Skip to content

Transform yourself, transform your life! Motivational podcast: _Mentor Mitu with Sahidujzaman Shahid

মেন্টর মিতুর সাথে শাহিদুজ্জামান শাহিদের জীবনের গল্প ও সফলতার কৌশল নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক পডকাস্ট।

Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.

Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.

Key Takeaways

  • কনসিস্টেন্সি ও ধৈর্য ধরে কাজ করলে সফলতা আসবেই।
  • একাধিক বিজনেস শুরু করার আগে একটি বিজনেসে সফল হওয়া জরুরি।
  • ফোকাস ধরে রাখতে অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • বিজনেসে বিশ্বাস ও ট্রাস্ট গড়ে তোলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
  • ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করাই সফলতার পথ।

What the video covers

  • শাহিদুজ্জামান শাহিদ ১৮টি বিজনেস পরিচালনা করছেন এবং তার একটি স্টার্টআপ থেকে ১০ কোটি টাকার বেশি রেভিনিউ আসছে।
  • কনসিস্টেন্সি ও ধৈর্য ধরে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
  • সফলতার জন্য কঠিন ও ধীর পথ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
  • ফোকাস ধরে রাখার জন্য অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত থাকার গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে।
  • বিজনেসে একসাথে অনেক কিছু করার চেয়ে একটিতে সফল হয়ে তারপর এক্সপান্ড করার পরামর্শ।
  • মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাই সফল মার্কেটিংয়ের মূল চাবিকাঠি।
  • ব্যর্থতা থেকে শেখার গুরুত্ব এবং বিজনেস বন্ধ করাও সফলতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
  • মানসিক সুস্থতার জন্য নিজের চিন্তাগুলো পর্যবেক্ষণ করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
  • টাকা ও ধন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা।
  • নিজেকে বদলানোর মাধ্যমে জীবনে পরিবর্তন আনার গুরুত্ব ও প্রেরণা।

Answers

Questions about this video

শাহিদুজ্জামান শাহিদের সফলতার মূল চাবিকাঠি কী?

শাহিদুজ্জামান শাহিদ সফলতার জন্য কনসিস্টেন্সি, ধৈর্য ধরে কঠিন পথ বেছে নেওয়া এবং ফোকাস ধরে রাখাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

কেন একাধিক বিজনেস শুরু করার আগে একটি বিজনেসে সফল হওয়া জরুরি?

একাধিক বিজনেস একসাথে পরিচালনা করলে ফোকাস হারানো যায়, তাই প্রথমে একটি বিজনেসে সফল হয়ে তারপর এক্সপান্ড করলে দীর্ঘমেয়াদে সফল হওয়া সম্ভব।

ফোকাস ধরে রাখার জন্য কী করণীয়?

