কথা বলার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি নিয়ে আল মামুন রাসেলের ইসলামিক উপদেশ। পাবলিক স্পিকিংয়ের গুরুত্ব ও কৌশল আলোচনা।
Key Takeaways
- কথা বলা দক্ষতা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দক্ষতা।
- আত্মবিশ্বাস ছাড়া পাবলিক স্পিকিং সফল হয় না।
- ইসলামে কথার গুরুত্ব ও বিতর্কের উত্তম পদ্ধতি শেখানো হয়েছে।
- লজিক্যাল ও যুক্তিবাদী চিন্তা ছাড়া কথা বলার মান উন্নত হয় না।
- কথা বলার মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাব বিস্তার সম্ভব।
What the video covers
- পাবলিক স্পিকিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন দক্ষতা হিসেবে বিবেচিত।
- কথা বলার মাধ্যমে মানুষ চারপাশের মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে।
- ইসলামে কথার গুরুত্ব ও বিতর্ক করার উত্তম পন্থা আল্লাহ ও রাসূলের বাণীতে বর্ণিত।
- আত্মবিশ্বাস পাবলিক স্পিকিংয়ের জন্য অপরিহার্য, স্টেজে দাঁড়ানোর আগে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা উচিত।
- কথা বলার সময় ভুল ধরার ভয় ভুলে যেতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।
- যুক্তি ও লজিক্যাল চিন্তা পাবলিক স্পিকিংয়ের অপরিহার্য অংশ।
- গামা পালোয়ানের উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে কথা বলা সহজ কাজ নয়।
- ধর্মীয় কার্যক্রমে সফলতার জন্য পাবলিক স্পিকিং দক্ষতা বৃদ্ধি জরুরি।
- কথা বলার মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাব বিস্তার সম্ভব।
- কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাস ও লজিক্যাল যুক্তি প্রদর্শন করতে হবে।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
পৃথিবীর যত কাজ আছে, সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে কথা বলা। পৃথিবীতে যত দক্ষতা আছে, আগে বলা হতো নলেজ ইজ পাওয়ার। এখন বলে নলেজ ইজ পাওয়ারলেস উইদাউট স্কিল। দক্ষতাবিন নলেজের কোন ভ্যালু নেই। আজকে যত দক্ষতা আছে, পৃথিবীতে যত দক্ষতা আছে, পাবলিক স্পিকিং মোস্ট ফাইনান্স এন্ড মোস্ট সিগনিফিকেন্ট স্কিল অল স্কিল। যত দক্ষতা আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হচ্ছে কথা বলা। কথা বলা। বলা যায় কথায় কাত, কথায় মাত, কথায় বিশ্বমাত। আপনি যদি কথা বলতে পারেন, আপনি বিশ্বমাত করতে পারবেন এবং কথার বিষয়ে শুধুমাত্র এমফেসাইজ শুধু সাধারণ মানুষজন করে নাই, ইফল রিলিজিয়ন। আপনি যদি আমাদের ধর্মের দিকে তাকান, তাহলে সবচেয়ে বেশি এমপেসাইজ করেছেন কথা বলা দক্ষতা শিখার বিষয়। আল্লাহতালা কোরআনে বলেছেন, আল্লাহ তোমরা কথা বল, তোমরা বিতর্ক করো বিল্লাতি অতি উত্তম পন্থায়। আল্লাহতালা এখানে আহসান তাফজিল ব্যবহার করেছেন। এখানে আল্লাহতালা সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করেছেন যে তোমরা বিতর্ক করো অতি উত্তম পন্থায়। এবং আল্লাহ রাসূলের একটা চমৎকার হাদিস আছে। আল্লাহ রাসূলের কাছে তামিম গোত্রে তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তি আসছেন। ব্যক্তি এসে একজন, যিনি সর্দার, তিনি তার নিজের ব্যাপারে প্রশংসা করছেন, ব্যাপারে প্রশংসা করছেন। তিনি যখন তার নিজের ব্যাপারে প্রশংসা করছেন, তখন তিনি বললেন, আমি কি বলব আমার বিষয়ে? আমার বিষয়ে আমার সাথে যারা আসছেন, তারাই আমার বিষয়ে আমার আমর আছেন, আমর আমার বিষয়ে বলতে পারবেন। তা আমর আর আল্লাহ রাসূলের সামনে তার বেশি প্রশংসা করলেন না, বললেন যে আমর বললেন উনি খুবই প্রভাবশালী মানুষ, খুবই ভালো মানুষ। তখন যে সর্দার, সে চেতে গেল, মেজাজ খারাপ হয়ে গেল যে তুমি আমাকে হিংসা করো, তুমি আমার ব্যাপারে কোন প্রশংসা করলেন না। তখন আমার আমারও নিজের মেজাজ খারাপ হল। আমার বলল, আপনি তো খুব বাজি একটা মানুষ। তখন আমার চিন্তা কর আল্লাহ রাসূলের সামনে আমি একবার বললাম তার প্রশংসা করলাম, আবার একবার তার বিদ্রুপ করলাম। তাহলে আল্লাহ রাসূল তো খারাপ কিছু ভাববে। তখন তিনি বললেন, আমি প্রথমে যে কথাগুলো বলেছিলাম, এগুলো সত্য এবং দ্বিতীয়বার যে কথাগুলো বলেছি, এগুলো মিথ্যা নয়। পরবর্তীতে তারা চলে যাওয়ার পর আল্লাহ রাসূল সাহাবাদেরকে বলল, ইন্নাল বায়ানলামিনা কিছু কথা আছে যার মধ্যে জাদু আছে। জাদু যেমন মানুষকে বস করে ফেলে, জাদু যেমন মানুষকে অবাক করে ফেলে, জাদু যেমন মানুষকে তার অধীনস্থ করে ফেলে। তেমনি কিছু বক্তা আছে যারা কথা বললে চারপাশের মানুষকে বশ করে ফেলে। তার মানে আপনি যদি কথা বলার যোগ্যতা আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে আপনি চারপাশের মানুষকে আপনি বস করতে পারবেন। বন ইসরাইলের মধ্যে মুসা আলাই সালাম আসছিলেন। মুসা আলাই সালামের মুখে জড়তা ছিল। তিনি সবসময় একটা দোয়া পড়তেন। তিনি বলতেন মানে জিবা। আরবিতে শব্দের অর্থ জিবা, আল্লাহ তুমি আমার জিহবাকে সাবল করে দাও। হারুন এবং আমার ভাই হারুনকে তুমি আমার সহপাঠী বানিয়ে দাও। হারুন আলাইহি সালাম উনি তখন নবী ছিলেন না। কিন্তু উনি চমৎকার কথা বলতে পারলেন, কথা বলতে পারতেন। তখন তিনি বললেন, তুমি আমার ভাই হারুনকে তুমি আমার সহযোগী বানিয়ে দাও। তার মানে পরবর্তীতে আল্লাহ তালা মুসা আলাই সালামের কথা শুনে তার কথাকে কবুল করে পরে মুসা আলাই সালামকে নবী বানিয়ে দিলেন। তার মানে কথা বলা শুধু নট অনলি ইফ লুকনাদার রিলিজিয়ন পহিতর প্রকৃতি বিল্লক্ষণী কন্যা ক্রং গ্রাহিত স্ত্রী। বলা আছে যে তোমার স্ত্রী যদি চমৎকার হয়, তাহলে তুমি মানুষকে ধর্মের পথে তুমি চমৎকারভাবে ডাকতে পারবা। এজন্য আপনারা এখানে যারা আছে, পাবলিক স্পিকিং শুধুমাত্র পাবলিক স্পিকিং যে শুধু করবেন নিজেকে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য না। পাবলিক স্পিকিং আপনি করবেন, আপনি করলে আপনার ধর্মীয় যে কার্যক্রমগুলো, সে কার্যক্রমগুলো আপনি করতে পারবেন। আমি আজকে এখানে যারা প্রথমে কিছু কথা বলেছেন, আমি কয়েকটা পরামর্শ দিয়ে শেষ করব যে পাবলিক স্পিকিং স্পিকার হওয়ার জন্য কি কি দক্ষতার প্রয়োজন হয়। প্রথম কথা হচ্ছে কনফিডেন্স, ভেরি ইম্পর্টেন্ট। আত্মবিশ্বাস এখানে যারা আসছেন, যারা দাঁড়িয়েছেন, সে কিন্তু চমতকার কথা বলতে পারে। কিন্তু এখানে দাঁড়ানোর পরে তার কনফিডেন্স লেভেলটা লো হয়ে যায়। যখন দেখবেন, আপনি যখন স্টেজে দাঁড়াবেন, তখন আপনি একটা ব্যায়াম করবেন। ব্যায়ামটা হচ্ছে আপনি নাক দিয়ে নিঃশ্বাস টানবেন। যখন দেখবেন, আপনি এখানে দাঁড়ানোর পরে আপনার দেখবেন শুকিয়ে যাবে, গলা শুকিয়ে যাবে। পৃথিবীর মনে রাখবেন, পৃথিবীর যত কাজ আছে, সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে কথা বলা। সবচেয়ে কঠিন। আপনার গামা পালোয়ানের নাম শুনেছেন না? গামা পালোয়ান একবার আল্লামা ইকবালকে বলেছেন যে তোমরা কি বল? শুধু কথা বলো। কথা বলা তো এটা ব্যাপার কোন ব্যাপারই না। আল্লামা ইকবাল তাকে একটা স্টেজে নিয়ে গেলেন। স্টেজে নিয়ে ঘোষণা দিলেন, আপনাদের সামনে আজকে কথা বলবেন পৃথিবীর মাতানু সবচেয়ে বড় কুস্তিগীর, যিনি খুবই জনপ্রিয় এবং পৃথিবীতে কুস্তি দিয়ে পৃথিবী জয় করেছেন গামা পালন। এখন আপনাদের সামনে কথা বলবেন। গামাল স্টেজে দাঁড়ালেন। দাঁড়ানোর পরে তখন দেখল যে তার মাথা থেকে শুধু পানি পড়ছে ঘামে। শুধু কাঁদছেন আর খালি মাইকটা নিয়ে ফুফু করছেন। গামাল কথা বের হচ্ছে না। লাস্টে সে বলল, আপনারা সবাই কুস্তি প্রতিদিন সকাল বিকাল কুস্তি করবেন। হ্যাঁ, এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো, মনের জন্য খুবই ভালো এবং কি কুস্তি দিয়ে আপনার জীবনকে শেষ করবেন। আপনি এ বলে সে শেষ করে কোন মতে নেমে গেল। পরবর্তী গামা আল্লামা ইকবালকে বললেন, আপনি আমাকে কি কথা বলার কথা বলতে দিলেন? আপনি এমন একটা যে আমি পৃথিবীতে এত জায়গায় আমি কুস্তিগিরি করেছি, কখনো আমার শরীর থেকে একটু ঘাম বের হয় নাই আর আজকে আপনার পাঁচ মিনিটে আপনি আমার পুরো শরীরে ঘাম বের করে ছাড়লেন। তার মানে তোমরা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছো, মন খারাপ করছো যে তুমি কথা বলতে পারছ না, তুমি এখানে দেখিয়ে তোমার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, তুমি মন খারাপ করে মন খারাপ করবা না। কথা বলা এত সহজ কাজ না। কথা বলা এত সহজ কাজ না। এজন্য তুমি যখন স্টেজে দাঁড়াবা, তখন তুমি মনে, তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি বাংলায় কথা বলছি, এখানে বাংলাটা শিক্ষক আছে, সে যদি আমার ভুল ধরে, তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি ইংরেজিতে কথা বলছি, ইংরেজিতে একজন শিক্ষক আছে, উনি যদি আমার ভুল ধরে, তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি আরবিতে কথা বলছি, আরবিতে মাওলানা সাব সে আমার ভুল ধরে, তাহলে তুমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবা না। তোমাকে মনে মনে কর, তুমি যখন দাঁড়াবা, মনে করবা এখানে যারা আছে সব সব গরু আর তুমি হচ্ছে গরু। তুমি যদি নিজেকে গরু ভাবা, তুমি মনে কর এখানে যারা সব ছাগল আর আমি হচ্ছে রাম ছাগল, মানে সবচেয়ে বড় ছাগল। তার মানে তুমি এখানে যখন দাঁড়াবা, কনফিডেন্ট লেভেলটা হাই করতে। একবার একটা ছেলে বাইবে দিচ্ছিলেন তো, ভাইবে বসছেন টেবিলের সাথে কম্পন সৃষ্টি হচ্ছে টেবিলে। তো টিচার বলল, কি বাবা তুমি কাদছো কেন? স্যার, প্রশ্নটা একটু করেই দেখেন না? মানে প্রশ্ন করার আগে কাপাকাবাই শুরু হয়েছে। তার মানে তুমি যখন এখানে দাঁড়াবা, তোমাদেরকে কে বলবা যারা ইনিশিয়াল ডিবেটর আছো, কথা বলতে চাও, যখন স্টেজে দাঁড়াবা, তখন মনে করবা তুমি এখান থেকে সব জানতা সমসের সবার চেয়ে তুমি বেশি জানো। কাউর দিকে তাকাবা না, কাউ দিকে তাকাবা না। তারপর ভেরি ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে তোমার, তুমি যখন কথা বলতে দাঁড়াবা, তোমাকে লজিক্যাল হইতে হবে, যুক্তিবাদী হইতে হবে। আমরা যুক্তি ছাড়া তুমি এখানে কথা বলতে পারবা না। তুমি যখন এখানে দাঁড়াবা, তোমার মধ্যে যুক্তিবোধ শুদ্ধতম প্রকাশ থাকতে হবে, লজিক্যাল হইতে হবে। লজিক্যাল যেমন একবার একটা ইসলামিক স্কলারকে প্রশ্ন করা হয়েছে, আচ্ছা আচ্ছা, আপনারা বলেন তো, আপনারা তো বলেন ইসলাম ধর্ম একটা ইউনিভার্সেল রিলিজিয়ন। ইসলাম ধর্ম যদি ইউনিভার্সাল রিলিজিয়ন হয়, তাহলে আপনারা হিন্দুদেরকে মক্কা শহরে ঢুকতে দেন না কেন? ইজ ইট এ ভায়োলেশন অফ ইউর ইউনিভার্সালিটি? এটা কি আপনার বিশেষত্ব? আপনার বিশেষত্ব এটা ভায়োলেশন নয় কি? তিনি বললেন, আপনি কোন দেশের বাসিন্দা? আমি বাংলাদেশের বাসিন্দা। আপনি কি বাংলাদেশের সব জায়গায় যেতে পারেন? বলছে হ্যাঁ, যেতে পারেন। আপনি ক্যান্টনমেন্টে যেতে পারেন? বলছে না, আমি তো ক্যান্টনমেন্টে যেতে পারে না। কেন যেতে পারেন না? ইউ আর সিটিজেন অফ বাংলাদেশ। ইউ হ রাইট ইন্টারি এনি কাইন্ অফ প্লেস অফ বাংলাদেশ। তাহলে আপনি কেন যেতে পারেন না? তারা ঢুকতে দেয় না। যেহেতু তারা ঢুকতে দেয় না, আপনি কি তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে পারে? আপনি তার বিরুদ্ধে মামলা করেন না। মামলা করলে কাজ হবে না। তখন তিনি বলেন, দেখেন ক্যান্টেনমেন্ট হচ্ছে এমন একটা জায়গা, ওই জায়গায় ওই ব্যক্তি ঢুকতে পারবে, সে তার দেশের জন্য জীবন দিতে পারবে। তারাই ক্যান্টেনমেন্টে ঢুকতে পারবে। তেমনি মুসলমানদের জন্য একটা মুসলমানদের জন্য একটা ক্যান্টেনমেন্ট হচ্ছে মক্কা শহর। মক্কা শহরে সেই যেতে পারবে যে ইসলামের জন্য জীবন দিতে পারবে, সেই ঢুকতে পারবে। প্রিন্সিপাল, প্রিন্সিপাল লজিকুল অফ লজিক। আপনাকে লজিক্যাল হতে হবে। আপনি যখন কথা বলতে আসবেন, আপনি যদি লজিক্যাল না হন। একবার একটা নাস্তিক একটা আস্তিককে প্রশ্ন করেছে, বলেছে আমি আপনাকে আপনার ধর্ম আমি মেনে নিব যদি আপনি আমাকে দুইটি প্রশ্নের উত্তর দেন। বলছে কি প্রশ্ন? বলছে প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি যেটা দেখি না সেটা বিশ্বাস করি না, আমাকে দেখাইতে হবে আল্লাহ আছে। দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি, আমি এই যেটা দেখি না সেটা। আরেকটা হচ্ছে, আপনারা বলেন শয়তান শয়তান হচ্ছে তাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বালাবে। তো শয়তান তো আগুনের তৈরি। তো আগুনের তৈরি শয়তানকে আগুনে জ্বালালে সে তো শক্তিশালী হওয়ার কথা। সেতো অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। তখন তিনি কি বললেন? তিনি করলেন তাকে ইট দিয়ে একটা বাড়ি দিলেন। এইতো সমস্যা আপনাদের মুসলমানদের। এক সমস্যা কথা না পারলে আপনারা হয়তো বোম মারেন।
Speaker A
স্পিকিং মোস্ট ফাইনান্স এন্ড মোস্ট সিগনিফিকেন্ট স্কিল অল স্কিল। যত দক্ষতা আছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষ হচ্ছে কথা বলা। কথা বলা। বলা যায় কথায় কাত কথায় মাত কথায় বিশ্বমাত আপনি যদি কথা বলতে পারেন আপনি বিশ্বমাত করতে পারবেন এবং কথার বিষয়ে শুধুমাত্র এমফেসাইজ শুধু সাধারণ মানুষজন
Speaker A
করে নাই ইফল রিলিজিয়ন আপনি যদি আমাদের ধর্মের দিকে তাকান তাহলে সবচেয়ে বেশি এমপেসাইজ করেছেন কথা বলা দক্ষতা শিখার বিষয় আল্লাহতালা কোরআনে বলেছেন আল্লাহ তোমরা কথা বল তোমরা বিতর্ক করো বিল্লাতি অতি উত্তম পন্থায় আল্লাহতালা এখানে আহসান তাফজিল ব্যবহার করেছেন এখানে আল্লাহতালা
Speaker A
সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করেছেন যে তোমরা বিতর্ক করো অতি উত্তম পন্থায় এবং আল্লাহ রাসূলের একটা চমৎকার হাদিস আছে আল্লাহ রাসূলের কাছে তামিম গোত্রে তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তি আসছেন। ব্যক্তি এসে একজন যিনি সর্দার তিনি তার নিজের ব্যাপারে প্রশংসা করছেন ব্যাপকারে প্রশংসা করছেন। তিনি যখন তার নিজের ব্যাপারে প্রশংসা
Speaker A
করছেন তখন তিনি বললেন আমি কি বলব আমার বিষয়ে আমার বিষয়ে আমার সাথে যারা আসছেন তারাই আমার বিষয়ে আমার আমর আছেন আমর আমার বিষয়ে বলতে পারবেন তা আমর আর আল্লাহ রাসূলের সামনে তার বেশি প্রশংসা করলেন না বললেন যে আমর বললেন উনি খুবই প্রভাবশালী
Speaker A
মানুষ খুবই ভালো মানুষ তখন যে সর্দার সে চেতে গেল মেজাজ খারাপ হয়ে গেল যে তুমি আমাকে হিংসা করো তুমি আমার ব্যাপারে কোন প্রশংসা করলে না তখন আমার আমারও নিজের মেজাজ খারাপ হল আমার বলল আপনি তো খুব বাজি একটা মানুষ তখন আমার চিন্তা কর আল্লাহ
Speaker A
রাসূলের সামনে আমি একবার বললাম তার প্রশংসা করলাম আবার একবার তার বিদ্রুপ করলাম তাহলে আল্লাহ রাসূল তো খারাপ কিছু ভাববে তখন তিনি বললেন আমি প্রথমে যে কথাগুলো বলেছিলাম এগুলো সত্য এবং দ্বিতীয়বার যে কথাগুলো বলেছি এগুলো মিথ্যা নয় পরবর্তীতে তারা চলে যাওয়ার পর আল্লাহ রাসূল সাহাবাদেরকে বলল ইন্নাল
Speaker A
বায়ানলামিনা কিছু কথা আছে যার মধ্যে জাদু আছে জাদু যেমন মানুষকে বস করে ফেলে জাদু যেমন মানুষকে অবাক করে ফেলে জাদু যেমন মানুষকে তার অধীনস্থ করে ফেলে। তেমনি কিছু বক্তা আছে যারা কথা বললে চারপাশের মানুষকে বশ করে ফেলে। তার মানে আপনি যদি কথা বলার যোগ্যতা আপনার মধ্যে থাকে তাহলে আপনি
Speaker A
চারপাশের মানুষকে আপনি বস করতে পারবেন। বন ইসরাইলের মধ্যে মুসা আলাই সালাম আসছিলেন মস সালামের মুখে জড়তা ছিল। তিনি সবসময় একটা দোয়া পড়তেন। তিনি বলতেন মানে জিবা। আরবিতে শব্দের অর্থ জিবা আল্লাহ তুমি আমার জিহবাকে সাবল করে দাও। হারুন এবং আমার ভাই হারুনকে তুমি আমার সহপাঠী বানিয়ে দাও। হারুন আলাইহি সালাম
Speaker A
উনি তখন নবী ছিলেন না। কিন্তু উনি চমৎকার কথা বলতে পারলেন কথা বলতে পারতেন। তখন তিনি বললেন তুমি আমার ভাই হারুনকে তুমি আমার সহযোগী বানিয়ে দাও। তার মানে পরবর্তীতে আল্লাহ তালা মুসা আলাই সালামের কথা শুনে তার কথাকে কবুল করে পরে মুসা
Speaker A
আলাই সালামকে নবী বানিয়ে দিলেন। তার মানে কথা বলা শুধু নট অনলি ইফ লুকনাদার রিলিজিয়ন পহিতর প্রকৃতি বিল্লক্ষণী কন্যা ক্রং গ্রাহিত স্ত্রী বলা আছে যে তোমার স্ত্রী যদি চমৎকার হয় তাহলে তুমি মানুষকে ধর্মের পথে তুমি চমৎকারভাবে ডাকতে পারবা। এজন্য আপনারা এখানে যারা আছে পাবলিক স্পিকিং শুধুমাত্র পাবলিক স্পিকিং যে শুধু
Speaker A
করবেন নিজেকে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য না পাবলিক স্পিকিং আপনি করবেন আপনি করলে আপনার ধর্মীয় যে কার্যক্রমগুলো সে কার্যক্রমগুলো আপনি করতে পারবেন আমি আজকে এখানে যারা প্রথমে কিছু কথা বলেছেন আমি কয়েকটা পরামর্শ দিয়ে শেষ করব যে পাবলিক স্পিকিং স্পিকার হওয়ার জন্য কি কি দক্ষতার প্রয়োজন হয় প্রথম কথা হচ্ছে
Speaker A
কনফিডেন্স ভেরি ইম্পর্টেন্ট আত্মবিশ্বাস এখানে যারা আসছেন যারা দাঁড়িয়েছেন সে কিন্তু চমতকার কথা বলতে পারে। কিন্তু এখানে দাঁড়ানোর পরে তার কনফিডেন্স লেভেলটা লো হয়ে যায়। যখন দেখবেন আপনি যখন স্টেজে দাঁড়াবেন তখন আপনি একটা ব্যায়াম করবেন। ব্যায়ামটা হচ্ছে আপনি নাক দিয়ে নিঃশ্বাস টানবেন।
Speaker A
যখন দেখবেন আপনি এখানে দাঁড়ানোর পরে আপনার দেখবেন শুকিয়ে যাবে। গলা শুকিয়ে যাবে। পৃথিবীর মনে রাখবেন পৃথিবীর যত কাজ আছে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে কথা বলা। সবচেয়ে কঠিন আপনার গামা পালোয়ানের নাম শুনেছেন না? গামা পালোয়ান একবার আল্লামা ইকবালকে বলেছেন যে তোমরা কি বল? শুধু কথা বলো। কথা বলা তো এটা ব্যাপার কোন ব্যাপারই
Speaker A
না। আল্লামা ইকবাল তাকে একটা স্টেজে নিয়ে গেলেন। স্টেজে নিয়ে ঘোষণা দিলেন আপনাদের সামনে আজকে কথা বলবেন পৃথিবীর মাতানু সবচেয়ে বড় কুস্তিগীর যিনি খুবই জনপ্রিয় এবং পৃথিবীতে কুস্তি দিয়ে পৃথিবী জয় করেছেন গামা পালন এখন আপনাদের সামনে কথা বলবেন। গামাল স্টেজে দাঁড়ালেন দাঁড়ানোর পরে তখন দেখল যে তার মাথা থেকে শুধু পানি
Speaker A
পড়ছে ঘামে। শুধু কাঁদছেন আর খালি মাইকটা নিয়ে ফুফু করছেন। গামাল কথা বের হচ্ছে না। লাস্টে সে বলল আপনারা সবাই কুস্তি প্রতিদিন সকাল বিকাল কুস্তি করবেন হ্যাঁ এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো মনের জন্য খুবই ভালো এবং কি কুস্তি দিয়ে আপনার
Speaker A
জীবনকে শেষ করবেন আপনি এ বলে সে শেষ করে কোন মতে নেমে গেল পরবর্তী গামা আল্লামা ইকবালকে বললেন আপনি আমাকে কি কথা বলার কথা বলতে দিলেন আপনি এমন একটা যে আমি পৃথিবীতে এত জায়গায় আমি কুস্তিগিরি করেছি কখনো আমার শরীর থেকে একটু ঘাম বের হয় নাই আর
Speaker A
আজকে আপনার পাঁচ মিনিটে আপনি আমার পুরো শরীরে ঘাম বের করে ছাড়লেন। তার মানে তোমরা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছো মন খারাপ করছো যে তুমি কথা বলতে পারছ না তুমি এখানে দেখিয়ে তোমার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে তুমি মন খারাপ করে মন খারাপ করবা না কথা বলা এত
Speaker A
সহজ কাজ না কথা বলা এত সহজ কাজ না এজন্য তুমি যখন স্টেজে দাঁড়াবা তখন তুমি মনে তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি বাংলায় কথা বলছি এখানে বাংলাটা শিক্ষক আছে সে যদি আমার ভুল ধরে তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি ইংরেজিতে কথা
Speaker A
বলছি ইংরেজিতে একজন শিক্ষক আছে উনি যদি আমার ভুল ধরে তুমি যদি এখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করো আমি আরবিতে কথা বলছি আরবিতে মাওলানা সাব সে আমার ভুল ধরে তাহলে তুমি এখানে দাড়িয়ে কথা বলতে পারবা না তোমাকে মনে মনে কর তুমি যখন দাঁড়াবা মনে করবা
Speaker A
এখানে যারা আছে সব সব গরু আর তুমি হচ্ছে গরু তুমি যদি নিজেকে গরু ভাবা তুমি মনে কর এখানে যারা সব ছাগল আর আমি হচ্ছে রাম ছাগল মানে সবচেয়ে বড় ছাগল তার মানে তুমি এখানে যখন দাড়াবা কনফিডেন্ট লেভেলটা হাই করতে একবার একটা ছেলে বাইবে দিচ্ছিলেন তো
Speaker A
ভাইবে বসছেন টেবিলের সাথে কম্পন সৃষ্টি হচ্ছে টেবিলে তো টিচার বলল কি বাবা তুমি কাদছো কেন স্যার প্রশ্নটা একটু করেই দেখেন না মানে প্রশ্ন করার আগে কাপাকাবাই শুরু হয়েছে তার মানে তুমি যখন এখানে দাড়াবা তোমাদেরকে কে বলবা যারা ইনিশিয়াল ডিবেটর
Speaker A
আছো কথা বলতে চাও যখন স্টেজে দাঁড়াবা তখন মনে করবা তুমি এখান থেকে সব জানতা সমসের সবার চেয়ে তুমি বেশি জানো কাউর দিকে তাকাবা না কাউ দিকে তাকাবা না তারপর ভেরি ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে তোমার তুমি যখন কথা বলতে দাঁড়াবা তোমাকে লজিক্যাল হইতে হবে
Speaker A
যুক্তিবাদী হইতে হবে আমরা যুক্তি ছাড়া তুমি এখানে কথা বলতে পারবা না তুমি যখন এখানে দাঁড়াবা তোমার মধ্যে যুক্তিবোধ শুদ্ধতম প্রকাশ থাকতে হবে লজিক্যাল হইতে হবে লজিক্যাল যেমন একবার একটা ইসলামিক স্কলারকে প্রশ্ন করা হয়েছে আচ্ছা আচ্ছা আপনারা বলেন তো আপনারা তো বলেন ইসলাম ধর্ম একটা ইউনিভার্সেল রিলিজিয়ন। ইসলাম ধর্ম
Speaker A
যদি ইউনিভার্সাল রিলিজিয়ন হয় তাহলে আপনারা হিন্দুদেরকে মক্কা শহরে ঢুকতে দেন না কেন? ইজ ইট এ ভায়োলেশন অফ ইউর ইউনিভার্সালিটি এটা কি আপনার বিশেষত্ব আপনার বিশেষত্ব এটা ভায়োলেশন নয় কি? তিনি বললেন আপনি কোন দেশের বাসিন্দা? আমি বাংলাদেশের বাসিন্দা। আপনি কি বাংলাদেশের সব জায়গায় যেতে পারেন? বলছে হ্যাঁ যেতে
Speaker A
পারেন। আপনি ক্যান্টনমেন্টে যেতে পারেন? বলছে না আমি তো ক্যান্টনমেন্টে যেতে পারে না। কেন যেতে পারেন না। ইউ আর সিটিজেন অফ বাংলাদেশ। ইউ হ রাইট ইন্টারি এনি কাইন্ অফ প্লেস অফ বাংলাদেশ তাহলে আপনি কেন যেতে পারেন না তারা ঢুকতে দেয় না যেহেতু তারা
Speaker A
ঢুকতে দেয় না আপনি কি তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে পারে আপনি তার বিরুদ্ধে মামলা করেন না মামলা করলে কাজ হবে না তখন তিনি বলেন দেখেন ক্যান্টেনমেন্ট হচ্ছে এমন একটা জায়গা ওই জায়গায় ওই ব্যক্তি ঢুকতে পারবে সে তার দেশের জন্য জীবন দিতে পারবে তারাই
Speaker A
ক্যান্টেনমেন্টে ঢুকতে পারবে তেমনি মুসলমানদের জন্য একটা মুসলমানদের জন্য একটা ক্যান্টেনমেন্ট হচ্ছে মক্কা শহর মক্কা শহরে সেই যেতে পারবে যে ইসলামের জন্য জীবন দিতে পারবে সেই ঢুকতে পারবে প্রিন্সিপাল প্রিন্সিপাল লজিকুল অফ লজিক আপনাকে লজিক্যাল হতে হবে আপনি যখন কথা বলতে আসবেন আপনি যদি লজিক্যাল না হন একবার একটা নাস্তিক একটা আস্তিককে প্রশ্ন
Speaker A
করেছে বলেছে আমি আপনাকে আপনার ধর্ম আমি মেনে নিব যদি আপনি আমাকে দুইটি প্রশ্নের উত্তর দেন বলছে কি প্রশ্ন বলছে প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি যেটা দেখি না সেটা বিশ্বাস করি না আমাকে দেখাইতে হবে আল্লাহ আছে দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি আমি এই
Speaker A
যেটা দেখি না সেটা আরেকটা হচ্ছে আপনারা বলেন শয়তান শয়তান হচ্ছে তাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বালাবে তো শয়তান তো আগুনের তৈরি তো আগুনের তৈরি শয়তানকে আগুনে জ্বালালে সে তো শক্তিশালী হওয়ার কথা সেতো অনেক বেশি শক্তিশালী হবে তখন তিনি কি বললেন তিনি করলেন তাকে ইট দিয়ে একটা বাড়ি দিলেন এইতো সমস্যা আপনাদের
Speaker A
মুসলমানদের এক সমস্যা কথা না পারলে আপনারা হয়তো বোম মারেন না হলে মারেন আপনি ব্যথা পেয়েছেন অবশ্য ব্যাথা পেয়েছি তুমি মেরে আমি ব্যাথা পাব না কোথায় ব্যাথা পেয়েছেন এখানে ব্যাথা দেখান তো ব্যথা কি দেখানো যায় এটা অনুভব করা যায় তখন আস্তিক বলল
Speaker A
আল্লাহকে দেখা যায় না আল্লাহকে অনুভব করা যায় বলছে আপনি কি ব্যাথা পেয়েছেন সত্যি ব্যাথা পেয়েছেন কয় অবশ্যই ব্যাথা পেয়েছি কয় কেন কয় ইটটা তো মাটির তৈরি আর আপনার শরীরও মাটির তৈরি তো মাটি দিয়ে মাটিকে মারলাম মাটি তো শক্তিশালী হওয়ার
Speaker A
কথা আপনি ব্যাথা পেলেন কেন তিনি বললেন না এটা তো সত্য কথা আগুন যদি তাহলে ইট দিয়ে ইটকে মারলে যদি ব্যথা পায় তেমনি শয়তান আগুনের তৈরি তাকে আগুনে জ্বালালেও সে তেমনি ব্যথা পাবে লজিক লজিক এজন্য আপনারা যারা এখানে কথা বলবেন আপনাদের দ্বিতীয় যে
Speaker A
গুণটা লাগবে সেটা হচ্ছে লজিক্যাল হতে হবে লজিক্যাল তৃতীয় যে গুণটি ইনফরমেটিভ তথ্য ভুল হইতে হবে। আপনি যখন এখানে দাঁড়াবেন আপনাকে সব আপনাকে বলা হবে জ্যাক অফ ট্রেড মাস্টার অফ নান। কোন কিছু আপনি মাস্টার হবেন না। কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিস আপনি
Speaker A
জানবেন। আপনি এখানে দাঁড়িয়ে কথা আপনাকে টপিক দেয়া হলো গ্রীন হাউস ডিফেক্ট নিয়ে। আপনি যদি বলেন আমি আমি আর্টসের স্টুডেন্ট। আমি সুতরাং এটা প্রশ্নটা করে আমাকে বিব্রত করার চেষ্টা করা কাজ হবে। না আপনি যখন এখানে দাঁড়িয়েছেন আপনাকে প্রত্যেকটা বিষয় জানতে হবে। আপনাকে যদি বলা হয় যে ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি?
Speaker A
ট্রাফিক জ্যাম। ট্রাফিক জ্যামের মূল কারণ কি? আপনি যদি বলেন যত্র তত্র পার্কিং এই সেই কারণে এটা বললে হবে না একজন স্পিকারকে তাকে ইনফরমেটিভ হইতে হবে আপনাকে বলতে হবে একটা শহরের আয়তনে 25% প্রয়োজন হয় রাস্তা কিন্তু ঢাকা শহরে আয়তনের মাত্র 8%
Speaker A
রাস্তা আছে যতক্ষণ পর্যন্ত 25% রাস্তা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ঢাকা শহরে জ্যাম যাবে না যাবে না যাবে না ইনফরমেশন ইনফরমেশন চতুর্থ যে গুণটি আই কন্টাক্ট এখানে যারা দাঁড়িয়েছেন অনেকে আমি দেখেছি আপনারা আই কন্টাক্ট ভালো করে করেনি কেউ নিচের দিকে তাকিয়েছিলেন কেউ উপরের দিকে তাকিয়েছিলেন একাউন্ট ভেরি ইম্পর্টেন্ট
Speaker A
আমার মনে আছে আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূর্য হলে ডিবেট করতাম তা আমাদের রোক হলের সাথে একটা ডিবেট ছিল রোকলের সাথে মেয়েদের হলে ডিবেট তা আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কখনো ছেলেদের হরে মেয়েরা যেতে পারে না মেয়েদের হলে ছেলেরা যেতে পারে না তো
Speaker A
বিতার কি হলে আমাদেরকে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে তো সকল অডিয়েন্স মেয়ে বিতরণ করছি আমরা তিনটা ছেলে আর তিনটা মেয়ে আর অডিয়েন্স যারা আছে সবাই মেয়ে এখন ভিতর আমার সাথে আমার এক বন্ধু ছিল সে পাঞ্জাবিটা পড়ে মাঝাতে পড়ে আসে পাঞ্জাবি
Speaker A
পড়া সে যখন বিতর্ক দাঁড়াইলো ওই পাশ থেকে একটা মেয়ে তার চোখ মাইরা দিছে মানে তার কনফিডেন্স লেভেল লো করার জন্য পরে দেখলাম সে এত সুন্দর করে বিতর্ক করল আমি ভাবলাম কিরে আজকে এত জবা কেন তার মানে সে উড় ফেলতেছে সবকিছু মানে তার কথা আমারে চোখ
Speaker A
মারলো পরে ও মেয়েটা যখন বিতর্ক করতে দাড়াইলো আমরা তো ঘটনা ঘটে গেছে অনেক কিছু আমরা তো জানি না ও মেয়েটা যখন বিতর্ক করতে দাঁড়াইলো আমার বন্ধুও তারে চোখ মাইরা দিছে চোখ মারে যে মেয়ে তো আর মুখ থেকে কথা মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমরা ঘটনা
Speaker A
কি বন্ধু কিছু টেবিলের নিচে মাথা দিয়ে হাসে কয় বন্ধু কি কয় বন্ধু কুতিবা আলাইকুমসা আল্লাহ বলছে প্রতিশোধকে ফরজ কর আমি প্রতিশোধ দিয়ে দিছি কি হইছে কয় চোখ মাইে দিছি মেয়েটার কথা হচ্ছে আমি বোরগা পড়ি না আমি শাড়ি পড়ি আমি একটা হুজুরকে চোখ
Speaker A
মারতেই পারি একটা হুজুর কেমনে আমাকে চোখ মারলো এ বলে পাঁচ মিনিট কথার মধ্যে তিন মিনিট তার খালি মানে কথাই আসে না পরে আমরা জয় লাভ করলাম এজন্য তোমরা যারা কথা বলবা তোমাদেরকে চোখ মারার সম্ভাবনা আছে ধর তুমি এখানে কথা বলতে কেউ যদি বলে কি হচ্ছে
Speaker A
দেখবা দেখবা তোমার কনফিডেন্স লেভেল আরো লো হয়ে যাবে। এ যখন কথা বলবা চোখের দিকে তাকাবা তাকাবা কোথায়? কপালের দিকে। যত টিপে টিপি করো কোন লাভ হবে না। কপল কপল কোনটা ছিল? কপল গাল আর এটা হচ্ছে কপাল। এটা হচ্ছে কপল। কবি একবার লিখছে না? হ্যা
Speaker A
বল কি বলেছে? এই কপল কপালখানি ভিজে গেল দুই নয়নের জলে। মানে লেখার কথা ছিল কপলখানি ভিজে গেল দুই নয়নের জলে। লিখে ফেলছে কপালখানি ভিজে গেল দুই নয়নের জলে। তো কবি মানুষ একবার লিখলে তো কাটতে পারবে না। তো পরে লিখছে পা দুখানি বাধা ছিল
Speaker A
গাছের ঢালে। মানে উল্টা আর কি পানির নিচে পড়ে। এজন্য তোমরা যখন কথা বলবা কপালের না কপালের দিকে তাকাইলে কিন্তু চোখের দেখবা। ঝামেলা আছে। কপালের দিকে তাকাবা। যত টিপে টিপি করে কোন লাভ হবে না। তার চেয়ে আরেকটু গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে বডি
Speaker A
ল্যাঙ্গুয়েজ। ইম্পরেন্ট। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। তোমার অনেকে তোমরা এখানে দেখেছি যে হাত নিয়ে বিপদে পড়ে গেছে। হাতটা কি করতাম? আল্লাহ যদি হাতটা না দিত। যদি স্ক্রু সিস্টেম নিত তাহলে কেটে খুলে কোন পকেটের মধ্যে রেখে হাতটা নিয়ে ঝামেলা মানে তোমার হাত নিয়ে তুমি বিপদে পড়ে যাও দেখবে আমাদের কিছু হুজুর আছে ওয়াজ করার
Speaker A
সময় আমি এতই ভালোবাসি এমনি বলে মাইকটা সব উড়ে না তুমি তোমার হাত দিয়ে ভাবসাপ দেখানো দরকার নাই তুমি তোমার শব্দচয়ন শব্দচয়ন ভেরি ইম্পরেন্ট কোন শব্দটা কিভাবে বল তুমি যদি বলে আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি তুমি আমি একটা স্বপ্ন দেখছি মা
Speaker A
তোমার সদ হইছে বাংলায় বলে দন্তস নিচে যদি ব দন্তশাকে সাগাত করতে হয় যে আমরা একটা স্বপ্ন দেখেছি মা তোমার খুব স্বাদ হয়েছে সবাদ হইছে কেমন না আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি আমরা স্বাধীন জাতি না স্বাধীনতা অর্জন করেছি আমরা স্বাধীন জাতি তারানে
Speaker A
তুমি যখন উচ্চারণ আমাদের আমার মাথার উপর একটা বজ্র পড়েছে বজ্র ছোট তুমি যদি বল পড়েছে তাহলে কি তোমার বলতে হবে বজ্র বলতে হবে এজন্য বডি ইম্পর্টেন্ট হাতটা কোথায় রাখবা যখন ডায়েস থাকবে ডায়েসের মধ্যে রাখবা আর যখন এ থাকবে তখন তোমার হাতটা কি
Speaker A
কোন স্টাইলে থাকবে ভেরি ইম্পর্টেন্ট কোনটা তোমার কথায় দিয়ে বলবে তুমি তোমার বডি ল্যাঙ্গুয়েজকে এভাবে এভাবে করলে পাগল মনে করবে মানুষ তোমাকে জাস্ট হচ্ছে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ইম্পর্টেন্ট বডি ল্যাঙ্গুয়েজটা অনেকে দেখবে তোমাকে দাড়াইতে হবে এভাবে যদি থাকে আরেকটি হচ্ছে ভোকাল ভোকাল ভোকাল ভোকালটা মানে দেখ
Speaker A
ভোকালটা কেমন হচ্ছে তোমরা অনেকে দেখবি দেখ বিটিভিটি দেখ আনন্দের খবর আবার সুখের সুখের খবর সুখের খবর স্টাইলে বলে আপনারা জানেন কিছুক্ষণ আগে বাংলাদেশ ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আমরা খুব আনন্দিত মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে কেউ মারা গেছে না আবার কেউ মারা গেলেও সেম স্টাইল আবার কিছু রেডিও আছে যারা সুখের খবর কেউ
Speaker A
এমনভাবে হাই জানেন কিছুক্ষণ আগে ডক্টর মারা গেছে আমরা খুব শোখাত কিরে তুই কি শোকা নাকি আনন্দিত আমরা তো বুঝা মুশকিল তার মানে আপনাকে যেটা যে ঢঙ্গে বলা আপনাকে যদি বলব বীর বলতে দেয়া হয় যদি বলবীর বলত মমশির নিহারী আমার নত আবার আপনাকে নিজ
Speaker A
স্বপ্নভবঙ্গ আজি প্রভাতের রবির কেমন পুশিল প্রাণের পর আরে কেমন পুশিল প্রাণের হাজারে বললে হবে না বল বীর বল বীর বল বীর বল উন্নত মমশির শিরনিহারি আমারই নত শির শিখর হিমাদর বল বীর আমি চির উন্নত মমশির আমি চিরদুর্বার ধর্বিত নিশংস আমি সাইক্লোন আমি
Speaker A
ধ্বংস বল আবার আজ প্রবাতে আজি প্রবাতে রবিন পর কেমনি পুশিল প্রাণের পর কেমন পুশিল প্রাণের আধারে প্রভাত পাখির গান না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ ওরে জাগিয়া উঠেছে প্রাণ ওরে প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুদিয়া রাখিতে নারী যেটা যে
Speaker A
স্টাইলে বলবা আমি সর্বশেষ তোমাদেরকে একটু আগে আমি যখন বসলাম একটা ছেলে আমি যখন ঢুকছিলাম একটা ছেলে আমার সাথে কথা বলার সময় সে কি কথা বলে খুঁজে পাচ্ছে ভাইয়া ভাইয়া মানে মানে কথা খুঁজে পাচ্ছে না তোমরা যখন মানুষকে ইমপ্রেস করার পাঁচটি
Speaker A
পরামর্শ দি পাঁচটি কি পয়েন্ট বলে আমি শেষ করব যখন মানুষ প্রথম দেখা হবে ইম্পরেন্ট প্রথম যখন দেখা হবে তখন তুমি কি করবা একটা মানুষের সাথে যখন প্রথম দেখা হবে প্রথমে গিয়ে একটা হাসি দিবা যে ভাইয়া আমি মামুন তুমি যদি বল ভাইয়া আমি মামুন
Speaker A
সে বুঝবে যে তোমার যে এপ্রোচ তোমার লেভেলটা সে বুঝতে পারবে এজন্য প্রথমে যখন কারো সাথে দেখা হবে প্রথমে একটা হাসি দিবা যে ভাইয়া আমি মামুন ভাইয়া হাসি হাসির মধ্যে হাসিটা একটা মাথায় রাখতে হবে হাসি তিন ধরনের হাসি আছে আমাদের এরাবিকে বলে
Speaker A
তিন ধরনের হাসি আছে একটা হচ্ছে তাবা এটা মুচকি হাসি যেটা দাগ দেখা যাবে না দাঁত দেখা যাবে না হ্যা আরেকটা দেহেক দেহেক মানে এটাও দাঁত দেখা যাবে হাসি কিন্তু আওয়াজ হবে না আরেকটা হচ্ছে কাহকা মানে যে হাসিটা অর্থ হাসি আল্লাহ রাসূ বলছে তোমরা
Speaker A
অট্ট হাসি দিও না অট হাসি দিয়ে তোমার মন মরে যাবে তোমার মন মরে যাবে অর্থ হাসি দিবা না তোমরা সবসময় তাবাসুম এবং আল্লাহ রাসূ বলেছে আল্লাহ রাসূ সবসময় এমফেস করে তাবাস মুচকি হাসিতে এবং মুচকি হাসিকে সাদাকা বলেছেন তাবাসুমাফ
Speaker A
আখিলাকা সাদাকা আল্লাহ রাসূল বলেছে তোমার কোন ভাইয়ের সাথে যদি প্রথমে দেখা হয় প্রথমে তাকে একটা হাসি দিবা হাসিটা সাদকা সাদকা মানে সওয়াব দান করা দান করা মানে তুমি যদি কাউকে দান করো যেমন সওয়াব পাবা তুমি একটা হাসি দিলে তেমনি তুমি সওয়াব
Speaker A
পাবা তার মানে আল্লাহ রাসূ সবচেয়ে বেশি হাসতেন একটা সাহাবা বলেছেন যে আমি আল্লাহ রাসূলের মত আসারা তাবাসুমা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমি এত বেশি হাসে কোন মানুষ দেখিনি আল্লাহ রাসূ ছাড়া তার মানে তুমি যখন কথা বলবা প্রথমে একটা হাসি
Speaker A
দিবা যার সাথে দেখা করবা প্রথমে একটা হাসি দিবা হাসিটা কি হবে মুচকি হাসি ভাইয়া কেমন আছে ভাইয়া আমি মামুন ভাইয়া প্রথম দ্বিতীয়তা হচ্ছে আমরা যেটা করি সেটা হচ্ছে দ্বিতীয়ত আমরা প্রথমেই বলি যে ভাইয়া আজকে না আপনাকে আপনাকে কেন কালো কালো লাগছে
Speaker A
মানে আমরা বাঙালি হিসেবে নেগেটিভ তুমি যদি কাউকে ধর আমার কাছে আজকে কালো লাগছে তুমি আসি যদি বলে ভাইয়া আজকে আপনার কালো কালো লাগছে আপনি অন্যদিন অনেক সুন্দর লাগে তাহলে আমার নিজের কাছে খারাপ লাগবে আমি তোমার সাথে কথা বলবো আর ভাইয়া আপনাকে না
Speaker A
ছবিতে অনেক সুন্দর লাগে বাস্তবিক কিন্তু আপনি এত সুন্দর না তাহলে কি আমি তোমার সাথে আর কথা বলবো তোমাকে বলতে হবে যে ভাইয়া ছবি থেকে না আপনি বাস্তবে অনেক সুন্দর দেখবা তখন ভাইয়া তোমার প্রতি একটা আগ্রহ তৈরি হবে সুন্দর না লাগুক একটু
Speaker A
প্রশংসা করেন প্রশংসা ভাইয়া ছবি থেকে না বাস্তবে আপনি আসলে অনেক সুন্দর আপনাকে আপনার কাছে খুব ভালো লাগছেটা মনে হচ্ছে আপনার জন্য বানিয়েছে দেখবা তখন ভাইয়ার একটা আগ্রহ তৈরি হবে ভাইয়ার একটা কি হবে তোমার আগ্রহ তৃতীয়ত হচ্ছে তুমি তার সময়
Speaker A
যার সাথে তুমি দেখা করবা যার সাথে তুমি কথা বলবা তার ব্যাপারে কিছু তথ্য তোমার নিতে হবে তুমি যদি জিসান ভাই সাথে দেখা করতে যাবা জিসান ভাই যান ভাই যে পলিটিক্যাল অবস্থা এই সরকার দিয়ে আসলে দেশে কিছু হবে না। জিসান ভাই তো পলিটিক্স
Speaker A
পছন্দ করে না। তুমি যদি তাকে পলিটিক্যাল কথা বলো হবে। তুমি জিসান ভাইকে বল জিসান ভাই ই ক্লাব আপনার দেখেছি আপনি এটা প্রেসিডেন্ট অসাধারণ কাজ করে। আর ওদিন যে কাজটা করেছে কি ভালো লেগেছে আমি দেখেছি। তখন জিসান বলবে না ছেলেটা আমার নিয়ে
Speaker A
আমাকে নিয়ে কি তার ধারণা আছে। মনে করতে হবে যার সাথে তুমি কথা বলবা তার সম্বন্ধে তোমার নলেজ। তুমি যদি তার সম্বন্ধে তোমার যদি নলেজ থাকে তুমি তার সম্বন্ধে বলতে পারবা। আরেকটু গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পিজিটিং করা। পিজিটিং চিনেন তো আমরা দেখবেন কথা বলার সময় এ ভাইয়া একটু উকুন চলে আসছে।
Speaker A
ভাইয়া ভাইয়া আসলে ভাইয়া মানে এইযে পিজিটিং এইযে মুদ্রাদোষ বলি আমরা আর কি। এই মুদ্রাদোষ যদি তোমার থাকে তোমার হবে না। তুমি সময় মুদ্রাদোষ দেখানো যাবে না। মুদ্রাদোষকে তোমাকে এভয়েড করতে হবে। কথা বলার সময়। মানে মাঝখানে যেয়ে দাও কি বলে?
Speaker A
এ দেখাও। এই যে দেখানো যাবে না। পারবা তো ইনশাল্লাহ। মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য এই পাঁচটা যোগ্যতা যদি তোমার থাকে এই পাঁচটা যোগ্যতা যদি তোমার থাকে তাহলে তুমি একটা বারুদে পরিণত হবা বারুদে পরিণত হবা আমি সর্বশেষ আমার মনে আছে 2014 সালে আমি
Speaker A
মুম্বাইতে গিয়েছিলাম একটা সাউথ এশিয়ান ডিবেট কমিটি সংশন করার জন্য সেখানে যাওয়ার পর আমাদেরকে একটা দারুন চিড়িখানা মুম্বাইতে দারুন চিড়িখানা চিড়িখানায় একটা খাচার মধ্যে কিছু বাদাম রাখা হয়েছে বানর ধরার প্রক্রিয়া শিখাচ্ছে দেখুন একটা ছিদ দিয়ে একটা বাদাম কিছু কলা রাখা হয়েছে
Speaker A
আবার বাদামলা পছন্দ করে যখন বাদাম এবং কলাটা নিতে যায় তখন সে এটা নেওয়ার পরে হাতটা আর বের করতে পারে না তার কলা হাতে নিলে হাত বড় হয়ে যায় বের করতে পারে না পরবর্ত সে ধরা খেয়ে যায় সে চাইলে এখান থেকে মুক্ত হতে পারে কিভাবে বলতো বাদাম
Speaker A
এবং কলাটা ছেড়ে দিলে কিন্তু সেটা ছাড়তে পারে না তোমাদের মধ্যে অনেক বাদাম আছে আড্ডাই বাদামফেসবু ওয়ান কাইন্ড অফ বাদাম স্মার্টফোন ওয়ান অফ বাদাম গেং ওয়ান কাইন্ড অফ বাদাম বাদামের লাল সাথে যদি তোমরা সার্টেন না ছাড়তে পারো তাহলে তোমরা
Speaker A
বানরের মত খাচার মধ্যে বন্দি হয়ে যাবা এপিজে আব্দুল কালাম বলেছে প্রজাপতির পিছনে ঘুরিও ফুলের চাষ করো। প্রজাপতি তোমার পিছনে ঘুরবে।
Topics:আত্মবিশ্বাসপাবলিক স্পিকিংইসলামিক উপদেশকথা বলা দক্ষতাআল মামুন রাসেলইসলামিক ডায়রিলজিক্যাল চিন্তাধর্মীয় বক্তৃতাবিতর্ক কৌশলবাংলা বক্তৃতা











