চালাক হওয়ার নিয়ম যা তোমাকে বুদ্ধিমান ও সম্মানিত করবে, নিজের ইমেজ ও কথাবার্তা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় শেখাবে।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- নিজের পরিকল্পনা গোপন রাখা শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়ক।
- কম কথা বলা মানুষের কাছে সম্মান ও রহস্যময়তা বৃদ্ধি করে।
- ভালো ইমেজ ও রেপুটেশন জীবনে বড় প্রভাব ফেলে।
- সঠিক পোশাক, অর্থ, কথা ও কর্মের মাধ্যমে নিজের ইমেজ গড়তে হয়।
- অতিরিক্ত কথা বললে ভুলের সম্ভাবনা থাকে এবং সম্মান কমে যায়।
What the video covers
- নিজের উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গোপন রাখো, সবকিছু মানুষের সামনে প্রকাশ করো না।
- প্রয়োজনের চাইতে কম কথা বলো, অতিরিক্ত কথা বললে মানুষের কাছে সাধারণ মনে হবে।
- নিজের ইমেজ ও রেপুটেশন ভালো রাখো, কারণ তা মানুষের সম্মান ও ট্রিটমেন্ট নির্ধারণ করে।
- ইমেজ গড়ার জন্য পোশাক, টাকা, কথা ও কর্মের প্রতি যত্ন নাও।
- সাইলেন্ট থাকার মাধ্যমে মানুষকে কনফিউজড করো এবং তাদের দুর্বলতা বুঝে নাও।
- অতিরিক্ত কথা বললে ভুল কথা বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা তোমার ইমেজ নষ্ট করতে পারে।
- রাজাদের মতো সম্মান পাওয়ার জন্য নিজেকে কখনো কম ভাবো না এবং মহান কাজ করো।
- তোমার কাজ ও আচরণ এমন হওয়া উচিত যা তোমার ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
[মিউজিক] আজকের এই ভিডিওতে আমি তোমাদেরকে চালাক হওয়ার এমন কিছু নিয়ম বলবো যা নিজের উপরে এপ্লাই করে তুমি নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবে। এই নিয়মগুলো তোমাকে বুদ্ধিমান, চালাক ও স্মার্ট বানাবে, যার কারণে মানুষ তোমাকে ভ্যালু বেশি দিবে। নিজের বন্ধুদের ভেতরে অথবা কোন গ্রুপে যখন তুমি দাঁড়িয়ে থাকবে, তখন তোমাকে সবার থেকে আলাদা দেখাবে। তোমাকে মানুষ অন্য এক লেভেলের সম্মান প্রদর্শন করবে। মানুষ তোমাকে অন্যভাবে ট্রিট করবে। আমি যে রুলসগুলো বলবো, সেগুলো অনেক পাওয়ারফুল আর এই রুলসগুলো মেনে চলতে পারলে তোমাকে একজন পাওয়ারফুল মানুষ বানিয়ে ছাড়বে। তাহলে আর দেরি না করে চলো সরাসরি পয়েন্টে আসি।
Speaker A
থাকবে তখন তোমাকে সবার থেকে আলাদা দেখাবে তোমাকে মানুষ অন্য এক লেভেলের সম্মান প্রদর্শন করবে মানুষ তোমাকে অন্যভাবে ট্রিট করবে আমি যে রুলস গুলো বলবো সেগুলো অনেক পাওয়ারফুল আর এই রুলস গুলো মেনে চলতে পারে তোমাকে একজন পাওয়ারফুল মানুষ বানিয়ে ছাড়বে তাহলে আর দেরি না করে চলো
Speaker A
নাম্বার ওয়ান প্রথম নিয়মটি হলো তোমার উদ্দেশ্যগুলো, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো সবসময় লুকিয়ে রাখো। যদি তুমি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করো, তাহলে সেটি মানুষের সামনে কখনোই প্রকাশ করবে না। এই পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষ খোলা বইয়ের মতো নিজের মনের কথাগুলো বা মনের ভাবগুলো দ্রুত মানুষের সাথে শেয়ার করে। সুযোগ পেলেই তারা তাদের সকল উদ্দেশ্য, তাদের সকল কাজ এবং তাদের সকল গোলগুলো মানুষের সাথে শেয়ার করে। কিন্তু এই সবকিছু শেয়ার করার ফলে একটি সমস্যা হয়, আর সেটি হলো তুমি যদি তোমার গোল এচিভ করতে না পারো, তাহলে মানুষ তোমার উপর হাসবে অথবা তোমার প্রতি মানুষের একটি খারাপ ইমেজ তৈরি হবে। মানুষ বলবে, এ শুধু বলতেই পারে, কোন কিছু করতে পারে না। নিজের মুখে লাগাম লাগানো এবং নিজের কথাবার্তা কন্ট্রোলে রাখা অনেক কঠিন একটি কাজ। তাই যেকোনো কথা মেপে বলা উচিত। নিজের সবকিছু মানুষকে বলে দেওয়া উচিত না। নিজের সম্পর্কে কিছু না কিছু কথা লুকিয়ে রাখা উচিত। মানুষকে তোমার মনের ভাব কম বুঝতে দাও, তাদের কনফিউজড হতে দাও।
Speaker A
মানুষের সাথে শেয়ার করে সুযোগ পেলেই তার নিজের তাদের সকল উদ্দেশ্য তাদের সকল কাজ এবং তাদের সকল গোলগুলো মানুষের সাথে শেয়ার করে কিন্তু এই সবকিছু শেয়ার করার ফলে একটি সমস্যা হয় আর সেটি হলো তুমি যদি তোমার গোল এচিভ করতে না পারো তাহলে মানুষ
Speaker A
রুলস নাম্বার টু দ্বিতীয় নিয়মটি বলার আগে তোমাকে একটি কথা বলতে চাই। ধনুক থেকে বের হওয়া তীর, বন্দুক থেকে বের হওয়া গুলি এবং মুখ থেকে বের হওয়া কথা কখনোই ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। আমি অনেক বুদ্ধিমান লোকদের সাথে চলাচল করেছি, তাদের সাথে সময় কাটিয়েছি। তাদের সাথে চলার পর যখন আমি তাদের সম্পর্কে চিন্তা করি, তখন একটি কমন জিনিস সকলের মধ্যে দেখতে পাই। আর সেটি হলো কেউ বেশি ফালতু অতিরিক্ত কথা বলে না। যতটুকু প্রয়োজন তারা শুধু ততটুকুই কথা বলে। আর দ্বিতীয় নিয়মটি আমাদের এই কথাটাই বলে, সবসময় প্রয়োজনের চাইতে কম কথা বলো। আমাদের বলা হয়ে থাকে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু কথা বলতে। কিন্তু এই নিয়ম আমাদের শিখায় সবসময় প্রয়োজনের চাইতে কম কথা বলা উচিত। কারণ তুমি যত বেশি কথা বলবে, তোমাকে মানুষের সামনে ততই সাধারণ দেখাবে। মানুষকে কখনোই নিজের কথার দ্বারা ইমপ্রেস করার চেষ্টা করবে না। কারণ যখন তুমি প্রয়োজনের চাইতে বেশি কথা বলবে, তখন অনেক সম্ভাবনা থাকে তোমার মুখ থেকে ভুল কথা বের হওয়ার।
Speaker A
সবকিছু মানুষকে বলে দেওয়া উচিত না নিজের সম্পর্কে কিছু না কিছু কথা লুকিয়ে রাখা উচিত মানুষকে তোমার মনের ভাব কম বুঝতে দাও তাদের কনফিউজড হতে দাও রুলস নাম্বার টু দ্বিতীয় নিয়মটি বলার আগে তোমাকে একটি কথা বলতে চাই ধনুক থেকে বের হয়ে যাওয়া
Speaker A
একটা ছোট উদাহরণের মাধ্যমে তোমাকে এ বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিতে চাই। একবার এক অপরাধীর ফাঁসিও ছিল। যখন তার ফাঁসি প্রায় হয়ে গিয়েছিল, ঠিক এমন সময় তার ফাঁসির দড়িটি ছিড়ে যায়। আর সে সময় ফাঁসির দড়ি ছিড়ে যাওয়াকে উপরওয়ালার রহমত হিসেবে ধরা হতো। আর তাই অপরাধীর সাজা মাফ করে দেওয়া হতো। এরকম একটি ঘটনা একটি রাজ্যে ঘটে। এক অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়ার সময় তার দড়িটি ছিড়ে যায়। এই কথাটি এসে রাজ্যের সেনাপতি রাজাকে বলে। রাজার একজন এডভাইজার সেনাপতিকে জিজ্ঞেস করে, দড়ি ছিড়ে যাওয়ার পর সে অপরাধী কি কিছু বলেছিল? তখন সেনাপতি বলে, হ্যাঁ, সে অপরাধী বলেছিল যে রাজা একটা ঢঙের দড়ি বানাতে পারে না। সে রাজা রাজ্য সামলাবে কিভাবে? একথা শোনার পর রাজার অনেক রাগ হয়। রাজা সেই অপরাধীর কাছে যায় এবং তাকে তলোয়ার দিয়ে মেরে ফেলে। তার মৃত্যুর কারণ ছিল সে বিনা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কথা বলেছিল। সেই অপরাধী যদি অতিরিক্ত কথা না বলতো, তাহলে হয়তো তার জীবন বেঁচে যেত।
Speaker A
একটি কমন জিনিস সকলের মধ্যে দেখতে পাই আর সেটি হলো কেউ বেশি ফালতু অতিরিক্ত কথা বলে না যতটুকু প্রয়োজন তারা শুধু ততটুকুই কথা বলে আর দ্বিতীয় নিয়মটি আমাদের এই কথাটাই বলে সবসময় প্রয়োজনের চাইতে কম কথা বলো আমাদের বলা হয়ে থাকে যতটুকু প্রয়োজন
Speaker A
যখন তুমি প্রয়োজনের চাইতে কম কথা বলবে, তোমাকে নরমাল মানুষের চাইতে মহান এবং শক্তিশালী দেখাবে। তোমার সাইলেন্ট থাকার কারণে অনেক সময় মানুষ কনফিউজড হয়ে যাবে। তারা বুঝতে পারবে না তোমার মনের ভিতরে কি চলছে। এবং তোমার মনের ভাব বোঝার জন্য এমন কিছু তারা বলে বসবে, যার ফলে তুমি তাদের দুর্বলতা বুঝে যাবে। আর তুমি যখন কম কথা বলবে, তখন তোমার দুর্বলতা অন্য কেউ পারবে না। মানুষের অনেক বড় একটি গুণ হলো তারা সবসময় কম কথা বলে অথবা যতটুকু প্রয়োজন, শুধু ততটুকুই কথা বলে।
Speaker A
প্রয়োজনের চাইতে বেশি কথা বলবে তখন অনেক সম্ভাবনা থাকে তোমার মুখ থেকে ভুল কথা বের হওয়ার একটা ছোট উদাহরণের মাধ্যমে তোমাকে এ বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিতে চাই একবার এক অপরাধীর ফাঁসিও ছিল যখন তার ফাঁসি প্রায় হয়েই যায় ছিল ঠিক এমন সময় তার ফাঁসির
Speaker A
রুলস নাম্বার থ্রি এখন আমরা কথা বলব তিন নম্বর নিয়মটা নিয়ে। আর সেটি হলো তোমার ইমেজ। তুমি মানুষের সামনে যেমন ইমেজ তৈরি করবে, মানুষ তোমাকে তেমন ভাবেই ট্রিট করবে, তেমন ভাবেই সম্মান প্রদর্শন করবে। তোমার ইমেজ এবং তোমার রেপুটেশন তোমার জীবনের উপর বড় একটি প্রভাব ফেলে। যেকোনো মূল্যে তোমার রেপুটেশন ভালো জায়গায় রাখা উচিত। মানুষের সামনে তোমার এমন একটি ইমেজ তৈরি করো যেন মানুষ তোমাকে নিয়ে কিছু বলতে গেলে বা কোন ঠাট্টা করতে গেলে তার আগে ১০ বার ভাবে। মানুষের সামনে আমাদের ইমেজ চারটি জিনিসের মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে। এক, আমাদের পোশাকের মাধ্যমে। দুই, আমাদের টাকার মাধ্যমে। তিন, আমাদের কথার মাধ্যমে। এবং চার, আমাদের কর্মের মাধ্যমে। তাই এই চারটি জিনিসকে সবসময় ঠিকঠাক রাখো।
Speaker A