ফোকাস ধরে রাখতে অপ্রয়োজনীয় কাজ ও টুলস থেকে বিরত থাকতে হবে এবং শুধুমাত্র একটি কাজের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে হবে।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
আপনাকে বিল গেটস দেড় লাখ ডলার, দেড় লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন যাতে আমি এ পর্যন্ত এতটুকু বয়সে 18 টা বিজনেস করছি। এমনও আমার স্টার্টআপ আছে যে একটা স্টার্টআপ থেকেই 10 কোটি টাকারও বেশি রেভিনিউ চলে আসছে। আমি সর্বপ্রথম বলব কনসিস্টেন্সি। আপনি যদি একদম এক্সট্রিম
00:18
Speaker A
লেভেলের রিচ বা ধনী হইতে চান, তাহলে আমার একটা পরামর্শ হচ্ছে এমন একটা পথ আপনি বেছে নেন যে পথটা কঠিন। এমনও নিজের চোখে দেখেছি ঘরের চালে ধরেন 13-14 টা ফুটা ছিল, তোষকের শুকনো অংশে কে শুইবে এটা নিয়ে আমরা
00:41
Speaker A
[সশব্দ হাসি] মারামারি করতাম। যারা আসলে একদম খুবই কমফর্ট জোনে বড় হয়, তারা লাইফে বড় কিছু করতে পারে না। চা 13টা ফুট ছিল, আজকে 12-13টা ফ্ল্যাটের মালিক। আপনি এই ধরনের কাজ না করে আপনাদেরকে আইপিএ বা ইনকাম প্রডিউসিং এসেটে ফোকাস করতে হবে।
00:59
Speaker A
থা কথা বলেছি। আসসালামু আলাইকুম। আমি মেন্টর মিতু, সার্টিফাইড লাইফ কোচ এন্ড মার্কেটিং এক্সপার্ট। স আমি শুরু করতে যাচ্ছি নিজেকে বদলান পডকাস্ট সিরিজ। আজকে নিজেকে বদলানোর এই সিরিজে আমি আমন্ত্রণ জানিয়েছি এমন একজন মানুষকে যিনি তার জীবনে মানে দেখেন নাই এমন কোন কষ্ট নাই। এতটা কষ্ট করে এতটা
01:17
Speaker A
উপরে যে আসা যায়, ওনাকে দেখলে আপনার জীবন পরিবর্তন হবে। উনার কথা শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন যে মানুষ জীবনে আসলে কি কি না করতে পারে। আমি এজন্যই বলি যে নিজেকে যদি কেউ বদলায়, তার জীবন বদলায় যে আপনি শুধু বিশ্বাস করেন নিজেকে বদলানোর জার্নিটা
01:31
Speaker A
শুরু করেন। স আজ আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি আমাদের নিজেকে বদলান পডকাস্ট সিরিজের প্রথম অতিথি মোঃ শাহিদুজ্জামান শাহিদ ভাইকে। উনি হচ্ছেন অপ পাইলটের সিও বাংলাদেশে প্রথম ইয় নিয়ে সফল যদি ব্যক্তিত্ব। আমি কাউকে বলতে চাই উনি, উনি এমন একজন মানুষ যাকে বিল গেটস কত ডলার
01:52
Speaker A
দেড় লাখ ডলার, লাখ ডলার, কোটি টাকার, দুই কোটি টাকা সমপরিমাণ অনুদান দিয়েছেন যাতে করে উনি আরো ভালো কিছু করতে পারে। এমন একজন জিনিয়াস মানুষকে আজকে আমরা পডকাস্টে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। শুধু তাই নয়, উনি একজন বিজনেসম্যান, একজন ট্রেনার এবং উনি মানুষকে
02:07
Speaker A
মোটিভেট করছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। আজ আমরা শুনবো উনারই কথা, উনার জীবনের কথা, উনার জীবন যুদ্ধের কথা, উনার সফলতার কথা, উনার গল্পের কথা। আমি আশা করছি আজকের এই পডকাস্ট থেকে আপনি যে জিনিসগুলো পাবেন, এতদিন আপনি যত পডকাস্ট দেখেছেন, এটলিস্ট
02:21
Speaker A
আপনি বলতে বাধ্য হবেন যে না, কিছু শিখলাম না। সামনে যাওয়ার জন্য এই পডকাস্টটা যথেষ্ট ছিল। এটা এমন একটা পডকাস্ট হতে যাচ্ছে। সো আমি আর দেরি না করে আমি শাহিদুজ্জামান ভাইকে বলব যে উনার পরিচয়টা দেওয়ার জন্য। আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া,
02:35
Speaker A
কেমন আছেন? জি আলহামদুলিল্লাহ। আমি বেশ ভালো আছি। আমি শাহিদুজ্জামান শাহিদ। আমি নিজেকে বিজনেসম্যান হিসেবে পরিচয় দিতেই পছন্দ করি। কারণ বিজনেস আমার রক্তে মিশে আছে। আমার বাবা বিজনেসম্যান ছিল। তো উনি বিজনেস করতে করতে জীবন দিয়ে চলে গেছেন। স আমিও
02:57
Speaker A
চাই যে আমিও সফল একজন বিজনেসম্যান হব এবং আমার বাবা যে আটটা বিজনেস করছে এক এক করে। স আমি গুনে গুনে দেখলাম আমি এ পর্যন্ত এতটুকু বয়সে 18 টা বিজনেস করছি। মাশাল্লাহ। মাশাল্লাহ। তো পরবর্তীতে এসে আমি এই তিন চারটা
03:14
Speaker A
বিজনেসে একদম ফিক্সড আছি। যেমন এখন আমি একটা খুব ভালো ই-কমার্স বিজনেস চালাচ্ছি। তারপর আমার পাঁচ বছর ধরে যে একটা এআই প্ল্যাটফর্ম এফ পাইলট, সেটাও আলহামদুল্লাহ খুব ভালোভাবে চলতেছে। ওটাতে দেড় লাখেরও অধিক কাস্টমার অনবোর্ড করতে সক্ষম হইছে। আলহামদুল্লাহ। মাশআাল্লাহ।
03:36
Speaker A
হ্যাঁ। একটা এআই স্টার্টআপ বা একটা যেকোন সার্চ সফটওয়্যারে 5000 কাস্টমার পাইলেই মানুষ মনে করে যে ওইটা মোটামুটি সফল একটা সার্চ। আচ্ছা আচ্ছা। আপনি সেখানে মাশাল্লাহ দেড় লাখ দেশে বিদেশে এবং একটা কমিউনিটিও তৈরি করছি। ওই উসিলায় ওই সফটওয়্যারের জন্যই অনেকেই
03:53
Speaker A
আমাদের কমিউনিটিতে যোগ জয়েন করছে। সেই কমিউনিটিতে মেম্বার আছে প্রায় 63,000, 63 থাউজ মেম্বার আছে। এইতো পাশাপাশি আমি আবার আমি যে এক্সপেরিয়েন্সগুলো অর্জন করলাম বিজনেস করতে গিয়ে, সেগুলো আমি মানুষকে শেয়ার করতেছি যেন আমার এই যে এক্সপেরিয়েন্সগুলো কেউ কাজে লাগিয়ে তারাও তাদের বিজনেসে সফল
04:20
Speaker A
হতে পারে। যেমন আমি একটা স্টার্টআপে এক কোটি 26 লাখ টাকা ইনভেস্ট করছি। সেখান থেকে আমি তেমন আসর কোন রেজাল্ট পাই নাই। বাট টাকার রেজাল্ট না পাইলেও আমি সেখান থেকে যে এক্সপেরিয়েন্সের রেজাল্টগুলো পেয়েছি, এগুলো আমার নেক্সট বিজনেসগুলাকে বিল্ড করতে হেল্প করবে। সো ওই
04:39
Speaker A
এক্সপেরিয়েন্স গুলাকেই কাজে লাগিয়ে আমি এমনও আমার স্টার্টআপ আছে যে একটা স্টার্টআপ থেকেই 10 কোটি টাকারও বেশি রেভিনিউ চলে আসছে। মাশাল্লাহ। মাশাল্লাহ। এই যে 10 কোটি টাকা ইনকাম করলেন, এটার আসলে সিক্রেটটা কি? আপনার কেন মনে হয় যে কি এমন
04:54
Speaker A
যোগ্যতা আপনার আছে? কি এমন কোয়ালিটি আপনার আছে যেটা আপনাকে এরকম একটা উচ্চতায় নিয়ে গেল?
05:01
Speaker A
ওই আমি সর্বপ্রথম বলব কনসিস্টেন্সি। মানে আমার ওই বিজনেস বা স্টার্টআপ অনেকদিন ধরে আমি ওটাতে লেগে আছি। একটু ব্যর্থতা মাঝখানে আসলেও আমি বলি যে এরকম পরবর্তীতে সামনে আরো ভালো দিন আসবে। ম্যাক্সিমাম মানুষ যে কাজটা করে, তারা এই ধৈর্যটা ধরতে চায় না।
05:25
Speaker A
ধৈর্যটা ধরতে চায় না। মাঝপথে গিয়ে থেমে যায়। যে এটা থেকে রেভিনিউ আসতেছে না, আসানরূপ এটা বাদ। নেক্সট আরেকটা তো আমি বলব, আপনি যদি একদম এক্সট্রিম লেভেলের রিচ বা ধনী হইতে চান, তাহলে আমার একটা পরামর্শ হচ্ছে এমন একটা পথ আপনি বেছে নেন যে পথটা
05:47
Speaker A
কঠিন। নাম্বার ওয়ান আর যে পথটা স্লো স্লো। কারণ এই দুইটা পথে 99% মানুষ যায় না, কারণ যে কাজটা থেকে রেজাল্ট আসতে একটু একটু লম্বা সময় লাগবে। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষই ধরে নেয় ওই কাজের রেজাল্ট শূন্য। বাট ওই কাজের কিন্তু একটা খুবই চমৎকার
06:13
Speaker A
রেজাল্ট আছে। একটু সময় লাগবে যে কাজটাতে স্লো প্রসেস কিন্তু কঠিন। ওই পথে কোন মানুষই যেতে চায় না। কিন্তু আরেকটা কথা এখানে আছে, ওই পথে গেলে যেন সফলতাটা সার্টেন, মানে নিশ্চিত। যে আপনি জানেন যে ওই পথে নিশ্চিত সফল হবেন। আপনি ওই পথটা কঠিন, ওই পথটা সলো।
06:38
Speaker A
সো আপনি এটাতে গেইন করতে পারবেন। তাহলে কি আমরা ওই গল্পটা বলতে পারি যে স্লো এন্ড স্টাডি রেস? আমরা যে গল্পটা সারাজীবন পড়ে এসেছি যে কচ্ছপ জিতে যায়, খরগ সেরে যায় শুধুমাত্র কনসিস্টেন্সি না থাকার কারণে। কনসিস্টেন্সি আমরা দেখেন এটা এটা নিয়ে তো
06:54
Speaker A
কোরআনেও বলা হয়েছে, হাদিসেও বলা হচ্ছে আল্লাহ সেই কাজটাকে পছন্দ করে যেটা ছোট কিন্তু রেগুলার করা হয়, রেগুলার করা হয়। কনসিস্টেন্সি আমরা বলি, আমি বলি বিশেষ করে কনসিস্টেন্সি কি টু সাকসেস। এটা বড় বড় বিখ্যাত ব্যক্তিরাও বলে গেছেন। আমাদের প্রবলেমটা
07:10
Speaker A
হচ্ছে যে আমরা ফোকাস ধরে রাখতে পারি না। আমি যদি আপনাকে বলি ফোকাস ধরে রাখার জন্য যদি আপনি এক লাইনে কিছু বলতে চান, কি বলবেন?
07:19
Speaker A
ফোকাস ধরে রাখার জন্য আমি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটা বলব সেটা হচ্ছে আপনার অনেক মানুষ এযে ফোকাস বা প্রোডাক্টিভ থাকার জন্য আরো অনেক অনেক টুলস যোগ করে যে আমার এটা শিখতে হবে, ওইটা শিখতে হবে, আরো একটা কিছু যোগ করতে হবে।
07:35
Speaker A
তো ভাই, এইটা কিন্তু প্রোডাক্টিভিটির বা ফোকাসের পুরাই একদম বিপরীত একটা জিনিস। কারণ ফোকাস মানেই হচ্ছে আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলাকে সেটে ফেলা। আচ্ছা ওয়ান সিঙ্গেল, মানে আপনি যে কাজটা করতেছেন শুধুমাত্র ওই কাজটাই আর ওই সময় আর অন্য কোন কাজ আপনি হাতে নিবেন না।
07:56
Speaker A
বিজনেসের ক্ষেত্রেও মানুষ একটা বিজনেস শুরু করে। আমি এই নিজের এক্সপেরিয়েন্স থেকেই বলতেছি এই 18 টা বিজনেস আমাকে কেন সুইচ করা লাগছে। কারণ আমার এই নলেজগুলো না থাকার কারণে আমি একটার পর একটা বিজনেস সুইচ করছি। পরে যখন আমি দেখলাম যে না
08:13
Speaker A
আমাকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে। একটা জিনিসে আমাকে আগে সফল হইতে হবে। তারপর আমার অন্য একটাতে যাব আমি। ঠিক আছে? কিন্তু মানুষ যেটা করে একটার পর একটা সুইচ করে। এবং আপনি এটাও বলতে পারেন যে কেন? তাহলে কি অনেক সাকসেসফুল বিজনেসম্যান আছে না যারা
08:33
Speaker A
একই সাথে অনেকগুলো বিজনেস রান করতেছে? তো ঠিক আছে, তারা যেকোন একটা দিয়ে আগে অনেক দূর এগিয়েছে, তারপর আস্তে আস্তে এক্সপ্যান্ড করেছে। যেমন মাইক্রোসফট, মাইক্রোসফটার যে ফাউন্ডার বিল গেটস, উনার কিন্তু শুরুতে উনি এই সফটওয়্যার নিয়েই ছিল। তারপরে উনি রিয়াল এস্টেট, এটা সেটা
08:57
Speaker A
আরো অনেক কিছু করছে, রাইট? তো এই যে বাংলাদেশের যেমন আমাদের উত্তরবঙ্গের আকিজ, উনি শুরুটা হইছে উনার একটা দুইটা প্রোডাক্ট দিয়ে। একটা সো ওইটাতে উনি অনেকদূর উপরে গেছে। যাওয়ার পর তারপরে উনি এক্সপ্যান্ড করছে। সো একসাথে আপনি আগে রিচ হন। রিচ হওয়ার পরে
09:20
Speaker A
ডাইভার্সিফিকেশন করেন। কিন্তু আপনি এই যে ডাইভার্সিফিকেশন করতে করতে রিচ হইতে পারবেন না। রিচ পিপল ডাইভার্সিফাইড হয়। কিন্তু এই ডাইভার্সিফিকেশনের ওয়েতে গিয়ে রিচ হওয়া পসিবল না। দারুণ কথা বলছেন যে আপনি অনেক কিছু নিয়ে একসাথে বড় হতে পারবেন না। বাট একটা কিছু
09:40
Speaker A
নিয়ে বড় হতে পারলে অনেক কিছু করতে পারবেন। অনেক কিছু করতে পারবেন। আমি সবাইকেই বলব যে আমার যারা অডিয়েন্স আছেন, আমি সবাইকে বলব যে দেখেন যে শাহিদ ভাই যে কথাটা বলছে, ভেরি ভেরি ট্রু। আমরা কেন ফোকাস ধরে রাখতে পারি না? কারণ আমাদের অনেক কিছু লাগবে।
09:53
Speaker A
সিলেক্ট ওয়ান থিং আন্টিস। একটা জিনিস সিলেক্ট। আজকে আপনি চিন্তা করলেন যে আপনি বিজনেস করবেন, যেকোনো প্রোডাক্ট হতে পারে, যেকোন নিশ হতে পারে। সিলেক্ট করার পর যতক্ষণ পর্যন্ত ওইটাতে শেষ দেখে ছাড়েননি, হয় জিতবেন নয় শিখবেন। এই পলিসিতে যান। হয় আপনার এটা নাও হতে
10:07
Speaker A
পারে, বিজনেস একটা মরে যেতে পারে। আমি বলি যে বিজনেস মানে বন্ধ করে দিতে পারাও তো সফলতা। আপনি যখন বুঝলেন যেমন শাহিদ ভাই 18 টা বিজনেস বন্ধ করে দিয়েছেন কারণ আপনি বুঝতে পেরেছেন এই বিজনেসগুলো মরে গেছে, এগুলো আপনার দিয়ে হবে না, আপনি আবার নতুন
10:19
Speaker A
শুরু করলেন, সেখানে সফল হলেন। আমরা একটা নিয়ে অনেক সময় পড়ে থাকি, দিনের পর দিন লোন করতে থাকে, ঋণ করতে থাকে। মানুষ আমি এরকম অনেকজনকে চিনি যে যার আগের ঋণ ছিল 10 লাখ। 10
10:30
Speaker A
পর্যন্ত ঋণ গিয়েছে। ওই বিজনেসটাকে ধরে রাখার জন্য। আমি তাকে বলছি যে কেন বন্ধ করছেন না? সে বলছে এটা বন্ধ করা সম্ভব না। আপনি বলেন যে বিজনেস বন্ধ করতে পারাটাও সফলতা কিনা?
10:40
Speaker A
অবশ্যই। সবাই বলে যে উইনারস নেভার কুইট। আমি বলি উইনারস অলওয়েজ কুইট। আচ্ছা ধরেন একটা মাছি একটা ঘরের ভিতরে আছে সে ওই ঘরে একটা জানালা আছে একটা দরজা আছে তো সে জানালাটা পাশেই খোলা আছে দরজাটা জাস্ট বন্ধ আছে কিন্তু মাছিটা কি করতেছে
11:05
Speaker A
বারবার গিয়ে দরজায় বাড়ি দরজায় বাড়ি খাচ্ছে আর ধাক্কা খাচ্ছে শেষ পর্যন্ত সে মারা গেল মাছিটা অথচ পাশেই তার জানালাটা কিন্তু খোলা ছিল ওই যে মওলা রুমের একটা কোড আছে কেন নিজেকে জেলখানা রেখেছেন যেখানে পুরা দরজা সবকিছু খোলা পৃথিবীটা আপনার হাতের
11:26
Speaker A
মুঠ আজকের পর থেকে নিজেকে জেলখানা রাখা বন্ধ করতে হবে আমরা একটু ফিরে যেতে চাই শাহিদ ভাইয়ের ছোটবেলায় যে আসলে আপনার জীবনের স্ট্রাগল গুলো কি কেন হচ্ছে যে আপনি এতটা কনসিস্টেন্ট বা ফোকাস কিভাবে ধরে রাখলেন নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট অনেক বাধা
11:41
Speaker A
অনেক বিপত্তি আপনাকে এরকম একটা মানুষে পরিণত করেছে যে আজকে অন্যের আলোর পথ দেখার দিশারী হচ্ছেন সো আমরা একটু ফিরে যেতে চাই আমরা ছোটবেলায় হ্যাঁ ছোটবেলার জার্নিটা আমার একটু কষ্টদায়কও ছিল আমি আমার নানা বাড়িতে মানুষ হয়েছি আমার নানা স্কুল শিক্ষক ছিলেন। হ্যা উনি
12:01
Speaker A
আমাকে তার বাসায় নিয়ে গেছে। আমার ধরেন যে বাবা ওরকম সচ্ছল বা ধনী মানুষ ছিলেন না। একটা মাত্র ঘর ছিল আমাদের। ওই একটা মাত্র ঘরে আমরা চার চার জন ভাইবোন বড় হইছি ঠিক আছে এবং আমি এমনও নিজের চোখে দেখেছি
12:21
Speaker A
ঘরের চালে ধরেন 13 14 টা ফুটা ছিল কি বলেন হ্যা পানি পড়তো তোষে পানি পড়তো এখানে আমরা বালতি দিয়া রাখতাম ঝগ দিয়ে রাখতাম গ্লাস দিয়ে রাখতাম যে পানিটা যেন ওখানে পড়ে তোষকের শুকন অংশতে কে শুইবে এটা নিয়ে আমরা
12:42
Speaker A
মারামারি করতাম যে আমি এই জায়গাটাতে শুব। সো এখন আলহামদুলিল্লাহ আমার 11 টা ফ্লট নিজে। মাশাল্লাহ। কনগ্রাচুলেশন। ছয় তলা একটা পুরা বাড়ির মালিক আমি হইতে পারছি। তো এই যে আমার চোখের দেখা আমি অনেক মানুষকে দেখছি কাছ থেকে এবং অনেকগুলো
12:59
Speaker A
গল্পও শুনছি। আপনারাও শুনছেন। যারা আসলে একদম খুবই কমফর্ট জোনে বড় হয় তারা লাইফে বড় কিছু করতে পারে না। খুবই কম। আর যারা যারা ডিসকমফর্টে বড় হয় তারা ভাবে যে আসলে আমাকে এখন চেঞ্জ করতেই হবে। যেমন আপনি পডকাস্টের নাম দিছেন পরিবর্তনের গল্প।
13:18
Speaker A
নিজেকে পরিবর্তন নিজেকে পরিবর্তন করুন। সো এই যে পরিবর্তনটা মানুষ কখন নিজেকে করে জানেন? যখন মানে একটা মানুষ যে পরিস্থিতিতে থাকে ওই পরিস্থিতিটা যদি তার পরিবর্তন হওয়ার পরে যে পরিস্থিতিটা হবে তার চাইতে যদি সে খারাপ অবস্থায় থাকে তাহলে সে বাধ্য হয়
13:41
Speaker A
নিজেকে চেঞ্জ করার জন্য। কিন্তু সাধারণত যে দিন যাচ্ছে কোনরকম। তাহলে কিন্তু মানুষ যে স্টেজে আছে, যে কমফর্ট জোনে আছে সেখান থেকে সে নিজেকে পরিবর্তন করতে চায় না। আচ্ছা তাহলে ওই যে বিখ্যাত উক্তিটা আমার মনে পড়ে গেল যে ডিসকমফর্ট ইজ দা রিয়াল
13:59
Speaker A
কমফর্ট। যেটা আপনার করতে আজকে ভালো লাগছে না ওইটা করলে আপনার যেটা ভালো লাগে সেটা আপনি পাবেন। সেটা পাবেন। আপনার হয়তো আজকে কাজ করতে ভালো লাগছে না। রেগুলার সকালবেলা ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগছে না। রেগুলার এক্সারসাইজ করতে ভালো লাগছে না। রেগুলার নামাজ পড়তে ভালো লাগছে
14:12
Speaker A
না। রেগুলার একটা কাজ বোরিং কাজ করতে ভালো লাগছে না। তাহলে আপনি রেগুলার ব্যর্থতার শিকার হবেন। আজকে প্রতিদিনের ব্যর্থতা আপনাকে নিয়ে যাচ্ছে সফলতার দিকে। একটা একটা ব্যর্থতার পাহাড় আপনি পাড়ি দিয়ে একটা সময় সফলতার এভারেজ চুড়ায় উঠবেন। সো ওই জায়গাটা আসলে আপনার কাছ থেকে আমার
14:28
Speaker A
মানে অনুপ্রেরণা যে এই যে চীনের চালে 12 13 টা ফুটো ছিল। আজকে 12 13টা ফ্ল্যাটের মালিক আপনি এটা কিন্তু মানে অনেক বড় পাওয়া। আপনি হয়তো চিন্তা করতে পারেন যে আল্লাহ এতগুলো ফুটা আপনি ছাদ দেখতে পাচ্ছিলেন মানে আকাশ। মানে যতটা ফুটাগ
14:44
Speaker A
দিছে আল্লাহতালা। দেখেছেন নিজেকে বদলালে নিজেকে আমি আপনাদেরকে বলছি নিজেকে বদলালে যে জীবন বদলানো যায় আজকের পর থেকে আপনি এটা জাস্ট হারে হারে কল্পনা করেন নিজে আমার সামনে যিনি যে আমার প্রিয় বড় ভাই উনার দেখেন এমন একটা দিন গিয়েছে যখন পানি
14:58
Speaker A
ধরে রাখার জন্য বাল্টি গ্লাস বোতল এগুলো নিতে হয়েছে আজকে উনার 12 13 টা ফ্লাট কিচ্ছু করার দরকার নাই বসে থাকলে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম উনি যদি শুয়েও থাকে উনার কিচ্ছু করতে হবে না বাট এই মানুষটা তারপরও দিনের পর দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে
15:12
Speaker A
একটার পর একটা বিজনেসে ইনভেস্ট করছে করতে হবে। এইখানে একটা গল্প বলি আমি। অনেকেই এরকম করে মনে করে যে আসলে ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডমের ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডম যে আমাকে আসলে ফিনান্সিয়ালি ফ্রি হইতে গেলে কি করতে হবে? মানে আপনাকে এমন একটা পর্যায়ে যেতে
15:31
Speaker A
হবে যে আপনি যদি কোন আর কাজ নাও করেন আপনার জীবন চলে যাবে। আপনার পরবর্তী কয়েকটা প্রজন্ম চলে যাবে। মানে এই লেভেলের সম্পদ আপনার এসেট বিল্ড করতে হবে। কিন্তু তারপরেও তারপরেও কি আপনি বসে থাকবেন?
15:51
Speaker A
ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডমের অর্থটা হচ্ছে এইটা যে আপনি এমন একটা স্টেজে চলে যান যে আপনার কাজ না করলেও যেন আপনার সবকিছু চলে যায়। এবং আপনি কাজটা করবেন ইফ ইউ চুজ ইট। যে আমি আমার ভালো লাগতেছে তাহলে আমি কাজটা করব। বাধ্য হয়ে আর কাজ করা লাগবে না। সো
16:09
Speaker A
ওইটা আমার মিশন এবং আপনি একটা পর্যায়ে যখন যাবেন তখন আপনার মানে প্যাসিভ ইনকামটাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। যে আমি কাজ করবো না। যেমন আমার এই ফ্ল্যাটগুললা থেকে টাকা আসতেছে। এখন আমার কাজ না করলেও কিন্তু টাকা আসতেছে। এমন বিজনেস বানান, এমন অ্যাসেট তৈরি করেন,
16:28
Speaker A
এমন আইপিএ ইনকাম প্রডিউসিং এসেট তৈরি করেন যে এসেটগুলা থেকে অটোমেটিকালি টাকা আসতে হবে। যেমন যদি আপনি এভাবে চিন্তা করেন যে আপনার আমি যে এসেটগুলা বিভিন্ন জায়গাতে ইনভেস্ট করে রাখছি দেখি মোটামুটি ধরেন কোন একটা এসেট আমার তিন কোটি টাকা
16:48
Speaker A
ইনভেস্ট করছি সেখান থেকে মাসে এক লাখ টাকা আসতেছে তো তিন কোটি টাকা থেকে যদি আপনার এক লাখ টাকা এরকম করে আসে মানে এইটা একদম মানে সলো কিন্তু মানে এই রিয়াল এস্টেট বিজনেসের কথা বলতেছি তো সেক্ষেত্রে যদিপ আপনার আরো অনেক
17:06
Speaker A
ভালো ভালো বিজনেস হয়। এই তারতম্যটা অনেক হবে। এমনও বিজনেস আপনি ইনভেস্ট করতে পারেন যে এক কোটি টাকা থেকেও আপনার পা লাখ টাকা আসতে পারে। সো আপনি যদি এরকম যে আমার বসে থেকে আমার এক লাখ টাকা আসবে আপনাকে চিন্তা করতে হবে
17:24
Speaker A
যে না আমাকে 20 লাখ 50 লাখ টাকার এসেট বানায় রাখতে হবে। সো আপনি যদি এভাবে চিন্তা করেন যে আমার পা লাখ টাকা আসবে তাহলে আমার এরকম 20 30 50 কুড় টাকার এসেট থাকা লাগবে। সো আপনি যদি এভাবে চিন্তা
17:38
Speaker A
করেন যে আসলে আমার যতটুকু আছে ততটুকু শেষ। হ্যাঁ যে অনেকেই দেখা যায় রিটার্ড করে করার পর আর কোন তেমন কাজ করতে চায় না। যে আমি আসলে যা ইনকাম করছি এগুলো এখন বসে থেকে খাবো। মানে চিন্তাভাবনাটা দেখেন কত ভয়ঙ্কর। যা আছে এখন ওইটা সে খাইতে চাচ্ছে।
17:59
Speaker A
এখন ধরেন কোন একটা ম্যাজিক পিল বের হইলো যে ওইটা খাইলে আপনার পাঁচ বছর আরো আয়ু বেড়ে মানে বেড়ে যাবে। তাহলে আপনি ওই পাঁচ বছর কিভাবে চলবেন? সো আপনাকে এমন এসেট তৈরি করতে হবে যে না আমার এই 10 লাখ টাকা
18:15
Speaker A
আছে বা আমার রিটায়ারমেন্টের এই 50 লাখ টাকা আছে। এইটা আমি এখন খেয়ে খেয়ে জীবনটা পার করে দিব। এই চিন্তাভাবনা যারাই করে তারা দেখবেন বৃদ্ধ বয়সে গিয়ে অনেক মানে স্ট্রাগল করে তাদের সন্তানরা তাদেরকে আর দেখে না হ্যাঁ ভুলভাল করে ওই টাকাটা কোথাও
18:32
Speaker A
একটা ইনভেস্ট করছে মানে টাকাটা নষ্ট হয়ে গেছে পরে আর তাদেরকে সন্তানও দেখতেছে না এই ধরনের কাজ না করে আপনাদেরকে আইপিএ বা ইনকাম প্রডিউসিং এসেটে ফোকাস করতে হবে যাতে প্যাসিভ ইনকাম তৈরি কিন্তু আমি অনেক কথা বলেছি যেমন আপনি যে কথাটা বললেন যে আমাদের উদ্দেশ্য থাকতে
18:48
Speaker A
হবে এমন যে আমি যাতে প্রাইস ট্যাগ না দেখে প্রোডাক্ট কিনতে পারি উদ্দেশ্য এমন থাকতে হবে আমি যতদিন বাঁচবো ততদিন কর্মক্ষম। আমি বলি আজকের পর থেকে আপনার রিটার্ড সেইদিনই হবে যেদিন আপনি মারা যাবেন। রিটার্ড বলতে কি আছে? আপনি মারা গেলে সারাটা লাইফের
19:02
Speaker A
জন্য আপনি রিটার আপনাকে আল্লাহ নির্দিষ্ট একটা সময় দিয়েছে। ধরেন 60 বছর 70 বছর। বাংলাদেশের তো 70 বছর বা 63 বছর লাস্ট যেটা ছিল 60 70 বছরের মধ্যে। ধরলাম আপনি আরো 20 বছর বেশি বাঁচবেন। আপনি যদি 100 বছরও বাঁচেন এইটাই তো কাজ করার সময়। আপনি
19:16
Speaker A
দুনিয়াতে আসছেন কাজ করার জন্য। এখান থেকে আপনি যে ফল এটা নিয়ে যাবেন আখেরাতে। সো আপনি এই দুনিয়ায় যদি কোটি টাকা ইনকাম করতে না পারেন ওই দুনিয়ায় কোটি টাকা ইনভেস্ট করবেন কেমনে? ইনভেস্টমেন্টটা করে যেতে হবে এখানে যাতে আপনি ওইখানে প্যাসিভ
19:28
Speaker A
ইনকাম করতে পারেন। সো আমরা দেখেন বাংলাদেশের কোন শিক্ষা ব্যবস্থায় আমি যেটা শিক্ষা ব্যবস্থা নেই বারবার বলি। যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এতটা নিচে এতটা নিম্নমানের যেখানে ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডমের কিচ্ছু শেখানো হয় না। এইখানে কোন মানি রিলেটেড কোন কথাবার্তা নেই। আমাদেরকে
19:42
Speaker A
সারাজীবন শেখানো হইছে কি? মানে ভোগবাদী। আমরা হচ্ছি কনজিউমার। স আমি বলি যে ভাই ক্রিয়েটর হন। আপনি কনজিউমার হলে কোনদিন পারবেন না। বাট ক্রিয়েটর হলে কি হবে? তখন আপনি নতুন কিছু ক্রিয়েট করতে পারবেন। যেমন আমরা যারা ট্রেনার আমরা যারা বিজনেস করি
19:55
Speaker A
আমরা কি নতুন নতুন বিজনেস ক্রিয়েট করি। নতুন নতুন ট্রেনিং ক্রিয়েট করি। নতুন কিছু আপনার জন্য আনি। বাট আপনি কি করছেন?
20:00
Speaker A
সারাদিন ফেসবুকে উল্টাপাল্টা নিউজগুলো কনজিউম করছেন জিনিসপত্র নতুন যেটা আসতেছে ট্রেন্ড ওইটাকে কনজিউম করছেন। যতদিন আপনি কনজিউমার ততদিন আপনি লুজার। আপনার মাই ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডম কোনদিন আসবে না। আমি বলি যে ইনকাম করা কখনোই সঠিক সমাধান নয়। ইনকামের সঠিক ব্যবহারটাই আপনাকে
20:16
Speaker A
ফাইনান্সিয়ালি ফ্রিডম করে। আর আমরা এরকম টাকা পয়সা নিয়ে কথা বললে আমি দেখছি অনেকেই যে ঈদে এসে কমেন্ট করে যে এই কোটি টাকা নিয়ে কথা বলতেছেন। আরে ভাই আপনি যদি ভালোভাবে বাঁচতে চান আপনার যদি আপনি একজন মুসলিম হন বা যে ধর্মরই হন সব ধর্মেই
20:37
Speaker A
দেখেন আপনার ভালো ভালো যে ইবাদতগুলো আছে যেমন আপনি হজ করবেন দেখেন একদম ফরজ একটা ইবাদত সেটার জন্য কি লাগবে বলেন তো টাকা লাগবে আপনি কুরবানি দিবেন আপনার টাকা লাগবে। যাকাত দিবেন আপনার কি টাকা লাগবে। দান করবেন টাকা। দান করবেন আপনার টাকা লাগবে। সো এই টাকা
20:56
Speaker A
পয়সা নিয়ে যখন আপনারা এই জিনিসটাকে অনেকেই আবার চিন্তা করে নেগেটিভ ভাবে আপনার ব্রেইনে যদি টাকা পয়সা খারাপ জিনিস এই জিনিসটা ইনস্টল থাকে আপনি জীবনেও ধনী হইতে পারবেন না। এটা আজকে লিখে নেন। আর টাকা পয়সা ভালো জিনিস। ধনী মানুষ ভালো
21:11
Speaker A
মানুষ। এই জিনিসগুলো যদি আপনি ইনস্টল করতে পারেন আপনার আপনি কিন্তু ধনী হবেন। কারণ আমরা কাজ করি। আমরা চলি কনশাস মাইন্ডে আমরা কোন কাজ করতে পারি না। আমরা চলি হচ্ছে সাবকনশাসলি। সো ধরেন আপনি কনশাস মাইন্ডে বলতেছেন আমি ফজরের নামাজ জামাতের
21:27
Speaker A
সাথে পড়বো। আপনি কনশাসলি বলেন আমি ধুমপান ছেড়ে দিব। আপনি কনশাসলি বলেন আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে পড়বো। আমি ডিসিপ্লিন থাকবো, ফোকাস থাকবো। ফেসবুক এর এত পরিমাণ রিলস কনজিউম করবো না এগুললা আপনি কিসে বলেন বলেন তো কনশাস মাইন্ডে
21:43
Speaker A
বলেন মানুষ যখন কোন একটা জিনিস কনশাসলি চিন্তা করে ওই জিনিসটা কিন্তু সে পারে না আপনার সাবকনশাস হচ্ছে আপনার দানব জায়ান সে 95% আপনাকে কন্ট্রোল করে সো আপনার সাবকনশাসে যদি টাকা পয়সা খারাপ জিনিস ধনী মানুষ খারাপ মানুষ এই জিনিসগুলা গেথে যায়
22:03
Speaker A
আপনি জীবনেও নেভার এভার পসিবল আপনার দ্বারা ধনী হওয়া। এই একটা জিনিস জাস্ট খালি আজকের যদি পুরা পডকাস্ট থেকে একটা জিনিস শেখার শিখতে হয়। এই যে সাবকনশাস মাইন্ডে আপনি কোন জিনিসটা দিচ্ছেন? আপনি ছোটবেলায় তিন থেকে সাত বছরের মধ্যে বা তিন
22:20
Speaker A
বছরের আগে 80% ব্রেন ডেভেলপমেন্ট হয়ে যায়। সাত বছরের আগে প্রায় 95 থেকে 98% ব্রেন ডেভেলপমেন্ট হয়ে যায়। সো ওই সময়গুলোর মধ্যে আপনি কি শিখছেন? কি শুনছেন? যে হি ইজ হি ইজ পুর বাট অনেস্ট হি ইজ রিস বাট ডিসঅনেস্ট। দেখছেন মানে আপনাদের যে
22:41
Speaker A
পড়ালেখার শিক্ষা ব্যবস্থায়ও এই জিনিসটা ঢুকায় দিছে যে মানে গরীব মানুষ সৎ হবে আর ধনী মানুষ অসৎ হবে। এইটাই স্বাভাবিক। ইংরেজি গ্রামার শিখতে গিয়েও আপনি কিন্তু এগুলাই এগুলাও আপনাকে শেখা মানে শিখায় শিখে আপনার ব্রেনের ভিতরে ইনস্টল করে দেওয়া হইছে। সো এই ইনস্টলেশনটা
23:01
Speaker A
মজার ব্যাপার হচ্ছে নিউরাল পাথয়ে নিউরোপ্লাস্টিসিটি এগুলা কিন্তু নিউরোসাইন্সের একদম খুবই ভালো রিসেন্ট আবিষ্কার। এগুলা আমাদেরকে যেটা বলতেছে আপনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনার চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনার ব্রেনের জিনিসপত্রগুলা পরিবর্তন করতে পারবেন। সো আপনি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিগুলা পরিবর্তন করেন। কেউ একজন সফল মানুষ হইছে
