Skip to content

কথা বলার আগে এই ৭টি জিনিস জানুন | মানুষ আপনাকে আলাদা চোখে দেখবে | গ্রন্থকাহন

কথা বলার আগে কীভাবে সঠিক শব্দ ও ভঙ্গি ব্যবহার করবেন তা শেখার মাধ্যমে সম্পর্ক ও ব্যক্তিত্ব উন্নত করুন।

Key Takeaways

  • কথা বলার সময় শব্দ, ভঙ্গি ও সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • রাগের সময় কথা বলার আগে থামা ও ভাবা সম্পর্ক রক্ষা করে।
  • মন দিয়ে শোনা ও অন্যের অনুভূতি বোঝা ভালো যোগাযোগের মূল।
  • সমালোচনা করার সময় ব্যক্তিগত আঘাত না দিয়ে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করা উচিত।
  • সত্য কথা বললেও কিভাবে বলা হয় তা মানুষের মনোভাব ও সম্পর্ক নির্ধারণ করে।

What the video covers

  • কথার ধরন ও সময় মানুষের ধারণা ও সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।
  • সত্য কথা বললেও কিভাবে বলা হয় তা গুরুত্বপূর্ণ, যা আত্মবিশ্বাস গঠন বা ভাঙতে পারে।
  • রাগের সময় কথা বলার আগে থামা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্ক রক্ষা করে।
  • মন দিয়ে শোনা এবং অন্যের অনুভূতি বুঝতে পারা ভালো কমিউনিকেশনের মূল।
  • প্রশ্ন করার ধরণ ও শব্দের নির্বাচন কথোপকথনকে প্রভাবিত করে।
  • সমালোচনা বা ভুল ধরানোর সময় ব্যক্তিত্ব আক্রমণ না করে কাজের উপর মনোযোগ দেয়া উচিত।
  • অনেক সময় মানুষ সমাধান চায় না, শুধু শুনতে চায়, তাই বুঝতে শোনা জরুরি।
  • কথা বলার মাধ্যমে বিশ্বাস ও সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়, যা ছোট ছোট আচরণে প্রকাশ পায়।
  • সব সত্যি কথা সব সময় বলা দরকার নয়, কখনো চুপ থাকা শক্তি ও নিয়ন্ত্রণের পরিচয়।
  • ভাল কমিউনিকেশন স্কিল মানুষের ব্যক্তিত্ব, বিশ্বাসযোগ্যতা ও সামাজিক উপস্থিতি উন্নত করে।

Answers

Questions about this video

কেন কথা বলার আগে থামা গুরুত্বপূর্ণ?

রাগ বা উত্তেজনার সময় সঙ্গে সঙ্গে কথা না বলে কিছু সেকেন্ড থামলে আপনি নিজের কথা ভাবতে পারেন এবং সম্পর্ক রক্ষা করতে পারেন। এটি আত্মনিয়ন্ত্রণের একটি অংশ।

কিভাবে কথা বলার ধরন মানুষের মনোভাব প্রভাবিত করে?

একই কথা ভিন্ন ভঙ্গিতে বললে মানুষের অনুভূতি ও গ্রহণযোগ্যতা পরিবর্তিত হয়। নম্র ও সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করলে সম্পর্ক উন্নত হয়।

কেন মন দিয়ে শোনা গুরুত্বপূর্ণ?

মন দিয়ে শোনা মানে শুধু উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, অন্যের অনুভূতি ও বক্তব্য বুঝার চেষ্টা করা। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সম্পর্ক মজবুত হয়।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
কখনো কি এমন হয়েছে? আপনি একটা কথা একদম স্বাভাবিকভাবে বলেছিলেন, কিন্তু পরে বুঝলেন, সেই একটা কথার কারণেই মানুষটা আপনার সম্পর্কে অন্যরকম ধারণা করে ফেলেছে। [মিউজিক] অথচ আপনার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না। আপনি শুধু কথাটা একটু অন্যভাবে বলেছিলেন। হয়তো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে
00:19
Speaker A
গিয়ে মজা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সে কষ্ট পেয়ে গেল। হয়তো অফিসে নিজের মতামত দিতে গিয়ে এমনভাবে বললেন যে সবাই ভাবলো আপনি অহংকারী। হয়তো বাড়িতে কোন একটা বিষয় বোঝাতে গিয়ে রেগে গেলেন। আর পরে মনে হলো আমি যদি কথাটা একটু শান্তভাবে বলতাম।
00:36
Speaker A
আমাদের জীবনে এমন ঘটনা খুব সাধারণ। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো মানুষ অনেক সময় আপনার পুরো চরিত্রকে বিচার করে না। সে আপনাকে বিচার করে আপনার কয়েকটা কথা, আপনার বলার ধরণ, আপনার মুখের অভিব্যক্তি আর সেই মুহূর্তে আপনি তাকে কেমন অনুভব করিয়েছেন এসবের উপর। ভাবুন আপনি কারোর
00:57
Speaker A
সঙ্গে প্রথমবার দেখা করতে গেলেন। মানুষটা আপনাকে একটা প্রশ্ন করল। আপনি খুব ব্যস্ত ছিলেন, তাই ছোট করে উত্তর দিলেন। আপনার কাছে ব্যাপারটা ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সামনের মানুষটা হয়তো মনে করল লোকটা খুব অহংকারী। আপনি আসলে অহংকারী নন। কিন্তু সে আপনার মনের ভেতরটা দেখতে পাচ্ছে না। সে
01:16
Speaker A
শুধু আপনার আচরণটাই দেখছে। এই কারণেই কথা বলার ক্ষমতা শুধু সুন্দর শব্দ ব্যবহার করার বিষয় নয়। আপনি কি বলছেন, কখন বলছেন, কিভাবে বলছেন এবং সামনে থাকা মানুষটা আপনার কথাটা কিভাবে নিচ্ছে সবকিছু গুরুত্বপূর্ণ। [মিউজিক] একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই। ধরুন আপনার একজন
01:37
Speaker A
বন্ধু আপনাকে একটা নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা বলল। আপনি হয়তো সত্যিই মনে করছেন পরিকল্পনাটা ভালো নয়। তখন আপনি যদি বলেন এটা দিয়ে কিছুই হবে না। তাহলে আপনার উদ্দেশ্য হয়তো বন্ধুকে ভুল থেকে বাঁচানো। কিন্তু একই কথা যদি বলেন, আইডিয়াটা খারাপ না। তবে এই জায়গাটা একটু ঝুমকিয়ে আছে।
01:56
Speaker A
আগে এটা যাচাই করে নিলে হয়তো ভালো হবে। তাহলে কথাটার অর্থ অনেকটাই বদলে যায়। দুটো কথার ভেতরের উদ্দেশ্য প্রায় একই। কিন্তু অনুভূতিটা সম্পূর্ণ আলাদা। [মিউজিক] প্রথম কথায় মানুষ নিজেকে ছোট মনে করতে পারে। দ্বিতীয় কথায় সে বুঝতে পারে আপনি তার বিরুদ্ধে [মিউজিক] নন। এটাই
02:14
Speaker A
কথার শক্তি। আমরা অনেক সময় ভাবি আমি তো সত্যি কথাই বলেছি। কিন্তু সত্যি কথা বললেই সবসময় সেটা সঠিকভাবে বলা হয় না। একজন মানুষ অসুস্থ হলে ডাক্তার তাকে সত্যি কথাই বলেন, কিন্তু কিভাবে বলছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিক্ষক ছাত্রের ভুল ধরিয়ে দেন। কিন্তু যদি বলেন, তুমি কিছুই
02:35
Speaker A
পারো না। তাহলে ছাত্রের আত্মবিশ্বাস ভেঙে যেতে পারে। আবার যদি বলেন, এই জায়গাটায় ভুল হয়েছে। কিন্তু তুমি চাইলে এটা ঠিক করতে পারবে। তাহলে একই ভুল থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হয়। [মিউজিক] তাই কথা শুধু তথ্য দেয় না। কথা মানুষের আত্মবিশ্বাসও
02:50
Speaker A
তৈরি করতে পারে। আবার একটা কথাই সেই আত্মবিশ্বাস ভেঙেও দিতে পারে। আপনি হয়তো প্রতিদিন নিজের জীবনে এমন কিছু কথা বলছেন যেগুলো আপনার কাছে একেবারে সাধারণ। কিন্তু আপনার কাছের মানুষগুলো সেগুলো মনে রাখছে। একজন মা তার সন্তানকে প্রতিদিন বলছেন, তুই তো কিছুতেই মন দিতে পারিস না। হয়তো মা
03:10
Speaker A
রাগের মাথায় কথাটা বলছেন [মিউজিক] কিন্তু সন্তানটা যদি বছরের পর বছরে এই কথা শুনতে থাকে একসময় সে নিজেই বিশ্বাস করতে পারে আমি সত্যিই কোন কাজে মন দিতে পারি না। একজন বাবা তার ছেলেকে বললেন, তোর দ্বারা ব্যবসা হবে না। হয়তো তিনি নিজের অভিজ্ঞতা
03:25
Speaker A
থেকে সতর্ক করছেন। কিন্তু ছেলে যদি সেই কথাটাকে নিজের পরিচয় বানিয়ে ফেলে তাহলে একটা বাক্য তার ভবিষ্যতের অনেক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। আবার এর উল্টোটাও সত্যি একজন শিক্ষক যদি একটা দুর্বল ছাত্রকে বলেন তুমি হয়তো এখন ভালো করছো না, কিন্তু আমি জানি তুমি আরো ভালো
03:42
Speaker A
করতে পারবে সেই কথাটাও একটা মানুষের জীবনে অনেকদিন থেকে যেতে পারে। তাই কথা বলার আগে শুধু এটা ভাববেন না যে আমি কি বলতে চাই। আরেকটা প্রশ্ন করুন। আমি যেভাবে বলছি [মিউজিক] মানুষটা সেটা কিভাবে নেবে? এই ছোট্ট বিরতিটাই অনেক সম্পর্ককে বাঁচাতে
04:00
Speaker A
পারে। বিশেষ করে রাগের সময়। কারণ রাগের সময় আমরা অনেক কথা বলে ফেলি যেগুলো শান্ত হওয়ার পর আর বলতে চাই না। ধরুন আপনার সঙ্গে আপনার সঙ্গীর ঝগড়া হয়েছে। আপনি রেগে গিয়ে বলে ফেললেন তোমার সঙ্গে থাকাই আমার ভুল ছিল। কয়েক মিনিট পর হয়তো রাগ
04:16
Speaker A
কমে গেল। আপনি বুঝলেন কথাটা আসলে আপনি মন থেকে বলেননি। কিন্তু সামনের মানুষটা সে কথাটা শুনে ফেলেছে। আপনি পরে ক্ষমা চাইতে পারেন। [মিউজিক] কিন্তু কিছু শব্দ মানুষের মনে দাগ রেখে যায়। তাই রাগের সময় সব সত্যি কথা বলে ফেলতে হয় না। কিছু কথা
04:32
Speaker A
একটু পরে বলা যায়। কিছু কথা অন্যভাবে বলা যায়। আর কিছু কথা না বলাই ভালো। এটা দুর্বলতা নয়। এটা আত্মনিয়ন্ত্রণ। আর আত্মনিয়ন্ত্রণের একটা বড় অংশ হলো কথা বলার আগে কয়েক সেকেন্ড থামতে শেখা। আপনি যখন কোন কথায় রেগে যান সঙ্গে সঙ্গে উত্তর
04:49
Speaker A
না দিয়ে একটু থামুন। [মিউজিক] একটা গভীর শ্বাস নিন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আমি কি সমস্যার সমাধান করতে চাই নাকি শুধু জিততে চাই? এই প্রশ্নটা অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। [মিউজিক] কারণ তর্কে জেতা আর সম্পর্ককে বাঁচানো সবসময় একই বিষয় নয়।
05:05
Speaker A
[মিউজিক] আপনি একটা তর্কে নিজের কথা প্রমাণ করে জিতে গেলেন। কিন্তু সামনের মানুষটা যদি মনে করে আপনি তাকে অসম্মান করেছেন তাহলে সেই জয়ের মূল্য কতটা?
05:15
Speaker A
অন্যদিকে কখনো কখনো নিজের কথাটা একটু নরম করে বলা মানে নিজের অবস্থান থেকে সরে যাওয়া নয়। আপনি দৃঢ় থাকতে পারেন, কিন্তু অসম্মানজনক না হয়েও। আপনি না বলতে পারেন, কিন্তু কাউকে অপমান না করেও। [মিউজিক] আপনি নিজের মতামত দিতে পারেন, কিন্তু
05:30
Speaker A
অন্যের মতামতকে ছোট না করেও। আর এই জায়গাটাই একজন মানুষের কমিউনিকেশন স্কিলকে আলাদা করে। খেয়াল করে দেখবেন কিছু মানুষ ঘরে ঢুকলেই সবাই তার সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। আবার কিছু মানুষের সামনে দাঁড়ালে সবাই সাবধানে কথা বলে। পার্থক্যটা সবসময় তাদের জ্ঞান বা
05:48
Speaker A
টাকা বা পদমর্যাদায় নয়। অনেক সময় পার্থক্যটা তাদের কথা বলার ধরনে। তারা অন্যের কথা মাঝপথে কেটে দেয় না। কেউ কথা বললে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে না। শুধু নিজের কথা বলার জন্য অপেক্ষা করে না। তারা শোনে। আর মানুষকে মন দিয়ে শোনা এটাই
06:05
Speaker A
হয়তো ভালোভাবে কথা বলার সবচেয়ে অবহেলিত অংশ। আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিয়ে শুনুক তাহলে প্রথমে আপনাকেও অন্যকে গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে। [মিউজিক] কারণ কথোপকথন বক্তৃতা নয়। এটা দুজন মানুষের মধ্যে একটা সংযোগ। আর সেই সংযোগ তৈরি হয় তখনই যখন দুজন মানুষ অনুভব করে আমার
06:25
Speaker A
কথাটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আজ থেকে একটা ছোট্ট অভ্যাস তৈরি করুন। কেউ কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেওয়ার জন্য ব্যস্ত হবেন না। প্রথমে পুরো কথাটা শুনুন। তারপর উত্তর দিন। হয়তো দেখবেন অনেক তর্ক এমনিতেই [মিউজিক] কমে গেছে। অনেক ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়ার আগেই থেমে গেছে। আর
06:43
Speaker A
মানুষ আপনাকে শুধু আপনার কথার জন্য নয়, আপনার সঙ্গে কথা বলার পর যে অনুভব পায় সেই কারণেও মনে রাখতে শুরু করেছে। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ সবসময় আপনার বলা প্রতিটি শব্দ মনে রাখবে না। কিন্তু আপনি তাকে কি অনুভব করিয়েছিলেন সেটা অনেক সময়
07:00
Speaker A
মনে থেকে যায়। তাই [মিউজিক] কথা বলার আগে একটু থামুন। শব্দ বেছে নিন। সামনের মানুষটার অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করুন। কারণ কখনো একটা সুন্দর কথা সম্পর্ক তৈরি করে। আবার একটা অসাবধান কথা সেই সম্পর্কের মধ্যে এমন দূরত্ব তৈরি করতে পারে যেটা
07:16
Speaker A
[মিউজিক] পরে অনেক চেষ্টা করেও সহজে মুছে নেওয়া যায় না। আর কথা বলার এই শক্তিটাকে যদি আপনি সত্যিই বুঝতে পারেন তাহলে শুধু আপনার সম্পর্ক নয় মানুষের চোখে আপনার ব্যক্তিত্ব, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং উপস্থিতির ধরণও ধীরে ধীরে বদতে শুরু করবে। কথা বলার
07:32
Speaker A
সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটা হলো আমরা উত্তর দেবার জন্য শুনি। বোঝার জন্য শুনি না। কেউ আমাদের সঙ্গে কথা বলছে আর আমরা মনে মনে ভাবছি এর উত্তরটা কি দেব। ফলে মানুষটা কি বলতে চাইছে সেটা পুরোপুরি বোঝার আগেই আমরা নিজের কথা শুরু করে দিই।
07:48
Speaker A
ধরুন আপনার বন্ধু এসে বলল, আজকে আমার দিনটা একদম ভালো যায়নি। আপনি সঙ্গে সঙ্গে বলে দিলেন, আমারও তো কালকে অনেক খারাপ দিন গেছে। আপনার উদ্দেশ্য খারাপ নয়। আপনি হয়তো নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তাকে বোঝাতে চাইছেন যে আপনি তাকে বুঝতে পারছেন। কিন্তু
08:04
Speaker A
সে হয়তো তখন নিজের কথা বলতে চেয়েছিল। সে চাইছিল কেউ তাকে একটু শুনুক। কখনো কখনো মানুষ সমাধান চায় না। সে শুধু চায় কেউ তার কথাটা গুরুত্ব দিয়ে শুনুক। এই জায়গাটা বুঝতে পারলে আপনার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অনেকটাই বদলে যেতে পারে। কেউ যখন
08:21
Speaker A
নিজের সমস্যার কথা বলবে সঙ্গে সঙ্গে সমাধান দেওয়ার আগে বলুন আমি বুঝতে পারছি। ব্যাপারটা তোমার জন্য কঠিন ছিল। এই একটা বাক্য মানুষকে অনুভব করাতে পারে যে আমার কথা কেউ শুনছে। আর মানুষ যখন অনুভব করে যে আপনি তাকে বুঝতে চেষ্টা করছেন তখন আপনার
08:38
Speaker A
কথার মূল্যও তার কাছে বেড়ে যায়। আরেকটা বিষয় হলো প্রশ্ন করার ধরণ। আপনি যদি কাউকে জিজ্ঞেস করেন তুমি এটা করলে কেন?
08:46
Speaker A
তাহলে কথাটা অনেক সময় অভিযোগের মতো শোনাতে পারে। কিন্তু যদি বলেন তুমি তখন কি ভেবেছিলে? তাহলে মানুষ নিজের অবস্থাটা ব্যাখ্যা করার সুযোগ পায়। দুটো প্রশ্নের উদ্দেশ্য হয়তো একই, কিন্তু অনুভূতি আলাদা। [মিউজিক] এই ছোট পার্থক্যগুলোই একজন সাধারণ বক্তার একজন ভালো কমিউনিকেটরের
09:05
Speaker A
মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। ধরুন অফিসে আপনার সহকর্মী একটা ভুল করেছে। আপনি সবার সামনে বললেন, তুমি সবসময় এমন ভুল করো। হয়তো ভুলটা সত্যিই হয়েছে। কিন্তু সবসময় শব্দটা তার আত্মসম্মানে আঘাত করতে পারে। এর বদলে একা ডেকে বলুন, এই জায়গাটায় ভুল
09:22
Speaker A
হয়েছে। পরেরবার আমরা কিভাবে এটা এড়াতে পারি? তাহলে সমস্যাটাও বলা হলো, আবার মানুষটাকেও ছোট করা হলো না। কারণ
09:40
Speaker A
কোনদিন মানুষ হবি না। [মিউজিক] কথাটা হয়তো রাগের মাথায় বেরিয়ে গেছে। কিন্তু একটা সন্তান অনেক বছর পরেও সেই বাক্যটা মনে রাখতে পারে। এর বদলে যদি বলা হয় এইবার ফল ভালো হয়নি কোথায় সমস্যা হয়েছে সেটা দেখি তারপর আবার চেষ্টা করো তাহলে
09:55
Speaker A
একই পরিস্থিতিতে একটা আসার জায়গা তৈরি হয় তাই কাউকে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সময় তার চরিত্রকে আক্রমণ করবেন না তার কাজ নিয়ে কথা বলুন তুমি খারাপ না বলে বলুন এই কাজটা ঠিক হয়নি তুমি কিছুই বোঝোনা না বলে বলুন এই বিষয়টা আরেকবার দেখলে ভালো হবে
10:12
Speaker A
এই ছোট্ট পরিবর্তন খুব ছোট কিন্তু এর প্রভাব অনেক বড় আরেকটা শক্তিশালী অভ্যাস হল কথার মাঝখানে অন্যের কথা কেটে না দেওয়া। আপনি হয়তো বুঝেই গেছেন সে কি বলতে চাইছে। তবুও তাকে শেষ করতে দিন। কারণ কাউকে কথা শেষ করার সুযোগ দেওয়া মানে
10:28
Speaker A
শুধু ভদ্রতা নয় এটা সম্মানেরও প্রকাশ। [মিউজিক] একটা ছোট পারিবারিক দৃশ্য ভাবুন। রাতে সবাই একসঙ্গে বসেছে। একজন পারিবারিক সদস্য নিজের একটা সমস্যা বলছে। [মিউজিক] কিন্তু বাকিরা প্রত্যেকে নিজের মতামত দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। একজন [মিউজিক] বলছে আমার সময় তো এমন হয়নি। আরেকজন বলছে
10:46
Speaker A
তুমি ভুল করেছো। আরেকজন বলছে [মিউজিক] আমি হলে এটা করতাম। শেষ পর্যন্ত যে মানুষটা সমস্যার কথা বলছিল সে হয়তো আর কিছুই বলল না। কারণ সে বুঝে গেল এখানে কেউ তার কথা শুনতে আসেনি। সবাই নিজের কথা বলতে [মিউজিক] এসেছে। তাই কখনো কখনো ভালো
11:02
Speaker A
কথোপকথনের জন্য বেশি কথা বলার দরকার হয় না। শুধু সঠিক সময়ে চুপ থাকতে হয়। আর চুপ থাকা মানে দুর্বল হওয়া নয় বরং নিজের প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা একটা শক্তি। বিশেষ করে যখন কেউ আপনাকে রাগানোর চেষ্টা করছে ধরুন সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ
11:18
Speaker A
আপনার একটা পোস্টে খারাপ মন্তব্য করল আপনার প্রথম ইচ্ছে হলো সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেওয়া| আপনি একটা কঠিন কথা লিখলেন। সে আবার আরো কঠিন কথা বলল। তারপর আপনি আরো একটা উত্তর দিলেন। 10 মিনিট পর দেখলেন একটা সাধারণ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আপনি
11:33
Speaker A
নিজের মূল্যবান সময় আর মানসিক শান্তি দুটোই নষ্ট করেছেন। এখানে একটা প্রশ্ন করতে পারেন। এই কথাটার উত্তর দেওয়া কি সত্যিই দরকার? সব কথার উত্তর দিতে হয় না। কিছু কথা উপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ আপনি যখন প্রতিটি মন্তব্যের জবাব দিতে ব্যস্ত থাকেন তখন অন্য মানুষ আপনার
11:51
Speaker A
মনকে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পায়। আর আপনার আত্মনিয়ন্ত্রণ তখনই বোঝা যায় যখন আপনি উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয় উত্তর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। [মিউজিক] তবে এর মানে নিজের কথা সবসময় চেপে রাখা নয়। কেউ আপনার সীমা অতিক্রম করলে স্পষ্টভাবে না বলতে হবে।
12:08
Speaker A
কিন্তু না বলার জন্য রুঢ হওয়ার দরকার নেই। আপনি বলতে পারেন এই বিষয়টাই আমি স্বাচ্ছন্দ বোধ করছি না অথবা আমি এটা করতে পারবো না অথবা এই সিদ্ধান্তটা আমি নিজের মত করে নিতে চাই আপনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন কিন্তু কাউকে অপমান করলেন
12:23
Speaker A
না [মিউজিক] এটাই পরিণতভাবে কথা বলা আর মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে চাইলে একটা বিষয় মনে রাখবেন মানুষ আপনার কথার পাশাপাশি আপনার উদ্দেশ্য অনুভব করে আপনি যদি সত্যিই কাউকে সম্মান করেন সেটা আপনার কন্ঠস্বর চোখের যোগাযোগ কথা বলার গতি এবং আচরণে প্রকাশ পাবে তাই শুধু সুন্দর শব্দ
12:42
Speaker A
মুখস্ত করার দরকার নেই। নিজের ভেতরের তাড়াহুড়োটাকে কমাতে হবে। কথা বলার আগে এক সেকেন্ড থামুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আমি কি সত্যিই এটা বলতে চাই? এটা কি এখন বলা দরকার? আমি কি সমস্যার সমাধান করছি নাকি শুধু নিজের রাগটা বের করছি? [মিউজিক]
12:58
Speaker A
এই তিনটে প্রশ্ন অনেক অপ্রয়োজনীয় কথা থামিয়ে দিতে পারে। আরেকটা বিষয় মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য সবসময় বড় বড় কথা বলতে হয় না। কখনো একটা ছোট্ট সঠিক বাক্যই যথেষ্ট। একজন বন্ধু পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। আপনি তাকে এক ঘন্টা মোটিভেশনাল স্পিচ না দিয়ে শুধু বললেন, একবার ব্যর্থ
13:16
Speaker A
হয়েছো। তাই বলে এখানেই শেষ নয়। হয়তো সে সেই কথাটাই অনেকদিন মনে রাখবে। কারণ মানুষ সবসময় সবচেয়ে বেশি কথা বলা মানুষটাকে মনে রাখে না। অনেক সময় মনে রাখে সেই মানুষটাকে যে তার প্রয়োজনের সময় সঠিক কথাটা বলেছিল। তাই কথা বলার আগে শব্দ বেছে
13:32
Speaker A
নেওয়া যেমন জরুরি তেমনি সময় বেছে নেওয়াও জরুরি। রাগের সময় বলা কথা আর শান্ত সময় বলা কথার প্রভাব এক নয়। সবার সামনে বলা কথা আর একান্তে বলা কথার প্রভাবও এক নয়। মেসেজে বলা কথা আর মুখোমুখি বলা কথার অনুভূতিও এক নয়। তাই
13:47
Speaker A
শুধু কি বলব নয় ভাবুন কখন এবং কিভাবে বলব। কারণ আপনার একটা বাক্য কারোর দিনটা ভালো করে দিতে পারে। আবার অসাবধান একটা বাক্য কারোর পুরো দিনটাই খারাপ করে দিতে পারে। আর আপনি যখন এই ছোট ছোট বিষয়গুলো বুঝতে শুরু করবেন তখন আপনার কথা শুধু শোনা
14:03
Speaker A
হবে না। মানুষ আপনার কথাকে গুরুত্ব দিয়েও শুনতে শুরু করবে। কারণ তখন আপনি শুধু কথা বলবেন না। আপনি মানুষকে বোঝার চেষ্টা করবেন। আর মানুষকে বোঝার ক্ষমতা হয়তো মানুষকে প্রভাবিত করার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর মধ্যে একটি। মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য সবসময় জোরে কথা বলতে হয় না।
14:22
Speaker A
বরং যে মানুষ শান্তভাবে, পরিষ্কারভাবে এবং সঠিক সময় কথা বলতে পারে, [মিউজিক] তার কথাই অনেক সময় বেশি মনে থাকে। ধরুন, একটা মিটিংয়ে 10 জন মানুষ আছে। সবাই নিজের মতামত দিচ্ছে। কেউ জোরে কথা বলছে কেউ অন্যের কথা কেটে দিচ্ছে আর একজন চুপচাপ
14:40
Speaker A
সবার কথা শুনছে যখন তার কথা বলার সুযোগ এলো সে মাত্র কয়েকটা বাক্যে নিজের কথাটা পরিষ্কার করে বলল [মিউজিক] মিটিং শেষ হওয়ার পর দেখবেন মানুষ তার কথাটাই মনে রাখছে কারণ সে বেশি কথা বলেনি কিন্তু সঠিক কথা বলেছে আমরা অনেক সময় ভাবি মানুষকে
14:58
Speaker A
প্রভাবিত করতে হলে নিজের জ্ঞান দেখাতে হবে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে প্রত্যেক আলোচনায় নিজের মতামত দিতে দিতে হবে। আসলে ব্যাপারটা তার উল্টো। আপনি যদি সবসময় নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যস্ত থাকেন, মানুষ হয়তো আপনার কথা শুনবে কিন্তু আপনাকে বুঝতে চাইবে না। আর আপনি যদি অন্য মানুষকে
15:15
Speaker A
বুঝতে চেষ্টা [মিউজিক] করেন, তাহলে আপনার কথার গুরুত্ব ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। একজন ভালো বক্তা শুধু সুন্দরভাবে কথা বলে না। [মিউজিক] সে জানে কখন কথা বলতে হবে, কখন চুপ থাকতে হবে, কাকে কতটা বলতে হবে এবং কোন কথাটা না বলাই ভালো। ধরুন আপনার
15:34
Speaker A
একজন বন্ধু নিজের ব্যক্তিগত একটা বিষয় আপনাকে বলল। আপনি চাইলে সেই কথাটা অন্যদের কাছে বলে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ দেখাতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি কথাটা নিজের কাছে রাখেন আপনার বন্ধু বুঝবে আপনাকে বিশ্বাস করা যায়। বিশ্বাস তৈরি হয় বড় বড় কথায় নয়। ছোট ছোট আচরণে। আপনি কারোর কথা গোপন
15:53
Speaker A
রাখলেন। কেউ কথা বলার সময় তাকে থামালেন না। কেউ ভুল করলে সবার সামনে অপমান না করে আলাদা করে বোঝালেন। কেউ কষ্টের কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে বিচার না করে আগে শুনলেন। এই ছোট বিষয়গুলোই মানুষের মনে আপনার প্রতি সম্মান তৈরি করে। আর সম্পর্কের ক্ষেত্রে
16:12
Speaker A
একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবসময় নিজেকে ঠিক প্রমাণ করতে যাবেন না। ধরুন আপনার সঙ্গে আপনার ভাইয়ের একটা বিষয় নিয়ে তর্ক হচ্ছে। আপনি জানেন আপনার কথাটা ঠিক কিন্তু তর্ক যত বাড়ছে সম্পর্কটা তত খারাপ হচ্ছে। আপনি চাইলে তাকে হারানোর চেষ্টা করতে পারেন। [মিউজিক] আবার বলতে
16:30
Speaker A
পারেন আমি আমার কথাটা বুঝিয়ে বলেছি তুমি অন্যভাবে দেখতেই পারো। দ্বিতীয় কথাটা হয়তো আপনাকে তর্কে যেতাবে না কিন্তু সম্পর্কটা বাঁচিয়ে রাখতে পারে। কারণ জীবনের প্রতিটি কথোপকথন জেতার জন্য নয়। কিছু কথোপকথন বোঝা পড়ার জন্য। আর কারো সঙ্গে কথা বলার সময় তার দুর্বল জায়গায়
16:49
Speaker A
আঘাত করবেন না। আপনি হয়তো জানেন আপনার বন্ধুর কোন বিষয়টা নিয়ে সে সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর। ঝগড়ার সময় সেই জায়গায় আঘাত করলে আপনি তর্কে জিততে পারেন। কিন্তু তার মনে একটা ক্ষত তৈরি হতে পারে। কথার শক্তি এখানেই। [মিউজিক] আপনি চাইলে কথাকে অস্ত্র বানাতে পারেন।
17:06
Speaker A
আবার চাইলে কথাকে সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম বানাতে পারেন। সিদ্ধান্ত গা আপনার। আর সব সত্যি কথা সবসময় বলার দরকার নেই। কেউ নতুন পোশাক পড়ে জিজ্ঞেস করল কেমন লাগছে?
17:18
Speaker A
আপনার ভালো না লাগতেই পারে। কিন্তু একদম বাজে বলার দরকার নেই। আপনি বলতে পারেন অন্য একটা রং তোমার উপর হয় ভয় হয়তো আরো ভালো লাগবে। সত্যিটাও বলা হলো আবার অযথা আঘাতও করা হলো না। [মিউজিক] এটাই বুদ্ধিমানের যোগাযোগ। আর যখন কারো সঙ্গে
17:33
Speaker A
গুরুত্বপূর্ণ কথা বলবেন তখন ফোনটা পাশে রাখুন। চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। [মিউজিক] কারণ আপনি ভাবতে পারেন, আমি তো শুধু এক সেকেন্ড ফোন দেখলাম। কিন্তু সামনের মানুষটা হয়তো ভাবছে আমার কথাটা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। মানুষকে সম্মান দেখানোর জন্য সবসময় বড় কিছু করতে
17:51
Speaker A
হয় না। মন দিয়ে শোনাটাও যথেষ্ট। আর অপ্রয়োজনীয় কথা কমান। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, [মিউজিক] কি পরিকল্পনা করছেন, কত টাকা উপার্জন করছেন বা ভবিষ্যতে কি করবেন সবকিছুই সবাইকে জানানোর দরকার নেই। কিছু বিষয়ে ফলাফল আসার পর বলাই ভালো। বিশেষ করে রাগের সময়। রাগের মুহূর্তে এমন কিছু
18:10
Speaker A
বলে ফেলতে পারেন যেটা পাঁচ মিনিট পরেই আপনার কাছে অপ্রয়োজনীয় [মিউজিক] মনে হবে। তাই রাগ হলে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না দিয়ে একটু সময় নিন। প্রয়োজনে বলুন এখন আমার মাথা গরম। একটু পরে কথা বলি। এই একটা বাক্য অনেক বড় ঝামেলা থেকে আপনাকে
18:25
Speaker A
বাঁচাতে পারে। কারণ চুপ থাকা সবসময় দুর্বলতা নয়। কখনো কখনো চুপ থাকা [মিউজিক] মানে আপনি নিজের কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখছেন। আর একটা শক্তিশালী অভ্যাস হলো [মিউজিক] মানুষের কথা মনে রাখা। কেউ আপনার সঙ্গে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করলে পরে একদিন জিজ্ঞেস
18:42
Speaker A
করুন। তোমার ওই কাজটার কি হলো? হয়তো সে অবাক হবে যে আপনি তার কথা মনে রেখেছেন। এই ছোট বিষয়গুলোই মানুষকে অনুভব করায় আপনি শুধু কথা বলেন না আপনি মন দিয়ে শোনেন। তাই আজ থেকে একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে দেখুন। পরেরবার কেউ আপনার সঙ্গে কথা বললে
18:59
Speaker A
তাকে মাঝপথে থামাবেন না। তার কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত শুনুন। তারপর উত্তর দেওয়ার আগে দুই সেকেন্ড ভাবুন। আপনার কথাটা কি সত্যি দরকার? এটা কি সঠিক সময়? এটা কি এমনভাবে বলা যায়? যাতে সত্যিটাও থাকে আবার মানুষটাকেও অযোধা আঘাতও না করে? এই
19:16
Speaker A
তিনটে প্রশ্ন আপনার কথাবার্তার ধরণ অনেকটাই বদলে দিতে পারে। কারণ মানুষের মনে আপনার পরিচয় শুধু পোশাক, টাকা বা চাকরি দিয়ে তৈরি হয় না। আপনি তার সঙ্গে কিভাবে কথা বলেন, তাকে কতটা সম্মান দেন এবং আপনার পাশে সে কেমন অনুভব করে এসবও আপনার
19:32
Speaker A
ব্যক্তিত্বের অংশ। আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিয়ে শুনুক তাহলে প্রথমে অন্যের কথাকে গুরুত্ব দিন। আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করুক তাহলে তার বিশ্বাসের মূল্য দিন। আর আপনি যদি চান আপনার একটা কথা মানুষের মনে থেকে যাক তাহলে কথার সংখ্যা বাড়াবেন না। কথার
19:50
Speaker A
মূল্য বাড়ান। কারণ সুন্দরভাবে কথা বলা মানে শুধু সুন্দর শব্দ ব্যবহার করা নয়। সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলা, ভুল সময়ে নিজেকে থামানো এবং সামনে থাকা মানুষটাকে সম্মান দিয়ে কথা বলাই আসল দক্ষতা। শেষ পর্যন্ত মানুষ হয়তো আপনার বলা প্রতিটি বাক্য মনে রাখবে না। কিন্তু আপনি তাকে
20:09
Speaker A
কেমন অনুভব করিয়েছিলেন সেটা অনেকদিন মনে রাখতে পারে। তাই আজ থেকে কথা বলার আগে একটু থামুন, শুনুন, ভাবুন, [মিউজিক] তারপর বলুন। হয়তো দেখবেন আপনার কথা বলার ধরণ বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চোখে আপনার ব্যক্তিত্বটাও বদলাতে শুরু করেছে। আপনি শুনছিলেন গ্রন্থকাহন। আজকের ভিডিওর
20:28
Speaker A
কথাগুলো যদি আপনার নিজের জীবনের কোন ঘটনা মনে করিয়ে দেয় তাহলে কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন। ভিডিওটি ভালো লাগলে একটি লাইক করুন। আপনার বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন এবং বই থেকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগার মত আরো শিক্ষা পেতে গ্রন্থ কাহন চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব
20:45
Speaker A
করে পাশে থাকুন। মনে রাখবেন আপনার কন্ঠস্বর শুধু শব্দ তৈরি করে না আপনার শব্দ মানুষের মনে একটা অনুভূতি তৈরি করে। তাই এমনভাবে কথা বলুন যাতে আপনার কথা শেষ হওয়ার পরও আপনার প্রতি মানুষের সম্মানটা থেকে যায়। [মিউজিক] কারণ কখনো একটা ভালো
21:01
Speaker A
কথা একজন মানুষের দিন বদলে দিতে পারে। আবার একটা অসাবধান কথা একটা সুন্দর সম্পর্ককেও দূরে নিয়ে যেতে পারে। তাই কথা বলার আগে শুধু ভাববেন না আমি কি বলতে চাই। একবার এটাও ভাবুন আমার কথাটা শুনে মানুষটা কেমন অনুভব করবে। এই [মিউজিক] ছোট্ট
21:18
Speaker A
প্রশ্নটাই হয়তো আপনার কথাবার্তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দিতে পারে।
Topics:কথা বলাকমিউনিকেশন স্কিলসম্পর্ক উন্নয়নআত্মনিয়ন্ত্রণমন দিয়ে শোনাভাষার গুরুত্বরাগ নিয়ন্ত্রণবিশ্বাস গঠনসমালোচনা কৌশলসঠিক সময়ে কথা বলা

Get More with the SozAI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →