Human Behavior Expert: যেকোনো মানুষের Psychology বুঝার … — Transcript

মানুষের মনোবিজ্ঞান ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বুঝতে শেখার সহজ ও কার্যকরী টিপস। সত্য-মিথ্যা নির্ণয় ও কমিউনিকেশন দক্ষতা বাড়ানোর উপায়।

Key Takeaways

  • বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে মানুষের আসল মনোভাব ও চরিত্র বোঝা সম্ভব।
  • সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে চোখের দিক ও হাতের মুভমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • নন-ভার্বাল কমিউনিকেশন কমিউনিকেশনের সবচেয়ে বড় অংশ।
  • ডমিনেন্ট ও রিসিপটিভ মেন্টালিটি বুঝে সম্পর্ক উন্নত করা যায়।
  • বেসলাইন আচরণ জানা ছাড়া সঠিক বিশ্লেষণ করা কঠিন।

Summary

  • রিয়াল স্মাইল ও চোখের ভাষা থেকে মানুষের আসল অনুভূতি বোঝার কৌশল।
  • মেয়েরা ছেলেদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে চরিত্র বিশ্লেষণ করতে পারে।
  • হাতের অবস্থান ও মুভমেন্ট থেকে ডমিনেন্ট এবং রিসিপটিভ মেন্টালিটি নির্ণয়।
  • সত্য কথা বলার সময় চোখের দিক পরিবর্তন এবং মিথ্যা বলার সময় ভিন্ন আচরণ।
  • বডি ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে মানুষের মনের অবস্থা ও অনুভূতি বুঝতে পারা যায়।
  • হ্যান্ডশেকের ধরন থেকে ব্যক্তির ক্ষমতা ও মনোভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
  • কমিউনিকেশনে ৯৩% অংশ নন-ভার্বাল, অর্থাৎ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও ভয়েস কোয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ।
  • বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বিশ্লেষণে বেসলাইন আচরণ জানা অপরিহার্য।
  • মোহাম্মদ মিরাজ হোসেনের পিএইচডি ও প্রফেশনাল অভিজ্ঞতা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনে।
  • ভিডিওটি মানুষের মনোবিজ্ঞান বুঝতে ও ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নত করতে সহায়ক।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
রিয়াল স্মাইলের ক্ষেত্রে এই কর্নারটা উপরের দিকে উঠে যায় এবং এটা শক্ত হয়ে টাইট হয়ে যায়। চোখের ভ্রু গুলো হচ্ছে যে একটু কুচকে যাবে হালকা এবং চোখটা ঝলঝল করবে। মনে ছেলেরা ভালো বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালিস্ট নাকি মেয়েরা?
00:11
Speaker A
মেয়েরা। মেয়েরা মেয়েরা ছেলেদের দিকে তাকালে কোন দিকে তাকাবে? কারণ হলো আপনি চোখ দিয়ে বডির কোন পার্টে তাকাচ্ছেন সেটা অবজার্ভ করে। এজন্য মেয়েরা রিড করে ফেলতে পারে কোন ছেলে চরিত্র ভালো খারাপ বা এই বিষয়টা। যেন স্ট্রেঞ্জার বা যেকোন রুমে
00:23
Speaker A
আমি যদি গিয়ে আই ওয়ান্ট পারসন কানেক্ট থমি এন্ড লাইক মি। এই জিনিসটা কিভাবে করতে পারি?
00:30
Speaker A
কেউ যখন সত্য কথা বলে অতীত রিমেম্বার করে তখন হচ্ছে পামের উপরের দিকেও চোখ থাকে। যারা মিথ্যা বলে তারা হচ্ছে কি অভার স্মার্ট হয় অথবা হচ্ছে খুব রিজিড অথবা ওপেন হয়ে কথা বলতে চায় না। যে ডমিনেন্ট মেন্টালিটি সে সাধারণত এইভাবে হাত উপরে
00:42
Speaker A
রাখে। আর যে রিসিপটিভ মেন্টালিটি থাকে অর্থাৎ তাকে এক্সেপ্ট করে নিচ্ছে মন থেকে সেইভাবে হাতটাকে ওপেন করে নিবে। আবার আরেকটা হচ্ছে আমরা বলি না ছেকায় বেকা হয়ে যায় এরকম। তুমি মন মরার মতন হচ্ছে বসে আছো। কোন কিছু ভালো লাগছে না। এই
00:53
Speaker A
জাতীয় পোষগুলো হলে হবেটা কি? টেস্টোস্টেরন হরমোন 10% কমে যাবে। আবার কর্টিসল হরমোন 10% বেড়ে যাবে। আর আপনার মা যখন হচ্ছে আমরা ভুল করে আসছি মারার জন্য রেডি কিরে কই গেলি এখন আমার এই হাত চারটা সামনে মানে কি আমি টু মাচ ডমিনেট
01:05
Speaker A
আমার একটা হচ্ছে আমি যদি হালকা এভাবে হচ্ছে রাখি লেস ডমিনেন্ট মানে তখন হচ্ছে ঝারবে কিন্তু মারবে না ভাইয়া। আমি একজন ভালো কমিউনিকেটর হতে চাই, আমি একজন ভালো নেগোশিয়েটর হইতে চাই, আমার নেটওয়ার্কগুলো খুব স্ট্রং হয়। আমাকে আপনি একদম টিপসগুলো দেন যে আমি কি কি ফলো করবো।
01:19
Speaker A
এখন আপনি যদি হচ্ছে যে বিক্রেতা হইতেন, আমি ক্রেডিটর হয়ে থাকি, আপনি আমাকে কনভিন্স করে আমি কনভিন্স হচ্ছি কিনা? পায়ের ডিরেকশন যখন চেঞ্জিং হয়ে যায় আপনি বুঝতে পারবেন আমি আপনার কথা দ্বারা কনভিন্স হচ্ছি। সিঙ্গাপুরের যে চেঞ্জ করছে তার কোন মূর্তি
01:30
Speaker A
বলেন তার কোন নাম আদর্শের কথা আছে ওখানে তারে মানুষ এত মনেও রাখে না, সে কাজ করে গেছে নিঃস্বার্থভাবে। এখন আমাদের কথা হচ্ছে আমি কাজ করব এটা 10 বছর 20 বছর 50 বছর ধরে খোঁটা দিয়ে যাব। ভাই দেখেন আজকের পডকাস্ট
01:40
Speaker A
দেখার পর আপনার মানুষের প্রতি বিশ্বাস উঠে যাবে। [সশব্দ হাসি] ভাই ওয়েলকাম টু টু সেন্স পডকাস্ট। আজকের এপিসোডটা নিয়ে আমি নিজেই খুবই এক্সাইটেড। আপনার সাথে আমার অনেকদিন ধরে কথা হচ্ছিল এবং আপনি দেশে আসছেন এবং আপনাকে পেয়েছি। আমি তো আপনাকে চিনি, বাট যিনি তিনি
01:58
Speaker A
দেখতেছেন এই এপিসোডটা তার উদ্দেশ্যে। যদি আপনি আপনার একটু পরিচয়টা বলেন এবং আপনি কি নিয়ে কাজ করতেছেন এবং এই এপিসোডটা দেখে তার কি বেনিফিট হতে পারে, যদি একটু আমাদেরকে বলতেন। আমি মোহাম্মদ মিরাজ হোসেন, আর পিএইচডি করতেছি আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিস
02:11
Speaker A
এবং ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন অর্থাৎ ক্রিমিনালদের মাইন্ড, হিউম্যান বিহেভিয়ার কখন সত্য মিথ্যা বলে এই নিয়ে হচ্ছে আমার মূলত পিএইচডি। আর বর্তমানে আমি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি এবং পুলিশ বাংলাদেশের এদেরকে আমার আন্ডারে পাঁচ দিন থাকে, এদেরকে আমি ট্রেনিংগুলো দিচ্ছি। আর আমার এক্সপার্টাইজ এরিয়া হচ্ছে সাইকোলজি,
02:28
Speaker A
আপনার ফরেন্সিক এবং হলো বিজনেস। আমি হচ্ছে এই তিনটা জায়গাতে ট্রেনিংগুলো দিতে পছন্দ করি এবং কাজ করছি। আর একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড যদি বলেন আমি সাইকোলজি থেকে বিএসসি করেছি, এমএসসি করেছি, ক্লিনিক্যাল কাউন্সিলিং, সাইকোলজি থেকে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি থেকে আর পিএইচডি করছি। তাছাড়া বাংলাদেশের বলতে পারেন প্রথম বডি
02:46
Speaker A
ল্যাঙ্গুয়েজ এনালিস্ট বা ট্রেইনার ইন্টেলিজেন্সদের সেটাই আমি। এরপরে বাংলাদেশের প্রথম ফরেন্সিক কোম্পানি যেটা সেটা একমাত্রই আমার। এর পরবর্তীতে আমরা যেন সিগনেচার অথবা হ্যান্ডরাইটিং এক অন্যজনের জায়গা জমি নিয়ে যায় সে কাজটা হচ্ছে যে ব্যক্তি আপনার সেকেন্ড অপিনিয়ন প্রাইভেট লেভেলে কাজ করতেছে সেটাও আমি। এর
03:03
Speaker A
পরবর্তীতে আপনার হচ্ছে মুভিগুলোতে লাইট ডিটেক্টর, পলিগ্রাফি সত্য মিথ্যা ডিটেক্ট করা যেগুলো দেখেন, এটাও আমরা ইনশআল্লাহ জানুয়ারিতে নিয়ে আসতেছি। বলতে পারেন প্রথম ব্যক্তিটাই আমি যেগুলো নিয়ে কাজ করছি। আলহামদুলিল্লাহ আজকের এপিসোড যিনি দেখতেছেন সে এই এপিসোড থেকে কি কি শিখতে পারবে
03:20
Speaker A
সে আজকে মূলত জানতে পারবে হচ্ছে হিউম্যানদের কিভাবে রিড করতে হয়। স্পেশালি আমরা যারা নিউ জেনারেশন আসছে এবং আমরা যারা পুরান হচ্ছে মাইন্ডসেট নিয়ে চলি। কিভাবে এদের সাথে কানেকশনগুলো করতে পারব এবং হচ্ছে যে আমার বিজনেসকে কিভাবে আমি আরো গ্রোথ করতে পারবো এই বিষয়ে দুইটা বিষয়
03:35
Speaker A
নিয়ে আমরা জানবো। আমার কাছে জানতে পারবো যে কিভাবে একটা মানুষ সত্য বা মিথ্যা বলতেছে। এটা আমরা আজকে শিখিয়ে দিব। আমরা প্র্যাকটিস করে নো টেনশন। ফ্যান্টাস্টিক। আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড। বিকজ এটা একটু ডিফারেন্ট টাইপের এপিসোড আমাদের হচ্ছে এবং অবশ্যই আমাদের যে আমরা বলি যে কমিউনিকেশন
03:50
Speaker A
সো আমার এপিসোডটা আমার নিজের জন্য। সেশন ফ্রম ইউ হ্যাঁ যে এবং ভাইয়ের সাথে বলতেছিলাম তো আমরা একটু অন্যভাবে শুরু করি আজকে। আজকের এপিসোডটি একটু অন্যভাবে শুরু করি। আজকের এপিসোডের আসলে অডিয়েন্স হচ্ছে সাজ্জাদ কেন আমি একটু বুঝাই বলি আজকে।
04:06
Speaker A
আমাদের এপিসোড যখন শুরু হয় তার আগে ভাইয়ের সাথে আমার একচুয়ালি কথা হচ্ছিল্যা। এই যে দেখলেন না এটা দেখলেন না একটা মজার জিনিস বলি আপনাকে সেটা হচ্ছে ভাইয়ের সাথে আমি অনেক কথা বলতেছিলাম, কথা বলতেছিলাম। একটু বলি আপনাদের কন্টেক্সটে খুব মজা
04:21
Speaker A
পাবেন আর কি যে ভাই দেখবেন যে বাহিরের দেশে যে বিভিন্ন ওয়ার্ল্ড লিডার বিভিন্নভাবে হ্যান্ডশেক করে আমরা তো ট্রাম্পের দেখছি তো ভাই বলতেছে কি একটা হ্যান্ডশেক থেকে কিন্তু অনেক কিছু বুঝা যায়। তো আমার সাথে ভাই এরকম হ্যান্ডশেক কিছু প্র্যাকটিস করব আমরা।
04:36
Speaker A
এটা যাব। এখন ভাই আপনি আপনার জায়গা থেকে বলেন ঘটনাটা কি? মূলত হচ্ছে আমার সাথে আমরা যখন ভাইয়ের সাথে প্রথম হ্যান্ডশেক করি, হ্যান্ডশেকটা আমাদের কি রকম ছিল? এ ধরনের ছিল অর্থাৎ ভাইয়া হাতটা দিয়েছিল এইভাবে অর্থাৎ উনি এখানে কারণ উনি একটা বাংলাদেশের
04:49
Speaker A
সেলিব্রেটি বা সামথিং যাই কিছু হোক একটা ডমিনেন্ট ব্যক্তি। আমি কিন্তু সেলিব্রেটি না, ইন্টেলেকচুয়াল পার্সন হতে পারি। উনি একটা ভাব দেখাবে কারণ আমি আমাকে আগে তো চিনত না দাম দেয় নাই। আসার পরে না দাম দেওয়া শুরু করছে। বাট আপনার ক্ষেত্রে
05:01
Speaker A
হচ্ছে কি? আমার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড উনি জেনে গেছে, আমার কাজের এক্টিভিটি জেনে গেছে এবং আপনাকে একটু ভয় দিয়েছে। আপনি পুরা রিসিপটিভ মোডে ছি। এখানে একটু আমি বলি, আমি ভয় কিভাবে দিসি?
05:10
Speaker A
সাজদকে আমি বলতেছি শুন, যিনি আসছেন উনি কিন্তু সিরিয়াল কিলারদের সাথে কাজ করে। সে কিন্তু ক্রিমিনালদের সাথে কাজ করে এবং তুই কি ক্রিমিনাল কিনা এটাও কিন্তু সে বুঝতে পারবে। হ্যাঁ। এরপর বলেন এর পরবর্তীতে হচ্ছে ভাইয়ার সাথে যখন ভাইয়া ঢুকলো আমরা
05:22
Speaker A
হ্যান্ডশেক করার সময় ভাইয়া এভাবে হাত দিয়েছে। অর্থাৎ উনি পুরা একটা রিসিপটিভ মোডে ছিল। আমরা হ্যান্ডশেক হচ্ছে সাধারণত আমরা এভাবেই তো হচ্ছে যে মিডেল রেখে করি। কিন্তু যারা ডমিনেন্ট এটা নট পজিশন বা পাওয়ার। আপনি এখানে কি মেন্টালিটি নিয়ে এখানে আসতেছেন? যে ডমিনেন্ট মেন্টালিটি সে
05:36
Speaker A
সাধারণত এভাবে হাত উপরে রাখে। আর যে রিসিপটিভ মেন্টালিটি থাকে অর্থাৎ আপনার থেকে তথ্যটা নিচ্ছে, তাকে একসেপ্ট করে নিচ্ছে মন থেকে সেইভাবে হাতটাকে ওপেন করে নিবে। আপনি হচ্ছে আমাকে যখন ইন্ট্রোডিউস হচ্ছে করা হয়েছে, আপনি আমাকে একসেপ্ট করে নিছেন। আমি যা বলব মানে সূর্য পশ্চিম উঠলে
05:51
Speaker A
বললে আপনি কিছুটা বিশ্বাস করবেন কারণ আপনি রিসিপটিভ মোডে ছিল। আমি যখন হচ্ছে সচিব, ডিআইজি বা ভাইস চ্যান্সেলর টপ লেভেলে কাজ করি ওরা তো অনেক উপরের। আমি মাঝে মধ্যে দিকে ওরা এভাবে হাত দিচ্ছে অর্থাৎ কি তারা আমার কোয়ালিটি আগেই জেনে
06:02
Speaker A
গেছে, আমাকে যা বলবে সেটা এক্সেপ্ট করতেছে। তাহলে এখন প্রবলেম কি? উনাকে আমার আর প্রশংসা বা তেলানো লাগতেছে না কারণ উনি রিসিপটিভ মোডে আছে। আমি একশনে চলে যাচ্ছি আর যে ডমিনেন্ট বিহেভিয়ার সে বুঝতেছে তার একটু এটেনশন লাগবে, কেয়ারিং, প্রশংসা লাগবে।
06:14
Speaker A
আমরা প্রশংসা করলাম অর্থাৎ আমি হিউম্যানদের কিন্তু হ্যান্ডরেস্ট শেক দেখে করে নিচ্ছি আপনার হচ্ছে সে কেমন হতে পারে। জেনারেলি আমরা পলিটিশিয়ানদের অনেক কিছু হয়। এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজের বিগ প্রবলেমটা হলো আপনাকে হিউম্যানকে রিড করতে হলে আপনি আগে তার বেসলাইন বিহেভিয়ার, নরমাল বিহেভিয়ারটা
06:29
Speaker A
কেমন সেটা দেখতে হবে। যেমন আপনি এখন হা করে চোখগুলো বড় এভাবে ধরছেন, এটার মানে হচ্ছে আপনি খুব অবাক এক্সাইটেড হচ্ছেন। আবার এখন এভাবে করতেছেন মানে সেলফ [সশব্দ হাসি] হোল্ডিং নিজেকে, আপনি হোল্ডিং করে নিচ্ছেন আমাদের কমিউনিকেশনে [সশব্দ হাসি] তুই কট
06:44
Speaker A
লাল হয়ে গেছে ভাই। এটা এখন কি বলবো ভাই? ওতো লাল হয়ে যাচ্ছে ভাই। এক্সাইটমেন্ট সবকিছু। এখন হলো আমাদের কমিউনিকেশনে কিন্তু 93% কমিউনিকেশন নন ভার্বাল কমিউনিকেশন। অর্থাৎ হল কি আমি যে শব্দটা বলতেছি এই শব্দটা হচ্ছে মাত্র সেস। আমি একজনকে
06:58
Speaker A
বলতেছি আসো। আরেকজন বলতেছি আসো। দুইটা শব্দ একই। সেন্ট ঠিক আছে। কিন্তু বাকি 38% যেটা হচ্ছে আমার ভয়েস কোয়ালিটি। আমি পরেরটা কিন্তু আসো বলছি। অর্থাৎ আমি প্রেসারটা দিয়ে দিয়েছি এবং পরের কোন্টে ছিল আমি বিরক্ত। সে কেন কাজের মধ্যে ডিস্টার্ব
07:14
Speaker A
দিচ্ছে এবং আমার হাতটা তাড়াতাড়ি মুভ করে ফেলছে। মুভ করার কারণ কি? আমার এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজও 55% হচ্ছে মিনিং দিচ্ছে যে আমি বিরক্ত। তুমি আসো। আরেকজন বলছে আসো। আসো দুইটার মধ্যে কিন্তু ভিন্ন আছে মিনিং। অতএব আমাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে
07:27
Speaker A
ননভার্বাল কমিউনিকেশন হচ্ছে আমরা 93% কমিউনিকেশন বলি। আমার হাত পা মুভমেন্ট গুলোকে চেঞ্জিং গুলোকে রকম হচ্ছে সেটা আমার 55% দিয়ে দিবে এবং ভ
07:44
Speaker A
একদম ফরেন্সিক করলো আমাকে [সশব্দ হাসি] একদম কেটে কুটে পোস্টমর্টাম করে যে একদম জাজ করে দিল এবং লিটারি যেহেতু আমি কিন্তু ভাই আপনি বসার পরও আমি অল্প কিছু সময় বেশি নিছিলাম অলরেডি আমি ভেতর থেকে অনুসূচনায় ছিলাম যে মানুষটাকে আমি কি বলব
08:03
Speaker A
না আই ক্যান মোর কানেক্ট যে আমি আসলে সেখানে অনেক হাম্বল হয়ে যাচ্ছিলাম ভাই ভাই ভাই মানে এরকম একটা আচ্ছা ও করেটা করেটা কি করেটা কি যখনই করছে আমরা দুজনে এক্সাইটেড হয়ে গেছি এবং আমার সাথে শেয়ার করে আমাকে বলতে আমাকে
08:18
Speaker A
বলতেছিল এপিসোড শুরু হোক তুই তুইও জানি দেখতে তিনি উনি আমাকে আগে থেকে বলতেছিলেন ভাই আগে থেকে বলতেছিল যে দেখেন উনি এভাবে হাত দিবে আমি বলতেছি এটা হইতেই পারে না এটা ইম্পসিবল আপনি কিভাবে জানেন এভাবেই দেখেন উনি হাত দিবে
08:33
Speaker A
ভাই আমি আসলে হাতটা মানে কি করছিলাম এবং ও কিন্তু বুঝে করতেছিল না এইযে এভাবে আমি দেখাই এইযে এভাবে আই রিমেম্বার যে আমি দুইটা হাতই কাছে চলে আসলাম এভাবে আপনি এভাবে [সশব্দ হাসি] করতেছেন আমি করেছিলাম যে ভাই ভাই সরি এন্ড দেন লাইক বাট আপনি কিন্তু
08:47
Speaker A
আসলে ডমিনেন্টেড ব্যক্তি আপনি এক্সট্রোভার্ট এগুলো আমরা তো আপনার পার্সোনালিটি হচ্ছে একটু জানি আপনি অনেকে অন্যরা যারা আছে আপনি কিন্তু অনেক মোড বা হচ্ছে পাওয়ার দেখা হচ্ছে কথা বলে আপনি দেখেন অন্যের সাথে কথা বলার সময় জুনিয়া কি অবস্থা কি অবস্থা [সশব্দ হাসি]
09:00
Speaker A
আমি মারুফের সাথে আমি মারুফের সাথে কথা বলে এভাবে কথা বলব না এই যে মারুফ কি অবস্থা ডমিনেটিং আপনার এটা পাম বলে পাম্প নিচের দিকে আপনার হাতের তালুটা নিচের দিকে আছে আপনি ডমিনেট করতেন অথবা ওকে আশা ভরসা দিচ্ছি আরে ঠিক হয়ে যাবে এটা সেলফ স্নোদিং বলা
09:16
Speaker A
সেলফ টাচিং করতেছেন আপনারা খেয়াল করছেন সেটা হল আমি যখন আপনাদের সাথে অল্প কত মাত্র 10 মিনিট কথা হলো আমি কিন্তু আপনাদের হচ্ছে যে হ্যান্ড টাচ করছি এবং পিঠ টাচ করে হচ্ছে ক্লোজ হয়ে গেছে আমরা ছেলে ছেলে অসুবিধা তো নেই
09:30
Speaker A
আমরা হচ্ছে আপনার কিন্তু আমার সাথে টু মাচ ক্লোজ হয়ে গেছেন আমার মনে হয় না এত অল্প টাইমে কারো সাথে ক্লোজ হয়ে আমি আপনাকে বললাম না প্রথমে আমি একটু ইয়া হয়ে গেছিলাম যে মানে আমি মেন্টালি রেডি ছিলাম যে মানুষটার সাথে একটু তো টাইম লাগে
09:41
Speaker A
তাই না? বন্ডিং ক্রিয়েট করতে। টু সেন্স আমরা কি করি? গেস্টের সাথে বন্ডিংটা ক্রিয়েট করি। সো দ্যাট সে তার স্টোরি গুলো খুব ইজিলি বলতে পারে। আমরা অনেক সময় টিম রিক্রুট করতেছি। হুম। টিম রিক্রুট করার সময় এখন আচ্ছা টিম রিক্রুট না যেকোনো
09:54
Speaker A
সিচুয়েশনে এটা। বাট টিম রিক্রুটের ক্ষেত্রে স্পেশালি আমি কিভাবে জাজ করবো। যে এই ছেলেটা যে কথাগুলো বলতেছে। ও আদৌ ক্যাপাবল কিনা? একটু আগে আমি আমাদের একজন ক্লায়েন্টের পিচ করতেছিলাম। তার সাথে সরি একটু আগে আমি আমাদের একজন ক্লায়েন্টের সাথে একটা কনসালেশনে ছিলাম। তো তারা একটা
10:12
Speaker A
প্রবলেম বলল তাদের খুব ভালো একজন ম্যানেজারকে তারা নিছিল। কিন্তু নেয়ার দুই তিন মাসে গিয়ে পরে বুঝতে পারছিল আসলে ইন্টারভিউতে যা প্রকাশ পেয়েছিল ব্যক্তিটা আসলে সেটা না। তাহলে আমি কিভাবে বুঝবো?
10:23
Speaker A
নাম্বার ওয়ান। নাম্বার টু হচ্ছে। যদি আমার কোন এরকম রিক্রুটমেন্ট হয়েই যায়। তাদেরকে মানে গ্রো করানোর ক্ষেত্রে কোন প্ল্যান করবো নাকি না আমি তাদেরকে ছাটাই করবো। আমি করবোটা কি আসলে প্লিজ?
10:38
Speaker A
এখানে ক্ষত্রে আমি মনে করি হিউম্যান রিসোর্স যে থাকে এইচআর যে থাকে তাকে খুব ভালো হিউম্যান রিডার হতে হবে। কেন রিডার হতে হবে? পার্সোনালিটি বা সাইকোলজিটা খুব ভালো জানতে হবে। এজন্য জানার জন্য যে খুব সাইকোলজি ডিগ্রি দরকার আমি কখনো এগুলো
10:52
Speaker A
বিলিভ করি না। কারণ হলো হিউম্যানকে আমাদের চোর পুলিশ যারা আছে বিভিন্ন ঢাকার যারা আছে চুরি করে ওরা হিউম্যান বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালিসিস আরো ভালো করতে পারে। হিউম্যানদের রিড করতে পারে। ওদের এত ডিগ্রি দরকার পড়ে না। অতএব কিছু মানুষ আছে
11:04
Speaker A
খুব ইন্টেলেকচুয়াল। আপনি ওই জায়গায় সিলেক্ট করতে হবে। এছাড়া আগে কোয়ালিটিফুল হতে হবে। এখন আপনি যখন হচ্ছে কোন ইন্টারভিউ নিবেন আমি একদম খুব ফাস্ট স্টেপে বলি আপনার একটা পদ খুব 500 বা 300 বাংলাদেশের স্যালারি রেঞ্জ আমি যদি বলি 20000 থেকে হচ্ছে যে 300 হচ্ছে একটা যেকোন
11:22
Speaker A
আপনার স্যালারি দিলে নরমাল অনার্স মাস্টার্সের ছেলে পাবেন যখন 500 টাকার উপরে যাবেন মানে কোন স্কিলফুল লোককে আপনি চাচ্ছেন এটা আবার সবাই পাবে না তাহলে আমি ধরলাম 20 থেকে 500 500 স্যালারি যদি আমি কোন জব দিই 1000 এর উপরে আমার সবাই সিভি
11:36
Speaker A
পাঠিয়ে দিচ্ছে আমি এখন কোনটা বেস্ট সিলেকশন করব। তাহলে এখানের মধ্যে আপনি তাকে হচ্ছে এমন কিছু হচ্ছে ক্রাইটেরিয়া দিয়ে দিবেন যেন হচ্ছে আপনার সিভির সাথে সাথে তুমি হচ্ছে এই প্রবলেম দরকার একটা লেটার লিখো লেটারের মধ্যে হচ্ছে এমনভাবে লিখো কিভাবে তুমি আমাদের প্রতিষ্ঠানে
11:52
Speaker A
কন্ট্রিবিউশন করতে পারবা এবং আমরা তোমাকে কেন হায়ার করবে এখন আপনারা বলতে পারেন হচ্ছে চ্যাট জিবি থেকে উত্তর নিরবে আমরা আমাদের থেকে বেটার চ্যাট জিবিটি বা এ তারা ইউজ করে না কারণ আমরা যদি আমাদের থেকে বেটার ইউজ করতে পারতো সে হচ্ছে উদ্যোক্তা
12:05
Speaker A
হয়ে যেত চাকরির জন্য আসতো না অতএব আমরা উত্তর দেখলেও বুঝতে পারব তার পার্সোনাল কোন কোয়ালিটির জন্য হচ্ছে আমি নিব। সে যদি আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে রিডে না করে আপনার প্রতিষ্ঠানে কোন পজিশনের জন্য হচ্ছে জব করতেছে এই অনুযায়ী সে কি দিতে
12:19
Speaker A
পারবে ইনপুট তাকে এতটুকু এনালাইসিস করতে হবে। আমাদের প্রবলেম হয়টা কি? জব পেয়েছি মেইল একটা করে দিচ্ছে এবং তারা ডাকলে ডাকবে। আমাদেরকে এখন এত ঠেকা পড়ে না যে ডাক্ত হবে। আমাদেরকে বেস্ট চুজ করতে হবে। তাহলে আমি এখানে কিছু ক্রাইটেরিয়া দিলাম।
12:31
Speaker A
এরকম কোশ্চেন দিয়ে দিলাম। আমি তো আবার হ্যান্ডরাইটিং এনালাইসিস করে ব্যক্তিত্ব বোঝায়। এটা এত সাইন্স না একটু ছোটো সাইন্স এর দিকে। বাট আমি তো বাংলাদেশে ওটাও প্রথম শিখি কাজ করি এজন্য আমি কি করি এক পেজ ইংলিশ হ্যান্ডরাইটিং ওই কোশ্চেন
12:41
Speaker A
ওইটাই কিভাবে আমরা কেন নিব তুমি আমাদের কোন প্রবলেম সলভ করে দিতে পারবা এবং কোন ভ্যালুটা এড করতে পারবা তার মানে একবার সে বাংলায় করছে একবারটাতো আমার প্রতিষ্ঠানের আমি হচ্ছে ইংলিশ হ্যান্ডরাইটিংটা তাকে বলতেছি দুই পেজ লিখে দাও কোশ্চেনের ন্সারটা আমি এক হচ্ছে তার
12:56
Speaker A
কোশ্চেনটা পড়ে বুঝতে পারতেছি সে কি ভ্যালু এড করতে পারবে আবার হচ্ছে আমি আমার হ্যান্ডরাইটিং দেখে আমি ব্যক্তিত্ব এটা আমি আগে বলে নিচ্ছি স্যার এটা এত সাইন্টিফিক এক্সপার্টদের উপর নির্ভর করে সে কতটুক পারে। এখন আমি তার পার্সোনাল ফাস্টে তার থিংকিং এবিলিটি দেখলাম,
13:11
Speaker A
হিস্ট্রি দেখলাম। তার পার্সোনালিটি দেখলাম। এবার আমি দেখলাম সে সুন্দর মত আমার রিকোয়ারমেন্টগুলো ফিলাপ করছে। আমি তাকে এবার ডাকলাম। এর পরবর্তীতে এবার আমি কোশ্চেন করলাম ইন্টারভিউতে। কোশ্চেনটা হচ্ছে তুমি কেন হচ্ছে জব করতে চাচ্ছ? এটা খুব জোরলি। এখন যেমন আমার দেখেন আমি লাইফে
13:27
Speaker A
কেন এত পরিশ্রম করতে চাই? আমার কথা হচ্ছে আমার লাইফের টার্গেট। আমি হালাল লাক্সজারিয়াস লাইফে লিড করবো। আমি কেন আমাকে পুলিশ ইউনিভার্সিটির বলে তুমি টিচার হও না কেন এটা হও না কেন আমি 4 হাজার টাকা বেতনে তো ফিক্সড আমি তো হারাম তো আর
13:39
Speaker A
কামাবো না তা আমাকে তো একটা বড় আমার লাইফের স্বপ্ন ভাই গোল বড় হতে হবে তাহলে আমি এজন্য বিজনেসে চলে আসছি আমাকে যেকোন এখন তা আলহামদুলিল্লাহ আমি প্রথম দুই বছর হচ্ছে আপনার ইন্টেলিজেন্স বা পুলিশ এদেরকে আমি ফ্রি কাজ করছি অনেক আমি আমার
13:53
Speaker A
কোয়ালিটি শো করছি এখন আমি সিক্স ডিজিজের নিচে কোন ট্রেনিং এ দিচ্ছি না আমি সাইকোলজিতে ছয় বছর প্র্যাকটিস করছি করোনার সময় মাস্টারসে থাকা বছর দুই বছর আমি শুধু ফ্রি কাউন্সেলিং করিয়ে গেছি আমার নিজে এক্সপোজার হইছে অনেক গেইন করছে এরপর
14:06
Speaker A
আমি কিছু থেরাপি শিখে ট্রেনিং দিয়ে দিছি তাহলে হচ্ছে কি আমি নিজেকে এবিলিটি তৈরি করছি এর পরবর্তী ভ্যালু হইছে দেন চলে আসছে এখন আমাদের যে কোশ্চেনটা ছিল আমি তাকে তাকে ইন্টারভিউতে হচ্ছে যে দেখলাম কোশ্চেনটা করব তোমায় কেন চাকরিটা দরকার
14:20
Speaker A
কেন দরকার তার কেন দরকার চাকরিটা সে যদি বলে আমার ঘর চলতেছে না আমায় খুব জোর ইমারজেন্সি এরকম ছেকে আমি নিব না আমি যদি বলে আমার এরকম টার্গেট আমার ভিশন হচ্ছে আমার দরকার হল সে পাঁচ পর বিজনেস কর আমি এখানে শিখতে চাচ্ছি
14:32
Speaker A
বা আমি এফোর্ট দিতে চাচ্ছি সে অনেস্ট হোক আপনাকে তো অনেস্ট ছেলে নিতে হবে পৃথিবীতে এখন জেনজিদের আপনি এখন তো যাদের নিবেন মেজরিটি জেনজি জেনজিরা কোন লং টার্ম ধরেও থাকবে না এবং হচ্ছে পাঁচ 10 বছর ধরে লয়াল হবে আগের এমপ্লয়দের মতন এটা আপনি ভুলে যান
14:45
Speaker A
কারণ এদের স্টেবিলিটিটা খুব কম এবং এরা চুজিংটা বেশি করে অতএব সে দুই তিন বছরের প্ল্যান দেখাক যে আমার এই স্কিল আছে আপনাদের এখানে এটা বেটার আমি এখানে এই জায়গায় শিখবো এই জায়গায় ইনফোর্ট দিব এর পরবর্তীতে আপনি জিজ্ঞাসা করেন তুমি একটা
14:58
Speaker A
বলতো কোন প্রবলেমটা সলভ করতে পারছো এরকম আমাকে এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করো। তাহলে এবার সে নিশ্চয় তার জব যদি আগে এক্সপেরিয়েন্স থাকে বাদ হলাম সে ইউনিভার্সিটির এইচআর ছিল। সরি ইউনিভার্সিটির হচ্ছে সিআর ছিল। সিআর থাকা অবস্থায় অনেক মারামারি হইছে। কিভাবে ডিল
15:12
Speaker A
করছে [নাক ডাকা] ওটাও তো একটা এক্সপেরিয়েন্স। তুমি সর্বোচ্চ কত লোড নিতে পারছো? একটা আমি তো এখানে কাজে আসলে সে সবসময় পা কেজি পা কেজি ওজন নিয়েছে। কিন্তু আমার তো একটা নরমাল এবিলিটি হচ্ছে 10 কেজি। মাঝে মধ্যে 15 কেজির একটা ওজন পড়ে আসবে। কাজের
15:26
Speaker A
লোড পড়ে আসবে। তার এই পরিমাণ লোড নেয়ার এবিলিটির কি? আমাকে সেটাও দেখতে হবে। আমাকে ওই জায়গাটাও তো একটু টেস্ট করতে হবে। তুমি সর্বোচ্চ কত লোড নিতে পারবা, কত কাজ করতে পারবা? আমার সারাক্ষণ তোমাকে আমি সর্বোচ্চ কাজ করাবো না। মাঝে মধ্যে তো হয়ে
15:38
Speaker A
যাবে। সপ্তাহে একদিন দুইদিন তো হয়ে যাবে। তুমি কি আসলে লোড নিতে পারো? তখন কিভাবে নিজেকে হ্যান্ডেল করো? সাইকোলজিক্যাল। এবার সাইকোলজি আরেকটা বিষয় আসি। আমাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথের করোনার আগের রিসার্চ। যেখানের মধ্যে বলা হচ্ছে 18% লোকের মেন্টাল হেলথ আছে। অর্থাৎ
15:52
Speaker A
তিন মেন্টাল হেলথ সমস্যা আছে। তিন কোটি লোক। মানে এখানে আমরা ছয় জন আছি। ছয়জনের মধ্যে একজনের যেকোনো মানসিক সমস্যা থাকার সম্ভাবনা আছে। তাহলে আমি হচ্ছে 20 জন লোককে ডাকলাম। এখানে রিসার্চ অনুযায়ী তো দুইজনের যেকোনো সাইকোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার থাকার সম্ভাবনা আছে। আমি সাইকোলজিক্যাল
16:05
Speaker A
ডিসঅর্ডার থাকে কোন প্রবলেম মনে করছি না। বাট আমি এজ এ বিজনেসম্যান এখানে আমার ইমোশন কম কাজ করবে। আমাকে সবসময় লাভ আউটপুট চিন্তা করতে হবে। এখন যার সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম থাকবে নিজেকে ঠিক করে নাই। কাউন্সেলিং করে নাই তাকে দিয়ে আমি লং টাইম তো বেশি আউটপুট পাবো না। কারণ
16:19
Speaker A
সে একদিন দুইদিন পরে বা এক মাস পরে দুই মাস পরে পারফরমেন্স লো হয়ে যাবে। আপনি দেখবেন যারা সাইকোলজিক্যাল ইমোশন ম্যানেজমেন্ট করতে পারে না খুব রিএক্টিভ মুড সুইং এরা তাড়াতাড়ি জব সুইচ করে সে যতই ভালো পারফর্ম করে না কেন তাহলে আপনাকে
16:31
Speaker A
তো আগে দেখতে হবে সে সাইকোলজিক্যাল ভাবে ফিট কিনা এর মধ্যে আরেকটা এগুলো আরেকটা বিষয় হলো পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারটা হলো এরকম তার আচরণটা ব্যক্তিত্বটাই সমস্যা যেমন হলো নারকেসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার সে সবসময় এটেনশন চাইবে সে সবসময় নিজেকে ডমিনেন্ট রাখবে আমাদের একটা
16:48
Speaker A
পলিটিশিয়ানের দিকে রাখেন এরকম কিছু আছে তার কোন ভুল সে নিজে দেখে না নিজেকে কে সবসময় ডমিনেন্ট মনে করে নিজেই একটা সুপ্রিম পাওয়ারের অধিকারী তার কোন ভুল নাই তাকে এটেনশন করতে হবে হুজুর হুজুর করতে হবে তা কেউ তার সামনে তার ভুল বলতে
17:00
Speaker A
পারে না রিয়েক্ট করে ফেলে তাহলে আপনি এখন এই জাতীয় লোকদেরকে ধরলাম হ্যাঁ উনি বস বস হিসেবে উনার উপরে কেউ নাই ঠিক আছে কিন্তু তাকে যদি আপনি ম্যানেজার বানান কেউ সমালোচনা করলে তো সে নিতে পারবে না আবার আপনি যদি হচ্ছে
17:13
Speaker A
ডিপেন্ডেন্ট পার্সোনালিটি নিয়ে আসেন অথবা বর্ডার লাইন পার্সোনালিটি ডিজ যারা মন মত কোন কিছু না হলে হাত পা কাটবে অথবা ওয়ালের সাথে বাড়ি দিবে এখন আপনি যেকোনো সময় কারণ উদ্যোক্তারা অনেক ক্ষেত্রে এত ওভারলোডেড থাকে রিএক্ট মানে এগ্রেসিভ হয়ে যায় এটা স্বাভাবিক এখন আপনি ধুম করে একটা
17:31
Speaker A
বলে ফেলছেন এখন সে এটাকে এত কষ্ট পায় সাথে সাথে রিজাইন করে ফেলছে সাথে সাথে ওয়ালের সাথে বাড়ি দিছে সাথে সাথে এখন তো ফেসবুকে লাইভ এমন অবস্থা বাংলাদেশের যে এসে লাইভে একটা বদনাম দিয়ে দিল কারণ আমাদের দেশে ফরেনসিক সাইন্স বা প্রমাণের
17:44
Speaker A
ভিত্তিতে যেন কথা বলে এটা না আপনার সাথে আমার একটা ছবি দিছে আপনি যেকোন একটা ক্রাইম করছে আমাকে আপনার দালাল বলায় দিছে হতে পারে আপনার সাথে আজকের পর আমার জীবনে কথাই হবে না আপনার মোরাল ভ্যালু কোন কিছু নাই। অতএব আমাদের দেশে পলিটিশিয়ান বলেন,
17:55
Speaker A
ফ্যামিলি বলেন, সব জায়গায় প্র্যাকটিস আছে প্রমাণ ছাড়া কথা বলা। এখন আপনার প্রতিষ্ঠান তো ধ্বংস হয়ে যাবে। আপনি এতদিন যেন আপনারা ইমেজ টিমের কথা বলেন এগুলো ফল করতে কি টাইম লাগবে? যদি আপনি এই জাতীয় প্রবলেমগুলো আইডেন্টিফাই না করেন। এবার আসেন তাহলে আমি সাইকোলজিক্যাল হেলথ
18:08
Speaker A
মেন্টালি হেলথ কিরকম আছে। আর যদি প্রবলেম থাকে তাহলে এটাকে আমি কিভাবে ডিল করতে পারছি সেটা হচ্ছে সেটা আমি দেখতে হবে। সেটা আরো পরে আসতেছি। এইচরের কাজ তো ডিল করা না। এইচরের বেস্ট লোক চুজ করা। আমি পরে আস ওটা কি হচ্ছে। তাহলে আমি এখন বেস্ট
18:20
Speaker A
পার্সেন্টটা হচ্ছে নিলাম এবার তার কোয়ালিটি কি কি সে কোন কারণে এক্সপার্ট সেটা দিলাম এখন তাকে আমি বলব এক দুই মাস আমি তোমার কাজের অবজার্ভ করবো দরকার হলে 500 বেতন বা 300 বেতন আমি 25000 দিব তুমি আমি দুই মাস পরে হচ্ছে তোমাকে আমি ফিক্সড
18:33
Speaker A
করব এই দুই মাসের মধ্যে আপনি কাজের দেন সেই লোকদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করে এখন আপনি যদি তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ তার আউটপুট কারণ সে যতই ফেক করবে যতই আপনার প্রশংসা করবে আপনি বুঝতে পারবেন যদি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হিউম্যান সম্পর্কে বুঝতে
18:45
Speaker A
পারেন কারণ আপনার এখন এই টিম লিডারও সে কি সে কাজের প্রতি ফোকাস সে কি ডেডিকেটেড নাকি শুধু আমাকে দেখাতে চাচ্ছে এই জায়গাটা আপনাকে হচ্ছে দেন দেখতে হবে অর্থাৎ আপনার পজিশন অনুযায়ী ঠিক কিনা এবার আরেকটা বিষয় আসি আমরা তো
18:58
Speaker A
পার্সোনালিটি কথা বললাম আবার আরেকটা আছে এক্সট্রোভার্ট ইন্টার্ট দুই মাথায় কেউ আছে হচ্ছে যে আপনার এমবিবার্ট বলা হয় অর্থাৎ তারা নিজেদেরকে বলে কখনো এক্সট্রোভার্ট কখনো ইন্ট্রোভার্ট হ্যা এটা আছে কিন্তু প্রবলেম হলো কি অনেকের মানসিক সমস্যা থাকলে যে কোমা কিছু থাকলে সে
19:12
Speaker A
এক্সট্রোভার্ট থেকে ইন্টোভার্ট হয়ে যায় ইন্টোভার্ট থেকে এক্সট্রোভার্ট হয়ে যায় এটা আবার প্রবলেম এক্সট্রোভার্ট থেকে হঠাৎ করে ইন্টভার্ট হয়ে গেছেন ইট থেকে হঠাৎ করে এক্সট্রোভার্ট হয়ে গেছেন মানে যেকোনো সাইকোলজিক্যাল কোন ব্যাকগ্রাউন্ড রিজন থাকতে পারে কিন্তু যে আসলে রিয়াল এমবিবার
19:25
Speaker A
সাইকোলজিক্যাল কোন বিগ রিজন নাই তার ক্ষেত্রে হচ্ছে কি আপনি যে কোোন জায়গায় চুজ করতে পারবেন তাকে কমিউনিকেশন স্কিল শিখাতে পারবেন তার জন্য জব ঠিক এখন যে পারফেকশনিস্ট আমি বললাম না আমার প্রতিষ্ঠানে পারফেকশনিস্ট একজন নিলাম কারণ আমার ক্রাইটেরিয়ার সাথে যায় এখন আমি
19:38
Speaker A
হচ্ছে আমার এমন একটা প্রতিষ্ঠান যেখানে মধ্যে ধরলাম হসপিটালে হসপিটালের মধ্যে লোকরা এসে ইমারজেন্স এসে তাড়াতাড়ি এসে গালিগালাজ করবে কারণ বাংলাদেশের লোকটা খুব আবেগী আমি তো বলি আমরা বাঙালিরা হচ্ছে একটা ইমোশনাল বোম যে কোন সময় ফুটে যায় বলা যায় না। অর্থাৎ এই ভূমিকম্প হলো না
19:54
Speaker A
আমাদের অর্থাৎ ভূমিকম্প কেন হইছে? ধুম করে কখন কি হয়েছে বলা যায় না। এখন আমরা এরকম যখন আমার মোরাল ভ্যালু ইমোশন হঠাৎ করে ফেটে যাবে এরপরে আমি কতটুক কি করে ফেলবো আমি নিজেও জানি না। এই জায়গাটা হচ্ছে বিজনেসের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি না। বাট ইন
20:07
Speaker A
ফিউচারে আমার কাছে মনে হচ্ছে যেটা সংসার লাইফে দেখতেছি যে না একটা হাজব্যান্ড ওয়াইফকে মেরে ফেলতেছে বা অনেক ক্ষতি করে ফেলতেছে। যেটা বিজনেসের ক্ষেত্রে আমি মনে হয় শুরু হবে। কারণ আমাদের ইমোশনটা ম্যানেজমেন্টটা শিখানো হয় নাই। কারণ ধুম করে ফাটলে আপনার প্রতিষ্ঠান আপনাকে নিয়ে
20:23
Speaker A
সে নামবে বলার বাইরে। আরেকটা হলো ইগো প্রবলেম। আপনি সেই ক্রিটিসিজম নিতে পারে কিনা আপনি দেখবেন। কারণ এখনকার সময় সবার ইগোটা এই পরিমাণ প্রবলেমেটিক। সে কি করে?
20:32
Speaker A
তাকে কিছু বললে তাকে ফিডব্যাক দিলে যে তোমার এই জায়গায় চেঞ্জিং দরকার সে নিতে পারে না। তার ইগো লেগে যায়। যার টং টং করা ইগো। আমি তাকে দেখেই কাজ করাবো। সে যতই ভালো হোক তাকে কারণ এজ এ উদ্যোক্তা হিসেবে আমাকে তো সবসময় টিমের এদেরকে এই
20:46
Speaker A
জায়গায় একটু চেঞ্জ করো এই জায়গায় ভালো করো এবার উদ্যোক্তাদের আপনাদের শিখতে হবে এখনকার লোকদেরকে আপনি সম্মান দিতে হবে জেনজি আপনি অন্যকে সম্মান করতে পারুক না পারুক কিন্তু নিজে সবসময় সম্মান আশা করে সে সম্মানের জায়গায় ওয়ান পার্সন হচ্ছে কখনো ছাড় দিবে না সে দিতে পারুক না পারুক
21:04
Speaker A
সরকার পর্যন্ত পড়ে গেছে একমাত্র সম্মান দিতে পারে না দেখি তাদের সাইকোলজি পর্যন্ত বুঝতে পারে না আপনার বিজনেস তালি এত ব্যাকাপ থাকার পরেও তাহলে আপনাকে হচ্ছে শিখতে হবে তাকে কিভাবে সম্মান দিয়ে ইম্প্যাথি দিয়ে বুঝাতে হবে। এখন যে ছেলে নেওয়ারে মেন্টালিটি নাই কিছু বললেই হচ্ছে
21:20
Speaker A
রেগে যায় আপনি তাকে কি বলবেন? তাহলে আপনাকে তো এইচার নেয়ার সময় এগুলো এসেস করতে হবে পার্সোনালিটি। এখন এভাবে বাংলাদেশে তো আমাদের না সাইকোলজিতে পড়ায় না। আমরা প্র্যাকটিস করি। এখন না করলে হবেটা কি? পৃথিবী এত চেঞ্জিং হচ্ছে আপনার আমরা কুল কিনার
21:34
Speaker A
পাচ্ছি না। আগে আমরা পাঁচ বছর 10 বছর পরে কি হতো কল্পনা করতে পারতাম। এখন আগামী দেড় বছর দুই বছর এক বছর পর কি হবে আমরা প্রেডিক্ট করতে পারতেছি না। যেমন এসইও আমরা আগে শিখতাম। এখন এসইও দিয়ে কোন কাজ
21:44
Speaker A
আছে? কি সুন্দর আপনার ইয়ে আমাদের কাজগুলো করে দিচ্ছে। এই জায়গায় তাহলে আমি হচ্ছে এমন একটা লোক নিলাম যে হচ্ছে আমাকে বলল আমি কিভাবে হচ্ছে যে চেঞ্জিং হচ্ছে কিনা?
21:54
Speaker A
আমি তার ফিডব্যাক নিতে পারছে কিনা? তার কিউরিসিটিটা কেমন? নতুন বিষয়কে জানার এবিলিটিটা কেমন বা জানতে চায় কিনা। জানার পরে হচ্ছে সে আবার এটা এপ্লাই করতে পারে কিনা? এবার আরেকটা বিষয় আছে। অনেকে বলে আমি অনেক কিছু শিখি, অনেক কিছু পারি। আসলে
22:07
Speaker A
সে শিখে কিন্তু শেখার পরে সে এপ্লাই করতে পারে না। আমার তো এই ছিল আবার দরকার নাই। সেও আপনার পাঁচ দশটা ট্রেনিং দিবে। সার্টিফিকেটও আছে কিন্তু সে এপ্লাই করতে পারতেছে না। থিওরিটিক্যাল। এখন আমাদের এই যে আমাদের এখনকার সময় হচ্ছে আপনি যদি বলি
22:21
Speaker A
আমরা যাদের সিজিপিও ফোর। আমি মনে করি বাংলাদেশে এরা তো ওয়ান কাইন্ড অফ অযোগ্য একটা বড় ছেলেমেয়ে হবে। কারণ হলো এরা মুখস্ত করে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে মুখস্ত নির্ভর। এখন এই আয় আসার কারণে হচ্ছে কি আরো সহজ হয়ে গেছে সবকিছু
22:35
Speaker A
মুখস্ত করা। কিন্তু এরা আসলে এই নলেজটাকে এপ্লাইডে লাগাতে পারছে কিনা বিজনেস কি আপনি কি থিওরিটিক্যাল বিষয় না এপ্লাইড বিষয় করে শিখতে হয় করে শিখতে হয় আপনাকে এপ্লাই এখন করে শিখতে এই জায়গাতে আমার প্রবলেম আছে করে শিখতে হয় না অন্যজন কোন জায়গায় ভুল
22:48
Speaker A
করছে আমি তার ভুল দেখে শিখে ফেলব তাহলে এটা আমার মোর সেভ এখন আগে বিজনেস করে করে বলতে শিখতে হয় এখন তো আমি বলব বিজনেস করে করে শিখে না অন্যের ভুলগুলো দেখে নিজে সংশোধন হয়ে যান কারণ আপনি চান না চান
22:59
Speaker A
অনেক ভুল হয়ে যাবে এখন এই পরিমাণ ফাস্ট ওয়ার্ল্ড এখন আপনি যদি আমি দেখি দেখতে দেখতে শিখে তাহলে তো হবে না ভাই আপনার অন্যের ভুলগুলো দেখে শিখতে হবে এবং হচ্ছে নিজের যত ভুল হয় তাড়াতাড়ি ওটাকে কত এনালাইসিস করতে পারেন আমার আমি নিজেকে
23:12
Speaker A
সবসময় বলি আমি যে কোন ভুল করতে নিজেকে এক্সেপ্ট করিনি কিন্তু এই ভুলটার দ্বিতীয় বাদ যদি হয় আমি নিজেকে শেষ করে ফেলব ভাই একটা কোশ্চেন ছিল সেটা হল যে আমার মনে হয় যিনি দেখতেছেন তার মাথার মধ্যেটা থাকবে ফেক মানুষ কেমনে ডিটেক্ট করেন
23:28
Speaker A
এখন ফেক আপনি কোন এঙ্গেলে বলতেছেন তার উপর নির্ভর করবে একটা হল সে মূল্যবোধ ফেক দেখাচ্ছে যেমন আমরা যারা সোশাল মিডিয়াতে কথা বলতেছি যারা আমি বলব এই আমি যতটুক ক্রিমিনাল বলেন সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করার আমি খুব ব্যাড সিচুয়েশন দেখেছি যেমন
23:43
Speaker A
আমরা সপচ্যাটে যেরকম ছবি তুললে হচ্ছে ফিল্টার দিয়ে তুলি রিয়াল চেহারা কে কার শরীরে কোন কালার কয়টা পিম্পল উঠছে বোঝা যায় না ঠিক এরকম সোশ্যাল মিডিয়া দেখে কখনো কথা শুনে বুঝতে পারবেন না সে পার্সোনাল লাইফে কেমন। তাহলে হচ্ছে আমার
23:56
Speaker A
প্রফেশনাল লাইফ পার্সোনাল লাইফ হচ্ছে ডিফারেন্ট সেটাকে আপনাকে বুঝতে হবে এবং আমি যেন এই মাইকের সামনে যত মূল্যবোধে কথা বলছি পার্সোনাল লাইফে পালন করছে কিনা সেটা আপনাকে অনেকভাবে মেজার করতে হবে এবার আপনার মূলত কোশ্চেন ছিল সে সত্য নাকি মিথ্যা বলতেছে এটা কিভাবে বুঝবো যেমন
24:10
Speaker A
আপনার সত্য মিথ্যা আমরা একটু প্র্যাকটিসে করি আমি তারপরে হচ্ছে যে বলি আপনার হচ্ছে আমি আপনাদের দুইজনকে হচ্ছে যে বলি আপনি আপনার লাইফের এরকম একটা মানে ঘটনা বলেন ধলাম কক্সবাজার অথবা কোথাও যাওয়ারঘ ঘটনা যেখানের মধ্যে আপনার খুব ভালো লাগছে এবং
24:27
Speaker A
কয়টা বাজে গিয়েছিলেন কে গিয়েছিলেন কয়টা বাজে কি খেয়েছি আপনি ডিটেইলস হচ্ছে এক মিনিট সত্য বলেন এরপর আমরা মিথ্যা আসতেছি এবং ক্যামেরা আমি বলব হচ্ছে উনার চোখের দিকে একটু খেয়ালও রাখবেন এর পরবর্তী আপনাকে সত্য বলতে বলছে মিথ্যা না এরপর
24:41
Speaker A
আমরা পরে বলব অন্য আরেক টপিক্সে মিথ্যা বলতে আমি দেখা দিচ্ছি যে লাইভ উদাহরণ সত্যটাই বলব এখন সত্য বলেন নরমালি বলেন হ্যাঁ নো প্রবলেম নো প্রবলেম সো কক্সবাজারের কথা মানে টরের কথা একদম খুব ডিটেলস একদম আপনার কে গেছে ফ্রেন্ড গেছিল
24:57
Speaker A
বন্ধু কয়টা বাজে কি খেয়েছিলেন কেমন লেগেছিল ডিটেলসে এক দুই মিনিট বলেন নো প্রবলেম| সো তাহলে আমি রিসেন্ট যেহেতু ঘুরাঘুরি রিসেন্ট রিসেন্ট ঘটনাই বলতেছি সেটা হচ্ছে লাস্ট ফ্রাইডে না আপনি রিসেন্ট আপনার হচ্ছে একটু এক বছর আগের ও একটু আগের আচ্ছা তাহলে কক্সবাজারে যাইতে
25:13
Speaker A
হবে আমার কিছু করার নাই ওকে সো কক্সবাজার আমাদের ফুল [নাক ডাকা] ফ্যামিলি বলতে আমার বাবা মা আমার বড় ভাই আমি আমার ছোট ভাইটা টাকে আমরা হচ্ছে ও নেভল একাডেমীতে ওকে দিয়ে আমরা হচ্ছে কক্সেস বাজারের দিকে চলে আসি। তার মানে পতেঙ্গা থেকে আমরা কক্সেবাস
25:29
Speaker A
বাজারের দিকে আমি খুব ডিটেইলস সহকারে জানতে চাচ্ছি। ওকে সো পতেঙ্গায় ওকে আমরা হচ্ছে সকালবেলা যখন ছেড়ে দেই এখন একটু কষ্ট হবে তবে আমি রিমেম্বার করার চেষ্টা করতেছি [সশব্দ হাসি] ভাইয়া। আমি ওটাই চাচ্ছি আপনার কষ্ট হোক এটাই তো আমাকে বলে দিবে হচ্ছে বিষয়গুলো।
25:43
Speaker A
আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা। সো ওকে আমরা হচ্ছে সকাল বেলা নেভল একাডেমিতে ছেড়ে দিয়ে আসি। এবার আমি আপনার আর বলার দরকার নেই। একটু খেয়াল করে দেখেন এখানে বেসলাইন উনি যখন ওকে আমরা সকালবেলা নেভেল একাডেমিতে হচ্ছে যে নিয়ে আসছি উনার হাত হচ্ছে ওই পাশেরটা
25:56
Speaker A
বাম এপাশেরটা ডান উনার চোখগুলো যখন উনি উত্তরটা থিংকিং করতেছিল চোখগুলো হচ্ছে বাম দিকে উপরের দিকে মানে বাম দিকের দিকে সরে গেছে অতএব এটা হচ্ছে উনার নরমাল বিহেভিয়ার আমি থিওরিটা পরে হচ্ছে ব্যাখ্যা করতেছি ঠিক আছে এখন যখন আপনি মানে কোন কিছু রিকল রিকল মানে চিন্তা
26:12
Speaker A
করতেছেন চিন্তা করার সময় এটা আপনার চোখের পজিশনটা কোন দিকে ডানের দিকে যাচ্ছে নাকি বামের দিকে যাচ্ছে তাইলে আপনার বেসলাইন হচ্ছে যখন সত্য বলতেছেন তাহলে আপনার এটা ম্যান টু ম্যান ভারি করতে পারে কিন্তু এটলিস্ট বেসলাইনটা আপনি জাজ করতে কারণ বডি
26:24
Speaker A
ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিস করতে হলে আপনাকে বেসলাইন হচ্ছে জানতে হবে আমরা কি এরকম হইতে পারে যে আমার বেসলাইন ভারি করে নাকি না এটা বেসলাইন দেখেন এগুলোতে এফবিআই কাজ করে ওখানে হচ্ছে কি সবার ভিডিও আপনি বাজারে কি বলছেন না বলছেন এরকম অনেক ভিডিও আছে তখন
26:38
Speaker A
কারণ আপনি ক্রাইম করছেন ইনভেস্টিগেশন করতে আছেন আগের ভিডিওগুলো দেখে এরপরে এখানে ভিডিওর সাথে কম্পারিজন করা এগুলো এডভান্স লেভেলের কাজ এবার আমরা আসি যেখানে আপনার গল্প নিয়ে আমার কোন স্যার নাও ইন্টারেস্ট [সশব্দ হাসি] নাই এবার এবার আপনি হচ্ছে যেকোন একটা জায়গায় টরের ঘটনা দরকার
26:51
Speaker A
কক্সবাজার সামথিং প্লেস টাইম ডিটেলস সব মিথ্যা বলেন ও মাই গড আচ্ছা নো প্রবলেম সো আমরা হচ্ছে চার বন্ধু মিলে ভার্সিটি শেষে আমরা হচ্ছে কক্সবাজার দিকেই রওনা হয়েছিলাম কিন্তু মানে বাসায় আব্বু আম্মুকে জানানোর মত সাহস তখন ছিল না কারণ হচ্ছে বলবে যে
27:11
Speaker A
ভার্সিটির টাকা দিতেই তোমাদের আমার এত প্রবলেম হয়ে যায় তো ওই মুহূর্তে টাকা কেমনে ম্যানেজ করব দিস ওয়াজ এ চ্যালেঞ্জ আমরা আমাদের সেমিস্টার ফি এর টাকা দিবো বলছিলাম কিন্তু ফ্রেন্ডরা মিলে চিন্তা করলাম ও দিস ইজ বিকামিং টপ বানাইতে বানাইতে
27:26
Speaker A
আপনি কত টাকা কিভাবে হচ্ছে কোন ব্যাংকে ছিলাম আমি এরকম আরো ডিটেলস জানতে চাচ্ছি ওকে ওকে তখন ওয়ান ব্যাংকে হচ্ছে আমাদের টাকা জমা দিত ভার্সিটিতে সো অন এ রেগুলার ডে কি হয় মনে করেন সেমিস্টার ফ্রি সব ফ্রি মিলে সেমিস্টার ফির টাকা আমরা নিয়ে
27:38
Speaker A
আসছি ঠিক আছে কিন্তু ওয়ান ব্যাংকের রিসিট আমরা নিছিলাম কিন্তু হচ্ছে টাকাটা জমা দেই নাই এখন বাপ মার কাছে যখন আমি বলব যে হ্যাঁ আমি হচ্ছে সেমিস্টার ফ্রি সেমিস্টার আপনি ব্যাখ্যা শুনতে চাচ্ছেন আমি শুধু জানতে চাচ্ছি কোন টাইমে কি করছেন সব
27:52
Speaker A
ডিটেলসে ওকে সো ওকে ধরে নিলাম আচ্ছা ধরে নাও এনিওয়ে 2013 সালে 2013 সালের অক্টোবর মাসে আমার ফল এক্সাম থাকবে আর কি ফল এক্সাম ছিল সো ওই সময় এক্সামের আগে আমাদের টাকা জমা দিতে হবে সো সকালবেলা [নাক ডাকা] হচ্ছে ভাই
28:08
Speaker A
রিসিট নিছি রিসিট নিয়ে এবার দেখেন উনি হচ্ছে কথা বলার সময় হচ্ছে দেখেন এবার হচ্ছে ওনার হাতের বাম দিকে যেটা আছে বাম দিকে তো চোখ জানাই মিডল বরাবর বা হালকা আর ডানদিকে হচ্ছে ছিল। এরপর উনি কথার ফ্লো রাখতে পারে না। যেমন
28:21
Speaker A
এই কানটা হচ্ছে যে টাচ করছে। এর পরবর্তীতে যখন মানুষ মিথ্যা বলে নাকও টাচ করে। ক্যাটাকলামাইন হরমোন তখন সিক্রেশন হয়। ক্যাটাকলাম। এখন কার সদ্দির কারণে নাক টাচ করতেছে নাকে কি করতেছে আপনাকে সেটা। আবার আপনি যখন প্রথমটা হচ্ছে থিংকিং করতেছিলেন
28:35
Speaker A
আপনি কোথায় গিয়েছিলেন? সত্যটার সময়। তখন আপনার চোখটা খুব বারবার নাড়তেছে। এটাতে আমার কগনিটিভ লোডিং বলতেছে। অর্থাৎ আপনি ইনফরমেশন প্রসেস করতেছেন। আপনার ক্ষেত্রে এটা আবার অনেকে মিথ্যা বলার সময় তো আবার চোখ নাড়ে। এখন এটা বেসলাইন বুঝতে হবে। আপনার বানায় বানায় অনেক চিন্তা করতেছে
28:49
Speaker A
কিনা না আপনার ও সময় আপনি আপনার ব্রেনের ইনফরমেশন সার্চ করতেছেন এজন্য কগনিটিভ লোড হরতেছে কিন্তু আবার অনেকে মিথ্যা বলার সময় হয় এটা ম্যান টু ম্যান ভারি করে এগুলো আসলে এত ইজি না এজন্য যে সবাই শিখে ফেলবে এমনটা সেম হবে না কিন্তু আমার
29:03
Speaker A
এক্সপেরিয়েন্সটাই আপনি বারবার জাজ করে দেখতে আমি কিন্তু আগের সাথে করছি এর পরবর্তীতে আপনি কথা বলার সময় হচ্ছে চোখের পজিশন তো আমি বললাম এটার আমি থিওরিটা আগে চোখেরটা বলিনি যখন জেনারেল এটা 100% না অনেকের ক্ষেত্রে হয়টা কি কেউ যখন হচ্ছে সত্য কথা
29:16
Speaker A
বলে অতীত রিমেম করে তখন হচ্ছে তার বামের উপরের দিকে হচ্ছে যে চোখ থাকে। যেমন আমি চিন্তা করলাম হচ্ছে আমি কক্সবাজার ওখানে গিয়েছি ওখানের মধ্যে আমার এই ফ্রেন্ড ওই দেখে সে হাই কত নাচানাচি করছে। অর্থাৎ আমার উপরে আর আমি যদি পিংক হাতে ওর উপরে
29:31
Speaker A
আমি উঠছি অর্থাৎ তখন ডানে উপরের দিকে চলে যাবে। আমি যখন নিউভাবে ক্রিয়েট করতে চাচ্ছি। এটা 100% না। এগুলো আসলে সাইকোলজিক্যাল যেটা আমি আসলে আমার পিএইচডিতে একটা পাবলিকেশন আসবে 2027 ইনশাল্লাহ। এই থিওরি 100% একুরেট না। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে 50 60% এর সাথে একুরেট
29:46
Speaker A
হবে। অতএব এটা আমি আই মুভমেন্ট দেখেও বুঝতে পারতেছি। এবার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কিউজ যেটা বললাম, আপনার এই যে কথা বলার টোনের মধ্যে অনেক চেঞ্জিং আসছে। আপনার হচ্ছে শোল্ডার ট্যাগটা হচ্ছে উপরের দিকে হচ্ছে যে উঠে যাবে। এরপরে আপনার হচ্ছে যে মুখে
29:59
Speaker A
টাচ করা অথবা চোখ টাচ করা কান টাচ করা এগুলো আপনার হচ্ছে যে থাকবে আসলে। যেমন আমি আপনাকে বারবার সেকেন্ড টাইম বলতেছি। আমার ব্যাখ্যার দরকার নাই। আপনি শুধু টাইম বলেন। আপনি বলতে পারতেছে আমি শুধু ব্যাখ্যা। কারণ আপনার কাছে ব্যাখ্যা
30:10
Speaker A
দেওয়াটা খুব ইজি। যখন আমি টাইম টু টাইম বলে দিব। কারণ হচ্ছে তখন আপনা নতুন করে চিন্তা করতে হবে। এজন্য উনি সাধ বারবার ব্যাখ্যাতে চলে যায়। যতনা চাচ্ছে কিন্তু ব্যাখ্যাতে চলে যাচ্ছে। এখন আরেকটা জিনিস হচ্ছে কি আমরা এটা আসলে অনেক যেমন আমি
30:24
Speaker A
আমার পিএইচডিতে 180 টা কিউজ এরকম ছোট ছোট 180 টা কিউজের স্কেল তৈরি করে আমরা দেখতেছি সত্য মিথ্যার সময় কোনটা থাকে। এখন আপনি একটা দুইটা দিয়ে হচ্ছে যে পারবেন না। আপনাকে অনেকগুলো হচ্ছে যে বডি ল্যাঙ্গুয়েজগুলো হচ্ছে যে দেখতে হবে। আর
30:37
Speaker A
আপনার ক্ষেত্রে হয়ে যাচ্ছে কি? আপনার তো আমরা যদি আরো কতক্ষণ এক 10 15 মিনিট নরমাল কথা শুনতাম। এরপর আপনাকে পার্সোনাল বা রিলেটেড কথা জানতাম। তারপর আপনাকে ক্রাইম রিলেটেড বা জিজ্ঞাসা করতাম। আপনি সত্য বলে দিতেন বা আমরা বুঝতে পারতাম। এজন্য আমরা
30:51
Speaker A
ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনে প্রথমে জিজ্ঞাসা করি নাই তুই মারছস কিনা? কি অবস্থা? ভালো আছো তোমার হচ্ছে ফ্যামিলি কি অবস্থা?
30:57
Speaker A
বাচ্চা এতটুকু পড়ে। তাকে কি পড়াবা? মানে আমি তার সাথে রে‍্যাপ বিল্ডআপ করতেছি। রে‍্যাপো বিল্ডআপের উদ্দেশ্য কি? আমি তার নরমাল বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বিহেভিয়ার জানতেছি। আরেকটা হলো যারা মিথ্যা বলে তারা হচ্ছে কি? ওভার স্মার্ট হয় অথবা হচ্ছে খুব রিজিড অথবা থাকে যেন ওপেন হয়ে কথা বলতে চায় না
31:11
Speaker A
আপনাদের সাথে বিগ প্রবলেম হয়েছে কি আমি খুব দ্রুত মিশে গেছি তো আপনাদের সাথে আমার মনে হয় না আপনারা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অন্য কোন পডকাস্টে এত নাড়াচাড়া করছেন আমার সাথে আজকে যত আপনারা নাড়াচাড়া করতেছেন কমফর্ট ফিল করতেছেন ইউর গিভিং আস ফ্লেক্সিবিলিটি সেটা আর এখন
31:25
Speaker A
হচ্ছে ক্রিমিনাল হয় একদম খুব শক্ত করে হচ্ছে যে বসে থাকে অথবা খুব অভার ফ্রেন্ডলি দেখা অভার এক্সপ্লেন করে আর এই জায়গাগুলো আমরা ডিফারেন্টগুলো দেখে হচ্ছে সত্য মিথ্যাটা হচ্ছে বের করি এটা শিখতে হবে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিস ভাইয়া আমি একটা জিনিস আপনার কাছে একটু জানতে চাই যে
31:40
Speaker A
আমার একটা সমস্যা হচ্ছে আমি যেকোনো জায়গায় গেলে মানে অপরিচিত মানুষ বা কোন একটা ইভেন্টে গেলে আমি আগ বাড়ায় কথা বলতে পারি না স্ট্রেঞ্জারসদের সাথে আমি কানেক্ট করতে আমার জন্য একটু প্যারা হয়তো যে কোন স্ট্রেঞ্জারস বা যেকোন রুমে রাইট আমি যদি
31:56
Speaker A
গিয়ে আই ওয়ান্ট পারসন টু কানেক্ট উইথ মি এন্ড লাইক মি এই জিনিসটা কিভাবে করতে পারিস্ট আমি এটাকে প্রথমে আমি বলব এটাকে আপনি সাইকোলজি খেলতে হবে। সাইকোলজিটা হচ্ছে এরকম। আপনি যখন চিন্তা করেন আপনি তো ইন্ট্রোভার্ট হওয়ার কারণে আপনার পার্সোনালিটিটা আমি খুব কারণ সাইকোলজিস্ট।
32:12
Speaker A
আমি ট্রেডসগুলোতে সব মুখস্ত। আমার জানা আছে। আপনি হচ্ছে চিন্তা করেন ও আমাকে এক্সেপ্ট করবে নাকি করবে না। আপনি জাজমেন্টাল হয়ে যান। অতএব আপনাকে এত জাজমেন্টাল হলে ওভার থিংকার হলে হবে না। আপনি ওভার থিংকিং করে আপনি হচ্ছে নিজেকে এভাবে রাখবেন। ওকে আমি চেষ্টা করি সে
32:26
Speaker A
আমাকে কখনো খারাপ কথা এক্সেপ্ট করতে পারে। রিজেক্টও করতে পারে। আপনি তো হাই কেমন আছেন ভালো আছেন কিনা। সেই বিষয়টা আপনি নিজেকে আগে নিউট্রাল রাখবেন যে নিজেকে সবসময় এরকম জাজ করবেন হ্যাঁ আপনি এনালাইসিস করেন যেমন আমরা পডকাস্ট করার পরে আমার কি বলেছে আমি এনালাইসিস করবো
32:39
Speaker A
কিন্তু এখন বসে বসে এনালাইসিস করতেছি না ফ্লো অনুযায়ী বলে যাচ্ছি অতএব আমি সবসময় এত জাজমেন্টাল হব না জাজমেন্টাল মানে কি আমি সবসময় নিজেকে বিচার করতেছি ওটার জন্য ফিক্স টাইম ফিক্স টাইমে জাজমেন্ট করে ঠিক করে নিজেকে ওই জায়গার জন্য ওখানে ক্লোজ
32:52
Speaker A
করে ফেলা সারাক্ষণ আবার এটা ঠিক হইছে নাকি ঠিক হয় না ওটাও আবার চিন্তা না করা তাহলে আপনাকে নন জাজমেন্টাল ফার্স্ট এটিটিউডে হচ্ছে যেতে হবে এবার সেকেন্ড বিষয়টা হলো আপনি ওখানে হচ্ছে কোন কালচারে কোন সোসাইটিতে যাচ্ছেন সেটা ইম্পর্টেন্ট। যেমন
33:04
Speaker A
আপনি ধরলাম একটা খুব পশ বা ক্লাবের এরিয়াতে যাচ্ছেন। ওখানে আপনার ড্রেস আপগুলো তাদের কথা বলার কারণ আমরা খুব মডার্ন বা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলো যেলে ওখানে আমরা হ্যান্ডশিক করা হার্ক করা ইজ দা ভেরি জেন্ডার এখানে এত বেশি ইস্যু হয় না যদি পরিচিত হয়। ইস নরমাল থিং। আবার
33:19
Speaker A
আপনি হচ্ছে ধরলাম খুব ধার্মিক হচ্ছে কোন এরিয়ার মধ্যে হচ্ছে গেলেন তাহলে সেখানের মধ্যে হচ্ছে যে আপনে ফিমেলদের দিকে চোখে চোখ তাকায় কথা বলাটা ডিসকমফোর্ট। আপনি তাহলে কথার সুরটা তো নরম থাকবে। কনফিডেন্স থাকবে আপনার ওখানে যে টোনে হচ্ছে কথা বলা
33:33
Speaker A
সে জায়গাটা আপনি দেখবেন অর্থাৎ আমার বলার উদ্দেশ্য হলো ওদের ভ্যালুটা কেমন ওদের কালচারটা কেমন ও কালচারে কি এক্সেপটেবল কি এক্সেপটেবল না আপনাকে সেটা আগে রিড করতে হবে সেটা জানতে হবে দেন আপনাকে ওইভাবে হচ্ছে বিহেভ করতে হবে তাহলে ননজাজমেন্টাল
33:47
Speaker A
হলাম আমি তার কালচার তার এক্সেপটেন্স এনভারনমেন্ট বুঝলাম এর পরবর্তীতে যদি সম্ভব হয় এই ব্যক্তিটা কোন পার্সোনালিটি আমি বা হচ্ছে কিভাবে কথা বলে আমি তার কথাগুলো এনালাইসিস করে তার সাথে কমিউনিট করব আর আরেকটা জিনিস যতটুক আমি বুঝি আমরা অন্য মানুষকে মনে মনে কিভাবে চিন্তা
34:04
Speaker A
করতেছি এটা আমার ফেশিয়াল এক্সেপশন দিয়ে চলে আসবে। আমি যদি চিন্তা করি অল ম্যান আর রেপিস্ট অল ফিমেলার গোল্ডগার এরা আসছে প্রতারণা করার জন্য বা মনে মনে আমি অন্য সম্পর্কে নেগেটিভিটি রাখলে এটা আসলে অপোজিট পারসন ভাইব পেয়ে যায়। এজন্য আপনি
34:18
Speaker A
মানুষকে হচ্ছে যে পজিটিভ পেয়ে যাবে। অফকরস কারণ দেখেন আমি আপনাকে পিছনে গালি দিতেছি বিশ্বাস করেন যাওয়ার পরে আপনার ভাইয়ের সাথে দাঁড়া আমাদের দুইটা গালি দিচ্ছেন আমার সমালোচনা করতেছেন লাইফে এমনটাই মেজরিটি ক্ষেত্রে হয় এজন্য আপনাকে করতে হবে যেমন এটা তো আমার জন্য
34:32
Speaker A
বিগ চ্যালেঞ্জ কারণ আমি এস সাইকোলজিস্ট ছয়জনের মধ্যে একজন মেন্টাল হেলথ আমি তাহলে কি বলব সবাই পাগল না ছয়জনের মধ্যে একজন হওয়ার চান্স আছে তাইলে আমি চিন্তা করব একজন কে এখানে থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে বাট আমি পাঁচজনকে আইডেন্টিফাই করে
34:45
Speaker A
ফেললাম এবার তো আমি ক্রিমিনাল নিয়ে কাজ করি যেখানে পলিটিশিয়ান বলেন ক্রিমিনাল বড় বড় তাইলে কি সবাই ক্রিমিনাল অনলি ওয়ান টু পারসেন্ হচ্ছে যায় বা সর্বোচ্চ 10% ক্রাইমঅক্টিভিটিতে দিয়ে করে তাহলে 90% 80% তো ভালো বা নরমাল ক্রাইম করে বা কোন
34:58
Speaker A
ক্রাইম করে না আমি কি এখন সবাইকে এরকম জাজ করা শুরু করব আপনার এই জায়গাটাতে হচ্ছে যে বাউন্ডারি রাখতে হবে আপনি কিভাবে হিউম্যানকে জাজ করতেছেন আমি এজন্য সবাইকে এজন্য আমি সবসময় চিন্তা করি আপনার দ্বারা আমার কি ক্ষতি হতে পারে এই সম্পর্কে আমি
35:12
Speaker A
সচেতন বা আমি প্রতাারিত হলে কতটুক প্রতাারিত হবে বাট এর অর্থ আপনি প্রতারণ করবেন এমনটা না আমি আপনাকে বিশ্বাসও করি না অবিশ্বাসও করি না কিন্তু আমি আবার আপনাকে অসম্মান করি না আমি আপনাকে সম্মান করি রেসপেক্ট করি মন থেকে ভালোবাসি আবার
35:24
Speaker A
আমি সতর্ক আপনার দ্বারা প্রতারিত বা ক্ষতি হলে আমি ওটার জন্য মেন্টালি প্রিপেয়ারড কিনা যেমন আমি ম্যানেজার দিয়েছে আমার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আছে একাউন্টস আছে এরা আমার ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ কত ক্ষতি করতে পারবে আমার হিসাব করা আছে এর অর্থাৎ আমি তাদেরকে কখনো অসম্মান করি কারণ আমি
35:37
Speaker A
তাদেরকে মন থেকে ভালোবাসি আমি সবসময় প্রশংসা করি যে ভাইয়া তোমাদের কারণে আলম তোরা আমার প্রতিষ্ঠানের ফিলার তোমাদের কারণে আমি দেশের বাইরে থাকা সত্ত্বেও আমি এরকম ছোট ছোট ইন্টেলিজেন্স পুলিশ কর্পোরেট লেভেলে ট্রেনিং দিয়ে যেতে পারতেছি যে কর্পোরেট লেভেলে ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছি আমি
35:51
Speaker A
আপনাকে হচ্ছে যে একটা হচ্ছে যদি দেখাই যেমন হলো একটু কাজে চলে আসে যেমন হল এভাবে দাঁড়ানো এভাবে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা হাই পাওয়ার পোজ বলি ঠিক আছে এমি কার্ডির একটা রিসার্চ আছে আমি হচ্ছে কিছু আপনাদের পোজ দেখাই যদি বলতে
36:07
Speaker A
বলতে মনে আসেন আপনি এভাবে হচ্ছে যে আমরা বসের মতন হচ্ছে বসেছেন অথবা আমি একটু আগে দাঁড়িয়ে দিয়েছেন অথবা আপনি এভাবে হচ্ছে টেবিলের উপর পা তুলে মানে ইটার উপরে পা তুলে বসে আছেন বা সামথিং আপনি বসের মতন হচ্ছে দাঁড়ানো অথবা বসে আছেন তাহলে আপনার যে
36:25
Speaker A
টেস্টোস্টেরন এবং কর্টিসল হরমোনও চেঞ্জিং হয়ে যাবে সেটা কিরকম এমিকারডি আপনারা ইউটিউ এ সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন তার খুব রিসার্চ আছে যেখানের মধ্যে হচ্ছে বলা আছে দুই মিনিট ধরে আমি যদি স্টাইলে বসে থাকি মানে হাই পাওয়ার পোজ কোন স্টাইলে অথবা
36:38
Speaker A
হচ্ছে ইনফরমাল পায়ের উপর পা তোলা অথবা এরকম বা আমি এভাবে যেন দাঁড়িয়েছিলাম সেভাবে তাহলে হবেটা কি আপনার টেস্টোস্টেরন হরমোনটা আপনার 20% হচ্ছে বেড়ে যাবেদ দুই মিনিট এভাবে থাকলে মানে যেটা আপনাকে লিডারশিপ হরমোন যেটা আপনাকে এনার্জি দিচ্ছে আর কর্টিসল হরমোন 25% অর্থাৎ যেটা
36:56
Speaker A
আপনাকে টেনশন দিচ্ছে স্ট্রেস হরমোন আমরা বলে থাকি সেটা হচ্ছে আপনার 25% কমে যাচ্ছে অনলি হাই পাওয়ার পোজে যাওয়ার কারণে তাহলে এখন হচ্ছে এটা আপনি ইন্টারভিউতে খুব টেনশন আছে আপনি দুইভাবে এভাবে বসেন বা আপনার একটা এমপ্লয় বা বসে খুব টেনশন
37:08
Speaker A
দিচ্ছে এখন রুমে একা আছে আপনি ইনফরমাল ভাবে অবশ্যই নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে চেঞ্জ করে নেন উনি কিন্তু সোশ্যাল সাইকোলজিস্ট উনার রিসার্চ বেস আবার আরেকটা হচ্ছে আমরা বলি না একা খাই বেকা হয়ে যাক তুমি মন মরার মত হচ্ছে বসে আছো কোন কিছু
37:20
Speaker A
ভালো লাগছে না আপনি তাহলে এই জাতীয় পোষগুলো হলে হবেটা কি আপনার টেস্টোস্টেরন হরমোন তো আপনার 10% কমে যাবে আবার কর্টিসল হরমোন স্ট্রেস হরমোন 10% বেড়ে যাবে অর্থাৎ আপনার কিভাবে বসতেছেন কথা বলতেছেন এই জিনিসটা ম্যাটার এবার আসি আমরা যেন
37:35
Speaker A
দাঁড়ানোর অবস্থা বলছি যেমন আমাদের ক্রিকেটাররা হচ্ছে যে যখন খেলে তখন এভাবে হচ্ছে যে হাত দিয়ে রাখে অর্থাৎ তাদের জন্য এই ব্যাখ্যাটা হচ্ছে যে তারা কোন কিছু হচ্ছে যে ওয়েট করতেছে রিলাক্স করতেছে এভাবে হাত দিচ্ছে কিন্তু আমার আপনার মা যখন হচ্ছে আমরা ভুল করে
37:50
Speaker A
আসছি মারার জন্য রেডি কিরে কই গেলি এখন আমারে হাত চারটার সামনে মানে কি হ্যাঁ ইয়াগুলা আঙ্গুল হ্যা হাত চারটা সামনে মানে হচ্ছে আমি টু মাচ ডমিনেন্ট আবার একটা হচ্ছে আমি যদি হালকা এভাবে হচ্ছে রাখি লেস ডমিনেন্ট মানে তখন
38:03
Speaker A
হচ্ছে ঝাড়বে কিন্তু মারবে না অতএব আঙ্গুল দেখে বুঝে কিন্তু কতগুলো মিনিং একটা মিনিং আবার হচ্ছে আপ ওয়ান্ডার ওম্যান যে হচ্ছে মুভি সুপার মুভিটা রাখছে সে হাই পাওয়ার আবার আপনার এটা কনটেক্স অনুযায় বডি ল্যাঙ্গুয়েজের মিনিংগুলো হচ্ছে চেঞ্জ হয়ে যাবে। এজন্য এগুলো এই আই আসলে কখনো আপনাকে
38:23
Speaker A
মানে আমার জব নিতে পারবে না। এই আইও ভাই [সশব্দ হাসি] আমার মেয়ে আমার মেয়ে বুঝছেন?
38:29
Speaker A
এরকম করে সারাক্ষণ মানে ডমিনেট করতে চাই। সবসময় এরকম করে। মানে আপনাকে ডমিনেট করতেছে। তুমি এটা কেন করতেছো না? এটা তোমার করার কথা না। ও তিন বছর বয়স। এখন থেকে দেখে এরকম করে আমার সাথে ইয়া করে। কারণ সে শিখে
38:40
Speaker A
গেছে আপনাকে কন্ট্রোলিং করা যায় এবং আপনি তাকে অনেক ভালোবাসেন সেজন্য সে কন্ট্রোল করতেছে এটাকে এখন রিভার্স কেমনে [সশব্দ হাসি] করা যায় এই জায়গায় একটু নাফিসের এখান থেকে আমি একটু বলি যেমন ওর বাচ্চার কথা বললে আমাদেরও বাচ্চা আলহামদুলিল্লাহ ওদের জন্য
38:56
Speaker A
মানে এজ এ প্যারেন্ট অনেক সময় মাঝে মাঝে চিন্তা হয় যে কিভাবে বড় করলে আসলে সামনের দিনের মানে সত্যিকারের ওই আদর্শ সন্তানদের পিতা হতে পারব সো সেই জায়গায় আপনার কোন সাজেশন আছে কিনা এই সাইকোলজিকাল পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে এখানের মধ্যে হচ্ছে আমাদের নেক্সটের যে
39:12
Speaker A
চেঞ্জিংটা আসতেছে জেনারেশন টু জেনারেশন এখনকার আমরা জেনারেশন চেঞ্জিং আমি বলব একটা দুইটা জেনারেশন না পাঁচ 10 টা জেনারেশন চেঞ্জিং এর মতন আসছে জেএনজি বলেন এরপরের জেনারেশন বলেন এবং এদের পৃথিবীটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে আপনি চিন্তা করেন 2012 সালের আগে হচ্ছে যে আমরা ইন্টারনেট
39:26
Speaker A
মোবাইল এত ছিল না এখন 2022 এ হচ্ছে জগতটা কি রকম আবার এই আয়াসের পর দুনিয়াতে আরো চেঞ্জ হয়ে গেল এখন আপনার বাচ্চাকে হচ্ছে শিখাতে হবে মূল্যবোধের প্র্যাকটিসের এখন বাংলাদেশে কোন জায়গা নেই কারণ আমরা এখন দেখিও না কেউ সৎ ভাবে চলে যে খারাপ ভাবে
39:39
Speaker A
চলে সে নিজেকে অনেক পাওয়ার ভাবে দেখায় এবং ডমিনেন্ট করে। আমাদের হচ্ছে পলিটিশিয়ান বলেন হচ্ছে কখনো কোন অপরাধের কারণে সরি বলে তার পদত্যাগ করে নাই যে পর্যন্ত না মানুষ মারা গেছে। অতএব আমাদের এই প্র্যাকটিসগুলো না এখন বাচ্চাকে আপনাকে ঘরের মধ্যে হাজবেন্ড ওয়াইফ আপনারা নিজেরা
39:55
Speaker A
আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যে রিলিজিয়াস ভ্যালুগুলো প্র্যাকটিস করেন সেগুলো দেখাতে হবে। সাথে হল তাকে হচ্ছে এটাও শিখাতে হবে আশপাশের লোক আপনি যেভাবে চিন্তা করছেন চাচ্ছেন এরকম না। ও যেন নেগেটিভ এনভাইরমেন্টের সাথে ডিল করা শিখাতে হবে। এখন আমাদের মা-বাবাদের হয় কি বাচ্চাকে
40:09
Speaker A
আমরা অনেক ইফোর্ট দিয়ে তো অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসার কারণে ওকে আমরা কখনো না বলতে পারি না। কষ্ট শিখাতে পারি না। অভাব শিখাতে পারি না। আপনি হচ্ছে অনেক টাকা পয়সা আলহামদুলিল্লাহ কামাচ্ছেন। আমি বলব দুই বছরের মধ্যে এক মাস হলে আপনি হচ্ছে
40:20
Speaker A
একটু অভাবে চলেন। অভাবটা একদম ক্রিয়েট করবেন। দরকার দেখেন ডিম খেলে প্রোটিনের অনেক হয়ে যায়। আপনি কম টাকায় অনেক প্রোটিন হেলদি লাইফ হচ্ছে চলা যায়। দরকার আপনি খুব লাজারিস লাইফ না চলে এক মাস বা দুই সপ্তাহের কম সবাই মিলে নট অনলি বাচ্চাকে।
40:32
Speaker A
সবাই মিলে বাবা আমার ব্যবসায়ীগুলো খুব খারাপ চলতেছে আমি হচ্ছে যাই আমরা একটু সারভাইভ করতে হবে তাকে ব্যাখ্যা করুন বুঝেন এখনকার জেনারেশনকে আপনি ব্যাখ্যা করতে হবে এই জিনিসটা হচ্ছে কেন হচ্ছে এবার আর নেক্সট জেনারেশন হচ্ছে যেমন আমাদের করোনা আসছে করোনা আমরা তিন বছর আটকাছিলাম
40:46
Speaker A
ঘরের মধ্যে আমাদের হচ্ছে ভূমিকম্প আসতে পারে এর পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ডে অনেক চেঞ্জিং আমাদের পলিটিশিয়ানরা যা করে যেকোনো সময় বাংলাদেশের গৃহযুদ্ধ লেগে যেতে পারে অতএব এরকম কঠিন সিচুয়েশনে কিভাবে টিকে থাকতে হবে এগুলো তাকে মেন্টাল আগে প্রিপেয়ার করে না তো হঠাৎ করে নতুন
41:01
Speaker A
আসলে সেই কুল কিনার খুঁজে পাবে না। এজন্য আপনাকে এই বিষয়গুলো শিখাতে হবে এবং তার মন মত দুনিয়া হবে না। দুনিয়া হচ্ছে দুনিয়ার মতন চলবে। সেখানে সে এডজাস্ট করে যেতে হবে। আপনি তো সাইকোলজি ফিল্ডে একটু হালকা আশপাশে কাজ করেন। সেখানে বাচ্চাদের
41:15
Speaker A
সাথে কাজ করতে হলে কখন এটেনশন দিবেন, কখন এটেনশন দিবেন না সেই বিষয়টাকে আপনাকে অনেক বেশি লার্নিং করতে হবে। আর এর পরবর্তীতে আপনার ফ্যামিলিতে একটা ইথিক্স মেনটেইন করতে হবে। যেটা না মানি না। ফ্যামিলিতে কোক খাবো না মানে হচ্ছে কেউ
41:29
Speaker A
কোক কিনে দিতে পারবেই না। এটা আপনে হোক মেয়ে হোক বা মা হোক অথবা দাদা-দাদী কেউ মোবাইল আমি হচ্ছে ঘরের মধ্যে tিকটক বা কোন আমি মোবাইল চালাবো না। অনলি শুধু কল এখানে কল চলবে। কারণ হচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস চলবে না। সবাই মেনটেইন করে চলবে। এরকম রাখতে
41:46
Speaker A
তখন ওরা একটা দেখে শিখে বাচ্চার হচ্ছে দেখে শিখে। আপনি যদি আজকে মনে করেন মোবাইল দিয়েছে লক করছেন বাহ তুমি হয়তো অনেক পারস। তাহলে আপনি একটা তাকে রিওয়ার্ড দিছেন। সে জানছে নিশ্চয় মোবাইলের সাথে কোন মজা আছে। সে এখন সে নিয়ে কাজ করবে। আবার
41:58
Speaker A
আপনি হচ্ছে সারাক্ষণ মোবাইল দেখে হাসতেছেন। বাচ্চা দেখছে নিশ্চয় এখানে হাসার কোন কিছু আছে। ডোপামিন সিক্রেশনের ম্যাটার আছে। তাহলে এখন সে কি করবে? সে ওই জিনিসটার দিকে আরো যাবে। এখন বাচ্চার যেখানে তার বিহেভিয়ার শেপিং এর জায়গা পাঁচ বছরের মধ্যে তার মেজরিটি পার্সোনালিটি
42:12
Speaker A
ডেভেলপ হয়ে যায়। আপনি এই জায়গাতে তাকে গড়ে তুলেন নাই। তাহলে সে কিভাবে ফিউচারে মেন্টালি স্ট্রং থাকবে? এজন্য একজন পার্সোনালিটি তার পারস্ট লাইফটা কেমন ছিল?
42:21
Speaker A
প্যারেন্টিং কেমন ছিল? ট্রমা হিস্ট্রি আছে কিনা সেগুলো হচ্ছে জানা দরকার। কিন্তু এত ডিপ লেভেলে আসলে কাজ করা হয় না। যেটা আমি মনে করি কাজ করা দরকার। তাহলে আমরা বেস্ট পার্সনগুলো হচ্ছে নিতে পারবো। ভাই এই জায়গায় তাইলে মনে হচ্ছে না যে
42:33
Speaker A
কিন্ডারগার্টেন হোক বা যেকোন মানে প্রাইমারি লেভেলের স্কুলের টিচারদের তাহলেও এরকম দারুণ কিছু ট্রেনিং দেয়া পসিবল যারা কিনা। সো দ্যাট ফিউচার লিডার তৈরি করতে পারে। প্যারেন্টসদের তো আছে আছেই। মানে স্কুল কলেজের এই জায়গাতেও একটা ভালো একটা অপরচুনিটি আছে ভাই আপনি তো আমার কারণ আমার ফিল্ড হচ্ছে
42:51
Speaker A
সাইকোলজি তারপরে ফরেন্সিক ক্রাইম বিজনেস এখন আপনি আমাকে দিলে আমি তো ও জায়গায় সমুদ্রের ডুব দিব এবার পরের কথাটা হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে হচ্ছে শোনেন আপনি যেন টিচারদের কথা হচ্ছে বলছেন এখন টিচাররা হচ্ছে এটা শিখার জন্য যে টিচারদেরকে আমি
43:06
Speaker A
নিয়োগ দিছি যে স্যালারি দিচ্ছি ওরা কি নিউ নিউ বিষয় এডাপ্ট করার জন্য এত যোগ্যতা রাখে কিনা সেটা একটা প্রথম কোশ্চেন আমি হ্যাঁ অনেক টিচারের হেল্প নিয়ে বড় হয়েছি লাইফে আমি কৃত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাট এবার আসেন আমরা এই আই যে
43:17
Speaker A
বিষয়টা আসছে এই আই আসার কারণে হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা এখন ইনফরমেশন মনে রাখা কোন ফ্যাক্ট না এখন হচ্ছে আপনার ক্রিয়েটিভিটি নতুন কিভাবে আনতে পারেন কিন্তু যারা এই আই নির্ভর হয়ে যাচ্ছে তাদের আমরা রিসার্চ কি পাচ্ছি তারা কোন আপনার ব্রেইনের তথ্য মনে রাখতে পারতেছে না
43:31
Speaker A
ক্রিয়েটিভিটি কমে যাচ্ছে তাহলে এখনকার সময় নিড টা কি নিডটা হচ্ছে আমাকে ক্রিয়েটিভিটি হচ্ছে তার বাড়াতে হবে এমন তাকে ফিজিক্যাল এক্টিভিটি দিতে হবে যেটা এআই দ্বারাও হবে না এ আই তে ইনফরমেশন দিবে তাকে ফিজিক্যালি কাজ করতে পারবে যেটা এই
43:45
Speaker A
লেভেলে আমাদের দেশে কাজ করা দরকার। কারণ প্রেজেন্ট প্রবলেম আমি এটা ফেস করতেছি। এখন এই প্রবলেম ফেস করার আগের প্রবলেমগুলো হচ্ছে কি? বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে মুখস্ত নির্ভর। যেখানে টিচাররা নতুন বিষয় এডপ্ট করার জন্য রেডি না। মা-বাবারা অনলি হচ্ছে যে তুমি কত সিজি পাইছো তোমাকে
44:00
Speaker A
ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হইতে হবে। যেমন আমি আমার লাইফে আলহামদুলিল্লাহ বলব। আমি এখন আলহামদুলিল্লাহ বলতেছি। আগে তো খুব কান্না করতাম। জীবনে একটা প্যারাগ্রাফ মুখস্ত করে আমি লিখতে পারি না। আমার এটা খুব কষ্ট লাগতো। সারাদিন রব্বি জিদনি এলমা এরপরে মুখ স্মরণ শক্তি বাড়ার যত বই আছে সব
44:14
Speaker A
পড়তাম আমল করতাম কিন্তু মুখস্ত করতে পারতাম না আমার মনে আছে আমার ইউনিভার্সিটি লাইফে আমি শুধু ফ্রেন্ড সার্কেল বলতাম আমারে শুধু পয়েন্টের নাম বলে দে উদাহরণ ক্রিয়েট করা আমার কাজ আমার মনে আছে আমি পুরা লাইফটাই শেষ করছি উদাহরণ কনসেপ্টটা
44:26
Speaker A
লিখে উদাহরণ দিয়ে দিয়ে এবং আমার টপ পজিশন সবসময় ছিল টপ মানে কি টপ সেভেন বা এইট এর মধ্যে আমার একদম প্রাইমারি হাই স্কুল ইউনিভার্সিটি সব ছিল কিন্তু আমি মুখস্ত করতে পারি নাই তাহলে আমার কি আমি ক্রিয়েটিভিটিতে জাগে ছি এখন যার কারণে
44:40
Speaker A
ক্রিমিনালদের সাথে আমি খেলতে পারছি। এবার আপনার শিক্ষা ব্যবস্থায় কি এই জাতীয় ক্রিয়েটিভিটি কোন যে আমরা চেঞ্জিং এর কথা আসতেছে। এবার আমি তো ইন্ডিয়াতেও পিএইচডি করতেছি। ওখানের বর্তমান কালচারটা হচ্ছে শুনেন। ওখানে আসলে ইন্ডিয়াটা এমন একটা জায়গা যেখানে যে সবজি কিনতে চায়
44:53
Speaker A
Lamborginiনিতে করে সবজি কিনে আবার হচ্ছে রোডে গাড়ো হচ্ছে পায়খানা করে। অতএব আপনি কি উদাহরণ দিতে চান? তার উপর ফ্যাক্ট। মানে এটা এত বড় কান্ট্রি। আপনি যা উদাহরণ চান সেখান থেকে পেয়ে যাবেন। এবার আমি ওখানে কিছু একটা ভালো উদাহরণ দিইনি। ওখানে
45:06
Speaker A
মোবাইল কোম্পানি যেটা আছে মোবাইল কোম্পানি হচ্ছে কি আপনার যেমন আমার কাছে জিমিনে হচ্ছে পেইড ভার্সনটা ফ্রি আমি মোবাইল কোম্পানি থেকে ওখানে পেয়েছি আমার সিম ছিল এরপরে টু টেরাবাইট দিয়েছি এরপরে চার জিবিটা হচ্ছে আবার ফ্রি পেয়েছি চার জিবিটা আরেকটা ইন্ডিয়াতে হচ্ছে যে আপনার
45:24
Speaker A
ছাত্রদের জন্য ফ্রি করে দিছে 12 মাসের জিমিনে হচ্ছে আমি দেড় বছর এবং টু টেরাবাইট আমি পেয়েছি আমার দুইটা সিম আমি দুইটা ইমেইলের মধ্যে এক্সেস পেয়ে গেছি এর পরবর্তীতে আরেকটা মোবাইল কোম্পানি এআই যে আছে সেটাও আপনাকে আপনাকে ফ্রি দিয়ে
45:36
Speaker A
দিচ্ছে। তাহলে এখন হচ্ছে আপনার বিষয়টা কি? বিষয়টা হলো ওরা হচ্ছে তো আর আবিষ্কার করতে পারে নাই। আপনি তাড়াতাড়ি এডপ্ট করে নিচ্ছে। কারণ পৃথিবীতে এখন এমন জিনিস আপনি এডপ্ট করতে না পারলে আপনি ফিসায় যাচ্ছেন। এখন আমার দেশের তো গভমেন্ট লেভেলের টিচার
45:50
Speaker A
লেভেলের এই জাতীয় চিন্তা উনারা করে না। এখন এখানের মধ্যে এই আয় আসলে যে আমাদের ফাস্টে রিলিজিয়াস কনসেপ্ট এটা হালাল হারামের বিষয়। আমাদের দাজালের প্রভাব কিনা সেইটা চলে আসবে। এরপর আমাদের যারা ডিসিশন মেকার আছে ওনারা কি এই পরিমাণ নিউ
46:03
Speaker A
চেঞ্জিংটা বুঝতে পারতেছে এবং আমাদের যেন কি পরিমাণ চ্যালেঞ্জ আসতেছে সেটা কি ওনারা অনুধাবন করতে পারছে না অতএব আপনি যে ট্রেনিং এর কথা বলছেন আমাদের প্যারেন্টদেরকে শিখায় বা টিচারদেরকে শিখায় আপনি শিক্ষা কোন লেভেল পর্যন্ত নিবেন এখন ওদের তো মুখস্ত জগত থেকে আপনি
46:16
Speaker A
বের হতে পারবেন না এখানে তো এখন পৃথিবী মুখস্ত জগতে নাই মুখস্ত আছে এআইও পার হয়ে গেছে এআই আপনাকে এআই ইউজ করে এআই যেন আপনাকে নষ্ট না করে এখন আপনি এটা বাংলাদেশে এই ধরনের চেঞ্জিং কি পসিবল আমি বলব ইম্পসিবল
46:31
Speaker A
তাহলে উপায় একটু উপায় কিছু আছে ভাই আমাদের উপায় হচ্ছে আমাদের স্কুলিং হোম স্কুলিং বলতে বা আমাদের মা বাবাদের সচেতন না করলে হয় না যেমন আমি বলি আম্বানী যেন তৈরি হয়েছিল তার লাইফ হিস্ট্রিগুলো দেখেন তার বাবা হচ্ছে কি করছিল তারা হাসব্যান্ড
46:44
Speaker A
ওয়াইফ দুইজনকে হচ্ছে যে আম্বানী তার ওয়াইফকে এরকম এসে জিজ্ঞাসা করতো তাদের ছোটবেলা থেকে বিজনেস শিখাতো এটা এরকম কেন হইছে ওটা দেশের আপনার পলিটিক্স জিওপলিটিক্স অনেক কিছু শিখাতো আমাদের দেশে এখন বিজনেসম্যান আপনি তৈরি করতে বলছেন না এজন্য তাকে আগে থেকে হচ্ছে উদার মনে হ
46:58
Speaker A
শিখাতে হবে ক্রিয়েটিভিটি হওয়া শিখাতে হবে আপনার সিজিপিএফ এ ফোর পাওয়া বা হচ্ছে আপনার যে গোল্ডেন জিপিএফ ইজ নট ফ্যাক্ট ফ্যাক্ট তুমি সঠিক ট্র্যাকে আছো কিনা এবং তুমি হচ্ছে ডিস্ট্র্যাক্ট বা তোমার সাইকোলজিক্যাল বা ফিটনেসের অবস্থায় যেটা আছে সে তৈরি করছো সরি সাইকোলজিক্যাল
47:13
Speaker A
ফিটনেসটা তুমি ঠিক রাখছো কিনা এটা গুরুত্বপূর্ণ আমার মতে হলো কি বিশুদ্ধ পানি ফিউচারে যেরকম পাওয়া খুব একটা কঠিন কাজ হবে সাইকোলজিক্যালি হেলদি মানুষ যে হচ্ছে সঠিক চিন্তা করতে পারে যে মনে করেন মেন্টালি খুব স্ট্রেস আসলে নিজে এলোমেলো না হয়ে স্বাভাবিক সুস্থ থাকতে পারে। এরকম
47:31
Speaker A
একদম সাইকোলজিক্যালি ফিট। ফিজিক্যালি ফিট পাওয়ার লোক পাওয়াটাও বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার মতন কঠিন হয়ে যাবে। কারণ সবাই ট্রমাঠ সবাই অল্পতে ভেঙে যাচ্ছে। আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া যারা আমরা সবাই ইনফ্লুয়েন্স হয়ে যাচ্ছি। অতএব আপনি যেটা বলতেছেন এই জাতীয় ওনাদের আমাদের ডিসিশন
47:45
Speaker A
মেকার যারা আছে উনারা এখনো ওই লেভেলে দুই একজন চিন্তা করতে পারে। বাট আপনার হচ্ছে আট 10 জন চায় না। যার কারণে কিছুই হচ্ছে না। দেশে আমাদের মোরাল ভ্যালু মূল্যবোধ। এই চেতনা ওই চেতনা করে হচ্ছে যে ওনারা রাজনীতি করবে চুরি করবে আর দেশে হচ্ছে যে
47:59
Speaker A
এই লেভেলে যাবে মানে স্পিডটা কখনো বাংলাদেশে চেঞ্জিং হবে না কারণ হলো কি দেখেন যদি আপনি বাংলাদেশের চেঞ্জিং চান চান আপনি বিজনেস লেভেলের সিঙ্গাপুর যেভাবে চেঞ্জ হয়েছিল সিঙ্গাপুরে যে চেঞ্জ করছে তার কোন মূর্তি বলেন তার কোন এর নাম আদর্শের কথা আছে ওখানে তারে মানুষ এত মনেও
48:16
Speaker A
রাখে না সে কাজ করে গেছে নিঃস্বার্থভাবে এখন আমাদের কথা হচ্ছে আমি কাজ করব এটা 10 বছর 20 বছর 50 বছর ধরে খোটা দিয়ে যাব অর্থাৎ ওই আদর্শের উপরে তোমারে রেখে রাখবো বা আপনারা তো খুব রিলিজিয়াস আমি আসলে এটা
48:27
Speaker A
বলতে চাই আমার আমি খুব খারাপ লাগে আমাদের বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা যারা এরা এই গভর্নমেন্ট থাকা অবস্থায় হচ্ছে এদের এরা খুব অনেকস্ট কওমি মাদ্রাসায় যারা আছে অনেক স্কুল এদের যেন আমি কম্পিউটার শিখাতে পারি দেখেন বাংলাদেশে বিসিএস এ আপনি দিয়ে
48:42
Speaker A
বাংলাতে পড়া একটা ছেলে হচ্ছে ঐ আপনার মেডিকেলের সচিব হতে পারে। তাহলে আহামরি আমার কাওমি মাদ্রাসার একটা ছেলে পড়াশোনা করে ওকে আমি কম্পিউটার এগুলা একটু শিখালে সে যেন সচিব হতে পারবে এমনটা না যে বাংলা পড়ছে ওখানে এতো স্কিলের কোন ঘাটতি নাই
48:57
Speaker A
তাহলে প্রবলেমটা কি এখন এরা যেন হচ্ছে আমাদের গভমেন্ট সেক্টরে এসে কাজ করবে ইফেক্ট ফেলবে যেন হচ্ছে এই লিংকটা করা বা এদেরকে সার্টিফিকেশনটা লেভেলটা নিয়ে আসা এটা এখন পর্যন্ত আমি তাদের থেকে দাবিটাই শুনি নাই তারা প্রয়োজনে ফিল করে না আবার
49:11
Speaker A
তারা দেশের সংস্কার চায় দেখেন খারাপকে আপনার দূর করতে হলে ভালো কয়েকটাতে আনতে হবে সব জায়গা থেকে ভালো ভালো গুলোতে আনতে হবে এখন অপশনে রাখি নাই ইসলামিক স্কলাররা কেন এটার এই গভমেন্টের অবস্থা হচ্ছে কি এই গভমেন্ট চলে যাওয়ার পরে মানুষ এদেরকে এত
49:23
Speaker A
মনে রাখবে না দুই একটা কারণে মনে রাখবে কারণ এদের হচ্ছে নেক্সট জেনারেশন নাই এটা হচ্ছে একটা মধ্যবর্তী গভমেন্ট এবং হচ্ছে কিছু কারণে সামনে প্রচুর সমালোচিত হবে তাহলে আমরা যদি এখানে নিয়ে নিতে পারতাম তাহলে আমাদের যে সমাজের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে
49:37
Speaker A
সরকারি মাদ্রাসা কাওমি মাদ্রাসার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তারপর হচ্ছে পাবলিক ইউনিভার্সিটি কারণ আমার দিনশেষে আমি আপনি বিজনেসম্যান আমার কাছে হিউম্যান একটা প্রোডাক্ট আমি তাকে দিয়ে হচ্ছে কাজ করিয়ে নিতে হবে আমার কাছে নট অনলি আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলে দিয়ে কাজ করব আমাকে
49:52
Speaker A
মানে সে বাংলাদেশের নাগরিক সৎ আমি তাকে দিয়ে কাজ করাবো যোগ্য এখন এই সিস্টেমগুলোতে করা হয় না অতএব মানে এটা চাচ্ছে ওইটা চাচ্ছে কিন্তু আমি মনে হয় এই গভমেন্ট সময় এটা যদি করে নিত যে তারাও বিসিএস দিতে পারবে তারাও এই লেভেলের যে
50:05
Speaker A
স্কিলগুলো ঘাটতি আছে ঘাটতি নাই আমি বলছি না ঘাটতি আছে ওগুলো ফিলাপ করার ব্যবস্থা করতো তারপরে তাহলে আর কোন পলিটিক্যাল দল হচ্ছে এদেরকে 10 20 বছর ধরে বলতো না আমরাই তোমাদের এটা দিছি তোমাদের সেটা দিয়েছি কারণ ওরা আবার কখনো এরকম আল্লাহর সহযোগিতা
50:19
Speaker A
ছাড়া কারো সহযোগিতা চায় না। এখানে বিজনেস কেন আমি এভাবে আলোচনা করতেছি আপনাদের বিজনেস করতে হলো মানুষের এই মূল্যবোধ মোরালিটি সে কিভাবে চিন্তা করে কোনটাকে গুরুত্ব দেয় কোন কন্টাকে গুরুত্ব দেয় না একদম গ্রুপ ওয়াইজ সোসাইটি ওয়াইজ আপনাকে আলাদা আলাদা চিন্তা করতে হবে। না
50:32
Speaker A
হলে আপনি কোন গ্রুপের সাথে বিজনেস করতে পারবেন না। আপনি একটা প্রোডাক্ট সবাইকে খাওয়ায় দিতে পারবেন না। চা হচ্ছে আপনি হেলদি চা খাওয়াচ্ছেন আপনার ব্লু ট্রি বলেন হচ্ছে গ্রিন ট্রি বলেন এগুলো আপনি যে হেলথ রিলেটেড সচেতন তাকে খাওয়াতে পারবেন।
50:44
Speaker A
আপনি এখন বস্তিতে যদি বিক্রি করতে চান বিক্রি হবে। তার তো বেসিক নিডে ফিলাপ হয় নাই। তার হচ্ছে আপনার সিকিউরিটি গুলো দিকে তার ফোকাস করার টাইম নাই। অতএব আপনাকে এই জাতীয় এত সূক্ষ সূক্ষ ভাবে চিন্তা করে নট অনলি চিন্তা আপনাকে একশন গুলো নিতে হবে।
50:59
Speaker A
ভাইয়া আমি একজন ভালো কমিউনিকেটর হতে চাই। আমি একজন ভালো নেগোশিয়েটর হইতে চাই। আমার নেটওয়ার্কগুলো যেন খুব স্ট্রং হয়। তো আমাকে আপনি একদম টিপসগুলা দেন যে আমি কি কি ফলো করবো প্লিজ। কমিউনিকেশনের জন্য আপনাকে প্রথমত হচ্ছে মেন্টালিটিটা আপনার রাখতে হবে। অন্য
51:14
Speaker A
মানুষের সাথে আপনি খুব সুন্দরভাবে কথা বলবেন। আই কন্টাক্ট মেনটেইন করবেন বাট কালচার অনুযায়ী। আর আরেকটা হলো মনে রাখবেন ছেলেমেয়ে যখন আপনার কাস্টমার হয়ে থাকে বা যেকোনো লোক হয়ে থাকে অপোজিট পার্টনার। বলেন তো ছেলেরা ভালো বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালিস্ট নাকি মেয়েরা?
51:28
Speaker A
মেয়েরা। মেয়েরা কারণ ওলা আজীবন টিপ এখানে পড়বে না এখানে পড়বে আমাদের কাছে সবই এক মনে হয় এরা একদম খুব সূক্ষ্মভাবে অবজার্ভ করে এখন এই কারণ হচ্ছে মেয়েরা হচ্ছে ছেলেদের হচ্ছে কোন দিকে তাকায় সবাই সবার আগে মেয়েরা ছেলেদের দিকে তাকালে কোন দিকে তাকায়
51:43
Speaker A
সবার আগে চোখের দিকে তাকায় কারণ হলো আপনার হচ্ছে আপনি চোখ দিয়ে তার কোন এঙ্গেল বডির কোন পার্টে তাকাচ্ছেন সেটা অবজার করে এজন্য মেয়েরা রিড করে ফেলতে পারে কোন ছেলে চরিত্র ভালো খারাপ বা এই বিষয়টা আর ছেলেরা ছেলেরা হচ্ছে আপনার মেয়ে যার যেটার
51:58
Speaker A
এট্রাকশন আছে সে অংশের দিকে তাকাবে না না ছেলেরা হচ্ছে মাথা নিচু করে রাখবে রাখবে সেটা হচ্ছে ধার্মিকের ক্ষেত্রে এবার আপনি বিজনেসম্যান যখন আপনি সেলস করতেছেন তখন আপনাকে আই কন্টাক্ট এটলিস্ট মেনটেন করতে হবে একটা স্মাইল ফেস দিয়ে রাখতে হবে
52:14
Speaker A
অবশ্যই আর আই কন্টাক্ট আয় আপনি কোন দিকে দিচ্ছেন সে কিন্তু রেড রিড করতেছে বাংলাদেশে বেশিরভাগ যদি মানুষ ক্রেতা হয়ে থাকে ফিমেল ক্রেতা মেল কিন্তু এত বেশি কেনাকাটা করে না এনি এঙ্গেলে হচ্ছে যদি খেয়াল করে দেখেন তাহলে ফিমেল আপনাকে তো
52:29
Speaker A
রিড করতে হবে। ফিমেলের ক্ষেত্রে হচ্ছে আপনাকে খেয়াল করতে হবে সে ইমোশনালি কানেকশন হওয়াটাকে তাকে প্রশংসা করা ভালো লাগছে কিনা সুন্দর লাগছে কিনা মানে একটা স্টোরি বলা ইম্পর্টেন্স দেওয়া এটা গুরুত্বপূর্ণ। আর পুরুষের ক্ষেত্রে হচ্ছে তখন হচ্ছে আপনাকে বুঝতে হবে সেই লজিক যত
52:44
Speaker A
শর্টকাটে আপনি তাকে প্রবলেম সলভ করে দিতে পারবেন। সে সন্তুষ্ট তাহলে সেখানে গেলে আপনি কোন জায়গায় কমিউনিকেশন করতে চান সে বিষয়টা। আমরা এখন পডকাস্টে আছি। আপনি যেমন আমার দিকে সামনে একটু ঝুকে আছেন আমিও ঝুকে আছি। এই বিষয়টাকে হচ্ছে যেমন আমরা
52:56
Speaker A
লিলিং বলে অর্থাৎ আমি আগ্রহী আপনি আগ্রহী এইটাকে হচ্ছে যে ম্যাচিং বলতেছি মানে দুইটাই সেম এখন আমি যদি হচ্ছে আমার ডান হাতটা এভাবে রাখি আপনিও যদি হচ্ছে আপনার ডান হাতটা এদিকে রাখেন তাহলে এটা হচ্ছে যে ম্যাচিং হচ্ছে আর যদি আপনি যে বাম হাতটাকে
53:10
Speaker A
এভাবে রাখে বলেন আমার ডান হাত আপ আপনার এই বাম হাতটা রাখেন তাহলে এটা হচ্ছে মিররিং। কথা বলার সাথে সাথে না আপনি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এভাবে চেঞ্জ করতেছেন। যখন তার তালে তালে মিররিং ম্যাচিং করতেছেন তখন হবেটা কি আপনার সে আপনার বিশ্বাস করতে
53:24
Speaker A
থাকবে যে আমি আপনি তাকে ট্রাস্ট করতেছেন তাকে ইম্পরটেন্স দিচ্ছেন। এটা খুব সাইন্টিফিক। আমাদের একটা নিউরন আছে রিসিপটর আছে মিরর নিউরিং। মিরর নিউরন। অর্থাৎ হলো কি? সে আপনি যখন তাকে মিররিং করতেছেন, ম্যাচিং করতেছেন তখন সে ট্রাস্ট করা শুরু করে। এ ব্যক্তি আমাকে কেয়ার
53:40
Speaker A
করতেছে। এ ব্যক্তি আমাকে ইম্পরটেন্স দিচ্ছে। মানুষ দিনশেষে কেয়ারিং চায়, ইম্পরটেন্স চায়। অতএব আপনার হচ্ছে তার সাথে খুব মাথা নেড়ে হাসি হেসে কথা বলতেছে দেখেন আপনারা কিন্তু খুব শরীর মুভমেন্ট করে করে আজকে আমার সাথে কথা বলতেছেন। যেটা আমি আগের বডিতে পডকাস্ট গুলোতে এত খেয়াল
53:55
Speaker A
করি দেখি নাই। অর্থাৎ আমিও কিন্তু আপনার এমনে আমি বডি মুভমেন্ট করে কথা বলি। অর্থাৎ এটা আমাদের কিন্তু খুব ভাইব ম্যাচ করতেছে। এবং আমরা অল্প সময় কিন্তু অনেক আন্তরিকতা হয়ে গেছে। তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা আমাদের কারো পার্সোনাল লাইফে
54:07
Speaker A
এত কোন কিছু কথা বলি নাই। অর্থাৎ কি আমরা মিররং ম্যাচিং প্র্যাকটিস করতেছি। অতএব আপনাকে খুব ভালো কমিউনিকেটর হতে হলে মিররিং ম্যাচিংটা প্র্যাকটিস করতে হবে। গ্রেট এডভাইস ভাই। একটা জায়গায় আপনি আমাকে একটু হেল্প করেন। যেটা আমি প্রচন্ড প্যারা খাই। সেটা হলো যে কাউকে না বলা বা
54:24
Speaker A
কোন একটা জিনিস আমি অনুরোধে ঢেকি প্রচুর গিলি ভাই। আমার প্রচুর ঢিকি গিলা আছে। কাউকে বলতে পারকে না বলতে আমার খুব ডিফিকাল্ট হয়। এরকম ভরি ভরি এক্সাম্পলস আছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আজকে মনে হয় এরকম চারটা পাঁচটা ইনসিডেন্ট এরকম আছে।
54:38
Speaker A
তো আমার প্রবলেমটা হচ্ছে আমি যখন ফেস টু ফেস কারো সাথে ইয়া করি এটা তো ভয়ঙ্কর লেভেলে আমি মানে এটা সাফার করি। মাই কোশ্চেন ইজ টু ইউ এগুলা আসলে কয়েক টাইপের কোশ্চেন আছে। যেমন ধরেন একজন আমাকে একটা ইভেন্টে ইনভাইট করেছে। কথার কথা একটা
54:53
Speaker A
হাইপোথেটিক্যাল সিনারিও বলতেছে। কিন্তু সেই ইভেন্টে প্রথমত আমার যাওয়ার কোন ইচ্ছা নাই। কিন্তু সেই মানুষটাকে আমি ভালোমতো চিনি। আমার আরো অনেক দুনিয়ার কাজ আছে। আমি ইভেন্টে যেতে চাচ্ছি না। কথার কথা একটা হাইপোথেটিক্যাল সিচুয়েশন। আমি কিভাবে না করবো তাকে? উইদাউট হার্টিং হিম অর হার্ট।
55:08
Speaker A
ওকে। এখানের মধ্যে লাস্ট যে কথা বলছেন তাকে উইদাউট হার্ট হিম অর হার। বিশেষ করে আপনি সবাইকে তো স্যাটিসফাইড করতে পারবে না। যাদের পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার আছে তারা হচ্ছে আপনি চান বা না চান তারা কষ্ট পাবে। তাদের মন মত কোন কিছু না হলে। এটা
55:22
Speaker A
তো একটা ক্যাটাগরি। ছয় জনের মধ্যে একজন হওয়ার চান্স আছে। এবার আপনার ক্ষেত্রে হচ্ছে আপনি যে কমিউনিকেশন স্টাইল বলতেছেন এটাকে হচ্ছে প্যাসিভ কমিউনিকেশন বলে। কমিউনিকেশন তিন ধরনের। আপনার হচ্ছে এসার্টিভ কমিউনিকেশন, প্যাসিভ কমিউনিকেশন, এগ্রেসিভ কমিউনিকেশন এটার অনেক ফরমেট হয়। প্যাসিভ কমিউনিকেশন হচ্ছে সে কখনো না বলতে
55:39
Speaker A
পারে না। অন্যজন যা বলে সে সেটাই করে। কিন্তু মনে মনে কষ্ট পায়। তার পছন্দ না। এখন আমি দুইটা উদাহরণ দে। একটা হচ্ছে সংসার লাইফে আরেকটা হচ্ছে বিজনেস লাইফে। এখন আমার বিজনেসে হচ্ছে আমার বসে ছয়টা বাজে ছুটি। পাঁচটা বাজে হচ্ছে। আমাকে
55:51
Speaker A
বলতেছে তুমি এই কাজটা করো যেটা দুই তিন ঘন্টা লাগবে কিন্তু আমার বাসায় বাচ্চার বার্থডে এরকম কোন একটা ফাংশন আমি এখন স্যারকে নাও করতে পারতেছি না কিন্তু আমার খুব কষ্ট লাগতেছে তাহলে এখন এখানের মধ্যে সে এখন মন খারাপ করে কাজটা করতেছে কিন্তু
56:03
Speaker A
মনে মনে কষ্ট নিচ্ছে আবার আরেকজনেরকে গুরুত্ব দিচ্ছে এক্ষেত্রে সে হচ্ছে প্যাসিভ কমিউনিকেটর তার কথা হলো অন্যজনকে কষ্ট দেওয়া এত ঠিক হবে না এখন এই জাতীয় লোকগুলো হয়টা কি এরকম ভিতরে কষ্ট জমা রাখতে রাখতে একদিন খুব এগ্রেসিভ হয়ে যায়
56:16
Speaker A
এখন সংসার লাইফ হচ্ছে যদি শাশুড়ি সবসময় বলে হচ্ছে তুমি এই ড্রেস পড় ওই ড্রেস পড়ে এই শাড়ি পড় শাড়ি কালার সে চুজ করে এখন তার সেও তো একজন ওয়াইফ মন চায় যে হ্যাঁ আচ্ছা আমি এই কালারে পড়ি আজকে এই
56:27
Speaker A
ড্রেস পড়ি ওই ড্রেস পড়ি এখন তারও ভিতরে কষ্ট জমতে জমতে একদিন আউটবাস্ট হয়ে যায় অর্থাৎ প্যাসিভ এগ্রেসিভ হয়ে যায় হঠাৎ করে সে আপনি একটু নরমাল কথা বলছেন সে রেগে গেছে কিন্তু তার আগের কষ্ট জমা ছিল না বোমটা ফেটে গেছে ইমোশনাল বোম এখন এই
56:40
Speaker A
জাতীয় অবস্থাটা প্যাসিভ বেশিদিন থাকলে একসময় এগ্রেসিভ হয়ে যায় আর এখন আরেকটা টার্ম হচ্ছে যে আপনার এগ্রেসিভ শুধু এগ্রেসিভ তারা হচ্ছে কি অন্যের ইমোশন কখনো আন্ডারস্ট্যান্ড করতে চায় না অন্যকে কে গুরুত্ব দেয় না তারা ধুম করে নিজের প্রয়োজনটা বলে নেয়। এখন এই বিজনেসের
56:54
Speaker A
ক্ষেত্রে হচ্ছে যদি আমি বলি বস যদি বলে হচ্ছে তুমি একটা আমার ইম্পর্টেন্ট এই কাজটা হচ্ছে এখন একটু পাঁচটা ছয়টা তো যাবা পাঁচটা করে দাও। তখন সে মুখের উপরে একদম বসকে সাথে বলে দিবে। আর আপনার কমন সেন্স নাই। আপনার এখন ছয়টা বাজে আপনি
57:06
Speaker A
সবসময় এগুলো কি করেন আমাকে দিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু বসেরও ইম্পর্টেন্ট আপনার টিম দিয়ে হচ্ছে কাজ করতে হয়। তাহলে সে এগ্রেসিভ। এখন এগ্রেসিভ লোকরা হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে আপনার অর্গানাইজেশনে কাজ করতে পারে না। আবার যদি বস এরকম এগ্রেসিভ কমিউনিকেটর হয় সে তাহলে এমপ্লয়ীর
57:19
Speaker A
প্রয়োজন বুঝতে পারতেছে না। শুধু নিজেরটাই তাহলে এটা আপনার খুব বিগ প্রবলেম। এখন এগ্রেসিভের উদাহরণ হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমি দিয়ে রাখি। অর্থাৎ সে কখনো অন্য সিচুয়েশন বুঝে না। সে শুধু তার লাভের জন্য যখন যাকে যা বলার বলে দেয়। অর্থাৎ কোন ব্যারিয়ার নাই। আর আরেকটা
57:34
Speaker A
হচ্ছে এসার্টটিভ কমিউনিকেশন। এসার্টিভ কমিউনিকেশন সে হচ্ছে অন্যের প্রয়োজন নিডগুলো বুঝবে এবং হচ্ছে প্রয়োজন অনুযায়ী সে কৌশলে না বলবে। নিজের আবেগটাও প্রকাশ করবে। এখন এখানে ক্ষেত্রে হচ্ছে এটা কি সে যদি হচ্ছে যে এ বস যদি বলে তুমি এ কাজটা করো তখন সে প্রথম বলবে স্যার আমি
57:49
Speaker A
বুঝতে পারছি আপনার এই কাজটা এখন শেষ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফাস্টে আপনি রিকগনিশন দিচ্ছেন। তার ইম্পরটেন্সটা প্রয়োজনটা বুঝতে পারতেছেন। এটা মানুষকে অনেক বেটার ফিলিং দেই। যেন আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এবার পরে আপনার নিডের কথা হচ্ছে বলেন। স্যার আমার তো হচ্ছে আজকে বাচ্চার
58:05
Speaker A
বার্থডে বা আমার এখানে আগে এ্যাপয়েন্টমেন্টটা পড়ে গেছে এবং ওখানে যাওয়াটা খুব ইম্পর্টেন্ট। আমি কি হচ্ছে তাহলে আপনি নিটটা বললেন এরপরের অংশটা হচ্ছে এবার আপনি না বলবেন কৌশলে বা আপনি বিকল্প দিয়ে দিবেন স্যার আমি কি আজকে একটু করে এক ঘন্টা করে কালকে তাড়াতাড়ি
58:19
Speaker A
এসে করে দিই অথবা স্যার আমার ওই টিম ম্যামকে টিম মেম্বারকে দিতে পারেন কিনা একটু দেখেন বা দেখেন একটু বিকল্প করেন কিনা অর্থাৎ আপনি মুখের উপর না বলেন নাই তাকে হচ্ছে বিকল্প অল্টারনেটিভ দিয়ে দিয়েছেন। এখন অনেকে বলবেন লাইফের সকল
58:31
Speaker A
কমিউনিকেশনকে অ্যাসার্টিভ দিয়ে হবে। সব কমিউনিকেশন আপনি এসার্টিভ দিয়ে সলভ করতে পারবেন না। কিন্তু অন্যজনকে যখন রিকগনাইজ করছেন নিজের কষ্টের কথাও বলছেন তখন হলো যে আপনার কাছে একটা বেটার ফিলিং হবে। এটাই বেস্ট কমিউনিকেশন। এখন সবাইকে তো সন্তুষ্ট করে যেতে পারবে না। এবার আপনার কথায় সে
58:45
Speaker A
যদি কষ্ট পায় এখন আমার কাছে অপশন আমি তো পৃথিবীর শতভাগ লোককে হচ্ছে সন্তুষ্ট করে যেতে পারবো না। এই জায়গা হলো একটা কমিউনিশন স্টাইল। এবার আপনার হচ্ছে ফেস টু ফেস যখন হচ্ছে কারো সাথে মিট করতে কষ্ট হচ্ছে। কারণ আপনি ইন্ট্রোভার্ট প্রকৃতির
58:58
Speaker A
হচ্ছে লোক। তাহলে এবার আপনার জন্য একটা টেকনিক হলো কি? আপনি এমন একটা জায়গায় বা গ্রামে যাবেন আপনি সেলিব্রিটি এটা হচ্ছে ভুলে যান যেখানে লোকজন আপনাকে চিনে না। এরকম আপনি দোকানগুলোতে হচ্ছে যে গিয়ে বিভিন্ন চাচা চাচা কি অবস্থা ভালো আছেন?
59:11
Speaker A
হচ্ছে জানেন দেশের এই অবস্থা মানে অহেতুক কথা বলবেন। এটা আপনার কাছে মানে জাহান্নামের মতন মনে হবে। এটা হচ্ছে এক্সপোজার টেকনিক। এক্সপোজার মানে কি? যার যেটা প্রবলেম সেটাকে ফেস করা। এখন আপনি হচ্ছে অহেতুক দরকার ছাড়া প্রতিদিন 10 15 লোকদের সাথে নট ঢাকা শহর। যেখানে আপনাকে
59:27
Speaker A
কেউ চিনবে না এবং গুরুত্ব দিবে না আপনার পরিচয় ব্যাকগ্রাউন্ডে বলা এমনে চা খাইতেছেন চা খাইতে খেতে আড্ডাজেন মারা হয়তো কথা বলেন 10 15 মিনিট দেন আপনার ওদের একশন ওদের রিএকশন গুলো আপনি যখন আস্তে আস্তে হজম করবেন তখন টলারেন্স
59:39
Speaker A
লেভেলটা আস্তে আস্তে বাড়বে তখন আপনার এই কমিউনিকেশন স্কিলটাও ইম্প্রুভ হবে রিসেন্টলি আমাদের টিম থেকেও কয়েকজন মানুষকে আমাদের বিদায় দিতে হলো কোন একটা ইনসিডেন্টের জন্য একবেলার নোটিসে তাদেরকে আলাদা আলাদা ডেকে সরি বলেছিলাম কিন্তু তাদেরকে কে বলতে হলো যে আইম সরি
59:59
Speaker A
এবং শব্দটা ছিল প্লিজ আমাকে মাফ করে দিও এইভাবে বলে ওদেরকে সরি এবার আমি এখানে দুইটা জিনিস হচ্ছে শিখাবো সেটা হলো আপনি এমপ্লয়ীদের সাথে হচ্ছে কাজ করতে হলে তাদের প্রশংসা করা হচ্ছে শিখতে হবে প্রশংসাটা কেমন যে সে ছোট ছোট বিষয় যেন কাজ এমনটা না
60:16
Speaker A
সাজ্জাদ বা আপনি সেরা লোক এমনটা আপনার হচ্ছে ভাই আজকে আমাকে আপনি যিনি এই কাপটাকে গরম পানি দিয়ে এসেছেন আমার কাছে খুব ভালো লাগছে আমি কৃতজ্ঞ আমার আজকে গলাটা ভালো আছে অর্থাৎ স্পেসিফিক টু বাই পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আমি কিছু আমার রিয়েল
60:28
Speaker A
লাইফের উদাহরণ দেই আমার হচ্ছে যখন আমি বাংলাদেশে এয়ারপোর্টে সবসময় না আমি লাস্ট তিন আই গভমেন্ট থাকা অবস্থায় তো তিনবার আসছি আর জি স্যার আমাকে খুব কানেকশন হচ্ছে করে দিয়েছিল ইন্টেলিজেন্ট সবার সাথে ডিআইজি স্যার আমি প্রথমবার হচ্ছে যে আসে
60:40
Speaker A
আম্মুকে কল দেই এরপর হচ্ছে উনাকে কল দেই আমি কৃতক স্যার আমি বাংলাদেশে আসছি আপনার সাথে দেখা করব কারণ উনি আমাকে লিংকগুলো করে দিছে আমার কোয়ালিটির জন্য এরপরে নেক্সট দুইবার আসছে উনি কিন্তু একবার আমি আসে ওনাকে সেকেন্ড ম্যান হিসেবে কল করি
60:53
Speaker A
কিন্তু এখন এত ব্যস্ততা হয়ে গেছে উনি কল রিসিভ করে নাই। এর তো আমি ওভার থিংকিংও করছি না। কারণ আপনিও রিপ্লাই তিনদিন পরে দেন। কারণ আপনারা আপনার এই পরিমাণ কাজ করে বিজি থাকে। এটা স্বাভাবিক। আমি স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছি। কিন্তু আমি উনার প্রতি
61:05
Speaker A
কৃতজ্ঞ। আমি মন থেকে নট অনলি দেখানোর জন্য স্পেসিফিক পয়েন্টের জন্য। রিসেন্ট সিডিকে আমি পাঁচ দিনের ট্রেনিং দিচ্ছি। যে স্যারের লিংকের মাধ্যমে বা আমার এই কোর্সটা আর্নিং চলতেছে ইন্টোগেশন বা সাসপেক্ট প্রোফাইলিং। তাদেরকে আমি ওই স্যারের কাছে আবার কল দিছি। যেদিন আমি
61:18
Speaker A
এপ্রুভ পেয়েছি। স্যার আপনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আপনার এই জায়গার আমি এখানে প্রথম ব্যাচ করার কারণে আমি এখানে দ্বিতীয় ব্যাচ করতে পারছি। আপনার প্রতি অনেক আমি কৃতজ্ঞ। আমি দেখেন বলি নাই স্যার ইউ আর দা বেস্ট। আপনি কোন অনেস্ট আপনি দুর্নীতি
61:30
Speaker A
করেন নাই। আমি এমন কিছু আমি বলছি আপনি আমাকে কোন পয়েন্টে হেল্প করছেন এবং আপনার প্রতি এবং স্যার বলছে না না মিরাজ এটা তোমার পাপ। তুমি অনেক পরিশ্রম করতেছো। তুমি অনেক স্ট্রাগল। তুমি অনেক অনেস্ট। বাট একটা হচ্ছে যতই কিছু বলক দিনশেষে উনার
61:41
Speaker A
একটা ভালো লাগতেছে না আমি আমার এমপ্লয়রাই তো গতকালকে বলতেছে মিরাজ ভাই এমন প্রশংসা করে এখান থেকে চলে যাইতেও মন চায় না এখন এমন আমি দেখো তুমি এ কাজ করতেছো আমার আজকে দুই তিনটা হচ্ছে ফরেন্সিকের হচ্ছে সিগনেচার বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের কেস আসছে
61:55
Speaker A
আমি বলছি মাশাল্লাহ তুমি তো আজকে অনেক ভালো সময় দিছো আজকে অনেক ভালো আর্নিং হইছে আবার অন্য সময় হচ্ছে যে খুবই কাজ করতে পারতেছে না তাকে বলতেছি দেখো আমার তো মনের এক্সপেক্টেশন বা প্রত্যাশা হচ্ছে তুমি একটু এই কাজগুলো লোড নাও এবং এই জায়গাগুলো
62:07
Speaker A
ইমপ্রুভ করো অতএব আপনার কমিউনিকেশন মিনিংটা হবে আপনি কি চাচ্ছেন না চাচ্ছেন তাদের কাছে ক্লিয়ার করে দেওয়া 100% সে বুঝে যাবে এটা না এই জায়গাটা আপনারা বিজনেসম্যানরা সবচেয়ে বড় ভুল করেন সেটা ভুলে যাবেন আর রিলেশনশিপে তো ফিমেলদের ক্ষেত্রে হয় সে বুঝে না কেন আর এখন এই
62:22
Speaker A
বুঝাবুঝির টাইম নাই কারণ মানুষ এত কমপ্লেক্স হয়ে গেছে আপনাকে পুরাটা বললে অনেক ক্ষেত্রে সে ফিলাপ করতে পারবে না ভাই রিসেন্টলি আমি একজনের সাথে কথা বলতেছিলাম তিনি আমার পার্সোনালিটি টেস্ট করতেছিলেন হ্যাঁ তো নরমালি অনেক রেগুলার আমি তো জানি যে আমি ছোটবেলা থেকে আমি জানি
62:37
Speaker A
আমি এক্সট্র ওকে বাট তিনি আমাকে কয়েকটা কোশ্চেন করে বলল যে আপনি একচুয়ালি ইন্ট্রোভার্ট মিন কিভাবে সম্ভব এখন সে আমাকে কিছু ক্রিটিক্যাল প্রশ্ন করছেন বলতেছেন কি আপনার যখন প্রচন্ড মন খারাপ থাকে তখন আপনি মন ভালো করার জন্য কি কি করেন আমি
62:55
Speaker A
যেসারগুলো তাকে দিলাম যে একজন এক্সট্রোভার্ট এটা এটা করবে একজন ইন্ট্রোভার্ট এটা এটা করবে আমি একটু এটাই আপনার কাছ থেকে একটু ক্লারিফাই করি সে আমাকে জিজ্ঞাসা করছে এখন আমার মন খারাপ থাকলে আমি একটু একাকি আল্লাহর সাথে কথা বলার চিন্তা করবো কারণ আমি আমি 10 জনের
63:10
Speaker A
সাথে মিশতেছি তাই আমার মন ভালো হয়ে যাচ্ছে ব্যাপারগুলো এরকম না এটা কি আসলে আমাকে জাজ করার জন্য কোন ক্রাইটেরিয়া হতে পারে হতে থাকতে পারে পৃথিবীতে অনেক থিওরিতে অনেক টেকনিক আছে আমি জানি সব জানব এমনটা না আমার এটা হচ্ছে জানা নাই হতে পারে
63:21
Speaker A
থাকতে পারে বাট আমার ব্যাখ্যাটা হলো এই জায়গাতে আমাদের রোল প্লে বা হচ্ছে হিউম্যান বিহেভিয়ার কনটেক্সট টু কনটেক্সট হচ্ছে যে চেঞ্জ হবে যেমন আমি আপনে যত কথা বলতেছি প্রয়োজনের খাতিরে কথা বলতেছে হতে পারে এখানে যে ইন্ট্রোভার্ট সে হচ্ছে যে
63:35
Speaker A
কিছু সিলেক্টিভ লোকদের সাথে কথা বলতে পছন্দ করে আবার এমন হচ্ছে এমন একটা বন্ধু পেয়েছিল যার সাথে গলায় গলায় হচ্ছে বা মানে গায়ের উপর উইঠা হচ্ছে এরকম আড্ডা দিয়ে কথা বলতেছে কেউ মনে করবে না এরা দুইজন হচ্ছে এত বড় একটা ছেলে মনে করবে ছোট বাচ্চা অতএব
63:48
Speaker A
আবার আপনি এখন দেখেন আপনি হচ্ছে যে পরিমাণ হাসি ঠাট্টা বা রোমান্স আপনার ওয়াইফের সাথে হচ্ছে যা করবেন সেই পরিমাণ হাসি ঠাট্টা এরকম ওপেন এডাল্ট কথা হচ্ছে আবার অন্য কারো সাথে হচ্ছে বলবেন না আবার আরেকটা কমিউনিটি আছে যারা হচ্ছে খুব আবার
64:01
Speaker A
রিলিজিয়াস প্র্যাকটিস করেন একটু আমাদের বা ব্যক্তিগতভাবে লজ্জা শরম একটু কম থাকে এটা তো ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী তখন তারা আবার এগুলো হচ্ছে যে কথা বলবে। অতএব আপনাকে হিউম্যানদের বিহেভিয়ার কনটেক্সট টু কনটেক্সট অনেক চেঞ্জ হবে। আপনার আরেকটা বিষয় হল যেমন আমি যদি এখন কোন সিনিয়র
64:16
Speaker A
পজিশন বা আর্মিতে যাই আর্মিরা এই পরিমাণ হচ্ছে ডিসিপ্লিন মেনটেইন করা আমাকে কিন্তু অনেক স্বাভাবিকভাবে সতর্ক থাকতে হবে। আবার আমি যদি হচ্ছে যে স্কুল কলেজে পড়াতে যা আমি স্বাভাবিক রিলাক্স থাকবো। অতএব পার্সোনালিটি হচ্ছে আপনার মেজরিটি টাইমে আপনি কি বিহেভ করেন? আর যে বাকি যে আপনি
64:32
Speaker A
বলছেন আপনার নামাজ কাম পড়তে ভালো লাগে। এটা হচ্ছে আপনার মূল্যবোধের প্র্যাকটিসের কারণে সবার হিলিং প্রসেস হচ্ছে ডিফারেন্ট হবে। কখনো হিলিং প্রসেস এক হবে না। এটা হচ্ছে তার মূল্যবোধ। তার ব্যাকগ্রাউন্ড কিভাবে সে ভালো বেটার ফিল করে তার উপর নির্ভর করবে।
64:44
Speaker A
ওকে। ওকে ভাইয়া থ্যাংক ইউ সো মাচ। এখন যেহেতু আমাদের অডিয়েন্স এবং আমাদের বিজনেসের অনেক প্রবলেমে আমরা আছি। সো আপনি আমাকে এখন একটু হেল্প করেন ভাইয়া। আমি হচ্ছে কাস্টমারের পালস ধরতে চাই। হ্যাঁ। যে আমার কাছে আমি তাকে মনে করেন কোন একটা
65:01
Speaker A
কনসাল্টেশন দিচ্ছি। আমি তাকে কোন একটা অফার দিচ্ছি অথবা আমি যেকোনো কোন একটা প্রোডাক্ট সেল করি। আমি কোন একটা প্রোডাক্ট সেল করি। আমি তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে কিভাবে বুঝবো সে কেনার মাইন্ডসেটে আছে অথবা সে আসলে কিনতে আগ্রহী না এবং নেক্সট স্টেপগুলো আমি কিভাবে নিব
65:14
Speaker A
প্লিজ ভাইয়া। এখানে এখানে বডি ল্যাঙ্গুয়েজের আগে আমি একটু স্টেটমেন্ট এনালাইসিস এনএলপি নিউরোলিঙ্গুইস্টিক প্রোগ্রামিং এর হচ্ছে একটা কনসেপ্ট হচ্ছে বিএকে ভিজুয়াল অডিটরি কাইন্নেস্থেটিক। এই কনসেপ্টটা বুঝলে আপনার ক্লায়েন্ট ডিল করা অনেক ইজি হবে। ভিজুয়াল মানে হচ্ছে কিছু মানুষ হচ্ছে সবকিছু দেখতে পছন্দ করে। দেখে
65:30
Speaker A
নিতে পছন্দ করে বা পড়াশোনা ক্ষেত্রে সে দেখে দেখে হচ্ছে মুখস্ত করতে বা স্লাইড দেখে মুখস্ত করতে পারে আর কিছু মানুষ হচ্ছে অডিটরি অর্থাৎ তারা শুনে হচ্ছে কোন কিছু মেমোরাইজ করে বা পছন্দ করে এবং আর কিছু লোক আছে কাইনস্টেটিক তারা
65:42
Speaker A
প্র্যাক্টিক্যাল হচ্ছে দেখে বা শিখে এখন এখানে ক্ষেত্র হলো কি আপনার ধরলাম আমি হচ্ছে এই মগটা হচ্ছে সেল বা মোবাইলটা আমি একটা সেল করব যেখানে একজন এসে বলতেছে আমাকে একটা মোবাইল দেখাও দেখাও মানে তার হচ্ছে সে একজন ভিজুয়াল ব্যক্তি আপনার তার
65:55
Speaker A
স্টেটমেন্ট শুনে বুঝে ফেলতে হবে সে কি ডমিনেন্ট কন্টাক্ট সে ভিজুয়াল অডিটরি নাই এখন যে ভিজুয়াল হবে তাকে আপনি বলবেন কি স্যার এই দেখেন এখানে ক্যামেরা হচ্ছে এরকম আপনি তাকে দেখাবেন সবগুলো খুলে খুলে দেখানো ভিজুয়াল আর যে হচ্ছে অডিটরি এই
66:10
Speaker A
আমাকে বলতো কোনটা কি মডেল আছে আপনি তাকে স্যার এটার প্রসেসর এত এটা ক্যামেরা এত আপনি এটা দেখুন তাকে বলতে হবে আর যে কাইন্নেস্থেটিক স্যার আসেন আপনি একটা ছবি তুলে দেখে আপনার একটা ছবি তুলে দিই তখন সে এটাকে ফিল করতে পারবে আপনি তাকে কানেক্টেড
66:21
Speaker A
করতে পারবেন তাহলে আপনাকে হচ্ছে ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার সময় তার টোন দেখে বুঝতে হবে সে ভিজুয়াল নাকি অডিটোরি কাইনস্টেটিক যদি না ধরতে পারেন আপনি তিনটা অপশন হচ্ছে রাখবেন এবং তার রেসপন্স দেখে দেখে আপনাকে এই উত্তরটা হচ্ছে যে দিতে
66:34
Speaker A
হবে। এবার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে যদি আপনি দেখি কেউ যদি কোন বিষয়ে আগ্রহী হয় তাহলে হচ্ছে সে হালকা একটু লীন হবে। তার হচ্ছে চোখটা যদি একদম কেনার আগ্রহ থাকে চোখটা জলজল করবে। আর আমরা বাঙালিরা তো হচ্ছে যে আমরা অভিনেতা আর হচ্ছে বিক্র যারা বিক্রি
66:47
Speaker A
করে তারাও কম বেশি অভিনেতা। এখন আমরা আগে চলে যাই। এরপরে আবার এই দাম কমায় কিনা। আমরা এরকম হচ্ছে খুব বার্গেনিং করি। এই জায়গার ক্ষেত্রে হচ্ছে কি এখন এই বার্গেনিং [নাক ডাকা] আবার আপনি হচ্ছে পশ এরিয়া গুলোতে হচ্ছে পাবেন না ওরা এরকম না
66:59
Speaker A
ওরা ফিক্স রেটের জায়গাগুলোতে হচ্ছে থাকে যেখানে আপনার বার্গেনিং আছে ওখানে বিহেভিয়ারটাও ডিফারেন্ট হবে এবার আমি যদি বলি হিউম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বলেন তো বডি ল্যাঙ্গুয়েজের কোন পার্টটা বেশি সত্য বা মিথ্যা ডিটেক্ট করতে হেল্প করে অনুমান আইব্রো জোন এবার যিনি এফবির এজেন্ট বডি
67:17
Speaker A
ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিসের উপর যার বইগুলো সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ওনার কথা হলো মানুষের সবচেয়ে ট্রুথ ডিটেক্ট করা যে পা দেখে পাটা হচ্ছে কি এরকম আমরা তিনজন হচ্ছে দাঁড়িয়ে কথা বলতেছি না দাঁড়ানো অবস্থায় যদি আমার পায়ের হচ্ছে দুইটা ডিরেকশন আপনাদের দিকে হচ্ছে যায় থাকে
67:32
Speaker A
তাহলে আমি আপনাদেরকে কিন্তু ধরলাম আমি একটা পা এদিকে আরেকটা পা এদিকে অর্থাৎ আমার এই দুইজনের মধ্যে আমার এখন মেন্টালি সেটআপ হচ্ছে আমি অন্য জায়গায় চলে যাওয়া হতে পারে আমি আপনার সাথে কথা বলতেছি তাহলে আপনাকে এখন আপনি যদি হচ্ছে যে বিক্রেতা
67:43
Speaker A
হয়ে আমি হয়ে থাকি আপনি আমাকে কনভিন্স করে আমি কনভিন্স হচ্ছি কিনা পায়ের ডিরেকশন যখন চেঞ্জিং হয়ে যায় আপনি বুঝতে পারবেন হচ্ছে যে আমি আপনার কথা দ্বারা কনভিন্স হচ্ছি যখনই দেখবেন পা অন্যদিকে নিয়ে গেছে তাহলে হচ্ছে যে পায়ের ডিরেকশন
67:56
Speaker A
এক পা অন্যদিকে তাহলে সে অন্যদিকে যাওয়ার মাইন্ডসেট করে ফেলছে আপনাকে এখানে ধরতে হবে এর পরবর্তীতে হলো আপনার যখন টিমের মধ্যে আপনারা জামা কাপড় হচ্ছে কিনতে যান সেখানে আমাদের বাঙালির কালচার হয়টা কি একজন টাকা দেয় অনেক ক্ষেত্রে একজন হচ্ছে
68:09
Speaker A
যে ইনফ্লুয়েন্সার অর্থাৎ সে চুজ করে কোনটা নিবে অর্থাৎ টাকা দেওয়ার প্রতি আপনি এত ফোকাস করেন না কারণ ইনফ্লুয়েন্সারকে তাকে ফোকাস করতে হবে যে মূলত যেটা ভালো লাগছে ওটাই নিবে টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে আমরা বাবারা অন্যরা হচ্ছে যে কেউ ইজিলি দিয়ে দিই তাহলে কাকে
68:21
Speaker A
কনভিন্স করলে আপনি প্রোডাক্টা সেল করতে পারবেন সেই দিকে ফোকাস করবেন টাকা অটোমেটিক চলে আসবে। অতএব এইভাবে বিষয়গুলো হচ্ছে জানতে পারবেন। আর বেশি জানতে চাইলে আমার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিস শিখেন। যেখানে অনলাইন রেকর্ডেড আছে পলিটিক্স বলেন সবকিছু বিজনেস এনালাইসিস করে দেওয়া আছে।
68:36
Speaker A
ও এখন এখন কথা হচ্ছে ভাইয়া কেউ একজন পা অন্যদিকে বাঁকা করে রাখছে। আমি তার পা আমার দিকে ঘুরাইতে পারব?
68:44
Speaker A
অবশ্যই আপনি যদি কনভিন্স করতে পারেন এবং আমরা এমন সময় আড্ডা মারতে মারতে সে অন্য জায়গায় ছিলাম। এখন মাইন্ডসে না কথাটা শুনি ভালো লাগতেছে। যখনই সে মাইন্ডসেট করতেছে মাইন্ডসেট। তার তো যাওয়ার দরকার আছে না তাকে আর এক দুই মিনিট থাকি।
68:56
Speaker A
ডিরেকশনটা চেঞ্জ হয়ে যাবে। ভাই অনেক সময় কারো সাথে ধরেন কথা বলতেছি। সেই লেভেলের সাইকোলজিকাল আমরা এর ঢুকে যাচ্ছি। হ্যাঁ। দুইটা জায়গা। একটা হলো যে কিভাবে বুঝবো যে ধরেন আমি কথা বলতেছি এন্ড দ্যাট পারসন ইজ গেটিং বোর্ড। আমার কথা শুনতে সে বিরক্ত
69:09
Speaker A
হয়ে যাচ্ছে। এন্ড আইুড স্টপ। আবার আরেক এঙ্গেল হচ্ছে যে আমি একজনের সাথে কথা বলতেছি। কিন্তু আমি না তার কথা শুনতে ইচ্ছা করতেছিলাম কিন্তু আমি তাকে থামাতেও পারতেছি না। এখানের মধ্যে হচ্ছে যে কথা শুনতে আগ্রহী না সে হচ্ছে যে পিছনের দিকে
69:23
Speaker A
চলে যাবে অথবা হচ্ছে পিছনের দিকে মুভমেন্ট করবে। আর এর পরবর্তীতে হচ্ছে যে আপনার চোখটা এরকম করে দিবে যেন হচ্ছে কি বলতেছে বা মাথা তাড়াতাড়ি বেশি না মাথা তাড়াতাড়ি নাড়ানো মানে হচ্ছে তাড়াতাড়ি শেষ করা। আবার বা মোটেই নাড়াচ্ছে না মানে
69:36
Speaker A
হচ্ছে আপনার কথা পুরাই হচ্ছে শুনতেছে না। অতএব তার যে ফ্লোটা হচ্ছে স্বাভাবিক আপনার সাথে টোনে যাচ্ছে কিনা সে বিষয়ের উপরে। আর যে হচ্ছে আগ্রহী না সে হচ্ছে এভাবে এভাবে হচ্ছে যে আপনার কথাগুলো করবে বা উঠে যেতে চাচ্ছে সে কি করবে সামনের দিকে হচ্ছে
69:49
Speaker A
যে এসে বসবে এরকম সামনের দিকে একটু এসে যা বসবে এর পরবর্তীতে হাতগুলো এখানে নিচের মধ্যে রেখে একটু উপরের দিকে করবে অথবা হচ্ছে এভাবে করে একটু উঠার চেষ্টা করবে বা তার হচ্ছে যে পা গুলো এক্সিট দিকে হচ্ছে যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে অতএব সে
70:03
Speaker A
মানে উঠতেছে যে আপনি যেন চাচ্ছে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজগুলো দেখে হচ্ছে বুঝতে পারবেন আর হচ্ছে যে তার ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন রিয়েল স্মাইল ফেক স্মাইল হচ্ছে দিবে রিয়েল স্মাইল ফেক স্মাইলের পার্থক্য যদি বলি ভাই দেখেন আজকে ব্রডকাস্ট দেখার পর আপনার মানুষের প্রতি বিশ্বাস তো উঠে যাবে
70:19
Speaker A
[সশব্দ হাসি] আপনার হচ্ছে নায়ক নায়িকাদের যাদের দেখে ভালো লাগতো তাদের এখন ভালো লাগবে না যেমন রিয়েল স্মাইল ফেক স্মাইলের ক্ষেত্রে হয়টা কি রিয়েল স্মাইলের ক্ষেত্রে এই কর্নারটা হচ্ছে যে উপরের দিকে উঠে যায় এই কর্নারটা এবং এটা শক্ত হয়ে একদম খুব টাইট
70:33
Speaker A
হয়ে যায় একদম মানে টাইট হয়ে হালকা উপরে উঠবে এখানের মধ্যে চোখের ভ্রুগুলো হচ্ছে যে একটু কুচকে যাবে হালকা এবং চোখটা ঝলঝল করবে আর আমাদের নায়ক নায়িকারা যখন আসে তখন এইভাবে অর্থাৎ এটা মিডেল বরাবর থাকে তাদের ফেস কার্ডটা অনেক সুন্দর থাকে যার
70:45
Speaker A
জন্য দেখতে ভালো লাগে আপনারা অনেক ভাইরাল হচ্ছে অনেক কোটি টাকার হাসি কিন্তু দেখেন ফেসটা একদম মিডেল বরাবর দেখতে সেই নায়িকাকে এইজন্য ভালো লাগতেছে কিন্তু হলো এটা রিয়েল না এখন হচ্ছে কেউ যদি আবার সাইড থাকে মুখের কর্নারটা আবার নিচের দিকে
70:58
Speaker A
থাকবে শরীরের এনার্জি থাকবে না ভালো লাগতেছে না কথা বলতেছে না সে শরীর এভাবে এভাবে করতেছে অতএব বোরিংস অনেকভাবে হচ্ছে যে বোঝা যায় আচ্ছা আমরা কি রিয়েল স্মেল দিতে নাকি ফেক সময হাসতেছেন হাসে আপনার চোখগুলো ছোট হয়ে যাচ্ছে আপটা রিয়েলিস্ট আপ
71:13
Speaker A
মজা পাচ্ছেন [সশব্দ হাসি] ফেক করি না ঠিক আছে আমরা একটু পরে ফেক করব দেখি ধরতে পারেন কিনা [সশব্দ হাসি] করে এখন এটাকে সোশ্যাল স্মাইলে বলি এটা ফেক স্মাইল একটা হচ্ছে আপনি মন থেকে হাসে যখন হাসবেন দেখেন আমরা অট্টহাসি কখনো সুন্দর
71:34
Speaker A
হয় না আমি এজন্য বলি হেলদি লাইফ স্টাইল হেলদি রিলেশনশিপ অলওয়েজ দ্যা বোরিং আমরা যখন খুব অট্ট হাসবো তখন হচ্ছে দেখেন দেখেন সাউন্ডটা অনেক খারাপ দেখায়। খুব মিষ্টি সাউন্ড হয় না। অট্টহাসির বা আমরা খুব মজা পাইলে। অতএব এগুলা আপনাকে লাইফে বোরিংস
71:48
Speaker A
জানতে হবে যদি হেলদি লাইফস্টাইল থাকতে চান বা অল্পতে সন্তুষ্ট থাকতে চান। এখন একটা মজার একটা আমরা এক্সারসাইজ করব। সো আমরা ভাই আমাদের আমরা কিছু ভিডিও দেখাবো এবং আপনারা দেখবেন একই সাথে আমাদের সাথে যে কোনটা রিয়েল কোনটা ফেক আমরা এনালাইসিস করব
72:01
Speaker A
একদম প্র্যাক্টিকালটা সেটা চিনব। চলেন ভাইয়া ফার্স্ট আমরা কি দেখতেছি লেটস গো ভাই আমরা এখন হচ্ছে বাংলাদেশে আসলে আমরা সবাই পছন্দ করি তো হচ্ছে অন্য যেন আমাদেরকে প্রশংসা করুক বা আমি বলি তালাক এখন এটার জন্য হচ্ছে অন্যরা যেন কিভাবে কান্নাকাটি
72:17
Speaker A
করে আমাদেরকে দেখায় এখন একটা ফেক কান্না হচ্ছে যে আমরা দেখায় এখানে ফেক কেন এবং রিয়েলটা আমরা একটা দেখাবো দেশের বাইরে যেন ওই জায়গাটা রিয়েলটা কেন আমার জননেত্রী শেখ হাসিনা এত জ্বালা এখানের মধ্যে হচ্ছে দেখেন সে হচ্ছে যে খুব
72:31
Speaker A
কান্না করে হচ্ছে যখন বলতেছে চোখটাকে সে বারবার চাপতেছে এখন চাপার কারণ হচ্ছে এটা কি আপনি যখন মানে কান্না করে নিয়ে আসার চেষ্টা করতেছে কান্নাটা রিয়েল কান্নাটা হচ্ছে কি আপনার অটোমেটিক চোখ গড়ায় মানে চোখ থেকে পড়তে থাকবে আপনার দেখেন নানা
72:44
Speaker A
নানী বা কেউ মারা গিয়েছে আপনার অটোমেটিক ওদিক কান্নাটা চোখ থেকে অটোমেটিক পড়তেছে আপনি হচ্ছে ও সময় চেক করেন এরা হচ্ছে কি বারবার চেক করবে আপনার হচ্ছে চোখটা পানি পড়তেছে কিনা এরকম চোখগুলোকে মুছবে এই জাতীয় বিষয়গুলো থাকবে এর পরবর্তীতে
72:59
Speaker A
আরেকটা হচ্ছে আপনারা পাশের এই মেয়েটাকে হচ্ছে যদি একটু খেয়াল করে দেখেন এই তো কান্না করতেছে পাশের মেয়েটা কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিসে মজার বিষয়টা হচ্ছে দোলাম আপনারা দুইজন যখন হচ্ছে ক্রাইম কোন কিছু করছেন আপনাকে কোশ্চেন করলে কারণ আপনি যদি মিথ্যা বলেন ও তো জানে তথ্যটা কি তার
73:13
Speaker A
রিএকশনটা হচ্ছে দেখে কিন্তু অনেক কিছু ডিরেকশন পাওয়া যাবে এখন অভিনেতা অভিনেত্রীদের হয়টা কি এরা ইমোশন এক্সপ্রেস করা অনেক বেশি শিখে তো এজন্য এরা অনেক বেশি ইমোশন এক্সপ্রেস করতে পারে কালকের ঘটনা আমি একটা কনফারেন্সে গেলাম এক ভাই হচ্ছে আমার দুপুরে খাওয়ার সময় দেখা হইছে
73:27
Speaker A
ভাই বলতেছে কখন আসছে আমি বলছে ভাই সকালে প্রোগ্রামে আসছে উনি উপস্থাপক ছিল এখন উনি বলতেছে মিরাজ এটা আমার অনেক ভুল হয়ে গেছে আমি দেখা কয় কিরে এত রিয়াকশন দেওয়ার তো কোনো কিছু নাই। কারণ হলো উনার সাথে আমার কমিটমেন্টও হয় নাই যে দেখা করবো
73:39
Speaker A
প্রোগ্রামে আসছে সবার সাথে দেখা হবো। আর উনি তো ব্যস্ত ছিল। আর আমি এত ওভারিংকার লোক না বা কোন কিছু না। বাট কারণ উনি অভিনয় জগতে একসময় কাজ করছেন। যার কোন যারা খুব সুইট সুইট কথা বলবে এত করবে। এখানের
73:50
Speaker A
মধ্যে সামথিং ইজ রং থাকবে। এই জায়গাটা আপনারা হচ্ছে যে খেয়াল করবেন। এখন এরা হচ্ছে ও যখন দেখতেছে কান্না করতেছে। এ আস্তে মুখটাকে স্যাড বানানোর চেষ্টা করতেছে। এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এখনো শোধ করতে পারি নাই। সে তখন বলতেছিল
74:04
Speaker A
আমি মার কাছে যাব আমি মার কাছে যাব আপনারা চিন্তা করতে পারেন জাতি বাঙালি জাতি আপনারা চিন্তা করতে পারেন পাখির বাচ্চার মত গুলি করে বেরতো আপনারা সহ্য করতে পারতেন এখানে আমি খুব বেশি এনালাইসিস না করি এর অল্প একটু হচ্ছে যে যদি এনালাইসিস করি
74:21
Speaker A
আপনারা যতটুক হচ্ছে দেখেছেন সে হচ্ছে বারবার হেড নোডিং আমরা হেড নোডিং মানে কি একটু সামনের দিকে নিয়ে আসা এটা অনেকগুলো নাম আছে অর্থাৎ সে আপনাকে কারন কিছুকে ট্রাস্ট করানোর জন্য আপনি বারবার আবার পুশ করার জন্য কনফিডেন্স শো করার জন্য এরকম
74:34
Speaker A
হচ্ছে একটা পুশ দিয়ে দেওয়া এখানে সে এ বিহেবটা করতেছে তার হচ্ছে ব্রুগুলো হচ্ছে যদি দেখেন সে উপরের দিকে নিয়েছে মানে আপনাকে বিলিভ করানোর ট্রাই করতেছে উপরের দিকে চলে যাচ্ছে এখানের মধ্যে হলটা কি যারা মিথ্যা বলে তারা আপনাকে বিলিভ
74:47
Speaker A
করানোর জন্য কথাটা বারবার বলে এবং কনভিন্স করার ট্রাই করে ফোরস করে ইনডাইরেক্ট ভাবে আমি মার কাছে যাব আমি মার কাছে যাব এখন এই কথা বলে আমি মার কাছে যাব হচ্ছে যে কথা বলে হচ্ছে যে দিচ্ছে আসলে তার কথা যে
75:01
Speaker A
টোন গুলো আছে টোনগুলো মানে কনভিন্সিং স্টেটমেন্ট আমরা বলি মানে আপনাকে কনভিন্স করা যায় একটা হল আমার কষ্ট বা ভালো যা লাগছে আমি স্পন্টেনিয়াস বলে ফেলতেছি কিন্তু সে হচ্ছে যে বলছে না অতএব অন্যজনকে সে কনভিন্স করার ট্রাই করতেছে আপনারা চিন্তা করতে পারেন জাতি
75:17
Speaker A
আপনারা চিন্তা করতে পারেন যাতে অর্থাৎ সে কনফার্মেশন চাচ্ছে যেন আমাদের থেকে আপনারা বুঝেন এই বিষয়টা অর্থাৎ বারবার আপনাকে পুশ করা হচ্ছে ইনডাইরেক্ট ভাবে আপনারা এই বিষয়টা বুঝেন গুরুত্ব দেন এখন যে সত্য বলবা আমার বিষয়টা খারাপ লাগছে আমি কষ্ট
75:30
Speaker A
পেয়েছি এটা আসলে দেশের জন্য খুব ট্রমা একটা হিস্ট্রি আমাদের আসলে এটা করা উচিত হয় নাই স্বাভাবিকভাবে আমি মিশন টোন নরমভাবে বলে দিছি এখন আপনাকে আমি এত বারবার কন এত অভার রিএকশন কেন দিচ্ছি সেই বিষয়টা হচ্ছে যদি আপনারা চিন্তা করতে
75:43
Speaker A
পারেন পাখির বাচ্চার মতগুলি এখন এই সেই বারবার হচ্ছে যে দেখেন চোখগুলোকে বারবার শক্ত করে হচ্ছে ছোট করে দিচ্ছে এবং হচ্ছে ইন্ডিকেট করতে চাচ্ছে যেন হচ্ছে যে এখানে সামথিং অনেক খারাপ কিছু হয়েছে এবার আমরা আসলে এটা তো হচ্ছে যে ফেক কান্না ছিল এবার একটা রিয়েল
75:57
Speaker A
কান্নাটা যদি আমরা দেখি তাহলে পার্থক্যটা করতে পারব রিয়েল কান্নাটা হচ্ছে আমি একটা মুভির ক্লিপের থেকে হচ্ছে নিচ্ছি যেটা ইন্ডিয়ান বিজয় থলাপাতি লিও মুভির হচ্ছে প্রমোশনের ভিডিও ছিল ছোট বাচ্চা হচ্ছে সে কান্না করছে আমরা সেই বিষয়টা হচ্ছে দেখব সেখানের মধ্যে সে যখন তাদের নামগুলো
76:14
Speaker A
বলতেছে কিভাবে কান্না করছে আমরা একটু দেখি এখানে দেখেন এই মেয়েটা হচ্ছে যে কিন্তু হোল্ড করতে চাচ্ছে একটা হচ্ছে হিস্ট্রিগুলো এরা খুব ভাইরাল হয়েছিল যারা খুবই ফিল্ডেতে আছেন তারা জানেন অর্থাৎ সে তার কান্না আসতেছে কান্নাটা আটকানোর চেষ্টা করতেছে। এখানে মুখটাকে এভাবে শক্ত
76:32
Speaker A
করে রাখা মানে কান্না হোল্ডিং করা। আর ওখানে আনার এক্সপ্রেশনটা হচ্ছে ছিল। সে বলতেছে যে তুমি এতদিন কথা বলছো আমি অভিনয় করছি। তুমি আমার সাথে আসো। আমি তোমাকে অনেক মিস করছি। কিন্তু দেখেন তার এক্সপ্রেশন গুলো দেখেন। চোখের এখানের মধ্যে সে হাত দিয়ে হচ্ছে দেখবেন
76:51
Speaker A
আপনার চোখটাকে হচ্ছে সে বন্ধ করে রাখছে। অর্থাৎ সে কান্নাটা থামাতে যাচ্ছে। নট অনলি যে পানি পড়ছে ওইটা কিনা এবং চোখগুলো এরকম করতেছেন অটোমেটিক চলে আসতেছে কারণ এটা একটা স্পেস এখানে তো কান্না করার জায়গা নাচি হ্যাপি আপনারা এখানে ক্ষেত্রে কান্নাগুলো দেখছে
77:19
Speaker A
ছোট বাচ্চাদের কান্না দেখবেন ওরা অটোমেটিক কি সুন্দর হচ্ছে যে কান্না করে আর আমরা যারা সিনিয়র আছে আমরা কি পরিমাণ ফেক করে কান্না করতে পারি ওকে ওকে সুপার ডার্লিং সুপার নেক্সট আই রিমেমবার অল আ শুটিং মেমরি হ সো মাচ ফান এন্ড আই লাভ ইউ
77:47
Speaker A
[হর্ষধ্বনি][চিৎকার করা] ইয়েল নেক্স বিজয় হাই বিজয় [হর্ষধ্বনি] আফটার শুটিং এখানে দেখেন আফটার শুটিং সে যখন কথাটা বলছে তার ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন চোখ ঝরঝরা করতেছে মানে কান্না করতেছে সে নরমাল ভাবে রাখছে কিন্তু দেখেন তার কান্না এরপরে অটোমেটিক কিভাবে চলে আসতেছে
78:21
Speaker A
এখানের মধ্যে দেখেন সে মিস করছে কান্না করছে এবং ইমোশনটার মধ্যে তার দেখেন কথার মধ্যে ফ্লোর মধ্যে আমরা কোন ডিফারেন্স পাই নাই। মানে সে সুন্দর মতন একটা ফ্লোতে বলতেছে। কনভেন্স করা অর্থাৎ তার ইমোশনগুলো বলতেছে। এভাবে রিয়েল এবং ফেক আমরা
78:33
Speaker A
বিষয়গুলো হচ্ছে যে খুব ইজিলি হচ্ছে ধরতে পারি। আর এবার যদি আমরা হচ্ছে একদম বাংলাদেশের একটা হচ্ছে স্টেটমেন্ট আমরা দেখি। যেখানের মধ্যে একটা ছেলে এটা এটা খুব খুব ভাইরাল হয়েছিল। যেন একটা ছেলে হচ্ছে চিনি বিক্রির সময় আমাদের যখন অভিযানটা হচ্ছে চলেছে তখন হচ্ছে এই
78:54
Speaker A
ভিডিওটা খুব ভাইরাল হয়েছিল যে সেই সন্দেহ করছে এটার মধ্যে চিনি আছে চিনি কি চিনি নাই এটার ভিতরে কি এটার ভিতরে ডাইল রাখছে ডাল কি ফ্রেশের ফ্রেশের বস্তায় ডাইল নাই ফ্রেশের বস্তা আপনার কাইটা ফালায় ওই কাইটানো বস্তা থেকে ডাইল রাখতে হয় কিন্তু
79:10
Speaker A
বস্তা মুখটা আমরা দেখতে পাচ্ছি সেলাই করা এটা এটা আমাদের কাছে সেলাই মেশিন আছে না আমরা একটু দেখতে চাই এটা চিনি এটা আপনি ভিতরে খুইলা দেখেন আপনি নিজে আইসা দেখেন আবার ভাই আপনার যেহেতু দেখা দরকার আপনি আসেন আপনি খুইলা দেখেন যান যান আপনারা
79:26
Speaker A
পাবলিক দেখে এটা কি বেচা কিনা জায়গা আপনার হ্যা যেরকম করতাছে আপনারা এইভাবে যদি লোক দাড়ায় দেখেন তাহলে কেমনে হইবে এটা ক্যাটা ক্যাটা তো কিনতে গেলে বিস্তার পাবেন না এই একটু সাইড হন ভাইয়া একটু সাইড হন আমার দোকানটা সাইরা দেন এই দোকানে মানুষ
79:43
Speaker A
এটা কি ডাল এটা ডাল কিভাবে ডাল এটা আপনার সামনে তো আমি বস্তা থেকে এখন চিনি বের করলাম আপনার আমি তো আর আপনি আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন দেখার জন্য আপনার আমি চাই নাই আপনি বলছেন যেন দেখলাম এবং বস্তা থেকে আমি এখন যেটা বের করলাম এটা কি আপনার
79:59
Speaker A
কাছে মনে হয় এটা ডাল এতক্ষণ তো এটাকে বললেন যে ওকে এটা হচ্ছে আমাদের বাঙালির কমন কালচার আমরা মিথ্যা বলতে অনেক ওস্তাদ সবার মনে একটা কোশ্চেন আসছে যে হ্যাঁ বাঙালি আমরা যেভাবে মিথ্যা বলি কনভিন্স করি এগুলার এনালাইসিস করেন বিদেশীতে এনালাইসিস ইজি এবার আমরা এই
80:14
Speaker A
ভিডিওটা হচ্ছে দেখি আমরা একটু এডভান্স এনালাইসিস করবো যেটা আসলে এখানে অনেককে টপিস জানবেন না কারণ এগুলো বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আমাদের 30 40 ঘন্টা ট্রেনিং এর ম্যাটার আমি একটু আপনাদের দেখাই ওনার প্রশ্ন হচ্ছে আপনারা হচ্ছে এখানে যখন দেখবেন ওনার হচ্ছে
80:31
Speaker A
কোশ্চেনটা হচ্ছে বা কোশ্চেন যখন করতেছে সে একটা আচার খাচ্ছে আচারটা হচ্ছে এই খাওয়ার মিনিংটা হলো কি আমরা এটা ক্রিমিনাল বলি সে যখন কোন অপরাধ করে সে ডিস্ট্রাক্ট বিহেভিয়ারের জন্য হয় জামা ঠিক করবে অথবা হাতা ঠিক করবে অথবা জুতা ঠিক করবে সামথিং
80:45
Speaker A
ডিস্ট্রক্ট বিহেভিয়ার আমরা বলে থাকি কোন কাজে হচ্ছে ইনভলভ থাকে অর্থাৎ সে আচার খাওয়ার প্রতি খুব বেশি ইনভলভ করতেছে এবং তার এই ভিডিওটা ফেশিয়ালটা আপনি যদি দেখেন একবার ফেসটা একেক রকম হচ্ছে সে হচ্ছে এখানে করতেছে সে এখানে একদম ফোরহেডটা অনেক
80:59
Speaker A
বেশি ভাজ করতেছে এবং আপনার দিকে এভাবে উপরের চশমার দিকে হচ্ছে এভাবে নেগেটিভ ভাবে তাকিয়ে আছে ইভালুয়েট করছে এই জায়গার মধ্যে ফ্রেশের বস্তা মুখে দেখেন এবং সে এভাবে আপনার দিকে নেগেটিভ ভাবে ইভালুয়েট করতেছে এটা কিভাবে আপনি প্রাইমারি স্কুলে যখন পড়ছেন যখন আপনারা
81:15
Speaker A
জানেন তো স্যার আপনি দোস্ত তখন স্যার কিরে বাড়ির কাজ করছস নি? স্যার জানে চোখে করবি না কারণ দুষ্ট একটা ছেলে অর্থাৎ নেগেটিভ ভাবে ইভালুয়েট করা চশমা থাকতে হবে ইজ নট ফ্যাক্ট। এভাবে সেই উপর দিকে করছে। সংখ্যা করছে এটার মধ্যে চিনি আছে।
81:31
Speaker A
এখানে বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সবচেয়ে মজার কথাটা আমি এখানে বলছে চিনি না। আপনারা যদি একটু খেয়াল করে দেখেন মিথ্যা বলার পরে হচ্ছে হালকা একটা স্মাইল ফেস চলে আসে। এটা আমি আমার রিসার্চও খুব বেশি পাচ্ছি। মানে মিথ্যা বলার পর অল্প সময়ের জন্য খুব
81:44
Speaker A
স্মাইল একটা ফেস চলে আসে বা মুখটাকে আপনার ফেসটাকে ইনোসেন্ট বানায় ফেলা যেটা আমার রিসার্চে যখন পাবলিকশন হবে দেখা যাবে খুব পিক লেভেলে হচ্ছে যে পাচ্ছি অর্থাৎ যে সে মিথ্যা বলে মুখ একটা চেহারাটাকে ইনোসেন্ট বানা ফেলবা তুমি নরমাল কথা বলতেছে এত
82:00
Speaker A
চেহারা ইমোশন মানে ইনোসেন্ট বানানোর বিষয়টা কেন অতএব এখানের মধ্যে দেখেন সে একটা মিথ্যা বলার পরে সুন্দর মতন হচ্ছে স্মাইল একটা দিয়ে দিছে আপনি দেখেন সুন্দর মতন সে কথার মধ্যে স্মাইল আসলে ভিডিওগুলা এনালাইসিস করতে হলে আপনাকে কখনো সাউন্ড ছাড়া শুনতে হয় কখনো পয়েন্টফাইভ দিয়ে
82:15
Speaker A
শুনতে হয় তারপরে ভিডিওগুলো কি বলতে চাচ্ছে আপনি বুঝতে পারবেন এটার ভিতরে ডাল রাখছি দেখেন সে তার কিন্তু ফোরহেডটা অনেক মানে বাজ হয়ে যাচ্ছে কপালটাকে এবং এখানে আমরা দুই ব্রোর মধ্যেখানে গ্লাবেলা বলি এখানের মধ্যে খুব চাপ আসতেছে এই সেই বিষয়টা আমরা দেখা
82:34
Speaker A
যাচ্ছে ফ্রেশের বস্তায় ডল নাই এখানে এখানে দেখেন ফেসের বস্তায় দাল নাই। এ কথা বলার পরে সে আস্তে কথাটা আটকে আটকে গেছে। মানে কথা হচ্ছে টান হচ্ছে মিলাইতে পারতেছে না। সে এদিকে হচ্ছে বলতেছে হচ্ছে যে ফেসের বস্তায় ডাল নাই। আমাদের কাছে
82:50
Speaker A
সামথিং আছে। কিন্তু ফ্লোটা ঠিকমতন ছিল না। বস্তা থেকে ডাইল রাখতে হয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি সেলাই করা। এটা কি আমাদের কাছে সেলাই মেশিন আছে না?
83:03
Speaker A
এখানের মধ্যে দেখেন আমাদের কাছে সেলাই মেশিন আছে না? কনভিন্সিং অর্থাৎ সে কনভিন্স করা চাচ্ছে। কিন্তু আপনি এই সময় যদি একটু ভিডিওগুলো পজ পজ করে দেখেন তার একটা হচ্ছে ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন একবার স্যাড কারণ সে তো একটা মিথ্যা কথা বলছে এই
83:15
Speaker A
এই দেখেন বলার পর হচ্ছে দেখেন এই এখন যে চোখ এবং ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন আপনাদেরকে হালকা একটু ভয় পাচ্ছে এগুলো তো আমরা পজ পজ করে দেখার কারণে হচ্ছে চলে যাচ্ছে এখন যারা এরা কাজ করে যারা খুব এনালিস্ট এরা তো অল্পতে ম্যানুয়ালি দেখে বুঝা যায় বাট
83:28
Speaker A
এগুলো মূলত আমরা ভিডিও এনালাইসিস করে হচ্ছে যে মানুষকে দেখে বা বুঝার চেষ্টা করি এখন এখানে এই খুলে দেখেন এই খুলে দেখার পর তো সে কনভেন্স আপনি খুলে দেখেন এরকম একদম কনভিন্স করতেছে কিন্তু এর পরবর্তী আমরা এখন যেখানে পজ দিছি সে খাওয়ার আগে দেখেন
83:44
Speaker A
ফেসটা কিন্তু হচ্ছে যে কনভিন্সিং ফেস না মানে একটা হালকা ভয় পাচ্ছে আপনি চোখগুলোর দিকে তাকান আপনাদের একটা টেস্ট দিয়ে দিই আপনার ইমোশন টেস্ট থ্রু আই অর্থাৎ শুধু চোখের হচ্ছে পজিশন দেখে আপনার কার কি ইমোশন এরকম আপনি অনলাইনে হচ্ছে সার্চ করলে
84:02
Speaker A
প্রায় 36 টার মতন হচ্ছে এরকম ছবি পাবে আপনি কনচোখ টা দেখে হচ্ছে কোন ধরনের ইমোশন হয়। আপনি এরকম একটা টেস্ট করেন। এরতো ওই টেস্টটা যেন খুব একুরেট এমনটা না। বাট আপনি একটু বুঝতে পারবেন অনলি শুধু চোখ এবং ব্রু দেখে যেন ইমোশনটাকে ডিটেক্ট করা যায়।
84:15
Speaker A
অতএব ওটাও অনেক কিছু আছে। আপনারা এখন তো অনেক কিছু জানতে মন চাচ্ছে সে জায়গাটা হচ্ছে করতে পারেন। আর অনলাইনে অনেক এই রিলেটেড জোন আবার অনেকের বই আছে ভিডিও আছে। আর শিখতে চাইলে তো আমি আছি। আপনি শিখতে চা আপনি হচ্ছে দেখতে চাইলে তো
84:34
Speaker A
আসেন এভাবে কনভিন্স করে আমরা বলছি না কনভিন্সিংটা অনেক বেশি হচ্ছে থাকবে সেজন্য হচ্ছে আপনি আসেন দেখেন এর পরবর্তীতে স্টেটমেন্ট এনালাইসিসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ পরে দেখেন কি বলে আপনারা একটু সাইড হন তখন একটু আগে বলতেছে আপনারা আসেন দেখেন আবার এখন যখন চেক করতে
84:55
Speaker A
গেছে তখন বলতেছে কি আপনারা একটু সাইড হন আমাকে বিজনেস করতে দিবেন না। এটা আপনি গ্রাম বাংলার একটা উদাহরণ হচ্ছে যদি দেখেন আপনার দাদা-দাদী বা আশপাশে কেউ যখন ঝগড়ায় হেরে যাচ্ছে তখন এমন একটা কথা বলব হচ্ছে যে তোরা আমারে গুরুত্ব দেস না এই করস না।
85:10
Speaker A
অর্থাৎ কনটেক্সটে চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। এতক্ষন বলছে আপনি দেখেন এই করেন। এখন বলতেছেন আমাকে আপনারা বিজনেস করতে দিবেন। আপনারা এখানে দাঁড়ায় আছেন কেন? যখন ধরা খাচ্ছে তখন কিন্তু কনটেক্সট আস্তে আস্তে চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। আপনারা এইভাবে লোক দাড়া থাকে তাহলে কেমনে
85:26
Speaker A
হইবে না। কেতা গেটা তো কিনতে গেলে পিছলে হবে একটু সাইড হন একটু সাইড হন আমার দোকানটা ছাইড়া দেন এরকম হবে এটা এটা কি ডাল এই কথাটার মধ্যে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে দেখেন সে যখন হচ্ছে যে গিয়েছিল এতক্ষন হচ্ছে তার এখানের মধ্যে
85:42
Speaker A
আপনি পুরা ভিডিওটা দেখেন সে বারবার ডক গিলতেছে অর্থাৎ আচার কাছে কিন্তু ডক গিলের পরিমাণটা বেশি যখন মানুষ মিথ্যা বলে তার লালাখরণটা বেড়ে যায় যার জন্য লিকিংটা ডক গিলেটা অনেক বেড়ে যায় বাট আগে বলছে ভেজল্যান্ড বিহেভিয়ার আগে আইডেন্টিফাই আগে জানতে হবে মানে হুট করে আরেকজনের
85:58
Speaker A
ঢুকতে এখানের মধ্যে হচ্ছে যে এবার দেখেন এখানে ডাল যখন বলছে হ্যাঁ সে বলছে এখন দেখেন এতক্ষণ বডির মধ্যে তার এনার্জি ছিল কিন্তু এখন ঠিকমতন এনার্জি নাই সে হাতটা তার পেটের মধ্যে রেখে নি সেলফ টাচিংটা করে নিজেকে কমফর্ট জুন করার ট্রাই করতে যারা
86:10
Speaker A
মিথ্যা বলে স্ট্রেস হয় তখন এভাবে হাতের জয়েন্টগুলো হচ্ছে তারা টাচ করে থাকে এভাবে আমরা আসলে মূলত বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এনালাইসিস ইন্টারন্যাশনালি করে থাকে যেটা ইউএসএ ইউকেবি বা ইন্টেলিজেন্স বাংলাদেশে আমি মাত্র শিখাচ্ছি এখন যদি আগামী পাঁচ 10 বছরের মধ্যে আমি 20 30,000 যদি লোকদেরকে
86:27
Speaker A
শিখাতে পারি পুলিশ ইন্টেলিজেন্স আশা করি আমরা রে‍্যাপিড একটা চেঞ্জ পাবো। অলরাইট ভাইয়া আপনার কাছে ওভারঅল আজকে মনে করেন আমাদের অডিয়েন্স শুনতেছে অনেক স্টুডেন্টরা শুনতেছে অনেক ফ্যামিলি মেম্বারস তারা হয়তোবা এই জায়গা থেকে বেশ কিছু আইডিয়াস পাবে তাদের রিলেশনশিপ গুলোকে
86:43
Speaker A
আরো বেটার করার জন্য। সো সবকিছু মিলিয়ে যদি ওভারঅল কোন সাজেশন লাস্ট এন্ডিং রিমার্ক প্লিজ। একটা হলো আপনার লাইফের মূল্যবোধ ফাইনাল গোলটাকে আপনি সেটা একটু ফিক্স করেন। সেটা হল আপনি লাইফে কি চান? যদি আপনার আখেরাত বেশি ফোকাস হয়ে থাকে তাহলে হালাল হারাম
87:00
Speaker A
অনুযায়ী চললে আপনার লাইফে অনেক ক্ষেত্রে মেজরিটি সাকসেস আপনাকে স্যাক্রিফাইস করে যেতে হবে। কারণ আমি বলব আমাদের ইসলামিক স্কলাররা ফতুয়ার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে। কিন্তু হল উনারা আমাদের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে পারে নাই। ইসলামে আপনি 100% হালাল ভাবে কোন ব্যবসা করে যাবেন এটা খুব
87:15
Speaker A
কঠিন। অতএব হচ্ছে আপনার অল্পতে সন্তুষ্ট থাকাটা যদি শিখতে পারেন এবং লাইফে হচ্ছে অনেক ফ্যান্টাসি যেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখেন ওই ফ্যান্টাসি জগতটা থেকে যদি ফিরে এসে আপনি স্বাভাবিক একদম নরমাল হেলদি লাইফস্টাইল বোরিং লাইফস্টাইলে সন্তুষ্ট থাকেন তাহলে আপনি লাইফে হ্যাপি থাকবেন। আর
87:31
Speaker A
লাইফে যখন অপূর্ণতা মনে বা আমার এটা চায় ওটা চায় তাহলে আপনার আমি ওয়েলকাম বলব তাইলে এটা চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে নেন যেন এখানের মধ্যে অনেক ফেক অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আপনাকে থাকতে হবে। এজন্য লাইফের গোলটা সিলেক্ট করেন। আপনার কি আখেরাত গুরুত্বপূর্ণ নাকি সংসার গুরুত্বপূর্ণ
87:45
Speaker A
নাকি টাকা গুরুত্বপূর্ণ নাকি হচ্ছে যে সমাজের কাছে নেম ফেম গুরুত্বপূর্ণ এবং ওটার নেগেটিভ বিষয়টা কি সেটার জন্য আপনি মেন্টালি রেডি কিনা সে বিষয়টা একটু খেয়াল রাখবেন থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ সো মাচ আল্লাহতালা আমাদেরকে দুনিয়া আখিরাত সব জায়গায় সাকসেস দিকন আপনাকে আপনার
88:01
Speaker A
কাজগুলোতে আল্লাহ বারাকা দান করুক থ্যাংক ইউ সো মাচ আজকে এতটুকুই সো আপনি কিন্তু এখন ধরে ধরে আবার এপ্লাই করা শুরু করে দিয়েন না হ্যা সামনে কেউ কুচ মিথ্যা বলছে আগে বুঝে নেই হ্যাঁ সিচুয়েশন অনুযায়ী সো ইনশাআল্লাহ ভালো থাকবেন দেখা হবে পরের এপিসোডে
88:15
Speaker A
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
Topics:বডি ল্যাঙ্গুয়েজহিউম্যান বিহেভিয়ারসত্য মিথ্যা নির্ণয়মনোবিজ্ঞানকমিউনিকেশন টিপসক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনহ্যান্ডশেক বিশ্লেষণবাংলা পডকাস্টমোহাম্মদ মিরাজ হোসেনননভার্বাল কমিউনিকেশন

Frequently Asked Questions

কিভাবে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে মানুষের সত্য-মিথ্যা বলা বোঝা যায়?

সত্য কথা বলার সময় চোখের দিক উপরের দিকে থাকে এবং হাতের মুভমেন্ট ওপেন হয়, আর মিথ্যা বলার সময় চোখের দিক পরিবর্তন হয় এবং হাত বন্ধ বা রিজিড থাকে।

হ্যান্ডশেক থেকে কীভাবে একজনের মেন্টালিটি বোঝা যায়?

ডমিনেন্ট মেন্টালিটি থাকা ব্যক্তি সাধারণত হাত উপরের দিকে রেখে শক্ত হ্যান্ডশেক দেয়, আর রিসিপটিভ মেন্টালিটি থাকা ব্যক্তি হাত নিচু রেখে গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করে।

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বিশ্লেষণে বেসলাইন আচরণের গুরুত্ব কী?

বেসলাইন আচরণ জানা না থাকলে সঠিক বিশ্লেষণ করা কঠিন, কারণ এটি ব্যক্তির স্বাভাবিক আচরণ যা থেকে পরিবর্তন বুঝে আসল মনের অবস্থা নির্ণয় করা যায়।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →