Skip to content
Get App

পড়াতে বসাতে হয় না এই ১টা জিনিস বদলান, সন্তান নিজে থেকেই পড়বে | APJ Abdul kalam motivational video

সন্তানকে পড়াতে বসানোর চাপ কমিয়ে চারটি সহজ রুটিনে সন্তান নিজে থেকেই পড়াশোনা শুরু করবে।

Key Takeaways

  • সন্তানকে পড়াতে বসানোর চাপ কমালে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পড়াশোনা শুরু করবে।
  • ভাষা ও পরিবেশ পরিবর্তন করে পড়াশোনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা যায়।
  • ভুলকে শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করানো আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
  • নিয়মিত ছোট সময়ের জন্য পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা বেশি কার্যকর।
  • নম্বরের চেয়ে সন্তানের মানসিক নিরাপত্তা ও সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।

What the video covers

  • সন্তান পড়াশোনা ঘৃণা করে না, পড়াতে বসানোর পদ্ধতিটাই সমস্যা তৈরি করে।
  • পরিবেশ ও ভাষার পরিবর্তন সন্তানের পড়াশোনার মনোভাব বদলে দেয়।
  • মুখের ভাষা বদলে পড়ার আগের চাপ কমানো যায়, যেমন 'আজ কোন অংশ সহজ লেগেছে?' বলা।
  • শুরু করার নিয়ম পরিবর্তন করে মাত্র ১০ মিনিট পড়ার রুটিন তৈরি করা উচিত।
  • ভুল করলে চুপ থেকে ধীরে ধীরে ভুল থেকে শেখার মনোভাব গড়ে তোলা জরুরি।
  • পড়ার পরে সন্তানের অনুভূতি জিজ্ঞেস করলে পড়াশোনা তার নিজের বিষয় হয়ে ওঠে।
  • সন্তান ধীরে ধীরে পড়াশোনা থেকে সরে যায় না, ছোট ছোট চাপ ও ভয়ের কারণে সরে যায়।
  • ভুল করার ভয় দূর করতে অভিভাবকের নিরাপদ পরিবেশ ও সমর্থন অপরিহার্য।
  • সর্বোপরি, নম্বরের চেয়ে দরকার একজন নিরাপদ অভিভাবক যিনি সন্তানের পাশে থাকেন।
  • পড়াশোনা নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে ভরসা দিলে সন্তান নিজে থেকেই নিজের জায়গা খুঁজে নেয়।

Answers

Questions about this video

কেন সন্তান পড়াশোনা ঘৃণা করে না, পড়াতে বসানোর পদ্ধতিটাই সমস্যা?

সন্তানরা পড়াশোনা ঘৃণা করে না, বরং পড়াতে বসানোর সময় ব্যবহৃত চাপপূর্ণ ভাষা ও পরিবেশ তাদের মনোবল কমিয়ে দেয়। তাই পদ্ধতি বদলানো জরুরি।

পড়াশোনার জন্য নতুন রুটিনে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত?

পড়ার আগে চাপমুক্ত ভাষা ব্যবহার করতে হবে যেমন 'আজ কোন অংশ সহজ লেগেছে?' বা 'কোনটা বুঝতে একটু সময় লাগছে বলো', যা নিরাপত্তা ও কৌতূহল সৃষ্টি করে।

ভুল করলে অভিভাবকরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত?

ভুল হলে পাঁচ সেকেন্ড চুপ থেকে তারপর ধীরে ধীরে 'চিন্তা করো, আরেকভাবে ভাবো' বলা উচিত, যাতে সন্তান বুঝতে পারে ভুল মানে শেষ নয়, এটি শেখার সুযোগ।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
সন্তানকে পড়াতে বসাতে হয় না। এই একটা জিনিস বদলান। সন্তান নিজে থেকেই পড়বে। তিন দিনের বাস্তব রুটিন। আপনি কি জানেন, বেশিরভাগ সন্তান পড়াশোনা ঘৃণা করে না। তারা ঘৃণা করে পড়াতে বসানোর পদ্ধতিটাকে। আজ আমি এমন একটা কথা বলব, যেটা শুনে অনেক
00:25
Speaker A
বাবা-মা প্রথমে রেগে যাবেন। কিন্তু ভিডিও শেষ করতে করতে চুপ করে যাবেন। কারণ সমস্যাটা আপনার সন্তানের মাথায় না। সমস্যাটা তার চারপাশে তৈরি করা পরিবেশে। আপনি হয়তো ভাবছেন, আমি তো বকা দিই না। মারি না, শুধু পড়তে বলি। কিন্তু আপনি কি
00:47
Speaker A
জানেন, একটা ভুল পরিবেশ প্রতিদিন একটু একটু করে সন্তানের ইচ্ছাশক্তি, মনোযোগ আর আত্মবিশ্বাস মেরে ফেলে? আজ আমি কোন মোটিভেশন দেবো না। আজ দেব চারটা বাস্তব রুটিন। যা করলে তিন দিনের মধ্যেই আপনি নিজেই বলবেন, আরে আমি তো পড়তে বসাইনি। ও নিজে থেকেই বই খুলে বসে গেছে। ভিডিওটা শেষ
01:14
Speaker A
পর্যন্ত দেখুন। কারণ শেষের কথাটা না শুনলেই চারটা রুটিন ঠিকমত কাজ করবে না। রুটিন এক, পড়ার আগে মুখের ভাষা বদলানোর রুটিন। বেশিরভাগ বাবা-মা পড়াশোনা শুরু করেন এই বাক্য দিয়ে, যে আজ কতক্ষণ পড়েছো? এখনো পড়তে বসোনি কেন? এই দুইটা বাক্যই সন্তানের
01:41
Speaker A
মস্তিষ্কে একটা সংকেত দেয়। পড়া মানেই চাপ। এখন নতুন রুটিন কি? তিন দিনের জন্য এই কথাগুলো বলবেন। আজ পড়তে গিয়ে কোন অংশটা সহজ লেগেছে? কোনটা বুঝতে একটু সময় লাগছে বল। এই কথাগুলোতে পড়া আর ভয় থাকে না। থাকে নিরাপত্তা আর কৌতুহল। ফলাফল কি
02:07
Speaker A
হয় জানেন? সন্তানের মাথা ভাবে ভুল হলেও সমস্যা নেই। বুঝে নিলেই হলো। এই একটা পরিবর্তনই পড়াশোনার প্রতিরোধ ভেঙ্গে দেয়। রুটিন দুই, সময় নয়, শুরু করার নিয়ম বদলানোর রুটিন। ভুল ধারণা হলো একটানা দুই ঘন্টা না পড়লে কিছু হবে না। আসল সত্য সন্তান ভয় পায় দীর্ঘ সময়ের
02:34
Speaker A
চিন্তায়। নতুন রুটিন কি তাহলে? বলুন। আজ শুধু ১০ মিনিট পড়। ব্যাস। হ্যাঁ, মাত্র ১০ মিনিট। কিন্তু নিয়মটা হবে এমন, টাইমার দিন। ১০ মিনিট শেষ হলেই উঠতে দিন। জোর করে বসাবেন না। মস্তিষ্কের ঠিক কি হয় জানেন?
02:54
Speaker A
শুরু করা সহজ হলে চালিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। তিন দিনের মধ্যেই দেখবেন ১০ মিনিট নিজে থেকেই ২৫ থেকে ৩০ মিনিট হয়ে যাচ্ছে। রুটিন তিন, ভুল করলে চুপ থাকার রুটিন। সবচেয়ে শক্তিশালী। সন্তান ভুল করলেই আমরা বলি, এটাও পারো না, এটা তো কত সহজ। এই
03:18
Speaker A
কথাগুলো সরাসরি আঘাত করে বুদ্ধির উপর না আত্মবিশ্বাসের উপর। নতুন রুটিন কি? ভুল হলে পাঁচ সেকেন্ড চুপ থাকুন, তারপর বলুন, চিন্তা করো, আরেকভাবে ভাবো। এই এক লাইনে সন্তান শেখে, ভুল মানে শেষ নয়। ভুল মানে আর একটা সুযোগ। ধীরে ধীরে কি হয়? ভয় কমে, চেষ্টা
03:43
Speaker A
বাড়ে। নিজে ভাবার ক্ষমতা তৈরি হয়। এটাই বুদ্ধি তৈরির আসল ভিত্তি। রুটিন চার, পড়ার পরে অনুভূতি জিজ্ঞেস করার রুটিন। ৯৯ পারসেন্ট বাবা-মা পড়ার পর শুধু ফল জানতে চান। কতটা পড়লো, কতটা মনে রাখলো। তাহলে নতুন রুটিন কি? পড়াশেষে শুধু এই প্রশ্নটা
04:08
Speaker A
করুন। পড়তে বসে কেমন লাগলো? এই প্রশ্নটা ছোট মনে হলেও এটা সন্তানের মনে একটা বড় দরজা খুলে দেয়। সে বুঝতে শেখে, পড়াশোনা মানে শুধু নম্বর না। এটা নিজের একটা অনুভূতি। তাহলে ফলাফল কি? পড়া তার নিজের বিষয় হয়ে যায়। আপনার চাপানো কাজ না।
04:30
Speaker A
একটা কথা আজ খুব পরিষ্কার করে বলি। সন্তান পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যায় না হঠাৎ করে। সে ধীরে ধীরে সরে যায়। প্রতিদিনের ছোট ছোট চাপ, ভয় আর তুলনার ভিতর দিয়ে। আজ সে বই খুলতে চায় না। কারণ বই খারাপ না। সে
04:49
Speaker A
ভয় পায় ভুল করার অনুভূতিটাকে। ভুল করলে কে কি বলবে? না পারলে কে কি ভাববে? এই ভয়েই আস্তে আস্তে তার বুদ্ধির দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়। আপনি হয়তো বুঝতেই পারেন না, কিন্তু প্রতিদিনের একটা বাক্য, একটা দীর্ঘশ্বাস, একটা বিরক্ত মুখ, এই
05:12
Speaker A
সবই সন্তানের মনে লিখে দেয়, আমি হয়তো পারবো না। এই বিশ্বাসটাই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কারণ যে সন্তান নিজেকে বিশ্বাস করতে শিখে না, সে কখনো মন দিয়ে শিখতে পারে না। মনে রাখবেন, সবচেয়ে ভালো ছাত্র সে না যেসব প্রশ্নের উত্তর জানে, সবচেয়ে শক্তিশালী
05:33
Speaker A
ছাত্র সে যে প্রশ্ন করতে ভয় পায় না। আর এই ভয়টা দূর করার ক্ষমতা শুধু বইয়ের নয়, শুধু স্কুলের নয়, এই ক্ষমতা শুধু আপনার আছে। আপনি যদি তাকে বলেন, ভুল হলেও সমস্যা নেই, সময় নাও, আমি আছি, তাহলেই তার ভেতরে
05:52
Speaker A
এমন একটা সাহস জন্ম নেয় যা কোন কোচিং, কোন গাইড বই দিতে পারে না। আজ আপনি যদি পড়াশোনা নিয়ে যুদ্ধ থামান, যদি নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে ভরসা ধরেন, তাহলে অবাক হয়ে দেখবেন আপনার সন্তান নিজে থেকেই নিজের জায়গা খুঁজে নিচ্ছে। পড়াশোনা তখন
06:14
Speaker A
আর বোঝা থাকে না। এটা হয়ে যায় নিজের প্রমাণের পথ। শেষে শুধু এটুকুই বলব, সন্তানকে বড় মানুষ বানাতে সবচেয়ে বেশি দরকার নম্বর না। দরকার একজন নিরাপদ অভিভাবক। যে অভিভাবকের সামনে সে ভয় না পেয়ে বলতে পারে, আমি পারিনি, কিন্তু আমি
06:36
Speaker A
চেষ্টা করেছি। এই একটাই কথা একদিন আপনার সন্তানের পুরো ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। আশা করি ভিডিওটা আপনাদের উপকারে আসবে এবং আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করবে। ধন্যবাদ।
Topics:পড়াশোনাসন্তান শিক্ষামোটিভেশনাল ভিডিওঅভিভাবক পরামর্শআত্মবিশ্বাসভুল থেকে শেখাপড়ার রুটিনবাংলা শিক্ষা ভিডিওAPJ Abdul KalamLife Chemistry

Get More with the SozAI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries and speaker detection. 30 minutes free.

Or transcribe another YouTube video here →