টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাবেল দুরাবের অজানা তথ্য ও জীবনধারা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও।
Key Takeaways
- পাবেল দুরাব প্রযুক্তি ও টাকার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে বিশ্বাসী।
- তিনি টেলিগ্রামের স্বাধীনতা ও প্রাইভেসিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।
- ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত নিয়মিত ও স্বাস্থ্য সচেতন।
- বিলিয়ন ডলারের মালিক হলেও তিনি সম্পত্তিতে আসক্ত নন।
- টেলিগ্রামের অপারেশন ছোট ও গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালিত হয়।
What the video covers
- পাবেল দুরাবের ১০০ এর বেশি সন্তান রয়েছে এবং তার সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ করার পরিকল্পনা আছে।
- তিনি বিলিয়ন ডলারের মালিক হলেও নিজের কোনো ফ্ল্যাট বা প্রপার্টি নেই।
- পাবেল দুরাব প্রযুক্তি ও টাকার নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
- টেলিগ্রামের অপারেশন খুব ছোট একটি টিমে চলে এবং কর্মীদের পরিচয় গোপন রাখা হয়।
- তিনি ইনভেস্টরদের নিয়ন্ত্রণে যেতে চান না যাতে কোম্পানির স্বাধীনতা ও প্রাইভেসি বজায় থাকে।
- পাবেল ফোনের নোটিফিকেশন প্রায় সবসময় বন্ধ রাখেন এবং সাধারণ ফোন কলও রিসিভ করেন না।
- তার খাদ্যাভ্যাসে অ্যালকোহল, সিগারেট, চা, কফি, প্রসেসড ফুড নেই, খাদ্যে সিফুড ও ভেজিটেবলস বেশি।
- সকালে ৩০০ পুশআপ ও ৩০০ স্কোয়াডসহ কঠোর ফিটনেস রুটিন অনুসরণ করেন।
- ঠান্ডা পানি ও আইস বাথের মতো এক্সট্রিম এক্সপোজার তার রুটিনের অংশ।
- তার জীবনযাপন নিয়মিত ও স্বল্পসম্পত্তির, যা আমাদের প্রযুক্তি ও টাকার নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাবেল দুরাবের নাকি ১০০ এর বেশি সন্তান। আর অবাক করা বিষয় হলো, তিনি মারা গেলে তার বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নাকি সব সন্তানের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এ বিলিনিয়ার এমন কিছু নিয়ম মেনে চলেন যা শুনলে আপনি ভাববেন এ
Speaker A
লোকটা আসলে বিলিনিয়ার নাকি কোন সন্ন্যাসী। চলুন জেনে নেওয়া যাক তার সম্পর্কে অজানা কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস। বাবেল দূরে নিজের সন্তান রয়েছে ছয়টি। আর বাইরে স্ক্রাম ডোনেশনের মাধ্যমে তার আরো ১০০টির বেশি সন্তান রয়েছে। আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো বাবেলের দাবি
Speaker A
তার কাছে তার সব সন্তানই সমান। তার মৃত্যুর পর তার সব সম্পত্তি সব সন্তানকে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে তার উত্তরাধিকারের সংখ্যা হতে পারে বিশাল। এছাড়াও পাবেলদ্রব একজন বিলিনিয়ার হওয়ার পরও তার নিজস্ব কোন ফ্লাড বা প্রপার্টি
Speaker A
নেই। এটা তিনি তার একাধিক ইন্টারভিউতে শেয়ার করেছেন। যেখানে অনেক বিলিনিয়ার প্রাসাদ ইউট কিংবা প্রাইভেট জেট কেনেন সেখানে প্রাভেলের দর্শন একদমই আলাদা। তার মতে আপনি যত বেশি জিনিসের মালিক হবেন একসময় সেই জিনিসগুলোই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করবে। তাই তিনি মনে করেন পুরো
Speaker A
পৃথিবীটাই তার বাড়ি। আজ এই দেশে তো কাল অন্য দেশে। WhatsApp এর মত প্ল্যাটফর্মে যেখানে হাজার হাজার কর্মী কাজ করে সেখানে টেলিগ্রাম এর অপারেশন তুলনামূলক খুবই ছোট এবং তাদের বড় একটা অংশ রিমোটলি কাজ করে। আর টেলিগ্রাম এর কর্মীদের পরিচয় এবং
Speaker A
নিরাপত্তাও নিয়ে রয়েছে কঠোর গোপনীয়তা। টেলিগ্রাম চলে মাত্র ৩০ থেকে ৫০ জনের একটা টিমে। এছাড়া বিভিন্ন ইনভেস্টররা টেলিগ্রাম এর শেয়ার কেনার জন্য তাকে অর্থ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাবেলদ্রপ ইনভেস্টরদের নিয়ন্ত্রণে যেতে চাননি। কারণ তার ভয় ছিল বিনিয়োগকারীরা যদি কোম্পানির উপর প্রভাব বিস্তার করে তাহলে তারা
Speaker A
হয়তোবা বিজ্ঞাপন বাড়াবে। পেইড ফিচার চালু করা কিংবা ইউজারদের ডেটা নিয়ে ব্যবসা করার মত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে। আর টেলিগ্রাম এর ক্ষেত্রে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্স এবং প্রাইভেসিকে। আমরা যেখানে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা ফোন স্ক্রল করি সেখানে পাবেল দ্রব তার ফোনের নোটিফিকেশন প্রায়
Speaker A
সবসময় বন্ধ রাখেন। তিনি সাধারণ ফোন কলও রিসিভ করেন না। কারণ তার বিশ্বাস অন্য মানুষের নোটিফিকেশন অ্যালগরিদম আর এনলেস স্ক্রলিং আপনার মনোযোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই তিনি চেষ্টা করেন কখন কি দেখবেন কখন কি ভাববেন সেটা যেন সে নিজেই ঠিক করতে
Speaker A
পারেন। পাবেল জানিয়েছেন তিনি বহু বছর ধরে অ্যালকোহল, সিগারেট, চা, কফি, প্রসেস ফুড, ফাস্ট ফুড, রেডমিট এরিয়া চলেন। তার খাবারে থাকে সিফুড এবং ভেজিটেবলস। এবার আসি তার ফিটনেস রুটিং এ। পাবেল দুরব জানিয়েছেন তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে ফোনের সময় দেওয়ার আগে ৩০০ টি পুশআপ এবং ৩০০ টি
Speaker A
স্কোয়াড করার মত কঠিন ওয়ার্কআউট রুটিন অনুসরণ করেন। এর পাশাপাশি তিনি জিমেও সময় দেন। এমনকি ঠান্ডা পানি বা আইস বাতের মতো এক্সট্রিম টেম্পারেচার এক্সপোজারও তার রুটিনের অংশ বলে তিনি জানিয়েছেন। অর্থাৎ তার জীবনযাপন অনেকটাই নিয়মের মধ্যে বাধা। একদিকে বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অন্যদিকে
Speaker A
নিজের বাড়ি নেই। একদিকে ১০০র বেশি সন্তান অন্যদিকে ফোনের নোটিফিকেশন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে তার। আর সবচেয়ে বড় কথা তার জীবন যেন আমাদের একটা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। আপনি কি টাকার প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন নাকি ধীরে ধীরে টাকা আর প্রযুক্তি আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে? আপনার কাছে পাবেল
Speaker A
দরবারের কোন অভ্যাসটা সবচাইতে অবাক লেগেছে সেটা কমেন্টসে জানাতে পারেন। আর ভিডিওটা ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।
Topics:পাবেল দুরাবটেলিগ্রামবিলিয়নিয়ারটেলিগ্রাম অপারেশনপ্রাইভেসিফিটনেস রুটিনটেকনোলজি নিয়ন্ত্রণসম্পত্তি ভাগইনভেস্টরনোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ











