হযরত ইউনুস নবীর মাছের পেটে থাকার অলৌকিক কাহিনী ও তার কওমের প্রতি দাওয়াত ও আল্লাহর গজবের ঘটনা।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- আল্লাহর নির্দেশে নবী হিসেবে হযরত ইউনুস কওমকে ঈমানের আহ্বান জানান।
- কওমের অবাধ্যতা ও বিদ্রুপের কারণে আল্লাহর গজব নাজিলের হুমকি।
- হযরত ইউনুস অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করেন যা আল্লাহর পছন্দ হয়নি।
- কওম বিপদে পড়ে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
- আল্লাহ দয়ালু, সৎ প্রার্থনার মাধ্যমে মানুষের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন।
What the video covers
- হযরত ইউনুস নবীকে আল্লাহ তার কওমকে হেদায়েতের জন্য পাঠান।
- কওম তার উপদেশ অগ্রাহ্য করে দেব-দেবীর পূজা চালিয়ে যায়।
- হযরত ইউনুস ৪০ বছর ধরে তাদেরকে ঈমান আনতে আহ্বান জানান।
- কওমের অবাধ্যতার কারণে আল্লাহ তাদের উপর গজব নাজিল করবেন বলে জানানো হয়।
- হযরত ইউনুস কওমের অবজ্ঞার কারণে দেশ ত্যাগ করেন অনুমতি ছাড়াই।
- দেশে প্রলয়ঙ্কারী মেঘ ও বজ্রপাত দেখা দেয়, যা আল্লাহর গজবের নিদর্শন।
- কওম বুঝতে পারে ইউনুস নবী সত্যিকারের নবী ছিলেন এবং তার কথা সত্য।
- তারা আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা শুরু করে, অনুতপ্ত হয়ে নিজেদের ভুল স্বীকার করে।
- হযরত ইউনুস আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তাদের জন্য।
- ভিডিওতে হযরত ইউনুস নবীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
প্রিয় দর্শক, হযরত ইউনুস নবী কিভাবে মাছের পেটে গেলেন আর তিনি কিভাবে 40 দিন ধরে মাছের পেটে ছিলেন?
Speaker A
শেষে কিভাবে সেখান থেকে বের হলেন? এই সব রহস্যময় ঘটনা জানবো আজকের এই ভিডিওতে।
Speaker A
চলুন আর দেরি না করে শুরু করি আজকের ভিডিও।
Speaker A
একদা আল্লাহ রব্বুল আলামীন হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন, হে ইউনুস, তুমি তোমার কওমের লোকেদের নিকট হেদায়েতের জন্য তাদের দ্বীনের পথে আহ্বান করো।
Speaker A
যদি তোমার কওমের লোকগণ হেদায়েত কবুল না করে, তবে আমি তাদেরকে সেইভাবে ধ্বংস করে দিব, যেভাবে ইতিপূর্বে আদ ও সামুদ জাতিকে ধ্বংস করেছিলাম।
Speaker A
অতপর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কওমের নিকট গিয়ে বললেন, হে আমার কওম, তোমরা স্বীকার করে নাও আল্লাহ রব্বুল আলামীন ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই।
Speaker A
আমি তার প্রেরিত রাসূল, তোমরা দেব-দেবীর পূজা পরিত্যাগ করে এক নিরাকার ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ রব্বুল আলামীনের উপাস্য ও ইবাদত করো এবং আমার উপদেশ ও আদেশ অনুযায়ী কাজকর্ম করো।
Speaker A
কিন্তু কওমের লোকগণ তার কথার প্রতি কোন কর্ণপাতই করলো না।
Speaker A
বরং তারা জবাব দিল, হে ইউনুস, তুমি যদি আমাদেরকে টুকরো টুকরো করে ফেলো, তথাপিও আমরা তোমার কথা শুনে আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করবো না।
Speaker A
এবং আমরা কোনদিনই দেব-দেবীর উপাসনা ছাড়বো না।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা যে কথা বলছো তা তোমাদের জন্য ভীষণ বিপদের কারণ হবে।
Speaker A
তোমরা যদি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের প্রতি ঈমান আনো এবং আমাকে নবী বলে স্বীকার করে নাও, এটা তোমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের উভয় জাহান্নামের কল্যাণের কারণ হবে।
Speaker A
যদি তোমরা কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করো, তবে তোমাদের ভুল পথ পরিত্যাগ করে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের ইবাদতে লিপ্ত হও।
Speaker A
আর নইলে অবশ্যই তোমাদের প্রতি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের গজব নাজিল হবে।
Speaker A
আর আখিরাতে তোমরা অনন্তকাল ধরে দোজখের আগুনে জ্বলতে থাকবে।
Speaker A
এমন সময় একটি লোক হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল, আচ্ছা ইউনুস,
Speaker A
তুমি যে কেবল গজবের কথা বলছো, গজবটা কিরকম বস্তু একটু বলতো শুনি।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন, গজব হলো
Speaker A
অতর্কিতভাবে আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের উপর ভীষণ কোন বিপদ-আপদ অবতীর্ণ করে দিবেন।
Speaker A
যেমন ধরো প্রবল ভূমিকম্প, জলতুফান, বন্যা ও মহাপ্লাবন কিংবা আসমান হতে অগ্নিবৃষ্টির মাধ্যমে।
Speaker A
নানা রকমের গজব আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের উপর নাজিল করতে পারেন।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই কথা শুনে অপর এক ব্যক্তি বিদ্রুপ করে বলে উঠলো,
Speaker A
আচ্ছা ইউনুস, এতগুলি গজবের মধ্যে কোনটি আমাদের উপর অবতীর্ণ হবে সেটা সঠিকভাবে বলো না।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহর বান্দা,
Speaker A
কোনটি যে আসবে তা আমি সঠিকভাবে বলতে পারি না।
Speaker A
এর সঠিকতা কেবলমাত্র আল্লাহ রব্বুল আলামীনই বলতে পারেন।
Speaker A
তবে এই বিপদগুলির যেকোনো একটি যে আসবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
Speaker A
কেননা আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাকে তা জানিয়ে দিয়েছেন।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা শুনে সকলেই হেসে উঠলো।
Speaker A
এবং তারা বলল, ইউনুস ধোকাবাজ তোমার কথার কোন স্থিরতা নেই।
Speaker A
এরপর তারা বলল, আচ্ছা তবে এই কথাও তো বলো ওই গজব কোন দিন আসবে?
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন দিন আসবে তাও আমি সঠিকভাবে বলতে পারি না।
Speaker A
অবশ্য এতে কোন সন্দেহ করার কারণ নেই।
Speaker A
কোন না কোনদিন আল্লাহ রব্বুল আলামীনের গজব হঠাৎ করে তোমাদের উপর এসে পড়তে পারে।
Speaker A
যদি না তোমরা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের প্রতি ঈমান আনয়ন করো।
Speaker A
অবাধ্য কাফেররা তার কথা শুনে আবার অট্টহাসি দিয়ে উঠলো।
Speaker A
কেউ কেউ হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাগল ও মূর্খ বলে তার গায়ে থুথু নিক্ষেপ করতে লাগলো।
Speaker A
আবার কেউ তার গায়ে ইট নিক্ষেপ করতে লাগলো।
Speaker A
অতপর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যথিত মনে তাদের নিকট থেকে উঠে চলে গেলেন।
Speaker A
তাদের এইরূপ ব্যবহারের কারণে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই ব্যথিত হয়েছিলেন।
Speaker A
কেননা তিনি যাদেরকে সৎ উপদেশ দিচ্ছিলেন তারা তো তার উপদেশের প্রতি কর্ণপাত করছেই না।
Speaker A
উপরন্তু তারা তাকে বিদ্রুপ ও উপহাস করছে।
Speaker A
এভাবে তিনি তার কওমের লোকেদেরকে একাধারে 40 বছর পর্যন্ত দাওয়াত দিলেন।
Speaker A
কিন্তু তার এই দাওয়াত ও প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো।
Speaker A
কোন মানুষ আল্লাহ রব্বুল আলামীনের প্রতি ঈমান আনয়ন করলো না।
Speaker A
অতপর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে দুই হাত তুলে প্রার্থনা জানান।
Speaker A
হে মাবুদ, তুমি এই অবাধ্য লোকেদের উপর গজব নাজিল করো।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের এইরূপ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের তরফ থেকে।
Speaker A
তাকে জানিয়ে দেওয়া হলো, হে ইউনুস,
Speaker A
আমি যথাসময়ে তাদের উপর গজব নাজিল করবো।
Speaker A
এ ব্যাপারে তুমি তাড়াহুড়া করিও না।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে মাবুদ, আপনি কোন দিন তাদের উপর গজব নাজিল করবেন?
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে তাকে উত্তর দেওয়া হলো, যখন সময় হবে।
Speaker A
ঠিকই আমি তাদের উপর গজব নাজিল করবো।
Speaker A
এরপর একদিন হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তা দিয়ে কোথাও যাচ্ছেন।
Speaker A
এমন সময় তার সাথে কতিপয় কাফেরের দেখা হলো।
Speaker A
তারা তাকে বিদ্রুপের সঙ্গে জিজ্ঞাসা করলো, হে ইউনুস,
Speaker A
তোমার আল্লাহর তরফ থেকে আমাদের উপর গজব তো নাজিল হলো না, তোমার আল্লাহর তরফ থেকে আমাদের উপর নাকি গজব আসবে।
Speaker A
কিন্তু কই গজব তো আসছে না।
Speaker A
আমরা গজবের আশায় বসে আছি আর অপেক্ষা করতে করতে একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছি।
Speaker A
তুমি তাড়াতাড়ি তোমার আল্লাহকে বলো আমাদের উপর যেন তিনি জলদি গজব নাজিল করেন।
Speaker A
নিত্যনিয়ত হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের বিদ্রুপমূলক কথা শুনতে শুনতে একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন।
Speaker A
তার আর সহ্য হচ্ছিল না।
Speaker A
ওদিকে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকেও গজবের সুনির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে তাকে কোন কিছুই আভাস দেওয়া হচ্ছিল না।
Speaker A
তার লজ্জা ও দুঃখ ক্রমশই বেড়ে চলল।
Speaker A
অবশেষে তিনি একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন এই দেশ ছেড়ে তিনি চলে যাবেন।
Speaker A
সে মতে একদিন তিনি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের অনুমতি ব্যতীতই নিজের পুত্র ও স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়লেন।
Speaker A
চলে যাবেন অজানা কোন দূর দেশে।
Speaker A
কিন্তু হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই কাজটি আল্লাহ রব্বুল আলামীন তেমন পছন্দ করলেন না।
Speaker A
তখন তার উচিত ছিল আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে অনুমতি নেওয়ার।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাকে অনুমতি দিলেন তারপর দেশ ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যাওয়ার।
Speaker A
এদিকে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বদেশ ত্যাগ করার পরে হঠাৎ একদিন দুপুরবেলা সেই দেশে একটি ভীষণ অবস্থার সৃষ্টি হলো।
Speaker A
কোথা থেকে অনেকগুলো মেঘখন্ড এসে একত্রিত হলো এবং ঘোর কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে সারা দেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে ফেলল।
Speaker A
দেশের লোকজন এমন দৃশ্য আর কোনদিন দেখেনি।
Speaker A
এই দৃশ্য দেখে তারা অত্যন্ত ভীত ও শঙ্কিত হয়ে পড়ল, দেখতে দেখতে সেই মেঘরাশির ভেতর থেকে বিদ্যুৎ চমকাতে শুরু করল।
Speaker A
এবং কামানের গোলার ন্যায় গর্জন করে বজ্রপাত শুরু হয়ে গেল।
Speaker A
মনে হচ্ছিল যেন সেই প্রলয়ঙ্কারী প্রবল মেঘ দুনিয়ার সবকিছুই গ্রাস করে ফেলবে।
Speaker A
মেঘের গর্জন ক্রমশই এমন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল যে তার একেকটি আওয়াজ মানুষ ও পশুপাখি সকলের হৃদয়ের মধ্যে প্রবল কম্পন ধরিয়ে দিচ্ছিল।
Speaker A
আতঙ্কে হতবুদ্ধি হয়ে মানুষ এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে আরম্ভ করে দিল।
Speaker A
এই সর্বগ্রাসী বিপদ থেকে কোথায় গিয়ে আশ্রয় নিবে তারা তার ঠিক করতে পারছিল না।
Speaker A
সকলেরই মনে হতে লাগল যে এটা আর কিছুই নয় হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে তাদেরকে বারবার আল্লাহর গজবের ভয় দেখিয়েছিলেন।
Speaker A
নিশ্চয়ই এটা সেই আল্লাহ রব্বুল আলামীনের প্রেরিত গজব।
Speaker A
তখন তারা বুঝতে পারল হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
Speaker A
একজন আল্লাহর সত্য নবী ছিলেন এবং তার ভবিষ্যদ্বাণীও সত্য ছিল।
Speaker A
এরপরে তারা আর্তনাদ করতে লাগল।
Speaker A
হায় হায় এখন আমরা কি করব?
Speaker A
কে আমাদেরকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করবে?
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো দেশ ত্যাগ করে চলে গিয়েছেন।
Speaker A
দেশে থাকলে না হয় তার কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করে তার হাত পা ধরে বলতাম।
Speaker A
হে ইউনুস, আমরা তোমার কথা না শুনে অন্যায় করেছি।
Speaker A
আর এখন থেকে আমরা তোমার সকল উপদেশ মেনে চলবো।
Speaker A
তুমি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের নিকট সুপারিশ করো যাতে তিনি আমাদেরকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করেন।
Speaker A
কিন্তু এখন আমরা হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোথায় পাব?
Speaker A
তিনি তো দেশ ত্যাগ করে কোন সুদূর অজানা রাজ্যে চলে গিয়েছে।
Speaker A
আমরা তো তার কোন খোঁজ খবরই জানি না।
Speaker A
ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের কওম এইভাবে সম্পূর্ণরূপে হতাশ ও নিরাশ হওয়ার পরে পরস্পর পরামর্শ করে একটি সিদ্ধান্ত নিল।
Speaker A
যে হে সম্প্রদায়ের লোকেরা আসুন আমরা একটি কাজ করি হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে মাথা নত করে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে প্রার্থনা করতেন।
Speaker A
আমরাও সেরূপ করে দেখি।
Speaker A
যদি এর মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের উপর রহম করেন এবং এই বিপদাপদ থেকে আমাদেরকে যদি মুক্তি দান করেন।
Speaker A
তাহলে এর চেয়ে উত্তম জিনিস আমাদের জন্য আর কি বা হতে পারে।
Speaker A
তখন সকলেই একত্রিত হয়ে সিজদাতে অবনীত হয়ে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে প্রার্থনা করতে লাগল।
Speaker A
হে আমাদের মালিক ও প্রতিপালক আমরা চরম অপরাধী।
Speaker A
আমাদের পাপের কোন শেষ নেই।
Speaker A
হযরত ইউনুস আপনার নবী আমাদেরকে সত্যের পথ দেখিয়েছিলেন।
Speaker A
কল্যাণ ও মঙ্গলের পথে আহ্বান করেছিলেন।
Speaker A
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা তার বিরোধিতা করেছিলাম এবং তার কোন কথাই আমরা গুরুত্ব দেইনি।
Speaker A
যার ফলশ্রুতিতে আমরা নিজেরাই নিজেদের ডেকে এনেছি।
Speaker A
হে আমাদের দয়াময় প্রভু।
Speaker A
আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পেরেছি।
Speaker A
আমরা আপনার কাছে অনুতপ্ত ও লজ্জিত।
Speaker A
আমরা আর কোনদিনই এইরূপ ভুল করব না।
Speaker A
এবং আমরা অন্যায় পথ পরিত্যাগ করে আপনার খাঁটি বান্দায় পরিণত হব।
Speaker A
হে আমাদের মাবুদ, দয়া করে আপনি আমাদেরকে এই কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা করুন।
Speaker A
আপনি তো বান্দার প্রতি মহাদয়াবান ও কৃপাশীল।
Speaker A
তাদের ঐরূপ করুন ও আন্তরিক প্রার্থনার ফলে তাদের প্রতি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দয়া হলো।
Speaker A
এবং তিনি তাদের উপর আসন্ন গজবকে প্রত্যাহার করে নিলেন।
Speaker A
অল্পক্ষণের মধ্যেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেল।
Speaker A
এরই পর তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসলো তারপর ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের কওম সর্বত্র তাকে খুঁজতে লাগল।
Speaker A
কিন্তু কোথাও তারা তার কোন সন্ধান পেল না।
Speaker A
তখন তারা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে সকলে মিলে প্রার্থনা করল।
Speaker A
হে মাবুদ, তুমি আমাদের নবীকে আমাদের মাঝে আবার ফিরিয়ে দাও।
Speaker A
আমরা তাকে সাদরে গ্রহণ করব এবং তার সকল উপদেশগুলি মেনে চলবো।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের কওমের মত এরূপ বিশাল একটি জাতি একত্রে ঈমান গ্রহণ করার ঘটনাটি ছিল।
Speaker A
সত্যি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
Speaker A
হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত একটি হাদিসের মাধ্যমে জানা যায়।
Speaker A
হযরত রাসূল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের কওমের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ও বুদ্ধিমান পুরুষের সংখ্যা ছিল।
Speaker A
এক লক্ষ।
Speaker A
এছাড়া নারী ও বালক-বালিকার সংখ্যা ছিল প্রায় তিন লক্ষ।
Speaker A
এদিকে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বদেশ ত্যাগ করা বের হয়ে কিছুদূর চলার পরে তিনি একটি নদীর তীরে গিয়ে উপস্থিত হলেন।
Speaker A
তখন তিনি তার দুই পুত্র ও স্ত্রীকে নিয়ে একত্রে নদী পার হওয়ার চিন্তাভাবনা করতে লাগলেন।
Speaker A
কিন্তু তিনি ভেবে দেখলেন সকলকে নিয়ে একত্রে নদী পার হওয়া সম্ভব নয়।
Speaker A
তাই তিনি তার বড় ছেলেটিকে নদীর তীরে দাঁড় করিয়ে রেখে ছোট ছেলেটিকে কাঁধে তুলে নিলেন এবং তার স্ত্রীর হাত ধরে নদী পার হতে লাগলেন।
Speaker A
প্রথমত নদীর মধ্যে কোন ঢেউই ছিল না।
Speaker A
কিন্তু যেই না হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম নদীর মাঝ বরাবর পৌঁছালেন এমনি নদীতে প্রবল ঢেউয়ের শুরু হলো।
Speaker A
হঠাৎ করে এরকম বিপদে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি করবেন?
Speaker A
কিছুই ঠিক করতে পারছিলেন না।
Speaker A
তিনি তার স্ত্রীকে শক্তভাবে ধরে রেখেছিলেন।
Speaker A
কিন্তু স্রোতের গতি এতই প্রবল ছিল যে তিনি আর তাকে ধরে রাখতে পারলেন না।
Speaker A
স্ত্রী তার হাত থেকে ফসকে চলে গেল।
Speaker A
স্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে যখন তিনি তার প্রতি মনোনিবেশ করেছিলেন তখন তার ঘাড়ের উপরে থাকা ছোট ছেলেটির প্রতি।
Speaker A
তিনি অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলেন।
Speaker A
আর সেই কারণে তার ছোট ছেলেটিও ঘাড় থেকে পড়ে গিয়ে নদীর স্রোতের সাথে কোথায় যেন বিলীন হয়ে গেল।
Speaker A
তাদের মধ্যে কাউকেই তিনি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন না।
Speaker A
তখন নদীর পাড়ে রেখে আসা বড় ছেলেটিকে উদ্ধার করার জন্য যেই না নদীর পাড়ের নিকটবর্তী হলেন।
Speaker A
তখন তিনি দেখতে পেলেন একটি বাঘ তার ছেলেটিকে আক্রমণ করে তাকে ধরে নিয়ে দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে চলে গেল।
Speaker A
তখন আর তিনি কি করবেন?
Speaker A
এভাবেই তিনি স্ত্রী পুত্রকে হারিয়ে শোকাহত মনে একাই নদীর পাড় ধরে সম্মুখে চলতে লাগলেন।
Speaker A
বহুদূর পথ অতিক্রম করার পর তিনি দেখতে পেলেন একটি বিরাট নদীর কোলে একটি জাহাজ নোঙ্গর করা রয়েছে।
Speaker A
বহু যাত্রী পূর্বে সেই জাহাজে আরোহণ করেছিল।
Speaker A
তিনিও তাতে আরোহণ করলেন।
Speaker A
অল্পক্ষণের মধ্যেই তা নদীর সীমানা পেরিয়ে সমুদ্রে গিয়ে উপনীত হলো।
Speaker A
সমুদ্রে উপনীত হয়ে কিছুক্ষণ জাহাজটি ভালোই চলছিল।
Speaker A
কিন্তু যেই না তারা সাগরের মাঝে উপনীত হলো তখন আর সেই জাহাজটি সামনে অগ্রসর হচ্ছিল না।
Speaker A
একই স্থানে সেটি আটকে থাকলো।
Speaker A
জাহাজের কাপ্তান ও নাগিকেরা অনেক চেষ্টা করলেও জাহাজটিকে সামনে নিতে সক্ষম হলো না।
Speaker A
তারা দেখল জাহাজের সবকিছুই ঠিকঠাক রয়েছে।
Speaker A
তারপরও জাহাজ সামনে অগ্রসর হচ্ছে না।
Speaker A
অতপর জাহাজের কাপ্তান, নাদিক এবং আরোহীগণ সকলেই অবাক হয়ে ভাবতে লাগল যে এরূপ হওয়ার কারণ কি?
Speaker A
ওই জাহাজে একজন ধর্মবীরু কামিল বুজুর্গ লোক ছিলেন।
Speaker A
তিনি বললেন, নিশ্চয়ই জাহাজে এমন একজন গোলাম আছে যে তার মালিকের কাছে না বলে পালিয়ে এসেছে।
Speaker A
এবং সে এই জাহাজে আরোহণ করেছে আর তার পাপের কারণে জাহাজ সামনে চলছে না।
Speaker A
সেই ব্যক্তিকে যতক্ষণ পর্যন্ত জাহাজ থেকে ফেলে না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত জাহাজ বিপদ মুক্ত হবে না।
Speaker A
তখন এক এক করে জাহাজের প্রত্যেক আরোহীর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো যে।
Speaker A
তোমাদের মধ্যে কি কেউ এমন আছো যে তার মালিকের অনুমতি ব্যতীত পালিয়ে এসেছো?
Speaker A
কিন্তু সকল যাত্রীরা এ কথা অস্বীকার করল।
Speaker A
তখন হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাবতে লাগলেন যে আমি তো মনিবের নিকট না বলে পালিয়ে এসেছি।
Speaker A
আমি আমার মহান প্রতিপালক সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহ রব্বুল আলামীনের অনুমতি না নিয়েই।
Speaker A
স্বদেশ ত্যাগ করে বিদেশের পথে রওনা করেছি।
Speaker A
আমার মত এত বড় পাপী আর কে হতে পারে?
Speaker A
এই কথা চিন্তা করে তিনি জাহাজ কর্তৃপক্ষের নিকট গিয়ে বললেন।
Speaker A
বলেন আমি আমার মালিকের নিকট না বলে পালিয়ে এসেছি।
Speaker A
আপনারা আমাকে সাগরে ফেলে দিন আমাকে সাগরে নিক্ষেপ করা হলে।
Speaker A
জাহাজ চলতে শুরু করবে এবং আপনারা সকলেই বিপদ মুক্ত হয়ে যাবেন।
Speaker A
ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা বললেও তার লাবণ্যময় চেহারা দেখে কেউই বিশ্বাস করতে পারল না যে।
Speaker A
তিনি কারো গোলাম হতে পারেন।
Speaker A
কোন গোলামেরই আচরণ এবং কথাবার্তা এরূপ হতে পারে না।
Speaker A
বরং তাকে সকলেই বিশেষ কোন সম্ভ্রান্ত লোক বলে মনে করতে লাগল।
Speaker A
কিন্তু হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নিজেকে বারবার অবাধ্য গোলাম বলে তাদের নিকট প্রকাশ করতে লাগল তখন জাহাজের লোকজন বাধ্য হয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিল যে।
Speaker A
সেই অবাধ্য লোকটিকে ধরার জন্য লটারি করা হবে।
Speaker A
এরপর তারা লটারি করল।
Speaker A
কিন্তু যতবারই তারা লটারি করল প্রত্যেকবারই হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উঠলো।
Speaker A
তখন তাদের কাছে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।
Speaker A
অতএব তারা তাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করল।
Speaker A
সমুদ্রে নিক্ষেপ করার সাথে সাথে জাহাজটি আবার পূর্বের নেই চলতে আরম্ভ করল।
Speaker A
এবং জাহাজের সকল যাত্রীরা বিপদ মুক্ত হয়ে গেল।
Speaker A
এদিকে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সমুদ্রে নিক্ষেপ হলেন এরপরে।
Speaker A
এক বিরাট মাছ এসে তাকে গিলে ফেলল।
Speaker A
দুর্যোগের উপরে যেন মহাদুর্যোগ।
Speaker A
বিপদের উপর বিপদ।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেশ ত্যাগ করে বের হওয়ার পরে প্রথম তিনি নিজের স্ত্রী পুত্রকে হারিয়েছেন।
Speaker A
এরপর তিনি নিজেই সমুদ্রে নিক্ষেপ হয়ে মাছের পেটে চলে এসেছেন।
Speaker A
এর চেয়ে বড় বিপদ আর কি হতে পারে?
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের একজন বিশিষ্ট নবী হওয়া সত্ত্বেও তার অনুমতি ব্যতি রেখে স্বদেশ ত্যাগ করার কারণেই।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাকে এই কঠিন বিপদ ও বালা মুসিবত দিয়ে পরীক্ষা করছিলেন।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীন হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুনিয়া থেকে তুলে নেওয়ার বদলে তাকে বাঁচিয়ে রাখার ইচ্ছা করলেন।
Speaker A
এ কারণে তিনি উক্ত মাছটিকে হুকুম করলেন, হে মৎস, আমার প্রিয় নবী তোমার পেটে আশ্রয় গ্রহণ করেছে।
Speaker A
সাবধান তার যেন কোন প্রকার কষ্ট বা অসুবিধা না হয়।
Speaker A
এদিকে তুমি সর্বদা লক্ষ্য রাখবে।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাছের পেটে যাওয়া মাত্রই কেঁদে কেঁদে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে ইস্তেগফার করতে লাগলেন।
Speaker A
এবং তিনি ফরিয়াদ করতে লাগলেন।
Speaker A
হে মাবুদ, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
Speaker A
আমি আর কোনদিন তোমার অসন্তুষ্টিমূলক কোন কাজ করব না।
Speaker A
তুমি আমার এবারের অপরাধ অনুগ্রহপূর্বক মার্জনা করো।
Speaker A
তিনি এভাবেই আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে কাকুতি মিনতি করছিলেন।
Speaker A
আর বারবার একটি দোয়া পড়ছিলেন।
Speaker A
লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন।
Speaker A
হে আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই।
Speaker A
আপনি পবিত্র আর আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।
Speaker A
এভাবেই একাধারে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাছের পেটে 40 দিন কাটালেন।
Speaker A
এবং ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাছের পেটে থেকে বিরতিহীনভাবে এই দোয়াটি পাঠ করে যেতে লাগলেন।
Speaker A
তিনি বুঝতে পারছিলেন না কখন দিন হচ্ছে আর কখন রাত হচ্ছে।
Speaker A
40 দিনে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বমোট 1 লক্ষ 40 হাজার বার এই দোয়াটি পাঠ করেছিলেন।
Speaker A
শেষ পর্যন্ত আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দয়া ও কৃপা হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য উঠে উঠলো।
Speaker A
তিনি তার প্রিয় বান্দার এইরকম অবস্থায় আর অবিচল থাকতে পারলেন না।
Speaker A
তখন তিনি ওহীর মাধ্যমে তাকে জানালেন, হে ইউনুস, তুমি যে দোয়াটি পাঠ করেছিলে।
Speaker A
এই দোয়াটি যদি তুমি পাঠ না করতে তাহলে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত তুমি মাছের পেটেই থাকতে।
Speaker A
কোনদিন মুক্তি পেতে না।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীন কোরআনুল কারীমে ঘোষণা করেছেন, আমি ইউনুসের ডাকে সাড়া দিলাম।
Speaker A
এবং তাকে বিপদ মুক্ত করলাম।
Speaker A
আর এভাবেই আমি মুমিনদেরকে বিপদ মুক্ত করে থাকি।
Speaker A
40 দিন যাবত হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাছের পেটে কোন রকমের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করেননি।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের তাসবিহ ছিল তার একমাত্র খোরাক।
Speaker A
আল্লাহ তা'আলা হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি কৃপা প্রদর্শন এবং তার দোয়া কবুল করার সঙ্গে সঙ্গে।
Speaker A
মাছটির পেটে অনেক ব্যথা ও বেদনা শুরু হয়ে গেল।
Speaker A
মাছটি ব্যথা ও যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়ল।
Speaker A
এরপর আল্লাহ রব্বুল আলামীনের নির্দেশে একটি জনমানবহীন মরুভূমি দ্বীপে মাছটি হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্গীরণ করে দিল।
Speaker A
এবং এভাবেই সে নিজের পেটের বেদনা থেকে মুক্তি লাভ করল।
Speaker A
আর শান্তি ও স্বস্তির মুখ দেখল।
Speaker A
হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন প্রায় জীবন্ত মৃত্যুর মত অবস্থা প্রাপ্ত হয়ে পড়েছিল।
Speaker A
সামুদ্রিক মাছ ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্জন দ্বীপে উদ্গীরণ করে দিয়ে সমুদ্রে চলে গেল।
Speaker A
মাছটি ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যে দ্বীপে উদ্গীরণ করে দিয়েছিল সেই দ্বীপে না ছিল কোন জনমানবের চিহ্ন।
Speaker A
এবং না ছিল কোন গাছ গাছালির চিহ্ন।
Speaker A
দীর্ঘ 40 দিন মাছের পেটে অবস্থা করার কারণে ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীরের চামড়াগুলি।
Speaker A
একেবারে পাতলা হয়ে গিয়েছিল।
Speaker A
দ্বীপটি মরুভূমি হওয়ায় এবং গাছপালা না থাকায় রৌদ্রের তাপ হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীরে সরাসরি পতিত হতে লাগল।
Speaker A
আর এতে তিনি অনেক কষ্ট ও যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগলেন।
Speaker A
অপরদিকে ক্ষুধা ও তৃষ্ণাতেও তিনি একেবারে কাতর হয়ে পড়েছিলেন।
Speaker A
কিন্তু তিনি কি খাবেন?
Speaker A
সমুদ্রের পানি ছিল লবণাক্ত এবং আশেপাশে এমন কোন খাবারও নেই যেই খাবার খেয়ে তিনি নিজের শরীরের শক্তি ফিরিয়ে আনতে পারেন।
Speaker A
এমন প্রতিকূল পরিবেশে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আল্লাহ রব্বুল আলামীনের রহমত অবতীর্ণ হলো।
Speaker A
যেখানে তিনি অর্ধমৃত অবস্থায় শায়িত ছিলেন।
Speaker A
তার একেবারে নিকটে আল্লাহ রব্বুল আলামীন একটি লাউ গাছ উৎপন্ন করে দিলেন।
Speaker A
দেখতে দেখতে লাউ গাছটি বড় হয়ে গেল।
Speaker A
এবং বড় হয়ে ক্ষান্ত থাকলো না তা একটি ঝুপে পরিণত হলো।
Speaker A
আর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের শান্তির জন্য পরম আরামদায়ক ছায়া প্রদর্শন করতে লাগল।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের এই অশেষ কৃপায় ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম অশেষ শুকরিয়া আদায় করলেন।
Speaker A
সেই অবস্থানে বিশ্রাম করে তার প্রাণ শীতল হয়ে গেল।
Speaker A
একটু পরেই তিনি দেখতে পেলেন।
Speaker A
সেই গাছে কতগুলি ফল ধরলো।
Speaker A
দেখতে দেখতে সেই ফলগুলি বড় হলো।
Speaker A
এই ফলগুলি দেখতে লাউয়ের মত হলেও সেগুলিতে ছিল অত্যন্ত মিষ্ট ও সুস্বাদু।
Speaker A
তার মধ্য থেকে আল্লাহ রব্বুল আলামীন একটি ফল হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভক্ষণ করার ব্যবস্থা করে দিলেন।
Speaker A
সেই ফলটি ভক্ষণ করে ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন এমন সুমিষ্ট ও সুস্বাদু ফল।
Speaker A
তিনি জীবনে আর কখনো ভক্ষণ করেননি।
Speaker A
কারণ এটি ছিল জান্নাতি ফল।
Speaker A
এভাবেই আল্লাহ রব্বুল আলামীন তার ক্ষুধা দূর করলেন।
Speaker A
অতপর এবার চিন্তা করতে লাগলেন ক্ষুধা তো দূর হলো কিন্তু এবার তিনি তৃষ্ণা কিভাবে নিবারণ করবেন?
Speaker A
এই চিন্তা করার সাথে সাথে তিনি দেখতে পেলেন পুষ্টপৃষ্ঠ স্বাস্থ্যবান একটি বকরি তার দিকে ছুটে আসছে।
Speaker A
অতপর তিনি সেই বকরির দুধ পান করে তৃষ্ণা নিবারণ করলেন।
Speaker A
আর আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করলেন।
Speaker A
এভাবে কয়েকদিন পর্যন্ত হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুমিষ্ট ফল ও বকরির দুধ পান করে নিজের শরীরে যথেষ্ট শক্তি ও শান্তি অনুভব করতে লাগলেন।
Speaker A
এমন অবস্থায় আল্লাহ রব্বুল আলামীন তার নিকট ওহী প্রেরণ করলেন।
Speaker A
হে ইউনুস, তুমি যেই দ্বীপে অবস্থান করছো তার অনতি দূরেই একটি বস্তি রয়েছে।
Speaker A
তুমি গিয়ে তাদের কাছে দ্বীনের দাওয়াত দাও।
Speaker A
এরপরে তোমার কওমের লোকেদের কাছে ফিরে গিয়ে তাদেরকে হেদায়েত করতে থাকো।
Speaker A
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে এরূপ আদেশ পেয়ে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই দ্বীপ থেকে সামনে চলতে লাগলেন।
Speaker A
কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পরে তিনি একটি লোকালয়ের কাছে গিয়ে পৌঁছালেন।
Speaker A
সেখানকার মানুষদের চরিত্র ছিল খুবই উত্তম।
Speaker A
তারা ইতিপূর্বে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনেছিল।
Speaker A
এবং তাকে নিজেদের মধ্যে পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসেছিল।
Speaker A
সুতরাং হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে গিয়ে উপস্থিত হলেন।
Speaker A
তখন তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল।
Speaker A
অতপর তিনি তাদের কাছে দ্বীনের বিধি-বিধান পেশ করলেন।
Speaker A
আর আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দ্বীন কবুল করে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতে পরিণত হলো।
Speaker A
অতপর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই দেশের সর্বোচ্চ ভ্রমণ করে ওয়াজ নসিহত করতে লাগলেন।
Speaker A
একদা তিনি একটি মজলিসে ওয়াজ করছিলেন এমন সময় কোথা থেকে যেন নবীর স্ত্রী ও তার ছোট ছেলে সেখানে এসে উপস্থিত হলো।
Speaker A
নবী তাদেরকে দেখে অত্যন্ত অবাক হলেন এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করলেন।
Speaker A
অতপর তিনি তার স্ত্রীর নিকট তাদের বেঁচে থাকার ঘটনাটি জানতে চাইলেন।
Speaker A
স্ত্রী বললেন, আমরা আপনার হাত থেকে ছুটে পানির মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম।
Speaker A
প্রবল স্রোতে কখনো আমাদেরকে পানিতে তলিয়ে নিচ্ছিল আবার কখনো উপরে ভাসিয়ে রাখছিল।
Speaker A
আমরা অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়েছিলাম।
Speaker A
এভাবে কয়েক ঘন্টা চলার পরে আমাদের পায়ের নিচে মাটি আসলো তখন আমরা সেখানে সোজা হয়ে দাঁড়ালাম।
Speaker A
আর এর মধ্যে স্রোতের প্রবলতা কিছুটা কমে গেল।
Speaker A
একটু পরেই আমরা দেখতে পেলাম সেখানকার পানি সম্পূর্ণরূপে শুকিয়ে গিয়েছে।
Speaker A
তখন আমরা সেখান থেকে উঁচু স্থানের দিকে হাঁটতে লাগলাম।
Speaker A
কিছুদূর হাঁটার পরে আমাদের সাথে কয়েকজন মানুষের দেখা সাক্ষাৎ হলো।
Speaker A
তারা আমাদেরকে অসহায় অবস্থায় দেখে আমাদের নিকট আসলো এবং আমাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করল।
Speaker A
আমি তখন আপনার নাম বলে পরিচয় দিলাম।
Speaker A
তারা আমাদেরকে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে তাদের সঙ্গে নিয়ে চলল।
Speaker A
আমরা তাদের সাথে তাদের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছালাম।
Speaker A
তারা আমাদেরকে সেখানে আশ্রয় দিল এবং আমাদের থাকা খাওয়ার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে দিল।
Speaker A
এভাবেই দিন চলছিল।
Speaker A
একদিন আমি স্বপ্নে দেখলাম একজন শুভ্র পোশাক পরিহিত ব্যক্তি আমাকে বলছে, হে নবীর স্ত্রী তোমার স্বামীর উপর আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
Speaker A
অল্পদিনের মধ্যেই তার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে।
Speaker A
এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের সুখের দিন ফিরিয়ে দিবেন।
Speaker A
এরপর একদিন আমরা জানতে পারলাম যে আপনি এই লোকালয়ে আগমন করেছেন।
Speaker A
আর এ খবর পেয়েই আমরা আপনার কাছে এসে উপস্থিত হলাম।
Speaker A
স্ত্রীর মুখে এই কাহিনী শুনে নবী অনেক খুশি হলেন।
Speaker A
এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করলেন।
Speaker A
অতপর তিনি তার স্ত্রীর নিকট তাদের বেঁচে থাকার ঘটনাটি জানতে চাইলেন।
Speaker A
স্ত্রী বললেন, আমরা আপনার হাত থেকে ছুটে পানির মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম।
Speaker A
প্রবল স্রোতে কখনো আমাদেরকে পানিতে তলিয়ে নিচ্ছিল আবার কখনো উপরে ভাসিয়ে রাখছিল।
Speaker A
আমরা অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়েছিলাম।
Speaker A
এভাবে কয়েক ঘন্টা চলার পরে আমাদের পায়ের নিচে মাটি আসলো তখন আমরা সেখানে সোজা হয়ে দাঁড়ালাম।
Speaker A
আর এর মধ্যে স্রোতের প্রবলতা কিছুটা কমে গেল।
Speaker A
একটু পরেই আমরা দেখতে পেলাম সেখানকার পানি সম্পূর্ণরূপে শুকিয়ে গিয়েছে।
Speaker A
তখন আমরা সেখান থেকে উঁচু স্থানের দিকে হাঁটতে লাগলাম।
Speaker A
কিছুদূর হাঁটার পরে আমাদের সাথে কয়েকজন মানুষের দেখা সাক্ষাৎ হলো।
Speaker A
তারা আমাদেরকে অসহায় অবস্থায় দেখে আমাদের নিকট আসলো এবং আমাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করল।
Speaker A
আমি তখন আপনার নাম বলে পরিচয় দিলাম।
Speaker A
তারা আমাদেরকে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে তাদের সঙ্গে নিয়ে চলল।
Speaker A
আমরা তাদের সাথে তাদের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছালাম।
Speaker A
তারা আমাদেরকে সেখানে আশ্রয় দিল এবং আমাদের থাকা খাওয়ার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে দিল।
Speaker A
এভাবেই দিন চলছিল।
Speaker A
একদিন আমি স্বপ্নে দেখলাম একজন শুভ্র পোশাক পরিহিত ব্যক্তি আমাকে বলছে, হে নবীর স্ত্রী তোমার স্বামীর উপর আল্লাহ রব্বুল আলামীনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
Speaker A
অল্পদিনের মধ্যেই তার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে।
Speaker A
এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের সুখের দিন ফিরিয়ে দিবেন।
Speaker A
এরপর একদিন আমরা জানতে পারলাম যে আপনি এই লোকালয়ে আগমন করেছেন।
Speaker A
আর এ খবর পেয়েই আমরা আপনার কাছে এসে উপস্থিত হলাম।
Speaker A
স্ত্রীর মুখে এই কাহিনী শুনে নবী অনেক খুশি হলেন।
Speaker A
এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করলেন।
Speaker A
একদিন পর হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠকে বসে কয়েকজন লোককে উপদেশ প্রদান করছিলেন।
Speaker A
এমন সময় একজন লোক সেখানে এসে উপস্থিত হয়ে বললেন।
Speaker A
হুজুর কিছুদিনের আগের ঘটনা।
Speaker A
আমরা আট থেকে 10 জন লোক একটি জঙ্গলে কাঠ কাটার উদ্দেশ্যে গমন করলাম।
Speaker A
হঠাৎ আমরা দেখতে পেলাম একটি বাঘ একটি বালককে নিয়ে দ্রুত জঙ্গলের অভ্যন্তরে চলে যাচ্ছে।
Speaker A
তখন আমরা সকলে মিলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাঘটিকে ধাওয়া করলাম।
Speaker A
আমাদের ধাওয়া খেয়ে বাঘটি বালকটিকে ছেড়ে চলে গেল।
Speaker A
বালকটি সম্পূর্ণ মূর্ছ অবস্থায় পড়েছিল।
Speaker A
এরপর আমি ও আমার বন্ধুরা বালকটিকে বাড়িতে নিয়ে এসে অনেক চিকিৎসা ও সেবা যত্ন করলাম।
Speaker A
যার কারণে সে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করল এবং সুস্থ হয়ে উঠলো।
Speaker A
সুস্থ হওয়ার পরে সে তার সম্পূর্ণ ঘটনা আমাদেরকে খুলে বলল।
Speaker A
এবং সে বলল যে আমি আল্লাহর নবী হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুত্র।
Speaker A
তখন হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমার পুত্র কোথায়?
Speaker A
তাকে জলদি নিয়ে এসো।
Speaker A
লোকটি বলল হুজুর এখনই আমার সঙ্গের লোকজন তাকে নিয়ে আপনার কাছে উপস্থিত হবেন।
Speaker A
এর কিছুক্ষণ পরে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছেলেটিকে নিয়ে কিছু লোক তার কাছে উপস্থিত হলো।
Speaker A
ছেলেকে এভাবে অকল্পনীয়ভাবে ফিরে পেয়ে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করতে লাগলেন।
Speaker A
এবং তার দুই চোখ দিয়ে অবিরল ধারায় আনন্দের অশ্রু বগলিত হতে লাগল।
Speaker A
স্ত্রী পুত্রকে ফিরে পাওয়ার পরে হযরত ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম চিন্তা করলেন এবার তাকে স্বদেশ পানি ফিরে যেতে হবে।
Speaker A
কারণ এটাই ছিল আল্লাহ রব্বুল আলামীনের নির্দেশ।
Speaker A
অতপর তিনি সেই দেশের লোকজন কে বিদায় গা নিয়ে স্বদেশের পথে গমন করেন।
Speaker A
প্রিয় দর্শক, এই ছিল মহান আল্লাহর এক প্রিয় নবীর কাহিনী।
Speaker A
যার ধৈর্য, তওবা আর আল্লাহর প্রতি ভরসা আজও আমাদের জন্য বড় শিক্ষা।
Speaker A
আমরা যেন ইউনুস আলাইহিস সালামের মত বিপদে পড়ে আল্লাহকে ডাকি।
Speaker A
তওবা করি।
Speaker A
ধৈর্য ধরি।
Speaker A
এই দোয়া করি আল্লাহর দরবারে।
Speaker A
আল্লাহ যেন আমাদেরকে সত্য বোঝার ও সে অনুযায়ী জীবন গড়ার তৌফিক দেন।
Speaker A
আমিন।
Speaker A
ভিডিওটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে।
Speaker A
একটা লাইক দিন।
Speaker A
নিচে কমেন্ট করে মতামত জানান।
Speaker A
আর নতুন নতুন ইসলামিক কাহিনী পেতে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।
Speaker A
আল্লাহ হাফেজ।
Speaker A
দেখা হবে পরের ভিডিওতে ইনশাআল্লাহ।
Topics:হযরত ইউনুসইসলামিক কাহিনীমাছের পেটে ইউনুস নবীআল্লাহর গজবনবীদের জীবনীবাংলা ইসলামিক স্টোরিকওমের অবাধ্যতাদাওয়াত ও প্রার্থনাইসলামিক শিক্ষাকিসাসের আলো