সেনাপতি রাজাকে বলে রাজার একজন এডভাইজার সেনাপতিকে জিজ্ঞেস করে দড়ি ছিড়ে যাওয়ার পর সে অপরাধী কি কিছু বলেছিল তখন সেনাপতি বলে হ্যাঁ সে অপরাধী বলেছিল যে রাজা একটা ঢঙের দড়ি বানাতে পারে না সে রাজা রাজ্য সামলাবে কিভাবে একথা শোনার পর রাজার অনেক
Speaker A
প্রথমত, তোমার ড্রেসিং সেন্স ঠিক করো। মানুষের প্রতি তোমার যে ফার্স্ট ইম্প্রেশন, সেটা হলো তোমার লুক। কথায় আছে, প্রথমে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী। তোমার লুক কেমন, তুমি কেমন পোশাক পড়ে আছো তাই দেখে মানুষ তোমাকে প্রথমে জাজ করবে। তাই কোথায় কোন পোশাক পড়ে যেতে হবে তা শিখো। দ্বিতীয়ত, যখন তোমার কাছে টাকা থাকবে, তখনই মানুষ তোমাকে জিজ্ঞেস করবে তুমি কেমন আছো, ভালো মন্দ। তাই সব আজেবাজে কাজ বাদ দিয়ে সময় নষ্ট না করে কঠোর পরিশ্রম করো। টাকা ইনকাম করার দিকে মনোযোগ দাও। তোমার কাছে টাকা থাকলে সবাই তোমার দিকে আকৃষ্ট হবে, সবাই তোমাকে সম্মান করবে। তৃতীয়ত, তোমার যখন কথা, অর্থাৎ শব্দ ঠিকঠাক ভাবে বের হবে, তখনই মানুষ তোমার আসল গুণ দেখতে পাবে। তাই সঠিক ভাবে কথা বলতে শিখো অথবা শুধুমাত্র যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই বলো। যদি তুমি বেশি কথা বলো, তাহলে তোমার মুখ থেকে অনর্থক কথা বের হবে। তখন মানুষ তোমাকে মূর্খ ভাববে। তাতে তোমার ইমেজ খারাপ হবে। আর চতুর্থ, তোমার কর্ম বা কাজ তোমাকে যে সম্মান এনে দিতে পারে, তা পৃথিবীর আর কোন কিছুই এনে দিতে পারে না। তাই তুমি যে কাজই করবে, তা সঠিক ভাবে নির্বাচন করবে। মনে রাখবে জীবনে এমন কোন কাজ করবে না যাতে তোমার ইমেজ বা রেপুটেশন খারাপ হয়। কারণ যদি একবার তোমার ইমেজ বা রেপুটেশন নষ্ট হয়, তাহলে তা আগের মতো করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। যদি তোমার ইমেজ ঠিক থাকে, তোমার রেপুটেশন ঠিক থাকে, তাহলে অনেক কাজ তোমার শুধু বলা মাত্রই হয়ে যাবে। তাই তোমার ইমেজ, তোমার যে রেপুটেশন, তা সবসময় ভালো রাখো।
Speaker A
নরমাল মানুষের চাইতে মহান এবং শক্তিশালী দেখাবে তোমার সাইলেন্ট থাকার কারণে অনেক সময় মানুষ কনফিউজড হয়ে যাবে তারা বুঝতে পারবে না তোমার মনের ভিতরে কি চলছে এবং তোমার মনের ভাব বোঝার জন্য এমন কিছু তারা বলে বসবে যার ফলে তুমি তাদের দুর্বলতা
Speaker A
রুলস নাম্বার ফোর এখন আমরা কথা বলবো চার নম্বর নিয়ম নিয়ে। আর চার নম্বর নিয়ম বলে সবসময় রাজার মতো থাকবে। রাজার মত সম্মান পাওয়ার জন্য রাজাদের মত কাজ করো। তুমি যেভাবে মানুষের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করবে, তার উপর নির্ভর করে মানুষ তোমাকে কতটুকু সম্মান প্রদর্শন করবে। মানুষের সামনে নিজেকে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করলে বা অতি সাধারণভাবে উপস্থাপন করলে মানুষ কখনোই তোমার সম্মান করবে না। রাজা নিজে নিজের সম্মান করে, তাই অন্যরাও রাজাকে সম্মান করার প্রেরণা পায়। আর রাজাদের মত থাকার মানে এটা না যে তুমি অহংকারী হয়ে যাও। এর অর্থ হলো তুমি নিজেকে কখনোই কম ভাববে না। তুমি নিজেকে সবচাইতে উপরে রাখবে। রাজাদের মত মহান কাজ করবে এবং উচ্চবিচার রাখবে। তোমার সব কাজের মাধ্যমে তুমি মানুষদেরকে দেখাবে তুমি রাজা নও, কিন্তু তুমি রাজা হওয়ার যোগ্য। আর কখনোই নিজের আত্মসম্মান ক্ষুন্ন করবে না, কখনোই নিজের অপমান করবে না। কারণ যে ব্যক্তি নিজেই নিজের সম্মান রক্ষা করে, তাকে পৃথিবীর সকলেই সম্মান করে। তাই যদি তুমি রাজার মত সম্মান পেতে চাও, তাহলে তুমিও রাজার মত উচ্চ বিচার রাখো এবং রাজার মত কাজ করো।
Speaker A
তোমার ইমেজ তুমি মানুষের সামনে তোমার যেমন ইমেজ তৈরি করবে মানুষ তোমাকে তেমন ভাবেই ট্রিট করবে তেমন ভাবেই সম্মান প্রদর্শন করবে তোমার ইমেজ এবং তোমার রেপুটেশন তোমার জীবনের উপর বড় একটি প্রভাব ফেলে যেকোনো মূল্যে তোমার রেপিটেশন ভালো জায়গায় রাখা
Speaker A
রুলস নাম্বার ফাইভ পাঁচ নম্বর রুলস বলে সম্মান পাওয়ার জন্য মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। যেকোনো জায়গায় বারবার যাওয়া আসার ফলে সেখানে তোমার ভ্যালু কমে যায়। তুমি যত বেশি মানুষের সামনে চলাফেরা করবে, যত বেশি কথা বলবে, তুমি ততই মানুষের সামনে সাধারণ দেখাবে। যদি তুমি কোন বন্ধুদের গ্রুপের মেম্বার হয়ে থাকো, তাহলে কিছু সময়ের জন্য সেখান থেকে দূরে সরে আসো। তাহলে সেখানে তোমার সম্পর্কে কথা হবে এবং তোমার কাজের বেশি প্রশংসাও হবে। দূরে থাকার সঠিক সময়টা তোমাকে শিখতে হবে। কারণ এবসেন্টের কারণে যেকোনো জিনিসের ভ্যালু বেড়ে যায়। তুমি অনেক সময় দেখবে যখন বড় বড় সেলিব্রিটিরা কোন পার্টি বা কোন ইভেন্টে যায়, তখন তারা খাওয়া-দাওয়া না করে সেখান থেকে চলে যায়। তারা বলে যে তাদের অন্য আরেকটি পার্টি অথবা ইভেন্টে যেতে হবে। আসলে কিন্তু তাদের কোন পার্টি অথবা ইভেন্ট থাকে না। আসল কারণ হলো সেখানে বেশি সময় দিয়ে তারা নিজেদের ভ্যালু কমাতে চায় না। কারণ তারা মানুষের সামনে যত বেশি সময় কাটাবে, অন্য লোকেরাও তাদের নরমাল মানুষের মত দেখবে। তাদের প্রতি মানুষের এটেনশন কমে যাবে। স্বর্ণেরও মূল্য তার অবয়ের কারণে অনুপস্থিতির কারণে বেড়ে যায়। শীতের দিনে যতই সময় পার হয়, সূর্য বের হওয়ার অপেক্ষা আমাদের ততই বেশি হয়। যখন অনেক অপেক্ষার পর সূর্য বের হয়, তখন অনেক ভালো লাগে। যখন সূর্য সবসময় আকাশে থাকে, যখন সূর্যের গরম আমাদের গায়ে লাগে, তখন সেই সূর্য আমাদের আর ভালো লাগে না। যখন তুমি সঠিক সময় নিজেকে অনুপস্থিত রাখা শিখে যাবে, তখন তোমার প্রতি মানুষের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। আরেকটি কথা, সবসময় মানুষের আশেপাশে থাকলে নিজের ভাবমূর্তি কমে যায় এবং দূরে থাকার কারণে তা বেড়ে যায়। দূরে থাকার কারণে যে ব্যক্তিকে অন্যরা বাঘের মত মনে করে, সামনে থাকার কারণে সে ব্যক্তিকে অতি সামান্য এবং মূর্খ মনে হয়। বেশি সময় মানুষের সামনে থাকলে মানুষের ভেতরের গুণ দ
Speaker A
আমাদের টাকার মাধ্যমে তিন আমাদের কথার মাধ্যমে এবং চার আমাদের কর্মের মাধ্যমে তাই এই চারটি জিনিসকে সবসময় ঠিকঠাক রাখো প্রথমত তোমার ড্রেসিং সেন্স ঠিক করো মানুষের প্রতি তোমার যে ফাস্ট ইম্প্রেশন সেটা হলো তোমার লুক কথায় আছে প্রথমে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী তোমার লুক কেমন
Speaker A
তুমি কেমন পোশাক পড়ে আছো তাই দেখে মানুষ তোমাকে প্রথমে জাজ করবে তাই কোথায় কোন পোশাক পড়ে যেতে হবে তা শিখো দ্বিতীয়ত যখন তোমার কাছে টাকা থাকবে তখনই মানুষ তোমাকে জিজ্ঞেস করবে তুমি কেমন আছো ভালো মন্দ তাই সব আজেবাজে কাজ বাদ দিয়ে সময়
Speaker A
নষ্ট না করে কঠোর পরিশ্রম করো টাকা ইনকাম করার দিকে মনোযোগ দাও তোমার কাছে টাকা থাকলে সবাই তোমার দিকে অ্যাট্রাক্ট হবে সবাই তোমাকে সম্মান করবে তৃতীয়ত তোমার যখন কথা অর্থাৎ শব্দ ঠিকঠাক ভাবে বের হবে তখনই মানুষ তোমার আসল গুণ দেখতে পাবে তাই
Speaker A
সঠিক ভাবে কথা বলতে শিখো অথবা শুধুমাত্র যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই বলো যদি তুমি বেশি কথা বলো তাহলে তোমার মুখ থেকে অনর্থক কথা বের হবে তখন মানুষ তোমাকে মূর্খ ভাববে তাতে তোমার ইমেজ খারাপ হবে আর চতুর্থ তোমার কর্ম বা কাজ তোমাকে যে সম্মান এনে
Speaker A
দিতে পারে তা পৃথিবীর আর কোন কিছুই এনে দিতে পারে না তাই তুমি যে কাজই করবে তা সঠিক ভাবে নির্বাচন করবে মনে রাখবে জীবনে এমন কোন কাজ করবে না যাতে তোমার ইমেজ বা রেপিটেশন খারাপ হয় কারণ যদি একবার তোমার
Speaker A
ইমেজ বা রেপিটেশন নষ্ট হয় তাহলে তা আগের মতো করা কোনভাবেই সম্ভব নয় যদি তোমার ইমেজ ঠিক থাকে তোমার রেপিটেশন ঠিক থাকে তাহলে অনেক কাজ তোমার শুধু বলা মাত্রই হয়ে যাবে তাই তোমার ইমেজ তোমার যে রেপিটেশন তা সবসময় ভালো রাখো রুলস
Speaker A
নাম্বার ফোর এখন আমরা কথা বলবো চার নম্বর নিয়ম নিয়ে আর চার নম্বর নিয়ম বলে সবসময় রাজার মতো থাকবে রাজার মত সম্মান পাওয়ার জন্য রাজাদের মত কাজ করো তুমি যেভাবে মানুষের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করবে তার উপর নির্ভর করে মানুষ তোমাকে
Speaker A
কতটুকু সম্মান প্রদর্শন করবে মানুষের সামনে নিজেকে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করলে বা অতি সাধারণভাবে উপস্থাপন করলে মানুষ কখনোই তোমার সম্মান করবে না রাজা নিজে নিজের সম্মান করে তাই অন্যরাও রাজাকে সম্মান করার প্রেরণা পায় আর রাজাদের মত থাকার মানে এটা না যে তুমি অহংকারী হয়ে যাও
Speaker A
এটার অর্থ হলো তুমি নিজেকে কখনোই কম ভাববে না তুমি নিজেকে সবচাইতে উপরে রাখবে রাজাদের মত মহান কাজ করবে এবং উচ্চবিচার রাখবে তোমার সব কাজের মাধ্যমে তুমি মানুষদেরকে দেখাবে তুমি রাজা নও কিন্তু তুমি রাজা হওয়ার যোগ্য আর কখনোই নিজের
Speaker A
আত্মসম্মান ক্ষুন্ন করবে না কখনোই নিজের অপমান করবে না কারণ যে ব্যক্তি নিজেই নিজের সম্মান রক্ষা করে তাকে পৃথিবীর সকলেই সম্মান করে তাই যদি তুমি রাজার মত সম্মান পেতে চাও তাহলে তুমিও রাজার মত উচ্চ বিচার রাখো এবং রাজার মত কাজ করো
Speaker A
রুলস নাম্বার ফাইভ পাঁচ নম্বর রুলস বলে সম্মান পাওয়ার জন্য মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন যেকোনো জায়গায় বারবার যাওয়া আসার ফলে সেখানে তোমার ভ্যালু কমে যায় তুমি যত বেশি মানুষের সামনে চলাফেরা করবে যত বেশি কথা বলবে তুমি ততই মানুষের
Speaker A
সামনে সাধারণ দেখাবে যদি তুমি কোন বন্ধুদের গ্রুপের মেম্বার হয়ে থাকো তাহলে কিছু সময়ের জন্য সেখান থেকে দূরে সরে আসো তাহলে সেখানে তোমার সম্পর্কে কথা হবে এবং তোমার কাজের বেশি প্রশংসাও হবে দূরে থাকার সঠিক সময়টা তোমাকে শিখতে হবে কারণ
Speaker A
এবসেন্টের কারণে যেকোনো জিনিসের ভ্যালু বেড়ে যায় তুমি অনেক সময় দেখবে যখন বড় বড় সেলিব্রিটিরা কোন পার্টি বা কোন ইভেন্টে যায় তখন তারা খাওয়া-দাওয়া না করে সেখান থেকে চলে যায় তারা বলে যে তাদের অন্য আরেকটি পার্টি অথবা ইভেন্টে যেতে হবে আসলে কিন্তু তাদের কোন পার্টি
Speaker A
অথবা ইভেন্ট থাকে না আসল কারণ হলো সেখানে বেশি সময় দিয়ে তারা নিজেদের ভ্যালু কমাতে চায় না কারণ তারা মানুষের সামনে যত বেশি সময় কাটাবে অন্য লোকেরাও তাদের নরমাল মানুষের মত দেখবে তাদের প্রতি মানুষের এটেনশন কমে যাবে স্বর্ণেরও মূল্য
Speaker A
তার অবয়ের কারণে অনুপস্থিতির কারণে বেড়ে যায় শীতের দিনে যতই সময় পার হয় সূর্য বের হওয়ার অপেক্ষা আমাদের ততই বেশি হয় যখন অনেক অপেক্ষার পর সূর্য বের হয় তখন অনেক ভালো লাগে যখন সূর্য সবসময় আকাশে থাকে যখন সূর্যের গরম আমাদের গায়ে লাগে
Speaker A
তখন সেই সূর্য আমাদের আর ভালো লাগে না যখন তুমি সঠিক সময় নিজেকে অনুপস্থিত রাখা শিখে যাবে তখন তোমার প্রতি মানুষের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে আরেকটি কথা সবসময় মানুষের আশেপাশে থাকলে নিজের ভাবমূর্তি কমে যায় এবং দূরে থাকার কারণে তা বেড়ে
Speaker A
যায় দূরে থাকার কারণে যে ব্যক্তিকে অন্যরা বাঘের মত মনে করে সামনে থাকার কারণে সে ব্যক্তিকে অতি সামান্য এবং মূর্খ মনে হয় বেশি সময় মানুষের সামনে থাকলে মানুষের ভেতরের গুণ দেখা বাদ দিয়ে বাইরের গুণ দেখতে শুরু করে যার কারণে অনেক সময়
Speaker A
আমাদের ইমেজ নষ্ট হয় তাই শুধুমাত্র প্রয়োজন হলেই মানুষের সাথে দেখা করো আর যখনই দেখা করবে তখন নিজের ইমেজ এবং নিজের চেহারা ঠিকঠাক রেখে দেখা করবে বন্ধুরা যদি তুমি এই পাঁচটি রুলস ফলো করো তাহলে অবশ্যই অবশ্যই তোমার ভ্যালু এবং সম্মান বাড়বে
Speaker A
যদি তুমি নিজেকে স্মার্ট বানাতে চাও তাহলে বন্ধুরা আজ থেকে এবং এখন থেকেই এই নিয়মগুলো পালন করা শুরু করো এবং নিজেকে স্মার্ট তৈরি করো اللہ
Topics:চালাক হওয়াস্মার্ট হওয়া48 Laws Of Powerবাংলা মোটিভেশননিজের ইমেজকম কথা বলাসম্মান পাওয়াপাওয়ারফুল মানুষরেপুটেশন ম্যানেজমেন্টনিজেকে পরিবর্তন











