Skip to content

প্রতিদিন মানসিক নির্যাতনের শিকার? নার্সিসিস্টের খপ্পর থেকে বের হোন এভাবে

নার্সিসিস্টিক মানসিক নির্যাতন থেকে বাঁচার উপায় ও বাস্তবতা মেনে চলার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা।

Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.

Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.

Key Takeaways

  • নার্সিসিস্ট পরিবর্তন হয় না, তাই তাদের বদলানোর চেষ্টা ত্যাগ করুন।
  • নিজেকে দোষারোপ না করে নিজের মানসিক সুস্থতার দিকে মনোযোগ দিন।
  • গ্রে রক মেথড ব্যবহার করে নার্সিসিস্টের সাথে সম্পর্ককে নিরপেক্ষ রাখুন।
  • বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর।
  • সোশ্যাল মিডিয়া ও যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেকে সুরক্ষিত করুন।

What the video covers

  • নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি পরিবর্তন হয় না, তাই তাদের বদলানোর আশা ত্যাগ করা জরুরি।
  • নিজের বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা ব্যবহার করে থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া উচিত, বন্ধু-বান্ধবের নয়।
  • নিজেকে দোষারোপ করা ও অনুশোচনা থেকে মুক্ত থাকতে হবে, কারণ নার্সিসিস্টের খারাপ আচরণ আপনার ত্রুটির ফল নয়।
  • নার্সিসিস্টের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন না করতে পারলে মানসিক সম্পর্ক ডিসকানেক্ট বা 'গ্রে রক মেথড' অনুসরণ করা উচিত।
  • নার্সিসিস্টরা খুব সচেতন ও কৌশলী, তাই তাদের সাথে মোকাবিলায় পাকা স্ট্রাটেজি প্রয়োজন।
  • নার্সিসিস্টের দুর্বলতা প্রকাশ না করে সংক্ষিপ্ত ও নিরপেক্ষ উত্তর দেওয়া উচিত।
  • মানসিক নির্যাতনের শিকাররা নিজেদের উন্নতি ও মানসিক সুস্থতার জন্য শক্তি সংরক্ষণ করবেন।
  • নার্সিসিস্টিক সম্পর্ক থেকে মুক্তির জন্য বাস্তবতা মেনে নেওয়া ও নিজেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।
  • থেরাপিস্টের পরামর্শ গ্রহণ ও মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত।
  • সোশ্যাল মিডিয়া, ফোন নম্বর ব্লক করে স্মৃতি থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

Answers

Questions about this video

নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি কি বদলাতে পারে?

না, নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি সাধারণত বদলাতে পারে না। থেরাপির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই পরিবর্তন অসম্ভব বা খুব কমই সম্ভব।

নার্সিসিস্টের সাথে সম্পর্ক থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়?

প্রথমে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে তারা বদলাবে না। এরপর মানসিক সম্পর্ক ডিসকানেক্ট বা গ্রে রক মেথড অনুসরণ করে সংক্ষিপ্ত ও নিরপেক্ষ যোগাযোগ রাখা উচিত।

নার্সিসিস্টিক নির্যাতনের শিকাররা কী ধরনের সাহায্য নিতে পারেন?

