নিজের অ্যাটিটিউড উন্নত করে কিভাবে সবার সম্মান ও রেস্পেক্ট অর্জন করবেন তা শেখানো অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও।
Key Takeaways
- সঠিক অ্যাটিটিউড মেনে চললে জীবনে সম্মান ও রেস্পেক্ট পাওয়া যায়।
- নিজেকে মূল্যবান ও বিরল ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
- আত্মবিশ্বাস ও সৎ মনোভাব সম্মানের মূল চাবিকাঠি।
- সীমারেখা বজায় রেখে সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।
- নতুন চিন্তা ও সাহসী মনোভাব সফলতার জন্য অপরিহার্য।
What the video covers
- মানুষের কাছ থেকে সম্মান পাওয়ার জন্য সঠিক অ্যাটিটিউড রুলস মেনে চলা জরুরি।
- ইজ্জত পাওয়া টাকা ইনকামের চেয়ে কঠিন এবং জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
- নিজেকে একটি এক্সপেন্সিভ ও রেয়ার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যাতে মানুষ তোমাকে প্রিমিয়াম মনে করে।
- নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে চোখে চোখ রেখে কথা বলা উচিত, যা সম্মান বাড়ায়।
- বারবার সাহায্যের জন্য কারো কাছে যাওয়া বা চিপ হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- সৎ, পরিপক্ক এবং কমিটেড থাকা উচিত যা মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা ও সম্মান বাড়ায়।
- গ্রুপের মধ্যে মিশলেও একটি সীমারেখা বজায় রাখা জরুরি যাতে সম্মান বজায় থাকে।
- নতুন ও তাজা আইডিয়া নিয়ে নিজেকে সবসময় আপগ্রেড করতে হবে।
- কাউকে ভয় না পেয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করতে হবে, এতে সম্মান বৃদ্ধি পায়।
- নিজের লক্ষ্য ও বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন ও সম্মান বাড়ানো সম্ভব।
Chapters
- 00:00সম্মান ও রেস্পেক্টের গুরুত্ব ও সমস্যা
- 00:57অ্যাটিটিউড রুলস পরিচিতি ও প্রয়োজনীয়তা
- 02:24অ্যাটিটিউড ১: এক্সপেন্সিভ মডেল অফ রেয়ার কপি
- 03:50অ্যাটিটিউড ২: আত্মবিশ্বাস ও চোখে চোখ রেখে কথা বলা
- 04:37অ্যাটিটিউড ৩: কারো কাছে বারবার সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকা
- 05:22অ্যাটিটিউড ৪: সৎ, পরিপক্ক ও কমিটেড থাকা
- 06:07অ্যাটিটিউড ৫: গ্রুপে সীমারেখা বজায় রাখা
- 07:32অ্যাটিটিউড ৬: নতুন ও তাজা আইডিয়া নিয়ে নিজেকে আপগ্রেড করা
- 08:21অ্যাটিটিউড ৭: ভয় না পেয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করা
- 09:04সফলতা ও সম্মানের জন্য চূড়ান্ত পরামর্শ
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
[মিউজিক] কি করবো ভাই, আমি তো সবাইকে রেস্পেক্ট করি, কিন্তু ভাই মানুষ আমাকে কোন দামই দেয় না। এমন কি করব, যার জন্য মানুষ আমাকে দাম দেবে? তো বন্ধুরা, এর একটাই উত্তর, তোমাকে কিছু রুল ফলো করতে হবে, কিছু অ্যাটিটিউড রুল যা
Speaker A
আজ পর্যন্ত তুমি জানোনি অথবা তোমাকে কেউ বলেনি, যেটা ফলো করার পর তুমি অবশ্যই বলবে, "সাব্বাস ভাই, অনেক উপকৃত হলাম।" আসলে দুনিয়ার সমস্যা কি জানো? কিছু মনে করো না, একটা করা কথা বলি, এখানে অনেক হারামি লোক রয়েছে। জি হ্যাঁ, এখানে রেস্পেক্ট দিতে কেউ
Speaker A
চায় না, কিন্তু সবার রেস্পেক্ট চাই। রেস্পেক্ট এমন একটা জিনিস, যেটা পাওয়া টাকা ইনকামের চেয়েও কঠিন। আর দুনিয়াতে খুব কম মানুষই আছে যারা রেস্পেক্ট নিয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে। কথাই বলে, বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজন খাবার, পোষাকার থাকার জন্য ঘর, কিন্তু সত্যি হচ্ছে এগুলোর
Speaker A
সাথে রেস্পেক্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা ছাড়া বেঁচে থাকা মুশকিল। তুমি নিজেই চিন্তা করো, ১% রেস্পেক্ট ছাড়াও কি তুমি জীবনে বেঁচে থাকতে পারবে? হয়তো কখনো না। আর জানো দুঃখের কথা কি? দুঃখের কথা হলো তুমি কাউকে বলতেও পারবে না যে মানুষ তোমাকে
Speaker A
রেস্পেক্ট দেয় না। একথা কাউকে বলতে পারবে না, শুধু নিজের মনের মধ্যে চেপে রাখতে হবে। কিন্তু এমন কেন ভাই? কিছু মানুষ আছে যারা না চাইতেও মানুষ তাদেরকে অনেক রেস্পেক্ট দেয়। আর কিছু মানুষ আছে যারা চেয়েও কোন রেস্পেক্ট পায় না। মানুষ এমন কেন? খারাপ
Speaker A
মানুষকে রেস্পেক্ট দেয়, কিন্তু কেউ যদি ভালো হয়ে থাকে, সবার সাথে ভালো ব্যবহার করে, তারপরও মানুষ তাকে বেইজ্জত করে। দেখো ভাই, সম্মান পাওয়া বা না পাওয়ার পেছনে একটাই রিজন আছে, আর সেটা হলো অ্যাটিটিউড সমস্যা। মানুষ জানেই না এটার বিষয়ে, সবাই
Speaker A
মনে করে আমি মাথা উঁচু করে হাঁটবো, আর অন্যজন মাথা নিচু করে হাঁটবে, কিন্তু এমনটা হয় না। বন্ধুরা, বন্ধুরা, আজকের এই ভিডিওতে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করবো এরকম আরেকটি অ্যাটিটিউড রুলস যা তোমাকে সবসময় ইজ্জত দেওয়াবে, সব জায়গায় দেওয়াবে, সবদিক থেকে
Speaker A
দেওয়াবে, আর যেখানেই যাবে সেখানেই সম্মান মিলবে। আর জানো সবচেয়ে মজার বিষয় কি? সবচেয়ে মজার বিষয়টা হলো এই রুলস সবার জন্য। আর এর চেয়েও মজার বিষয় হচ্ছে এখানে তোমার কোন তফাত নেই, হোক তুমি কালো, সাদা, খাটো বা লম্বা। এজন্য আমি বলছি এসবের কোন
Speaker A
প্রয়োজন নেই। তুমি শুধু শেষ পর্যন্ত এই ভিডিওটা দেখো, আর মনে করে কাল সকাল থেকে তুমি যেখানেই বের হও, এই আটটি রুলস তোমার মাথায় গেঁথে নাও, আর সবসময়ের জন্য ফলো করো। তো চলো শুরু করা যাক। অ্যাটিটিউড নাম্বার ওয়ান, বি
Speaker A
এক্সপেন্সিভ মডেল অফ রেয়ার কপি। এমন একটা মানুষ তৈরি হও যেন অনেক দামি হোক, কিন্তু অনেক রেয়ারলি কেউ মিলতে না পারে। কিছু প্রোডাক্ট থাকে না মার্কেটে, অনেক দামি, কিন্তু মানুষ তার জন্য পাগল হয়ে থাকে। কিন্তু তারপরও যারা ধনী মানুষ রয়েছে,
Speaker A
তাদের কাছে কোন ফারাক পড়ে না। কিন্তু এই জিনিসটা যদি অনেক রেয়ার হয়ে যায়, সহজেই পাওয়া যায়, সেটা স্টক আউট হয়ে যায়, আর তখন অনেক বড় বড় ধনী মানুষরাও পাগল হয়ে যায় সেটা পাওয়ার জন্য। তুমি এক্সাক্টলি সেটা বুঝে গেছো যেটা আমি তোমাকে বলতে
Speaker A
চাচ্ছি। হ্যাঁ, শুধু গায়েব হয়ে গেলেই ইজ্জত পাওয়া যায় না। প্রথমত এমন কিছু হয়ে উঠতে হবে যাতে মানুষ মনে করে আসলে এই ব্যক্তিটা অনেক কাজের, বা এই মানুষটার অনেক প্রয়োজন। আর একই সাথে মানুষের জন্য তোমার এটেনশন একেবারে কমিয়ে দিতে হবে। একজন
Speaker A
এক্সপেন্সিভ মানুষ কিভাবে তৈরি হবে? নিজের ডিজাইন মাইন্ডসেটের মাধ্যমে, নিজের সাকসেসের মাধ্যমে, নিজের কমিটমেন্টের মাধ্যমে। আর এগুলোর মাধ্যমেই মানুষ তোমাকে প্রিমিয়াম মনে করবে। আর যখন মানুষের জন্য তোমার এটেনশন কমে যাবে, তখন মানুষ তোমাকে আগের চেয়ে বেশি ইজ্জত দিতে শুরু করবে।
Speaker A
অ্যাটিটিউড নাম্বার টু, বি কনফিডেন্ট এন্ড লুক এস্টেড টু দ্যা অপোনেন্ট সাইজ। চোখ নিচু করে কখনো চলাচল করবে না। নিজের নজর সবসময় শার্প এবং সাহসী হতে হবে। যখনই কারো সাথে মিশো, না কেন, হোক সে তোমার চেয়ে শরীরে বড় বা অনেক পাওয়ারফুল বা ধনী হোক
Speaker A
না কেন, সবসময় তার চোখে চোখ রেখে কথা বলো। তোমার চেহারা এবং চোখে তোমার কনফিডেন্স ভেসে উঠতে হবে। এর ফলে সামনের জন তোমাকে সিরিয়াসলি নিবে, আর সবসময় তোমাকে তার প্রায়োরিটি লিস্টে রাখবে। তোমার সাথে দেখা করার জন্য সবসময় এক্সাইটেড থাকবে, আর
Speaker A
তোমাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবতে শুরু করবে। দেখো এখানে তোমাকে কিছু করতে হবে না, শুধু সোজা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং সামনে থাকা ব্যক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলবে, বলতে হবে। ফলে ওই ব্যক্তি তোমাকে হিরোর মতো দেখবে, আর তোমাকে কখনো ভুলতে পারবে না।
Speaker A
তোমাকে ইগনোর করতে পারবে না। অ্যাটিটিউড নাম্বার থ্রি, ডোন্ট এপ্রোচ এনিবডি। মানুষের মাঝে একটা জিনিস আমি অনেক দেখেছি, কিছু মানুষ রয়েছে যাদের ক্ষুধা লাগে বা এমন অভ্যাস থাকে যে বারবার মানুষের কাছে সাহায্য চায়, বা তাদের সামনে গিয়ে কান্না করে যাতে সে তাদের
Speaker A
সিম্প্যাথি বা এটেনশন পায়। মানুষের কাছে এটেনশন পাওয়ার জন্য যখন বারবার গিয়ে মানুষকে কেউ ডিস্টার্ব করে, তখন এতটাই চিপ লাগে যে এমন মানুষকে কেউ ইজ্জত করা তো দূরের কথা, এমন মানুষের সাথে কেউ থাকতেও চাইবে না। নিজের ব্যক্তিত্বকে যতটা স্ট্রং
Speaker A
রাখবে, ঠিক ততটাই রেস্পেক্ট পাবে। বারবার কারো কাছে গিয়ে সাহায্য চাওয়া অথবা পাওয়ার চেষ্টা করা এটা তোমাকে মানুষের কাছে চিপ এবং ডিফেক্টিভ বানিয়ে দেবে। এর ফলে তোমার পরিচিত মানুষগুলো তোমার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে। অ্যাটিটিউডের তিন নম্বর নিয়মটা একথাটাই বলে যে তোমার কারো
Speaker A
কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। যত কঠিন পরিস্থিতি হোক, নিজে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করো, আর তোমার নিজে থেকে কাউকে এপ্রোচ করার প্রয়োজন নেই। অ্যাটিটিউড নাম্বার ফোর, বি অনেস্ট, ম্যাচিউর এন্ড কমিটেড অন হোয়াট ইউ মিন। সৎ হও, বোঝার চেষ্টা করো এবং নিজের
Speaker A
কথার দাম দাও। পুরাতন যুগের একটা কথা আছে, জীবন যাবে যাক, কিন্তু কথার নড়চড় হবে না। এখনকার সময় মানুষ এই কথাটাকে অনেক হালকাভাবে নেয়। যদি মানুষ এই কথাটা মেনে চলে, তাহলে বড় থেকে বড় সাম্রাজ্য দাঁড় করা কোন ব্যাপারই না। কিছু মানুষ রয়েছে
Speaker A
যারা শুধু বড় বড় কথা বলে, এটা করে নেব, ওটা করে নেব, কিন্তু কাজের সময় কিছুই করে না। এমন মানুষগুলোকে সোসাইটি অবজার্ভ করে, কিন্তু যখন এই ঘটনাগুলো বারবার ঘটতে থাকে, তখন মানুষের মনে তার প্রতি ইজ্জত, সম্মান সব শেষ হয়ে যায়, যার জন্য মানুষগুলো
Speaker A
জীবনে কিছু করতে পারে না এবং বড় কিছু করার জন্য মানুষ সাপোর্টও করে না। তো বেটার হয় কিছুই বলিও না, কেউ নজর দিবে না। কিন্তু অ্যাটিটিউডের এই নিয়মগুলো যদি ফলো করো, তাহলে যখনই কোন রকমের কমিটমেন্ট আসে, তখনই তা পূরণ করার কাজে নেমে পড়ো, আর এটা
Speaker A
প্রমাণ করো তুমি যা বলো তা তুমি করেই ছাড়ো, যেটাতে কেউ বাধা দিতে পারবে না। আমি বলছি এটা করাতে তোমার সফলতা আর মানুষের কাছে তোমার ইজ্জত আজকের চেয়ে ১০০ গুণ বেড়ে যাবে। অ্যাটিটিউড নাম্বার ফাইভ, বিন লিমিটস ফর ইনভলভিং ইন গ্রুপ। এটা সবচেয়ে
Speaker A
বড় নিয়ম। যদি আসলেই জীবনে ইজ্জত চাও, তাহলে এই নিয়মটা অবশ্যই পালন করো। দেখো ভাই, তুমি কি কখনো বাঁশ পাখিকে কবুতরের পালের মাঝে উঠতে দেখেছো? কখনো দেখোনি। বা কখনো কোন বাঘকে দেখেছো ভেড়ার পালের সাথে চড়তে? কখনোই দেখোনি। দুটো প্রাণী নিজে
Speaker A
নিজের ফিল্ডের রাজা। এজন্য তারা এই কথাটা খুব ভালোভাবেই জানে যে যদি তারা নিজের জন্য একটা লিমিট সেট না করে, তাহলে কালকে সকল প্রকার প্রাণীরা নিজেকে তাদের সমান ভাবতে শুরু করবে। যদি কাল থেকে বাঁশ পাখি কবুতরের সাথে থাকতে শুরু করে, তাহলে
Speaker A
কিছুদিন পর কবুতর বাঁশ পাখিকে অনেক হালকাভাবে নিবে। ফলে বাঁশ পাখি আকাশে যে নিজের রাজত্ব তৈরি করেছে, সেটা মাটিতে মিশে যাবে। তো এখানে একটা শিক্ষার বিষয় আছে, কোন মানুষের পক্ষে একা জীবন কাটানো ইম্পসিবল, আর এটা করা উচিত নয়। কিন্তু হ্যাঁ, তখন যদি
Speaker A
অন্য কারো সাথে মিশো বা কোন গ্রুপের সাথে, তখন একটা লিমিট পর্যন্তই তাদের সাথে মজা করো। আর আজকের সময় যে তোমার চেয়ে বড় বা ছোট, যে তোমাকে ইজ্জত দেয়, তাকে সঠিক মর্যাদা দাও, তাদের সাপোর্ট করো। কিন্তু তাদের সাথে খুব বেশি মিস্তে যেও না, তা না
Speaker A
হলে তাদের কাছে তোমার ইজ্জত, সম্মানও হারিয়ে ফেলবে। আর এটা খুবই কমন বিষয় কারণ এটা হিউম্যান ন্যাচার। এজন্য তুমি যখন কোন মানুষের সাথে মিশবে, তখন একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। অ্যাটিটিউড নাম্বার সিক্স, অলওয়েজ কাম আপ উইথ ফ্রেশনেস অফ আইডিয়া। সবসময় একই খাবার, একই ড্রামা, একই সিনেমা
Speaker A
দেখতে যেমন ভালো লাগে না, ঠিক তেমনি একই রকমের মানুষ যারা বারবার একই রকমের ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠায়, পুরাতন আইডিয়া নিয়েই থাকে, তাকেও কেউ পছন্দ করে না। এজন্য সবসময় নিজেকে আপগ্রেড ও আপ টু ডেট রাখতে হবে। বর্তমানে বাঁচতে হবে, আগামীতে আসা
Speaker A
ভবিষ্যতের চিন্তা ভাবনা নিয়ে তোমার আইডিয়া যেটা তুমি মানুষের মাঝে শেয়ার করবে, সেটার মাঝে ফ্রেশনেস থাকতে হবে, তাজা হতে হবে, নতুন হতে হবে, সবার থেকে আলাদা হতে হবে। কারো পেছনে পড়ে থাকা তো যাবেই না। নতুন আইডিয়ার সাথে নিজেকে নতুন রূপে
Speaker A
ফিরিয়ে আনো। তাহলে তোমার ডিমান্ড অনেক দ্রুত বেড়ে যাবে। অ্যাটিটিউড নাম্বার সেভেন, নেভার এভার ফেয়ার টু এনিওয়ান ইন সার্কেল। কাউকে দেখে ভয় পাওয়া যাবে না। যদি কারো কোন কথা খারাপ লাগে, তাহলে সেটা তার মুখের উপরে বলে দাও। যদি কোন কিছু ভালো
Speaker A
না লাগে, তাহলে যেটা তোমার অন্তরে আছে তা সবার সামনে নিয়ে আসো। এর ফলে কেউ তোমার সামনে তো দূরে থাক, তোমার পেছনেও তোমার দুর্নাম করতে পারবে না, কারণ সে জানে তুমি তার প্রতিবাদ করবে। এতে তোমার সার্কেলে সবাই তোমাকে অন্য নজরে দেখবে। তোমার
Speaker A
সার্কেলে হয়তো কেউ তোমার চেয়ে বুদ্ধিমান থাকতে পারে, বা তোমার চেয়ে চালাক থাকতে পারে, বা তোমার চেয়ে পাওয়ারফুলও থাকতে পারে, কিন্তু সেখানেও তোমার অ্যাটিটিউড বজায় রাখতে হবে। যদি আমাকে নিয়ে কেউ বাজে কথা বলে, তো আমি তার প্রতিবাদ করবই। এতে যে
Speaker A
যা ভাবো, এমন অ্যাটিটিউড নিয়ে চলাফেরা করতে।
Speaker A
তোমাকে নিজেও নামিয়ে দিতে পারে এজন্য তুমি কার সাথে মিশছো কে তোমাকে পছন্দ করে কে তোমাকে পছন্দ করে না এসব খেয়াল রাখো তোমাকে কখন কোন সময় রিএক্ট করতে হবে এসব বিষয় মাথায় রাখো নিজের দুর্বলতা নিয়ে কাজ করো আর দ্রুততা শেষ করো নিজের
Speaker A
লক্ষ্যের দিকে সবসময় নজর রাখতে হবে আর নিজের বুদ্ধিকে সবসময় কাজে লাগাতে হবে যখনই কোন বড় পদক্ষেপ নিবে তখন অবশ্যই তার ইম্প্যাক্ট সম্পর্কে ভাবতে হবে বন্ধুরা আজকের ভিডিওতে আমরা নিজের অ্যাটিটিউড নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বললাম আমার মনে হয় না এরপর থেকে তোমার নিজের ইজ্জত
Speaker A
বাড়ানোর জন্য কাঁদতে হবে আশা করছি তোমার জীবনের আগামী পথগুলোকে এই ভিডিওটা অবশ্যই পরিবর্তন করবে আর যদি ভিডিওটা ভালো লাগে তবে অবশ্যই ভিডিওটা লাইক করো আর তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দাও থ্যাংকস ফর ওয়াচিং [মিউজিক]
Topics:অ্যাটিটিউডরেস্পেক্টইজ্জতমোটিভেশনাল ভিডিওবাংলা মোটিভেশনসফলতাআত্মবিশ্বাসব্যক্তিত্ব উন্নয়নসম্মাননাগর বায়স্কোপ











