মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় ও দুশ্চিন্তা ও ভয় মোকাবেলার কার্যকর পদ্ধতি আলোচনা।
Key Takeaways
- মানসিক সমস্যা মানে পাগলামি নয়, এটি সঠিকভাবে বোঝা ও মোকাবেলা করা যায়।
- অকারণ দুশ্চিন্তা ও ভয়কে বিচার করে যুক্তি দিয়ে চ্যালেঞ্জ করতে হবে।
- নিজের চিন্তা ও ভয়কে একসেপ্ট করে ধৈর্য ধরে মোকাবেলা করা জরুরি।
- নিয়মিত ব্যায়াম, সামাজিক যোগাযোগ ও ব্যস্ততা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- লেখালেখি ও চিন্তার রেকর্ড রাখা মানসিক অবস্থা বুঝতে সাহায্য করে।
What the video covers
- মানসিক সমস্যায় দুশ্চিন্তা ও অতিরিক্ত ভয় হওয়ার কারণ ও প্রকৃতি ব্যাখ্যা।
- দুশ্চিন্তা ও সন্দেহের প্যাটার্ন চিনতে ও বিচার করতে শেখানো।
- ভয়ের যুক্তি ও বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করার গুরুত্ব।
- মানসিক সমস্যাকে পাগলামির সাথে ভুলভাবে যুক্ত না করার পরামর্শ।
- নিজের চিন্তা ও ভয়কে একসেপ্ট করে ধাপে ধাপে মোকাবেলা করার পদ্ধতি।
- মাইক টাইসনের উদাহরণ দিয়ে ধৈর্য ও একসেপ্টেন্সের গুরুত্ব তুলে ধরা।
- নিয়মিত লেখালেখি ও চিন্তার রেকর্ড রাখার মাধ্যমে মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ।
- দৈনন্দিন ব্যস্ততা, ব্যায়াম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা।
- নিজের চিন্তাকে যুক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার জন্য পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা।
- নির্ভরশীলতা কমিয়ে এক্সপোজার থেরাপির মাধ্যমে মানসিক সমস্যা কমানোর পরামর্শ।
Chapters
- 00:00মানসিক সমস্যা ও দুশ্চিন্তার প্রকৃতি
- 01:29কনফিউশন ও গাইডলাইন নিয়ে সমস্যা
- 03:01দুশ্চিন্তার প্যাটার্ন ও বিচার
- 04:34কল্পনা ও বাস্তবতার পার্থক্য
- 06:07ভয়ের যুক্তি ও পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি
- 07:28মাইক টাইসনের উদাহরণ ও একসেপ্টেন্স
- 08:56লেখালেখি ও চিন্তার রেকর্ড রাখার গুরুত্ব
- 12:16ব্যায়াম ও সামাজিক যোগাযোগের ভূমিকা
- 15:09চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
আমাদের যখন ডিসঅর্ডার, অর্থাৎ মেন্টাল হেলথের কোন একটা সমস্যা হয়, আমাদের যখন মানসিক সমস্যার মধ্যে আমরা জর্জরিত হয়ে যাই, সহজভাবে যদি আমি বিষয়টাকে এইভাবে বলি যে অকারণেই আমার দুশ্চিন্তা আসছে, দুশ্চিন্তার মাত্রাটা অতিরিক্ত হয় এবং সেই সাথে প্রচুর পরিমাণে ভয় লাগছে।
Speaker A
মানে ভয়ের মাত্রাও সেখানে অনেকটাই হয়। মৃত্যু ভয় হতে পারে, রোগের ভয় হতে পারে, বিভিন্ন রকম বিপদের ভয় হতে পারে, ক্ষতির ভয় হতে পারে। সেই সাথে দেখা যায় যে খানিকটা সন্দেহ আসে, বিভিন্ন রকম সন্দেহ—মানুষকে নিয়ে সন্দেহ, নিজেকে নিয়ে সন্দেহ, শরীরকে নিয়ে সন্দেহ, পরিবারকে নিয়ে সন্দেহ।
Speaker A
আমাদের ডাক্তার বাবুকে দেখানোর পর রিপোর্ট করতে না তো সেটাকে নিয়ে সন্দেহ, মেডিসিন নিয়ে সন্দেহ, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সন্দেহ আসে। অর্থাৎ আমাদের যে ফিলিংস আছে, অনুভূতি যেগুলো আছে, সেগুলো কিন্তু পরিবর্তন করতে থাকে এবং এই বিষয়গুলো
Speaker A
কিন্তু লজিক ছাড়াই হয়, কারণ ছাড়াই ঘটে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে মনে হয় যেন এর পেছনে তো সবগুলোরই কারণ আছে। এই মধ্যে যখন জড়জড়িত হয়ে যাই, আমরা বেসিক্যালি আমি কাউন্সেলিং করতে গিয়ে এটা দেখেছি, কিন্তু বর্তমানে যেহেতু আর করি না। তাই প্লিজ
Speaker A
আমাকে আর ফোন বা মেসেজ করবেন না। যাই হোক, আমি কাউন্সেলিং করতে গিয়ে একটা কনফিউশন মানুষের মধ্যে দেখেছি যে প্রায় প্রত্যেকেই একটা জায়গা থেকে কনফিউশন হয়ে যায়। কনফিউজড হয়ে যায় যে আমাদের কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় এবং এটাকে বারবার গুলিয়ে ফেলে। এর
Speaker A
কোন ক্লিয়ার গাইডলাইনস তার সে ঠিক করতে পারে না। আমার কি করতে হবে আর কি করতে হবে না। এবং বারবার সে কনফিউজড হয়ে যায়। কারণ হচ্ছে যে সেই বিষয়গুলোকে না যে মেনটেইন করার দরকার, সে মেনটেইন করতে পারে না। দুদিন, চারদিন, পাঁচ দিন মেনটেইন করার পরে
Speaker A
ভাবতে থাকে যে আমার কিছু হচ্ছে না। সুতরাং এই গাইডলাইন যেটা আছে, এটা ঠিকঠাক নয় এবং সে কনফিউজড হয়ে যায়। আবার জিজ্ঞেস করে মনে হয় যেন আমার কত তাড়াতাড়ি আমি সমস্যা থেকে বেরোবো। এর মধ্যে পড়ে যায় এবং আমাদের মাথায় একটা ফিক্সড ধারণা তৈরি
Speaker A
হয়ে যায় যে আমি এই সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছি। বেরোতে পারবো কি পারবো জানিনা। এবং মানসিক সমস্যা মানেই পাগল হয়ে যাওয়া, এমনটা নয়। মানসিক সমস্যা মানে কোনভাবেই কোন এঙ্গেল থেকেই পাগল হয়ে যাওয়ার সাথে কোন রিলেশন নেই। এটা আপনারা মাথায়
Speaker A
ঢুকিয়ে নেন প্লিজ। এবং আজকে আমি বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ডিসকাস করব এবং পয়েন্ট আকারে সেগুলোকে দিয়ে দেব। আপনাদের স্ক্রিনের মধ্যে আপনারা দেখতে পারবেন। স্ক্রিনের দিকে নজর রাখবেন। আপনারা সেগুলো স্ক্রিনশট নিয়ে নিতে পারেন। সেইগুলোকে মেনটেন করতে পারেন। পয়েন্ট আকারে যে বিষয়গুলো ডিসকাস
Speaker A
করবো, একটু মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করবেন। আমাদের যে চিন্তাগুলো আছে, প্রথম পয়েন্ট যে আমাদের যে চিন্তাগুলো আছে, ভয়গুলো আছে, আমাদের যে সন্দেহগুলো আছে, এগুলোকে একটু বিচার করতে [মিউজিক] হবে। বিচার করতে হবে কিভাবে? যে আপনার যে চিন্তাগুলো আসছে দীর্ঘদিন ধরে। দেখুন
Speaker A
আপনার চিন্তাটাকে এখানে ঢোকাবেন, এই যে আমি যে বিষয়গুলো বলছি, এর মধ্যে থেকে মেলাবার চেষ্টা করবেন। এর মধ্যে থেকে আপনি নিজেও বোঝার চেষ্টা করবেন চিন্তাগুলোকে দিয়ে একদম এখানেই বিষয়টা কি যে আপনার যে চিন্তাগুলো আসছে, আপনার যে ভয়গুলো আসছে,
Speaker A
আপনার যে সন্দেহটা আসছে, এটাকে একটুখানি বিচার করুন। কিভাবে বিচার করবেন? প্রথমত আপনি এটাকে আইডেন্টিফাই করুন যে আপনার যে চিন্তাগুলো আসছে, যেগুলো আপনি চাইছেন না। প্রথম ক্রাইটেরিয়া হচ্ছে আপনি চাইছেন না, কিন্তু চিন্তাগুলো করতে আপনার আসছে কারণ আপনি করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন, একটা
Speaker A
প্যাটার্ন তৈরি হয়ে গেছে। তো এর পেছনে কিন্তু অন্য কোন ব্যাপার নেই। এগুলোকে আর অন্য কোন গুরুতরভাবে ভাবার চেষ্টা করবেন না। আপনি প্রথমে তো এটা ঠিক করুন যে আপনার এই যে চিন্তাগুলো আছে, এগুলো কতদিন ধরে আসছে—এক বছর, দুই বছর, ছ মাস, চার বছর, পাঁচ
Speaker A
বছর, ১০ বছর, ২০ বছর, অনেকদিন ধরে আসে। তো এই যে চিন্তাগুলো, যেগুলোকে আপনাকে যে চিন্তাগুলো আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে এবং কি কষ্ট দিচ্ছে, আমি বুঝতে পারছি সত্যি কষ্টদায়, খুবই। এগুলো যে এতদিন ধরে আসছে, এই চিন্তাগুলো আসার পরে আপনি বিভিন্ন রকম
Speaker A
চিন্তা করেছেন যে কি কি হতে পারে, কি না হতে পারে, এনালাইসিস করেছেন। আপনি একদম বমকেশ বক্সি হয়ে গেছেন, আপনি সিআইডি হয়ে গেছেন। তো আপনি তদন্ত করার পর, আপনি ২০ বছর, পাঁচ বছর বা ছ মাস ধরে যে চিন্তাগুলো আসছে,
Speaker A
যেগুলো আপনাকে পীড়া দিচ্ছে, কষ্ট দিচ্ছে, সেগুলো করার পর কি হয়েছে? এই যে চিন্তাগুলোর এর কি বাস্তবেতে কোনরকম ক্ষতি করার ক্ষমতা আছে? যে ভয়টা আমি পাচ্ছি, সেই ভয়টা আমি বাড়ি বসে পাচ্ছি না, জায়গায় গিয়ে পাচ্ছি। জায়গায় গিয়ে পেলে ঠিক আছে। বাড়ি
Speaker A
বসে পাওয়াটা তো ঠিক নয়। তো আমি চিন্তা করে কল্পনা করে বিষয়টা তৈরি করছি। আমি একটু উদাহরণ দিই। কোন একজন ব্যক্তি, যিনি কাছ থেকে বাড়ি ফিরে আসেন, যে রাস্তা দিয়ে আসেন, সেই রাস্তায় প্রথমে একটি কবরস্থান পড়ে। তারপরে খানিকটা আসার পরে
Speaker A
একটি শ্মশান পড়ে। এখন সেই ব্যক্তি অফিস থেকে বের হওয়ার সময় তার মনের মধ্যে দিয়ে আসে ওই জায়গা দিয়ে যাব, কিছু যদি হয়ে যায়, ওই জায়গাগুলোর মধ্যে এমন কি আছে যে আপনার কিছু হয়ে যাবে? এবং এই ঘটনা ঘটছে দীর্ঘ সাত আট বছর ধরে। তার মানে সাত
Speaker A
আট বছর ধরে তিনি কাজে গেছেন, কাছ থেকে বাড়ি আসছেন, ঘটনা কিছু ঘটেনি। তার মানে এটা শুধুমাত্র একটা, আপনার ভালো করে বুঝবেন, এটা শুধুমাত্র আপনার কল্পনা। তো কল্পনা আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে করতে পারেন, যেকোন বিষয় নিয়ে আসতে পারেন। এ বিষয়টাকে একদম হালকা
Speaker A
করে দিন। এর সাথে বাস্তবের কোনভাবে কোন জায়গায় মিল নেই। আপনি শুধু ব্যাপারটাকে অনেক বড় করে ভাবছেন। অন্য মানুষ ভাবছে না, আপনি ভাবছেন। তাই আপনার সমস্যাটা হচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ভাবছেন, আপনি ফেসে আছেন। দ্বিতীয় জায়গায় পজিটিভ যুক্তি। আপনি একদম যে চিন্তাটা আসছে, যে এঙ্গেল
Speaker A
থেকে দেখছেন, যেভাবে দেখছেন, তার পজিটিভ যুক্তি দিন। ধরুন সেই ব্যক্তিরই কথা আমি বলি, যিনি কবরস্থান এবং শ্মশানের পাশ দিয়ে বাড়িতে রোজ ফেরে এবং রোজ ভয় পায়। তো এখানে বিষয়টা উনি বলছেন যে ভাবছেন যে আমার শুধুমাত্র গেলেই ভয় লাগে, শারীরিক
Speaker A
সমস্যা হয়, আমার প্রচুর কষ্ট হয়, টেনশন হয়, হাত পা কাঁপে, আমার মনে হয় কিছু হয়ে যাবে। এই বিষয়গুলো তার মধ্যে আসে। এটা তার একটা দৃষ্টিকোণ। আরো একটা দৃষ্টিকোণ আছে যেটা সে মিস করে কি [মিউজিক] মিস করে যে আমি এগুলো ভাবি, কিন্তু আমার কিছু হয় না।
Speaker A
আমি এগুলো ভাবি, ঘটনাটা ঘটে যাবে, হাত পা কাপে, এই হবে, তাই হবে। কিন্তু আমি রোজ বাড়ি চলে আসি, বাড়ি চলে এসে চাটা খেয়ে দিয়ে আবার পরিবারের সঙ্গে ব্যস্ত হয়ে যাই। তার মানে এই যে চিন্তা আছে, এর কিন্তু এফেক্ট
Speaker A
নেই। ফিজিক্যাল এফেক্ট নেই। মেন্টাল এফেক্ট আছে। আপনি চিন্তা করছেন, ভয় পাচ্ছেন। খুব সহজ ব্যাপার না। চিন্তা করলেই তো ভয় লাগবে, টেনশন লাগবে, বিরক্ত লাগবে। এরম ধরনের ভুলভাল চিন্তা যদি আসে, আপনি দৃষ্টিকোণটা চেঞ্জ করুন। [মিউজিক] লজিক দিন, যুক্তি দিন যে আমার ওইখানে
Speaker A
গেলেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। কেন হচ্ছে? আমার বাড়িতে এলেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে না। কেন হচ্ছে না? আমি কি বাড়িতে আসার পর আমি কি পিঠে একটা সিলিন্ডার নিয়ে কি ঘরের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছি? আর ওখানেতে গেলে অক্সিজেনের কমতি হচ্ছে? আমার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, তেমনটা নয়। লজিক দিন, যুক্তি দিন।
Speaker A
খুব ক্লিয়ারভাবে প্রত্যেকটা বিষয়কে কিন্তু ভালো করে শুনবেন। এটা আরো ইম্পর্টেন্ট যে চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করুন। চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করুন। যে চিন্তাটা আসছে, সেই চিন্তাটাকে চ্যালেঞ্জ করুন। যে ভাই, আমার কি হতে পারে?
Speaker A
সর্বাধিক কি ক্ষতি হতে পারে? অমুক, অমুক, অমুক হতে পারে। ওটা হতে পারে, হার্টটাক হতে পারে, স্ট্রোক হতে পারে, তাই হতে পারে, হ্যান হতে পারে। সমস্ত জিনিসটা। তো ডাক্তার কি বলেছে আমাকে? বলেছে কিছু হতে পারে না। আমার রিপোর্ট কি বলছে? কিছু নেই।
Speaker A
আপনার তো আপনার কিছু নেই, কোন ক্ষতি হতে পারে না। আপনার যে চিন্তাগুলো আছে, সে সন্দেহ হোক, যাই হোক, আপনি চ্যালেঞ্জ করুন। আপনি যখন চ্যালেঞ্জ করবেন, চ্যালেঞ্জ করার জন্য তাকে কি করতে হবে? প্রথমে একসেপ্ট করতে হবে, তারপরে আপনাকে চ্যালেঞ্জ করতে
Speaker A
হবে। একটা ছোট ঘটনা আমি বলি, আপনাদের আরো একটু বুঝতে সুবিধা হবে। মাইক টাইসন নিশ্চয়ই নাম শুনেছেন, বিরাট বড় বক্সার। তো মাইক টাইসন যখন ছোট ছিল, তো যখন বক্সিং শিখতে গেছিল, তো তার কোচ বলছিল যে তুই বক্সিং পারবি না, কারণ এই বয়সেতে তুই এত
Speaker A
ছোট বয়সে বক্সিং করবি কি করে? বলেছে যে তো বলছে যে আমার বাবা বলেছে যে তুই বক্সিং পারবি এবং আমি বক্সিং লড়বো। [মিউজিক] তো তার কোচ বলছে না, এটা সম্ভব না। তো বলেছে ঠিক আছে, এটা বড় একটা ছেলের সঙ্গে বলেছে
Speaker A
প্র্যাকটিস কর। তো বড় ছেলেটা যথেষ্ট তাকে মারছে। তো কোচ তাকে বলছে যে চলে আয় তুই। তুই সম্ভব না। আরেকটু বড় হও তারপর। বল না, আমি যাব না। তিনটে রাউন্ড শেষ হবে তারপরেই আমি যাব। তো বলছে যে তোকে এই কথা কে
Speaker A
শিখিয়েছে? তিনটে রাউন্ড শেষ হবে, তারপরে যাবি। তো বলছে আমার বাবা শিখিয়েছে। তো বলছে তোর বাবা কি শিখিয়েছে? তো বলছে আমার বাবা শিখিয়েছে যে খেলতে খেলতে সেখান থেকে পালিয়ে আসবি না। তিনটে রাউন্ড শেষ করেই বেরবি। জেতার আগে মার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
Speaker A
আপনাকে একসেপ্ট করতে হবে। তবেই কিন্তু মাইক টাইসন মাইক টাইসন হয়েছিল। ঠিক আছে। তো একসেপ্ট করে নিন। ডিনাই করবেন না। হ্যাঁ। ঠিক আছে। আমার চিন্তা আছে। আমার টেনশন হয়। আমার ভুল চিন্তা আছে। আমার সন্দেহ হয়। ঠিক আছে। ওকে। আমি মেনে
Speaker A
নিলাম। মেনে নেয়ার পরে যে রেজাল্ট আপনার মাথায় আসছে, ঠিক ঠিক আছে, দেখা যাক হয় কিনা। এই যে দেখা যাক হয় কিনা, এই মানসিকতা যদি আপনি রাখেন, আপনার চিন্তাগুলো দেখবেন হালকা হয়ে যাবে। আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার চিন্তা কিন্তু কিছু হচ্ছে না, মনের মধ্যে
Speaker A
অন্য একটা শান্তি।
Speaker A
আপনার আর যে ক্ষতিটা সম্ভাবনা আপনি ভাবছেন যে অমুক ক্ষতি হতে পারে আপনি আপনার চিন্তা কি আসছে এবং ওই ক্ষতিটা হতে পারে এবার আপনি চিন্তাকে আপনি কত পারসেন্টেজ দিচ্ছেন কত গুরুত্বটা দিচ্ছেন আপনি 100র মধ্যে কত নাম্বার দিচ্ছেন আপনি যদি 100র মধ্যে 100
Speaker A
দেন তার মানে এটা তো ধরে নেওয়ার দরকার যে যে ফলাফলটা আপনি আশা করছেন সেটা ঘটবেই আপনি যদি ভালো করে পড়াশোনা করেন তো ফলাফল তো এটা ধরে নেয়া যায় যে আপনার আপনি একটা রেজাল্ট করবেন হয়তো ফার্স্ট সেকেন্ড না হতে পারেন কিন্তু ভালো রেজাল্ট টা করবেন
Speaker A
তো আপনার যে চিন্তাভাবনা আসছে সেই চিন্তাভাবনাকে আপনি হান্ড্রেড দিচ্ছেন তাহলে ফলাফল যেটা আছে তাকে কি আপনি হেড দিতে পারছেন আপনার কি ঘটনাটা ঘটছে এই দুটোকে মাপুন পরিষ্কারভাবে মাপুন পরিষ্কার হবে এবং চিন্তা ও ফলাফলকে লিখুন এটা সবথেকে ইম্পর্টেন্ট জায়গা আপনাকে করতেই
Speaker A
হবে অর্থাৎ আপনাকে মাথায় ঢুকে নিন এটা যে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কি করতে হবে সেটাও বলে দিয়েছি এখানেতে তো [মিউজিক] সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনাকে নিজের সাথে কিছু পজিটিভ কথাবার্তা বলতে হবে যে আপনি ভালো আছেন [মিউজিক] এটা নিয়ে অনেক ভিডিও করেছি ওগুলো
Speaker A
একটুখানি কাইন্ডলি শুনবেন পরে আগের ভিডিওগুলো নলে ওটা ডিসকাস করতে গেলে আবার অনেক বড় হয়ে যাবে তো আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে মানসিকতা এটা করে নিন যে আজকে আমার 20টা 25 টা 40 টা 100 টা চিন্তা আসবে সেই চিন্তাগুলোকে আপনি ডেট দেবেন
Speaker A
আজকে এক তারিখ সময় সকাল 7তটা আপনার অমুক অমুক অমুক চিন্তা আসছে আপনার মনে হচ্ছে যেন আজকে এই ঘটনা ঘটে যাবে আপনি লিখলেন সময় [মিউজিক] দিয়ে আপনার আবার চিন্তা আসলো আটটার সময় 9টার সময় 10টা সময় চিন্তাগুলো আপনি লিখছেন [মিউজিক] পরপর এবং
Speaker A
আপনি তার পাশে ফাঁকা জায়গা দিয়ে রেখে দিচ্ছেন যে চিন্তা লিখলাম ভয় লাগছে টেনশন হচ্ছে অমুক হচ্ছে তমুক হচ্ছে সব লিখবেন ফলাফল কি ঘটলো রাতে আপনি লিখুন ফলাফল কি ঘটলো আপনি তো সকালবেলা এত টেনশন করলেন এত চিন্তা ফলাফল কি ঘটলো আপনি ওটা লিখবেন
Speaker A
প্রত্যেকদিন লিখবেন প্রথম প্রথম দেখবেন যে আপনার অনেকটা লিখতে হচ্ছে তারপর এক সপ্তাহ পরে দেখবেন অটোমেটিক লেখাটা খানিকটা কমেছে তারপরে যতদিন যাচ্ছে দেখবেন লেখাগুলো আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে কমছে আপনার কাছে যখন এক মাস দেড় মাস বা দু মাসের যখন একটা
Speaker A
তথ্য চলে আসবে আপনার চিন্তা আছে কিছু হয় না আপনি যেগুলো লিখছেন নিজের চিন্তাকে বুঝতে শিখছেন আপনি দেখবেন আপনার মস্তিষ্ক অটোমেটিক বুঝে গেছে যে আপনার এই চিন্তাগুলো বেকার আপনি রিলাক্স অনুভব করবেন আপনি করে দেখুন এটা করতেই হবে আমি যে পরপর পয়েন্টগুলো বলছি এগুলো কিন্তু
Speaker A
আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি আমি একদম কাজ করবে কাজ করবেই করবে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো এটা মাস্ট ইম্পর্টেন্টলি সোশ্যাল মিডিয়াতে কম সময় কাটান। পরিবার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে অনেক বেশি সময় কাটান। তাদের সঙ্গে ঘুরতে যান। তাদের সঙ্গে হাসাহাসি করুন। এটা খুব
Speaker A
ইম্পর্টেন্ট। খুব ব্যায়াম, মেডিটেশন, যোগা, প্রাণায়াম করুন। এটা তো সব সর্বাধিক ইম্পর্টেন্ট। আপনাকে যাই হোক না কেন আপনাকে ব্যায়াম করতেই হবে। কিছু না পারলে আপনি সকালবেলা ঘুম থেকে উঠুন। 40 মিনিট খুব জোর [মিউজিক] হাঁটুন। এক মিনিটে 120 পা। আপনি ব্যায়াম করুন। আপনি যোগা
Speaker A
করুন, আপনি মেডিটেশন করুন। আপনি প্রাণায়াম করুন, শ্বাসের ব্যায়াম করুন। আপনার আমি কথা দিচ্ছি আপনার ডেভেলপমেন্ট হবেই হবে। হবেই হবে। আপনার মানে শারীরিক সমস্যা দেখবেন যে ম্যাজিকের মতো কমতে থাকছে। আপনি যদি করেন এক্সারসাইজ যারা করে প্লিজ তারা নিচে একটুখানি কমেন্ট করে লিখে
Speaker A
দিও যে কি উপকার হয় যাতে অন্য মানুষজন উৎসাহিত হতে পারে। এবং এখানেতে আমি একটা চিন্তাভাবনা করেছি পরবর্তী সময় একটি যোগা প্রাণায়াম মেডিটেশন এই নিয়ে একটা ক্লাস স্টার্ট করব। যখন করবো আমি আপনাদেরকে জানাবো। আপনারা সেখান থেকে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারেন। [মিউজিক] এটা আমার
Speaker A
চিন্তাভাবনার মধ্যে আছে। আপাতত এই মুহূর্তে আমি একটুখানি ব্যস্ততার মধ্যে আছি যার ফলে এই মুহূর্তে সম্ভব না। তবে এটা আমি স্টার্ট করবো। এটা কিন্তু এই পয়েন্টটাকে কিন্তু মিস করবেন না। প্লিজ সকালবেলা অথবা বিকেলবেলা আপনাকে এক্সারসাইজ করতেই হবে। আপনি নরমাল স্কুলে
Speaker A
যে পিটিগুলো করছেন সেগুলো করান। মেডিটেশন করুন, যোগা করুন, প্রাণায়ামগুলো করতেই হবে। এটার মত মেডিসিন আপনি খুঁজে পাবেন না পৃথিবীতে। নেশা ধীরে ধীরে বন্ধ করুন। নেশা করা ভালো না। প্লিজ বন্ধ করে দিন ধীরে ধীরে। চেষ্টা করুন বন্ধ করে দেওয়ার।
Speaker A
হ্যাঁ। সকলের সাথে হেসে কথা বলুন। আপনার একটা টার্গেট থাকবে। এটাই আপনার প্র্যাকটিস। সারাদিনে যত মানুষ দেখা হবে আপনার পরিবার হোক বাইরের হোক এটাই প্র্যাকটিস থাকবে। আপনি হেসে কথা বলবেন। আপনি দেখুন দু মাস বাদে আপনার কিরম অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়। আপনি দেখবেন যে
Speaker A
অটোমেটিক্যালি আপনি সবার সাথে হেসে কথা বলতে পারছেন। আপনার রিলাক্স ফিল করবেন। বই পড়ুন। সারাদিনে আপনি নিজেকে একটুখানি বই পড়ার সুযোগ দিন। অন্ততপক্ষে মানে মিনিট 15 থেকে 20 আমি বেশি বলছি না 15 থেকে 20 মিনিট কি কি বই পড়বেন এই যে ডেসক্রিপশন
Speaker A
দেয়া আছে ভিডিওটা সেখানে লেখা আছে আরও অন্যান্য জায়গাতে আমি বইয়ের নামগুলো লিখেছি আপনি নিচেতে ক্লিক করে দেখতে পারেন আপনার এই প্রোডাক্ট বলে আইটেমটা যেটা আছে সেখানেতে আমি প্রচুর বইয়ের নাম লিখে দিয়েছি সেখানেতে লিংক দিয়েছি সেগুলো দেখতে পারেন আর যদি সেরম হয় তাহলে আমি
Speaker A
একটি বই নিয়ে ভিডিও করে দেব কি কি বই পড়া যেতে পারে যে কাজগুলিতে আনন্দ পেতেন ভালো করে বুঝুন যে কাজগুলিতে আনন্দ পেতেন আগে সেই এই কাজগুলো অবশ্যই করুন। অবশ্যই করুন। আপনার ভালো না লাগলেও করতে শুরু করুন। প্যাটার্ন চেঞ্জ [মিউজিক] হয়ে
Speaker A
যাবে। অবশ্যই ঘুরতে যান। কোন একটা টাইমেতে দিনে ঘুরতে যান। সকালে বিকেলে সন্ধে রাতে কোন একটা জায়গায় কাছাকাছি জায়গায় আপনি একটু ঘুরে আসুন। আপনার বন্ধুবান্ধব আপনার পরিবারকে নিয়ে ঘুরে আসুন। বেশি না বেশিক্ষণ যেতে হবে না। আপনি আধা ঘন্টা 40
Speaker A
মিনিট এক ঘন্টা যান। তার থেকে বেশি যেতে হবে না। আপনি ঘুরে আসুন এভরিডে। সমস্যার মুখোমুখি হন। পালাবেন না। সমস্যার আপনাকে মুখোমুখি হতে হবে। আপনার জীবনের সমস্যা আপনার জীবনের ব্যর্থতা কোনদিনও শেষ হবে না। আমার জীবনের সমস্যা আমার জীবনের ব্যর্থতা কোনদিনও শেষ
Speaker A
হবে না। এটা শেষ হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে ব্যর্থতা সমস্যা আপনাকে মেনে নিতে হবে। কারণ এই ব্যর্থতা সমস্যা এক ধরনের ধাক্কা। এই ধাক্কা কি করে? আমাদের সাকসেসের পথে এগিয়ে দেয়। এটা মাথায় রাখবে। ঠিক আছে?
Speaker A
আচ্ছা আর কি? এক্সপ এক্সপোজার বাড়ানো। এক্সপোজার বাড়ানো বলতে আপনার যে চিন্তাটা আসছে সেই চিন্তাটাকে আপনাকে এক্সপোজ করতে হবে। অর্থাৎ আপনার মনে হচ্ছে যেন হাত না ধুয়ে খেলে আমার শরীর খারাপ হয়ে যাবে। আপনাকে পাঁচবার 10 বার হাত ধুতে হচ্ছে।
Speaker A
নরমালি একজন মানুষ একবার হাত আপনাকে 10 বার ধুতে হচ্ছে। আপনি একবার ধুন। যে দেখি তো কি হয়। এক্সপোজ করুন। দেখি তো কি হয়। আমার কোন একটা দূরে গেলে সমস্যা হয়। ঠিক আছে। আপনি এক্সপোজ করুন। ঠিক আছে। আমার ওইখানে গেলে সমস্যা হয় তো। আমার ওখানে তো
Speaker A
আমি আজকে 10 মিনিট যাব। এক্সপোজ করুন নিজেকে সেই জায়গায় যান। আচ্ছা আমার অমুক কথা শুনলে সমস্যা হয়। আচ্ছা আজকে দেখি তো শুনে কি হয়। এটা একদম প্র্যাকটিসের মধ্যে রাখুন। দেখবেন যে আপনি যখনই এক্সপোজ করতে শুরু করবেন নিজেকে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে
Speaker A
সেই বিষয়গুলোকে চ্যালেঞ্জ দেবেন। সেগুলোকে এচিভ করবেন আপনার ব্রেন একটা অন্যরকম কনফিডেন্স পাবে। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এটা মাথায় রাখতে হবে। নির্ভরশীলতা কমিয়ে ফেলতে হবে। একদম এক্সপোজার নিয়ে আরো বিষয়টা বলা যেত। যাই হোক [মিউজিক] অনেক বড় ভিডিও হয়ে যাবে।
Speaker A
নির্ভরশীলতা কমিয়ে ফেলুন। নির্ভরশীলতা কিন্তু আপনাকে পঙ্গু করতে হবে। প্লিজ নির্ভরশীলতা কমিয়ে ফেলুন। আপনি একা অনেক শক্তিশালী। আপনি নির্ভর হয়ে গিয়ে শক্তিটা বুঝতে পারেন না। নির্ভরশীলতা কমিয়ে ফেলুন। নিজের উপরে আপনি বিশ্বাস রাখুন। দেখবেন যে আপনার কনফিডেন্স হুহু করে বাড়ছে। নলে কমে যাবে কনফিডেন্স।
Speaker A
ডিপেন্ডেন্স হওয়া মুশকিল। ডিপেন্ডেন্সি ডিসঅর্ডার অবশ্যই হয় মানুষের। ডিপেন্ডেন্ট হওয়া মুশকিল। সোশ্যাল মিডিয়া দেখা বন্ধ করুন। প্লিজ কম [মিউজিক] করে দিন। বিশেষ করে ফেসবুক যেখানেতে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আছে যেগুলো কন্ট্রোভার্সিয়াল ভিডিও সেক্সুয়াল প্রচন্ড ধরনের ভিডিও যেগুলো আপনাকে উত্তেজিত করে দেয়। আপনি ভালো জিনিস
Speaker A
দেখুন। আপনি টার্গেট করুন সারাদিনে পাঁচটা মোটিভেশনাল ভিডিও দেখবেন। আপনি প্রচুর ভিডিও পাবেন এই ধরনের। [মিউজিক] আপনি ভালো সিনেমা দেখুন। আপনি ভালো নিউজ দেখুন। আপনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফি দেখুন। আপনি মানুষের জীবনযাত্রা দেখুন। সারভাইভ কিভাবে করে জঙ্গলেতে। এই নিয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি,
Speaker A
ডিসকভারি সাইন্সের বিভিন্ন রকম ভিডিও দেয়। সেগুলো দেখুন। হাসির কোন রাখা একটা সিনেমা দেখুন। আপনি এগুলো দেখুন। অহেতুক কার বউ কাকে নিয়ে পালাচ্ছে আর কার মেয়ে কার সঙ্গে প্রেম করছে? কে কাকে অপমান করছে? এইসব থার্ড ক্লাস জিনিস এগুলো দেখে
Speaker A
কি করবেন? আর নিউজ চ্যানেলগুলোতে তো অথেন্টিক নিউজ চ্যানেল দেখুন। অর্ধেক জায়গা মানে মানে কি বলব? ভুলভাল নিউজ দেয়। মানুষকে উত্তেজিত করে দেয়। প্লিজ ওগুলো থেকে দূরে থাকুন। আপনি ভালো থাকবেন আপনি আপনি দুটো মাস ফেসবুক বন্ধ করে দেখুন আপনি
Speaker A
ভালো থাকবেন আমি কোন এগেন্স্টে বলছি না আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু আমার মনে হয় আপনি এটা করুন কারণ আমি বহু মানুষকে কিন্তু এই জিনিস করতে বলেছি এবং প্রত্যেকে উপকার হয়েছে একজন বলেনি যে আমার উপকার হয়নি আমি নিজেও ফেসবুক ব্যবহার করি না
Speaker A
দৈনিক সব কাজ করবেন সঠিক সময় কাজগুলো করবেন দৈনিক সব কাজ করবেন কোন কাজ বন্ধ নেবেন না নিজে বসে থাকবেন না হয়তো শুয়ে থাকবেন না হয়তো নিজের কাজে ব্যস্ত থাকবেন শুবেন বসবেন কেবলমাত্র রাতের বেলা আপনি ব্যস্ত থাকুন। নিজের সাথে একদম
Speaker A
নেগেটিভ কথা বলবেন। আমি ঠিক হবো না, হচ্ছে না, পারবো না, হবে না, বুঝতে পারছি না। কবে ঠিক হবে, এই হবে, তাই হবে। এই যে বিষয়গুলো আছে এগুলো থেকে আপনাকে দূরে থাকতে হবে। এই নেগেটিভ কথাগুলো আপনি যদি নিজেকে বারবার বারবার বলেন তাহলে আপনি কি
Speaker A
করছেন? আপনি মস্তিষ্ককে শেখাচ্ছেন যে এগুলোকেই বলার দরকার। এগুলো কি বলার দরকার? আপনি বলুন তো। আপনি বাস্তবে বলুন। না বলার দরকার নেই। তাই আপনি প্লিজ এগুলোকে বলা বন্ধ করে দিন। একদম বলবেন না। ঠিক আছে? আরো একটি ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট এবং
Speaker A
সর্বাধিক ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট এটা পজিটিভ ও নেগেটিভ চিন্তা লিস্ট করুন। মানে আপনাকে কি করতে হবে? আপনাকে প্রথমে জানতে হবে যে আপনার কতগুলো চিন্তা আসছে। একই ধরনের চিন্তা দেখবেন। প্রায় প্রায় এক ধরনের চিন্তা। আপনি লিস্ট করে ফেলুন। আচ্ছা অমুক ধরনের চিন্তাগুলো আসছে। আমার চিন্তাগুলো
Speaker A
আসার পরে কি হচ্ছে? চিন্তাগুলো আসার পরে আমার ভয় লাগছে। আপনার অনুভূতি কি তৈরি হচ্ছে? ভয় লাগছে আপনার সন্দেহ হচ্ছে আপনার যা যা হচ্ছে আপনি লিখুন অনুভূতিগুলো কি কি হচ্ছে এরপরে আপনার শারীরিক অনুভূতিগুলোকে লিখে ফেলুন প্রথমে মানসিক বিষয়গুলোকে লিখে
Speaker A
ফেলুন যে আপনার কি হচ্ছে ভয় হচ্ছে সন্দেহ হচ্ছে রাগ হচ্ছে দুঃখ হচ্ছে কষ্ট হচ্ছে যা যা হচ্ছে লিখুন এটা এটা এটা হচ্ছে তারপরে আপনার শারীরিক কি কি সমস্যা হচ্ছে আপনার হাত পা কাপছে বুক দরপড় করছে মন খারাপ হয়ে
Speaker A
যাচ্ছে মাথা চাপ হয়ে যাচ্ছে চোখ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে খেতে ভালো লাগছে না কি কি হচ্ছে তারপরে আপনি লিখুন এই যে বিষয়গুলো ঘটলো তাতে আপনার কি হলো কি ঘটনা ঘটলো আপনি যে চিন্তাটা যে ঘটনাটা বলেছিলেন যে বা যেটা ভাবছেন যেটা হবেই তার এগেন্স্টে কি
Speaker A
কোন কিছু ঘটলো আপনার হাতে কি প্রমাণ কিছু আছে নাকি আপনি ভাবছেন ওটা সত্যি আপনাকে অন্য একজন মানুষ দেখছে আপনার সম্পর্কে কি চিন্তা করছে এটা আপনার মাথায় আসছে ওই লোকটা আমার সম্পর্কে খারাপ চিন্তা করছে অমুক চিন্তা করছে তমুক চিন্তা করছে আচ্ছা
Speaker A
ওই লোকটা চিন্তা করছে না আপনি চিন্তা করছেন ভালো করে বুঝেন লাইনটা ওই লোকটা চিন্তা করছেন না আপনি চিন্তা করছেন আপনি চিন্তা করছেনযে ওই লোকটা কি ভাবছে? আপনি তাকে বোঝার চেষ্টা করছেন। ওই লোকটা হয়তো কিছুই ভাবছে না। ওই লোকটার হয়তো বাড়িতে
Speaker A
বউ পিটিয়েছে। সেই চিন্তা করছে মনের দুঃখে। আপনি ভাবছেন যে সে আপনার ব্যাপারে চিন্তা করছে। কিছু করেনি। বিষয়টাই এটা। আপনি চিন্তা করছেন ওই লোক কিচ্ছু ভাবছে না। তার মানে এই যে ভুল চিন্তা। তার ফলে কি হচ্ছে? আপনার মন খারাপ
Speaker A
হচ্ছে, টেনশন হচ্ছে। আপনি বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির চিন্তাভাবনা করছেন, আপনার অনুভূতিগুলো চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে, হাত পা কাপছে। হাত ঘামছে, বুক দরপর করছে। তারপর কি হচ্ছে? কোন ঘটনাই হচ্ছে না দিনের শেষে তাহলে আপনি রেজাল্ট কি পাচ্ছেন কিচ্ছু না [মিউজিক] তার মানে আপনার একটা চার্ট তৈরি
Speaker A
হয়ে গেল এটা ডেইলি লিখুন আপনার নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে লিখে ফেলুন সেই চিন্তাগুলো আপনার আসলে আপনি বলবেন না নিজের সাথে আপনি তার এগেন্স লজিক লিখে রাখুন যুক্তি লিখে রাখুন পজিটিভ যুক্তিগুলো আপনার এই চিন্তাগুলো আসলে আপনি ব্রেনকে বলুন আচ্ছা আমার মনে হচ্ছে একটা বড় রোগ আছে কেন
Speaker A
হয়েছে যুক্তি ডাক্তার বলেছে তো ঠিক আছে সমস্ত ইসিজি রিপোর্ট ইকো রিপোর্ট আমার লিপিড প্রোফাইল সমস্ত রিপোর্ট ডাক্তারও বলেছে তুমি সুস্থ মানুষ দৌড়ো ছোট এক্সারসাইজ করো তাহলে এই চিন্তাটা কি আছে বেকার চিন্তা ভুল চিন্তা আমি অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে ভেবে দেখি যে আমি একজন
Speaker A
সুস্থ মানুষ আমার তো বড় বড় কোন রোগ নেই তাহলে আমি ভাবছি আমার রোগ হয়েছে তাহলে এটা ভাবনা এটা বাস্তব নয় আপনি এইভাবে ক্লারিফাই করুন আমার যদি রোগ হতো তাহলে আমি পাঁচ কিলোমিটার হাটতাম কি করে আমার যদি রোগ হতো তাহলে আমি এত নরমালি থাকতাম
Speaker A
কি করে সে রোগটা বাড়তো দেখা দিত তাহলে আমারগুলো ভাবনা যার ফলে কিছু হবে না আমি ভাবছি যে অমুক ঘটনা ঘটে যাবে ওই সন্দেহটা আসছে প্রমাণ কি আছে আমি তো প্রমাণ ছাড়াই ভাবছি আমি তো দৃষ্টিকোণ থেকে দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করে দিচ্ছি আমি এমন এক
Speaker A
সন্দেহবাতিক দৃষ্টিকোণ তৈরি করে ফেলেছি যে সেই জায়গা থেকে ভাবছি আদৌ কিছু ঘটেনি তার কোন প্রমাণ নেই ঘটলে তার প্রমাণ দেখতাম পেতাম কোথায় পেলাম আমি চোখেতে বিশ্বাস করব চোখেতে দেখিনি আমি ভাবছি আর বিশ্বাস করছি ভাবনাটা কোথা থেকে এলো এই ফেসবুক
Speaker A
বিভিন্ন রকম নিউজপেপার লোকের মুখে তাহলে লোকের মুখের কথা আমি আমার সাথে মেলাচ্ছি কেন মেলাচ্ছি অন্য লোকের হার্টও গেলে হার্ট অ্যাটাক হলেই আমার হবে তার তো কোন ব্যাপার নেই অন্য লোক অনেক ধনী হয়ে গেছে আমি ধনী হতে পারিনি সে ধনী হয়েছে ধনী
Speaker A
হয়েছে আপনি ধনী হননি সে ধনী হয়ে ভালো আছে আপনি কি করে জানলেন সে ভালো আছে ধনী হয়ে আর আপনি তার সঙ্গে তুলনা করছেন বাইরে থেকে ভেতর থেকে তুলনা করছেন না সোনার খাটাতে সুলেই যে ভালো ঘুম হবে এমন কোন কথা
Speaker A
নাই আপনাকে যা উপরওলা দিয়েছে আপনার ওইটুকুই কন্ট্রোল করার ক্ষমতা আপনি কন্ট্রোল বাড়ান ক্ষমতা বাড়ান নিজেকে তৈরি করুন আপনার বাড়বে আপনি বই পড়ুন এক্সারসাইজ করুন শরীর সুস্থ করুন দেখুন আপনার মস্তিষ্ক কিরকম দৌড় হচ্ছে দেখুন শরীর শরীরের মধ্যেই হচ্ছে মস্তিষ্ক।
Speaker A
প্রথমেতেই বলে রেখে দিই ব্যায়াম আপনাকে করতেই হবে। যাই করুন না কেন। আর জীবনেকে আপনার জীবনে তো আপনাকে ব্যায়াম করতেই হবে। আজ নয় কাল। আজকে আপনি ইচ্ছাই করছেন না। পরবর্তী সময় ডাক্তার বলবে যে আপনাকে করতে হবে। আপনি ভয়ে দৌড়োবেন। পরিষ্কার
Speaker A
ব্যাপার। আপনি এখন ভালো আছেন তো তার জন্য বুঝতে চাইছেন না। আর দ্বিতীয় হচ্ছে চিন্তাগুলোকে লিখে ফেলুন। সমস্যাগুলোকে ফেস করুন। পালাবেন না। আবার আমি পুনরায় একটি কথা বলছি। আমি বর্তমানে কাউন্সেলিং করি না। প্লিজ ফোন বা মেসেজ করবেন না। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে আপনাকে এটা মাথায়
Speaker A
ঢুকিয়ে নিতে হবে যে জীবনে প্রত্যেকটা মানুষের পৃথিবীতে 800 কোটি মানুষ 800 কোটি মানুষেরই জীবনে ব্যর্থতা অসফলতা থাকবেই থাকবে। সমস্যা থাকবেই থাকবে। এটা কোনদিনও যায় না। যদি এই সমস্যা ব্যর্থতা অসফলতা চলে যায় তাহলে আমাদের জীবন থমকে যায়। এরা আসে আমাদেরকে ধাক্কা দিয়ে সামনে
Speaker A
এগিয়ে দেওয়ার জন্য। এগুলোই আমাদের জীবনের সবথেকে বড় অভিজ্ঞতা। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ। আবার নেক্সট একটা অন্য বিষয় নিয়ে কথা হবে।
Topics:মানসিক রোগদুশ্চিন্তাভয়কাউন্সেলিংমানসিক স্বাস্থ্যচিন্তা মোকাবেলাএকসেপ্টেন্সপজিটিভ চিন্তাব্যায়ামমানসিক সুস্থতা











