মত নরম ঘা কারণ তুমি কোন সংগ্রাম করছো না। তুমি শুধু এক সত্যকে গ্রহণ করছো। তুমি জানো সূর্য পূর্ব দিকে উঠে। তাই এটাকে জোর করে উঠাতে হয় না। ঠিক একইভাবে তোমার ভেতরে সেই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে তোমার
Speaker A
সাফল্য ইতিমধ্যেই নিশ্চিত। এটি তোমার প্রাপ্য। তোমার জন্মগত অধিকার। যদি কোন নেতিবাচক চিন্তা আসে। যেমন কিন্তু আমার ব্যাংকে তো কোন টাকা নেই। তাহলে তার সাথে লড়াই করো না। এটাকে আসতে দাও এবং তারপর আস্তে আস্তে তোমার মনোযোগকে আবার তোমার সেই জাদুকরী শব্দের দিকে ফিরিয়ে আনো।
Speaker A
নেতিবাচক চিন্তাকে শক্তি দিও না। তুমি তাকে উপেক্ষা করলে সে নিজে থেকেই মারা যাবে। আমি জানি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এখনো ভাবছো এটা কি সত্যিই এত সহজ? মাত্র পাঁচ মিনিট একটা শব্দ পুনরাবৃত্তি করলেই কি জীবন বদলে যাবে? আমার উত্তর: হ্যাঁ।
Speaker A
এবং সত্যি বলছি এটা খুবই সহজ। আমরা মানুষই এটাকে কঠিন বানিয়ে ফেলি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি মহান সাফল্যের জন্য অসীম কষ্ট দৌড়োদৌড়ি ঘাম ঝাড়ানো লাগে। শারীরিক পরিশ্রম অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মানসিক পরিশ্রম নয়। মানসিক সঠিক নির্দেশনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি
Speaker A
তোমাকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আমি চাইনা তুমি আমার কথা অন্ধভাবে বিশ্বাস করো। নিজে পরীক্ষা করে দেখো। পরবর্তী সাত রাতের জন্য একটি ছোট্ট পরীক্ষা করো। আজ রাত থেকেই শুরু করো। ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে তোমার সব চিন্তা উদ্বেগ ঘরের বাইরে ফেলে দাও।
Speaker A
তোমার বিছানাকে একটি পবিত্র স্থান হিসেবে ভাবো। যেখানে তুমি শুধু শান্তি, বিশ্বাস আর শক্তি নিয়ে এসো। তারপর চোখ বন্ধ করে তোমার পছন্দের সেই শব্দ বারবার বলতে শুরু করো। পূর্ণ আবেগে, পূর্ণ বিশ্বাসে। মনে করো যেন তুমি ইতিমধ্যেই সেটা পেয়ে গেছো।
Speaker A
সমস্যা সমাধান হলে যে আনন্দ, যে স্বস্তি সেই অনুভূতি ঘুমানোর আগেই অনুভব করো। সাত দিন, মাত্র সাত দিন। আমি তোমাকে নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, সাত দিনের মধ্যেই তুমি প্রথম পরিবর্তন দেখতে পাবে। হয়তো হঠাৎ একটি নতুন আইডিয়া আসবে। হয়তো কোথাও আটকে
Speaker A
থাকা টাকা ফিরে আসবে। হয়তো এমন কোন ফোন কল পাবে যেটার জন্য তুমি অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলে অথবা হঠাৎ একটা অদ্ভুত শান্তি অনুভব করবে যেটা জানিয়ে দেবে তোমার অবচেতন মন তোমার আদেশ গ্রহণ করেছে বন্ধুরা তোমার সামনে এখন দুটি পথ প্রথম পথ
Speaker A
যেটা তুমি প্রতিদিন অনুসরণ করো ভয় দুশ্চিন্তা সমস্যা অভিযোগ নিয়ে ঘুমোতে যাও দারিদ্র দুর্ভাগ্যকে বুকে জড়িয়ে ধরো এবং পরের দিন ঘুম থেকে উঠে আগের দিনের মতো একই এক ঘেয়ে জীবন শুরু করো। দ্বিতীয় পথ যে পথটি আমি তোমাকে আজ দেখিয়েছি তোমার
Speaker A
মনের পুনঃপ্রামিং এর পথ। তোমার ভেতরে লুকিয়ে থাকা শক্তিকে জাগিয়ে তোলার পথ। মনে রেখো। তোমার ভবিষ্যৎ তোমার কপালের রেখায় লেখা নেই। এটা লেখা আছে ঘুমানোর আগে তোমার শেষ চিন্তায়। এটাই জোসেফ মারফির প্রতিশ্রুতি। এটাই বিজ্ঞান বলে। আজ রাতে যখন পুরো পৃথিবী ঘুমাবে তুমি ঠিক তখন
Speaker A
তোমার ভবিষ্যৎ তৈরি করবে তুমি তোমার ভাগ্যের অধিনায়ক তাই জাহাজটাকে ডুবতে দিও না সঠিক আদেশ দাও এবং তারপর দেখো সমগ্র মহাবিশ্ব তোমার প্রাপ্য সবকিছু তোমার সামনে সাজিয়ে দিচ্ছে যদি তুমি মনে করো এই ভিডিও তোমার চোখ খুলে দিয়েছে তাহলে এটাকে
Speaker A
শুধু ভিডিও হিসেবে দেখো না একে একটি গাইডলাইন হিসেবে ব্যবহার করো আজ রাত থেকেই এখন ঘুমাতে যাওয়ার আগে যা প্রয়োজন তা করো এবং তারপর দেখো তোমার জীবনে কিভাবে শুরু হয় অলৌকিক পরিবর্তন। তোমার নতুন জীবন অপেক্ষা করছে তোমার জন্য। ধন্যবাদ ভিডিওটি
Speaker A
দেখার জন্য। শক্ত থাকো, ইতিবাচক থাকো এবং নিজেকে প্রতিদিন আরো উন্নত করো। আবার দেখা হবে পরের ভিডিওতে
Topics:অবচেতন মনঘুমানোর আগে চিন্তাজোসেফ মারফিলুলাবি মেথডনিউরোপ্লাস্টিসিটিথিটা ব্রেনওয়েব স্টেটমানসিক স্বাস্থ্যআত্মবিশ্বাসস্ট্রেস হরমোনমনস্তত্ত্ব