23:23
Speaker A
তাকে যদি আপনি গালি দেন দেখবেন আপনার কপালে সফলতা কখনোই জুটবে না। আমি আপনি আসেন আপনার সাথে আমি 10 ঘন্টা কথা বলে আপনাকে ম্যাথ করে মানে ক্যালকুলেটিভ ওয়েতে আপনি আমি আপনাকে দেখায় দিব। আপনি ব্যর্থ হবেন। আপনি ব্যর্থ [সশব্দ হাসি] হবেন। এই
23:38
Speaker A
জিনিসগুলা মানুষ আসলে বুঝতে পারে না। কারণ আপনি যখন একজন সফল মানুষকে গালি দিচ্ছেন, একজন ধনী মানুষকে এরকম বাকাচোকা দেখতেছেন যে সে ঘুষখোর সে সুদ খেয়ে টাকা পয়সা ইনকাম করছে। সে আসলে দুর্নীতিবাজ। এইভাবে সে বাড়িগালি করছে। এই জিনিসগুলো যখন আপনি বলবেন আপনার
23:59
Speaker A
সাবকনশাস তখন গেঁথে যাবে। মাই গড ধনী মানুষ হওয়াটা তো অনেক খারাপ মানুষ। সে আপনাকে হতে দিবে না। আপনি এদিকে পরিশ্রম করতেছেন, স্ট্রাগল করতেছেন। অনেক চেষ্টা করতেছেন। আর বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। কিন্তু দিনশেষে যখন রেজাল্ট পাচ্ছেন না তখন আপনি আসলে
24:18
Speaker A
অরিজিনাল জিনিসটা বুঝতেছেন না। আপনার মানি ব্লুপ্রিন্ট জিনিসটা আপনার বুঝতে হবে। আপনার মানি মাইন্ডসেট যদি এখানে থাকে যেমনই কি বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার পথে চলে গিয়েছিল। সে আবার বিলিয়নিয়ার হইছে। কিভাবে হইছে? কারণ তার মাইন্ডসেট তার যে মানি ব্লুপ্রিন্ট এইটা
24:36
Speaker A
কিন্তু ব্লিওনিয়ার লেভেলেই ছিল। এখন সে যতই হোক ধরেন আপনি যিনি এই কথাটা শুনতেছেন আপনার কাছ থেকে ধরেন সমস্ত টাকা পয়সা কেড়ে নেয়া হইলো বা কোন কারণে আপনি সব হারিয়ে ফেললেন। তো কিছুদিন পরে গিয়ে বলেন তো কি হবে? আপনি কিন্তু আবার আপনার
24:52
Speaker A
লেভেলেই চলে আসবেন ইনশআল্লাহ। কিভাবে আসবেন? কারণ আপনার স্কিল, আপনার মাইন্ডসেট এগুলো দিয়ে আপনি আসবেন। এই যে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আমেরিকাতে এগুলা এই লটারি নিয়ে অনেক গবেষণা হয়। দেখা যায় যে যে মানুষগুলা লটারি পেয়ে একদম রাতারাতি অনেক ধনী হয়ে যায়। কিন্তু দুই
25:11
Speaker A
চার পাঁচ বছরের মধ্যে উনি আবার যে স্টেজে ছিল ওই স্টেজে নেমে আসে। এগুলা কেন আসে ভাই? কারণ তার সাবকনশাস মাইন্ডে তার মানি নিয়ে তার টাকা পয়সা নিয়ে যে লেভেলটা আছে ওই লেভেলে উনি আসবেই। এটা এটা আপনি দেখেন এটা আমি আরো 1400 বছর
25:27
Speaker A
পিছনে যাই। রসূল যখন হিজরত করে তখন কি হয়েছিল? সকল সাহাবীদেরকে উনি চলে আসছিল খালি হাতে। ওই সময় কিন্তু মক্কাতে তারা স্বনামধ ব্যবসায়ী ছিল। কিন্তু যখন মদিনাতে এসেছে কিচ্ছু ছিল না। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলল?
25:40
Speaker A
মক্কাবাসীদেরকে বলল যে তাদেরকে জমি দাও। তারা কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে আবার কোটিপতি হয়ে গেল। এবং আমরা জানি যে জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত সাহাবীরাও কিন্তু কোটি কোটি টাকার মালিক ছিল। হযরত উসমান, হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমরা উদাহরণ দিতে পারি। তারা
25:53
Speaker A
[গলা পরিষ্কার করা] কি ছিল? এত পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিল। ইভেন এমনও দোয়া করেছে তারা যে রাসূল আল্লাহকে বলেন আমার সম্পদ যাতে কমে যায়। এত সম্পদ মানে তাদের বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এই যে শুকরিয়া আমরা যে বলি যে গ্রাটিটিউড প্র্যাকটিস করতে হবে। স
26:06
Speaker A
গ্রাটিটিউড ছাড়া আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না। আপনার মনে যদি শান্তি না থাকে দুনিয়ার টাকা পয়সা আপনাকে শান্ত করতে পারবে না। বাট যদি শান্তি থাকে আপনি দুনিয়ার টাকা পয়সা ইনকাম করতে পারবেন। সো ভাইয়া যে বিষয়টা বলল যে আমি তিনটা
26:18
Speaker A
বিষয় ভাইয়ের সাথে এড করব। একটা হচ্ছে নিউরোপ্লাস্টিসিটি আরেকটা হচ্ছে নিউরাল পাথওয়ে আরেকটা হচ্ছে রেটিকুলারঅক্টিভিটিং সিস্টেম। এইযে আমাদের ব্রেন এইযে নিউরোপ্লাস্টিসিটি। মজার বিষয় হচ্ছে কি?
26:27
Speaker A
আপনি শুনলে অবাক হবেন আপনি চাইলে আজকেই আপনার ব্রেনকে পরিবর্তন করতে পারেন শুধু নিজেকে পজেটিভ অটো সাজেশন দেওয়ার মাধ্যমে যে আপনি নিজেকে বলবেন যে আমি ধনী হচ্ছি আমি ধনী হচ্ছি আমি সফল হচ্ছি আমি সফল হচ্ছি দেন আপনার সামনে বড় বড় সুযোগগুলো
26:39
Speaker A
আসবে আপনার রেটিকুলার এক্টিভেটিং সিস্টেম কাজ করবে সাপোজ আপনি আরওফ পছন্দ করেন আপনার মনে হচ্ছে আমি একটা আরওফ কিনতে চাই টাকা পয়সা নাই বাট আপনি রাস্তায় যেখানে বের হন অন্য গাড়ির থেকে আরওফটা আপনার চোখে বেশি পড়বে কারণ আপনার একটিভ হয়ে
26:52
Speaker A
গেছে আর আমাদের বাংলাদেশের যে প্রেক্ষাপট ভাইয়া যে বিষয়টা বলল যে আমাদের ছোটবেলা থেকে শেখানো হইছে অর্থ অনর্থের মূল। আরে অর্থ অনর্থের মূল হইলে আপনার জন্মের আগের দিন থেকে অর্থ লেগেছে। আপনি মরা যাওয়ার পরেও অর্থ লাগবে। আমাদের দেশে তো মরার
27:03
Speaker A
পরেও খানাদানা 40 দিন তিন দিন হ্যাঁ কত রকমের চল্লিসা করতে হবে। অমুক দাওয়াত দিতে হবে। ফকির খাওয়াইতে হবে। আপনি মরার পরে আপনার পিছনে টাকা খরচ হবে। আপনার বাবা যেদিন জানতে পারছে যে আপনি আপনার মায়ের পেটে আসছেন সেদিন থেকে ডাক্তার দেখাও। এই
27:16
Speaker A
ট্রিটমেন্ট ওই ট্রিটমেন্ট এই মেডিসিন ওই রিপোর্ট সেই রিপোর্ট কত কিছু পৃথিবীতে যেদিন আসছেন নরমালি আপনি যদি পৃথিবীতে এসে থাকেন বর্তমানে 10 থেকে 15 হাজার টাকা খরচ হয় আর যদি আল্লাহ না করুক আপনাকে যদি কেটে বের করতে হয় তাহলে তো 50 থেকে 60
27:31
Speaker A
হাজার টাকা ভালো জায়গায় গেলে এক লাখদ লাখ টাকা খরচ হবে আপনি পৃথিবীতে আসতেই টাকা খরচ হয়েছে আর আমাদের বাংলা ছবিতে কি শিখায় ধনীরা সব ভিলেন এইযে মিশা কি করেও কি করতেছে দুর্নীতি করতেছে চোরা কারবারি স্মাগলিং সারাজীবন শিখাতে আর সৎ কে এইযে
27:46
Speaker A
আমাদের জসিম জসিম সাহেব সে লটারি পেয়ে ধনী হয় সে অনেক পরিশ্রম করছে আবার ডায়লগ কি চৌধুরী সাহেব আমার প্রেম টাকা দিয়ে কেনা যাবে না আপনার প্রেম টাকা দিয়ে কেনা যাবে না আপনি প্রেম কিনে করবেনটা কি আমি একেবারে যে
28:03
Speaker A
টাকার মানে পক্ষে বলতেছি বা বিপক্ষে বলতেছি এরকম না টাকা হচ্ছে আপনার জীবনে চলার জন্য অপরিহার্য একটা জিনিস আমি বলি যে একটা মানুষের একটা পুরুষ তখনই পুরুষ হয়ে উঠে তার কাছে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকে পুরুষের একমাত্র মেকাপ হচ্ছে
28:14
Speaker A
টাকা আপনি দেখতে কত সুন্দর কিচ্ছু যায় আসে না। আপনার একাউন্টে টাকা নেই। আপনি সেই যাকে পছন্দ করেন বিয়ে করতে পারবেন না। ওর বাবা বলবে তোমার কি যোগ্যতা আছে। সো নিজেকে বদলান জীবন পরিবর্তন হয়ে যাবে। সো আমরা আবার ফিরবো শাহিদ ভাইয়ের কাছে। শাহিদ
28:26
Speaker A
ভাইকে আমি আরো কিছু প্রশ্ন করতে চাই। শাহিদ ভাই যে একটা আপনি তো ভাই সফটওয়ার নিয়ে কাজ করছে। এটাতো অনেক বোরিং। বাংলাদেশের মানুষ তো এত ধৈর্যশীল না। কিভাবে আপনি একটাই সফটওয়ার করে ফেললেন?
28:37
Speaker A
মানে কি মোটিভ ছিল আপনার? আমার প্যাশনই ছিল ওইটা। আমি কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করছি বেগমুখিয়া ইউনিভার্সিটি রংপুর থেকে। আমি ধরেন ওই পড়াশোনা করার ফাঁকে ফাঁকেই আমি কাজ করতাম। ফ্রিল্যান্সিং করতাম, বিজনেস করতাম অনলাইন ভিত্তিক। তো এগুলা করতে করতে আমার ওই ছোট
28:59
Speaker A
ছোট কাজ বোরিং লাগে। যে একই কাজ রিপিটিটিভ কাজ বারবার করতেছি। সো ওই কাজগুলা আমার মাথায় আসে যে এটা কিভাবে অটোমেশন করা যায়। আচ্ছা। এই অটোমেশনের চিন্তা আসতে আসতে আমি যে লেখালেখি করতাম এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগিং এই জিনিসগুলার একদম পুরা কমপ্লিট
29:18
Speaker A
সলিুশন বানিয়ে ফেলি যেটা এক ক্লিকেই 1000 আর্টিকেল লিখে দিতে পারে মানুষের ওয়েবসাইটে ব্লগ আর্টিকেল অটোমেটিক পাবলিশ হবে এস অপটিমাইজড হবে সেখানে ইমেজ ভিডিও অটোমেটিক্যালি যোগ হবে এই ধরনের বোরিং কাজগুলাকে আমি একদম একটা ছাতার তলে একট টাইমে নিয়ে আসি
29:36
Speaker A
ওইখান থেকে আমার আসলে এই সফটওয়ার বিজনেসের জারনি এটা শুরু হয়ে যায় মানে একদম প্ল্যান করে না এটা করতে করতে এবং আমি মনে করি ওই বিজনেসটাই ভালো বেশিদিন টেকে যেটা একদম ভিতর থেকে আসে এবং ওই জিনিসটা আসলে আপনি মানে ভালো লাগা থেকে করতেছেন
29:55
Speaker A
বলতে আপনি কি বাংলাদেশের মানুষের তো আমি দেখি যে অনেক মানুষ প্যাশনই বোঝে না যে তার কোন প্যাশন আছে কিনা আমাকে প্রশ্ন করে আমার প্যাশন কিপ বলেন আপনার ভিতর থেকে যে আপনি যেমন আমি এইযে মানুষকে শেখাচ্ছি মানুষকে কথা বলতেছি নিজে
30:09
Speaker A
বিজনেস করতেছি মানে যাই হয়ে যাক দুনিয়াতে আমি নিজে বিজনেস করবই এটা আমার বিজনেস একটা প্যাশন তারপর কোন একটা বিজনেস করতে হইলে আপনাকেও কয়েকটা জিনিস দেখতে হবে যে আপনার ওই জিনিসটা ভালো লাগে কিনা নাম্বার ওয়ান তারপর আপনি ওই জিনিসটা করে মজা পান
30:28
Speaker A
কিনা অনেক লম্বা সময় ধরে কাজটা করবেন তারপরে হচ্ছে আপনার মানুষের ওই জিনিসটার চাহিদা আছে কিনা আপনার খুব ভালো লাগে কিন্তু মানুষের ওই জিনিসটা ভালো লাগতেছে না। তারপরে মানুষের ভালো লাগে এটাও ঠিক আছে। আপনারও ভালো লাগে এইটাও ঠিক আছে।
30:45
Speaker A
তারপর আপনাকে আবার আরেকটা জিনিস চিন্তা করতে হবে যে মানুষ কি আপনার ওই প্রোডাক্টের জন্য বা ওই সার্ভিসের জন্য টাকা পে করবে? এই তিন নাম্বারটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সংক্ষেপে বলি। তিনটা তিনটা পয়েন্ট। যে আপনার নিজের ভালো লাগতে হবে। আপনার
31:01
Speaker A
কাস্টমারের ভালো লাগতে হবে। টাকা এবং তারা উইল দে পে ফর ইট। তারা কি এটার জন্য পে করবে? এই তিনটা জিনিস আপনি ম্যাচ করবেন তাহলে দেখবেন আপনি যে ক্যারিয়ার বা যে কোন কাজ করতেছেন ওই কাজটা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে আপনি সফলতার চান্স অনেক বেশি
31:17
Speaker A
পাবেন আচ্ছা দারুন একটা কথা বলছেন দেখেন মার্কেটিং এর মূল উদ্দেশ্যটা কি চাহিদা তৈরি করা আপনি সবার আগে মার্কেটিং কার করতে হয় মানুষ মনে করে প্রোডাক্ট বিক্রি হয় আমি বলি প্রোডাক্ট বিক্রি হয় না আপনি বিক্রি হন এইযে আমাদের এখানে যেশাহিদ ভাই
31:31
Speaker A
আছেশাহিদ ভাই তো অনেকগুলো বিজনেস করলেন আপনার মতে মার্কেটিং কি আমার মতে মার্কেটিং দা বিজনেস। মানুষ মনে করে মার্কেটিং একটা ডিপার্টমেন্টের মানে একটা ডিপার্টমেন্ট বা একটা বিজনেসের একটা অংশ। কিন্তু আমি বলি মার্কেটিং ইজ দা বিজনেস। আপনার আপনার বিজনেসটাই মার্কেটিং।
31:49
Speaker A
কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার বাংলাদেশের মানে ম্যাক্সিমাম উদ্যোক্তারই এডভান্স লেভেল মার্কেটিং মানে নলেজ নাই। সো আমি নিজে পার্সোনালি শত শত ফাউন্ডারদের সাথে মিশছি। তাদের অফিস ভিজিট করছি। তাদের সাথে এমনও কমিউনিটি আছে যেখানে 1000 উদ্যোক্তার সাথে আমি চলাফেরা করি। আমি অনেক উদ্যোক্তাকে দেখেছি দেখেছি। তাদের
32:14
Speaker A
নিজেদের মার্কেটিং মানে ডিপার্টমেন্টই নাই বা মার্কেটিং নিয়ে কোন চিন্তাভাবনাই নাই। মার্কেটিং বললে লস। অথচ আপনার এইচআর ডিপার্টমেন্ট, আপনার ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট, আপনার প্রোডাক্ট ডিপার্টমেন্ট, প্রোডাকশন ডিপার্টমেন্ট সবাই কিন্তু আশা করে আছে যে আমরা চলবো। এইযেই এই বিজনেসটাতে দেখেন কতগুলো প্রোডাক্ট আছে। এই প্রোডাক্টগুলা সবাই
32:34
Speaker A
কিন্তু আশা করে আছে যে আমি যদি নষ্ট হই বা রিপেয়ার করা লাগে বা কোন একটা নতুন প্রোডাক্ট এখানে কেনা লাগে তাহলে আমার কি লাগবে এই বিজনেস থেকে টাকা লাগবে তাহলে টাকাটা কই থেকে আসবে সেল কোন কিছু প্রোডাক্ট সেল হলে তারপর টাকাটা আসবে
32:48
Speaker A
তাহলে প্রোডাক্টটা সেল হবে কি দিয়ে মার্কেটিং দিয়ে সো মার্কেটিং ইজ দা রুট মার্কেটিং ইজ দা বিজনেস আনফরচুনেটলি ম্যাক্সিমাম উদ্যোক্তার এই জায়গাটাতে মানে ফোকাস নাই বুঝতেই পারে যেটা আমি দেখলাম যে আমি তো মার্কেটিং নিয়ে অনেকদিন ধরে কাজ করছি। মার্কেটিং বলতেই তারা মনে করে যে শুধু এড
33:08
Speaker A
রান করা। Facebook এ বুস্ট করা। দেখেন মার্কেটিং হচ্ছে মানি মেকিং গেম। সো আপনি ওয়ার্ল্ডের যত বড় বড় বিজনেস দেখবেন আমরা যাদেরকে উদাহরণ দেই। যেমন আপনি যে ফোনটা ব্যবহার করছেন appল এর তাই না? বা আমি যে ফোন ব্যবহার করছি appল এর তাদের
33:20
Speaker A
appল এর মকবক appল এর অনেকগুলো প্রোডাক্ট আমরা ব্যবহার করি। কেন? কারণ appল মার্কেটিং এ বিশ্বসেরা। তারা এমনভাবে মার্কেটিং করছে দে আর দা বেস্ট। তাদের উপরে আর কেউ নাই। স আপনার কাছে অন্য কোন ফোন নিলে মনে হয় যে আপনি দুই নাম্বারটা
33:31
Speaker A
কিনতেছেন বা নিচেরটা কিনতেছেন আরেকটা সেরা আছে আপনি রোলস রয়েস এর কথা চিন্তা করেন ওকে রোলস কিন্তু সব থেকে দামি গাড়ি না কিন্তু মানুষ কিভাবে যে এটাই সব থেকে ভালো বেস্ট appল কিন্তু সবথেকে মানে বেস্ট কোয়ালিটির মোবাইল দেয় না কিন্তু মানুষ
33:44
Speaker A
কিভাবে এই যে মানুষের মনে আপনার যে ভাবনাটা তৈরি করে এটা কে করে মার্কেটিং আমরা এই যে মানুষের মনে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো ভাবনা দিতে পারছেন না তাদের হৃদয়ে আপনার ব্র্যান্ডের পতাকা পুতে দিতে পারছেন না ততক্ষণ পর্যন্ত
33:57
Speaker A
তো আসলে আপনার অস্তিত্বই নেই যেকোনো সময় আপনি মারা যেতে পারেন। মার্কেটিং হচ্ছে আপনাকে মরতে দিবে না। মার্কেটিং আপনাকে ফ্লাওয়ারিশ করবে। আর সেলস যেটা করবে আপনাকে টাকা দিবে। বাট যদি ঠিকমত কাস্টমারের হৃদয়ে জায়গা না পান তাহলে আপনাকে আউট করে দিবে মার্কেট থেকে।
34:13
Speaker A
এইযে মার্কেটিং বলতে এইযে আপনি একটা কথা বললেন যে অড চালানো মানেই মানুষ মনে করে মার্কেটিং করতেছি বা বুস্টিং করতেছি মানেই মার্কেটিং করতেছি। এবং যারা মার্কেটিং শেখে তারাও মনে করে যে এই যে এড চালানো শিখলাম মার্কেটিং আমার মার্কেট আমি একজন
34:30
Speaker A
মার্কেটার হয়ে গেলাম। আচ্ছা একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই। যেমন একটা বই বইটার নাম হচ্ছে অস্ট্রোলজিক্যাল লাভ। সো এই বইটা লিখেছিলেন নূরা নামের একজন ভদ্র মহিলা। তো উনি এই বইটা লেখার পরে 3000 কপি সেল হয় না। একটাও সেল হয় না।
34:46
Speaker A
3000 কপি প্রিন্ট করছে আনসোলড। কিন্তু ওই বইটার নাম যখন জাস্ট একটু পরিবর্তন করে দিল একজনের চোখে পড়লো বইটা পুরাটাই উনি পড়ছে পড়ার পর বলতেছে মাই গড একদম এই বইয়ের মধ্যে স্বর্ণ হীরা রত্ন সব আছে কিন্তু এর আসলে নামটা ঠিক নাই উনি নামটা চেঞ্জ করে দিল কি
35:09
Speaker A
হাউ টু স্যাটিসফাই ওম্যান এভরিটাইম এইটা দেওয়ার কারণে এই বইটা একদম মানে নিউইয়র্ক টাইম বেসড সেলার হয়ে গেলদ লক্ষ এ পর্যন্ত 2 লক্ষ 60000 কপি সেল হইছে। রিসেন্টলি আমি গতকালকেই চেক করে দেখছি Google পাবলিশার বুকে। সো চিন্তা করে দেখেন এইখানে ব্যাপারটা কোথায় আপনি বলেন
35:31
Speaker A
তো এইখানে কি ব্যাপারটা অড চালানোতে যে উনি যদি আরো বেশি করে চিন্তা করতো যে আমি দেখি একটা পিক্সেল সেটাপ করি আরো একটু রিটার্গেটিং করি আরো একটু অডিয়েন্স চেক করি ডলার বাড়ায়া দেই। কাজটা হইতো কি?
35:47
Speaker A
কিন্তু মানুষ এগুলা বুঝতে চাচ্ছে না বা যারা আর কি অনেক মানে মার্কেটিং এর অনেক ইনডেপতে যাচ্ছে তারা বুঝতেছে যে আসলে মানুষের ভিতরের হিডেন চাহিদা যেমন আটটা হিডেন চাহিদা আছে মানুষ দুনিয়া থেকে মরতে চায় না সারভাইভ করতে চায় বেঁচে থাকতে
36:03
Speaker A
চায় এখন এই বেঁচে থাকা রিলেটেড যে জিনিসগুলো আছে দেখেন তো ওগুলো কি রকম করে চলতেছে এই সিজার দেখেন একদম একটা সভ্যতা হয়ে গেছে সিজার করা ডাক্তার মানুষ মরতে চায় না যে যদি সিজার করতে গিয়ে নরমাল ডেলিভারিতে মারা যাই তাহলে কি অবস্থা
36:18
Speaker A
হইবে? দেখেন এটা বিগ ইন্ডাস্ট্রি। একজন রিক্সাওলার সাথে মানুষ 1015 টাকা নিয়ে দরদাম করা শুরু করে দেয়। বাড়াবাড়ি দর কষাকশি শুরু করে। কিন্তু সবজির দোকানে। কিন্তু তার যদি একটা হার্টের প্রবলেম হয় রিং বসাইতে উনি কিন্তু পা লাখ টাকা দিতেও
36:33
Speaker A
দ্বিধাবোধ করবে না। সো এই যে জিনিসগুলা আপনি বললাম সারভাইভাল বললাম। তারপরে যে এট্রাকশন রিলেটেড হ্যা সেক্সুয়াল রিলেটেড প্রোডাক্ট এট্রাকশন রিলেটেড এই জিনিসগুলা মানুষ এই যে ড্রেস আমি অনেক সুন্দর করে পড়ছি এখন আমি বলব যে না আমার ভালো লাগে
36:49
Speaker A
জন্য পড়ছি নো মানুষ আমাকে দেখে গুডফিল করবে ইমপ্রেসড হবে আমার পূর্তি এইজন্য আমি কিন্তু এরকম করে সাজছি আপনি এরকম করে সাজছেন ইভন পৃথিবীতে যে যত আছে এই যে মেকআপ ইন্ডাস্ট্রি হ্যা কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রি কোটি ডলার তো এই যে এগুলা কিভাবে চলতেছে তো আপনাকে
37:09
Speaker A
আসলে জানতে হবে মানুষের হিডেন চাহিদাগুলা কি কি মানুষের ফিয়ার নিউরো মার্কেটিং মানে ওান পারসন উদ্যোক্তাও জানে না বাট এইটাই মার্কেটিং এর প্রাণ একটা মানুষের ব্রেইন কিভাবে ডিসিশন নেয় সে ফিয়ার থেকে ডিসিশন নেয় মানে কোন একটা ভয় লাগতেছে যে
37:28
Speaker A
ওই যে সিজারের উদাহরণটা দিলাম যে ডাক্তার বলল যে ও আচ্ছা আপনার তো পানি শুখা গেছে এখন সিজার করা লাগবে এইযে একটা ভয় ঢুকায় দিল ওকে আর কোন চিন্তাভাবনা নাই আপনি দেন কেন আমি আপনি কি সিজার ছাড়া হই নাই?
37:41
Speaker A
অবশ্যই ডেফিনেটলি হইছি। এইযে সামনে ভাই বসে আছে সবাই আমরা নরমালি হইছি। কিন্তু এখন দেখেন এই যে এই মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রি গুলা এত পরিমাণ মানে জিনিসপত্র এই যে ঔষধ আমি তো ঔষধ খাই না। তো এগুলা কেন আসলো? এই যে জিনিসগুলা আপনি দেখেন তো বিলিয়ন ডলারের
38:02
Speaker A
ইন্ডাস্ট্রি এগুলা যেগুলা চলতেছে ভয় দিয়ে চলতেছে। তো আপনি যখন কোন প্রোডাক্ট রিসার্চ করবেন ধরেন চায়না থেকে অনেকেই আউলফল প্রোডাক্ট নিয়ে আসে মানে 90 থেকে 92% বিজনেস প্রথম এক দুই বছরের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায়। তারা জানে না মার্কেটে চাহিদা
38:21
Speaker A
কি? মানুষের ভিতরের হিডেন চাহিদাগুলা কি? একটা প্রোডাক্ট মানুষ কেন কিনবে? যেমন রিসেন্টলি আমরা একটা প্রোডাক্ট বিক্রি করলাম। মানে মোটামুটি 5000 এর কপি বেশি কপি সেল হয়ে গেছে। আমরা জানতেছি যে মানুষের এমন একটা ওটা ভয় মানে ওই ভয়ের কারণে সে প্রোডাক্টটা দেখা মাত্রই কিনবে।
38:39
Speaker A
যে ভাই দেখেন আপনি আপনার পানি দিয়া পড়তেছে। আপনার ফিল্টারের ঠিকভাবে না থাকার কারণে আপনি বিষ খাচ্ছেন। এই যে সুন্দর করে জিনিসটা নিয়ে তাকে দেখাইলেন যে ভাই দেখেন কতগুলা ময়লা জমে আছে। এযে নাকের ভিতরে রাস্তায় চলতে ফিরতে কতগুলা ময়লা ঢুকতেছে। আপনি
38:58
Speaker A
জিনিসগুলো ভালো করে দেখান। যে আপনার এই যে হার্ট চলে যাচ্ছে, আপনার কিডনি চলে যাচ্ছে, আপনার ফুসফুস চলে যাচ্ছে। আমাদের তো সমস্যা এটা বুঝেন মার্কেটিং। আমরা কি করতে চাই? ডাইরেক্ট সেলস করতে চাই। অফার অফার অফার আজকেই শেষ। এই যে
39:10
Speaker A
সস্তা এই যে বস্তা ভরে নিয়ে যান আমি বলি যে ভাই সস্তা প্রোডাক্ট যদি আপনি বানান আপনার গরিবদের কাছে বিক্রি করতে হবে। আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কি আগে ঠিক করেন যে আপনি কার কাছে বিক্রি করবেন। বাট সস্তা করে আপনি বড় কিছু করতে পারবেন না। সস্তা
39:22
Speaker A
করে আপনি মার্কেটে টিকে থাকতে পারবেন না। আজকে যে সস্তা প্রোডাক্টটা কিনছে সে কিন্তু আফসোস করবে যে আজ টাকা ছিল না বিধায় এটা কিনতে হলো। কেউ সস্তা পছন্দ করে না। কেন? কারণ আমাদের ব্রেন কি সস্তা?
39:31
Speaker A
না। পৃথিবীর সব থেকে দামি জিনিস কি? হিউম্যান ব্রেন। আর বাংলাদেশের ব্রেন হচ্ছে সব থেকে সস্তা বাংলাদেশীদের। বাংলাদেশে আপনি ফ্রিতেও ব্রেন পাবেন। 10 টাকাও ব্রেন পাবেন। দেখবেন যে আপনি 10 টাকা দিছেন আপনাকে একটা কাজ করে দিচ্ছে। আবার 1000 দিয়ে পাবেন। এক কোটি দিয়ে পাবেন। যেমন আরো
39:45
Speaker A
কোটি কোটি হিউজ। এই দেশে কোটি টাকাও মানুষ বিক্রি হয়। অল্প টাকাও মানুষ বিক্রি হয়। আমি বলি নিজেকে বদলান। নিজের দাম বাড়ান। আমি বলি যে শুধুমাত্র প্রোডাক্টের মার্কেটিং না। আগে নিজের মার্কেটিং করেন। মানুষ বিক্রি হয়। কে বিক্রি হয়? আমাকে
40:01
Speaker A
মানুষ কিনবে? প্রোডাক্ট মানুষ কিনবে না চায়না প্রোডাক্ট মানুষ কেনে ভাবে যে চায়না ঠিক আছে চায়না আগে বিক্রি করছে নিজেকে চায়নার কিন্তু প্রোডাক্ট বিক্রি হয় না চায়না বিক্রি হয় চায়না যেহেতু মানুষের কাছে বিক্রি হয়েছে যে না চায়নার অনেক পরিশ্রমী অনেক ভালো জিনিস বানায় মানুষ এখন
40:13
Speaker A
একটা বিশ্বাস করেছে যে না চায়না প্রোডাক্ট ভালো এইজন্য চায়না প্রোডাক্ট বিক্রি হয় ফেস লাগে নাবা আপনি যদি নিজের কোন প্রোডাক্ট বিক্রি হতে চান তাহলে আপনাকে আগে বিক্রি করতে হবে মানুষের ট্রাস্ট গেইন করতে হবে বিজনেস অল এবাউট ট্রাস্ট মার্কেটিং হচ্ছে ওই ট্রাস্টটা গেইন করতে
40:26
Speaker A
হেল্প করে কারণ দেখেন আমি একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই আপনি আমাকে বিশ্বাস করেন আমি যদি পানি দি খাবে আলা ভাইকে বিশ্বাস করেন উনি যদি পানি দেয় আপনি খাবেন কিন্তু উনি বিষ মিশায়ে দিলে খাবেন কিনা আপনি তো জানেন না অবশ্যই খাবেন আপনি জানেন না কারণ তাকে
40:41
Speaker A
বিশ্বাস করেন সেই পানির মধ্যে যদি বিষ দেয় আমি বলি বিশ্বাসে মানুষ বিষ খেতে পারে অবিশ্বাসে পানি খেতে পারে না মার্কেটিং এর কাজ হচ্ছে বিশ্বাসটাকে স্থাপন করা কাস্টমার এবং আপনার সাথে যে মানির যে ট্রানজেকশন হবে ডেফিনেটলি আমরা ওই মার্কেটিং মানে ফিয়ার মার্কেটিং মানেই
40:57
Speaker A
ট্রাস্ট ঠিক আছে কিন্তু আমরা প্রোডাক্টটা তাকে ডেফিনেটলি একটা ভালো জিনিস দিব অবশ্যই অনেস্টি আমরা অনেস্টি অনলি পলিসি এবং অফারের ব্যাপারেও বললাম তো এমন একটা অফার আপনি আপনার বিজনেসের জন্য তৈরি করেন যেটা আপনার কাস্টমার যদি না নেয় তাহলে সে যেন নিজেকে বোকা মনে করে
41:18
Speaker A
এই লেভেলের ইরেসিস্টেবল অফার তৈরি করেন আপনি মানি মেক করতে পারবেন এবং মানি লিগালি প্রিন্ট করার এটা একটা মেশিন সেটা হচ্ছে আপনার ইরেসিস্টেবল অফার তৈরি করা যেটা মার্কেটিং একটা অংশ মার্কেটিং ছাড়া তো আপনি অফার তৈরি করতে পারবেন না। আমরা
41:34
Speaker A
অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কথা বললাম যে আমরা কথা বললাম যে আপনার যে স্ট্রাগল এখন আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
41:41
Speaker A
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিজনেস আমার বেশ কয়েকটা মানে প্রায় 25 টা সফটওয়ারই আছে পাইপলাইনে। আচ্ছা তার মধ্যে দুইটা আলহামদুলিল্লাহ অলরেডি তৈরি হয়ে গেছে উদ্যোক্তাদের জন্য মানে অতিব প্রয়োজন এআই থেকে শুরু করে তাদের প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে ইচ এন্ড এভরিথিং
42:04
Speaker A
সকল 360 ডিগ্রি সলিউশন দেয়ার জন্য আমরা কাজ করতেছি। সো এই এইটা আমার নেক্সট প্ল্যান যে আমরা যেন উদ্যোক্তাকে ফ্যাক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট বা তাদের যতগুলা হ্যাশেল আছে প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে কাস্টমারের সাথে কথা বলা লিডগুলাকে সুন্দরভাবে ম্যানেজ করা
42:23
Speaker A
ম্যাক্সিমাম উদ্যোগ তারাই জানে না তাদের মানে একদম মানে 20% বেস্ট কাস্টমার কারা তাদের লিড কতগুলা আসতেছে আজকে কতগুলা যাচ্ছে তাদের সেল কতটুকু হচ্ছে তারপর কোন 20% কাস্টমার তাদের 80% সেল জেনারেট করতেছে। এই জিনিসগুলা অনেকেই ডেটাগুলা রাখে না। সো আমাদের সফটওয়ারের মাধ্যমে
42:44
Speaker A
ইনশাআল্লাহ তারা মানে সমস্ত কিছু একদম নখদর্পণে যেন ম্যানেজ করতে পারে এই নেক্সট প্ল্যান আমি এটা নিয়ে কাজ করতেছি। আচ্ছা আরেকটা বিষয় ভাইয়া যেটা হচ্ছে যে আপনি যদি পরামর্শ দিতে চান যে এমন তিনটা পরামর্শ দিবেন কারণ আমি বলেছি আজকের
43:01
Speaker A
পডকাস্ট হচ্ছে নিজেকে বদলান। এক তিনটা পরামর্শ দিবেন যাতে করে একটা মানুষের জীবন বদলে যায়। আমি তো অনেক পরামর্শ দিই। আজকে আপনার থেকে আমরা তিনটা পরামর্শ চাই। যেটা একটা মানুষের জীবন পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট। জি। আমি নাম্বার ওয়ান বলব আপনার সময়টাকে
43:17
Speaker A
খুব ভালোভাবে মনেটাইজ করতে হবে। আপনি যদি টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে না পারেন আপনি জীবনেও টাকা মেক করতে পারবেন না এবং আপনার লাইফে কতটুকু সময় আছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না ওই সময়ের মধ্যে কতটুকু এনার্জি আছে এটা মারাত্মক লেভেলের গুরুত্বপূর্ণ সময় তো সবার আছে মেডিকেলের বেডে একজন পড়ে আছে
43:43
Speaker A
তারও কিন্তু 24 ঘন্টা আপনারও 24 ঘন্টা মেডিকেলে পড়ে থাকা ওই মানুষটার লাইফের কিন্তু সময়ের দাম নাই মূল্য নাই সো আপনার লাইফের সময়েও যদি আপনি সারাদিন tিকটক দেখেন ফেসবুক দেখেন রিলস দেখেন আপনারও লাইফে 24 ঘন্টা সময় আমারও লাইফে 24 ঘন্টা সময় বিল গেটসের লাইফেও 24 ঘন্টা
44:01
Speaker A
সময় মার্জ জাকার বার্গিলন মাস্ক সবারই 24 ঘন্টা সময় কিন্তু আপনার সময়টা কোন জায়গায় যাচ্ছে এই জিনিসটা আপনাকে দেখতে হবে আপনার এটেনশন এই যুগে সবচাইতে নাম্বার ওয়ান দামি সম্পদ হচ্ছে এটেনশন সেই দামি সম্পদটা যদি আপনিফেসবু কে দিয়ে দেন ফেসবু
44:18
Speaker A
ধনী হয়ে যাবে কারণ আপনার দামি জিনিসটা সে নিয়ে যাচ্ছে। আপনার দামি সম্পদটা আপনি YouTube কে দিলেই ধনী হয়ে যাবে। আপনার এই এটেনশন বা ফোকাস এই দামি সম্পদটা যদি আপনি নিজেকে দেন তাহলে আপনি নিজে ধনী হয়ে যাবেন। অবশ্যই নাম্বার টু আমি বলব যে আপনার অভ্যাসগুলাকে
44:35
Speaker A
আপনি অবজার্ভ করেন। কারণ আপনি হচ্ছেন আপনার অভ্যাস। যেকোন একজন মানুষ তার অভ্যাসের সমষ্টি। সো আপনি প্রত্যেকদিন কি করতেছেন না করতেছেন এই যে 24 ঘন্টার একটা রুটিন বানায় ফেলতে পারেন। অনেককে আবার আমি রুটিন বানায়া ফেলতে বললে তারা এমন টাইট ফিটিং রুটিন বানায় যেটা সে আর মানতে
44:57
Speaker A
পারে না। সো যখন আপনি রুটিনটা বানান তখন তো আপনি কনশাসলি বানান যে না আমি এটা এখানে এটা করব ওইখানে ওইটা করব। এইটা কিন্তু মানতে গিয়ে দেখে আর মানতে পারে না। একটা ঢিলে ঢালা হলেও একটা রুটিন বানান এবং আপনি কি কাজ করতেছেন এটা ট্র্যাক করেন।
45:15
Speaker A
ট্র্যাক না করলে আপনি কখনোই ইমপ্রুভ করতে পারবেন না। একটা বললাম আপনার সময় ম্যানেজ করেন। একটা বললাম এনার্জি ম্যানেজ করেন। আপনার আর নাম্বার থ্রি বলবো। নাম্বার থ্রিতে চারটা জিনিস আমি ঢুকায় দিচ্ছি। ঠিক আছে? বলেন আপনি ফিজিক্যালি খুব ভালোভাবে ফিট থাকতে
45:34
Speaker A
হবে আপনাকে খাবার দাবার ঘুম আপনার স্বাস্থ্যটা এইটা যদি ভালো না থাকে এই যে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা ক্লাস নেই ঘন্টার পর ঘন্টা বিজনেসের সময় দেই ঘন্টার পর ঘন্টা ডেভেলপারের সাথে মিটিং করি এই কাজগুলো করতে পারে আমি মনে করি আমি এনার্জেটিক
45:48
Speaker A
দ্যাটস হোয়াই সো উদ্যোক্তাকে হইতে হবে প্রোডাক্টিভ এমনও উদ্যোক্তা আছে যারা সারাটা দিন নিজে যে কাজগুলা করে ওই কাজগুলা যদি তার একজন এমপ্লয় করত তাকে ফায়ার করে দিত। অথচ নিজে ওই কাজগুলোই করতেছে। এই এনার্জি ম্যানেজমেন্ট করেন। নিজের শরীরটাকে ম্যানেজ করেন। দুই নাম্বারই আপনি
46:10
Speaker A
দুই নাম্বার হচ্ছে আপনার ব্রেইন বা মেন্টাল যে হেলথ এই মেন্টাল হেলথের কেয়ার নেন। আমরা সারাদিন খাওয়ার জন্য খুবই ব্যতিব্যস্ত। তিনবেলা আমাদেরকে খাইতে হয়। কিন্তু আপনার ব্রেইন খাবার খায় 12,000 থেকে 600 বেলা। সেই 12000 থেকে 60000 বেলা যে খাবার খাচ্ছে মানে এতগুলা চিন্তা করে
46:29
Speaker A
ব্রেন সারাদিনে এই চিন্তাগুলার মধ্যে মারাত্মক ধরনের একটা রিসার্চ আছে যে 80% চিন্তায় নেগেটিভ চিন্তা 95% চিন্তাই হচ্ছে রিপিটিটিভ চিন্তা এইজন্য এত পরিমাণ সারাদিন আবার ফেসবুকে মানুষ সারাক্ষণ সময় কাটায় ফেসবু এর মধ্যে ওখানে দেয়াল থাকে কি হরস অন ইওর
46:49
Speaker A
মাইন্ড তো আপনার মনে যা আছে তাই আপনি লিখে দিচ্ছেন সারা বাংলাদেশের মানুষ তাদের মনে মনে যা আছে তা লিখে দিচ্ছে। তো ওই মানুষটার মনের ভিতরে তো চলে। 80% চিন্তায় নেগেটিভ চিন্তা। এ টেফলন ইফেক্ট আর ভেলক ইফেক্টের যে ভ্যালক ইফেক্টটা আছে ওই
47:05
Speaker A
নেগেটিভ চিন্তাটা তার মনের ভিতরে চলে। তো ওই যে এতগুলা মানুষের আবর্জনা আপনি ফেসবুক চালাচ্ছেন মানে কি? ও আবর্জনগুলো আপনি খাচ্ছেন মুখ দিয়ে খেয়ে পেটে না ঢুকাইলেও আপনি ব্রেইন দিয়ে খাচ্ছেন। আপনি সারাক্ষণ চিন্তা করেন। এখন আপনি যদি ভালো চিন্তা না
47:22
Speaker A
করেন ডেফিনেটলি আপনি খারাপ চিন্তা করবেন। এটা কগনিটিভ ডিফিউশন নামক একটা রিসার্চ আছে। এইটা হচ্ছে আপনি যা চিন্তা করতেছেন এই চিন্তাগুলোকে আপনার অবজার্ভ করতে পারতে হবে। আপনি যদি নিজের চিন্তাগুলোকে অবজার্ভ করতে পারেন তাহলে আপনার ডিপ্রেশন থাকা কমে যাবে। আপনার হ্যাপি থাকা বেড়ে যাবে। আপনি
47:41
Speaker A
সম্পদশালী হবেন, সুখী হবেন, অনেক কিছু হবে। কিন্তু আমরা সাধারণত মনে করি আমার যে চিন্তাভাবনাগুলা ওইটাই আমি। কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা। আপনার চিন্তাভাবনাগুলা আপনি না। আপনি যখন বলেন যে আমার হাত আপনি কি আপনার হাতটা আপনি বলবেন যে আমি মৃতু? আমার হাতটা
48:00
Speaker A
মৃতু। আমার গাড়ি। গাড়িটা কি আপনার মৃতু? ডেফিনেটলি না। আমার বাড়ি যখন আমি বলতেছি বাড়িটা তো আমি শাহিদ না। সো আমি বলতেছি আমার ব্রেইন। তা আমার ব্রেইন তো আমি না। তার মানে আমার মন এই কথাটা আপনি কতবার বলছেন বলেন তো? আমার মন আমার মন ভালো নাই।
48:16
Speaker A
এরকম গান শুনছেন না? আজকে আমার মন ভালো নাই। তাহলে আমার মন যখন আপনি বলতেছেন তাহলে কিভাবে আপনার মনটাই আপনি হন। এইখানেই লাগে যত খটকা। যত রিলেশনশিপ নিয়ে আপনি ক্লাস করান। তো অনেক যে সংসার ভেঙ্গে যাচ্ছে এইযে পুর এই যে
48:36
Speaker A
আমার সো এই যে সবকিছুর মূলে গোড়ায় এত অশান্তি এত মানসিক টেনশন ফ্যামিলিতে দুশ্চিন্তা এই যে কোন একটা সফল মানুষের কোন একটা কথা শুনলেন যে একটা নেগেটিভ কমেন্ট লিখে দেন এগুললা আপনি করেন না ভাই আপনার মন আপনাকে দিয়ে এগুলা করায় আপনি যদি
48:53
Speaker A
আপনার মনটাকে কন্ট্রোল করতে পারেন যে ওকে আমি আর আমার মন আলাদা এটা কোরআন শরীফের দুইটা আয়াত দিয়ে আপনাকে আমি সুন্দরভাবে ভাবে জিনিসটা বুঝায় দিতে পারবো যে আল্লাহ তাআলা সুন্দর করে বলতেছেন যে মানুষের মন তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় সেটা
49:10
Speaker A
আল্লাহ তাআলা জানে। আবার সূরা ইউসুফে আছে যে নিশ্চয়ই আমার মন নিরপরাধ নয়। তো এই যে আমার মন তহলে আপনি আর আপনার মনটা আলাদা। যখন নেগেটিভ চিন্তা আসবে, যখন হিংসা, বিদ্বেষ এই জিনিসগুলো যখন মনের ভিতরে আসবে, তখন এটাকে জাস্ট অবজার্ভ করবেন যে
49:33
Speaker A
আসলে এটা কি? সেলফ টক সম্পর্কে জানেন? সেলফ টকটা হচ্ছে এ নিজের সাথে নিজে কথা বলা। এযে আমি এখন কথা বলতেছি। আপনারাও কিন্তু একই স্পিডে বা আমার চাইতেও দ্রুত গতিতে কথা বলতেছেন। মুখ দিয়ে কথা না বললেও মনে মনে কথাগুলো বলতেছেন। সো ওই কথাগুলাকে
49:50
Speaker A
আপনার অবজার্ভ করতে পারতে হবে। এই একটা জিনিস এই একটা জিনিস আপনি যদি পারেন নিজের মন মানে আপনার আপনার ভিতরে একটা কন্ঠস্বর আপনার ইন্নার ভয়েস এটা যে কথা বলতেছে আপনার সাথে কি কথাগুলো বলতেছে এই কথাগুলোকে যদি আপনি জাস্ট চিনতে পারেন এবং
50:09
Speaker A
ডিটেক্ট করতে পারেন আপনার লাইফের 99% সমস্যা একদম ধুলার মত উড়ে যাবে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বললাম কিন্তু আপনাকে জানি জিনিসটা মানতে হবে আমি এখন যে কথাটা বললাম 10 লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র একজন মানুষ এই ব্যাপারটা সম্পর্কে জানে। আর 10,000 মানুষের মধ্যে একজন আবার মানে। আমি
50:29
Speaker A
চাচ্ছি আপনি ওই একজন হয়ে উঠেন যেন আপনি আপনার মনকে ডিটেক্ট করতে পারেন। সো ফিজিক্যালি আপনার ভালো থাকতে হবে। মেন্টালি আপনার ভালো থাকতে হবে। ইমোশনালি আপনার ভালো থাকতে হবে এবং স্পিরিচুয়ালি আপনার ভালো থাকতে হবে। আপনার ইমোশন কেমন?
50:44
Speaker A
আপনি কি অল্প কথায় রেগে যান? আপনাকে কেউ কিছু বললেই কি আপনার একদম মানে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়? সো এই ধরনের আপনি যদি অনেক বড় কিছু করতে চান লাইফে নিজেকে বদলাইতে চান রিয়েলি আপনার ফিজিক্যাল মেন্টাল ইমোশনাল এবং সর্বোপরি স্পিরিচুয়াল জার্নিতে আপনার ফিট থাকতে
51:02
Speaker A
হবে দারুণ দারুণ অসংখ্য ধন্যবাদ শাহিদ ভাইকে যে এত সুন্দর একটা সময় আমরা শাহিদ ভাইয়ের সাথে কাটালাম দেখেনশাহিদ ভাই যে কথাগুলো বলেছেন দিনশেষে আপনি আসলে কি নিয়ে যাবেন আজকে যদি নিজেকে না বদলান কালকে আফসোস করবেন কারণ আপনি আপনার হ্যাবিটের সমষ্টি আপনার অভ্যাসের দাসান
51:19
Speaker A
মানুষ আমরা বলি যে মানুষ অভ্যাসের দাস কিন্তু মানুষ চাইলে তার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে শুধু নিজেকে বদলানোর মাধ্যমে সো আজকেই ডিসিশন নেন নিজেকে বদলান সামনে এগিয়ে যান আমি মেন্টর মিতু আছি আপনাদের সাথে দেখা হচ্ছে পরবর্তী কোন পডকাস্টে নিজেকে বদলান নেক্সট সিরিজে ততক্ষণ
51:34
Speaker A
পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন লার্নিং এর সাথে থাকবেন এবং সামনে এগিয়ে যাবেন থ্যাংক ইউ
Topics:মোটিভেশনালবিজনেসসফলতাকনসিস্টেন্সিফোকাসশাহিদুজ্জামান শাহিদমেন্টর মিতুস্টার্টআপবাংলা পডকাস্টলাইফ কোচিং

Get More with the SozAI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →