Adult ADHD: সব কাজে দেরি আর মেজাজ খিটখিটে? আপনার Adult … — Transcript

বড়দের এডিএইচডির লক্ষণ, প্রভাব ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

Key Takeaways

  • এডিএইচডি বড়দের মধ্যেও ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে এবং এটি একটি নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার।
  • ইম্পালসিভিটি, প্রোকাস্টিনেশন এবং আবেগ প্রবল হওয়া বড়দের এডিএইচডির সাধারণ লক্ষণ।
  • মেয়েদের মধ্যে ইনটেন্টিভ টাইপ এডিএইচডি বেশি দেখা যায়, যা সহজে শনাক্ত হয় না।
  • এডিএইচডি ও অটিজম একসাথে থাকতে পারে, যা চিকিৎসায় বিশেষ মনোযোগ দাবি করে।
  • সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এডিএইচডি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষমতায় বড় প্রভাব ফেলে।

Summary

  • এডিএইচডি শুধু বাচ্চাদের নয়, বড়দের মধ্যেও প্রভাব ফেলে।
  • এডিএইচডির প্রধান উপাদান হলো টেনশন ডেফিসিট, হাইপারঅ্যাক্টিভিটি এবং ইম্পালসিভিটি।
  • বড়দের এডিএইচডিতে কাজ শুরু করতে না পারা, দেরি হওয়া, দ্রুত রেগে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
  • এডিএইচডি একটি নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার যা ছোটবেলা থেকেই শুরু হয়।
  • মেয়েদের মধ্যে ইনটেন্টিভ টাইপ এডিএইচডি বেশি দেখা যায়, যেখানে হাইপারঅ্যাক্টিভিটি কম থাকে।
  • এডিএইচডি ও অটিজম একসাথে থাকতে পারে, যা কোঅকারেন্স নামে পরিচিত।
  • এডিএইচডির কারণে ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট, টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
  • এডিএইচডির লক্ষণ হিসেবে ভুলে যাওয়া, ডিসঅর্গানাইজেশন এবং ফোকাসের সমস্যা গুরুত্বপূর্ণ।
  • বড়দের এডিএইচডির সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রয়োজন, যা আগে কম ছিল।
  • সেলফ টেস্টের মাধ্যমে নিজেই লক্ষণ বুঝতে পারা সম্ভব এবং সাহায্য নেওয়া উচিত।

Full Transcript — Download SRT & Markdown

00:00
Speaker A
এডিএইচডি কথাটার মানে হচ্ছে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার। এডিএইচডি আমরা মূলত ভাবি যে শুধু বাচ্চাদেরই হয়। এটা বড়দের মধ্যেও কিভাবে প্রভাব ফেলছে আজকাল? অ্যাটেনশন ডেফিসিট তার সঙ্গে ইম্পালসিভিটি। [মিউজিক] আর কারোর হতে পারে তিনটি। টেনশন, ডেফিসিট, হাইপারঅ্যাক্টিভিটি, ইম্পালসিভিটি। অনেকেই একটা কাজ শুরু করবেন করবেন ভাবছেন, কিন্তু
00:22
Speaker A
সে কাজটা শুরু করে উঠতে পারেন না। এটা আমার করা খুব দরকার। দিস ইম্পর্টেন্ট ফর মি। কিন্তু আমি কিছুতেই করছি না। কেউ খুব অল্পতেই রেগে গেল। আবার খুব ছোট একটা জিনিসে খুব কষ্ট পেয়ে গেল। খুব দ্রুত ডিসিশন নিয়ে কাজটা করে ফেলছি এবং এটা
00:37
Speaker A
অনেক সময় আমার ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টেও হতে পারে। বড়দের এডিএইচডির আর কোন কোন আর কি লক্ষণগুলো থাকে? এটা মেয়েদের মধ্যে বেশি। অটিজম আর এডিএইচডিটা কি একই সাথে চলে? সেলফ টেস্ট যেটা একজন নিজেই বুঝতে পারে যে আমি আমার এডিএইচডির লক্ষণগুলো রয়েছে। অনেকেই না
00:53
Speaker A
বলতে পারে না। কি করে না বলাটা শিখতে হবে? দুটো কিন্তু একই মানুষের মধ্যে একসঙ্গে [মিউজিক] থাকতে পারে। মানে যেটাকে আমরা বলি কোঅকারেন্স। আমি কিন্তু সেই মানুষটাকে না বলছি না। তার কোন রিকোয়েস্ট বা তার কোন ইচ্ছেকে না বলছি। বাচ্চা হোক বড় হোক
01:09
Speaker A
মোটামুটি সাড়ে ছয় থেকে সাত ঘন্টা। এটা সবার এই ঘুমটা ভীষণ দরকার। আপনার কি বারবার মনে হয় অনেক কাজ জমে যাচ্ছে? কাজ শুরু করবো করবো করে শুরু করে ওঠা হচ্ছে না? কিংবা অফিসের জরুরি মিটিং। আপনার মনটা অন্যদিকে। এমন হলে কনসেন্ট্রেশন প্রবলেম বলে বিষয়টাকে
01:29
Speaker A
এড়িয়ে যাবেন না। শুধু ছোটদেরই যেই সমস্যা হয় তা নয়, বড়দেরও হচ্ছে এডিএইচডি। ওয়াল আরোগ্যর নতুন হেলথ টকে আমি জিনিয়া। আমার সঙ্গে রয়েছেন আরজিকর মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রিক বিভাগের প্রধান ডক্টর পায়েল তালুকদার। ওয়েলকাম ম্যাডাম। ধন্যবাদ। ম্যামের কাছে আমার প্রথম প্রশ্ন সেটা
01:49
Speaker A
হচ্ছে যে এডিএইচডি আমরা মূলত ভাবি যে শুধু বাচ্চাদেরই হয়। এটা বড়দের মধ্যেও কিভাবে প্রভাব ফেলছে আজকাল? এডিএইচডি কথাটার মানে হচ্ছে টেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার ফুল ফর্মটা। এবার এটা কি কিভাবে হতে পারে? কারোর হতে পারে শুধু টেনশন ডেফিসিট। কারোর হতে পারে টেনশন ডেফিসিট
02:09
Speaker A
তার সঙ্গে ইম্পালসিভিটি। আর কারোর হতে পারে তিনটি। তাহলে টেনশন ডেফিসিট, হাইপারঅ্যাক্টিভিটি, ইম্পালসিভিটি। তো এটা একচুয়ালি আমরা বলি নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার। তার মানে এটার শুরু হচ্ছে ছোট বয়স থেকেই চাইল্ডহুড অন সেট। এবার সেই সময় অনেক সময় দেখা যাচ্ছে যে ধরা পড়ছে
02:29
Speaker A
না বাবা মা বা অন্য কেউ, স্কুলের টিচাররা এটা ঠিক ধরতে পারছেন না, ফলে বাচ্চাটা এটা নিয়েই বড় হচ্ছে স্ট্রাগল করে করে এবং সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বড় যখন হচ্ছে তখন তার অনেক অসুবিধা থেকে যাচ্ছে। পরে সেগুলো এখন যেমন আমরা ডায়াগনোসিস করতে শিখেছি,
02:47
Speaker A
আমরা গাইডলাইন তৈরি করেছি। আজ থেকে ২০-২৫ বছর আগে এগুলো ছিল না এবং আমরা এটা দেখি অনেক সময় বাচ্চারা আসে যখন, তখন আমরা তাদের যখন বাবামার হিস্ট্রি টা নিতেবল ডিসঅর্ডার ফ্যামিলিতে রান করে, তখন দেখা যাচ্ছে তার বাবা মা বলছে কেউ একজন কারোর
03:07
Speaker A
তখন উনি বলছেন হ্যাঁ, আমার তো এগুলো খুব হতো। আমি ছোটবেলায় অনেক এইটা নিয়ে স্ট্রাগল করেছি। আমি চেষ্টা করেছি, আমি আমার নিজের ভুল সোধরানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমাকে কেউ হেল্প করেনি আর আমার বাবামার পক্ষেও সম্ভব হয়নি এগুলো বোঝা তখন তো
03:21
Speaker A
এগুলোর কোন ট্রিটমেন্ট ছিল না। তো সেই জায়গাটা হচ্ছে এটা শুরু হলো ছোটবেলা থেকেই। তারপরে বয়স সন্ধি, এডলেসেন্স পেরিয়ে এটা এডাল্টহুডেও ঢুকে গেল। যেটাকে আমরা বলে বলি এডাল্ট এডিএসডি। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা দেখি অনেকেই একটা কাজ শুরু করবেন করবেন ভাবছেন, কিন্তু সে কাজটা শুরু
03:38
Speaker A
করে উঠতে পারেন না। কিংবা কোন কাজ সময় শেষও করতে পারেন না। এই যে বিষয়টা এটা কি একটা এডিএইচডি আছে একজনের সেটাই নির্দেশ করে? এটা নিয়ে এখন খুব চর্চা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশন কথাটা বাংলা করলে হয়তো দেখা যাবে যে বিলম্ব করা বা
03:57
Speaker A
আমরা একটা কথা খুব ইউজ করি গড়ি মশি। হ্যা, এই গড়িমশি করার ব্যাপারটা কি যে করছে সে কিন্তু খুব ভালো জানে যে এটা আমার করা খুব দরকার। দিস ইম্পর্টেন্ট ফর মি, কিন্তু আমি কিছুতেই করছি না এবং করছি না, করছি না করতে করতে
04:13
Speaker A
অনেক দেরি করছি। প্রথমে আমি এভয়েড করছি, তারপরে আমার এংজাইটি হওয়া শুরু হচ্ছে। মানে আমার যে কাজটা ছ দিনে করার কথা আমি সেটা ছ ঘন্টায় লাস্টে করছি। তার মানে কি?
04:24
Speaker A
আমার সেই সময়টা কাজটাও অত ভালো হচ্ছে না। লাস্টে আমার প্রচন্ড এনজাইটি হচ্ছে। এই জায়গাটা কিন্তু এই জিনিসগুলো এডিএসডিতে কিন্তু খুব বেশি হয় এবং আমরা এডাল্ট এডিএসডিতে এগুলো পাই। কেন? না তখন আমাদের জীবনটা অন্যরকম। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটির পার্ট শেষ। তখন অনেকটা সময়
04:42
Speaker A
আমাদের প্রায় তখন আমরা ২৫ এর উপরে বয়স, কেউ ৩০ ক্রস করেছি। তখন আমরা দেখি আমাদের বাড়ির একটা প্রেসার, ফ্যামিলির প্রেসার, কাজের জায়গার প্রেসার, সেখানে আমার অ্যাসাইনমেন্ট আছে, আমার ডেডলাইন আছে। আমাকে এই টাইমের মধ্যে এটা জমা দিতে হবে। তখন এই প্রোকাস্টিনেশনটা কিন্তু খুব
05:00
Speaker A
সমস্যা তৈরি করে দেয়। এবং এটা এডাল্ট এডিএসডির একটা খুব ইম্পর্টেন্ট এরিয়া। অনেককে অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখা যায় কেউ খুব অল্পতেই রেগে গেল। আবার খুব ছোট একটা জিনিসে খুব কষ্ট পেয়ে গেল। এই যে একটা আবেগ প্রবল হওয়া, এটাকে আমরা অনেক সময় খুব
05:17
Speaker A
অনেককে আবেগী বলে বলে থাকি। কিন্তু সেটা কি একটা অসুখকে মানে এটা কি এটা অসুখ?
05:24
Speaker A
এটাকে আমরা অনেক সময় বলি চট করে রেগে যাওয়া যে ব্যাপারটা ইম্পালসিভ হয়ে যাওয়া। তো এই ইম্পালসিভিটি আমি যখন যেটা বললাম না, এডিএসডির একটা কম্পোনেন্ট হচ্ছে ইম্পালসিভিটি। এবার এই ইম্পালসিভিটি অনেকভাবে আসতে পারে। মানে একটা বাচ্চা যখন ইম্পালসিভ হয় তখন দেখা যায় তাকে স্কুলে
05:40
Speaker A
লাইনে দাঁড়াতে বলা হয়েছে। সে কিছুতেই লাইনে দাঁড়াবে না, সে লাইন ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে। তাকে মিস ক্লাসে একটা পড়া জিজ্ঞেস করছেসারটা মানে তার কোশ্চেনটা শেষ হওয়ার আগে সেসারটা দিয়ে ফেলছে। আচ্ছা, এইবার বড় হয়েও সেটা কি হচ্ছে যে আমি অন্য একজন কথা বলছি, আমি তার কথার মধ্যে
05:57
Speaker A
ঢুকে পড়লাম। এমনি হয় যেটা এডিএসডি একটু মানে এই ধরনের মানুষরা একটু বেশি কথা বলে, বেশি কথা বলে, ফলে হচ্ছে কি বেশি কথা বলতে গিয়ে অনেক সময় একটু মানে অন্যরকম কথা হয়ে যায়, যেটা হয়তো যাকে বলছে তার পছন্দ না হতে
06:13
Speaker A
সেই কারণে একটা করল, সেটা তার ভালো লাগল না, সেটা সে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করে এবং এই ইম্পালসিভিটিটা যেমন কথা বলার ক্ষেত্রে হয়, কাজের ক্ষেত্রে হয়। আমি হট করে এমন একটা কাজ করে ফেললাম, ভাবলাম না, মানে ইম্পালসিভিটি ব্যাপারটা কি যে আমি পরবর্তী
06:28
Speaker A
কি কি খারাপ হতে পারে সেটা ভাবছি না, ভেবেই খুব দ্রুত ডিসিশন নিয়ে কাজটা করে ফেলছি এবং এটা অনেক সময় আমার ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টেও হতে পারে। মানে আমি খুব একটা জিনিস কিনে ফেললাম, তারপরে আমি ভাবছি আমি কেন কিনলাম, এটা তো আমার কাজে আসবে না।
06:44
Speaker A
মানে এটা ফিনান্সিয়াল ক্ষেত্রে, টাইম ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে, মানুষের সঙ্গে বিহেভিয়ারের ক্ষেত্রে এবং আমার কাজের ক্ষেত্রে সব জায়গায় ইম্পালসিভিটি কিন্তু খুব ইম্পর্টেন্ট একটা জায়গা। আচ্ছা আচ্ছা, এই যে দেরি হওয়া, কাজে এই ধরনের খেয়ে হারিয়ে ফেলা, বেগি হওয়া এগুলো ছাড়াও, মানে এডিএইচডি বড়দের এডিএইচডির আর কোন
07:04
Speaker A
কোন আর কি লক্ষণগুলো থাকে যেগুলো দেখলে আমরা বুঝবো? এবার এটা হচ্ছে যে ইনটেন্টিভনেস। আমরা এটাই খুব আগে থেকে হাইলাইট করতে চাই যে ইনটেন্টিভনেস শুধু কিন্তু থাকতে পারে, সেটাও এডিএসডি টাইপ অফ এডিএস এবং এটা দেখা গেছে অদ্ভুতভাবে এটা মেয়েদের মধ্যে বেশি।
07:23
Speaker A
মানে তার কিন্তু হাইপারঅ্যাক্টিভিটি নেই, তার ইমপ্যাক্টিও নেই, শুধু একটাই। মানে কি সে ক্লাসে বসে আছে, ছোট বাচ্চার যে হয়তো মিডল স্কুলে পড়ে, সে তাকে মিস হয়তো পড়া দিয়েছে, লেখা দিয়েছে, সে জানলার দিকে তাকিয়ে ডে ড্রিমিং করছে। তাকে একটা এক
07:41
Speaker A
পাতা কি দু পাতা লিখতে হবে, সে দু চার লাইন লিখে ছেড়ে দিয়ে বসে আছে। আচ্ছা, তার একটা কাজ আছে যেটার কিছু পরপর স্টেপ আছে, ডিসঅর্গানাইজেশন, যেটাকে আমরা বলি যে একটা কাজ করতে গেলে তাকে কিছু কিছু ছোট ছোট স্টেপে ভাগ করে নিতে হয়, তারপরে সেই
07:54
Speaker A
কাজটা করতে হয়। সেটা সে পুরো করতে পারলো না, সেখানে কিছু ভুল ভ্রান্তি হয়ে গেল। অংক করতে গিয়ে রাফ থেকে আবার ফেয়ারে তুলতে গিয়ে ভুল হয়ে গেল। দি ভেরি কমন এবং এইটা কিন্তু অনেক সময় এড্রেস হয় না। কেন এড্রেস হয় না? যখন একটা বাচ্চা
08:11
Speaker A
হাইপারঅ্যাক্টিভ থাকে না, তখন সে কি করে? বাচ্চা হোক বড়ই হোক ছটপট ছটপট করতে থাকে। ক্লাসে এখান থেকে ওখানে যাচ্ছে। একটা কি হয়? ডিসরাপশন তৈরি হয়ে যায়। ক্লাসের মধ্যে একটা এডিএসডি বাচ্চা থাকা মানে মানে মিস ওকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে যায়। এই তুমি বস
08:25
Speaker A
উঠছো কেন? বেরিয়ে যাচ্ছ কেন? ওকে ডিস্টার্ব করছো কেন? কিন্তু একজন ইনটেন্টিভ বাচ্চা তার কিন্তু শুধু নিজেরই অসুবিধা হয়। তার অসুবিধাটা আর কেউ বুঝতে পারে না। কারণ সে লিখছে না, জানা জিনিস করে আসছে না। সেটার জন্য বকা খাচ্ছে। সেটার জন্য কিন্তু সে ট্রাইও করে। নিজেকে
08:42
Speaker A
মডিফাই করার চেষ্টা করে, কারেক্ট করার চেষ্টা করে, আরো বেশি সময় পড়ার চেষ্টা করে। সেইজন্য এটা না কারো চোখে পড়ে না। এবার এইটাই যখন আস্তে আস্তে তার এডাল্টহে চলে গেল, তখন দেখা যাচ্ছে তার অফিসের কাজে অসুবিধা হচ্ছে। বাড়ির কাজে প্রবলেম
08:57
Speaker A
হচ্ছে। সেই জায়গাগুলো না পুরো ম্যানেজ করতে পারছে না। খুব ইম্পর্টেন্ট জিনিস ভুলে যাচ্ছে। কোথায় চাবি ফেলে দিল, কোথায় মোবাইল দেখে চলে এলো। ইভেন এটাও হয় যে ইন্টারভিউ ডেট ভুলে গেছে। পরের দিন ইন্টারভিউ দিতে গেছে। এটাও হয়। ফরগেটফুলনেস খুব বেশি এদের। ডে টু ডে
09:15
Speaker A
লাইফটাকেও খুব হ্যাম্পার করে। ওয়ার্ক লাইফ। ফ্যামিলি লাইফ ভীষণ হ্যাম্পার হয়। কমিটমেন্ট ভুলে গেছে। খুব ইম্পর্টেন্ট কমিটমেন্ট। এবং সেটা ফ্
09:31
Speaker A
করছে ও [নাক ডাকা] দুষ্টুমি করছে এই বাচ্চাটা খুব দুষ্টু আসলে বাচ্চাটা খুব ট্রাই করে একটা সিটে বসার বসে থাকার কিন্তু সে পারে না উঠে পড়ে একটু দৌড়ে এলে সে আবার একটু বসে পড়তে পারে এটা আমাদের একটু বুঝতে হবে মানে এটা আমরা যেটা বলি যে
09:46
Speaker A
একটা বাচ্চা তার তো দুটো জায়গা বাড়ি আর স্কুল এবার বাড়িতে আমরা হয়তো গার্জেনকে বোঝাচ্ছি যে আপনি এইভাবে বুঝুন রোগটা বোঝার চেষ্টা করুন এইভাবে তাকে থেরাপিতে আনতে হবে এইভাবে তাকে স্ট্রাকচার করতে তাকে একটা রুটিনের মধ্যে আনতে হবে। সেম জিনিস কিন্তু ক্লাসেও দরকার। টিচারকে এটার
10:03
Speaker A
মধ্যে ইনভলভ হতে হবে। এতক্ষণ তো বড়দের নিয়ে বললেন আমি জানতে চাইছি যে ছোট বাচ্চাদের মধ্যেও এডিএইচডির কি কি লক্ষণ থাকে? মানে আমরা শুনি অটিজম বাচ্চাদের মধ্যে খুব বেড়েছে। এই অটিজম আর এডিএইচডিটা কি একই সাথে চলে? আচ্ছা দুটোই কিন্তু নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার।
10:21
Speaker A
মানে যখন ব্রেন ডেভেলপ করছে তখন। তার মানে কি ছোট থেকেই শুরু। এবার এইটা হচ্ছে অটিজম আর এডিএসডি। কিছু কিছু জিনিসের মিল আছে আবার কিছু কিছু জিনিসের মিল নেই। কিন্তু দুটো কিন্তু একই মানুষের মধ্যে একসঙ্গে থাকতে পারে। মানে যেটাকে আমরা বলি
10:38
Speaker A
কোঅকারেন্স। এবার সেক্ষেত্রে কিন্তু ট্রিটমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সবটাই কিন্তু একটু ডিফিকাল্ট হয়ে যায়। এবং আমরা যদি সাসপেক্ট করি তখন আমরা এদের ফুল এনালিসিসটা করি। যেমন অটিজমেরও এনালিসিস করি। এডিএসডিরও এনালিসিস করি। এবং তারপরে আমরা তাকে ম্যানেজমেন্টের দিকে যাই। অনেক সময় মানে দেখি বড়দের মধ্যে একটা প্রবণতা
11:00
Speaker A
থাকে। আপনি যেগুলো বললেন এডিএইচডি হলে যেগুলো হয় ফ্যামিলিতে ঠিকঠাক গুছিয়ে সবকিছু করে উঠতে পারে না এবং আরো অন্যান্য কিছু তার মধ্যে আরেকটা জিনিসও দেখি অনেকেই না বলতে পারে না। কি করে না বলাটা শিখতে হবে। এটা শুধু এডিএসডি বলে নয়। এটা
11:15
Speaker A
আমাদের প্রত্যেকেরই জীবনে খুব কাজে লাগে। হ্যাঁ এবার ব্যাপারটা হচ্ছে প্রথমে একটা জিনিস বুঝতে হবে আমি যাকে না বলবো বা বলতে হবে সে হয়তো আমার খুব পরিচিত প্রিয়জন বাড়ির লোক বা বন্ধু অনেক কেউ হতে পারে অফিস কলিগ [নাক ডাকা]
11:32
Speaker A
দুটোকে আলাদা করতে হবে আমি কিন্তু সেই মানুষটাকে না বলছি না তার কোন রিকোয়েস্ট বা তার কোন ইচ্ছেকে না বলছি এবং আমাদের সেটা ঠিক করে নিতে হবে যে আমরা না বলব এবার আমাকে সেটা কনফিডেন্টলি সেটা বলতে হবে এবং বলার সময় তাকে সেইভাবে বলতে হবে
11:49
Speaker A
যে দেখো আমি বুঝতে পারছি তোমার এটা খুব দরকার মানে এস ফর এক্সাম্পল বলছি [গলা পরিষ্কার করা] যে তোমার এটা খুব দরকার কিন্তু আমি না পারছি না এখন এবার যেটা বলা হয় যে কারণ আপনি বলতেও পারেন নাও পারেন যদি আপনার মনে হয় যে আমার এই
12:04
Speaker A
মুহূর্তে এই অসুবিধাটা আছে তাই আমি পারছি না আমি হয়তো নেক্সট টাইম তোমাকে হেল্প করব এই জায়গাটা খুব বেশি আমরা যেটা বলি খুব বেশি ক্ষমা চাওয়ারও দরকার নেই যে আমি পারলাম না ভাই আমি ভেরি সরি এত কিছু বলার দরকার নেই। আবার যে অনেক কারণ দেখানো দেখো
12:20
Speaker A
আমার এই এই কারণ এই এই জন্য আমি পারছি না। এত কিছু বলার দরকার নেই। এইগুলো বললে আরো প্রবলেম হয়। আর এটাও বলার দরকার নেই যে আমি একটু ভেবে দেখছি। আমার যখন না বলতে হবে তখন কিন্তু বলতে হবে। এই জায়গাটা।
12:34
Speaker A
যেমন আমি একটা এক্সাম্পল দিই। খুব কমন একটা পার্টি সেটিং এ ড্রিংক করতে চায় না। বা সে জানে আমার কিছু সমস্যা হয়ে যাবে। কিন্তু এমন একটা ব্যাপার, এমন বন্ধু, এমন গ্যাদারিং ভীষণ রিকোয়েস্ট আসছে। তো এক্ষেত্রে আমরা যেটা বলি আপনি শুধু জাস্ট
12:53
Speaker A
একটা কথা বলে দেবেন যে আই এম নট এ ড্রিংকার। আচ্ছা। শুধু এই কথাটা বলে দিলে আমার মনে হয় না আর কেউ খুব বেশি রিকোয়েস্ট করবে। মানে এটা যদি সে বলতে চায় আমি না জানিস তো এইরকম খেয়েছিলাম তারপরে আমার এই হয়েছিল।
13:07
Speaker A
ওই প্রবলেম এগুলো বলতে গেলেই মুশকিল হবে। জাস্ট সিম্পলি আইম নট এ ড্রিংকার। এইটুকু বলে ছেড়ে দিলে মানে এটা হল কি? আমি খুব পোলাইটলি বললাম। হুম। কোন হার্সনেস নেই তার মধ্যে। খুব রেসপেক্টফুলি বললাম। এটাও হচ্ছে না বলাটার মধ্যে এটাও থাকবে। আমার এসার্টটিভনেস
13:23
Speaker A
থাকবে। কিন্তু যেন পোলাইটনেসটা নষ্ট না হয়। আমি খুব রুডলি বলবো না। কিন্তু খুব সুন্দর করে কথাটা বলব। যাতে যাকে বলব তার খারাপ লাগবে না। কিন্তু তারপরে সে দ্বিতীয়বার আমাকে আর রিকোয়েস্ট করবে না। আচ্ছা ছোটদের তো ঘুমেরও প্রবলেম হয়।
13:37
Speaker A
শুনেছি এডিএইচডি। বড়দের মধ্যেও কি অনেক মানে এখন তো ট্রেসের জন্য বলে সবার ঘুম হচ্ছে না। এই ট্রেস কখন? কখন এডিএইচডি এটা বুঝবে কি করে একজন এমনি ঘুমের সমস্যাটা এডিএইচডি যখন বাচ্চাদের মধ্যে আমরা প্রথম দেখি তখনও কিন্তু প্রায় মোর 80স এডিএসডি
13:52
Speaker A
বাচ্চাদের কিন্তু ঘুমের সমস্যা থাকে স্লিপ ইসু থাকে এবং এইটা সবসময় হাইলাইট করা উচিত কারণ আমরা ভাবি কি যে ঘুমের মধ্যে আমাদের রেস্ট হয় তো আমাদের বডিটা রেস্ট ব্রেন রেস্ট পায় এরকম ভাবি কিন্তু একচুি ব্রেন চলতে থাকে এই যে আমরা সারাদিন
14:08
Speaker A
পড়াশোনা করি বাচ্চারাও পড়াশোনা করে এইটা কিন্তু পড়াশোনাটার যে মেমোরির জায়গাটা মেমোরিটা কিন্তু আমরা যেটাকে ল্যাঙ্গুয়েজটা বলি কনসলিডেশন অফ মেমোরি বা মেমোরি স্টোরেজ এইটা কিন্তু ঘুমের সময় হয়। [নাক ডাকা] আরেকটা খুব ইম্পর্টেন্ট জিনিস হচ্ছে যে আমরা এযে ধরুন সারাদিন
14:26
Speaker A
খাচ্ছি দাচছি ঘুরছি এসব করছি আমাদের বডিতে কিছু টক্সিক মেটেরিয়াল জমা হয়। সেই টক্সিক মেটেরিয়াল গুলো আমরা যতক্ষণ না ঘুমাবো আমাদের বডি থেকে বেরোবে না। আচ্ছা। সেইজন্য বাচ্চা হোক বড় হোক মোটামুটি সাড়েছয় থেকে সাত ঘন্টা এটা সবার এই ঘুমটা ভীষণ দরকার এবং পরবর্তীকালে এখন
14:45
Speaker A
আমরা দেখছি মানুষের মোবাইলের উপর ডিপেন্ডেন্স এটার সঙ্গে আরেকটা শুধু কথা বলব এই এডিএসডি যাদের আছে না বাচ্চাদেরও হচ্ছে বড়দেরও আরো বেশি এদের খুব তাড়াতাড়ি বোর হয়ে যায় দেখবেন অনেক বাচ্চা সে কিন্তু সব জানে কি কি লিখতে হবে কিন্তু রোজ যদি
15:02
Speaker A
একই জিনিস তাকে লিখতে দেওয়া হয় বা দু পাতা লিখতে দেয় সে তিন লাইন লিখে ছেড়ে দেয়। কারণ তার মনে হয় যে এই জিনিসটা খুব মনোটোনাস। একই রিপিটেটিভ। আমার ভাল লাগছে না। আমার একটু নতুন নতুন কিছু চাই, নোবেলটি চাই,
15:15
Speaker A
চ্যালেঞ্জ চাই। তো এই জায়গাটাই কি হয়? মোবাইল। এবার মোবাইলের পরে হচ্ছে কি? এটাই আমাদের একটা নেশা। ঘুমের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমি ডিনারের পরে মোবাইল স্ক্রল করে যাচ্ছি। করতে করতে রাত দুটো বেজে গেছে। তারপরে আমি ঘুমোতে যাচ্ছি। আমার সকালে
15:30
Speaker A
উঠতে হবে। এই জায়গাটা। সেজন্য স্লিপ ইস্যুটা বাচ্চা হোক বা এডাল্ট এডিএসডি হোক এই জায়গাটা এড্রেস করা উচিত। আচ্ছা বড়দের এডিএইচডিটা যখন ধরা মানে বুঝতে পারছে কিংবা আপনি যেগুলো বললেন শুনে যদি কেউ মনে করে যে এটা আমারও আছে। তাহলে সেক্ষেত্রে
15:47
Speaker A
এডিএসডিটাকে কাটিয়ে ওঠার জন্য কি করে? সেটা কি নিজে থেকেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নাকি এটার জন্য আলাদা কোন চিকিৎসা আছে? একটা এক্সাম্পল দিই। [নাক ডাকা] আমরা গাড়ি দেখেছি ইঞ্জিন জানি। এই ইঞ্জিনের এডিএসডির ইঞ্জিনটা কিন্তু খুব শক্তিশালী। কিন্তু গাড়ি চলতে গেলে আমাদের একটা জিনিস
16:06
Speaker A
খুব দরকার। দ্যাট ইজ ব্রেক। এই ব্রেকটাই কিন্তু এদের প্রবলেম। মানে আপনি ভাবুন গাড়িটা চলছে স্পিডে। তার ব্রেক নেই। তার মানে তার কি হবে?
16:17
Speaker A
রিস্কি এক্সিডেন্ট হবে। পুয়র কন্ট্রোল থাকবে। ম্যানেজ করতে পারবে না। অনেক ঝামেলা বেড়ে যাবে। ব্যাপারটা তাই। আমাদের ব্রেকটা আসে। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স বলে আমাদের ব্রেনের একটা জায়গা আছে যেটা আমাদের ফুল মেচিওর হতে 25 বছর পর্যন্ত সময় লাগে আমরা [নাক ডাকা] ভোটিং রাইট পাই এট এজ অফ
16:36
Speaker A
কিন্তু আমাদের এই যে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স যেখান থেকে আমাদের ধরুন মেমরি টেনশন কনসেন্ট্রেশন জাজমেন্ট আমাদের নতুন নতুন চিন্তাভাবনা এই যে জায়গাগুলো এইটা কিন্তু পুরোটাই আসে প্রিফন্টাল কটেক্স থেকে তো 25 বছর পর্যন্ত এটার ফুল ডেভেলপমেন্ট হতে সময় লাগে তো আমাদের এই
16:55
Speaker A
জায়গা যদি আমরা কখনো বুঝতে পারি বা বাবা মা বুঝতে পারছেন তার বাচ্চা বা এডলেসেন্ট বয়সন্ধির বাচ্চা যে তাদের এই এই সমস্যাগুলো হচ্ছে ভীষণ হাইপারঅক্টিভ থাকছে তারপরে এটেনশন দিতে পারছে না ইম্পালসিভ থাকছে যেগুলো আমি বললাম উত্তর দিয়ে ফেলছে কিছু কাজ করে ফেলছে টাকা পয়সা খরচ করে
17:13
Speaker A
ফেলছে এই জায়গাগুলো যদি থাকে তাহলে কিন্তু অবশ্যই একটু সাইকোলজিস্ট বা সাইকাট্রিস্ট এর হেল্প নেওয়া উচিত কারণ পরবর্তীকালে একটা জিনিস আমরা দেখতে পাবো কোন এডাল্ট পেশেন্টেরর মধ্যে আন্ডার চিভার আপনি হয়তো এটা দেখেছেন বা আমরা যদি একটু খেয়াল করি যে আমাদের মধ্যে এরকম অনেক মানুষ আছেন
17:34
Speaker A
যাদের অনেক পটেনশিয়াল আছে বুদ্ধি অনেক বেশি কিন্তু তারা তাদের ক্যারিয়ারে সেই জায়গাটা পৌঁছাতে পারেননি তারা বারবার জব চেঞ্জ করেছেন। বারবার ডেডলাইন মিস করেছেন। অনেক এমন ভুল করেছেন লাইফে যেটা হয়তো এড়ানো যেত। এই জায়গাগুলোর জন্য এইটা কিন্তু এড্রেস করা উচিত। সেটা
17:54
Speaker A
নিজে যদি চেষ্টা করে একটু কিছু কিছু জায়গায় চেঞ্জেস আনা যায় সেটা ভালো। কিন্তু আমার মনে হয় একটু হেল্পের দরকার আছে। কারণ এটারও অনেক থেরাপি আছে। সবসময় যে ওষুধ লাগে তা নয়। ওষুধ তো আছেই। কিন্তু থেরাপি এবং বাবা মাকে সেই সাইকো
18:09
Speaker A
এডুকেশনটা মানে ডিজিটা কি? কিভাবে আমরা এটাকে নিয়ে চলতে পারি? কেন এটা প্রবলেম? এটা বাচ্চার লেজিনেস নয়। বাচ্চার ইন্টেনশনাল অক্টিভিটি নয়। ওর কিন্তু হেলথ দরকার। ও কিন্তু বাবা মা এবং টিচারের হেল্পটা চাইছে এই জায়গাটা আমাদের বুঝতে হবে নলে বাচ্চাটা খুব হেল্পলেস হয়ে
18:28
Speaker A
যাবে মানে ছোটদের ক্ষেত্রে যেমন টিচার হেল্প করবে বড়দের ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেদের হেল্প করবে বাড়ির লোক সেটা বাবা মা হতে পারে ওয়াইফ হতে পারে কেউ হতে পারে আচ্ছা তো আজকে যারা এই এপিসোডটি দেখছেন তাদের জন্য আপনি যদি বলেন যে ঠিক এই এই
18:43
Speaker A
জিনিসগুলো আপনারা দেখুন তাহলে বুঝতে পারবেন যে আপনারও এডিএইচডি আছেন কিনা। মানে কিছু কি এরকম টেস্ট রয়েছে সেলফ টেস্ট যেটা একজন নিজেই বুঝতে পারে যে আমি আমার এডিএইচডির লক্ষণগুলো রয়েছে তাহলে সেইভাবে পরবর্তী স্টেপটা নেবে সে এটা ডবএর একটা স্কেল আছে এডাল্ট এডিএসডি সেলফ
19:00
Speaker A
রিপোর্ট স্কেল একটা বড় ভার্সন এ কোশ্চেন একটা ছোট ভার্সন ছটা কোশ্চেন তো এটা সবাই নেটে পেয়ে যাবে ফ্রিলি এভেলেবল ওটা দেখলেই বুঝতে পারবে পরপর কোশ্চেনস গুলো দেওয়া আছে এবং একদম নেই থেকে শুরু করে খুব বেশি মাত্রায় আছে এরকম স্কেল করা আছে সেটা যদি
19:17
Speaker A
কেউ করেন তার কাটঅফ দেখে সেটা দিয়ে উনি মনে করতে পারেন যদি যে আমার তো এগুলো সবই হচ্ছে তাহলে উনি ডাক্তারের কাছে যেতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন যে আমাদের রোজকার জীবনে যে ছোট ছোট স্বভাবগুলো রয়েছে তার আড়ালেই কিভাবে
19:32
Speaker A
এডিএইচডি উকি দেয়। আজ আমরা জানলাম এই ধরনের স্বভাবগুলো কারোর মধ্যে থাকলে তাকে কুড়ে বা অলস বলে দাগিয়ে দেওয়ার আগে দরকার সচেতন হওয়া। নমস্কার আপনাকে এত মূল্যবান সময়টা আমাদের দেওয়ার জন্য। আপনাদের যদি এপিসোডটি ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক করুন, কমেন্ট করে আপনাদের
19:54
Speaker A
মতামত জানান আর শেয়ার করুন। আর ততক্ষণ দেখতে থাকুন দা ওয়ার্ল্ড। কারণ খবর এখন এখানেই। নমস্কার।
Topics:এডিএইচডিবড়দের এডিএইচডিইম্পালসিভিটিপ্রোকাস্টিনেশনইনটেন্টিভ টাইপ এডিএইচডিঅটিজমনিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারকনসেন্ট্রেশন সমস্যাফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টটাইম ম্যানেজমেন্ট

Frequently Asked Questions

বড়দের এডিএইচডি কি শুধুমাত্র বাচ্চাদের এডিএইচডির মতোই?

না, বড়দের এডিএইচডি বাচ্চাদের মতোই নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার, তবে এর লক্ষণ ও প্রভাব কিছুটা ভিন্ন ও জটিল হতে পারে।

এডিএইচডির প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?

এডিএইচডির প্রধান লক্ষণ হলো টেনশন ডেফিসিট, হাইপারঅ্যাক্টিভিটি, ইম্পালসিভিটি, প্রোকাস্টিনেশন, দ্রুত রেগে যাওয়া এবং ভুলে যাওয়া।

মেয়েদের মধ্যে এডিএইচডির কোন ধরনের বেশি দেখা যায়?

মেয়েদের মধ্যে ইনটেন্টিভ টাইপ এডিএইচডি বেশি দেখা যায়, যেখানে হাইপারঅ্যাক্টিভিটি কম থাকে এবং তারা বেশি ডে ড্রিমিং ও ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়।

Get More with the Söz AI App

Transcribe recordings, audio files, and YouTube videos — with AI summaries, speaker detection, and unlimited transcriptions.

Or transcribe another YouTube video here →