সাইকোথেরাপিস্ট বা বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টের সাথে কথা বলা সবচেয়ে ভালো। বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শ অনেক সময় বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
সে তার মতই থাকবে আর আমাকে ব্যবহার করবে তার স্বার্থসিদ্ধির কাজে। বাস্তবতাকে স্বীকার করা। নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটিটাই এমন যে তারা বদলাতে পারে না। কিছু ইউফরিক রিকলও থাকে। মানে সুখস্মৃতি। আপনি যদি এমনভাবে না করে অমনভাবে করতেন তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। তাদের সাথে মানসিক সম্পর্কটাকে
00:22
Speaker A
ডিসকানেক্ট করে দেন। এখন কেউ যদি নিজে চেঞ্জ না হতে চায়, তাকে কেউ বাইরের কেউ চেঞ্জ করতে পারবে না। কিভাবে বাঁচবেন নার্সিসিস্টের খপড় থেকে?
00:31
Speaker A
আসসালামু আলাইকুম। নার্সিসিস্টের খপড় থেকে বাঁচার প্রথম করণীয় হলো কিছু না করা। মানে প্রকাশ্যে। কেন বলছি সেটাই বলবো আজকের আলোচনায়। দর্শক গত দুটি পর্বে আমরা নার্সিসিস্টদের বৈশিষ্ট্য এবং তাদের সাথে থাকা সঙ্গীর কি অবস্থা হয় তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকে
01:15
Speaker A
আমরা কথা বলবো এর প্রতিকার কি বা কিভাবে বাঁচবেন আপনি। যথারীতি আমার আজকের আলোচনাটাও ডক্টর রমণী দুর্বাসুলার ইটস নট ইউ আইডেন্টিফাইং এন্ড হিলিং ফ্রম নার্সিস্টিক পিপল বই অবলম্বনে। আমি সাইকিয়াট্রিস্ট না, সাইকোলজিস্ট না, সার্টিফাইড কাউন্সিলর না, কাজেই আমার আলোচনার উপর ভিত্তি করে কোন পদক্ষেপ
01:35
Speaker A
নেয়ার আগে নিজের বুদ্ধি, বিবেচনা, প্রজ্ঞা, বাস্তবতা প্রয়োগ করবেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি একজন থেরাপিস্টের সাথে কথা বলে নেন। তবে বন্ধুবান্ধব না। কিন্তু বলা হয় এ সমস্ত কাউন্সেলিং এ বন্ধু-বান্ধবীরা অনেক সময় আপনাকে মিসগাইড করতে পারে, কনফিউজ করতে পারে। সাইকোথেরাপিস্টের সাথে কথা বলেন।
01:55
Speaker A
উনি আপনাকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দিতে পারবেন। চলেন শুরু করি। বাস্তবতাকে স্বীকার করা এটা হচ্ছে নার্সিসিস্টিক রিলেশন থেকে বাঁচতে ভিকটিমের প্রথম করণীয় যে বাস্তবতা স্বীকার করা। বাস্তবতাটা কি? যে আপনার সঙ্গী কখনো বদলাবে না। কারণ নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটিটাই এমন যে তারা বদলাতে পারে
02:23
Speaker A
না। ফিক্সড ডিজেগ্রিবল। তাছাড়া এদেরকে থেরাপির আন্ডারে আনাও যায় না। আনলেও দেখা যায় ৬০% কেসই এমন সময় থেরাপি কুইট করে যখন চেঞ্জটা মাত্র শুরু হয়েছিল। এখন কেউ যদি নিজে চেঞ্জ না হতে চায়, তাকে কেউ বাইরের কেউ চেঞ্জ করতে পারবে না। তো ডক্টর রমণী
02:43
Speaker A
কেন বলছেন এই বাস্তবতাটাকে মেনে নিতে? কারণ বাস্তবতাটা মেনে নিলে আপনি আর এই আশায় থাকবেন না যে মানুষটা বদলাবে। এখন আশা নষ্ট করে দেয়া তো ভালো কথা না। আমরা তো আশা নিয়েই বেঁচে থাকি। তাই না? কিন্তু ডক্টর রমণী বলছেন আপনি যদি আশা করে থাকেন
03:01
Speaker A
যে মানুষটা বদলাবে, তাহলে আপনি আপনার সমস্ত মনোযোগ, চেষ্টা, আবেগ সব ঢেলে দিতে চাইবেন ওই মানুষটার পেছনে যে দেখি চেষ্টা করে বদলায় কিনা। এত কিছু করার পর আপনার নিজের জন্যে, নিজের উন্নতির জন্যে বা মানসিক অবস্থাকে বদলাবার জন্য কিছু করার শক্তি
03:19
Speaker A
অবশিষ্ট থাকে না। আপনি নিঃশেষিত হয়ে যান। তাছাড়া আশা করা মানে আপনি মনে করছেন এখানে আপনার দায় আছে। আপনি যদি এমনভাবে না করে অমনভাবে করতেন তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। এই যে সেলফ ব্লেম, দোষ নিজের কাঁধে নেয়া, অনুশোচনায় ভোগা
03:36
Speaker A
এটা আপনার হিলিং এর পথে অন্তরায়। কারণ বাস্তবতা হচ্ছে আপনি যাই করেন না কেন নার্সিসিস্ট বদলাবে না। আর তার খারাপ আচরণ আপনার কোন ত্রুটির কারণে না। আপনি যদি সব নিখুতভাবে করতেনও তারপরও সে আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করতো। কিন্তু চ্যালেঞ্জ হলো
03:56
Speaker A
ভিকটিমকে এই কনভিকশনে আনাটা খুব কঠিন। ডক্টর রমণী তার এক কেসের কথা বলেছেন। মহিলা কোনভাবেই মানতে রাজি হচ্ছিলেন না যে তিনি তার স্বামীকে বদলাতে পারবেন না। শেষ পর্যন্ত ডক্টর রমণী তার সাথে একটা বাজি ধরলেন। যদিও বলছিলেন যে একজন থেরাপিস্ট
04:13
Speaker A
হিসেবে পেশেন্টের সাথে এরকম সম্পর্কে যাওয়ার কথা না। তারপরও মানে থাকে না কারো কারো ব্যাপারে একটু এক্সট্রা অফেকশন কাজ করে। তো উনি তার কেসকে বললেন, মানে তার সেই রোগীকে বললেন যে তোমার এই চেষ্টায় যদি তোমার স্বামীর কোন পরিবর্তন হয় তাহলে আমি
04:29
Speaker A
তোমাকে এক কাপ চা কিনে খাওয়াবো। আর যদি না হয়, তাহলে তুমি ওই রাস্তার উল্টোপাশের দোকান থেকে আমার জন্য এক কাপ চা নিয়ে আসবে। ডক্টর রমণী তখন যে চেম্বারে বসতেন সেখানে মানে রাস্তার উল্টোপাশে একটা চায়ের দোকান ছিল। তো ব্যস্ত দিনের মাঝে
04:44
Speaker A
রাস্তা পার হয়ে ওখান থেকে চা আনাটা ছিল একটা ঝুঁকির কাজ। আর বিদেশে তো আমাদের মত এত পিও, নাটদালি, অফিস অসিস্টেন্ট থাকে না। তো চাটা ডক্টর রমণীকে নিজেকেই আনতে হতো। বাজি ধরার উদ্দেশ্য হলো অন্তত সেদিনের চাটা আর তাকে গিয়ে নিয়ে আসতে হচ্ছে না।
05:00
Speaker A
ডক্টর রমণী বলছেন, মেয়েটি সম্ভবত এভাবে তাকে ৬০টি কাপ, মানে ৬০ কাপ চা এনে দিয়েছে। এরপর মানে সে বাজিতে হেরে গেছে। সে ভেবেছিল তারই আচরণে তার স্বামী বদলাবে। কিন্তু তা হয়নি। ৬০ বার এরকম হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত তার বুঝে আসলো যে না, আমি যত
05:19
Speaker A
কিছুই করি সে বদলাবে না। সে তার মতই থাকবে আর আমাকে ব্যবহার করবে তার স্বার্থসিদ্ধির কাজে। প্রকাশ্যে ঘোষণা নয়, মনে মনে কৌশল করা। বাস্তবতা তো বোঝা হলো। নেক্সট করণীয় কি?
05:37
Speaker A
চিৎকার করে বলা যে তুমি নার্সিসিস্ট, তুমিই আমার জীবনটা ধ্বংস করেছো, এই করেছো, সেই করেছ না। ডক্টর রমণী বলছেন নার্সিসিস্টকে ঘোষণা দিয়ে জানানো যে আমি বুঝেছি তুমি নার্সিসিস্ট, এইজন্য তুমি এসব করো, এসব করো, এটা স্ট্রাটেজিক্যালি রং। এই বলায়
05:56
Speaker A
নার্সিসিস্টের কিছুই যায় আসে না। এবং আসলে সে তো নিজেই জানে যে সে কি কেন এসব করছে। দেখেন অনেক সময় অনেকে বলে যে একজন নার্সিসিস্ট না বুঝে এসব করে, রাগকে কন্ট্রোল করতে পারে না ইত্যাদি। ভুল। দেখেন সে যদি রাগকে কন্ট্রোল না করতে
06:15
Speaker A
পারার জন্যই এমন করে, তাহলে কেন দাওয়াতে সবাই চলে যাওয়া পর্যন্ত সে অপেক্ষা করে? এরপর কেন শুরু হয় তার মানসিক অত্যাচার?
06:25
Speaker A
তুমি কেন এটা পড়লে? অমুকের সাথে কেন এটা বললে? এটা করলে ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে আমি বলতে চাচ্ছি একজন নার্সিসিস্ট কিন্তু বুঝে শুনে হিসাব নিকাশ করে সবকিছু করে। মানুষকে রিড করতে পারার ক্ষমতা এদের অসাধারণ। একজন চোর বা পকেটমার্ক যেমন বাসে উঠে বুঝে ফেলে
06:44
Speaker A
কার কাছ থেকে কি চুরি করবে, একজন নার্সিসিস্টও তেমনি বোঝে কাকে কি টোপ দিয়ে গেলাবে। আমি যে নববিবাহিত কাপলের কথা বলেছি এর আগের দু পর্বে, ওখানে স্বামীটা করতো কি মেয়েটির পরিবারের মুরুব্বিদের কাছে একদম ভেজা বেড়ালের মত হয়ে থাকতো। এরা তো জামাইয়ের আচার ব্যবহার
07:04
Speaker A
দেখে মুগ্ধ, এত ভালো, এত স্মার্ট, এমনকি নিজেদের মেয়েকে পর্যন্ত তারা প্রথমদিকে বিশ্বাস করতে চাইতো না যখন মেয়েটা ছেলেটির ব্যাপারে কিছু কিছু কথা বলতে শুরু করেছিল। কাজেই এদের সাথে খেলতে হলে আপনাকেও পাকা খেলোয়াড় হতে হবে। মানসিক সম্পর্কছেদ কি করেন তাদের সাথে
07:29
Speaker A
মানসিক সম্পর্কটাকে ডিসকানেক্ট করে দেন। ডক্টর রমণী এটাকে বলেছেন সোল ডিস্টেন্সিং। আপনার সত্তা, আপনার নিজস্বতা, আপনার পরিকল্পনা, আপনার গ্রোথ প্ল্যান এগুলো নিয়ে কিচ্ছু বলবেন না তাকে। এমনকি আপনার কি সাথে কষ্ট, কি করলে আপনার খারাপ লাগে, আপনি হার্ট হন এসব ব্যাপারেও তাকে বলার
07:50
Speaker A
প্রয়োজন নেই। মানে যা অলরেডি জানিয়েছেন তো জানিয়েছেন, নতুন করে আর কিছু জানানোর দরকার নেই। কেন ডক্টর রমণী বলছেন একজন নার্সিসিস্ট যখন বোঝে আপনার দুর্বলতা কোথায়, তখন সে আরো বেশি বেশি এই পয়েন্ট ধরে কথা বলবে। আমার এক আত্মীয় ছিল সিঙ্গেল
08:08
Speaker A
প্যারেন্ট, তখনও তার ডিভোর্স হয়নি, সেপারেশন চলছিল। সে ডিভোর্স দিতে ভয় পেত যদি হাজবেন্ড বাচ্চাদের কাস্টডি চায়। আমি বললাম, দেখো তার যা পূর্ব স্ত্রী, তাতে মনে হয় না এসব ঝামেলা সে নিতে চাইবে। তবে হ্যাঁ, তুমি যদি এটা নিয়ে বেশি উতলা হও
08:27
Speaker A
এবং এটা সে টের পায় যে বাচ্চারা হচ্ছে তোমার দুর্বলতা, তাহলে কিন্তু এটা দিয়ে সে তোমাকে হিট করবে। কারণ তোমাকে কষ্ট দেয়াই তার উদ্দেশ্য। আমি তখনো নার্সিসিজম বা তাদের সাথে কিভাবে স্ট্রাটেজাইজ করতে হয় এসব কিছু জানতাম না। কিন্তু দেখলাম ডক্টর
08:42
Speaker A
রমণী তার কেসদেরকে এই পরামর্শই দেন যে বুক ভেঙে যাবে। তারপর ওকে বুঝাবা না যে বাচ্চার কাস্টডি তোমার সবচেয়ে প্রায়রিটি। ধুষর পাথর হয়ে যান। নার্সিসিস্টদের সাথে এই সম্পর্কটাকে ডক্টর রমণী গ্রে রক মেথড বলেন। মানে একটা ধুষর পাথর যেমন শীতল, তার
09:05
Speaker A
মধ্যে কোন এক্সপ্রেশন নাই। সেরকম নিরাবেগ একটা সম্পর্ক। প্রশ্নের উত্তরগুলো খুব সংক্ষেপে হ্যাঁ, না বা শুধু তথ্যটুকু দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। যেমন ধরেন কোন নার্সিসিস্ট বলল তুমি কি জানো তোমার ওই উদ্ভট কাজটার জন্য আমার সারাদিনের মুডটাই নষ্ট হয়ে গেছে? আপনি সংক্ষেপে উত্তর দেন
09:26
Speaker A
না তো? আচ্ছা, হ্যাঁ। নার্সিস্টার উদ্দেশ্য ছিল আপনাকে দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করানো যাতে সে ঝগড়া করতে পারে অথবা ক্ষমা চাওয়ানো, তাহলে সে জয়ের অনুভূতি পেত। কিন্তু আপনি সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে তার ভাতে ছাই দিয়ে দিলেন। বা ধরেন অফিসে আপনাকে কেউ এসে বলল তুমি জানো আমাদের বস
09:45
Speaker A
তোমার চেয়ে আমাকে বেশি পছন্দ করে, কারণ তুমি এই, এই মানে এটা। এরপর শুরু হবে ব্যক্তিগত আক্রমণ। আপনি সিম্পলি উত্তর দেন, তাতে আমার কোন অসুবিধা নেই, আমি সাধ্যমত বসের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বস মূল্যায়ন করবেন কি করবেন না, এটা বসের এখতিয়ার।
10:01
Speaker A
ব্যাস, কথা শেষ। সে চেয়েছিল আপনাকে বিতর্কে জড়াতে, আপনি এমন এমন একটা উত্তর দিলেন, এরপর আর বিতর্ক করাই যায় না। অর্থাৎ গ্রে রকিং হলো আপনি রেগে গিয়ে হতাশ হয়ে নার্সিসিস্টের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে যে মজাটা দিতেন, কারণ তারা এটা থেকেই মজা পায়,
10:20
Speaker A
সেটা আর না দেয়া। একটা ইন্টার্নাল বাউন্ডারি তৈরি করা যা পেরিয়ে নার্সিসিস্ট আর ঢুকতে পারবে না। এতক্ষণ যেগুলো বললাম এগুলো হলো নার্সিসিস্টের সাথে যখন আপনি সম্পর্ক ছেদ করতে পারছেন না। সহকর্মী, আপনার বাবা-মা, ভাইবোন বা ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পরও সন্তানের বাবা
10:40
Speaker A
বা মায়ের সাথে যখন আপনাকে ইন্টার্যাক্ট করতে হচ্ছে, বা অনেক সময় বাস্তব কারণে হয়তো ডিভোর্স দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হয়তো স্ত্রীর যাওয়ার জায়গা নেই। নিজের মত কিছু করার সামর্থ্য নেই বা বাচ্চা হয়ে গেছে চলে গেলে বাচ্চাটা পুরো এতিম হয়ে
10:54
Speaker A
যাবে বা জেনে শুনে এরকম দানবের কাছে সন্তানকে ছ
11:19
Speaker A
অভিযোগগুলো করে পরে তো সে তা অস্বীকার করে বা ভিকটিমকেই দোষ দেয়। জার্নালিং বা ডকুমেন্টেশন হলো এগুলোকে ডায়রিতে লিখে রাখা। এটা প্রমাণ হিসেবে থাকবে। প্রতিটি বিতর্ক বা খারাপ ঘটনাকে লিখে রাখুন। টেক্সট মেসেজ সেভ করুন যাতে আপনি আপনার স্মৃতি বা উপলব্ধিকে প্রশ্ন করা শুরু করলে
11:40
Speaker A
এই প্রমাণগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া আরেকটা কাজও হবে এতে। নার্সিসিস্টিক সঙ্গীকে নিয়ে ভিকটিমের আবার কিছু ইউফরিক রিকলও থাকে। মানে সুখস্মৃতি। ওহ 10 বছর আগে ওর সাথে কক্সবাজারে বেড়াতে গেছিলাম। কি সুন্দর সময়ই না কেটেছে। ছ মাস আগে একদিন কত আদর করল। এসব রিকল যখন হয় তখন
12:02
Speaker A
নার্সিসিস্টিক সম্পর্ক থেকে বেরনোর ইচ্ছা বা পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে যায় ভিক্টিমের জন্য। এই ডকুমেন্টেশন বা জার্নালিং গুলো তখন আপনার কাজে লাগবে। ডক্টর রমণী এটাকে ইকলেস বলেছেন মানে অরুচির তালিকা। যখনই সে আপনার সাথে খারাপ কিছু করবে তৎক্ষণৎ তা লিখে রাখুন। এই
12:22
Speaker A
লিখিত প্রমাণ আপনাকে বাস্তবতা দেখাবে এবং তথাকথিত সুখস্মৃতির ফাদে পড়তে দেবে না। এছাড়া বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবার বা থেরাপিস্টের কাছে আপনার অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করতে পারেন। বাইরের এই সাক্ষীরা আপনাকে এই নার্সিসিস্টিক অবউজের ভ্যালিডেশন দিতে পারবে। যদি প্রয়োজন হয়। তবে ডক্টর রমণী বলেছেন ফ্লাইং মাংকিদের
12:46
Speaker A
এক্ষেত্রে এভয়েড করবেন। ফ্লাইং মাংকি হলো নার্সিসিস্টদের পক্ষের লোক। নার্সিস্ট তো বেসিকলি চতুর হয়, ম্যানিপুলেটিভ হয়। ওদের হাতেও কিছু লোকজন থাকে। এরাও নার্সিস্টদের হয়ে আপনাকে ডিস্টার্ব করতে পারে। প্রস্তুতি। বাবা-মা বা ভাইবোন যদি নার্সিসিস্টিক হয় অর্থাৎ যাদেরকে আপনি পুরোপুরি এভয়েড করতে
13:12
Speaker A
পারবেন না হয়তো দেখা করতে যেতে হবে কি করবেন প্রস্তুতি নিয়ে যান মানে মানসিক প্রস্তুতি যে এই এই সিচুয়েশন হতে পারে এই এই কথা বলতে পারে যদি দেখেন মিলে যাচ্ছে সেটাকে এনজয় করেন যে মিলে গেছে আসলে আমাদের সমস্যা কখন হয় যখন আমরা এক ধরনের
13:31
Speaker A
আবেগিক এক্সপেক্টেশন নিয়ে যাই কিন্তু আপনার যদি মানসিক প্রস্তুতি থাকে যে ওরকম কিছু হবে না। আমাকে হিট দিয়া কথাই শুনতে হবে। তাহলে আর অত কষ্ট পাবেন না। যেটা প্রস্তুতি ছাড়া গেলে পেতেন। তাছাড়া তাদের সাথে দেখা হওয়ার পরের একটা প্ল্যান বানাতে
13:47
Speaker A
পারেন যে একটু হেঁটে আসবেন বা কোথাও ঘুরতে যাবেন। মানে জাস্ট একটা ডিস্ট্রাকশন যাতে ওই মিটআপের স্কারটা আপনার উপর না থাকে। সম্পর্ক ছিন্ন করলে এবার বলি যদি ছেড়ে যেতে চান তাহলে কি করবেন? প্রথমেই বলি ডক্টর রমণীর মতে সম্পর্কটা যদি ছিন্ন করার
14:09
Speaker A
মত হয় মানে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক বা বন্ধুত্বের সম্পর্ক তাহলে ছিন্ন করাকে তিনি প্রথম করণীয় এবং প্রয়োজনীয় মনে করেন। এটা কিন্তু আমার কথা না। ডক্টর রমণীর সাজেশন যিনি বছরের পর বছর নার্সিসিস্টিক এবিউস নিয়ে কাজ করেছেন। নার্সিসিস্টিক রিলেশনের ভিকটিমদের কাউন্সেলিং করেছেন। কিন্তু ছিন্ন করবেন কি
14:31
Speaker A
করবেন না সেটা আপনি আপনার বুদ্ধি বিবেচনা পরিবার পারিপাষিকতা বাস্তব অবস্থা ইত্যাদি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন দরকার হলে কোন কাউন্সিলরের সাথে আলাপও করতে পারেন কিন্তু শুধুমাত্র এই কন্টেন্ট এর উপর ভর করে ডিসিশন নেবেন না প্লিজ নো কন্টাক্ট বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর
14:53
Speaker A
নার্সিসিস্টের সাথে সমস্ত যোগাযোগ সেটা সরাসরি হতে পারে ফোন বা টেক্সট হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া হতে পারে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিন। ডক্টর রমণী 12 মাসের একটা ক্লেঞজ পিরিয়ডেরর কথা বলেছেন। মানে বিচ্ছিন্ন হওয়ার 12 মাসের মধ্যে কোনরকম ইমোশনাল টেক্সটিং কলিং মিটিং কিচছু করা
15:16
Speaker A
যাবে না। কারণ একতো এগুলো যদি কন্টিনিউ করেন তাহলে কাগজে বিচ্ছিন্নতা যতই হোক আপনার উপর নার্সিসিস্টদের নিয়ন্ত্রণ বন্ধ হবে না। দ্বিতীয়ত আপনার নিজেকে রিবিল করতে হলে এই বিচ্ছিন্নতাটা জরুরি। কারণ আপনি এতদিন তার পছন্দ অপছন্দ ভাবনা দর্শন ব্যক্তিত্বের আচ্ছাদনে আচ্ছাদিত
15:37
Speaker A
হয়েছিলেন। এখন দরকার এগুলো সব খালি করে আপনার নিজস্ব সত্তাকে পুনরাবিষ্কার। এইজন্যই এই গ্যাপ প্রয়োজন। কিভাবে করবেন?
15:48
Speaker A
ফোন নম্বর ও সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ব্লক করেন। পুরনো ইমেইল বা টেক্সট পড়বেন না। কারণ ওগুলো পড়া মানেই আপনার সেসব স্মৃতি নিমন্ত্রন। একটা কাজ করতে পারেন আপনার কোন বিশ্বস্ত বন্ধু বা লয়ারকে বাউন্সার হিসেবে রাখতে পারেন। মানে নার্সিসিস্টের সাথে আপনি সরাসরি যোগাযোগ না করে এদের
16:06
Speaker A
মাধ্যমে করতে পারেন। দুই, নিজের যত্ন ও উন্নয়নে মনোযোগ দেয়া। নার্সিস সম্পর্ক থেকে মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিচয়ের পুনর্গঠন অত্যন্ত জরুরি। নিজের যত্ন বা সেলফ কেয়ার যেমন সুস্থ খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের স্ট্রেস কমিয়ে আনুন। শখের পুনরুদ্ধার করুন। সম্পর্ক থাকাকালীন আপনি
16:32
Speaker A
যে কাজগুলো করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন, যেমন ছবি আঁকা, বই পড়া, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো সেগুলো আবার শুরু করুন। সীমারেখা স্থাপন করুন বা রিএস্টাবলিশিং বাউন্ডারিস। নিজের প্রয়োজন এবং সীমানাকে আবার সংজ্ঞায়িত করা এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন সেই সীমারেখা অতিক্রম করতে না পারে তার জন্য
16:51
Speaker A
কঠোর হন। রোমন্থনকে আড়ানো। ডক্টর রমণী বলেছেন, নার্সিসিস্টিক এবিউজের শিকারদের মধ্যে রোমন্থন বা রুমিনেশনের একটা অদ্ভুত প্রবৃত্তি দেখা যায়। সম্পর্কছেদের পরও তারা এক্সকে নিয়ে ভাবতে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এই রোমন্থনের কারণ তাদের ইউফরিক রিকল। মানে সব সম্পর্কিত কিছু সুখস্মৃতি থাকে। আমার এক আত্মীয় ছিলেন তার
17:18
Speaker A
হাসবেন্ডের সাথে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। ডিভোর্সের বেশ পরে একদিন তার সাথে কথা বলছি। তিনি বলছিলেন, তার এক্স হাসবেন্ড ঈদের আগের দিন নিজের হাতে বাচ্চাদের ঈদের জামা সেলাই করত। বলতে বলতে তার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। আমি অবাক হইনি। এটা অবশ্যই একটা
17:37
Speaker A
সুখস্মৃতি। কিন্তু এটার কারণে এই যে এতগুলো বছর এত অপমান, বঞ্চনা, অবহেলা, অত্যাচার এগুলো হয়েছে এগুলো তো মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে না। তো এই রুমিনেশন থেকে মুক্তির জন্য ইকলিস্ট একটা কার্যকর পদ্ধতি। এছাড়া থেরাপিস্টের সাথে কথা বলতে পারেন। রুমিনেশন থেকে বেরনো নার্সিসিস্টিক
17:57
Speaker A
ভিকটিমের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রুমিনেশন থেকে না বেরুলে সে নিজের গ্রোথ নিয়ে ভাবতে পারবে না। মৌ ভিক্টিমকে দেখা গেছে বিচ্ছেদের পরও তিনি আইসোলেটেড করে রেখেছেন নিজেকে। বিচ্ছিন্ন লোকচক্ষুর অন্তরালে আনসাং আনোটিস জীবনযাপন করছেন। ওদিকে এক্স হয়তো 20 বছরের ছোট কোন
18:18
Speaker A
মেয়েকে বিয়ে করে দিববি বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। ফ্যামিলি ফ্রেন্ডরা তাকেই তোলাতোলা করছে। পার্টিতে দাওয়াতে সে মধ্যমনি। মানে ভিক্টিম দেখছে ওই লোক এত অন্যায় করার পরও একটার পর একটা প্রাপ্তি পাচ্ছি। আর আমি বঞ্চিত সবদিক থেকে বঞ্চিত। এটা তাদেরকে অনেক সময় ডিপ্রেসিভ করে ফেলে। এজন্য
18:39
Speaker A
থেরাপিস্টের সাথে কথা বলতে পারেন, মেডিটেশন করতে পারেন। কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে আসতে পারেন। কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে আমরা প্রচুর মানুষকে পেয়েছি যারা হতাশার কারণে জীবনের ডিসফাংশনাল হয়ে গেছিলেন। এখন ফাংশনাল হয়েছেন শুধু না অন্যদেরকে শোনাচ্ছেন আসার মানে। মোটামুটি এই কৌশলগুলো অবলম্বন করতে পারেন। আসলে
19:01
Speaker A
ক্ষতি যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। এখন এটাকে যতটুকু ম্যানেজ করা যায়। চেষ্টা করেন আমাদের দোয়া শুভেচ্ছা আস্থা সব আছে আপনার প্রতি আপনি পারবেন ইনশাআল্লাহ সব সম্ভব [মিউজিক] [মিউজিক] [মিউজিক]
Topics:নার্সিসিস্টমানসিক নির্যাতনমানসিক স্বাস্থ্যগ্রে রক মেথডথেরাপিমানসিক সম্পর্কনিজেকে রক্ষাবিচ্ছিন্নতানার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটিবদলানোর আশা

Get More with the SozAI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →