হযরত উমর (রা.) এর ন্যায়বিচারের গল্প যেখানে তিনি এক বৃদ্ধা মহিলার খেজুর গাছের অন্যায় ক্ষতি মীমাংসা করেন।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- ন্যায়বিচার সব সময় সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, এমনকি ক্ষমতাধরদের বিরুদ্ধে।
- একজন শাসকের উচিত অহংকার ছাড়াই সাধারণ মানুষের কষ্ট শুনে বিচার করা।
- অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা ন্যায়বিচারের মূল।
- ইসলামে বিচারক ও শাসকের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুতর এবং মানবিক হওয়া প্রয়োজন।
What the video covers
- মদিনার এক বৃদ্ধা মহিলার একমাত্র জীবিকা ছিল একটি খেজুর গাছ থেকে খেজুর বিক্রি করা।
- হযরত উমর (রা.) এর গভর্নরের লোকেরা সেই গাছটি কেটে ফেলেন, যার ফলে বৃদ্ধা মহিলা জীবিকা হারান।
- বৃদ্ধা মহিলা গভর্নরদের কাছে বিচার চাইলেও তারা তার আবেদন অগ্রাহ্য করে।
- বৃদ্ধা মহিলা আমিরুল মুমিনীন হযরত উমর (রা.) এর দরবারে যান ন্যায়বিচারের জন্য।
- হযরত উমর (রা.) মাটিতে বসে অহংকার ছাড়াই বিচার করেন এবং বৃদ্ধার কষ্ট শুনেন।
- তিনি গভর্নরের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন এবং ক্ষতিপূরণ আদেশ দেন।
- হযরত উমর (রা.) বলেন, নিজের ছেলে হলেও অন্যায় করলে বিচার থামবে না।
- বৃদ্ধা মহিলা ন্যায় বিচার পেয়ে সন্তুষ্ট হন, যদিও গাছ ফেরত পাননি।
- হযরত উমর (রা.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন নির্যাতিতদের সাহায্য করতে তিনি অপমানিত না হন।
Chapters
- 00:00বৃদ্ধা মহিলার জীবিকা ও খেজুর গাছ
- 00:12গভর্নরের অন্যায় ও গাছ কাটা
- 00:30বৃদ্ধার আমিরুল মুমিনীন হযরত উমরের দরবারে যাত্রা
- 00:43হযরত উমরের দরবারে ন্যায়বিচার
- 00:57বৃদ্ধার অভিযোগ ও ওমরের প্রতিক্রিয়া
- 01:50ন্যায়বিচারের আদেশ ও ক্ষতিপূরণ
- 02:14বৃদ্ধার অনুভূতি ও ইসলামের ন্যায়বিচার
- 02:28হযরত উমরের প্রার্থনা ও ভিডিও সমাপ্তি
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
মদিনা শহরে থাকতেন এক বৃদ্ধা মহিলা।
Speaker A
তার কোন বড় সম্পদ ছিল না, একটি মাত্র খেজুর গাছই ছিল তার সবকিছু।
Speaker A
প্রতিদিন সেই গাছ থেকে খেজুর পেড়ে তিনি বাজারে বিক্রি করতেন, এই খেজুর বিক্রি করেই চলতো তার সংসার।
Speaker A
কিন্তু একদিন হঠাৎ করে হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু এর একদল গভর্নর সেই খেজুর গাছটি কেটে ফেললেন।
Speaker A
গাছটি কাটার সাথে সাথেই বৃদ্ধা মহিলা তার জীবিকা হারালেন।
Speaker A
তিনি অনেক হাত জোড় করলেন, কাঁদলেন, মিনতি করলেন।
Speaker A
কিন্তু গভর্নরের হৃদয় নরম হলো না।
Speaker A
অবশেষে কাঁপা কাঁপা পায়ে তিনি রওনা দিলেন আমিরুল মুমিনীন হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু এর দরবারের দিকে।
Speaker A
তার হাতে ছিল একটি শুকনো খেজুরের ডাল আর চোখে ছিল অসহায়ত্বের অশ্রু।
Speaker A
দরবারে লোকেরা চারপাশে বসেছিল কিন্তু কোন সিংহাসন ছিল না।
Speaker A
মাটিতে বসেছিলেন আমিরুল মুমিনীন নিজেই, কোন অহংকার নয়, কোন রাজকীয় জাকজমক নয়।
Speaker A
শুধু ন্যায় বিচার।
Speaker A
বৃদ্ধা মহিলা কাঁপা কণ্ঠে বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন, আমার খেজুর গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে।
Speaker A
এটাই ছিল আমার জীবিকা।
Speaker A
এই কথা শুনে ওমর রাদিয়াল্লাহু এর চোখ অশ্রুতে ভরে গেল।
Speaker A
তিনি শান্ত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন,
Speaker A
কে কেটেছে?
Speaker A
বৃদ্ধা বললেন, আপনার গভর্নরের লোক।
Speaker A
দরবারে নেমে এলো গভীর নীরবতা।
Speaker A
সবাই ভয়ে ভাবছিল এখন কি হবে।
Speaker A
ওমর রাদিয়াল্লাহু উঠে দাঁড়ালেন।
Speaker A
তার কণ্ঠ কাঁপছিল কিন্তু সিদ্ধান্ত ছিল দৃঢ়।
Speaker A
তিনি বললেন, ওমরের নিজের ছেলে যদি অন্যায় করে তবুও ন্যায় বিচার থামবে না।
Speaker A
সঙ্গে সঙ্গে আদেশ দেওয়া হলো শুধু গাছের দাম নয়, পুরো বাগানের মূল্য বৃদ্ধা মহিলাকে দিতে হবে।
Speaker A
তারপর ওমর রাদিয়াল্লাহু বললেন, ওই খেজুর গাছটি শুধু কাঠ ছিল না।
Speaker A
এটি ছিল একজন মায়ের পুরো জীবন জীবিকা।
Speaker A
বৃদ্ধা মহিলা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আজ আমার গাছটি ফেরত পাইনি।
Speaker A
কিন্তু আমি ইসলামের ন্যায় বিচার পেয়েছি।
Speaker A
এই কথা শুনে আমিরুল মুমিনিনের দাড়ি অশ্রুতে ভিজে গেল।
Speaker A
তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, হে আল্লাহ, যেদিন কোন নির্যাতিত ব্যক্তি আপনার কাছে চিৎকার করবে।
Speaker A
সেদিন ওমরকে অপমান করো না।
Topics:হযরত উমরন্যায়বিচারইসলামিক গল্পবৃদ্ধা মহিলাখেজুর গাছমদিনাইসলামে ন্যায়বিচারগভর্নরআমিরুল মুমিনীনইসলামিক ইতিহাস











