YouTube Video — Transcript

ভিসল ওয়েলটি কনফিগারেশন, ইউজার ম্যানেজমেন্ট, ভিলেন সেটআপ ও রাউটিং নিয়ে বিস্তারিত টিউটোরিয়াল।

Key Takeaways

  • ডিফল্ট ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • ভেরিফিকেশন কোড ডিজেবল করলে লগইন প্রক্রিয়া সহজ হয়, তবে নিরাপত্তা বিবেচনা করতে হবে।
  • ভিলেন তৈরি ও ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে ওয়েলটিকে নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক থেকে রিচেবল করা যায়।
  • ম্যানেজমেন্ট আইপি ঠিকমতো সেট করলে মাইক্রোটিক থেকে পিং করে সংযোগ নিশ্চিত করা যায়।
  • রাউট কনফিগারেশন ছাড়া গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার সম্ভব নয়।

Summary

  • ভিসল ওয়েলটির ডিফল্ট ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন এবং সিকিউরিটির জন্য পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের প্রক্রিয়া।
  • ওয়েলটির ভেরিফিকেশন কোড বন্ধ করার পদ্ধতি এবং লগইন ম্যানেজমেন্ট কনফিগারেশন।
  • ওয়েলটির নাম ও লোকেশন সেট করা এবং ডিভাইস ইনফরমেশন এডিট করা।
  • ভিলেন তৈরি, ভিলেন পোর্ট ট্যাগিং এবং ম্যানেজমেন্ট আইপি এসাইনমেন্ট।
  • মাইক্রোটিক থেকে পিং করে ওয়েলটির রিচেবল হওয়া নিশ্চিতকরণ।
  • সিএলআই মোডে কাজ করার নিয়ম এবং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহারের জন্য রাউট সেটআপ।
  • স্ট্যাটিক রাউট কনফিগারেশন এবং গেটওয়ে আইপি সেট করার পদ্ধতি।
  • নেটওয়ার্ক থেকে ওয়েলটিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাউটিং ও ভিলেন ব্যবস্থাপনা।
  • ক্লায়েন্ট বা ইউজার আপ করার জন্য ভিলেন তৈরি ও সার্ভিস কনফিগারেশন।
  • নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার ও আইএসপিডি টেকনিশিয়ানদের জন্য প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন স্টেপ বাই স্টেপ।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:11
Speaker A
আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে ভিসল ওয়েলডি কনফিগার করতে হয়। আইএসপিডি টেকনিশিয়ান এবং নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ভিডিওটি খুবই কাজে আসবে। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি। তো আমরা প্রথমে দেখতে পাচ্ছি ভিসল ওলটি ওয়েব ইন্টারফেস। এখন ওএলটিতে লগইন করার জন্য আমাদের ইউজারনেম পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। তো আমরা জানি ভিসল ওলটির ডিফল্ট ইউজারনেম থাকে এডমিন এবং পাসওয়ার্ড থাকে এক্সপন@ওএলটি 9417। তো আমরা ডিফল্ট ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডটা ব্যবহার করে এবং এখানে যেই ভেরিফিকেশন কোড আছে সেটাও আমরা এখানে সঠিকভাবে বসিয়ে ওয়েলটিতে লগইন করে নিব। ওয়েলটিতে লগইন করার পর আমাদের প্রথম কাজ হবে ওএলটির ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডটা চেঞ্জ করে ফেলা। অর্থাৎ এটা হচ্ছে নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি। অর্থাৎ আপনার যেকোনো নেটওয়ার্কিং ডিভাইসে আপনি যখন প্রথম অবস্থায় কনফিগার করবেন তখন আপনি ডিফল্ট ইউজারনেম পাসওয়ার্ড অবশ্যই চেঞ্জ করে ফেলবেন। তো কিভাবে চেঞ্জ করতে হয় আমরা দেখি। এখানে আমি স্টেপ বাই স্টেপ লিখে দিয়েছি। তারপরও আমি ছবির মাধ্যমে আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করছি। বিসলটিতে লগইন করার পর দেখবেন সিস্টেম কনফিগারেশন বলে একটা অপশন আছে। সিস্টেম কনফিগারেশনে ক্লিক করার পর ইউজার ম্যানেজমেন্ট বলে একটা অপশন পাবেন। ইউজার ম্যানেজমেন্টে ক্লিক করে এখানে ইউজার ম্যানেজে যাবেন। ইউজার ম্যানেজে গিয়ে এখানে যে দেখতে পাবেন যে ইউজার টেবিল। অর্থাৎ এখানে আপনার ওয়েলটিতে যতগুলো ইউজার আছে সবগুলো ইউজার এই ইউজার টেবিলে দেখতে পাবেন। তো এখানে দেওয়া আছে এডমিন ইউজার এবং এডমিন ইউজারের রোল আছে এডমিন। তো আমরা যেহেতু এই এডমিন ইউজারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করব। আমরা এডিট আইকনে ক্লিক করার পর আমরা দেখতে পাচ্ছি এই যে ইউজারনেম এডমিনটা সিলেক্ট হয়েছে। অর্থাৎ আমরা এডমিনের ইউজারের পাসওয়ার্ডটা এখন আমরা চেঞ্জ করতে পারব। তো ইউজার পাসওয়ার্ড আমরা দুইবার টাইপ করব। টাইপ করে এডিটে সেট করব। এডিটে ক্লিক করব। এডিটে ক্লিক করলে আমাদের ইউজারনেম পাসওয়ার্ডটা চেঞ্জ হয়ে যাবে। আমরা চাইলে এখান থেকে ওয়েলটিতে নতুন ইউজার তৈরি করতে পারি এবং এক্সিস্টিং ইউজারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে পারি। বুঝতে পেরেছেন? তাহলে আমরা যদি পরবর্তীতে যদি কখনো প্রয়োজন হয় যে আমরা আমাদের অন্য আরেকটা ইউজার দরকার তাহলে আমরা এখান থেকে ঠিক একইভাবে সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে সিস্টেম ইউজার ম্যানেজমেন্ট ক্লিক করে আমরা অ্যাড ইউজারে ক্লিক করে তখন আমরা নতুন ইউজার তৈরি করতে পারব আশা করি বুঝতে পেরেছেন। তার পরবর্তীতে কাজ হচ্ছে ভেরিফিকেশন কোডটা বন্ধ করে দিব। আমরা যখন ওল্ডতে লগইন করি দেখেন একটা এখানে ভেরিফিকেশন কোড শো করে। ঠিক না? এমওআরজেড অর্থাৎ এটা হচ্ছে ভেরিফিকেশন কোড। এই কোড ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দেয়ার পর আমার ভেরিফিকেশন কোডটা এখানে ম্যানডেটরি ছিল। অর্থাৎ কোডটা না দেয়া ছাড়া আমরা ওডিতে লগইন করতে পারতাম না। তো আমরা চাইলে এই ভেরিফিকেশন কোডটা বন্ধ করে দিতে পারি। সেটার জন্য প্রসিডিউরটা এখানে লেখা আছে। তারপর আমি ছবির মাধ্যমে দেখাচ্ছি। সিস্টেম কনফিগারেশন যাবেন। সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে লগিন ম্যানেজমেন্টে ক্লিক করবেন। লগিন ম্যানেজমেন্ট ক্লিক করার পর লগইন কনফিগারেশনে ক্লিক করবেন। লগইন কনফিগারেশন যে ট্যাব আছে লগিন কনফিগারেশন ট্যাবে ক্লিক করার পর এখানে দেখতে পাচ্ছেন ভেরিফিকেশন কোড। ভেরিফিকেশন কোড এখানে প্রাইমারি অবস্থায় এনাবেল থাকবে। আপনি এখানে ড্রপডাউন বাটনে ক্লিক করে এটা ডিজেবল করে দিয়ে সাবমিটে ক্লিক করলেই আপনার ভেরিফিকেশন কোডটা ডিজেবল হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আপনি ওয়েলডিতে লগইন করার সময় আর নতুন করে এই ভেরিফিকেশন কোডটা আপনার দেয়া লাগবে না। শুধুমাত্র ওএলডির ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেয়ার পরই আপনি ওএলটিতে লগইন করতে পারবেন। এবার আমরা ওএলটির একটা নাম সেট করবো যাতে পরবর্তীতে চিনতে পারি। তো কিভাবে করতে হবে সেটা দেখে নেই। ওয়েলটি ইনফরমেশনে ক্লিক করার পর ডিভাইস ইনফরমেশনে ক্লিক করব। এখানে স্টেপগুলো লেখা আছে। তারপর আমি দেখিয়ে দিচ্ছি ওয়েলটি ইনফরমেশনে ক্লিক করার পর ডিভাইস ইনফরমেশনে ক্লিক করবেন তখন এখানে দেখতে পাবেন যে একটা টেক্সট বক্স অপশন আছে অর্থাৎ এখানে আপনি লিখে সিস্টেম নেমের মধ্যে এখানে যে অপশনটা আছে সেটা এডিট করা যাবে। এটা এডিট করে আপনি আপনার ওয়েলটির যে নাম, যে লোকেশনের, যে ওয়েলটি আপনি যেটা চিনতে পারবেন ওইরকম ভাবে করে ওয়েলটির নাম সেট করে আপনি এখানে সাবমিট দিয়ে দিবেন এবং অবশ্যই সেভ করতে হবে। যেকোন কাজ করার পর ওএলটিতে যেকোন কাজ করার পরপরেই আপনি সেভ করে নিবেন। তা না হলে যদি কখনো ওএলটি রিবুট নেয় তাহলে আপনার কারেন্ট কনফিগারেশনগুলো চলে যাবে। এবার আমাদের কাজ হবে ওয়েলটিকে রিচেবল করা। অর্থাৎ আমরা আমাদের ওয়েলটিকে যেন কেবল বিন আমাদের নেটওয়ার্ক থেকে প্রবেশ করতে পারি। এজন্য আমাদের যে কাজ করতে হবে তা হলো রিচেবল ভিলেন ক্রিয়েট করা। আর তারপর সেই ভিলেনের উপর আমাদের রিচেবল আইপি এসাইন করা। তো আমরা ছবিতে দেখে নিচ্ছি। ওয়েল কনফিগারেশনে ক্লিক করব। দেন এখান থেকে ভিলেনে ক্লিক করব। ভিলেনে ক্লিক করার পর এখানে ভিলেন ট্যাব ক্লিক করব। ভিলেন ক্লিক করার পর এখানে মোড আছে সিঙ্গেল। অর্থাৎ আমরা এখানে একটা ভিলেন যদি তৈরি করতে চাই তাহলে সিঙ্গেল সিলেক্ট করে ভিলেন আইডি দিয়ে ডেসক্রিপশন দিব। আর যদি আমরা রেঞ্জ আকারে তৈরি করতে চাই আমরা চাইলে এখানে রেঞ্জ সিলেক্ট করে একসাথে একের অধিক ভিলেন এক লিখে তৈরি করতে পারি। তো আমরা ভিলেন আইডিতে ম্যানেজমেন্ট ভিলেন বসাবো। আর ডেসক্রিপশনে ভিলেনটা কোন কাজে ব্যবহার করবো তা লিখে দিব। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এরপর ভিলেন আপলিং কোর্টে ট্যাগ করতে হবে। ওয়েলটি কনফিগারেশন থেকে ভিলেন যাবেন। ভিলেন থেকে ভিলেন পোর্ট সিলেক্ট করে ভিলেন আইডি সিলেক্ট বিলেন ভিলেন পোর্টে যেতে হবে তারপরে ভিলেন আইডি সিলেক্ট করতে হবে এবং পো ট্যাগ করতে হবে তো কিভাবে করবেন সেটা দেখিয়ে দিচ্ছি। ওএলডিটিতে ওএলটি কনফিগারেশনে যাবেন ভিলেন সিলেক্ট করবেন। ভিলেন সিলেক্ট করার পর এখানে ভিলেন পোর্ট দেখতে পাবেন এবং এখানে ভিলেন আইডি ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে নিবেন। সিলেক্ট করার পর যে অর্থাৎ এটা হচ্ছে আমার ওএলডিটির পোর্টগুলো দেখতে পাচ্ছি এখানে পোর্ট আইডি অর্থাৎ জি ওয়ান থেকে জি 16 পর্যন্ত পোর্ট আছে ইথার পোর্ট এবং এখানে এসএপি পোর্ট দুইটা মিলিয়ে আছে সিরিয়াল ওয়াইজ এবং নিচের গুলো আছে পর্ন পোর্ট। তো আমরা যেহেতু আপলিং পোর্টটা আমার জিফাইভ আছে আমি জিভ পোর্টটাকে ট্যাগে রেখেছি এবং সাবমিট করেছি তাহলেই আমার এই 20 মিলিয়নটা আপলিং পোর্টে ট্যাগ হয়ে গেল। ট্যাগ করার পর আমাদের কাজ হচ্ছে ম্যানেজমেন্ট আইপি এসাইন করা। এজন্য আমাদের ওএলডিটিতে নিচের নির্দেশনাগুলো লোশন করতে হবে কি করতে হবে। ওএলডি কনফিগারেশন থেকে রাউট তো ওএলটি কনফিগারেশন যাব। ওলডি কনফিগারেশন থেকে রাউট। রাউট থেকে আইপি। আইপি থেকে এখানে বিলেন আইপি। ভিলেন আইপি সিলেক্ট করার পর বিলেন আইডিটা এখানে ড্রপডাউন মেনুতে ক্লিক করে চয়েজ করে দিব। দেন আমি এখানে আইপি এড্রেস সেট করবো। আইপি এড্রেস সেট করবো এবং সাবনেট মাস্ক দিয়ে দিব। এবং দেন সাবমিট করব। সাবমিট করার পর আমার এই যে ভিলেনের আইপি টেবিল আছে সেখানে আমি ভিলেন আইডির সাথে আইপি এবং সাবনেট মাস্কটা দেখতে পারবো। তো তারপর আমরা মাইক্রোটিক তারপর আমরা ম্যানেজমেন্ট আইপি বসানোর পর অর্থাৎ আমরা যখন আমরা এই আইপিটা বসিয়ে পড়বো ম্যানেজমেন্ট করার জন্য। অর্থাৎ মাইক্রোটিক থেকে পিং দিলে আমরা পিং পাবো। তখনই বুঝতে হবে যে আমাদের আপলিং পোর্টটা সুন্দরভাবে ট্যাগ হয়েছে এবং আমাদের যে আইপিটা আমরা বসিয়েছি সেটা ঠিকভাবে কাজ করছে। ম্যানেজমেন্ট আইপি বসানোর পরপরই আমাদের পিং পাওয়ার কারণে আমরা বুঝতে পেরেছি ওয়েলটি রিচেবল হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে এখন শুধু আমরা সিএলআই মোড অর্থাৎ কমান্ডে কাজ করতে পারব। গ্রাফিক্যালিতে কাজ করতে অর্থাৎ গ্রাফিক্যালি কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে রাউট বসাতে হবে। তো রাউট বসানোর নিয়মটা আমি দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে রাউট বসাবেন। বিসল ওয়েলটি থেকে বিসবিটিতে লগিন করার পর এখানে দেখবেন ওয়েলডি কনফিগারেশন। ওয়েলডি কনফিগারেশনে ক্লিক করে এখানে দেখবেন রাউট। রাউটে ক্লিক করার পর স্টেটিক রাউট বলে একটা অপশন আছে। এটাতে ক্লিক করার পর এখানে ডেস্টিনেশন আইপি এবং ডেস্টিনেশন মাস্ক অর্থাৎ এখানে জিরো জিরো দিয়ে দিবেন। এখানে একটা অলরেডি রাউট বসানো আছে যাতে আপনারা বুঝতে পারেন সহজে কিরকম ভাবে বসাবেন সেজন্য আমি এটা রেখেছি। তো স্টেপগুলো এখানে লেখা আছে। তো তারপর আমি বলে দিচ্ছি এখানে ডেস্টিনেশন আইপি জিরো জিরো যেকোন আইপি থেকে আপনি হিট দিলে যাতে আপনি এডিতে ঢুকতে পারেন সেটা। ডেস্টিনেশন মাস্ক জিরো জিরো অর যেকোন নেটওয়ার্ক যেন যেকোন আইপি তো গেটওয়েটা বসায় দিবেন। গেটওয়েটা কোথা থেকে বসাবেন? গেটওয়েটা কোথা থেকে বসাবেন সেটা এখানে লিখে দিয়েছি। আমাদের মাইক্রোটিকের যে আইপিটা বসানো আছে ওইটা গেটওয়ে হিসেবে বসবে। তো বুঝতে পেরেছেন গেটওয়ের আইপিটা কোথা থেকে আসলো বা কিভাবে আসলো। এরপর আমরা ব্রাউজারে আইপিতে হিট করলে ওএলডিতে প্রবেশ করতে পারব। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে আমাদের ক্লায়েন্ট বা ইউজার আপ করা। তো ইতিমধ্যে আমরা ওয়েলটি রিচেবল করে ফেলেছি। অর্থাৎ আমরা আমাদের নেটওয়ার্কের যেকোন জায়গা থেকে আমরা ওয়েলটিতে এক্সেস করতে পারব। এখন আমাদের পরবর্তী কাজ হচ্ছে ইউজার আপ করা। ওয়েলটিতে ইউজার আপ করব। এখন ইউজার আপ করার জন্য আমাদের যে কাজটা করতে হবে যদি আমাদের ক্লায়েন্ট আমরা ভিলেনের মাধ্যমে আপ করতে চাই তাহলে আমাদের প্রথমে ভিলেন তৈরি করতে হবে তারপর ওই ভিলেন দিয়ে সার্ভিস আপ করতে হবে। তো একটু আগেই দেখেছি ভিলেন কিভাবে তৈরি করতে হয়। তো আমরা দেখছি আবার ওয়েলডি কনফ...
00:37
Speaker A
ইউজারনেম পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। তো আমরা জানি ভিসল ওলটির ডিফল্ট ইউজারনেম থাকে এডমিন এবং পাসওয়ার্ড থাকে এক্সপন @ ওএলt 9417। তো আমরা ডিফল্ট ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডটা ব্যবহার করে এবং এখানে যেই ভেরিফিকেশন কোড আছে সেটাও আমরা এখানে সঠিকভাবে বসিয়ে ওয়েলটিতে লগইন করে নিব।
01:02
Speaker A
ওয়েলটিতে লগইন করার পর আমাদের প্রথম কাজ হবে ওএলটির ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডটা চেঞ্জ করে ফেলা। অর্থাৎ এটা হচ্ছে নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি। অর্থাৎ আপনার যেকোনো নেটওয়ার্কিং ডিভাইসে আপনি যখন প্রথম অবস্থায় কনফিগার করবেন তখন আপনি ডিফল্ট ইউজার নেম পাসওয়ার্ড অবশ্যই চেঞ্জ করে ফেলবেন।
01:18
Speaker A
তো কিভাবে চেঞ্জ করতে হয় আমরা দেখি এখানে আমি স্টেপ বাই স্টেপ লিখে দিয়েছি। তারপরও আমি ছবির মাধ্যমে আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করছি। বিসলটিতে লগইন করার পর দেখবেন সিস্টেম কনফিগারেশন বলে একটা অপশন আছে। সিস্টেম কনফিগারেশনে ক্লিক করার পর ইউজার ম্যানেজমেন্ট বলে একটা অপশন পাবেন।
01:33
Speaker A
ইউজার ম্যানেজমেন্টের ক্লিক করে এখানে ইউজার ম্যানেজে যাবেন। ইউজার ম্যানেজে গিয়ে এখানে যে দেখতে পাবেন যে ইউজার টেবিল। অর্থাৎ এখানে আপনার ওয়েলটিতে যতগুলো ইউজার আছে সবগুলো ইউজার এই ইউজার টেবিলে দেখতে পাবেন। তো এখানে দেওয়া আছে এডমিন ইউজার এবং এডমিন ইউজারের রোল আছে
01:50
Speaker A
এডমিন। তো আমরা যেহেতু এই এডমিন ইউজারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করব। আমরা এডিট আইকনে ক্লিক করার পর আমরা দেখতে পাচ্ছি এই যে ইউজারনেম এডমিনটা সিলেক্ট হয়েছে। অর্থাৎ আমরা এডমিনের ইউজারের পাসওয়ার্ডটা এখন আমরা চেঞ্জ করতে পারব। তো ইউজার পাসওয়ার্ড আমরা দুইবার টাইপ করব। টাইপ করে এডিটে সেট
02:08
Speaker A
করব। এডিটে ক্লিক করব। এডিটে ক্লিক করলে আমাদের ইউজারনেম পাসওয়ার্ডটা চেঞ্জ হয়ে যাবে। আমরা চাইলে এখান থেকে ওয়েলডিতে নতুন ইউজার তৈরি করতে পারি এবং এক্সিস্টিং ইউজারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে পারি। বুঝতে পেরেছেন? তাহলে আমরা যদি পরবর্তীতে যদি কখনো প্রয়োজন হয় যে আমরা আমাদের অন্য
02:24
Speaker A
আরেকটা ইউজার দরকার তাহলে আমরা এখান থেকে ঠিক একইভাবে সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে সিস্টেম ইউজার ম্যানেজমেন্ট ক্লিক করে আমরা অ্যাড ইউজারে ক্লিক করে তখন আমরা নতুন ইউজার তৈরি করতে পারব আশা করি বুঝতে পেরেছেন। তার পরবর্তীতে কাজ হচ্ছে ভেরিফিকেশন কোডটা বন্ধ করে দিব। আমরা যখন ওল্ডতে লগইন করি
02:46
Speaker A
দেখেন একটা এখানে ভেরিফিকেশন কোড শো করে। ঠিক না? এম ও আরজেড অর্থাৎ এটা হচ্ছে ভেরিফিকেশন কোড। এই কোড ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দেয়ার পর আমার ভেরিফিকেশন কোডটা এখানে ম্যানটরি ছিল। অর্থাৎ কোডটা না দেয়া ছাড়া আমরা ওডি লগইন করতে পারতাম না। তো আমরা চাইলে এই ভেরিফিকেশন কোডটা
02:59
Speaker A
বন্ধ করে দিতে পারি। সেটার জন্য প্রসিডিউরটা এখানে লেখা আছে। তারপর আমি ছবির মাধ্যমে দেখাচ্ছি। সিস্টেম কনফিগারেশন যাবেন। সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে লগিন ম্যানেজমেন্টে ক্লিক করবেন। লগিন ম্যানেজমেন্ট ক্লিক করার পর লগইন কনফিগারেশনে ক্লিক করবেন। লগইন কনফিগারেশন যে ট্যাব আছে লগিন কনফিগারেশন ট্যাবে
03:14
Speaker A
ক্লিক করার পর এখানে দেখতে পাচ্ছেন ভেরিফিকেশন কোড। ভেরিফিকেশন কোড এখানে প্রাইমারি অবস্থায় এনাবেল থাকবে। আপনি এখানে ড্রপডাউন বাটনে ক্লিক করে এটা ডিজেবল করে দিয়ে সাবমিটে ক্লিক করলেই আপনার ভেরিফিকেশন কোডটা ডিজেবল হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আপনি ওয়েলডিতে লগইন করার
03:28
Speaker A
সময় আর নতুন করে এই ভেরিফিকেশন কোডটা আপনার দেয়া লাগবে না। শুধুমাত্র ওএলডির ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেয়ার পর পরই আপনি ওএলটিতে লগইন করতে পারবেন। এবার আমরা ওএলটির একটা নাম সেট করবো যাতে পরবর্তীতে চিনতে পারি। তো কিভাবে করতে হবে সেটা দেখে নেই। ওয়েলটি ইনফরমেশনে ক্লিক
03:49
Speaker A
করার পর ডিভাইস ইনফরমেশনে ক্লিক করব। এখানে স্টেপগুলো লেখা আছে। তারপর আমি দেখিয়ে দিচ্ছি ওয়েলটি ইনফরমেশনে ক্লিক করার পর ডিভাইস ইনফরমেশনে ক্লিক করবেন তখন এখানে দেখতে পাবেন যে একটা টেক্সট বক্স অপশন আছে অর্থাৎ এখানে আপনি লিখে সিস্টেম নেমের মধ্যে এখানে যে অপশনটা আছে সেটা
04:05
Speaker A
এডিট করা যাবে। এটা এডিট করে আপনি আপনার ওয়েলটির যে নাম্ যে লোকেশনের যে ওয়েলটি আপনি যেটা যারা যেটা চিনতে পারবেন ওইরকম ভাবে করে ওয়েলটির নাম সেট করে আপনি এখানে সাবমিট দিয়ে দিবেন এবং অবশ্যই সেভ করতে হবে। যেকোন কাজ করার
04:20
Speaker A
পর ওএলটিতে যেকোন কাজ করার পর পরেই আপনি সেভ করে নিবেন। তা না হলে যদি কখনো ওএলটি রিবুট নেয় তাহলে আপনার কারেন্ট কনফিগারেশন গুলো চলে যাবে। এবার আমাদের কাজ হবে ওয়েলটিকে রিচেবল করা। অর্থাৎ আমরা আমাদের ওয়েলটিকে যেন কেবল বিন
04:40
Speaker A
আমাদের নেটওয়ার্ক থেকে প্রবেশ করতে পারি। এজন্য আমাদের যে কাজ করতে হবে তা হলো রিচেবল ভিলেন ক্রিয়েট করা। আর তারপর সেই ভিলেন এর উপর আমাদের রিচেবল আইপি এসাইন করা। তো আমরা ছবিতে দেখে নিচ্ছি। ওয়েল কনফিগারেশনে ক্লিক করব। দেন এখান থেকে
04:54
Speaker A
ভিলেনে ক্লিক করব। বিলে ক্লিক করার পর এখানে ভিলেন ট্যাব ক্লিক করব। ভিলেন ক্লিক করার পর এখানে মোড আছে সিঙ্গেল। অর্থাৎ আমরা এখানে একটা ভিলেন যদি একটা ভিলেন যদি তৈরি করতে চাই তাহলে সিঙ্গেল সিলেক্ট করে ভিলেন আইডি দিয়ে ডেসক্রিপশন দিব। আর যদি
05:06
Speaker A
আমরা রেঞ্জ আকারে তৈরি করতে চাই আমরা চাইলে এখানে রেঞ্জ সিলেক্ট করে একসাথে একের অধিক ভিলেন এক লিখে তৈরি করতে পারি। তো আমরা ভিলেন আইডিতে ম্যানেজমেন্ট ভিলেন বসাবো। আর ডেসক্রিপশনে ভিলেনটা কোন কাজে ব্যবহার করবো তা লিখে দিব। আশা করি বুঝতে
05:19
Speaker A
পেরেছেন। এরপর ভিলেন আপলিং কোর্টে ট্যাগ করতে হবে। ওয়েলটি কনফিগারেশন থেকে ভিলেন যাবেন। ভিলেন থেকে ভিলেন পোর্ট সিলেক্ট করে ভিলেন আইডি সিলেক্ট বিলেন ভিলেন পোর্টে যেতে হবে তারপরে ভিলেন আইডি সিলেক্ট করতে হবে এবং পো ট্যাগ করতে হবে তো কিভাবে করবেন সেটা
05:35
Speaker A
দেখিয়ে দিচ্ছি ওএলডিটিতে ওএলটি কনফিগারেশনে যাবেন ভিলেন সিলেক্ট করবেন ভিলেন সিলেক্ট করার পর এখানে ভিলেন পোর্ট দেখতে পাবেন এবং এখানে ভিলেন আইডি ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে নিবেন সিলেক্ট করার পর যে অর্থাৎ এটা হচ্ছে আমার ওএলডিটির পোর্টগুলো দেখতে পাচ্ছি এখানে
05:47
Speaker A
পোর্ট আইডি অর্থাৎ জি ওয়ান থেকে জি 16 পর্যন্ত পোর্ট আছে ইথার পোর্ট এবং এখানে এসএপি পোর্ট দুইটা মিলিয়ে আছে সিরিয়াল ওয়াইজ এবং নিচের গুলো আছে পর্ন পোর্ট তো আমরা যেহেতু আপলিং পোর্টটা আমার জিফাইভ আছে আমি জিভ পোর্টটাকে ট্যাগে রেখেছি এবং
06:00
Speaker A
সাবমিট করেছি তাহলেই আমার এই 20 মিলিয়নটা আপলিং পোর্টে ট্যাগ হয়ে গেল ট্যাগ করার পর আমাদের কাজ হচ্ছে ম্যানেজমেন্ট আইপি এসাইন করা এজন্য আমাদের ওএলডিটিতে নিচের নির্দেশনাগুলো লোশন করতে হবে কি করতে হবে ওএলডি কনফিগারেশন থেকে রাউট তো ওএলটি কনফিগারেশন যাব ওলডি
06:20
Speaker A
কনফিগারেশন থেকে রাউট রাউট থেকে আইপি আইপি থেকে এখানে বিলেন আইপি ভিলেন আইপি সিলেক্ট করার পর বিলেন আইডিটা এখানে ড্রপডাউন মেনুতে ক্লিক করে চয়েজ করে দিব। দেন আমি এখানে আইপি এড্রেস সেট করবো। আইপি এড্রেস সেট করবো এবং সাবরেট মাস দিয়ে দিব। এবং
06:34
Speaker A
দেন সাবমিট করব। সাবমিট করার পর আমার এই যে ভিলেন এর আইপি টেবিল আছে সেখানে আমি ভিলেন আইডির সাথে আইপি এবং সাবরেট মাস্কটা দেখতে পারবো। তো তারপর আমরা মাইক্রোটিক তারপর আমরা ম্যানেজমেন্ট আইপি বসানোর পর অর্থাৎ আমরা যখন আমরা এই আইপিটা বসিয়ে পড়বো
06:49
Speaker A
ম্যানেজমেন্ট করার জন্য। অর্থাৎ মাইক্রোটিক থেকে পিং দিলে আমরা পিং পাবো। তখনই বুঝতে হবে যে আমাদের আপলিং পোর্টটা সুন্দরভাবে ট্যাগ হয়েছে এবং আমাদের যে আইপিটা আমরা বসিয়েছি সেটা ঠিকভাবে কাজ করছে। ম্যানেজমেন্ট আইপি বসানোর পরপরই আমাদের পিংক পাওয়ার কারণে আমরা বুঝতে পেরেছি
07:07
Speaker A
ওয়েলটি রিচেবল হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে এখন শুধু আমরা সিএলআই মোড অর্থাৎ কমান্ডে কাজ করতে পারব। গ্রাফিক্যালিতে কাজ করতে অর্থাৎ গ্রাফিক্যালি কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে রাউট বসাতে হবে। তো রাউট বসানোর নিয়মটা আমি দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে রাউট বসাবেন
07:23
Speaker A
বিসল ওয়েলটি থেকে বিসবিটিতে লগিন করার পর এখানে দেখবেন ওয়েলডি কনফিগারেশন ওয়েলডি কনফিগারেশনে ক্লিক করে এখানে দেখবেন রাউট রাউটে ক্লিক করার পর স্টেটিক রাউট বলে একটা অপশন আছে এটাতে ক্লিক করার পর এখানে ডেস্টিনেশন আইপি এবং ডেস্টিনেশন মাস্ক অর্থাৎ এখানে জিরো জিরো দিয়ে দিবেন এখানে
07:38
Speaker A
একটা অলরেডি রাউট বসানো আছে যাতে আপনারা বুঝতে পারেন সহজে কিরকম ভাবে বসাবেন সেজন্য আমি এটা রেখেছি তো স্টেপগুলো এখানে লেখ লেখা আছে। তো তারপর আমি বলে দিচ্ছি এখানে ডেস্টিনেশন আইপি জিরড জির যেকোন আইপি থেকে আপনি হিট দিলে যাতে আপনি এডিতে ঢুকতে পারেন সেটা
07:57
Speaker A
ডেস্টিনেশন মাস জডজ অর যেকোন নেটওয়ার্ক যেন যেকোন আইপি তো গেটওয়েটা বসায় দিবেন। গেটওয়েটা কোথা থেকে বসাবেন? গেটওয়েটা কোথা থেকে বসাবেন সেটা এখানে লিখে দিয়েছি। আমাদের মাইক্রোটিকের যে আইপিটা বসানো আছে ওইটা গেটওয়ে হিসেবে বসবে। তো বুঝতে পেরেছেন গেটওয়ের আইপিটা কোথা থেকে আসলো বা
08:12
Speaker A
কিভাবে আসলো। এরপর আমরা ব্রাউজারে আইপিতে হিট করলে ওএলডিতে প্রবেশ করতে পারব। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে আমাদের ক্লায়েন্ট বা ইউজার আপ করা। তো ইতিমধ্যে আমরা ওয়েলটি রিচেবল করে ফেলেছি। অর্থাৎ আমরা আমাদের নেটওয়ার্কের যেকোন জায়গা থেকে আমরা ওয়েলটিতে এক্সেস করতে পারব। এখন
08:32
Speaker A
আমাদের পরবর্তী কাজ হচ্ছে ইউজার আপ করা। ওয়েলটিতে ইউজার আপ করব। এখন ইউজার আপ করার জন্য আমাদের যে কাজটা করতে হবে যদি আমাদের ক্লায়েন্ট আমরা ভিলেন এর মাধ্যমে আপ করতে চাই তাহলে আমাদের প্রথমে ভিলেন তৈরি করতে হবে তারপর ওই ভিলেন দিয়ে
08:45
Speaker A
সার্ভিস আপ করতে হবে। তো একটু আগেই দেখেছি ভিলেন কিভাবে তৈরি করতে হয়। তো আমরা দেখছি আবার ওয়েলডি কনফিগারেশন থেকে ভিলেন যাব। ভিলেন থেকে ভিলেন আইডি সিলেক্ট করব। অথাৎ সার্ভিস ভিলেন সিলেক্ট করবো এবং ডেসক্রিপশন দিব। তো তারপর আবার প্রতিটি
09:00
Speaker A
প্রতিটি পনপুটের জন্য আলাদা দিবেন। আচ্ছা তো আমরা এখানে বলছি দেখেন ভিলেন সিলেক্ট করছি। এখন দেখেন সার্ভিস ভিলেন আমরা বলতেছিলাম যে সার্ভিস ভিলেন তৈরি করব। তো এখানে দেখতে পাচ্ছেন 51 থেকে 58 পর্যন্ত সার্ভিস ভিলেন তৈরি করেছি। যেহেতু আমার এই
09:14
Speaker A
ওয়েলটিটা আট পোটের ওয়েলটি। তো আমি আমি প্রতিটা পনপোটের জন্য আলাদা আলাদা সার্ভিস ভিলেন ইউজ করেছি। এজন্য এখানে আটটা ভিলেন তৈরি করেছি। তো ভিলেন তৈরি করার পর মনে রাখতে হবে কোন সার্ভিস আপ করার জন্য আপলিংক পোর্টকে অবশ্যই ট্যাগে রাখতে হবে।
09:36
Speaker A
আর আমরা যে পোর্ট দিয়ে ক্লায়েন্ট আপ করবো অর্থাৎ ইউজার কানেক্ট করবো সেই পোর্টকে আনটেক করে দিব। আমরা এই কোয়ালিটির মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করি। এখানে সার্ভিস ভিলেন দিয়ে কিভাবে ইউজার আপ করা হয়েছে? সার্ভিস ভিলেনগুলো আপলিং পোর্টে ট্যাগ এবং পন্
09:50
Speaker A
পোর্টে আনট্যাগ করা হয়েছে। তো আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি ওডি কনফিগারেশন থেকে ভিলেন ভিলেন থেকে ভিলেন পোর্ট। অর্থাৎ আমরা এখানে প্রথম ভিলেন সিলেক্ট করে নিব। দেন আমরা এখানে পোর্ট ট্যাগ আনটেক করব। তো আমি পোর্ট ভিলেন টেবিলের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করছি।
10:05
Speaker A
যেহেতু আমি আটটা ভিলেন তৈরি করেছিলাম। তাই সবগুলো ভিলেন ইনফরমেশন যাতে একসাথে দেখাতে পারি তাই এখান থেকে দেখাচ্ছি। পোর্ট ভিলেন টেবিল। এখান থেকে আপনি ভিলেন আইডি দেখতে পাবেন এবং কোন কোন পোর্টে ভিলেন ট্যাগ করা আছে সেটা দেখতে পারবেন এবং কোন পোর্টে
10:19
Speaker A
আনট্যাগ করা আছে সেটাও দেখতে পাবেন। তো এখানে ভিলেন আইডির মধ্যে দেখা আছে এক থেকে 58 পর্যন্ত 51 থেকে 58 পর্যন্ত। তো আমরা প্রাইমারিতে সবগুলো পোর্টে ট্যাগ রেখেছি কারণ অনেক সময় টেকনিশিয়ানরা ভুলবসত কেবল চেঞ্জ করে ফেলে। তো অনেক সময় ডাউন হয়ে
10:33
Speaker A
যায়। তাই আপনি চাইলে শুধুমাত্র জিফ অর্থাৎ আপলিং পোর্টটাতেই ট্যাগ রাখতে পারেন। আর এখানে দেখতে পাচ্ছেন যেহেতু আমি আলাদা আলাদা ভিলেন ইউজ করেছিলাম আলাদা আলাদা পনের জন্য। এজন্য আলাদা আলাদা অর্থাৎ একটা ভিলেন একটা পন্টেই আনট্যাক রেখেছি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
10:50
Speaker A
এবার ওয়েলটি থেকে ওয়েলটি আপ করার পদ্ধতি। আমাদের অনেক সময় এক ওয়েলটি থেকে অন্য ওয়েলটি আপ করতে হয়। এখন আমাদের যে ওয়েলটি থেকে আপ হবে সে ওয়েলটিতে পরের ওয়েলটি এর জন্য যে সার্ভিস ভিলেন দিয়ে ক্লায়েন্ট আপ করবো সেই বিলনগুলো প্রথমে প্রথম ওয়েলটি
11:07
Speaker A
দিয়ে তৈরি করতে হবে এবং সেই ভিলেনগুলো ট্যাকে করে রাখতে হবে। যেহেতু একই বিলন দিয়ে আমরা ওয়েলটি রিসেবল করবো তাই পরের ওয়েলটি যে পোর্ট দিয়ে আপ হয়েছে ওই পোর্টের উপরে ভিলেন ট্যাগ করতে হবে। আমরা ছবির সাহায্যে বুঝার চেষ্টা করি তাহলে বিষয়টা
11:19
Speaker A
সহজভাবে বুঝতে পারব। তো এটা হচ্ছে প্রথম ওয়েলটি। প্রথম ওয়েলটিতে দেখতে পাচ্ছেন ওয়েলটি কনফিগনশন ভিলেন ভিলেন থেকে আমি পোর্ট ভিনে গিয়ে আপনার ভিলেন পোর্টে গিয়ে পোর্ট ভিলেন টেবিল থেকে দেখাচ্ছি। অর্থাৎ এখানে 101 হচ্ছে প্রথমটির জন্য। অর্থাৎ প্রথমটিটা আমিজি5 দিয়ে আপ করেছি এবং এখানে আপলিংক পোর্টে
11:39
Speaker A
101 বিলিয়ন ট্যাগ রেখেছি এবং বাকি বাকি যে পোর্টগুলো আছে ওগুলোর উপর আনটেক করেছি অর্থাৎ পন্ পোর্টগুলোর উপর আনটেক রেখেছি কারণ পন্ পোর্ট দিয়ে গুলো আমার ইউজার আপ হবে এখন যে কাজটা করতে হবে যেহেতু আমি বলছি একটা ওয়েলটি থেকে আরেকটা ওই আপ করবো
11:52
Speaker A
আর 102 বিলিয়ন ইউজ করেছি আমরা দ্বিতীয় ওয়েলটির জন্য তো দ্বিতীয় ওয়েলটির জন্য যেহেতু আমরা 102 বিলিয়ন ইউজ করেছিলাম সার্ভিস আপ করার জন্য তাই প্রথম ওয়েলটিতে 102 বিলিয়ন ইউজ তৈরি করতে হবে এবং যে পোর্ট দিয়ে একটা ওয়েল থেকে আরেকটা ওয়েলটি
12:05
Speaker A
কানেক্ট হবে নিশ্চয়ই দুইটা পোর্টই আপনার উপর এই ভিলেনটা ট্যাগ রাখতে হবে। তো আমরা এই ওয়েলটির আপলিং পোর্ট হচ্ছে GE5 এটাতে ট্যাগ রেখেছি এবং জি সিক্স থেকে দ্বিতীয় ওয়েলটি আপ হয়েছে তাই জিক্সও ট্যাগ রেখেছি। তো এখানে দেখতে পাচ্ছেন দ্বিতীয় ওয়েলটি
12:21
Speaker A
দ্বিতীয়টির টেবিলে আমরা দেখতে পাচ্ছি কি 102 বিলিয়ন জিক্স এর উপরে ট্যাগ আছে। দ্যাট মিন্স আমার যে প্রথম ওয়েলটি থেকে দ্বিতীয়টা এখন ভিলেনটা পাস হয়ে গেল। দেন আমরা আনট্যাক করে দিয়েছি কি? পন্ পোর্টগুলোকে আনটেক করে দিয়েছি যাতে পন্ডপোর্টগুলো দিয়ে সার্ভিস আপ করতে
12:35
Speaker A
পারে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এবার আসি টিএনজি পোর্ট কিভাবে এনেবল করবেন? অনেক সময় আমাদের ভিসল ওয়ালটিতে টনজি পোর্ট এনাবল করার প্রয়োজন পড়ে থাকে। কারণ আট ফোনের ওয়েলটি হলে আপনাকে অবশ্যই টিএনজি এনাবল করে নিতে হবে। কেননা আপনার ওইখানে এক জিবি পরিমাণ ট্রাফিক
12:50
Speaker A
দিয়ে আপনি ইউজার চালাতে পারবেন না। তো বিস গুলো যখন আমরা বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসি তখন ওয়েলটি গুলোতে টেনজি পোর্টটা বাই ডিফল্ট এনাবল করা থাকে না। তো সেটা আমাদেরকে এনাবল করে নিতে হয়। তো কিভাবে এনাবল করবেন তা দেখাচ্ছি। প্রথমে কমান্ড
13:05
Speaker A
লাইনে ওয়েলটিতে প্রবেশ করবেন এবং দেন কমান্ডগুলো দিবেন এনাবল কনফিগ টার্মিনাল। কনফিগারেশন কনফিগার টার্মিনাল দিয়ে আপনি কনফিগারেশন মোডে প্রবেশ করবেন দেন ডিবাক মোডে যাবেন ডিভাক মোডে গিয়ে আপনি এই কমান্ডটার মাধ্যমে টিএনজিটা এনাবল করতে পারবেন সেট জিআই ইউ মোড এসএ পপি প্লাস এই
13:21
Speaker A
কমান্ডটা দিলে এনজি এনাবল হয়ে যাবে এবং যেহেতু আমি কাজ করেছি এখন আমি এটা সেভ করব রাইট মেমোরি দিলে ওয়েলটিটা কনফিগারেশন গুলো সেভ করে ফেলবে এবং অবশ্যই ওয়েলটিটা রিবুট দিব রিবোট দিলেই আমরা দেখতে পারবো যে টেনজি পোর্টটা এনাবল হয়ে গিয়েছে
13:40
Speaker A
এবারে এবারে আসি বন্ডিং কিভাবে করতে হয়। তো প্রথমে জেনে নেই বন্ডিং কি জিনিস। বন্ডিং মিন্স হচ্ছে আমরা দুইটা ফিজিক্যাল পোর্টকে একটা লজিক্যাল পোর্টে কনভার্ট করব। তো আমরা বন্ডিং কেন করি? একটা পোর্টের একটা ব্যান্ড লিমিটেশন দেয়া থাকে। অর্থাৎ পোর্ট যদি ওয়ানজি হয় তাহলে
13:54
Speaker A
1000 এমবিপিএস এর বেশি ব্যান্ড পাস করতে পারবো না। সেক্ষেত্রে আমরা দুইটা ফিজিক্যাল পোর্টকে একটা লজিক্যাল পোর্টে নিয়ে আসার জন্য বন্ডিং করে থাকি। তো ছবির মাধ্যমে দেখাচ্ছি। এখানে স্টেপগুলো দেয়া আছে। তো প্রথমে আমরা ওএলটি কনফিগারেশন থেকে এলএপিতে যাব। থেকে এলসিপি থেকে স্ট্যাটিক এলসিপিতে
14:10
Speaker A
ক্লিক করব দেন এখানে চ্যানেল গ্রুপ অটোমেটিক নিয়ে নেবে লোড ব্যালেন্সটা আমরা চয়েস করে দিব সোরস সোর্স এন্ড ডেস্টিনেশন ম্যাক দেন এখানে যে যে পোর্টের উপর আমরা বন্ডিং করতে চাচ্ছি আমরা চাইলে তিনটা চারটা একসাথে করতে পারি তো আমরা এখানে দুইটা পোর্ট করেছি অর্থাৎ আমরা
14:26
Speaker A
এটাকে 2 জিবি পরিমাণ ট্রাফিক যাতে পাস করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি দেন আমরা সিলেক্ট পোর্টগুলো সিলেক্ট করে সাবমিটে ক্লিক করেছি দেন আমাদের এখানে বন্ডিং ইন্টারফেসটা তৈরি হয়ে গিয়েছে যেটা আমরা এই টেবিলের দেখতে পাচ্ছি। এবার আসি লুপ ব্যাক কিভাবে এনাবল করবেন।
14:42
Speaker A
তো প্রথমে জেনে নেই লুপ ব্যাকটা কি? লুপেক হচ্ছে অনেক সময় ওয়েলটিতে ও কোন অনুতে যদি প্রবলেম হয় তখন ব্যাক লেজার চলে আসে বা ওয়েলটির ঝামেলার কারণে অন্যান্য ইউজারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা অন্যান্য ইউজারগুলো আপডাউন করতে থাকে অটোমেটিক। তখন ওই অনুটাকে ফাইন্ড করার জন্য আমাদের লুপ
14:58
Speaker A
ব্যাক এনাবল করতে হয়। তো লুপ ব্যাক কিভাবে এনাবল করবেন সেটা এখানে স্টেপ বাই স্টেপ লিখে দিয়েছি। তারপর আমি ছবির মাধ্যমে দেখাচ্ছি যাতে সহজে বুঝতে পারেন। কোয়ালিটি কনফিগারেশনে ক্লিক করার পর এখানে লুপ ব্যাক অপশনে ক্লিক করবেন। দেন এখানে গ্লোবাল ট্যাবে আসবেন। গ্লোবাল
15:09
Speaker A
ট্যাবে এসে স্ট্যাটাসটা বাই ডিফল্ট ডিজেবল থাকবে। এটা এনেবল করে দিবেন। রেঞ্জ অল থাকলে সমস্যা নেই। ইফেক্টে গিয়ে অন্য অনুকট করে দিবেন। কেননা আমাদের যে ইফেক্টটা হবে সেটা আমরা চাই যাতে অনুতে হয়। তা না হলে আপনার যদি এটা চেঞ্জ না
15:21
Speaker A
করে দেন আপনার আপলিং ফটো আপনার ডিজেবল হয়ে যেতে পারে। তো আপনারা চাচ্ছি যে ইফেক্টটা যাতে সবসময় অনুতে হয় তো এটা খুব কেয়ারফুলি সিলেক্ট করে দিবেন অনু এবং ম্যানুয়াল রিকভারি অনেক সময় এটা অটো রিকভারি করে দেন অনেকে কিন্তু অটো রিকভারি
15:36
Speaker A
করে দেয়ার কিছু খুব কিছু দুর্বলতা আছে যে অর্থাৎ দুর্বলতা বলতে কি অসুবিধা আছে সেটা হচ্ছে অটো রিকভারি যদি সেট করা থাকে কোন ওয়েল থেকে কোন অনু থেকে যদি লুপ ব্যাক আসে তাহলে ওই অণুটা যদি এক মিনিট পর যদি
15:50
Speaker A
আবার সলভ হয়ে যায় তাহলে লাইনটা অটোমেটিক আপ হবে এটা একটা যেমন ভালো সাইট কিন্তু কোন থেকে কোন অন্য থেকে প্রবলেম হলো সেটা তো আর আপনি আইডেন্টিফাই করতে পারলেন না। এটা হলো খারাপ সাইট। তো সুতরাং আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ার আছি বা টেকনিশিয়ান আছেন
16:02
Speaker A
তাদেরকে তাদের উদ্দেশ্যে আপনারা সবসময় ম্যানুয়াল রিকভারিটা সিলেক্ট করে রাখবেন। তাহলে কোন ওইডি থেকে কখনো ভুলবশত কোন ফল্ট আসলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কোন অনু প্রবলেমটা হয়েছিল। কারণ সাথে সাথে ওই অনুটা ডিজেবল হয়ে যাবে এবং বন্ধ হয়ে যাবে। এবং সে আপনার ওই ক্লায়েন্ট আপনাকে
16:18
Speaker A
নক করেই তার প্রবলেম সলভ করতে হবে। তো আশা করি বাকি জিনিসগুলো ঠিক একইভাবে দেখবেন রেখে সাবমিটে ক্লিক করলে লুকব্যাক এনাবল করতে পারবেন। তো যদি ভিডিওটি ভালো লেগে থাকে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনার যারা টেকনিশিয়ান আছেন, বন্ধু
16:34
Speaker A
আছেন বা আপনার কলিগ আছেন তাদেরকে ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন।
Topics:ভিসল ওয়েলটিওয়েলটি কনফিগারেশননেটওয়ার্ক সিকিউরিটিভিলেন সেটআপরাউটিংআইএসপিডি টেকনিশিয়ানমাইক্রোটিকলগইন ম্যানেজমেন্টপাসওয়ার্ড পরিবর্তননেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার

Frequently Asked Questions

কিভাবে ভিসল ওয়েলটিতে ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যায়?

ওয়েলটিতে লগইন করার পর সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে ইউজার ম্যানেজমেন্টে যান, এডমিন ইউজার নির্বাচন করে পাসওয়ার্ড দুইবার টাইপ করে এডিট করুন।

ভেরিফিকেশন কোড কীভাবে ডিজেবল করা যায়?

সিস্টেম কনফিগারেশন থেকে লগিন ম্যানেজমেন্টে যান, লগিন কনফিগারেশন ট্যাবে ভেরিফিকেশন কোড অপশন থেকে এটি ডিজেবল করে সাবমিট করুন।

কিভাবে ওয়েলটিকে রিচেবল করা যায়?

প্রথমে ভিলেন তৈরি করে সেটি পোর্টে ট্যাগ করুন, তারপর ভিলেন আইপিতে ম্যানেজমেন্ট আইপি এসাইন করুন এবং মাইক্রোটিক থেকে পিং করে সংযোগ নিশ্চিত করুন।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →