সুস্থ থাকার জন্য কতক্ষণ ঘুমানো উচিত এবং ঘুমের বিভিন্ন ধাপ ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
Ask about this video. Answers come from its transcript only — with the timestamp, so you can check them.
Generated from the transcript and can be wrong — check the timestamp.
Key Takeaways
- সুস্থ থাকার জন্য বয়স অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য।
- ঘুমের ৯০ মিনিটের সাইকেল মেনে ঘুমানো শরীরের জন্য উপকারী।
- গভীর ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধার ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ।
- নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানো ও ওঠা ঘুমের গুণগত মান বাড়ায়।
- কম ঘুম দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
What the video covers
- ঘুম একটানা নয়, এটি ৯০ মিনিটের সাইকেলে বিভক্ত যা তিনটি ধাপ নিয়ে গঠিত।
- প্রথম ধাপ হলো হালকা ঘুম, যেখানে শরীর ধীরে ধীরে রিল্যাক্স হয় এবং সহজে জাগানো যায়।
- দ্বিতীয় ধাপ গভীর ঘুম, যা শরীরের ক্ষত সারাতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং বাচ্চাদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।
- তৃতীয় ধাপ স্বপ্নের ঘুম, যেখানে মস্তিষ্ক সারাদিনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে।
- বয়স অনুযায়ী ঘুমের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে: নবজাতক থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধদের জন্য আলাদা আলাদা ঘুমের সময়।
- ঘুমের সাইকেল অনুযায়ী ৬, ৭.৫ বা ৯ ঘণ্টার ঘুম সুপারিশ করা হয় যাতে ঘুম ভাঙার সময় মাথা ভারী না লাগে।
- ঘুমের দৈর্ঘ্য ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তাই নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানো ও ওঠা গুরুত্বপূর্ণ।
- কম ঘুম দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- ঘুমকে শরীরের সবচেয়ে সস্তা ওষুধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
- সুস্থ থাকার জন্য ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়া অপরিহার্য।
Full Transcript — Download SRT & Markdown
Speaker A
আমাদের অনেকেরই কিন্তু সকালবেলা ঘুম থেকে উঠার পর মাথাটা ভার ভার লাগে, চোখ জ্বালা করে।
Speaker A
তো আপনার সুস্থ থাকার জন্য আসলে কতক্ষণ ঘুমানো উচিত?
Speaker A
আজকে আমরা সেটা জানার চেষ্টা করব।
Speaker A
তো আমাদের ঘুম কিন্তু আসলে একটানা হয় না।
Speaker A
ঘুমের মধ্যে আমাদের শরীর বারবার এরকম একটা সাইকেলের মধ্য দিয়ে যায়।
Speaker A
তো এই প্রতিটা সাইকেল প্রায় 90 মিনিট বা দেড় ঘণ্টার মতো স্থায়ী হয়।
Speaker A
তো এই সাইকেলে মূলত তিনটা ধাপ আছে।
Speaker A
প্রথমটা হলো লাইট স্লিপ বা হালকা ঘুম।
Speaker A
তো এটা দিয়েই আমাদের ঘুমের শুরু হয়।
Speaker A
এই সময় আমাদের শরীরটা ধীরে ধীরে রিল্যাক্স হতে থাকে।
Speaker A
তখন যদি আপনাকে কেউ ডাকে, আপনি তখন ঘুম থেকে জেগে যাবেন।
Speaker A
দ্বিতীয়টা হলো গভীর ঘুম বা ডিপ স্লিপ।
Speaker A
তো এটাই আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে দরকারি ঘুম।
Speaker A
এই সময় শরীরের যে ড্যামেজগুলো রিপেয়ার করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং বাচ্চাদের শরীরের গ্রোথ হয়।
Speaker A
রাতের শুরুর দিকে এই ঘুমটা বেশি হয়ে থাকে।
Speaker A
আর তৃতীয়টা হলো ভিভিড ড্রিমিং বা স্বপ্নের ঘুম।
Speaker A
তো এই সময় আমাদের মস্তিষ্ক সারাদিনের সব ঘটনাকে গুছিয়ে নেয়।
Speaker A
সারাদিনের মেমোরি নিয়ে আবার কাজ করে।
Speaker A
এই জন্যই দেখবেন আপনার পড়াশোনা বা কাজের পর ভালো ঘুম না হলে আপনার ঠিকঠাক সেটা মনে থাকে না।
Speaker A
রাত যত গভীর হয়, এই ঘুমটাও কিন্তু তত বেশি আসে।
Speaker A
তাই আপনি ভোরের দিকে স্বপ্ন বেশি দেখে থাকেন।
Speaker A
এখন প্রশ্ন, আমাদের সুস্থ থাকার জন্য আসলে কতক্ষণ ঘুমানো উচিত?
Speaker A
তো শিশুদের জন্য যাদের বয়স শূন্য থেকে তিন মাসের মধ্যে, তাদের জন্য 14 থেকে 17 ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
Speaker A
এরপরে শিশু যাদের বয়স এক থেকে দুই বছর, তাদের জন্য 11 থেকে 14 ঘণ্টা।
Speaker A
এবং স্কুলের বাচ্চা যাদের বয়স ছয় থেকে 12 বছর, তাদের জন্য নয় থেকে 12 ঘণ্টা।
Speaker A
কিশোর বয়সে অর্থাৎ 13 থেকে 17 বছর বয়সে আট থেকে 10 ঘণ্টা।
Speaker A
এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে কমপক্ষে সাত ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
Speaker A
আর বয়স যদি 60 এর উপরে হয়, তাহলে উনাদের কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
Speaker A
তো এবার সেই আগের মূল কথাটায় ফেরা যাক।
Speaker A
ঘুমের সাইকেলটা 90 মিনিট বা দেড় ঘণ্টাতে একবার শেষ হয়।
Speaker A
এই চক্রটা শেষ হলে আবার ঘুরে ঘুরে এই সাইকেলটা বারবার আসে।
Speaker A
তো আপনি যখন এই সাইকেলটা একবার ঘুরে আবার এই হালকা ঘুমের স্টেজে আসবেন, তখন যদি আপনি ঘুম থেকে উঠেন, তখন আপনার মাথাটা হালকা লাগবে।
Speaker A
কিন্তু আপনি যদি এই গভীর ঘুমের স্টেজে গিয়ে আপনার ঘুমটা ভেঙে যায়, কোন অ্যালার্মের শব্দে বা কেউ ডেকে উঠালে, তাহলে দেখবেন আপনার সারাদিন একটা ঝিমুনি থাকবে।
Speaker A
তাই চেষ্টা করবেন এরকম 90 মিনিটের গুণিতক বা দেড় ঘণ্টার গুণিতকে অর্থাৎ ছয় ঘণ্টা, সাড়ে সাত ঘণ্টা কিংবা নয় ঘণ্টা ঘুমাতে।
Speaker A
আরেকটা কথা মনে রাখবেন, এই 90 মিনিটের হিসাব কিন্তু সবার জন্য সমান নয়।
Speaker A
কারো একটু বেশি বা কমও হতে পারে।
Speaker A
কিন্তু এক্ষেত্রে একটাই মূল নিয়ম, আপনি নিয়মিত একই সময় ঘুমাবেন, একই সময় উঠবেন।
Speaker A
আপনার শরীর নিজেই বুঝে নেবে আপনার সাইকেলটা কত মিনিটের।
Speaker A
আর কম ঘুম মানে শুধু ক্লান্তি যে এরকম না।
Speaker A
আপনার যদি দীর্ঘদিন কম ঘুমের সমস্যা থাকে, তাহলে আপনার হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি মানসিক সমস্যার ঝুঁকিও কিন্তু বাড়তে পারে।
Speaker A
তাই আপনার ঘুমকে কখনো অবহেলা করবেন না।
Speaker A
এটা আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে সস্তা ওষুধ।
Speaker A
তো সবাই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।
Topics:ঘুমসুস্থতাঘুমের ধাপগভীর ঘুমস্বপ্নের ঘুমঘুমের সময়বয়স অনুযায়ী ঘুমস্বাস্থ্যঘুমের গুরুত্বনিয়মিত ঘুম











